
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৪৪
নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিক্রি হচ্ছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম (এলপি) গ্যাসের সিলিন্ডার ও পেট্রোল। মুদি দোকান, ঔষধের দোকান, কাঁচামালের দোকানসহ যত্রতত্র পাওয়া যাচ্ছে পেট্রোল ও গ্যাস সিলিন্ডার।
সরকার অনুমোদিত পেট্রোল পাম্প ছাড়া পেট্রোল জাতীয় দাহ্য পদার্থ বিক্রির বিধান না থাকলেও তা উপেক্ষা করে বিভিন্ন এলাকায় মোড়ে মোড়ে এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের বোতল ও পেট্রোলসহ দাহ্য পদার্থ বিক্রি হচ্ছে দেদারসে।
যে কোনো সময় বিস্ফোরণ ও দাহ্য পদার্থ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে প্রাণহানি ঘটার আশঙ্কা স্থানীয়দের। অপরদিকে সরকার নির্ধারিত মূল্য ১১৭ টাকা হলেও বাইরে বাজারে বোতলে রাখা পেট্রোল বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়। সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি হচ্ছে ১৮০০ থেকে ১৯০০ টাকায়। এতে করে ক্রেতারাও ঠকছেন দারুণভাবে।
জানা যায়, সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহারের জন্য বিস্ফোরক অধিদপ্তরের নীতিমালা রয়েছে। বিধিমোতাবেক সিলিন্ডার মজুত রেখে বিক্রির ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক। পেট্রোল বিক্রির ক্ষেত্রেও রয়েছে নীতিমালা।
দাহ্য পদার্থ ও সিলিন্ডার মজুত করার ক্ষেত্রে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি এবং আগুন নিয়ন্ত্রক সরঞ্জাম মজুত রাখতে হবে। মজুত করা স্থানের কাছাকাছি আলো বা তাপের উৎস থাকা যাবে না।
এসব আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বকশীগঞ্জ পৌর শহরের মধ্যবাজার, পুরোনো গোহাটি, বাসস্ট্যান্ড, মালিবাগ মোড়, কামারপট্টি মোড়, উপজেলা মোড়, মাস্টারবাড়ি বাজার, মৌলভীবাজার, টিকরকান্দি বাজার, ধুমালীপাড়া মোড়, দক্ষিণ বাজার মোড়ে দেদার বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাস ও পেট্রোল। ওষুধের দোকান, কম্পিউটারের দোকান, মুদির দোকান, ক্রোকারিজের দোকান, ফলের দোকান, হোটেল, সেলুন, লাকড়ির দোকান, মোটর সাইকেলের গ্যারেজ, কাঁচামালের দোকান, হার্ডওয়্যারের দোকান, ফ্লেক্সিলোডের দোকান, মেশিনারি দোকান ও চা দোকানসহ বিভিন্ন ধরনের দোকানে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার ও পেট্রোল বিক্রি করা হচ্ছে দেদারসে। দোকানের সামনে এমনকি ফুটপাতে সিলিন্ডার ফেলে এবং তার উপর পরিত্যক্ত বোতলে পেট্রোল রেখে এ ব্যবসা নির্বিঘ্নে পরিচালনা করছেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু এদের কোনো ধরণের লাইসেন্স নেই।
এ ছাড়া পৌরসভার বাইরে উপজেলার মেরুরচর বাজার, খেওয়ারচর, নিলাক্ষিয়া, জানকিপুর ,পলাশতলা, লাউচাপড়া, কামালপুর মৃর্ধাপাড়া, দাসের হাট, জিন্না বাজার, সকাল বাজার, বাট্টাজোড়, সারমারা, নইমিয়ার বাজার, টুপকারচর, নতুন বাজার, শেখেরচর, রামরামপুর, মাদারেরচর, বালুঝুড়ি, নালার মোড়, খালেকের মোড়, বিনোদেরচর বাজারসহ প্রতিটি ছোট-বড় হাটবাজারে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাস ও পেট্রোল। রাখা হচ্ছে খোলা জায়গায়। এ ছাড়া প্রতিটি সড়কের পাশে বিভিন্ন দোকানের সামনে সিলিন্ডার গ্যাসের বোতল ও পরিত্যক্ত পানীয় বোতলে সাজিয়ে রাখা হয় দাহ্য পদার্থ পেট্রোল-অকটেন। এলপিজি বিক্রির ক্ষেত্রে যেসব নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত তার একটিও কোথাও মানা হচ্ছে না। সেই সঙ্গে নেই বৈধ লাইসেন্স।
