ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়ার নেগেরি সেম্বিলানের সেরেমবান এলাকায় অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় ও বিদেশি নাগরিকসহ ৫৭ জনকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম)। আটকদের মধ্যে ১২ জন বাংলাদেশিও রয়েছেন।
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর ২টায় সেরেমবানের তিনটি স্থানে জেআইএমের পুত্রাজায়া সদর দপ্তরের গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযান বিভাগের কর্মকর্তারা অভিযান চালান। কুয়ালালামপুরে ইন্দোনেশিয়ার দূতাবাসের (কেবিআরআই) কর্মকর্তারাও এতে সহযোগিতা করেন।
অভিবাসন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে ৭ জন স্থানীয়, ৩ জন ইন্দোনেশিয়ার, ১২ জন বাংলাদেশি এবং ৩ জন মিয়ানমারের নাগরিকসহ মোট ৫৭ জনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বয়স ১৯ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে।
তদন্তে জানা গেছে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দৈনিক ও সাপ্তাহিক ভিত্তিতে হোস্টেল ও বাজেট হোটেলে বিদেশি নারীদের অবস্থানের ব্যবস্থা করতো। স্থানীয় ও বিদেশি নাগরিকদের মধ্য থেকে কয়েকজন ‘ক্যাপ্টেন’ বা ম্যানেজার হিসেবে এসব কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করতেন বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ।
অভিবাসন বিভাগ জানায়, বিদেশি নারীরা গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতি সেবার জন্য প্রায় ৫০ রিংগিত করে নিতেন। স্থানীয় ও বিদেশি নাগরিকরা তাদের গ্রাহক। প্রায় এক বছর ধরে এই কার্যক্রম চলছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
চক্রটির কার্যক্রম ছিল সুসংগঠিত এবং নির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিচালিত হতো। এই অবৈধ ব্যবসা থেকে বছরে আনুমানিক ৫ লাখ ৪০ হাজার রিংগিত লাভ হতো বলে ধারণা করছে অভিবাসন বিভাগ।
অভিযানে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর বিভিন্ন ধারায় তদন্ত করা হচ্ছে। স্থানীয় সাতজনকে কথিত অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগে ধারা ৫৬(১)(ডি)-এর আওতায় তদন্ত করা হচ্ছে। অন্য বিদেশিদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ধারা ৬(১)(সি) এবং অভিবাসন বিধিমালা ১৯৬৩-এর ৩৯(বি) ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আটক সবাইকে পরবর্তী তদন্তের জন্য অভিবাসন বিভাগের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
অভিবাসন বিভাগ আরও জানিয়েছে, দেশের আইন লঙ্ঘন করে পরিচালিত যে কোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে। মালয়েশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও জননিরাপত্তা বজায় রাখতে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে।
বরিশাল টাইমস

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৩৩
শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি চুক্তি বর্তমান সরকার পর্যালোচনা করছে বলে সংবাদ প্রকাশিত হলেও, এ বিষয়ে ঢাকা থেকে নয়াদিল্লিকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি বলে দাবি করেছে ভারত।
তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটি নিজেদের স্বার্থ সুরক্ষায় সব ধরনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও ব্যবস্থা নিয়ে রাখছে।
শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে সংবাদমাধ্যমের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানা দিক উঠে আসে।
এএনআইয়ের এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল জানান, চুক্তি পর্যালোচনার বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ বের হলেও বাংলাদেশ সরকার তাদের কূটনৈতিকভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে ভারতের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার বিষয়টি তাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে এবং সে অনুযায়ী তারা পদক্ষেপ নেবে।
উল্লেখ্য, গত ১১ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন যে, বিগত সরকারের করা ১০১টি চুক্তি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার যাচাই-বাছাই করে দেখছে। দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনো শর্ত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার পরেই এসব চুক্তি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার খবর প্রসঙ্গে ভারতের মুখপাত্র বলেন, দেশের ভেতরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং সংখ্যালঘু নাগরিকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মূল দায়িত্বটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ সরকারেরই।
