ভালোবাসার টানে সব বাধা পেরিয়ে প্রেমিককে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিতে ধর্ম পরিবর্তন করেছেন এক হিন্দু তরুণী। পরিবারের আপত্তি, সামাজিক নানা চাপ ও সমালোচনার মধ্যেও প্রেমের সম্পর্ককে পরিণয়ে রূপ দিতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মুসলিম যুবককে বিয়ে করেছেন তিনি।
জানা গেছে, বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের বশির সরদারের ছেলে মো: তামিম হাসান ও পার্শ্ববর্তী গ্রাম ফলাঘরের প্রদীপ চন্দ্র সাহার মেয়ে প্রিয়ন্তী রানী সাহা দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল।
একপর্যায়ে দুজনই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তারা দুজনেই প্রাপ্তবয়স্ক হলেও তাদের মধ্যে ধর্ম ভিন্ন হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হলে পরিবারকে না জানিয়ে দুজনই পালিয়ে যায়। পরে ওই তরুণী স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নতুন নামে পরিচিত হন জান্নাতি ইসলম নামে। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে স্থানীয় কাজীর মাধ্যমে গত ৩ মে ২ লক্ষ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
তবে সেই বিয়ের পরে বাসর ঘরের পরিবর্তে প্রেমিক তামিমের ঠাই হয়েছে জেল হাজতে। দুজনে পালিয়ে যাওয়ার পরে এই ঘটনায় তরুণী জান্নাতী ইসলামের পরিবার বাকেরগঞ্জ থানা একটি সাধারণ ডায়রি করলে গত বৃহস্পতিবার ওই তরুন তরুণীকে পুলিশ গ্রেফতার করলে তামিমকে জেল হাজতে পাঠানো হয়। আর ওই তরুণী জান্নাতি ইসলামকে মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে
আলামত সংগ্রহের জন্য। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ তাদের ভালোবাসার জয় হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ধর্ম পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে নানা মন্তব্য করছেন। তবে পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় নবদম্পতির দাবি ছিল তারা দুজনই প্রাপ্তবয়স্ক এবং নিজেদের ইচ্ছাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তবে এই ঘটনায় প্রেমিক মো: তামিম হাসানের পিতা : বশির সরদার জানান, ছেলে মেয়ের সম্পর্কের বিষয়টি আমি যখন জানতে পারি তখন মেয়ের পরিবারকে আমি ঘটনাটি জানিয়েছি। আমিও কখনো চাইনি আমার ছেলে এভাবে পালিয়ে বিয়ে করুক। ছেলে মেয়ে উভয় প্রাপ্তবয়স্ক শুনেছি তারা নাকি বিয়েও করেছে। তবে এখন শুনতে পাচ্ছি পুলিশ গ্রেপ্তারের পরে আমার ছেলের বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণ ও অপহরণ মামলা করা হয়েছে। এখানে কোন অপহরণের ঘটনাই ঘটেনি। এই ধরনের মামলা আমার ছেলেকে ফাঁসানোর জন্যই করা হয়েছে।
এই ঘটনায় তরুণীর পরিবার জানান, আমার মেয়েকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে হিন্দু থেকে মুসলমান করা হয়েছে। তাকে অপহরণ করে নেয়া হয়েছিল এজন্য আমরা মামলা দিয়েছি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিয়ের পর নবদম্পতি সুখে-শান্তিতে সংসার করার কথা থাকলেও এই ঘটনাটি মেয়ের পরিবার মেনে নেয়নি। তারা উল্টো ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করে জেলে পাঠিয়েছে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ঘটনাটি নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো: আদিল হোসেন জানান, থানায় সাধারণ ডায়রি হওয়ার পরে তরুণ তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে। ছেলেটিকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ওই তরুণীর পরিবার ছেলেটির বিরুদ্ধে বাকেরগঞ্জ থানা একটি মামলা দায়ের করেছে। আমরা মামলা গ্রহণ করেছি। এখন বিষয়টি আদালত দেখবে।

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৩৪
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) সামনের বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক সংস্কারের কোন কাজ না করায় শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েছেন বরিশাল সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম।
মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল সওজ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে গিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কারকাজ শুরু না হওয়ার কারণ জানতে চায়। এ সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল ইসলাম তাদের তোপের মুখে পড়েন বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত চলতি বছরের ৯ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন দপদপিয়া ব্রিজে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। তার মৃত্যুর পর বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক সংস্কারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
