Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১৫
বরিশাল নগরীর জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকাসমূহে জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে মিছিল করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চাপের ওপর রাখে যুব ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার সকালের সেই মিছিলে নেতৃত্বদানকারী মহানগর যুব ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারে বেশ তৎপরতা চালাচ্ছে পুলিশ। শুক্রবার রাতভর আওয়ামী-যুব-ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীর বাসা-বাড়িতে হানা দিলেও কোনো ইতিবাচক খবর দিতে পারেনি। তবে সেই মিছিলে নেতৃত্বদানকারী সাদ্দাম শাহকে শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তারের পর মাঠপুলিশে কিছুটা স্বস্তি আসে। যুবলীগ নেতাকে শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের ভাটারখাল কলোনী থেকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানা পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করে।
এর আগে শুক্রবার সকালের আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের মিছিলটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়। বিশেষ করে সিটি কর্পোরেশন এবং বরিশাল আদালতসংলগ্ন ফজলুল হক সড়কে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিলটি নিয়ে মাঠপুলিশ এক ধরনের চাপের মুখে পড়ে যায়।
মাঠপুলিশের একটি সূত্র নিশ্চিত করে, বরিশাল নগরীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মিছিলটি নিয়ে মেট্রোপলিটন পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা অস্বস্তি এবং বিব্রতবোধ করেন। এবং এই মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার জোর তাগিদ দেন। এরপরেই শুক্রবার রাত থেকে কোতয়ালি পুলিশের তৎপরতা শুরু হয়, যার একদিন বাদে শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তার হলেন মহানগর যুবলীগ নেতা সাদ্দাম শাহ।
পুলিশ ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে মহানগর যুবলীগ নেতা সাদ্দাম শাহ একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারান্তরীণ ছিলেন। সর্বশেষ তিনি জামিনে মুক্ত হয়ে কিছুদিন আত্মগোপনে থেকে বিএনপি সরকারবিরোধী অপপ্রচারের পাশাপাশি ফেসবুকে আওয়ামী লীগের পক্ষে সরব ভূমিকা রেখে আসছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ অনুসারী সাদ্দাম শাহ আত্মগোপনে থাকলেও গোপনে নিজের এলাকা ভাটারখাল কলোনীতে যাতায়াত করতেন। এবং যুব ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রাখছিলেন, সুযোগ বুঝে কখন আওয়ামী লীগের স্বপক্ষে মিছিল নিয়ে রাস্তায় বের হওয়া যায়। অবশ্য সাদ্দাম শাহ তার লক্ষ্য পূরণে সফলও হন, শুক্রবার খুব সকালে বরিশাল জেলা ও জজ আদালত সম্মুখ শহরের প্রাণকেন্দ্র ফজলুল হক অ্যাভিনিউর মতো গুরুত্বপূর্ণ সড়কে মহড়া দিয়ে আলোচনায় আসেন।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, সাদ্দাম শাহ শুধু ২০/২৫জনকে নিয়ে মিছিলে সীমাবদ্ধ থাকেননি, পরবতীতে তিনি এই ভিডিও নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুকে পোস্ট করাসহ দলীয় রাজনৈতিক হোটসঅ্যাপে প্রেরণ করেছেন। বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম জানান, যুবলীগ নেতা সাদ্দাম শাহকে শনিবার দুপুরে ভাটারখাল কলোনী থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, তিনি বর্তমানে থানা হেফাজতে আছেন।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে মাঠপুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, শহরের জনগুরুত¦পূর্ণ এলাকাসমূহে মিছিলে অংশগ্রহণকারী সকলকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশনা আছে। শুক্রবার রাত থেকে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত আছে।’
বরিশাল নগরীর জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকাসমূহে জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে মিছিল করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চাপের ওপর রাখে যুব ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার সকালের সেই মিছিলে নেতৃত্বদানকারী মহানগর যুব ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারে বেশ তৎপরতা চালাচ্ছে পুলিশ। শুক্রবার রাতভর আওয়ামী-যুব-ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীর বাসা-বাড়িতে হানা দিলেও কোনো ইতিবাচক খবর দিতে পারেনি। তবে সেই মিছিলে নেতৃত্বদানকারী সাদ্দাম শাহকে শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তারের পর মাঠপুলিশে কিছুটা স্বস্তি আসে। যুবলীগ নেতাকে শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের ভাটারখাল কলোনী থেকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানা পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করে।