এ ছাড়া পাকিস্তান ও কুয়েতের মধ্যকার সামরিক সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের সঙ্গে প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল জানান, ভারতের নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে—এমন যেকোনো বিষয় তারা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং দেশের নিরাপত্তা রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের সম্ভাব্য মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যুক্ত হওয়া নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে তিনি উল্লেখ করেন যে, ভারত পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
সংবাদ সম্মেলনে আগামী ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষ হতে চলা ঐতিহাসিক গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়েও কথা বলেন ভারতীয় পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র। তিনি জানান, গঙ্গার পানি বণ্টন ও অন্যান্য অভিন্ন নদীর পানি সংক্রান্ত বিষয়াদি সমাধানের জন্য যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি) কাজ করছে এবং এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত কারিগরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি চুক্তি বর্তমান সরকার পর্যালোচনা করছে বলে সংবাদ প্রকাশিত হলেও, এ বিষয়ে ঢাকা থেকে নয়াদিল্লিকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি বলে দাবি করেছে ভারত।
তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটি নিজেদের স্বার্থ সুরক্ষায় সব ধরনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও ব্যবস্থা নিয়ে রাখছে।
শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে সংবাদমাধ্যমের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানা দিক উঠে আসে।
এএনআইয়ের এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল জানান, চুক্তি পর্যালোচনার বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ বের হলেও বাংলাদেশ সরকার তাদের কূটনৈতিকভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে ভারতের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার বিষয়টি তাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে এবং সে অনুযায়ী তারা পদক্ষেপ নেবে।
উল্লেখ্য, গত ১১ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন যে, বিগত সরকারের করা ১০১টি চুক্তি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার যাচাই-বাছাই করে দেখছে। দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনো শর্ত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার পরেই এসব চুক্তি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার খবর প্রসঙ্গে ভারতের মুখপাত্র বলেন, দেশের ভেতরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং সংখ্যালঘু নাগরিকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মূল দায়িত্বটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ সরকারেরই।
এ ছাড়া পাকিস্তান ও কুয়েতের মধ্যকার সামরিক সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের সঙ্গে প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল জানান, ভারতের নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে—এমন যেকোনো বিষয় তারা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং দেশের নিরাপত্তা রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশের সম্ভাব্য মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যুক্ত হওয়া নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে তিনি উল্লেখ করেন যে, ভারত পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
সংবাদ সম্মেলনে আগামী ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষ হতে চলা ঐতিহাসিক গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়েও কথা বলেন ভারতীয় পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র। তিনি জানান, গঙ্গার পানি বণ্টন ও অন্যান্য অভিন্ন নদীর পানি সংক্রান্ত বিষয়াদি সমাধানের জন্য যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি) কাজ করছে এবং এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত কারিগরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪০
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে পুলিশ সদর দপ্তরের ভেতরের একটি মসজিদে বোমা হামলা ও বন্দুকযুদ্ধে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৫৬ জনের বেশি।
