
০৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:৫৮
ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে বরিশালের উজিরপুরে বামরাইল সেতু সংস্কারের দাবিতে গতকাল সোমবার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) এ কর্মসূচিতে সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেয়। বেলা ১১টায় সেতুর ঢালে মানববন্ধন শেষে ইউএনওর দপ্তরে গিয়ে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বামরাইল সেতু দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে চলাচল করে। এ রকম একটি সেতু বালুর বস্তার ওপর দাঁড়িয়ে থাকা মানে অনেক মানুষের প্রাণ ঝুঁকিতে ফেলা। অবিলম্বে সেতুটি সংস্কার এবং তার আগে বিকল্প সড়কের ব্যবস্থা করে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাসদ উজিরপুর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আবুল কালাম মাস্টার। বক্তব্য দেন সংগঠনের উজিরপুর উপজেলা সদস্য সচিব মঞ্জুর মোর্শেদ, বরিশাল জেলার সাগর দাস আকাশ, অলিম্পিক সিমেন্ট অ্যান্ড ফাইবার্স শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম সর্দার, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের লাকি বেগম, ওটরা ইউনিয়ন আহ্বায়ক হরিদাস রায়, সদস্য সচিব খোকন গাজী প্রমুখ।
বামরাইল সেতুর নিচের তিনটি গার্ডারের দুটিতে ফাটল দেখা দিয়েছে। ভেঙে পড়া রোধ করতে আপাতত নিচে বালুর বস্তা রাখা হয়েছে। সেতুটি ভেঙে পড়লে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাবে।
সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করার দাবি
কক্সবাজারে একটি সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করা ও ডাকাতি রোধে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবিতে গণসমাবেশ ও পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে সদর উপজেলার ভারুয়াখালী দারুল উলুম আলিম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয় পদযাত্রাটি। পরে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে নির্মাণাধীন খুরুশকুল-ভারুয়াখালী সংযোগ সেতুর কাছে সমাবেশ হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে ওই সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। প্রায় ৫ বছর পার হতে চলল; এখনও ৪০ শতাংশের বেশি কাজ বাকি। আগামী তিন মাসের মধ্যে সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ করার দাবি জানান তারা। না হলে এলাকাবাসীকে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
ভারুয়াখালী-রশিদনগর সড়কে সাম্প্রতিক সময়ে ডাকাতি বেড়েছে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, ডাকাতি বন্ধের জন্য এই এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করতে হবে।
পরে সেখানে তাদের দাবির বিষয়ে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়। সাংবাদিক ইফতেখারুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ বদরুল আলম, মিজানুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, সরওয়ার কামাল প্রমুখ।
ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে বরিশালের উজিরপুরে বামরাইল সেতু সংস্কারের দাবিতে গতকাল সোমবার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) এ কর্মসূচিতে সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেয়। বেলা ১১টায় সেতুর ঢালে মানববন্ধন শেষে ইউএনওর দপ্তরে গিয়ে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বামরাইল সেতু দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে চলাচল করে। এ রকম একটি সেতু বালুর বস্তার ওপর দাঁড়িয়ে থাকা মানে অনেক মানুষের প্রাণ ঝুঁকিতে ফেলা। অবিলম্বে সেতুটি সংস্কার এবং তার আগে বিকল্প সড়কের ব্যবস্থা করে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাসদ উজিরপুর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আবুল কালাম মাস্টার। বক্তব্য দেন সংগঠনের উজিরপুর উপজেলা সদস্য সচিব মঞ্জুর মোর্শেদ, বরিশাল জেলার সাগর দাস আকাশ, অলিম্পিক সিমেন্ট অ্যান্ড ফাইবার্স শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম সর্দার, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের লাকি বেগম, ওটরা ইউনিয়ন আহ্বায়ক হরিদাস রায়, সদস্য সচিব খোকন গাজী প্রমুখ।