এর আগে শুক্রবার সকালের আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের মিছিলটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়। বিশেষ করে সিটি কর্পোরেশন এবং বরিশাল আদালতসংলগ্ন ফজলুল হক সড়কে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিলটি নিয়ে মাঠপুলিশ এক ধরনের চাপের মুখে পড়ে যায়।
মাঠপুলিশের একটি সূত্র নিশ্চিত করে, বরিশাল নগরীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মিছিলটি নিয়ে মেট্রোপলিটন পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা অস্বস্তি এবং বিব্রতবোধ করেন। এবং এই মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার জোর তাগিদ দেন। এরপরেই শুক্রবার রাত থেকে কোতয়ালি পুলিশের তৎপরতা শুরু হয়, যার একদিন বাদে শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তার হলেন মহানগর যুবলীগ নেতা সাদ্দাম শাহ।
পুলিশ ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে মহানগর যুবলীগ নেতা সাদ্দাম শাহ একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারান্তরীণ ছিলেন। সর্বশেষ তিনি জামিনে মুক্ত হয়ে কিছুদিন আত্মগোপনে থেকে বিএনপি সরকারবিরোধী অপপ্রচারের পাশাপাশি ফেসবুকে আওয়ামী লীগের পক্ষে সরব ভূমিকা রেখে আসছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ অনুসারী সাদ্দাম শাহ আত্মগোপনে থাকলেও গোপনে নিজের এলাকা ভাটারখাল কলোনীতে যাতায়াত করতেন। এবং যুব ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রাখছিলেন, সুযোগ বুঝে কখন আওয়ামী লীগের স্বপক্ষে মিছিল নিয়ে রাস্তায় বের হওয়া যায়। অবশ্য সাদ্দাম শাহ তার লক্ষ্য পূরণে সফলও হন, শুক্রবার খুব সকালে বরিশাল জেলা ও জজ আদালত সম্মুখ শহরের প্রাণকেন্দ্র ফজলুল হক অ্যাভিনিউর মতো গুরুত্বপূর্ণ সড়কে মহড়া দিয়ে আলোচনায় আসেন।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, সাদ্দাম শাহ শুধু ২০/২৫জনকে নিয়ে মিছিলে সীমাবদ্ধ থাকেননি, পরবতীতে তিনি এই ভিডিও নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুকে পোস্ট করাসহ দলীয় রাজনৈতিক হোটসঅ্যাপে প্রেরণ করেছেন। বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম জানান, যুবলীগ নেতা সাদ্দাম শাহকে শনিবার দুপুরে ভাটারখাল কলোনী থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, তিনি বর্তমানে থানা হেফাজতে আছেন।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে মাঠপুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, শহরের জনগুরুত¦পূর্ণ এলাকাসমূহে মিছিলে অংশগ্রহণকারী সকলকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশনা আছে। শুক্রবার রাত থেকে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত আছে।’

২৫ মে, ২০২৬ ১৩:৪৬
হাম উপসর্গে বরিশালে থামছেই না মৃত্যুর মিছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল (শেবাচিম) কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে আরও দুই শিশুর।
এ নিয়ে বিভাগে মৃতের সংখ্যা পৌছেছে ৪৩ জনে। যার মধ্যে শেবাচিম হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ৩১ জনের। সোমবার (২৫ মে) সকালে হাসপাতাল পরিচালকের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মৃত শিশুরা হলেন- বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উত্তরদাতপুর গ্রামের আল আমিনের ছেলে আলী আকবর (৫ মাস) ও ভোলার দৌতলখানের মধ্যজয়নগ বাংলাবাজারের ফয়জুদ্দিনের ছেলে আব্দুল আহাদ (৬ মাস)।
রোববার ও সোমবার সকালে ওই দুই শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীনবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। রোববার (২২ মে) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৩৪ জন।