ওই আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের সামনে এসে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম লিখিত প্রতিশ্রুতি দেন। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, সড়কের বিটুমিন উঠে গেলে তা পুনরায় সংস্কার করা, আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে সড়কের দুই পাশে ফুটপাত নির্মাণের কাজ শুরু করা এবং ১০ নভেম্বরের মধ্যে মূল সড়কে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ করার কথা ছিল। একই সঙ্গে সড়কের দুই পাশে আলোর ব্যবস্থা করারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আন্দোলনের পর মাত্র একবার সড়কের গর্তগুলো বিটুমিন দিয়ে সংস্কার করা হলেও পরবর্তীতে আর কোনো দৃশ্যমান কাজ হয়নি।
মঙ্গলবার সরেজমিনে দপদপিয়া সেতুর টোল প্লাজা থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ভোলা রোড পর্যন্ত ঘুরে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে । বিশেষ করে দপদপিয়া সেতুর ওপর বেশ কয়েকটি বড় গর্ত দেখা গেছে। এতে যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেটের সামনেও ড্রেনে পানি জমে থাকতে ও অসংখ্য ছোট বড় গর্ত দেখা যায়।
স্থানীয় ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ করে বলছে , সড়কের খানাখন্দের কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। গত এক মাসে প্রায় পাঁচটি থ্রি-হুইলার উল্টে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানান। এসব ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সদস্য মো. রাজীব বলেন, কথা ছিল আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে সকল প্রক্রিয়া শেষ করে রাস্তার দুই পাশে ফুটপাত নির্মাণের কাজ শুরু করতে হবে, পাশাপাশি ১০ নভেম্বরের ভিতর আরসিসি ঢালাই ও সড়কের পাশে আলোর ব্যবস্থা করতে হবে। এই কাজের তদারকি করার জন্য সড়ক জনপদের কর্মকর্তা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটা প্রতিনিধি টিম গঠন করা হয়। আমরা দেখেছি তাদের প্রতিশ্রুতি মোতাবেক কোন কাজই হচ্ছে না। এখনো পর্যন্ত কোন কাজের টেন্ডারই করতে পারিনি। তাহলে তারা কিভাবে নির্ধারিত সময়ের ভিতরে কাজ শুরু করবে? তাদের কাজের সময় পার হচ্ছে যাচ্ছে সেটা জানান দিতেই আজ এখানে আসা।
আরেক সদস্য মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন, সড়ক ও জনপদের কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম বলেছিল রাস্তায় যতবার গর্ত হবে ততবার সেটা বিটুমিন দিয়ে সংস্কার করে দিবে। কিন্তু নামে মাত্র একবার সংস্কার করে দিয়েই সড়ক ও জনপদের লোক হাওয়া হয়ে গেছে। রাস্তায় অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে প্রতিদিনই কোন না দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় দুরবস্থার কারণে আমরা মাইশা, ইয়াসিন আরাফাতকে হারিয়েছি। এখন আর কত লাশ দিলে এই রাস্তার সংস্কার হবে? লিখিত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুত সড়ক সংস্কার, ফুটপাত নির্মাণ, আরসিসি ঢালাই ও সড়কের পাশে আলোর ব্যবস্থা করার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্যই এখানে আসা।
অপর দিকে বরিশাল সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে ফুটপাত নির্মাণ, আরসিসি রোড নির্মাণ, সড়কে লাইটের ব্যবস্থা করা। সে ব্যাপারে একটা প্রস্তবনা ইতিমধ্যে প্রেরণ করা হয়েছে। সেটা যদি অনুমোদন হয় তাহলে আমরা অতিশীগ্রই নতুন দরপত্র আহ্বান করে এই কাজগুলো করতে পারবো। তবে কবে নাগাত এই কাজ শুরু করতে পারবো সেটা বলতে পারছি না।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) সামনের বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক সংস্কারের কোন কাজ না করায় শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েছেন বরিশাল সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম।
মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল সওজ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে গিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কারকাজ শুরু না হওয়ার কারণ জানতে চায়। এ সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল ইসলাম তাদের তোপের মুখে পড়েন বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত চলতি বছরের ৯ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন দপদপিয়া ব্রিজে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। তার মৃত্যুর পর বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক সংস্কারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
