
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ২২:১৫
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার সরকারি আবুল কালাম কলেজে বর্ণাঢ্য নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় কলেজের একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের ফুলেল সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। একইসাথে কলেজ ক্যাম্পাসকে মাদক ও স্মার্টফোনের অপব্যবহার মুক্ত রাখার অঙ্গীকার করা হয়েছে।
সরকারি আবুল কালাম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শামীম আহসান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই নবীন বরণ ও বর্ণিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন বরেণ্য শিক্ষাবিদ কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক ইসহাক শরীফ। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না।
বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক তারকা ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানের সহকারী অধ্যাপক নুরুন্নবী রাসেলের সঞ্চালনায় নবীন বরণ অনুষ্ঠানে আলোচকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সরকারি আবুল কালাম কলেজের অধ্যাপক অনুপম রায়, শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক রোকন, প্রতিষ্ঠানের সহকারী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, মাহবুব আলম বাহাদুর, আলী হোসেন, রোজিনা আক্তার, সেলিম হোসেন, রাকুদিয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান তালেব, জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান খান, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, কলেজ ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মারুফ হাসান হৃদয়, সম্পাদক আব্দুল্লাহ নুর নোমান, ছাত্রশিবিরের উপজেলা সম্পাদক তাজিম আহমেদ, কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি রাকিব শিকদার প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে সরকারি আবুল কালাম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শামীম আহসান খান বলেন, 'বাবুগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণ করার পরে একজন বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের অধ্যাপক হিসেবে আমাকে অধ্যক্ষ নিযুক্ত করা হয়েছে। আমি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাস সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত এবং স্মার্টফোনের অপব্যবহার মুক্ত রাখতে চাই। মাদকের থাবা এবং মোবাইলের আসক্তি আমাদের ছাত্র ও যুবসমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মূল্যবান সময় নষ্ট করে দিচ্ছে স্মার্টফোন। ছাত্র ও যুবসমাজের জীবনীশক্তি ধ্বংস করে দিয়ে পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে মাদক। তাই মাদক এবং মোবাইলের অপব্যবহার রোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার। আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের শুধু পুঁথিগত বিদ্যা নয়, তাদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চাই। মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমাদের এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চাই।'
নবীন বরণ ও শিক্ষার্থী সংবর্ধনা শেষে কলেজ মিলনায়তনে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন বরিশালের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সজীব আহমেদ ও তার ছোঁয়া ব্যান্ডদল। এসময় উপস্থিত দর্শকদের অনুরোধে গান পরিবেশন করে অনুষ্ঠান মাতান নব্বই দশকের জনপ্রিয় এভারগ্রীণ ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা অতিথি কণ্ঠশিল্পী ও কলেজের সহকারী অধ্যাপক নুরুন্নবী রাসেল। নব্বই দশকে ভারতীয় আগ্রাসন ও পানিচুক্তি লঙ্ঘনের প্রতিবাদে গণআন্দোলনের থিম সং এভারগ্রীণ ব্যান্ডের 'ভেঙে দাও ফারাক্কা' নামের প্রতিবাদী গান এবং তুমুল জনপ্রিয় নন্দিনীসহ নিজের স্বরচিত কয়েকটি গান গেয়ে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সুরের মূর্ছনায় মাতোয়ারা করেন একাধারে কণ্ঠশিল্পী, অভিনেতা, আবৃত্তিকার, নাট্যনির্মাতা ও সরকারি আবুল কালাম কলেজের সহকারী অধ্যাপক নুরুন্নবী রাসেল। #
বাবুগঞ্জে সরকারি আবুল কালাম কলেজে নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন অধ্যক্ষ প্রফেসর শামীম আহসান খান।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার সরকারি আবুল কালাম কলেজে বর্ণাঢ্য নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় কলেজের একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের ফুলেল সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। একইসাথে কলেজ ক্যাম্পাসকে মাদক ও স্মার্টফোনের অপব্যবহার মুক্ত রাখার অঙ্গীকার করা হয়েছে।