একই সময় হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪১ জন। বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ১৫৭ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অদ্যাবদি হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিয়েছেন ২৫৬১ জন রোগী।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশপাশি বরিশাল জেনারেল হাসপাতালেও এই রোগের উপসর্গ নিয়ে রোগী ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে। বেড সংকটে হাসপাতালের মেঝে বারান্দায় চিকিৎসা নিতে দেখা গিয়েছে অনেককে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২২ জন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্যমতে জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ৬৬৫৩ জন ভর্তি হয়েছিলেন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মোহাম্মদ লোকমান হাকিম জানান, 'সরকারি হাসপাতালগুলো হাম রোগীদের চিকিৎসায় যথেষ্ট আন্তরিক। চিকিৎসকরাও কোনো ঘাটতি রাখছে না।' হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের অধিকাংশই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত।
হাম উপসর্গে বরিশালে থামছেই না মৃত্যুর মিছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল (শেবাচিম) কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে আরও দুই শিশুর।
এ নিয়ে বিভাগে মৃতের সংখ্যা পৌছেছে ৪৩ জনে। যার মধ্যে শেবাচিম হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ৩১ জনের। সোমবার (২৫ মে) সকালে হাসপাতাল পরিচালকের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মৃত শিশুরা হলেন- বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উত্তরদাতপুর গ্রামের আল আমিনের ছেলে আলী আকবর (৫ মাস) ও ভোলার দৌতলখানের মধ্যজয়নগ বাংলাবাজারের ফয়জুদ্দিনের ছেলে আব্দুল আহাদ (৬ মাস)।
রোববার ও সোমবার সকালে ওই দুই শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীনবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। রোববার (২২ মে) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৩৪ জন।
একই সময় হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪১ জন। বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ১৫৭ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অদ্যাবদি হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিয়েছেন ২৫৬১ জন রোগী।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশপাশি বরিশাল জেনারেল হাসপাতালেও এই রোগের উপসর্গ নিয়ে রোগী ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে। বেড সংকটে হাসপাতালের মেঝে বারান্দায় চিকিৎসা নিতে দেখা গিয়েছে অনেককে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২২ জন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্যমতে জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ৬৬৫৩ জন ভর্তি হয়েছিলেন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মোহাম্মদ লোকমান হাকিম জানান, 'সরকারি হাসপাতালগুলো হাম রোগীদের চিকিৎসায় যথেষ্ট আন্তরিক। চিকিৎসকরাও কোনো ঘাটতি রাখছে না।' হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের অধিকাংশই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত।

২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০
বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে আবারও রোগী ও চিকিৎসকদের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। গত শনিবার মধ্যরাতে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জেরে শিক্ষানবিশ (ইন্টার্ন) চিকিৎসকরা গতকাল রোববার সকাল থেকে কর্মবিরতি শুরু করেছেন। এতে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা। এ নিয়ে গত ১৫ দিনে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে তিনটি মারামারির ঘটনা ঘটল।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান (৪০) নামে এক রোগীকে শনিবার রাত ১২টার পর শেবাচিম হাসপাতালে আনা হয়। তিনি পটুয়াখালী সদরের হেতালিয়া বাঁধঘাট এলাকার বাসিন্দা। চতুর্থ তলার সার্জারি ওয়ার্ডে নেওয়ার পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
মৃতের ছোট ভাই রুবেল হাওলাদার বলেন, রোগীর মৃত্যুর পর হাসপাতালের ওয়ার্ডবয় লিমন ব্যবস্থাপত্র নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় আমাদের সঙ্গে থাকা বিএম কলেজের শিক্ষার্থী নাহিদ সরোয়ার কারণ জানতে চাইলে বচসা হয়। এক পর্যায়ে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও কর্মচারীরা নাহিদসহ রোগীর স্বজনদের মারধর করে আটকে রাখেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের সামনে জড়ো হন। ইন্টার্ন চিকিৎসকরাও পাল্টা অবস্থান নিলে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।
