ছবি: সংগৃহীত
উন্নত জীবন আর ভালো বেতনের আশায় মাদারীপুর সদরের এক যুবক রাশিয়া গিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই যুবকের এক বন্ধু হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে দেশে থাকা স্বজনদের মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন বলে জানান মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আল-নোমান।
নিহত সুরুজ কাজী (৩০) সদর উপজেলার দক্ষিণ খাগছড়া গ্রামের শাহাবুদ্দিন কাজীর ছেলে। দালালের মাধ্যমে সুরুজ রাশিয়ায় গিয়ে দেশটির সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য হন বলে দাবি স্বজনদের।
শুক্রবার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলেন, “রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে সুরুজ নামের এক যুবক মারা গেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তার লাশ দেশে কীভাবে আনা যায়, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব।”
সুরুজের বড় বোন শারমিন আক্তার বলেন, “প্রায় ১০ মাস আগে সুরুজকে রাশিয়ার একটি কোম্পানিতে ভালো বেতনের চাকরি দেওয়ার কথা বলেন একই গ্রামের দিলু মাতুব্বর ও ঢাকার জাফর মাতুব্বর। তাদের আশ্বাসে ও চুক্তির ভিত্তিতে আট লাখ টাকা দালালদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর জাফর মাতুব্বরের এজেন্সির মাধ্যমে রাশিয়ায় পাড়ি জমান সুরুজ।
“সেখানে পৌঁছানোর পর সুরুজ জানতে পারে, সে দালালের প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে চুক্তিতে সই করে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দেয় সুরুজ। পরে তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সম্মুখ সারিতে।”
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে রাশিয়া থেকে হোয়াটসঅ্যাপে একটি ভিডিও বার্তায় সুরুজের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন একই গ্রামের বাসিন্দা ও তার সহপাঠী সাব্বির মাতুব্বর। ভিডিওতে যুদ্ধক্ষেত্রের ভয়াবহতার পাশাপাশি ড্রোন হামলা ও মাইন বিস্ফোরণে সুরুজের মৃত্যুর বিষয়টি জানানো হয়।
শারমিন আক্তার ক্ষোভ ও আহাজারি করে বলেন, “আমার ভাইরে দিলু দালাল আর ঢাকার জাফর দালাল মিল্লা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সেনাবাহিনীর কাছে বেইচ্চা হালাইছে। আমি ওই দালালদের ফাঁসি চাই, আমার ভাইরে ফেরত চাই।”
এ বিষয়ে জানতে দিলু মাতুব্বর ও জাফর মাতুব্বরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি। এমনকি তাদের মোবাইল নম্বরও বন্ধ পাওয়া যায়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আল-নোমান বলেন, “নিহত যুবক কীভাবে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দিলেন তা আমাদের জানা নেই। প্রবাসী অধ্যুষিত ওই এলাকা থেকে অনেকেই রাশিয়ায় গিয়ে যুদ্ধে জড়িয়েছেন। আমরা মনে করি এটি একটি ফাঁদ।”
এ ফাঁদে না পড়তে অভিবাসন প্রত্যাশীদের সর্তক থাকতে অনুরোধ জানান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক।
বরিশাল টাইমস

২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২২
জাপানের পূর্বাঞ্চলে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে টোকিও ও পার্শ্ববর্তী কয়েকটি এলাকায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। তবে ভূমিকম্পের পর কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।
জাপান আবহাওয়া সংস্থার (JMA) তথ্য অনুযায়ী, রোববার ভোরে ইবারাকি প্রিফেকচারের দক্ষিণ অংশে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল প্রায় ৭০ কিলোমিটার। অন্যদিকে, মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫ দশমিক ৯ বলে জানিয়েছে।
আহতদের মধ্যে সাইতামায় ৯ জন, কানাগাওয়ায় ৯ জন, চিবায় ৪ জন এবং ইবারাকিতে একজন রয়েছেন। ভূমিকম্পের সময় ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় আতঙ্কিত হয়ে পড়ে গিয়ে কিংবা আসবাবপত্র ও দরজার সঙ্গে ধাক্কা লেগে বেশিরভাগ মানুষ আহত হন। ইয়োকোহামায় আশির কোঠার এক নারী বিছানা থেকে পড়ে নিতম্বে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন।
