
১০ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:১১
বরিশাল-১ আসনের নির্বাচনী ময়দানে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম খানের বড় ছেলে এবং কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা আরাফাত বিল্লাহ খান-এর একটি বক্তব্য। গত ৭ নভেম্বর গৌরনদীর জনসভায় আরাফাত বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপনের পক্ষে নির্বাচনী সমর্থন ও ভোট চান— যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং দুই উপজেলার ভোটারদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া তৈরী করে।
আরাফাত তার বক্তব্যে বলেন, তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক নেতা হিসেবে জাতীয়তাবাদী আদর্শকে অনুসরণ করবেন এবং স্থানীয় নিরাপত্তার স্বার্থে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন করার আহ্বান জানান। তিনি আখেরে বলেন, “আমার জীবনের শেষ পর্যন্ত জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাস করব… আমাদের স্বপন ভাই দুইবারের এমপি, তাই আমরা তাকে বিজয়ী করাবো।”
এ ঘটনার পর মাওলানা কামরুল ইসলাম খান রবিবার নিজ ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করে জানিয়ে দেন যে, তিনি তাঁর বড় ছেলেকে শিবিরে যেতে বুঝিয়েছেন, কিন্তু ব্যর্থ হয়েছেন; তাই বড় ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি একজন ব্যর্থ পিতা। আমার বড় ছেলের সঙ্গে আমি সম্পর্ক ছিন্ন করলাম।’ পরবর্তীতে তিনি পোস্টটি ডিলেট করেন এবং সংবাদে দাবি করেন যে প্রথম পোস্টটি কেন্দ্রের নির্দেশে মুছে ফেলেছেন। তিনি বলেন, “আমার ছেলে যা বলেছে তাতে ভোটে কোনো প্রভাব পড়বে না।”
জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী কামরুলের প্রথম পোস্ট ও তার ছেলের বক্তব্য নিয়ে গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এমন পারিবারিক বিভক্তি স্থানীয় ভোটারদের মনে সংশয় সৃষ্টি করতে পারে।
বরিশাল-১ আসনের নির্বাচনী ময়দানে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম খানের বড় ছেলে এবং কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা আরাফাত বিল্লাহ খান-এর একটি বক্তব্য। গত ৭ নভেম্বর গৌরনদীর জনসভায় আরাফাত বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপনের পক্ষে নির্বাচনী সমর্থন ও ভোট চান— যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং দুই উপজেলার ভোটারদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া তৈরী করে।
আরাফাত তার বক্তব্যে বলেন, তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক নেতা হিসেবে জাতীয়তাবাদী আদর্শকে অনুসরণ করবেন এবং স্থানীয় নিরাপত্তার স্বার্থে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন করার আহ্বান জানান। তিনি আখেরে বলেন, “আমার জীবনের শেষ পর্যন্ত জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাস করব… আমাদের স্বপন ভাই দুইবারের এমপি, তাই আমরা তাকে বিজয়ী করাবো।”
এ ঘটনার পর মাওলানা কামরুল ইসলাম খান রবিবার নিজ ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করে জানিয়ে দেন যে, তিনি তাঁর বড় ছেলেকে শিবিরে যেতে বুঝিয়েছেন, কিন্তু ব্যর্থ হয়েছেন; তাই বড় ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমি একজন ব্যর্থ পিতা। আমার বড় ছেলের সঙ্গে আমি সম্পর্ক ছিন্ন করলাম।’ পরবর্তীতে তিনি পোস্টটি ডিলেট করেন এবং সংবাদে দাবি করেন যে প্রথম পোস্টটি কেন্দ্রের নির্দেশে মুছে ফেলেছেন। তিনি বলেন, “আমার ছেলে যা বলেছে তাতে ভোটে কোনো প্রভাব পড়বে না।”
জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী কামরুলের প্রথম পোস্ট ও তার ছেলের বক্তব্য নিয়ে গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এমন পারিবারিক বিভক্তি স্থানীয় ভোটারদের মনে সংশয় সৃষ্টি করতে পারে।
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৫
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২১
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫৩
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৭

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২১
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ঘটনার পর ওই পরীক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন কর্মকর্তাকে মারধর করে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
শুক্রবার দুপুরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান বরিশাল মহানগর পুলিশের বন্দর থানার ওসি ইসমাইল হোসেন। আটক পরীক্ষার্থীর নাম আহনাফ আহমেদ। ভর্তি পরীক্ষায় তার রোল নম্বর ১৯৯৮৬০।
আহতরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের সিকিউরিটি শাখার কর্মচারী মো. মনিরুজ্জামান, রাসেল হোসেন এবং উজ্জ্বল। তারা শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