বরিশালের কোতোয়ালি থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি হয়েছিল। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শনিবার রাতের ঘটনার জের ধরে নিরাপত্তার অজুহাতে গতকাল সকাল থেকে ধর্মঘট শুরু করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। হাসপাতালের প্রায় আড়াইশ ইন্টার্ন চিকিৎসক রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসার মূল দায়িত্ব পালন করেন। তারা ধর্মঘটে যাওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়েছে।
ইন্টার্ন ডা. তানভীর হোসেন বলেন, ‘শনিবার রাতে সার্জারি ওয়ার্ডে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর এক মৃতের স্বজনরা হামলা করেছে। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে হামলা হয়েছে। আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে ওয়ার্ডে ডিউটি করব না।’
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম মশিউল মুনীম বলেন, শনিবার রাতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে এবং তিনি ইন্টার্নদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। পরিচালক দাবি করেন, ‘ইন্টার্ন চিকিৎসকরাই বারবার রোগীর স্বজনদের হাতে মার খাচ্ছেন।’
হাসপাতালে গত ১৫ দিনে এই নিয়ে তিনটি মারামারির ঘটনা ঘটল। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নবজাতক ওয়ার্ডে এক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তোলায় শিশুটির মামা জয়দেবকে মারধর করেন মেডিকেল শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করায় আরেকজনকে মারধর করে আটকে রাখা হয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
গত ১৩ মে মেডিসিন ইউনিটে চিকিৎসাধীন দীপালি রাণী সিকদারের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। নিহতের স্বজনের অভিযোগ, এক ট্রলিম্যান অন্য রোগীর কাছ থেকে ২০০ টাকা নিয়ে দীপালির অক্সিজেনের নল খুলে ফেলে। এতে দীপালির মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই মিলন সিকদার প্রতিবাদ করলে হাসপাতালের কর্মচারীরা একজোট হয়ে তাঁকে মারধর করেন। এ ঘটনায় আউটসোর্সিং কর্মচারী সোহেলকে বরখাস্ত ও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
শেবাচিম হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের ওপর চিকিৎসকদের হামলা ও পাল্টা হামলার অভিযোগ নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এ ধরনের প্রতিটি ঘটনার পর তদন্ত কমিটি হলেও তার ফলাফল বা শাস্তি সবসময় অজানা থেকে যায়।
এ বিষয়ে হাসপাতালের মুখপাত্র সহকারী পরিচালক (ভাণ্ডার) ডা. মুনেম সাদ বলেন, ‘বেশির ভাগ ক্ষেত্রে স্বজনরা অভিযোগ দিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন; পরে সাক্ষ্য দিতে আসেন না। এ ছাড়া ইন্টার্নরা যেহেতু চাকরি করেন না, তাই তদন্তে অপরাধী প্রমাণিত হলেও তাদের বিরুদ্ধে বড় কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় না।’
আগের ঘটনাগুলোর তদন্ত ও শাস্তির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য না দিয়ে সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মাহমুদুল হাসান দাবি করেন, প্রতিটি অভিযোগেরই তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এ পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশাল মহানগরের সম্পাদক রফিকুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেশে চিকিৎসা ব্যবস্থায় ধস নামছে এবং চিকিৎসকদের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা বাড়ছে। রোগী ও স্বজনদের ওপর হামলাকে আমলযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে এবং এই দায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেও নিতে হবে।’
বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে আবারও রোগী ও চিকিৎসকদের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। গত শনিবার মধ্যরাতে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জেরে শিক্ষানবিশ (ইন্টার্ন) চিকিৎসকরা গতকাল রোববার সকাল থেকে কর্মবিরতি শুরু করেছেন। এতে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা। এ নিয়ে গত ১৫ দিনে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে তিনটি মারামারির ঘটনা ঘটল।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান (৪০) নামে এক রোগীকে শনিবার রাত ১২টার পর শেবাচিম হাসপাতালে আনা হয়। তিনি পটুয়াখালী সদরের হেতালিয়া বাঁধঘাট এলাকার বাসিন্দা। চতুর্থ তলার সার্জারি ওয়ার্ডে নেওয়ার পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