বামরাইল সেতুর নিচের তিনটি গার্ডারের দুটিতে ফাটল দেখা দিয়েছে। ভেঙে পড়া রোধ করতে আপাতত নিচে বালুর বস্তা রাখা হয়েছে। সেতুটি ভেঙে পড়লে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাবে।
সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করার দাবি
কক্সবাজারে একটি সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করা ও ডাকাতি রোধে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবিতে গণসমাবেশ ও পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে সদর উপজেলার ভারুয়াখালী দারুল উলুম আলিম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয় পদযাত্রাটি। পরে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে নির্মাণাধীন খুরুশকুল-ভারুয়াখালী সংযোগ সেতুর কাছে সমাবেশ হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে ওই সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। প্রায় ৫ বছর পার হতে চলল; এখনও ৪০ শতাংশের বেশি কাজ বাকি। আগামী তিন মাসের মধ্যে সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ করার দাবি জানান তারা। না হলে এলাকাবাসীকে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
ভারুয়াখালী-রশিদনগর সড়কে সাম্প্রতিক সময়ে ডাকাতি বেড়েছে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, ডাকাতি বন্ধের জন্য এই এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করতে হবে।
পরে সেখানে তাদের দাবির বিষয়ে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়। সাংবাদিক ইফতেখারুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ বদরুল আলম, মিজানুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, সরওয়ার কামাল প্রমুখ।

১৬ জুন, ২০২৬ ১৪:৪৮
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার গয়টাপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখায় খোলা আকাশের নিচে গত ৫২ ঘণ্টা ধরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন সুমি আক্তার-বেলাল হোসেন দম্পতি।
দুই শিশু সন্তানসহ মোট ছয়জনকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করলেও বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে তারা এখনো শূন্যরেখায় আটকে আছেন।
এর আগে গত রোববার (১৪ জুন) ভোরে উপজেলার গয়টাপাড়া সীমান্তপথে নারী-শিশুসহ ৬ জন এবং বড়াইবাড়ি ভন্দুরচর সীমান্তে আরও ৩ জনকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশইনের চেষ্টা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। তাদের কাঁটাতারের এপাড়ে বাংলাদেশ প্রান্তে ঠেলে দেওয়া হলেও বিজিবি ও স্থানীয় গ্রামবাসীর বাঁধায় তাদেরকে বাংলাদেশ ভূখন্ডে পাঠাতে পারেনি বিএসএফ।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বেলা ১১টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নারী-শিশুসহ ভুক্তভোগীরা সীমান্তের শূন্যরেখার কাছে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছিলেন। ভারত কিংবা বাংলাদেশ কোনো দেশেই ঠাঁই মেলেনি তাদের।
গয়টাপাড়া সীমান্তে গিয়ে দেখা গেছে, সীমান্তের শূন্যরেখার একদিকে বিএসএফ, আরেক দিকে বিজিবি। মাঝখানে দুই শিশু সন্তান নিয়ে অসহায় বসে আছেন সুমি আক্তার-বেলাল হোসেন দম্পতি। সুমির কোলে ৬ মাসের শিশু সন্তান ফাইমা আর বেলালের কোলে ৪ বছরের ফাতেমা। খোলা আকাশের নিচে রোদ-বৃষ্টি সয়ে ৫২ ঘণ্টা ধরে এভাবে বসে আছেন তারা।
সুমি আক্তার ও বেলালের বাড়ি বাংলাদেশের ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বিরুনিয়া ইউনিয়নের কংশেরকুল গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। কয়েক মাস আগে সিলেট সীমান্তপথে তারা ভারতে পাড়ি জমান।
পরে বিএসএফ তাদের ধরে নিয়ে গত রোববার ভোরে সীমান্তের কাঁটাতার পার করে দেয়। কিন্তু বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধায় তারা বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে পারেননি।