কম্পনের প্রভাবে টোকিও ও নারিতা বিমানবন্দরমুখী দ্রুতগতির ট্রেনসহ কয়েকটি রেলসেবা সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়। তবে শিনকানসেন বুলেট ট্রেনের চলাচলে কোনো বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেনি।
এদিকে, টোকিওর কোতো এলাকায় একটি ভূগর্ভস্থ পানির পাইপ ফেটে সড়কে পানি ছড়িয়ে পড়ে। পরে সেটি মেরামত করা হয়। ভূমিকম্পের পর প্রায় ৪৬০টি বাড়িতে সাময়িক বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও পরবর্তী সময়ে সরবরাহ পুনরায় চালু করা হয়।
জাপানের পারমাণবিক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটির পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে ভূমিকম্পের কারণে কোনো অস্বাভাবিক পরিস্থিতির খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে, সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি ও পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য সরকার একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে।
সূত্র: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভি
জাপানের পূর্বাঞ্চলে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে টোকিও ও পার্শ্ববর্তী কয়েকটি এলাকায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। তবে ভূমিকম্পের পর কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।
জাপান আবহাওয়া সংস্থার (JMA) তথ্য অনুযায়ী, রোববার ভোরে ইবারাকি প্রিফেকচারের দক্ষিণ অংশে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল প্রায় ৭০ কিলোমিটার। অন্যদিকে, মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫ দশমিক ৯ বলে জানিয়েছে।
আহতদের মধ্যে সাইতামায় ৯ জন, কানাগাওয়ায় ৯ জন, চিবায় ৪ জন এবং ইবারাকিতে একজন রয়েছেন। ভূমিকম্পের সময় ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় আতঙ্কিত হয়ে পড়ে গিয়ে কিংবা আসবাবপত্র ও দরজার সঙ্গে ধাক্কা লেগে বেশিরভাগ মানুষ আহত হন। ইয়োকোহামায় আশির কোঠার এক নারী বিছানা থেকে পড়ে নিতম্বে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন।
কম্পনের প্রভাবে টোকিও ও নারিতা বিমানবন্দরমুখী দ্রুতগতির ট্রেনসহ কয়েকটি রেলসেবা সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়। তবে শিনকানসেন বুলেট ট্রেনের চলাচলে কোনো বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেনি।
এদিকে, টোকিওর কোতো এলাকায় একটি ভূগর্ভস্থ পানির পাইপ ফেটে সড়কে পানি ছড়িয়ে পড়ে। পরে সেটি মেরামত করা হয়। ভূমিকম্পের পর প্রায় ৪৬০টি বাড়িতে সাময়িক বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও পরবর্তী সময়ে সরবরাহ পুনরায় চালু করা হয়।
জাপানের পারমাণবিক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটির পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে ভূমিকম্পের কারণে কোনো অস্বাভাবিক পরিস্থিতির খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে, সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি ও পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য সরকার একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে।
সূত্র: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভি

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৩:৫৮
ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের রাঙ্গা রেড্ডি জেলায় লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। জামিনে বেরিয়ে ৩৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার পর তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলা কিশোরীকেও নির্মমভাবে খুন করেছে।
অভিযুক্ত রাজকুমার শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে শাবাদের নিজ বাড়িতে তার ৩০ বছর বয়সী স্ত্রী পার্বতী সরিতা এবং তাদের ৪ ও ১ বছর বয়সী দুই ছেলেকে হত্যা করে। এরপর সে ১৭ বছর বয়সী সেই কিশোরীর বাড়িতে যায়। গত ১৬ মে তার বিরুদ্ধে পকসো আইনে অভিযোগ দায়ের করেছিল ওই কিশোরী।