জব্বারগঞ্জ বাজারে জ্বালানি তেল বিক্রেতা ইয়াকুব জানান, দোকানের ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি তেল, পেট্রোল ও গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করে আসছেন তিনি। তবে তদারকি করতে তার দোকানে আজ পর্যন্ত কেউ আসেনি বলে জানান তিনি।
বকশীগঞ্জ পৌর শহরের ফ্লেক্সিলোড ব্যবসায়ী আকরাম হোসেন বলেন, তার দোকানের ট্রেড লাইসেন্স আছে। এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে লাইসেন্স বা অনুমোদন নিতে হয় এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।
বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ উল হাসান বলেন, আইন আছে, কিন্তু আইনের প্রয়োগ নেই। যে কারণে লাইসেন্সবিহীন যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে পেট্রোল ও গ্যাস সিলিন্ডার। যত্রতত্র বিক্রি হওয়ায় যে কোনো সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। লাইসেন্সবিহীন ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কোনো তৎপর দেখা যায়নি।
মানবাধিকার কর্মী মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারী বলেন, উপজেলায় একটি মাত্র পেট্রোল পাম্প রয়েছে। কিন্তু প্রায় তিন শতাধিক স্থানে পেট্রোল ও এলপি গ্যাস পাওয়া যায়। পেট্রোল পাম্প মালিকের দায়ভার এড়াতে পারেন না। কারণ, পাম্প থেকেই খোলা বাজারে পেট্রোল চলে যায়। এলপি গ্যাস ডিলারও একই কাজ করেন। তাদেরকেও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তাহলেই যত্রতত্র এসব দাহ্য পদার্থ বিক্রি বন্ধ হবে।
বকশীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার আব্দুল কুদ্দুস বলেন, সড়কের ধারে সাজিয়ে রেখে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার ও পেট্রোল বিক্রি বিপজ্জনক। যত্রতত্র পেট্রোল বা দাহ্য পদার্থ বিক্রির কারণে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড বা প্রাণহানির মতো বড় ঘটনা ঘটতে পারে। এলপি গ্যাস ও পেট্রোল বিক্রি করতে হলে অবশ্যই পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স, বিস্ফোরক ও জ্বালানি লাইসেন্স থাকতে হবে। অনুমোদনবিহীন কেউ এলপি গ্যাস ও পেট্রোল বিক্রি করতে পারবে না।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই বলেন, দাহ্য পদার্থ ও গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির আইন রয়েছে। দাহ্য পদার্থ যত্রতত্র বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। অভিযান চালিয়ে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত আছে। নির্দেশনা না মানলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিক্রি হচ্ছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম (এলপি) গ্যাসের সিলিন্ডার ও পেট্রোল। মুদি দোকান, ঔষধের দোকান, কাঁচামালের দোকানসহ যত্রতত্র পাওয়া যাচ্ছে পেট্রোল ও গ্যাস সিলিন্ডার।
সরকার অনুমোদিত পেট্রোল পাম্প ছাড়া পেট্রোল জাতীয় দাহ্য পদার্থ বিক্রির বিধান না থাকলেও তা উপেক্ষা করে বিভিন্ন এলাকায় মোড়ে মোড়ে এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের বোতল ও পেট্রোলসহ দাহ্য পদার্থ বিক্রি হচ্ছে দেদারসে।
যে কোনো সময় বিস্ফোরণ ও দাহ্য পদার্থ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে প্রাণহানি ঘটার আশঙ্কা স্থানীয়দের। অপরদিকে সরকার নির্ধারিত মূল্য ১১৭ টাকা হলেও বাইরে বাজারে বোতলে রাখা পেট্রোল বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়। সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি হচ্ছে ১৮০০ থেকে ১৯০০ টাকায়। এতে করে ক্রেতারাও ঠকছেন দারুণভাবে।