সরকারি আবুল কালাম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শামীম আহসান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই নবীন বরণ ও বর্ণিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন বরেণ্য শিক্ষাবিদ কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক ইসহাক শরীফ। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না।
বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক তারকা ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানের সহকারী অধ্যাপক নুরুন্নবী রাসেলের সঞ্চালনায় নবীন বরণ অনুষ্ঠানে আলোচকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সরকারি আবুল কালাম কলেজের অধ্যাপক অনুপম রায়, শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক রোকন, প্রতিষ্ঠানের সহকারী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, মাহবুব আলম বাহাদুর, আলী হোসেন, রোজিনা আক্তার, সেলিম হোসেন, রাকুদিয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান তালেব, জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান খান, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, কলেজ ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মারুফ হাসান হৃদয়, সম্পাদক আব্দুল্লাহ নুর নোমান, ছাত্রশিবিরের উপজেলা সম্পাদক তাজিম আহমেদ, কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি রাকিব শিকদার প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে সরকারি আবুল কালাম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শামীম আহসান খান বলেন, 'বাবুগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণ করার পরে একজন বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের অধ্যাপক হিসেবে আমাকে অধ্যক্ষ নিযুক্ত করা হয়েছে। আমি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাস সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত এবং স্মার্টফোনের অপব্যবহার মুক্ত রাখতে চাই। মাদকের থাবা এবং মোবাইলের আসক্তি আমাদের ছাত্র ও যুবসমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মূল্যবান সময় নষ্ট করে দিচ্ছে স্মার্টফোন। ছাত্র ও যুবসমাজের জীবনীশক্তি ধ্বংস করে দিয়ে পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে মাদক। তাই মাদক এবং মোবাইলের অপব্যবহার রোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার। আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের শুধু পুঁথিগত বিদ্যা নয়, তাদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চাই। মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমাদের এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চাই।'
নবীন বরণ ও শিক্ষার্থী সংবর্ধনা শেষে কলেজ মিলনায়তনে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন বরিশালের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সজীব আহমেদ ও তার ছোঁয়া ব্যান্ডদল। এসময় উপস্থিত দর্শকদের অনুরোধে গান পরিবেশন করে অনুষ্ঠান মাতান নব্বই দশকের জনপ্রিয় এভারগ্রীণ ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা অতিথি কণ্ঠশিল্পী ও কলেজের সহকারী অধ্যাপক নুরুন্নবী রাসেল। নব্বই দশকে ভারতীয় আগ্রাসন ও পানিচুক্তি লঙ্ঘনের প্রতিবাদে গণআন্দোলনের থিম সং এভারগ্রীণ ব্যান্ডের 'ভেঙে দাও ফারাক্কা' নামের প্রতিবাদী গান এবং তুমুল জনপ্রিয় নন্দিনীসহ নিজের স্বরচিত কয়েকটি গান গেয়ে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সুরের মূর্ছনায় মাতোয়ারা করেন একাধারে কণ্ঠশিল্পী, অভিনেতা, আবৃত্তিকার, নাট্যনির্মাতা ও সরকারি আবুল কালাম কলেজের সহকারী অধ্যাপক নুরুন্নবী রাসেল। #

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৬
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষকদের পদোন্নতি সংক্রান্ত জটিলতা ও চলমান সংকট কাটিয়ে উঠতে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সভায় প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নেন। উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে ছিলেন- বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, রেঞ্জ ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা। ডিনদের মধ্যে এ সময় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ইসরাত জাহান লিজা, কলা অনুষদের ডিন ড. আব্দুল বাতেন, কম্পিউটার বিজ্ঞান অনুষদের ডিন রাহাত হোসেন ফয়সাল এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন হাফিজ আশরাফুল ইসলাম বৈঠকে উপস্থিত হন।
দীর্ঘ আলোচনার পর উপাচার্য ও বিভাগীয় কমিশনার সাংবাদিকদের জানান, একাডেমিক কার্যক্রম পুনরায় সচল করার বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনার ও উপাচার্য শিক্ষকদের পদোন্নতি সংক্রান্ত দাবিগুলো নিয়ম অনুযায়ী পূরণের আশ্বাস দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, তারা (বিভাগীয় কমিশনার ও উপাচার্য) আমাদের বলেছেন, আপনারা আইন অনুযায়ী সব কিছু পাবেন। তারা আমাদের শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে ক্লাসে ফিরে যাবার অনুরোধ জানিয়েছেন। এখন যেহেতু পূর্ববর্তী পুরো সিদ্ধান্ত আমরা সব শিক্ষকরা মিলে নিয়েছিলাম, তাই আবার সব শিক্ষকদের সঙ্গে রবি-সোমবারের মধ্যে বসে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেব।
ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রাহাত হোসেন ফয়সাল বলেন, চলমান বিষয় নিয়ে আজকে বিভাগীয় কমিশনার ও ভিসির সঙ্গে ডিনদের মিটিং ছিল, সেখানে ছয় অনুষদের ছয়জন ডিনের মধ্যে পাঁচজন ডিন উপস্থিত ছিলেন।
তারা (বিভাগীয় কমিশনার ও ভিসি) আমাদের দাবির কিছু বিষয়ে আমাদের সঙ্গে একমত পোষণ করছেন এবং তারা বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষকদের এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং পরবর্তীতে যত দ্রুত সম্ভব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্যও বোর্ড বসানো হবে। এ ছাড়াও তারা আমাদের ক্লাস এবং পরীক্ষা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানান।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মাদ তৌফিক আলম বলেন, আজকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি ডিনদের সঙ্গে একটা ত্রিপক্ষীয় মিটিং হয়েছে।
মিটিংয়ে আমরা আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সিন্ধান্ত নিয়েছি, ক্লাস পরীক্ষা যেগুলো বন্ধ রয়েছে সেগুলো একাডেমিক কার্যক্রম শিক্ষকরা খুব দ্রুতই চালু করবে। একইসঙ্গে তাদের যে সমস্যাগুলো রয়েছে, সেগুলোর সমাধানের জন্য আগামী সিন্ডিকেটে সিন্ধান্ত নেয়া হবে। খুব শিগগিরই একটা সিন্ডিকেট সভা ডাকা হবে। সিন্ডিকেটে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষকদের পদোন্নতি সংক্রান্ত জটিলতা ও চলমান সংকট কাটিয়ে উঠতে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সভায় প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নেন। উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে ছিলেন- বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, রেঞ্জ ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা। ডিনদের মধ্যে এ সময় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ইসরাত জাহান লিজা, কলা অনুষদের ডিন ড. আব্দুল বাতেন, কম্পিউটার বিজ্ঞান অনুষদের ডিন রাহাত হোসেন ফয়সাল এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন হাফিজ আশরাফুল ইসলাম বৈঠকে উপস্থিত হন।
দীর্ঘ আলোচনার পর উপাচার্য ও বিভাগীয় কমিশনার সাংবাদিকদের জানান, একাডেমিক কার্যক্রম পুনরায় সচল করার বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনার ও উপাচার্য শিক্ষকদের পদোন্নতি সংক্রান্ত দাবিগুলো নিয়ম অনুযায়ী পূরণের আশ্বাস দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, তারা (বিভাগীয় কমিশনার ও উপাচার্য) আমাদের বলেছেন, আপনারা আইন অনুযায়ী সব কিছু পাবেন। তারা আমাদের শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে ক্লাসে ফিরে যাবার অনুরোধ জানিয়েছেন। এখন যেহেতু পূর্ববর্তী পুরো সিদ্ধান্ত আমরা সব শিক্ষকরা মিলে নিয়েছিলাম, তাই আবার সব শিক্ষকদের সঙ্গে রবি-সোমবারের মধ্যে বসে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেব।
ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রাহাত হোসেন ফয়সাল বলেন, চলমান বিষয় নিয়ে আজকে বিভাগীয় কমিশনার ও ভিসির সঙ্গে ডিনদের মিটিং ছিল, সেখানে ছয় অনুষদের ছয়জন ডিনের মধ্যে পাঁচজন ডিন উপস্থিত ছিলেন।
তারা (বিভাগীয় কমিশনার ও ভিসি) আমাদের দাবির কিছু বিষয়ে আমাদের সঙ্গে একমত পোষণ করছেন এবং তারা বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষকদের এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং পরবর্তীতে যত দ্রুত সম্ভব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্যও বোর্ড বসানো হবে। এ ছাড়াও তারা আমাদের ক্লাস এবং পরীক্ষা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানান।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মাদ তৌফিক আলম বলেন, আজকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি ডিনদের সঙ্গে একটা ত্রিপক্ষীয় মিটিং হয়েছে।
মিটিংয়ে আমরা আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সিন্ধান্ত নিয়েছি, ক্লাস পরীক্ষা যেগুলো বন্ধ রয়েছে সেগুলো একাডেমিক কার্যক্রম শিক্ষকরা খুব দ্রুতই চালু করবে। একইসঙ্গে তাদের যে সমস্যাগুলো রয়েছে, সেগুলোর সমাধানের জন্য আগামী সিন্ডিকেটে সিন্ধান্ত নেয়া হবে। খুব শিগগিরই একটা সিন্ডিকেট সভা ডাকা হবে। সিন্ডিকেটে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪২
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৬
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৩
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৭
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৯