Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১৫
বরিশাল নগরীর জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকাসমূহে জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে মিছিল করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চাপের ওপর রাখে যুব ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার সকালের সেই মিছিলে নেতৃত্বদানকারী মহানগর যুব ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারে বেশ তৎপরতা চালাচ্ছে পুলিশ। শুক্রবার রাতভর আওয়ামী-যুব-ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীর বাসা-বাড়িতে হানা দিলেও কোনো ইতিবাচক খবর দিতে পারেনি। তবে সেই মিছিলে নেতৃত্বদানকারী সাদ্দাম শাহকে শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তারের পর মাঠপুলিশে কিছুটা স্বস্তি আসে। যুবলীগ নেতাকে শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের ভাটারখাল কলোনী থেকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানা পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করে।
এর আগে শুক্রবার সকালের আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের মিছিলটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়। বিশেষ করে সিটি কর্পোরেশন এবং বরিশাল আদালতসংলগ্ন ফজলুল হক সড়কে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিলটি নিয়ে মাঠপুলিশ এক ধরনের চাপের মুখে পড়ে যায়।
মাঠপুলিশের একটি সূত্র নিশ্চিত করে, বরিশাল নগরীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মিছিলটি নিয়ে মেট্রোপলিটন পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা অস্বস্তি এবং বিব্রতবোধ করেন। এবং এই মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার জোর তাগিদ দেন। এরপরেই শুক্রবার রাত থেকে কোতয়ালি পুলিশের তৎপরতা শুরু হয়, যার একদিন বাদে শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তার হলেন মহানগর যুবলীগ নেতা সাদ্দাম শাহ।
পুলিশ ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে মহানগর যুবলীগ নেতা সাদ্দাম শাহ একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারান্তরীণ ছিলেন। সর্বশেষ তিনি জামিনে মুক্ত হয়ে কিছুদিন আত্মগোপনে থেকে বিএনপি সরকারবিরোধী অপপ্রচারের পাশাপাশি ফেসবুকে আওয়ামী লীগের পক্ষে সরব ভূমিকা রেখে আসছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ অনুসারী সাদ্দাম শাহ আত্মগোপনে থাকলেও গোপনে নিজের এলাকা ভাটারখাল কলোনীতে যাতায়াত করতেন। এবং যুব ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রাখছিলেন, সুযোগ বুঝে কখন আওয়ামী লীগের স্বপক্ষে মিছিল নিয়ে রাস্তায় বের হওয়া যায়। অবশ্য সাদ্দাম শাহ তার লক্ষ্য পূরণে সফলও হন, শুক্রবার খুব সকালে বরিশাল জেলা ও জজ আদালত সম্মুখ শহরের প্রাণকেন্দ্র ফজলুল হক অ্যাভিনিউর মতো গুরুত্বপূর্ণ সড়কে মহড়া দিয়ে আলোচনায় আসেন।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, সাদ্দাম শাহ শুধু ২০/২৫জনকে নিয়ে মিছিলে সীমাবদ্ধ থাকেননি, পরবতীতে তিনি এই ভিডিও নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুকে পোস্ট করাসহ দলীয় রাজনৈতিক হোটসঅ্যাপে প্রেরণ করেছেন। বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম জানান, যুবলীগ নেতা সাদ্দাম শাহকে শনিবার দুপুরে ভাটারখাল কলোনী থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, তিনি বর্তমানে থানা হেফাজতে আছেন।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে মাঠপুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, শহরের জনগুরুত¦পূর্ণ এলাকাসমূহে মিছিলে অংশগ্রহণকারী সকলকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশনা আছে। শুক্রবার রাত থেকে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত আছে।’
বরিশাল নগরীর জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকাসমূহে জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে মিছিল করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চাপের ওপর রাখে যুব ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার সকালের সেই মিছিলে নেতৃত্বদানকারী মহানগর যুব ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারে বেশ তৎপরতা চালাচ্ছে পুলিশ। শুক্রবার রাতভর আওয়ামী-যুব-ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীর বাসা-বাড়িতে হানা দিলেও কোনো ইতিবাচক খবর দিতে পারেনি। তবে সেই মিছিলে নেতৃত্বদানকারী সাদ্দাম শাহকে শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তারের পর মাঠপুলিশে কিছুটা স্বস্তি আসে। যুবলীগ নেতাকে শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের ভাটারখাল কলোনী থেকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানা পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করে।
এর আগে শুক্রবার সকালের আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের মিছিলটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়। বিশেষ করে সিটি কর্পোরেশন এবং বরিশাল আদালতসংলগ্ন ফজলুল হক সড়কে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিলটি নিয়ে মাঠপুলিশ এক ধরনের চাপের মুখে পড়ে যায়।
মাঠপুলিশের একটি সূত্র নিশ্চিত করে, বরিশাল নগরীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মিছিলটি নিয়ে মেট্রোপলিটন পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা অস্বস্তি এবং বিব্রতবোধ করেন। এবং এই মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার জোর তাগিদ দেন। এরপরেই শুক্রবার রাত থেকে কোতয়ালি পুলিশের তৎপরতা শুরু হয়, যার একদিন বাদে শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তার হলেন মহানগর যুবলীগ নেতা সাদ্দাম শাহ।