জানা যায়, সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহারের জন্য বিস্ফোরক অধিদপ্তরের নীতিমালা রয়েছে। বিধিমোতাবেক সিলিন্ডার মজুত রেখে বিক্রির ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক। পেট্রোল বিক্রির ক্ষেত্রেও রয়েছে নীতিমালা।
দাহ্য পদার্থ ও সিলিন্ডার মজুত করার ক্ষেত্রে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি এবং আগুন নিয়ন্ত্রক সরঞ্জাম মজুত রাখতে হবে। মজুত করা স্থানের কাছাকাছি আলো বা তাপের উৎস থাকা যাবে না।
এসব আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বকশীগঞ্জ পৌর শহরের মধ্যবাজার, পুরোনো গোহাটি, বাসস্ট্যান্ড, মালিবাগ মোড়, কামারপট্টি মোড়, উপজেলা মোড়, মাস্টারবাড়ি বাজার, মৌলভীবাজার, টিকরকান্দি বাজার, ধুমালীপাড়া মোড়, দক্ষিণ বাজার মোড়ে দেদার বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাস ও পেট্রোল। ওষুধের দোকান, কম্পিউটারের দোকান, মুদির দোকান, ক্রোকারিজের দোকান, ফলের দোকান, হোটেল, সেলুন, লাকড়ির দোকান, মোটর সাইকেলের গ্যারেজ, কাঁচামালের দোকান, হার্ডওয়্যারের দোকান, ফ্লেক্সিলোডের দোকান, মেশিনারি দোকান ও চা দোকানসহ বিভিন্ন ধরনের দোকানে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার ও পেট্রোল বিক্রি করা হচ্ছে দেদারসে। দোকানের সামনে এমনকি ফুটপাতে সিলিন্ডার ফেলে এবং তার উপর পরিত্যক্ত বোতলে পেট্রোল রেখে এ ব্যবসা নির্বিঘ্নে পরিচালনা করছেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু এদের কোনো ধরণের লাইসেন্স নেই।
এ ছাড়া পৌরসভার বাইরে উপজেলার মেরুরচর বাজার, খেওয়ারচর, নিলাক্ষিয়া, জানকিপুর ,পলাশতলা, লাউচাপড়া, কামালপুর মৃর্ধাপাড়া, দাসের হাট, জিন্না বাজার, সকাল বাজার, বাট্টাজোড়, সারমারা, নইমিয়ার বাজার, টুপকারচর, নতুন বাজার, শেখেরচর, রামরামপুর, মাদারেরচর, বালুঝুড়ি, নালার মোড়, খালেকের মোড়, বিনোদেরচর বাজারসহ প্রতিটি ছোট-বড় হাটবাজারে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাস ও পেট্রোল। রাখা হচ্ছে খোলা জায়গায়। এ ছাড়া প্রতিটি সড়কের পাশে বিভিন্ন দোকানের সামনে সিলিন্ডার গ্যাসের বোতল ও পরিত্যক্ত পানীয় বোতলে সাজিয়ে রাখা হয় দাহ্য পদার্থ পেট্রোল-অকটেন। এলপিজি বিক্রির ক্ষেত্রে যেসব নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত তার একটিও কোথাও মানা হচ্ছে না। সেই সঙ্গে নেই বৈধ লাইসেন্স।
জব্বারগঞ্জ বাজারে জ্বালানি তেল বিক্রেতা ইয়াকুব জানান, দোকানের ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি তেল, পেট্রোল ও গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করে আসছেন তিনি। তবে তদারকি করতে তার দোকানে আজ পর্যন্ত কেউ আসেনি বলে জানান তিনি।
বকশীগঞ্জ পৌর শহরের ফ্লেক্সিলোড ব্যবসায়ী আকরাম হোসেন বলেন, তার দোকানের ট্রেড লাইসেন্স আছে। এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে লাইসেন্স বা অনুমোদন নিতে হয় এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।
বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ উল হাসান বলেন, আইন আছে, কিন্তু আইনের প্রয়োগ নেই। যে কারণে লাইসেন্সবিহীন যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে পেট্রোল ও গ্যাস সিলিন্ডার। যত্রতত্র বিক্রি হওয়ায় যে কোনো সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। লাইসেন্সবিহীন ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কোনো তৎপর দেখা যায়নি।
মানবাধিকার কর্মী মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারী বলেন, উপজেলায় একটি মাত্র পেট্রোল পাম্প রয়েছে। কিন্তু প্রায় তিন শতাধিক স্থানে পেট্রোল ও এলপি গ্যাস পাওয়া যায়। পেট্রোল পাম্প মালিকের দায়ভার এড়াতে পারেন না। কারণ, পাম্প থেকেই খোলা বাজারে পেট্রোল চলে যায়। এলপি গ্যাস ডিলারও একই কাজ করেন। তাদেরকেও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তাহলেই যত্রতত্র এসব দাহ্য পদার্থ বিক্রি বন্ধ হবে।
বকশীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার আব্দুল কুদ্দুস বলেন, সড়কের ধারে সাজিয়ে রেখে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার ও পেট্রোল বিক্রি বিপজ্জনক। যত্রতত্র পেট্রোল বা দাহ্য পদার্থ বিক্রির কারণে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড বা প্রাণহানির মতো বড় ঘটনা ঘটতে পারে। এলপি গ্যাস ও পেট্রোল বিক্রি করতে হলে অবশ্যই পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স, বিস্ফোরক ও জ্বালানি লাইসেন্স থাকতে হবে। অনুমোদনবিহীন কেউ এলপি গ্যাস ও পেট্রোল বিক্রি করতে পারবে না।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই বলেন, দাহ্য পদার্থ ও গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির আইন রয়েছে। দাহ্য পদার্থ যত্রতত্র বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। অভিযান চালিয়ে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত আছে। নির্দেশনা না মানলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২০ জুন, ২০২৬ ২০:৫৯
২০ জুন, ২০২৬ ২০:১০
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৪৩
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২

২০ জুন, ২০২৬ ২০:১০
প্রবাস থেকে পাঠানো টাকা ও ওই টাকায় কেনা জমি বুঝে পেতে চাওয়ায় শ্বশুর ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রবাসফেরত মেয়ের স্বামীকে গাছের সঙ্গে শিকল দিয়ে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় চাচা শ্বশুর আসাদ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (১৯ জুন) শেরপুরের নালিতাবাড়ী থানায় শ্বশুরসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী মরিয়ম বেগম। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলার বাদলাকুড়া গ্রামে জামাইকে শিকলে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, নয়াবিল ইউনিয়নের বাদলাকুড়া গ্রামের মহর উদ্দিনের মেয়ে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে সোরহাব হোসেন বাবুর বিয়ে হয়।
সোরহাব হোসেন দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থাকাকালীন বিভিন্ন সময়ে শ্বশুর মহর উদ্দিনকে জমি কেনার জন্য মোট ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ধার দেন। পরবর্তীতে আরও দেড় লাখ টাকা দেন শ্বশুরকে।
বৃহস্পতিবার পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে শ্বশুর মহর উদ্দিনের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে শ্বশুরপক্ষের লোকজন সোরহাব হোসেনকে আটক করে শিকল দিয়ে নারকেল গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রবাস থেকে পাঠানো টাকা ও ওই টাকায় কেনা জমি বুঝে পেতে চাওয়ায় শ্বশুর ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রবাসফেরত মেয়ের স্বামীকে গাছের সঙ্গে শিকল দিয়ে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় চাচা শ্বশুর আসাদ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (১৯ জুন) শেরপুরের নালিতাবাড়ী থানায় শ্বশুরসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী মরিয়ম বেগম। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলার বাদলাকুড়া গ্রামে জামাইকে শিকলে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, নয়াবিল ইউনিয়নের বাদলাকুড়া গ্রামের মহর উদ্দিনের মেয়ে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে সোরহাব হোসেন বাবুর বিয়ে হয়।