শুক্রবার জুমার নামাজের সময় বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি মসজিদের প্রবেশদ্বারে ধাক্কা দিলে বিস্ফোরণ ঘটে। প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান জুলফিকার হামিদ এটিকে আত্মঘাতী হামলা বলে নিশ্চিত করেছেন।
বিস্ফোরণের পর কয়েকজন অস্ত্রধারী পুলিশ কম্পাউন্ডে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের বন্দুকযুদ্ধ হয়। হামলায় মসজিদটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং পুলিশ স্টেশনের বাইরের সীমানাপ্রাচীর ধসে পড়েছে।
হামলার দায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গোষ্ঠী স্বীকার করেনি। তবে পাকিস্তান তেহরিক-ই-তালেবান (টিটিপি) খাইবার পাখতুনখাওয়ায় সক্রিয় এবং এর আগে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন হামলা চালিয়েছে।
আহতদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে। হামলার নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে পুলিশ সদর দপ্তরের ভেতরের একটি মসজিদে বোমা হামলা ও বন্দুকযুদ্ধে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৫৬ জনের বেশি।
শুক্রবার জুমার নামাজের সময় বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি মসজিদের প্রবেশদ্বারে ধাক্কা দিলে বিস্ফোরণ ঘটে। প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান জুলফিকার হামিদ এটিকে আত্মঘাতী হামলা বলে নিশ্চিত করেছেন।
বিস্ফোরণের পর কয়েকজন অস্ত্রধারী পুলিশ কম্পাউন্ডে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের বন্দুকযুদ্ধ হয়। হামলায় মসজিদটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং পুলিশ স্টেশনের বাইরের সীমানাপ্রাচীর ধসে পড়েছে।
হামলার দায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গোষ্ঠী স্বীকার করেনি। তবে পাকিস্তান তেহরিক-ই-তালেবান (টিটিপি) খাইবার পাখতুনখাওয়ায় সক্রিয় এবং এর আগে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন হামলা চালিয়েছে।
আহতদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে। হামলার নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৩৩
উত্তর আন্দামান সাগরে থাইল্যান্ড উপকূলের কাছাকাছি তৈরি হয়েছে নতুন ঘূর্ণাবর্ত। অনুকূল পরিস্থিতি পেলে শনিবার সন্ধ্যার মধ্যেই এটি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। এরপর শক্তি সঞ্চয় করে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনাও দেখছে কিছু আবহাওয়া মডেল।
সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি তৈরি হলে বাংলাদেশের দেওয়া নাম অনুযায়ী এর নাম হবে ‘অর্ণব’।
তবে এখনই ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস নিশ্চিত করছে না ভারতের আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি)। সংস্থাটির পূর্বাভাসে আপাতত ঘূর্ণাবর্তটি নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনার কথাই বলা হয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের আবহাওয়া মডেল জিএফএস সিস্টেমটির পরবর্তী সময়ে আরও শক্তিশালী হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
আইএমডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২১ বা ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সিস্টেমটি আরও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এরপর এটি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্ভাব্য এই সিস্টেমের প্রভাবে ১৯ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশে বজ্রপাত, দমকা হাওয়া ও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। ওড়িশা, তেলেঙ্গানা, ছত্তিশগড় ও পশ্চিমবঙ্গেও এর প্রভাবে বৃষ্টিপাত হতে পারে।
এদিকে বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণাবর্তের পাশাপাশি সৌরাষ্ট্র থেকে বঙ্গোপসাগর এবং সিকিম থেকে উত্তর ওড়িশা পর্যন্ত বিস্তৃত মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শনিবার পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় জারি রয়েছে হলুদ সতর্কতা।
তবে ঘূর্ণাবর্তটি শেষ পর্যন্ত কতটা শক্তি সঞ্চয় করবে এবং এর গতিপথ কোন দিকে হবে—তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি আবহাওয়া দপ্তর।’
উত্তর আন্দামান সাগরে থাইল্যান্ড উপকূলের কাছাকাছি তৈরি হয়েছে নতুন ঘূর্ণাবর্ত। অনুকূল পরিস্থিতি পেলে শনিবার সন্ধ্যার মধ্যেই এটি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। এরপর শক্তি সঞ্চয় করে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনাও দেখছে কিছু আবহাওয়া মডেল।
সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি তৈরি হলে বাংলাদেশের দেওয়া নাম অনুযায়ী এর নাম হবে ‘অর্ণব’।