বিজিবি জানায়, বিএসএফ সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে রৌমারীর দুই সীমান্তপথে ৯ জনকে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। ঠেলে দেওয়া ব্যক্তিরা কাঁটাতারের এপাড়ে শূন্যরেখার কাছে ভারতীয় ভূখণ্ডে অবস্থান করলেও তাদের ফেরত নেয়নি বিএসএফ। এদিকে বিজিবিও তাদেরকে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেয়নি।
বিজিবি আরও জানায়, পুশইন চেষ্টার পর রোববার দুপুরে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হয়। তবে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়। বৈঠকে সীমান্তে জড়ো করা ব্যক্তিদের বাংলাদেশের নাগরিক দাবি করেছে বিএসএফ।
ভুক্তভোগী নারী-পুরুষরাও নিজেদের বাংলাদেশি নাগরিক দাবি করেছে। তবে অবৈধ অনুপ্রবেশ করায় তাদের গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায় বিজিবি। একই সঙ্গে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছেন তারা।
গয়টাপাড়া বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার শফিকুল ইসলাম বলেন, ঠেলে দেওয়া ব্যক্তিরা মঙ্গলবার বেলা ১১টায় পর্যন্ত অবস্থানেই আছেন। তারা শূন্যরেখার কাছে ভারতের প্রান্তে রয়েছেন। ওই প্রান্তে বিএসএফ এবং আমাদের প্রান্তে বিজিবি রয়েছে। কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠক হলেও কোনো সুরাহা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, অবস্থানকারীদের বিএসএফ কম্বল ও পলিথিন, খাবার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আমাদের এখানকার লোকজন খাবার ও ছাতা দিয়েছে।
শৌলমারী ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আমি সীমান্ত এলাকায় গিয়েছিলাম। তাদেরকে খাবার দেওয়াসহ সহযোগিতা করা হচ্ছে।
জামালপুর ৩৫-বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, উদ্ভুত পরিস্থিতিতে বিজিবি সীমান্তে জনবল ও নজরদারি বৃদ্ধি করেছে। স্থানীয়রা বিজিবিকে সহায়তা করছে।
সীমান্তে জড়ো করা নারী-শিশুসহ অন্যান্যরা পূর্বের স্থানেই অবস্থান করছে। ইন্ডিয়া পুশ করেছে, আমরা আসতে দেইনি। আপাতত আসতে দেব না যতক্ষণ পর্যন্ত না একটা ভালো সমাধানে আসছে।
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার গয়টাপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখায় খোলা আকাশের নিচে গত ৫২ ঘণ্টা ধরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন সুমি আক্তার-বেলাল হোসেন দম্পতি।
দুই শিশু সন্তানসহ মোট ছয়জনকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করলেও বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে তারা এখনো শূন্যরেখায় আটকে আছেন।
এর আগে গত রোববার (১৪ জুন) ভোরে উপজেলার গয়টাপাড়া সীমান্তপথে নারী-শিশুসহ ৬ জন এবং বড়াইবাড়ি ভন্দুরচর সীমান্তে আরও ৩ জনকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশইনের চেষ্টা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। তাদের কাঁটাতারের এপাড়ে বাংলাদেশ প্রান্তে ঠেলে দেওয়া হলেও বিজিবি ও স্থানীয় গ্রামবাসীর বাঁধায় তাদেরকে বাংলাদেশ ভূখন্ডে পাঠাতে পারেনি বিএসএফ।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বেলা ১১টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নারী-শিশুসহ ভুক্তভোগীরা সীমান্তের শূন্যরেখার কাছে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছিলেন। ভারত কিংবা বাংলাদেশ কোনো দেশেই ঠাঁই মেলেনি তাদের।
গয়টাপাড়া সীমান্তে গিয়ে দেখা গেছে, সীমান্তের শূন্যরেখার একদিকে বিএসএফ, আরেক দিকে বিজিবি। মাঝখানে দুই শিশু সন্তান নিয়ে অসহায় বসে আছেন সুমি আক্তার-বেলাল হোসেন দম্পতি। সুমির কোলে ৬ মাসের শিশু সন্তান ফাইমা আর বেলালের কোলে ৪ বছরের ফাতেমা। খোলা আকাশের নিচে রোদ-বৃষ্টি সয়ে ৫২ ঘণ্টা ধরে এভাবে বসে আছেন তারা।
সুমি আক্তার ও বেলালের বাড়ি বাংলাদেশের ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বিরুনিয়া ইউনিয়নের কংশেরকুল গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। কয়েক মাস আগে সিলেট সীমান্তপথে তারা ভারতে পাড়ি জমান।
পরে বিএসএফ তাদের ধরে নিয়ে গত রোববার ভোরে সীমান্তের কাঁটাতার পার করে দেয়। কিন্তু বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধায় তারা বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে পারেননি।