সোরহাব হোসেন দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থাকাকালীন বিভিন্ন সময়ে শ্বশুর মহর উদ্দিনকে জমি কেনার জন্য মোট ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ধার দেন। পরবর্তীতে আরও দেড় লাখ টাকা দেন শ্বশুরকে।
বৃহস্পতিবার পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে শ্বশুর মহর উদ্দিনের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে শ্বশুরপক্ষের লোকজন সোরহাব হোসেনকে আটক করে শিকল দিয়ে নারকেল গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২০ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই সমর্থকদের উন্মাদনা পৌঁছে যায় ভিন্ন মাত্রায়। প্রিয় দলের জয়-পরাজয়কে ঘিরে চলে নানা বাজি, চ্যালেঞ্জ আর মজার সব প্রতিশ্রুতি।
এমনই এক ব্যতিক্রমী প্রতিশ্রুতি পালন করে আলোচনায় এসেছেন চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের এক আর্জেন্টিনা সমর্থক। উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেহেদিনগর গ্রামের কামরুল হাসান।
গত কয়েকদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়েছিলেন, ব্রাজিল যদি হাইতির বিপক্ষে জয়লাভ করে, তাহলে আর্জেন্টিনার সমর্থন ছেড়ে দুধ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিল দলকে সমর্থন করবেন।
শনিবার (২০ জুন) ভোরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ব্রাজিল ৩-০ গোলের জয় লাভ করলে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেননি কামরুল। বন্ধুদের উপস্থিতিতে গ্রামের একটি খোলা জায়গায় দুধ দিয়ে গোসল করেন তিনি। এরপর খুলে ফেলেন আর্জেন্টিনার জার্সি, গায়ে তোলেন ব্রাজিলের জার্সি।
পুরো ঘটনাটি ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে মুহূর্তেই তা ছড়িয়ে পড়ে নেট দুনিয়ায়। কামরুল হাসান বলেন, ব্রাজিলকে খোঁচা দিতেই মজার ছলে এমন ঘোষণা দিয়েছিলাম। মনে হয়েছিল তারা হয়তো জিতবে না।
কিন্তু ব্রাজিল জিতে গেছে, তাই নিজের কথার মর্যাদা রাখতে দুধ দিয়ে গোসল করেছি। এখন সবাই আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করলেও আমি বিষয়টি উপভোগ করছি।
ব্রাজিল সমর্থক ফাইয়াজ রিয়াজ বলেন, বন্ধু কামরুল বলছে আজকের ম্যাচ জিততে পারলে সবার সামনে দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনা ছেড়ে ব্রাজিলে যোগ দিবে।
ম্যাচ জয়ের পর আমরা তাকে ডেকে এনে তার প্রতিশ্রুতি অনুয়ায়ী দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে ব্রাজিলের জার্সি পরিধান করিয়ে দিই। সে এখন ব্রাজিল সমর্থন করে। তিনি আরও বলেন, ব্রাজিল অনেক বছর শিরোপা জিততে পারেনি সত্যি, কিন্তু তারা শৈল্পিক ফুটবলের উদ্ভাবক।
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই সমর্থকদের উন্মাদনা পৌঁছে যায় ভিন্ন মাত্রায়। প্রিয় দলের জয়-পরাজয়কে ঘিরে চলে নানা বাজি, চ্যালেঞ্জ আর মজার সব প্রতিশ্রুতি।
এমনই এক ব্যতিক্রমী প্রতিশ্রুতি পালন করে আলোচনায় এসেছেন চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের এক আর্জেন্টিনা সমর্থক। উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেহেদিনগর গ্রামের কামরুল হাসান।