রাজকুমার মেয়েটিকে গাড়িতে করে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। পরে সে মেয়েটির ৪৫ বছর বয়সী মা ও ৬৫ বছর বয়সী নানিকেও খুন করে। ওই বাড়িতে মেয়েটির ২০ বছর বয়সী এক শারীরিক প্রতিবন্ধী বোনও উপস্থিত ছিল, তবে তাকে অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
হত্যাকাণ্ডের পর রাজকুমার তার বাবাকে ফোন করে খুনের কথা স্বীকার করে। জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা তরুণ যোশি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে জানান, ‘সে তার বাবাকে ফোন করে বলেছিল, আমি এটা করেছি। আমি তাদের হত্যা করেছি। এরপর সে ফোন বন্ধ করে দেয়। সে আত্মহত্যার কথাও বলেছিল, তবে তার কোনও সত্যতা এখনও মেলেনি।’
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, ‘অভিযুক্ত বর্তমানে পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে।’
জানা গেছে, ২০১৮ সালে রাজকুমার ও পার্বতীর বিয়ে হয়। তাদের তিনটি সন্তান ছিল, যার মধ্যে প্রথম কন্যাশিশু শৈশবেই মারা যায়। গত মে মাসে এক কিশোরীকে উত্ত্যক্ত ও যৌন হয়রানির অভিযোগে রাজকুমার গ্রেপ্তার হয়েছিল। যোশি জানান, ‘অভিযুক্ত রাজকুমার মেয়েটিকে কোচিং সেন্টার থেকে বাড়ি ফেরার পথে অনুসরণ করত এবং প্রেমের প্রস্তাব গ্রহণ করতে চাপ দিত।’
পুলিশ জানায়, ওই মামলার পর রাজকুমার পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। তবে মামলার ধারাগুলোতে সাত বছরের কম সাজার বিধান থাকায় গত সপ্তাহে আদালত তাকে ২০ হাজার টাকার বন্ডে আগাম জামিন দেয়। ঘটনার পর জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রাজকুমারের আচরণে সমস্যা ছিল। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তাকে কাউন্সেলিংয়ের জন্য দু-তিনবার ডেকেছিলাম। তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছে যে তার মানসিক অবস্থা স্থিতিশীল ছিল না। এছাড়া জুয়া খেলার অভ্যাস ছিল এবং তার অনেক ঋণও ছিল।’
নিহতের আত্মীয়রা জানান, বাড়িতে পার্বতীর লাশের পাশে ধস্তাধস্তির চিহ্ন পাওয়া গেলেও দুই শিশুকে সম্ভবত ঘুমের মধ্যেই হত্যা করা হয়েছে। ঘরগুলোর দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল এবং ফ্যান, এসি ও কুলার চালু অবস্থায় পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যদের দাবি, ঘটনার আগে তাদের মধ্যে কোনো বড় বিবাদ হয়নি। আগের দিন সন্ধ্যায়ও পার্বতী আত্মীয়দের সঙ্গে স্বাভাবিক কথা বলেছিল।’
ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের রাঙ্গা রেড্ডি জেলায় লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। জামিনে বেরিয়ে ৩৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার পর তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলা কিশোরীকেও নির্মমভাবে খুন করেছে।
অভিযুক্ত রাজকুমার শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে শাবাদের নিজ বাড়িতে তার ৩০ বছর বয়সী স্ত্রী পার্বতী সরিতা এবং তাদের ৪ ও ১ বছর বয়সী দুই ছেলেকে হত্যা করে। এরপর সে ১৭ বছর বয়সী সেই কিশোরীর বাড়িতে যায়। গত ১৬ মে তার বিরুদ্ধে পকসো আইনে অভিযোগ দায়ের করেছিল ওই কিশোরী।
রাজকুমার মেয়েটিকে গাড়িতে করে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। পরে সে মেয়েটির ৪৫ বছর বয়সী মা ও ৬৫ বছর বয়সী নানিকেও খুন করে। ওই বাড়িতে মেয়েটির ২০ বছর বয়সী এক শারীরিক প্রতিবন্ধী বোনও উপস্থিত ছিল, তবে তাকে অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
হত্যাকাণ্ডের পর রাজকুমার তার বাবাকে ফোন করে খুনের কথা স্বীকার করে। জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা তরুণ যোশি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে জানান, ‘সে তার বাবাকে ফোন করে বলেছিল, আমি এটা করেছি। আমি তাদের হত্যা করেছি। এরপর সে ফোন বন্ধ করে দেয়। সে আত্মহত্যার কথাও বলেছিল, তবে তার কোনও সত্যতা এখনও মেলেনি।’
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, ‘অভিযুক্ত বর্তমানে পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে।’