পুলিশ ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে মহানগর যুবলীগ নেতা সাদ্দাম শাহ একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারান্তরীণ ছিলেন। সর্বশেষ তিনি জামিনে মুক্ত হয়ে কিছুদিন আত্মগোপনে থেকে বিএনপি সরকারবিরোধী অপপ্রচারের পাশাপাশি ফেসবুকে আওয়ামী লীগের পক্ষে সরব ভূমিকা রেখে আসছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ অনুসারী সাদ্দাম শাহ আত্মগোপনে থাকলেও গোপনে নিজের এলাকা ভাটারখাল কলোনীতে যাতায়াত করতেন। এবং যুব ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রাখছিলেন, সুযোগ বুঝে কখন আওয়ামী লীগের স্বপক্ষে মিছিল নিয়ে রাস্তায় বের হওয়া যায়। অবশ্য সাদ্দাম শাহ তার লক্ষ্য পূরণে সফলও হন, শুক্রবার খুব সকালে বরিশাল জেলা ও জজ আদালত সম্মুখ শহরের প্রাণকেন্দ্র ফজলুল হক অ্যাভিনিউর মতো গুরুত্বপূর্ণ সড়কে মহড়া দিয়ে আলোচনায় আসেন।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, সাদ্দাম শাহ শুধু ২০/২৫জনকে নিয়ে মিছিলে সীমাবদ্ধ থাকেননি, পরবতীতে তিনি এই ভিডিও নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুকে পোস্ট করাসহ দলীয় রাজনৈতিক হোটসঅ্যাপে প্রেরণ করেছেন। বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম জানান, যুবলীগ নেতা সাদ্দাম শাহকে শনিবার দুপুরে ভাটারখাল কলোনী থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, তিনি বর্তমানে থানা হেফাজতে আছেন।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে মাঠপুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, শহরের জনগুরুত¦পূর্ণ এলাকাসমূহে মিছিলে অংশগ্রহণকারী সকলকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশনা আছে। শুক্রবার রাত থেকে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত আছে।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৮:১২
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৫:৩৬
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুম ও অপহরণের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অবমাননা করা হচ্ছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রবিবার (১৪ জুন) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে জড়ো হয়ে নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে ববি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, “ছাত্রশিবির পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। গুম ও অপহরণের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে তারা ভিকটিম সেজে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে।” তিনি আরও বলেন, “ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করা হবে।”
এ সময় ববি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে সরকারবিরোধী যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। সংগঠনটির নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা অসামাজিক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এতে তাদের নৈতিক অবস্থান আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এ ধরনের দ্বিচারিতা থেকে বের না হলে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক জিসান ১১ জুন নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তাঁর স্বজনরা দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের দাবি, ওই সম্পর্কের জেরে নারীটি অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়।
পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তা এড়াতে তিনি আত্মগোপনে যান এবং নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজান বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুম ও অপহরণের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অবমাননা করা হচ্ছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রবিবার (১৪ জুন) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে জড়ো হয়ে নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে ববি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, “ছাত্রশিবির পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। গুম ও অপহরণের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে তারা ভিকটিম সেজে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে।” তিনি আরও বলেন, “ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করা হবে।”
এ সময় ববি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে সরকারবিরোধী যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। সংগঠনটির নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা অসামাজিক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এতে তাদের নৈতিক অবস্থান আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এ ধরনের দ্বিচারিতা থেকে বের না হলে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক জিসান ১১ জুন নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তাঁর স্বজনরা দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের দাবি, ওই সম্পর্কের জেরে নারীটি অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়।
পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তা এড়াতে তিনি আত্মগোপনে যান এবং নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজান বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।