বিজিবি জানায়, বিএসএফ সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে রৌমারীর দুই সীমান্তপথে ৯ জনকে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। ঠেলে দেওয়া ব্যক্তিরা কাঁটাতারের এপাড়ে শূন্যরেখার কাছে ভারতীয় ভূখণ্ডে অবস্থান করলেও তাদের ফেরত নেয়নি বিএসএফ। এদিকে বিজিবিও তাদেরকে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেয়নি।
বিজিবি আরও জানায়, পুশইন চেষ্টার পর রোববার দুপুরে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হয়। তবে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়। বৈঠকে সীমান্তে জড়ো করা ব্যক্তিদের বাংলাদেশের নাগরিক দাবি করেছে বিএসএফ।
ভুক্তভোগী নারী-পুরুষরাও নিজেদের বাংলাদেশি নাগরিক দাবি করেছে। তবে অবৈধ অনুপ্রবেশ করায় তাদের গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায় বিজিবি। একই সঙ্গে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছেন তারা।
গয়টাপাড়া বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার শফিকুল ইসলাম বলেন, ঠেলে দেওয়া ব্যক্তিরা মঙ্গলবার বেলা ১১টায় পর্যন্ত অবস্থানেই আছেন। তারা শূন্যরেখার কাছে ভারতের প্রান্তে রয়েছেন। ওই প্রান্তে বিএসএফ এবং আমাদের প্রান্তে বিজিবি রয়েছে। কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠক হলেও কোনো সুরাহা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, অবস্থানকারীদের বিএসএফ কম্বল ও পলিথিন, খাবার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আমাদের এখানকার লোকজন খাবার ও ছাতা দিয়েছে।
শৌলমারী ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আমি সীমান্ত এলাকায় গিয়েছিলাম। তাদেরকে খাবার দেওয়াসহ সহযোগিতা করা হচ্ছে।
জামালপুর ৩৫-বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, উদ্ভুত পরিস্থিতিতে বিজিবি সীমান্তে জনবল ও নজরদারি বৃদ্ধি করেছে। স্থানীয়রা বিজিবিকে সহায়তা করছে।
সীমান্তে জড়ো করা নারী-শিশুসহ অন্যান্যরা পূর্বের স্থানেই অবস্থান করছে। ইন্ডিয়া পুশ করেছে, আমরা আসতে দেইনি। আপাতত আসতে দেব না যতক্ষণ পর্যন্ত না একটা ভালো সমাধানে আসছে।

১৬ জুন, ২০২৬ ১৪:০৮
নড়াইলের লোহাগড়ায় সুমনা ফেরদৌসী (৩৫) নামে এক গৃহবধূকে হত্যা করেছে তার স্বামী লিমন মল্লিক। এ ঘটনায় লিমনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৫ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চর দিঘলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। একই দিন রাতে অভিযুক্ত লিমন মল্লিককে আটক করা হয়।
নিহত সুমনা ফেরদৌসী লোহাগড়ার চর দিঘলিয়া গ্রামের ইদ্রিস মল্লিকের ছেলে লিমন মল্লিকের দ্বিতীয় স্ত্রী। সুমনার বাবার বাড়ি নারায়ণগঞ্জে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করার সময় লিমন ও সুমনার পরিচয় হয়। পরে ২০২১ সালে তাদের বিয়ে হয়। এটি ছিল লিমনের দ্বিতীয় এবং সুমনার চতুর্থ বিয়ে। বিয়ের পর সুমনাকে নিয়ে নিজ বাড়িতে চলে আসেন লিমন। তবে প্রথম স্ত্রী ও সন্তান থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় স্ত্রীকে বাড়িতে নিয়ে আসায় পরিবারে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে লিমনের প্রথম স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে রংপুরে চলে যান। এরপর চায়ের দোকান পরিচালনা ও কাঠ কাটার শ্রমিক হিসেবে কাজ করে সংসার চালাতেন লিমন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, লিমনের অনুপস্থিতিতে সুমনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে বিভিন্ন ভিডিও প্রকাশ করতেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। সোমবার সকালে টিকটক ব্যবহার ও অনলাইনে যোগাযোগ নিয়ে দুজনের মধ্যে আবারও বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে লিমনের মারধরে সুমনা আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের দাবি। হত্যার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে মরদেহ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর লিমন স্বাভাবিকভাবে কাজে চলে যান। বিকেলে বাড়ি ফিরে নিজেই চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। চিৎকার শুনে আশেপাশের মানুষ ছুটে আসে। খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদনের পর পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করে এটি আত্মহত্যা নয়, বরং হত্যাকাণ্ড। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লিমনকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন, আটক লিমন মল্লিক প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