আহত মনিরুজ্জামান বলেন, “বহিষ্কারের পর এক পরীক্ষার্থী স্টাফ ও অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের মারধর শুরু করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে সে আমাকে মারধর করে। এতে আমার নাক, মুখ ও কান রক্তাক্ত হয়।
পরে আশপাশের লোকজন এসে তাকে আটক করে।” বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রধান ফোকাল পয়েন্ট সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, “মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষা দেওয়ায় একজনকে বহিষ্কার করা হয়।
পরে ওই পরীক্ষার্থী আমাদের তিনজন স্টাফকে মারধর করে আহত করে। তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রাহাত হোসাইন ফয়সাল বলেন, “পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেন কক্ষ পরিদর্শক। বহিষ্কারের পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে নেওয়ার সময় নিরাপত্তা শাখার তিনজনকে মারধর করেন তিনি। আহতরা হাসপাতালে ভর্তি আছেন।”
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষায় আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করা পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে গেছে বলে জানান তিনি। ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক শিক্ষার্থীকে হস্তান্তর করেছে। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ঘটনার পর ওই পরীক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন কর্মকর্তাকে মারধর করে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
শুক্রবার দুপুরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান বরিশাল মহানগর পুলিশের বন্দর থানার ওসি ইসমাইল হোসেন। আটক পরীক্ষার্থীর নাম আহনাফ আহমেদ। ভর্তি পরীক্ষায় তার রোল নম্বর ১৯৯৮৬০।
আহতরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের সিকিউরিটি শাখার কর্মচারী মো. মনিরুজ্জামান, রাসেল হোসেন এবং উজ্জ্বল। তারা শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
আহত মনিরুজ্জামান বলেন, “বহিষ্কারের পর এক পরীক্ষার্থী স্টাফ ও অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের মারধর শুরু করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে সে আমাকে মারধর করে। এতে আমার নাক, মুখ ও কান রক্তাক্ত হয়।
পরে আশপাশের লোকজন এসে তাকে আটক করে।” বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রধান ফোকাল পয়েন্ট সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, “মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষা দেওয়ায় একজনকে বহিষ্কার করা হয়।
পরে ওই পরীক্ষার্থী আমাদের তিনজন স্টাফকে মারধর করে আহত করে। তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রাহাত হোসাইন ফয়সাল বলেন, “পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেন কক্ষ পরিদর্শক। বহিষ্কারের পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে নেওয়ার সময় নিরাপত্তা শাখার তিনজনকে মারধর করেন তিনি। আহতরা হাসপাতালে ভর্তি আছেন।”
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষায় আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করা পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে গেছে বলে জানান তিনি। ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক শিক্ষার্থীকে হস্তান্তর করেছে। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৭
বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার ১০ এপ্রিল সকাল ৯ টায় মহাসড়কের বদরপুর নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেলটি বাকেরগঞ্জ থেকে পটুয়াখালীর দিকে যাচ্ছিল। মোটরসাইকেলটি পটুয়াখালীর বদরপুর নামক স্থানে পৌঁছালে পথিমধ্যে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালক গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মোটরসাইকেল চালক মারুফ (২৩) গারুড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ভান্ডারীকাঠি গ্রামের রফিকুল ইসলাম হাওলাদারের পুত্র। মারুফ গারুড়িয়া ইউনিয়নের কান্তা হাসান বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
পুলিশ জানায়, নিহত মারুফের মরা দেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি জব্দ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা মহাসড়কে বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার ১০ এপ্রিল সকাল ৯ টায় মহাসড়কের বদরপুর নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেলটি বাকেরগঞ্জ থেকে পটুয়াখালীর দিকে যাচ্ছিল। মোটরসাইকেলটি পটুয়াখালীর বদরপুর নামক স্থানে পৌঁছালে পথিমধ্যে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালক গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মোটরসাইকেল চালক মারুফ (২৩) গারুড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ভান্ডারীকাঠি গ্রামের রফিকুল ইসলাম হাওলাদারের পুত্র। মারুফ গারুড়িয়া ইউনিয়নের কান্তা হাসান বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
পুলিশ জানায়, নিহত মারুফের মরা দেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি জব্দ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা মহাসড়কে বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৬
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় স্বামীর রহস্যজনক মৃত্যুর সঠিক তদন্ত ও প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক মাদ্রাসা শিক্ষিকা ও তার সন্তানরা।
১০ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১০টায় উপজেলার ডাকবাংলা এলাকায় নিজ ভাইয়ের বাসায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন বড়কোঠা ইউনিয়নের গাববাড়ি গ্রামের বাসিন্দা মাদ্রাসা শিক্ষিকা সারমিন আক্তার নিপা। এ সময় তার দুই পুত্রও উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সারমিন আক্তার নিপা অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী মোহাম্মদ শাজাহান হাওলাদার সুমন (৪৪) গত ৬ এপ্রিল সোমবার ঢাকার উত্তরখান এলাকায় নিজ বাসায় রহস্যজনকভাবে মারা যান।
ঘটনার দিন সকাল ১১টার দিকে তিনি ছোট ছেলে হামীম হোসাইন সানমুনকে নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শেষে বাসায় ফিরে দেখেন ঘরের দরজা খোলা। ভেতরে ঢুকে স্বামীকে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে কাছে গিয়ে দেখেন তিনি অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। কপালে হাত দিলে ঠান্ডা অনুভূত হয়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করা হলেও স্থানীয়রা তাতে রাজি হননি এবং দ্রুত গোসল ও জানাজার ব্যবস্থা করেন। বিষয়টি তিনি শাশুড়িকে জানালে তারা মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসার কথা বলেন। পরে মরদেহ বাড়িতে আনার পর শাশুড়ি ও ননদের পক্ষ থেকে তার ও সন্তানদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং মৃত্যুকে ঘিরে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়।
সারমিন বলেন, তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে পুলিশি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও দাবি করেন, তার স্বামী দীর্ঘদিন মাদকাসক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ নিয়ে পারিবারিক বিরোধও ছিল। তার অভিযোগ, তার অনুপস্থিতির সুযোগে স্বামীর মাদকসেবী বন্ধুদের কেউ এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে।
তিনি স্বামীর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানান।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় স্বামীর রহস্যজনক মৃত্যুর সঠিক তদন্ত ও প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক মাদ্রাসা শিক্ষিকা ও তার সন্তানরা।
১০ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১০টায় উপজেলার ডাকবাংলা এলাকায় নিজ ভাইয়ের বাসায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন বড়কোঠা ইউনিয়নের গাববাড়ি গ্রামের বাসিন্দা মাদ্রাসা শিক্ষিকা সারমিন আক্তার নিপা। এ সময় তার দুই পুত্রও উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সারমিন আক্তার নিপা অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী মোহাম্মদ শাজাহান হাওলাদার সুমন (৪৪) গত ৬ এপ্রিল সোমবার ঢাকার উত্তরখান এলাকায় নিজ বাসায় রহস্যজনকভাবে মারা যান।
ঘটনার দিন সকাল ১১টার দিকে তিনি ছোট ছেলে হামীম হোসাইন সানমুনকে নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শেষে বাসায় ফিরে দেখেন ঘরের দরজা খোলা। ভেতরে ঢুকে স্বামীকে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে কাছে গিয়ে দেখেন তিনি অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। কপালে হাত দিলে ঠান্ডা অনুভূত হয়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করা হলেও স্থানীয়রা তাতে রাজি হননি এবং দ্রুত গোসল ও জানাজার ব্যবস্থা করেন। বিষয়টি তিনি শাশুড়িকে জানালে তারা মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসার কথা বলেন। পরে মরদেহ বাড়িতে আনার পর শাশুড়ি ও ননদের পক্ষ থেকে তার ও সন্তানদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং মৃত্যুকে ঘিরে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়।
সারমিন বলেন, তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে পুলিশি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও দাবি করেন, তার স্বামী দীর্ঘদিন মাদকাসক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ নিয়ে পারিবারিক বিরোধও ছিল। তার অভিযোগ, তার অনুপস্থিতির সুযোগে স্বামীর মাদকসেবী বন্ধুদের কেউ এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে।
তিনি স্বামীর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানান।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.