জানা গেছে, ২০১৮ সালে রাজকুমার ও পার্বতীর বিয়ে হয়। তাদের তিনটি সন্তান ছিল, যার মধ্যে প্রথম কন্যাশিশু শৈশবেই মারা যায়। গত মে মাসে এক কিশোরীকে উত্ত্যক্ত ও যৌন হয়রানির অভিযোগে রাজকুমার গ্রেপ্তার হয়েছিল। যোশি জানান, ‘অভিযুক্ত রাজকুমার মেয়েটিকে কোচিং সেন্টার থেকে বাড়ি ফেরার পথে অনুসরণ করত এবং প্রেমের প্রস্তাব গ্রহণ করতে চাপ দিত।’
পুলিশ জানায়, ওই মামলার পর রাজকুমার পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। তবে মামলার ধারাগুলোতে সাত বছরের কম সাজার বিধান থাকায় গত সপ্তাহে আদালত তাকে ২০ হাজার টাকার বন্ডে আগাম জামিন দেয়। ঘটনার পর জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রাজকুমারের আচরণে সমস্যা ছিল। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তাকে কাউন্সেলিংয়ের জন্য দু-তিনবার ডেকেছিলাম। তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছে যে তার মানসিক অবস্থা স্থিতিশীল ছিল না। এছাড়া জুয়া খেলার অভ্যাস ছিল এবং তার অনেক ঋণও ছিল।’
নিহতের আত্মীয়রা জানান, বাড়িতে পার্বতীর লাশের পাশে ধস্তাধস্তির চিহ্ন পাওয়া গেলেও দুই শিশুকে সম্ভবত ঘুমের মধ্যেই হত্যা করা হয়েছে। ঘরগুলোর দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল এবং ফ্যান, এসি ও কুলার চালু অবস্থায় পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যদের দাবি, ঘটনার আগে তাদের মধ্যে কোনো বড় বিবাদ হয়নি। আগের দিন সন্ধ্যায়ও পার্বতী আত্মীয়দের সঙ্গে স্বাভাবিক কথা বলেছিল।’

২২ জুন, ২০২৬ ১৪:৪৬
বলিউডের বহুল আলোচিত সিনেমা ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ ঘিরে জটিলতা যেন কাটছেই না। নানা কারণে শুটিং পিছিয়ে যাওয়ার পর এবার রণবীর-আলিয়া জুটি অভিনীত ছবিটির সেটে ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। এতে একজন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুম্বাইয়ের গোরেগাঁওয়ের রয়্যাল পাম্প স্টুডিওতে শুটিং চলাকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত চন্দ্রধারী যাদব পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি ছিলেন। তবে তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিটের কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে।
চন্দ্রধারীর মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে শ্রমিক সংগঠনগুলো। তারা প্রযোজনা সংস্থার কাছে নিহতের পরিবারের জন্য অর্ধ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো অর্থই প্রিয়জন হারানোর শূন্যতা পূরণ করতে পারবে না। তবে নিহতের স্ত্রী ও দুই মেয়ের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।
এই ঘটনার পর আবারও চলচ্চিত্রের শুটিং সেটে কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবি, বড় বাজেটের প্রকল্পে কাজ করলেও অনেক ক্ষেত্রেই কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় না।
সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ ছবিতে অভিনয় করছেন রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট ও ভিকি কৌশল। আগামী বছর সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে।
বলিউডের বহুল আলোচিত সিনেমা ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ ঘিরে জটিলতা যেন কাটছেই না। নানা কারণে শুটিং পিছিয়ে যাওয়ার পর এবার রণবীর-আলিয়া জুটি অভিনীত ছবিটির সেটে ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। এতে একজন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুম্বাইয়ের গোরেগাঁওয়ের রয়্যাল পাম্প স্টুডিওতে শুটিং চলাকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত চন্দ্রধারী যাদব পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি ছিলেন। তবে তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিটের কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে।