হত্যার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর জন্য মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। নিহতের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
নড়াইলের লোহাগড়ায় সুমনা ফেরদৌসী (৩৫) নামে এক গৃহবধূকে হত্যা করেছে তার স্বামী লিমন মল্লিক। এ ঘটনায় লিমনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৫ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চর দিঘলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। একই দিন রাতে অভিযুক্ত লিমন মল্লিককে আটক করা হয়।
নিহত সুমনা ফেরদৌসী লোহাগড়ার চর দিঘলিয়া গ্রামের ইদ্রিস মল্লিকের ছেলে লিমন মল্লিকের দ্বিতীয় স্ত্রী। সুমনার বাবার বাড়ি নারায়ণগঞ্জে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করার সময় লিমন ও সুমনার পরিচয় হয়। পরে ২০২১ সালে তাদের বিয়ে হয়। এটি ছিল লিমনের দ্বিতীয় এবং সুমনার চতুর্থ বিয়ে। বিয়ের পর সুমনাকে নিয়ে নিজ বাড়িতে চলে আসেন লিমন। তবে প্রথম স্ত্রী ও সন্তান থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় স্ত্রীকে বাড়িতে নিয়ে আসায় পরিবারে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে লিমনের প্রথম স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে রংপুরে চলে যান। এরপর চায়ের দোকান পরিচালনা ও কাঠ কাটার শ্রমিক হিসেবে কাজ করে সংসার চালাতেন লিমন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, লিমনের অনুপস্থিতিতে সুমনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে বিভিন্ন ভিডিও প্রকাশ করতেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। সোমবার সকালে টিকটক ব্যবহার ও অনলাইনে যোগাযোগ নিয়ে দুজনের মধ্যে আবারও বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে লিমনের মারধরে সুমনা আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের দাবি। হত্যার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে মরদেহ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর লিমন স্বাভাবিকভাবে কাজে চলে যান। বিকেলে বাড়ি ফিরে নিজেই চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। চিৎকার শুনে আশেপাশের মানুষ ছুটে আসে। খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদনের পর পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করে এটি আত্মহত্যা নয়, বরং হত্যাকাণ্ড। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লিমনকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন, আটক লিমন মল্লিক প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
হত্যার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর জন্য মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। নিহতের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

১৬ জুন, ২০২৬ ১৩:২৮
সরকারের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনলাইনে হাজিরা নিশ্চিত করতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিতে হয়েছে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার এক প্রধান শিক্ষককে।
মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় বিদ্যালয় থেকে কয়েকশ ফুট উঁচু পাহাড়ে উঠে শেষ পর্যন্ত আমগাছের ডালে বসে অনলাইনে হাজিরা পাঠাতে হয়েছে তাকে।
সোমবার (১৫ জুন) উপজেলার রূপকারী ইউনিয়নের পাকুজ্জোছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, সম্প্রতি সরকার সারা দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনলাইন হাজিরা কার্যক্রম চালু করেছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ৯টার মধ্যে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে হাজিরা খাতার ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে।
সোমবার থেকে কার্যকর হওয়া এ নির্দেশনার প্রথম দিনেই বিপাকে পড়েন প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবু তাহের।