তবে এখনই ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস নিশ্চিত করছে না ভারতের আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি)। সংস্থাটির পূর্বাভাসে আপাতত ঘূর্ণাবর্তটি নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনার কথাই বলা হয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের আবহাওয়া মডেল জিএফএস সিস্টেমটির পরবর্তী সময়ে আরও শক্তিশালী হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
আইএমডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২১ বা ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সিস্টেমটি আরও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এরপর এটি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্ভাব্য এই সিস্টেমের প্রভাবে ১৯ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশে বজ্রপাত, দমকা হাওয়া ও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। ওড়িশা, তেলেঙ্গানা, ছত্তিশগড় ও পশ্চিমবঙ্গেও এর প্রভাবে বৃষ্টিপাত হতে পারে।
এদিকে বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণাবর্তের পাশাপাশি সৌরাষ্ট্র থেকে বঙ্গোপসাগর এবং সিকিম থেকে উত্তর ওড়িশা পর্যন্ত বিস্তৃত মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শনিবার পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় জারি রয়েছে হলুদ সতর্কতা।
তবে ঘূর্ণাবর্তটি শেষ পর্যন্ত কতটা শক্তি সঞ্চয় করবে এবং এর গতিপথ কোন দিকে হবে—তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি আবহাওয়া দপ্তর।’

২৪ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৪০
মালয়েশিয়ার নেগেরি সেম্বিলানের সেরেমবান এলাকায় অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় ও বিদেশি নাগরিকসহ ৫৭ জনকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম)। আটকদের মধ্যে ১২ জন বাংলাদেশিও রয়েছেন।
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর ২টায় সেরেমবানের তিনটি স্থানে জেআইএমের পুত্রাজায়া সদর দপ্তরের গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযান বিভাগের কর্মকর্তারা অভিযান চালান। কুয়ালালামপুরে ইন্দোনেশিয়ার দূতাবাসের (কেবিআরআই) কর্মকর্তারাও এতে সহযোগিতা করেন।
অভিবাসন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে ৭ জন স্থানীয়, ৩ জন ইন্দোনেশিয়ার, ১২ জন বাংলাদেশি এবং ৩ জন মিয়ানমারের নাগরিকসহ মোট ৫৭ জনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বয়স ১৯ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে।
তদন্তে জানা গেছে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দৈনিক ও সাপ্তাহিক ভিত্তিতে হোস্টেল ও বাজেট হোটেলে বিদেশি নারীদের অবস্থানের ব্যবস্থা করতো। স্থানীয় ও বিদেশি নাগরিকদের মধ্য থেকে কয়েকজন ‘ক্যাপ্টেন’ বা ম্যানেজার হিসেবে এসব কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করতেন বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ।
অভিবাসন বিভাগ জানায়, বিদেশি নারীরা গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতি সেবার জন্য প্রায় ৫০ রিংগিত করে নিতেন। স্থানীয় ও বিদেশি নাগরিকরা তাদের গ্রাহক। প্রায় এক বছর ধরে এই কার্যক্রম চলছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
চক্রটির কার্যক্রম ছিল সুসংগঠিত এবং নির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিচালিত হতো। এই অবৈধ ব্যবসা থেকে বছরে আনুমানিক ৫ লাখ ৪০ হাজার রিংগিত লাভ হতো বলে ধারণা করছে অভিবাসন বিভাগ।
অভিযানে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর বিভিন্ন ধারায় তদন্ত করা হচ্ছে। স্থানীয় সাতজনকে কথিত অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগে ধারা ৫৬(১)(ডি)-এর আওতায় তদন্ত করা হচ্ছে। অন্য বিদেশিদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ধারা ৬(১)(সি) এবং অভিবাসন বিধিমালা ১৯৬৩-এর ৩৯(বি) ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আটক সবাইকে পরবর্তী তদন্তের জন্য অভিবাসন বিভাগের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
অভিবাসন বিভাগ আরও জানিয়েছে, দেশের আইন লঙ্ঘন করে পরিচালিত যে কোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে। মালয়েশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও জননিরাপত্তা বজায় রাখতে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে।
বরিশাল টাইমস
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:১৬
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৩০
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:৪৯
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:২০