Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৯
বরিশালের বানারীপাড়ায় ১৮ মাস পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহিদ তাহিদুল ইসলামের (২১) মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের দক্ষিণ বড় চাউলাকাঠী গ্রামের পারিবারিক কবরস্থান থেকে তার মরদেহ তোলা হয়। পরে তা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। এ সময় বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বায়েজিদুর রহমানের নেতৃত্বে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুল মান্নান, বানারীপাড়া থানার উপপরিদর্শক মো. ইসাহাক আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মরদেহ তোলার সময় তাহিদুলের বাবা-মা ও স্বজনরা কান্না-বিলাপ করেন।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান বলেন, তাহিদুল ইসলাম জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য কবর থেকে তাঁর মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্ত শেষে আবার দাফন করা হবে।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুল মান্নান বলেন, তাহিদুলের মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটনে মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা জানান, তাহিদুল ইসলাম বরিশাল বিএম কলেজের ডিগ্রী প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি তিনি রাজধানীর ফার্মগেটে একটি ওয়ার্কসপে কাজ করতেন। তাহিদুলের মা লাভলী বেগম শারীরিকভাবে অসুস্থ, বড় ভাই তারিকুল ইসলাম বেকার। পরিবারে উপার্জনক্ষম হিসেবে তাহিদুলই ছিল একমাত্র ভরসা।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ আগষ্ট বিকাল ৫ টায় তাহিদুল রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী ও পুলিশের সংঘর্ষের মধ্যে আন্দোলনরত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে তার মরদেহ ঢাকা থেকে বরিশালের বানারীপাড়ার চাখারে গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। ময়না তদন্ত ছাড়াই ৬ আগষ্ট সকালে দু'দফা জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিন্দ্রায় শায়িত করা হয়।
তাহিদুলের বাবা কৃষক আব্দুল মান্নান কান্নাভেজা কন্ঠে জানান, তাঁদের দরিদ্র পরিবারে তাহিদুলই ছিলেন মূল ভরসা। তিনি দিনমজুরি করে যা আয় করেন, তা দিয়ে সংসার চলে না। তাহিদুলের স্বপ্ন ছিল উচ্চ শিক্ষা অর্জন করে "মেধার" যোগ্যতায় ভালো কোন চাকরিতে যোগদান করবেন। দরিদ্র পিতা-মাতার সংসারে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য আনবেন। গ্রামের বাড়ির জীর্ণ ঘর ভেঙ্গে একটি বড় ঘর বানিয়ে সবাইকে নিয়ে বসবাস করবেন। কিন্তু গুলিতে তার সঙ্গে স্বপ্নেরও করুন মৃত্যু হয়েছে। তিনি সরকারের কাছে তার বড় ছেলের জন্য একটি চাকরির দাবি জানান।
বরিশালের বানারীপাড়ায় ১৮ মাস পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহিদ তাহিদুল ইসলামের (২১) মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের দক্ষিণ বড় চাউলাকাঠী গ্রামের পারিবারিক কবরস্থান থেকে তার মরদেহ তোলা হয়। পরে তা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। এ সময় বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বায়েজিদুর রহমানের নেতৃত্বে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুল মান্নান, বানারীপাড়া থানার উপপরিদর্শক মো. ইসাহাক আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মরদেহ তোলার সময় তাহিদুলের বাবা-মা ও স্বজনরা কান্না-বিলাপ করেন।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান বলেন, তাহিদুল ইসলাম জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য কবর থেকে তাঁর মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্ত শেষে আবার দাফন করা হবে।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুল মান্নান বলেন, তাহিদুলের মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটনে মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা জানান, তাহিদুল ইসলাম বরিশাল বিএম কলেজের ডিগ্রী প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি তিনি রাজধানীর ফার্মগেটে একটি ওয়ার্কসপে কাজ করতেন। তাহিদুলের মা লাভলী বেগম শারীরিকভাবে অসুস্থ, বড় ভাই তারিকুল ইসলাম বেকার। পরিবারে উপার্জনক্ষম হিসেবে তাহিদুলই ছিল একমাত্র ভরসা।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ আগষ্ট বিকাল ৫ টায় তাহিদুল রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী ও পুলিশের সংঘর্ষের মধ্যে আন্দোলনরত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে তার মরদেহ ঢাকা থেকে বরিশালের বানারীপাড়ার চাখারে গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। ময়না তদন্ত ছাড়াই ৬ আগষ্ট সকালে দু'দফা জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিন্দ্রায় শায়িত করা হয়।