গত কয়েকদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়েছিলেন, ব্রাজিল যদি হাইতির বিপক্ষে জয়লাভ করে, তাহলে আর্জেন্টিনার সমর্থন ছেড়ে দুধ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিল দলকে সমর্থন করবেন।
শনিবার (২০ জুন) ভোরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ব্রাজিল ৩-০ গোলের জয় লাভ করলে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেননি কামরুল। বন্ধুদের উপস্থিতিতে গ্রামের একটি খোলা জায়গায় দুধ দিয়ে গোসল করেন তিনি। এরপর খুলে ফেলেন আর্জেন্টিনার জার্সি, গায়ে তোলেন ব্রাজিলের জার্সি।
পুরো ঘটনাটি ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে মুহূর্তেই তা ছড়িয়ে পড়ে নেট দুনিয়ায়। কামরুল হাসান বলেন, ব্রাজিলকে খোঁচা দিতেই মজার ছলে এমন ঘোষণা দিয়েছিলাম। মনে হয়েছিল তারা হয়তো জিতবে না।
কিন্তু ব্রাজিল জিতে গেছে, তাই নিজের কথার মর্যাদা রাখতে দুধ দিয়ে গোসল করেছি। এখন সবাই আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করলেও আমি বিষয়টি উপভোগ করছি।
ব্রাজিল সমর্থক ফাইয়াজ রিয়াজ বলেন, বন্ধু কামরুল বলছে আজকের ম্যাচ জিততে পারলে সবার সামনে দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনা ছেড়ে ব্রাজিলে যোগ দিবে।
ম্যাচ জয়ের পর আমরা তাকে ডেকে এনে তার প্রতিশ্রুতি অনুয়ায়ী দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে ব্রাজিলের জার্সি পরিধান করিয়ে দিই। সে এখন ব্রাজিল সমর্থন করে। তিনি আরও বলেন, ব্রাজিল অনেক বছর শিরোপা জিততে পারেনি সত্যি, কিন্তু তারা শৈল্পিক ফুটবলের উদ্ভাবক।

২০ জুন, ২০২৬ ১৫:২৪
নড়াইলে বিয়েবাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নকুল মল্লিক নামে (৫২) এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের মুসুড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নকুল মল্লিক ওই গ্রামের মৃত সতিস চন্দ্র মল্লিকের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও স্বজন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার নিহত নকুল মল্লিকের ভাইয়ের মেয়ের বিয়ে ছিল। বিয়ে উপলক্ষে বাড়িতে আলোকসজ্জা করা হয়েছিল। রাত ৮টার দিকে বরযাত্রী গেলে গেটে নতুন বরকে মিষ্টিমুখ করানোর জন্য যান নকুল মল্লিক।
এসময় ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে তিনি আলোকসজ্জার বৈদ্যুতিক তারের ওপর পড়ে বিদ্যুতায়িত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হচ্ছে।
নড়াইলে বিয়েবাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নকুল মল্লিক নামে (৫২) এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের মুসুড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নকুল মল্লিক ওই গ্রামের মৃত সতিস চন্দ্র মল্লিকের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও স্বজন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার নিহত নকুল মল্লিকের ভাইয়ের মেয়ের বিয়ে ছিল। বিয়ে উপলক্ষে বাড়িতে আলোকসজ্জা করা হয়েছিল। রাত ৮টার দিকে বরযাত্রী গেলে গেটে নতুন বরকে মিষ্টিমুখ করানোর জন্য যান নকুল মল্লিক।
এসময় ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে তিনি আলোকসজ্জার বৈদ্যুতিক তারের ওপর পড়ে বিদ্যুতায়িত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হচ্ছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.