তিনি জানান, তার বিদ্যালয় দুই পাহাড়ের মাঝখানে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ ফুট নিচে অবস্থিত। বিদ্যালয়ের ছাদে উঠেও কোনো মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়নি।
পরে পাহাড়ের চূড়ায় উঠে বিভিন্ন স্থানে চেষ্টা করেও নেটওয়ার্ক না পেয়ে শেষ পর্যন্ত একটি আমগাছে উঠে সংযোগ পান।
তিনি বলেন, ‘অনেক কষ্টে গাছের ডালে উঠে নেটওয়ার্ক পেয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার হোয়াটসঅ্যাপে হাজিরা খাতার ছবি পাঠাতে সক্ষম হয়েছি।
তবে কিছুটা দেরি হওয়ায় আমাকে ধমকও শুনতে হয়েছে।’ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এভাবে হাজিরা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পেটের দায়ে চাকরি করি। চাকরি বাঁচাতে হলে ঝুঁকি নিতেই হবে।
চাকরি না থাকলে আমার পরিবারের চারজনের ভরণপোষণ কীভাবে চলবে?’ বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্চয়ন চাকমা জানান, উপজেলার ১১৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম দিনে ৮৮টি বিদ্যালয়ের অনলাইন হাজিরা পাওয়া গেছে। বাকি ২৮টি বিদ্যালয়ের ৮৩ শিক্ষকের হাজিরা পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, ‘যেসব এলাকায় ফোর-জি নেটওয়ার্ক রয়েছে, সেখান থেকে অনলাইনে হাজিরা পাওয়া গেছে। নেটওয়ার্কবিহীন এলাকার শিক্ষকরা মোবাইল বার্তার মাধ্যমে তথ্য জানিয়েছেন। আগামী দিনে হাজিরার সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করছি।’
সরকারের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনলাইনে হাজিরা নিশ্চিত করতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিতে হয়েছে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার এক প্রধান শিক্ষককে।
মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় বিদ্যালয় থেকে কয়েকশ ফুট উঁচু পাহাড়ে উঠে শেষ পর্যন্ত আমগাছের ডালে বসে অনলাইনে হাজিরা পাঠাতে হয়েছে তাকে।
সোমবার (১৫ জুন) উপজেলার রূপকারী ইউনিয়নের পাকুজ্জোছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, সম্প্রতি সরকার সারা দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনলাইন হাজিরা কার্যক্রম চালু করেছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ৯টার মধ্যে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে হাজিরা খাতার ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে।
সোমবার থেকে কার্যকর হওয়া এ নির্দেশনার প্রথম দিনেই বিপাকে পড়েন প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবু তাহের।
তিনি জানান, তার বিদ্যালয় দুই পাহাড়ের মাঝখানে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ ফুট নিচে অবস্থিত। বিদ্যালয়ের ছাদে উঠেও কোনো মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়নি।
পরে পাহাড়ের চূড়ায় উঠে বিভিন্ন স্থানে চেষ্টা করেও নেটওয়ার্ক না পেয়ে শেষ পর্যন্ত একটি আমগাছে উঠে সংযোগ পান।
তিনি বলেন, ‘অনেক কষ্টে গাছের ডালে উঠে নেটওয়ার্ক পেয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার হোয়াটসঅ্যাপে হাজিরা খাতার ছবি পাঠাতে সক্ষম হয়েছি।
তবে কিছুটা দেরি হওয়ায় আমাকে ধমকও শুনতে হয়েছে।’ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এভাবে হাজিরা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পেটের দায়ে চাকরি করি। চাকরি বাঁচাতে হলে ঝুঁকি নিতেই হবে।
চাকরি না থাকলে আমার পরিবারের চারজনের ভরণপোষণ কীভাবে চলবে?’ বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্চয়ন চাকমা জানান, উপজেলার ১১৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম দিনে ৮৮টি বিদ্যালয়ের অনলাইন হাজিরা পাওয়া গেছে। বাকি ২৮টি বিদ্যালয়ের ৮৩ শিক্ষকের হাজিরা পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, ‘যেসব এলাকায় ফোর-জি নেটওয়ার্ক রয়েছে, সেখান থেকে অনলাইনে হাজিরা পাওয়া গেছে। নেটওয়ার্কবিহীন এলাকার শিক্ষকরা মোবাইল বার্তার মাধ্যমে তথ্য জানিয়েছেন। আগামী দিনে হাজিরার সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করছি।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.