চন্দ্রধারীর মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে শ্রমিক সংগঠনগুলো। তারা প্রযোজনা সংস্থার কাছে নিহতের পরিবারের জন্য অর্ধ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো অর্থই প্রিয়জন হারানোর শূন্যতা পূরণ করতে পারবে না। তবে নিহতের স্ত্রী ও দুই মেয়ের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।
এই ঘটনার পর আবারও চলচ্চিত্রের শুটিং সেটে কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবি, বড় বাজেটের প্রকল্পে কাজ করলেও অনেক ক্ষেত্রেই কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় না।
সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ ছবিতে অভিনয় করছেন রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট ও ভিকি কৌশল। আগামী বছর সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে।

২২ মে, ২০২৬ ২১:১৪
উন্নত জীবন আর ভালো বেতনের আশায় মাদারীপুর সদরের এক যুবক রাশিয়া গিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই যুবকের এক বন্ধু হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে দেশে থাকা স্বজনদের মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন বলে জানান মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আল-নোমান।
নিহত সুরুজ কাজী (৩০) সদর উপজেলার দক্ষিণ খাগছড়া গ্রামের শাহাবুদ্দিন কাজীর ছেলে। দালালের মাধ্যমে সুরুজ রাশিয়ায় গিয়ে দেশটির সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য হন বলে দাবি স্বজনদের।
শুক্রবার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলেন, “রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে সুরুজ নামের এক যুবক মারা গেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তার লাশ দেশে কীভাবে আনা যায়, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব।”
সুরুজের বড় বোন শারমিন আক্তার বলেন, “প্রায় ১০ মাস আগে সুরুজকে রাশিয়ার একটি কোম্পানিতে ভালো বেতনের চাকরি দেওয়ার কথা বলেন একই গ্রামের দিলু মাতুব্বর ও ঢাকার জাফর মাতুব্বর। তাদের আশ্বাসে ও চুক্তির ভিত্তিতে আট লাখ টাকা দালালদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর জাফর মাতুব্বরের এজেন্সির মাধ্যমে রাশিয়ায় পাড়ি জমান সুরুজ।
“সেখানে পৌঁছানোর পর সুরুজ জানতে পারে, সে দালালের প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে চুক্তিতে সই করে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দেয় সুরুজ। পরে তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সম্মুখ সারিতে।”
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে রাশিয়া থেকে হোয়াটসঅ্যাপে একটি ভিডিও বার্তায় সুরুজের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন একই গ্রামের বাসিন্দা ও তার সহপাঠী সাব্বির মাতুব্বর। ভিডিওতে যুদ্ধক্ষেত্রের ভয়াবহতার পাশাপাশি ড্রোন হামলা ও মাইন বিস্ফোরণে সুরুজের মৃত্যুর বিষয়টি জানানো হয়।
শারমিন আক্তার ক্ষোভ ও আহাজারি করে বলেন, “আমার ভাইরে দিলু দালাল আর ঢাকার জাফর দালাল মিল্লা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সেনাবাহিনীর কাছে বেইচ্চা হালাইছে। আমি ওই দালালদের ফাঁসি চাই, আমার ভাইরে ফেরত চাই।”
এ বিষয়ে জানতে দিলু মাতুব্বর ও জাফর মাতুব্বরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি। এমনকি তাদের মোবাইল নম্বরও বন্ধ পাওয়া যায়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আল-নোমান বলেন, “নিহত যুবক কীভাবে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দিলেন তা আমাদের জানা নেই। প্রবাসী অধ্যুষিত ওই এলাকা থেকে অনেকেই রাশিয়ায় গিয়ে যুদ্ধে জড়িয়েছেন। আমরা মনে করি এটি একটি ফাঁদ।”
এ ফাঁদে না পড়তে অভিবাসন প্রত্যাশীদের সর্তক থাকতে অনুরোধ জানান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক।
বরিশাল টাইমস
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:৩৭
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:২৪
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৩৪
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪১