
০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:১৫
উপকূলীয় কৃষিপ্রধান জনপদ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তরমুজ চাষে রেকর্ড আবাদ হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৩৮০ হেক্টর জমি।
তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৩৬৭ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। এতে কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর প্রায় ২০০ কোটি টাকার তরমুজ বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরাসরি তরমুজ চাষের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন প্রায় পাঁচ হাজার কৃষক। অনুকূল আবহাওয়া ও বাজারে ভালো দামের প্রত্যাশায় কৃষকদের আগ্রহ দিনদিন বাড়ছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপকভাবে তরমুজ চাষ হচ্ছে। কৃষকরা আধুনিক পদ্ধতি ও উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার করে ফলন বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।
মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ জমিতে ভালো ফলন ধরেছে। তবে ফল বড় ও মিষ্টি করতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত মিষ্টি পানি। আর সেখানেই দেখা দিয়েছে বড় সংকট। অনেক কৃষক দূরবর্তী স্থান থেকে মোটরের মাধ্যমে পানি এনে সেচ দিচ্ছেন, যা ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে।
পানির সংকটে দুশ্চিন্তা কৃষকদের তাদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এলাকায় স্পষ্ট। খাল-বিল ও প্রাকৃতিক জলাধার ভরাট হয়ে যাওয়ায় সেচ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। পানির স্বল্পতা ও লবণাক্ততার ঝুঁকি কৃষির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। খালগুলো সচল থাকলে আরও বেশি জমিতে তরমুজ আবাদ সম্ভব হতো বলে মনে করছেন তারা।
লতাচাপলী ইউনিয়নের কৃষক মো. বেলাল জানান, গত ১০ বছর ধরে তরমুজ চাষ করছি। এ বছর তিন একর জমিতে প্রায় চার লাখ টাকা খরচ করেছি। কিন্তু প্রতিবছর বীজ, সারসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ কিনতে গিয়ে প্রতারণা ও মূল্যবৃদ্ধির যন্ত্রণা পোহাতে হয়। কৃষিপণ্যের দামের লাগাম টানতে সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
অন্যদিকে নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষক মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, আমরা পুরোপুরি আধুনিক কৃষক হতে পারিনি। তবে কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে এসে খোঁজখবর রাখছেন এবং বিনামূল্যে সার ও বীজ দিচ্ছেন। এ সহযোগিতা আরও বাড়লে কৃষকরা পিছিয়ে থাকবে না।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরাফাত হোসেন বলেন, সঠিক পরিচর্যা ও অনুকূল আবহাওয়া থাকলে এ বছর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। খাল পুনঃখনন ও টেকসই পানি ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেওয়া গেলে ভবিষ্যতে তরমুজসহ অন্যান্য ফসলের আবাদ আরও বাড়ানো সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, কৃষকদের প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকলে তরমুজ চাষ স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এতে কৃষকদের আর্থিক সচ্ছলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
উপকূলীয় কৃষিপ্রধান জনপদ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তরমুজ চাষে রেকর্ড আবাদ হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৩৮০ হেক্টর জমি।
তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৩৬৭ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। এতে কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর প্রায় ২০০ কোটি টাকার তরমুজ বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরাসরি তরমুজ চাষের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন প্রায় পাঁচ হাজার কৃষক। অনুকূল আবহাওয়া ও বাজারে ভালো দামের প্রত্যাশায় কৃষকদের আগ্রহ দিনদিন বাড়ছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপকভাবে তরমুজ চাষ হচ্ছে। কৃষকরা আধুনিক পদ্ধতি ও উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার করে ফলন বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।
মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ জমিতে ভালো ফলন ধরেছে। তবে ফল বড় ও মিষ্টি করতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত মিষ্টি পানি। আর সেখানেই দেখা দিয়েছে বড় সংকট। অনেক কৃষক দূরবর্তী স্থান থেকে মোটরের মাধ্যমে পানি এনে সেচ দিচ্ছেন, যা ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে।
পানির সংকটে দুশ্চিন্তা কৃষকদের তাদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এলাকায় স্পষ্ট। খাল-বিল ও প্রাকৃতিক জলাধার ভরাট হয়ে যাওয়ায় সেচ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। পানির স্বল্পতা ও লবণাক্ততার ঝুঁকি কৃষির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। খালগুলো সচল থাকলে আরও বেশি জমিতে তরমুজ আবাদ সম্ভব হতো বলে মনে করছেন তারা।
লতাচাপলী ইউনিয়নের কৃষক মো. বেলাল জানান, গত ১০ বছর ধরে তরমুজ চাষ করছি। এ বছর তিন একর জমিতে প্রায় চার লাখ টাকা খরচ করেছি। কিন্তু প্রতিবছর বীজ, সারসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ কিনতে গিয়ে প্রতারণা ও মূল্যবৃদ্ধির যন্ত্রণা পোহাতে হয়। কৃষিপণ্যের দামের লাগাম টানতে সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
অন্যদিকে নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষক মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, আমরা পুরোপুরি আধুনিক কৃষক হতে পারিনি। তবে কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে এসে খোঁজখবর রাখছেন এবং বিনামূল্যে সার ও বীজ দিচ্ছেন। এ সহযোগিতা আরও বাড়লে কৃষকরা পিছিয়ে থাকবে না।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরাফাত হোসেন বলেন, সঠিক পরিচর্যা ও অনুকূল আবহাওয়া থাকলে এ বছর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। খাল পুনঃখনন ও টেকসই পানি ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেওয়া গেলে ভবিষ্যতে তরমুজসহ অন্যান্য ফসলের আবাদ আরও বাড়ানো সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, কৃষকদের প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকলে তরমুজ চাষ স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এতে কৃষকদের আর্থিক সচ্ছলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
২২ জুন, ২০২৬ ০১:০১
২১ জুন, ২০২৬ ২৩:২৯
২১ জুন, ২০২৬ ১৯:৫১
২১ জুন, ২০২৬ ১৯:২৬

২০ জুন, ২০২৬ ১৮:৫০
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটক মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) মহিপুর থানার মিস্ত্রিপাড়া (লতাচাপলী) এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলম হাওলাদার ওরফে শাহ-আলম হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি চৌকস অভিযানিক দল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদারকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কুয়াকাটা ও আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের সাথে জড়িত। উদ্ধারকৃত ইয়াবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৬০০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটক মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদার (৩২) মহিপুর থানার মিস্ত্রিপাড়া (লতাচাপলী) এলাকার বাসিন্দা মোঃ আলম হাওলাদার ওরফে শাহ-আলম হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি চৌকস অভিযানিক দল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ঘোটাবাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ নুরুজ্জামান হাওলাদারকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৬০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কুয়াকাটা ও আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহের সাথে জড়িত। উদ্ধারকৃত ইয়াবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:২৭
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু (পোনা) জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। পরে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে রেনুগুলো পায়রা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পায়রা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় স্থানীয় জনতার সহায়তায় রেনুবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়। এ সময় ট্রাকে থাকা রেনু ব্যবসায়ী ও চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। জব্দকৃত ৪৩ ড্রাম রেনুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহজনকভাবে একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু পরিবহন করা হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে এলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেন। পরে খবর পেয়ে দুমকি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি তল্লাশি করেন। তল্লাশিতে ট্রাক থেকে ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু উদ্ধার করা হয়।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, রেনুগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ইউএনওর নির্দেশনায় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দকৃত রেনুগুলো পায়রা সেতু সংলগ্ন নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু জব্দ করা হয়েছে। মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে রেনুগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে চিংড়ির রেনু আহরণ ও পরিবহন বন্ধে মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু (পোনা) জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। পরে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে রেনুগুলো পায়রা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পায়রা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় স্থানীয় জনতার সহায়তায় রেনুবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়। এ সময় ট্রাকে থাকা রেনু ব্যবসায়ী ও চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। জব্দকৃত ৪৩ ড্রাম রেনুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহজনকভাবে একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু পরিবহন করা হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে এলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেন। পরে খবর পেয়ে দুমকি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি তল্লাশি করেন। তল্লাশিতে ট্রাক থেকে ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু উদ্ধার করা হয়।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, রেনুগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ইউএনওর নির্দেশনায় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দকৃত রেনুগুলো পায়রা সেতু সংলগ্ন নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু জব্দ করা হয়েছে। মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে রেনুগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে চিংড়ির রেনু আহরণ ও পরিবহন বন্ধে মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১৭ জুন, ২০২৬ ১৬:০৯
পটুয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে কাজ করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত দুইজন হলেন- চৌদ্দবুড়িয়া এলাকার শিকদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাক ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ নূহু (২৫) এবং একই এলাকার মোহাম্মদ আশরাফ চৌকিদার ওরফে আশরাফ মোল্লা (৪৫)। তারা দুইজনেই শ্রমিকের কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বাড়ির টয়লেটের জন্য সদ্য নির্মিত সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে সংস্কার কাজ করতে নামেন শ্রমিক মোহাম্মদ নূহু। কাজ করার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ট্যাংকের ভেতরে পড়ে যান।
পরে তাকে উদ্ধার করতে ভেতরে নামেন আশরাফ মোল্লা। একপর্যায়ে তিনিও অচেতন হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন ট্যাংকের একটি অংশ ভেঙে দুজনকে উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে আসেন।
স্থানীয়দের ধারণা, ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণে শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে কাজ করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত দুইজন হলেন- চৌদ্দবুড়িয়া এলাকার শিকদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাক ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ নূহু (২৫) এবং একই এলাকার মোহাম্মদ আশরাফ চৌকিদার ওরফে আশরাফ মোল্লা (৪৫)। তারা দুইজনেই শ্রমিকের কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বাড়ির টয়লেটের জন্য সদ্য নির্মিত সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে সংস্কার কাজ করতে নামেন শ্রমিক মোহাম্মদ নূহু। কাজ করার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ট্যাংকের ভেতরে পড়ে যান।
পরে তাকে উদ্ধার করতে ভেতরে নামেন আশরাফ মোল্লা। একপর্যায়ে তিনিও অচেতন হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন ট্যাংকের একটি অংশ ভেঙে দুজনকে উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে আসেন।
স্থানীয়দের ধারণা, ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণে শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.