তাহিদুলের বাবা কৃষক আব্দুল মান্নান কান্নাভেজা কন্ঠে জানান, তাঁদের দরিদ্র পরিবারে তাহিদুলই ছিলেন মূল ভরসা। তিনি দিনমজুরি করে যা আয় করেন, তা দিয়ে সংসার চলে না। তাহিদুলের স্বপ্ন ছিল উচ্চ শিক্ষা অর্জন করে "মেধার" যোগ্যতায় ভালো কোন চাকরিতে যোগদান করবেন। দরিদ্র পিতা-মাতার সংসারে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য আনবেন। গ্রামের বাড়ির জীর্ণ ঘর ভেঙ্গে একটি বড় ঘর বানিয়ে সবাইকে নিয়ে বসবাস করবেন। কিন্তু গুলিতে তার সঙ্গে স্বপ্নেরও করুন মৃত্যু হয়েছে। তিনি সরকারের কাছে তার বড় ছেলের জন্য একটি চাকরির দাবি জানান।

২৩ জুন, ২০২৬ ১৭:৩২
প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লামিয়া আক্তার (১৯) নামের এক নারী মাদক কারবারীকে গাঁজাসহ হাতেনাতে আটকের পর পুলিশে দিয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে বরিশালের গৌরনদী পৌরসভার টরকী বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন চাতাল থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক মাদক কারবারী লামিয়া উপজেলার সালতা গ্রামের সামছুল হক বেপারীর মেয়ে।
উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক রুবেল গোমস্তা ও পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রহিম জানান, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের নিয়ে টরকী বাসষ্ট্যান্ডে অবস্থান করছিলাম।
এরইমধ্যে জানতে পারি বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন চাতালের মধ্যে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি হচ্ছে। পরবর্তীতে থানা পুলিশকে খবর দেওয়ার পাশাপাশি ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের নিয়ে মাদকের আস্তানায় হানা দেয়া হয়। এসময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দেখামাত্র মাদক ক্রেতারা খালে লাফিয়ে পড়ে পালিয়ে রক্ষা পেলেও এক নারী মাদক কারবারিকে ২১ পুড়িয়া গাঁজাসহ আটক করে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
ছাত্রদল নেতারা আরও জানান, ওই মাদক স্পটে হানা দেওয়ার পরপরই স্থানীয় একটি শক্তিশালি মাদক চক্র এসে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর চড়াও হয়। পরবর্তীতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পড়লে মাদক চক্রটি সেখান থেকে পালিয়ে রক্ষা পায়।
তবে আটককৃত লামিয়া আক্তার জানিয়েছে, মাদক ব্যবসার সঙ্গে সে জড়িত নয়। চাতালের পাশেই তার আত্মীয়র বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের এসআই সৌমেন জানান, খবরপেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটক লামিয়ার কাছ থেকে ছোট ছোট ২১ পুড়িয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে সে থানায় রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের পর ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।’

২৩ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৫
বন্ধুর বিয়েতে এসে মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন কুয়েত প্রবাসী সোহেল ফকির (২৪)।ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুর একটার দিকে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুরের বটতলা নামক এলাকায়।
নিহত কুয়েত প্রবাসী সোহেল খাঞ্জাপুর গ্রামের সামু ফকিরের ছেলে।
নিহতের ঘনিষ্ঠজন পান্নু মৃধা জানিয়েছেন, খাঞ্জাপুর গ্রামের খলিল হাওলাদারের ছেলে সোহেলের বাল্যবন্ধু ফরসাল হাওলাদারের গত ১৯ জুন বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। ওই বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য গত দশদিন পূর্বে সোহেল কুয়েত থেকে ছুটিতে দেশে আসে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পান্নু মৃধা আরও জানিয়েছেন, ঘটনারদিন মঙ্গলবার দুপুর একটার দিকে সোহেল মোটরসাইকেল পাকিং করে বটতলা এলাকার মহাসড়কের পাশে দাঁড়ানোছিলো। এসময় বরিশাল থেকে ঢাকাগামী বেপরোয়াগতির তাজবি পরিবহন দূর্ঘটনাস্থল অতিক্রমকালে মহাসড়কের পাশে দাঁড়ানো সোহেলকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে সোহেল ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
মুহুর্তের মধ্যে সোহেল ফকির নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে ওই এলাকার শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা গেছে, প্রায় দেড়বছর পূর্বে ছুটিতে বাড়িতে এসে সোহেল ফকির বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মোহাম্মদ মোহসিন জানিয়েছেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পাশাপাশি মহাসড়কের গোপালপুর এলাকায় ঘাতক পরিবহনটি আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

২৩ জুন, ২০২৬ ১৬:২৭
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ থাকা আয়রন ব্রিজ বালুবাহী ট্রাকসহ ভেঙে পড়েছে। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হেলপারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার(২৩ জুন) রমাগঞ্জ ইউনিয়নের আজহার রোডের পূর্ব মাথায়, ধলীগৌরনগর ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগকারী ব্রিজে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত চালকের নাম নাঈম (২৩)। তিনি ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের চতলা এলাকার বাসিন্দা ফরিদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধলীগৌরনগর ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগস্থলে অবস্থিত এই আয়রন ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এলাকাবাসী জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন এই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করছিলেন। আজ একটি বালুবাহী ট্রাক ব্রিজটি পার হওয়ার চেষ্টা করলে জরাজীর্ণ ব্রিজটি ওজন সহ্য করতে না পেরে খালের মধ্যে ভেঙে পড়ে।
ঘটনাস্থলেই ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে চালক নাঈমের মৃত্যু হয়। ট্রাকে থাকা তার সহকারী (হেলপার) সুমন কে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে বিপজ্জনক অবস্থায় থাকলেও তা সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যার খেসারত দিতে হলো একটি তাজা প্রাণ দিয়ে। তারা অবিলম্বে এখানে একটি নতুন ও স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
এই বিষয়ে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ অলিউল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তৎখানে সেখানে একটি প্রতিনিধি দল পাঠানো হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, এই ঘটনা একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লামিয়া আক্তার (১৯) নামের এক নারী মাদক কারবারীকে গাঁজাসহ হাতেনাতে আটকের পর পুলিশে দিয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে বরিশালের গৌরনদী পৌরসভার টরকী বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন চাতাল থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক মাদক কারবারী লামিয়া উপজেলার সালতা গ্রামের সামছুল হক বেপারীর মেয়ে।
উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক রুবেল গোমস্তা ও পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রহিম জানান, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের নিয়ে টরকী বাসষ্ট্যান্ডে অবস্থান করছিলাম।
এরইমধ্যে জানতে পারি বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন চাতালের মধ্যে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি হচ্ছে। পরবর্তীতে থানা পুলিশকে খবর দেওয়ার পাশাপাশি ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের নিয়ে মাদকের আস্তানায় হানা দেয়া হয়। এসময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দেখামাত্র মাদক ক্রেতারা খালে লাফিয়ে পড়ে পালিয়ে রক্ষা পেলেও এক নারী মাদক কারবারিকে ২১ পুড়িয়া গাঁজাসহ আটক করে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
ছাত্রদল নেতারা আরও জানান, ওই মাদক স্পটে হানা দেওয়ার পরপরই স্থানীয় একটি শক্তিশালি মাদক চক্র এসে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর চড়াও হয়। পরবর্তীতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পড়লে মাদক চক্রটি সেখান থেকে পালিয়ে রক্ষা পায়।
তবে আটককৃত লামিয়া আক্তার জানিয়েছে, মাদক ব্যবসার সঙ্গে সে জড়িত নয়। চাতালের পাশেই তার আত্মীয়র বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের এসআই সৌমেন জানান, খবরপেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটক লামিয়ার কাছ থেকে ছোট ছোট ২১ পুড়িয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে সে থানায় রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের পর ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।’
বন্ধুর বিয়েতে এসে মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন কুয়েত প্রবাসী সোহেল ফকির (২৪)।ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুর একটার দিকে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুরের বটতলা নামক এলাকায়।
নিহত কুয়েত প্রবাসী সোহেল খাঞ্জাপুর গ্রামের সামু ফকিরের ছেলে।
নিহতের ঘনিষ্ঠজন পান্নু মৃধা জানিয়েছেন, খাঞ্জাপুর গ্রামের খলিল হাওলাদারের ছেলে সোহেলের বাল্যবন্ধু ফরসাল হাওলাদারের গত ১৯ জুন বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। ওই বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য গত দশদিন পূর্বে সোহেল কুয়েত থেকে ছুটিতে দেশে আসে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পান্নু মৃধা আরও জানিয়েছেন, ঘটনারদিন মঙ্গলবার দুপুর একটার দিকে সোহেল মোটরসাইকেল পাকিং করে বটতলা এলাকার মহাসড়কের পাশে দাঁড়ানোছিলো। এসময় বরিশাল থেকে ঢাকাগামী বেপরোয়াগতির তাজবি পরিবহন দূর্ঘটনাস্থল অতিক্রমকালে মহাসড়কের পাশে দাঁড়ানো সোহেলকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে সোহেল ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
মুহুর্তের মধ্যে সোহেল ফকির নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে ওই এলাকার শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা গেছে, প্রায় দেড়বছর পূর্বে ছুটিতে বাড়িতে এসে সোহেল ফকির বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মোহাম্মদ মোহসিন জানিয়েছেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পাশাপাশি মহাসড়কের গোপালপুর এলাকায় ঘাতক পরিবহনটি আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ থাকা আয়রন ব্রিজ বালুবাহী ট্রাকসহ ভেঙে পড়েছে। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হেলপারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার(২৩ জুন) রমাগঞ্জ ইউনিয়নের আজহার রোডের পূর্ব মাথায়, ধলীগৌরনগর ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগকারী ব্রিজে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত চালকের নাম নাঈম (২৩)। তিনি ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের চতলা এলাকার বাসিন্দা ফরিদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধলীগৌরনগর ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সংযোগস্থলে অবস্থিত এই আয়রন ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এলাকাবাসী জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন এই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করছিলেন। আজ একটি বালুবাহী ট্রাক ব্রিজটি পার হওয়ার চেষ্টা করলে জরাজীর্ণ ব্রিজটি ওজন সহ্য করতে না পেরে খালের মধ্যে ভেঙে পড়ে।
ঘটনাস্থলেই ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে চালক নাঈমের মৃত্যু হয়। ট্রাকে থাকা তার সহকারী (হেলপার) সুমন কে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে বিপজ্জনক অবস্থায় থাকলেও তা সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যার খেসারত দিতে হলো একটি তাজা প্রাণ দিয়ে। তারা অবিলম্বে এখানে একটি নতুন ও স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
এই বিষয়ে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ অলিউল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তৎখানে সেখানে একটি প্রতিনিধি দল পাঠানো হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, এই ঘটনা একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে।’