মৃতের ছোট ভাই রুবেল হাওলাদার বলেন, রোগীর মৃত্যুর পর হাসপাতালের ওয়ার্ডবয় লিমন ব্যবস্থাপত্র নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় আমাদের সঙ্গে থাকা বিএম কলেজের শিক্ষার্থী নাহিদ সরোয়ার কারণ জানতে চাইলে বচসা হয়। এক পর্যায়ে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও কর্মচারীরা নাহিদসহ রোগীর স্বজনদের মারধর করে আটকে রাখেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের সামনে জড়ো হন। ইন্টার্ন চিকিৎসকরাও পাল্টা অবস্থান নিলে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।
বরিশালের কোতোয়ালি থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি হয়েছিল। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শনিবার রাতের ঘটনার জের ধরে নিরাপত্তার অজুহাতে গতকাল সকাল থেকে ধর্মঘট শুরু করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। হাসপাতালের প্রায় আড়াইশ ইন্টার্ন চিকিৎসক রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসার মূল দায়িত্ব পালন করেন। তারা ধর্মঘটে যাওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়েছে।
ইন্টার্ন ডা. তানভীর হোসেন বলেন, ‘শনিবার রাতে সার্জারি ওয়ার্ডে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর এক মৃতের স্বজনরা হামলা করেছে। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে হামলা হয়েছে। আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে ওয়ার্ডে ডিউটি করব না।’
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম মশিউল মুনীম বলেন, শনিবার রাতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে এবং তিনি ইন্টার্নদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। পরিচালক দাবি করেন, ‘ইন্টার্ন চিকিৎসকরাই বারবার রোগীর স্বজনদের হাতে মার খাচ্ছেন।’
হাসপাতালে গত ১৫ দিনে এই নিয়ে তিনটি মারামারির ঘটনা ঘটল। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নবজাতক ওয়ার্ডে এক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তোলায় শিশুটির মামা জয়দেবকে মারধর করেন মেডিকেল শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করায় আরেকজনকে মারধর করে আটকে রাখা হয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
গত ১৩ মে মেডিসিন ইউনিটে চিকিৎসাধীন দীপালি রাণী সিকদারের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। নিহতের স্বজনের অভিযোগ, এক ট্রলিম্যান অন্য রোগীর কাছ থেকে ২০০ টাকা নিয়ে দীপালির অক্সিজেনের নল খুলে ফেলে। এতে দীপালির মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই মিলন সিকদার প্রতিবাদ করলে হাসপাতালের কর্মচারীরা একজোট হয়ে তাঁকে মারধর করেন। এ ঘটনায় আউটসোর্সিং কর্মচারী সোহেলকে বরখাস্ত ও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
শেবাচিম হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের ওপর চিকিৎসকদের হামলা ও পাল্টা হামলার অভিযোগ নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এ ধরনের প্রতিটি ঘটনার পর তদন্ত কমিটি হলেও তার ফলাফল বা শাস্তি সবসময় অজানা থেকে যায়।
এ বিষয়ে হাসপাতালের মুখপাত্র সহকারী পরিচালক (ভাণ্ডার) ডা. মুনেম সাদ বলেন, ‘বেশির ভাগ ক্ষেত্রে স্বজনরা অভিযোগ দিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন; পরে সাক্ষ্য দিতে আসেন না। এ ছাড়া ইন্টার্নরা যেহেতু চাকরি করেন না, তাই তদন্তে অপরাধী প্রমাণিত হলেও তাদের বিরুদ্ধে বড় কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় না।’
আগের ঘটনাগুলোর তদন্ত ও শাস্তির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য না দিয়ে সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মাহমুদুল হাসান দাবি করেন, প্রতিটি অভিযোগেরই তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এ পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশাল মহানগরের সম্পাদক রফিকুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেশে চিকিৎসা ব্যবস্থায় ধস নামছে এবং চিকিৎসকদের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা বাড়ছে। রোগী ও স্বজনদের ওপর হামলাকে আমলযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে এবং এই দায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেও নিতে হবে।’

২৪ মে, ২০২৬ ১৫:২৬
শিশু রামিসা হত্যা এবং দেশব্যাপী শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে বরিশালে ‘শিশু বন্ধন’ কর্মসূচি পালন করেছে খেলাঘর। দ্রুত বিচার ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে আজ শনিবার সকাল ১০টায় নগরের অশ্বিনীকুমার হলের সামনের সড়কে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে বক্তারা শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের শিশু নির্যাতন বন্ধ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে শিশুদের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান।
খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি পঙ্কজ রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, রামিসার মতো নির্মম হত্যাকাণ্ড আর দেখতে চায় না শিশুরা। প্রধানমন্ত্রী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করার যে আশ্বাস দিয়েছেন, এখন সবাই সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, নিরাপদ শিশু পরিবেশ গড়ে তুলতে শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের নির্যাতন বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে শিশুদের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান তাঁরা।
শুকতারা খেলাঘর আসর–এর সভাপতি কাজী সেলিনা–র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জীবন কৃষ্ণ দে, খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শুভংকর চক্রবর্তী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজত টিপু এবং সাধারণ সম্পাদক তৌছিক আহমেদ রাহাত।রক্তঝুমুর খেলাঘরের শিশু সদস্য রাইসা ও নাফি, তিলক, শিক্ষকনেতা আমিনুল ইসলাম খোকন, সনাকের সভাপতি টুলু রাণী কর্মকার, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের শিউলি সিংহ, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শিশির, চারুকলা বরিশালের সংগঠক সুষাভ চন্দ্র নিতাই, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি সুশান্ত ঘোষ, রক্তঝুমুর খেলাঘর আসরের সভাপতি কামরুন নাহার মেরী এবং জাগৃহী খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ সুলতানা পলি প্রমুখ।’
শিশু রামিসা হত্যা এবং দেশব্যাপী শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে বরিশালে ‘শিশু বন্ধন’ কর্মসূচি পালন করেছে খেলাঘর। দ্রুত বিচার ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে আজ শনিবার সকাল ১০টায় নগরের অশ্বিনীকুমার হলের সামনের সড়কে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে বক্তারা শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের শিশু নির্যাতন বন্ধ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে শিশুদের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান।
খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি পঙ্কজ রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, রামিসার মতো নির্মম হত্যাকাণ্ড আর দেখতে চায় না শিশুরা। প্রধানমন্ত্রী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করার যে আশ্বাস দিয়েছেন, এখন সবাই সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, নিরাপদ শিশু পরিবেশ গড়ে তুলতে শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের নির্যাতন বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে শিশুদের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান তাঁরা।
শুকতারা খেলাঘর আসর–এর সভাপতি কাজী সেলিনা–র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জীবন কৃষ্ণ দে, খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শুভংকর চক্রবর্তী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজত টিপু এবং সাধারণ সম্পাদক তৌছিক আহমেদ রাহাত।রক্তঝুমুর খেলাঘরের শিশু সদস্য রাইসা ও নাফি, তিলক, শিক্ষকনেতা আমিনুল ইসলাম খোকন, সনাকের সভাপতি টুলু রাণী কর্মকার, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের শিউলি সিংহ, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শিশির, চারুকলা বরিশালের সংগঠক সুষাভ চন্দ্র নিতাই, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি সুশান্ত ঘোষ, রক্তঝুমুর খেলাঘর আসরের সভাপতি কামরুন নাহার মেরী এবং জাগৃহী খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ সুলতানা পলি প্রমুখ।’