ওই আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের সামনে এসে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম লিখিত প্রতিশ্রুতি দেন। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, সড়কের বিটুমিন উঠে গেলে তা পুনরায় সংস্কার করা, আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে সড়কের দুই পাশে ফুটপাত নির্মাণের কাজ শুরু করা এবং ১০ নভেম্বরের মধ্যে মূল সড়কে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ করার কথা ছিল। একই সঙ্গে সড়কের দুই পাশে আলোর ব্যবস্থা করারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আন্দোলনের পর মাত্র একবার সড়কের গর্তগুলো বিটুমিন দিয়ে সংস্কার করা হলেও পরবর্তীতে আর কোনো দৃশ্যমান কাজ হয়নি।
মঙ্গলবার সরেজমিনে দপদপিয়া সেতুর টোল প্লাজা থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ভোলা রোড পর্যন্ত ঘুরে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে । বিশেষ করে দপদপিয়া সেতুর ওপর বেশ কয়েকটি বড় গর্ত দেখা গেছে। এতে যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেটের সামনেও ড্রেনে পানি জমে থাকতে ও অসংখ্য ছোট বড় গর্ত দেখা যায়।
স্থানীয় ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ করে বলছে , সড়কের খানাখন্দের কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। গত এক মাসে প্রায় পাঁচটি থ্রি-হুইলার উল্টে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানান। এসব ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সদস্য মো. রাজীব বলেন, কথা ছিল আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে সকল প্রক্রিয়া শেষ করে রাস্তার দুই পাশে ফুটপাত নির্মাণের কাজ শুরু করতে হবে, পাশাপাশি ১০ নভেম্বরের ভিতর আরসিসি ঢালাই ও সড়কের পাশে আলোর ব্যবস্থা করতে হবে। এই কাজের তদারকি করার জন্য সড়ক জনপদের কর্মকর্তা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটা প্রতিনিধি টিম গঠন করা হয়। আমরা দেখেছি তাদের প্রতিশ্রুতি মোতাবেক কোন কাজই হচ্ছে না। এখনো পর্যন্ত কোন কাজের টেন্ডারই করতে পারিনি। তাহলে তারা কিভাবে নির্ধারিত সময়ের ভিতরে কাজ শুরু করবে? তাদের কাজের সময় পার হচ্ছে যাচ্ছে সেটা জানান দিতেই আজ এখানে আসা।
আরেক সদস্য মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন, সড়ক ও জনপদের কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম বলেছিল রাস্তায় যতবার গর্ত হবে ততবার সেটা বিটুমিন দিয়ে সংস্কার করে দিবে। কিন্তু নামে মাত্র একবার সংস্কার করে দিয়েই সড়ক ও জনপদের লোক হাওয়া হয়ে গেছে। রাস্তায় অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে প্রতিদিনই কোন না দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় দুরবস্থার কারণে আমরা মাইশা, ইয়াসিন আরাফাতকে হারিয়েছি। এখন আর কত লাশ দিলে এই রাস্তার সংস্কার হবে? লিখিত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুত সড়ক সংস্কার, ফুটপাত নির্মাণ, আরসিসি ঢালাই ও সড়কের পাশে আলোর ব্যবস্থা করার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্যই এখানে আসা।
অপর দিকে বরিশাল সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে ফুটপাত নির্মাণ, আরসিসি রোড নির্মাণ, সড়কে লাইটের ব্যবস্থা করা। সে ব্যাপারে একটা প্রস্তবনা ইতিমধ্যে প্রেরণ করা হয়েছে। সেটা যদি অনুমোদন হয় তাহলে আমরা অতিশীগ্রই নতুন দরপত্র আহ্বান করে এই কাজগুলো করতে পারবো। তবে কবে নাগাত এই কাজ শুরু করতে পারবো সেটা বলতে পারছি না।

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪১
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নিম্নচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এর প্রভাবে দেশের সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৭৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা থেকে ৬২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলোতে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। নিম্নচাপের কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার। দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার সময় বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে।
নিম্নচাপের কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর উত্তাল রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এদিকে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতরের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের গতিপথ ও শক্তি পরিবর্তন সম্পর্কে নতুন তথ্য পাওয়া যাবে।
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নিম্নচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এর প্রভাবে দেশের সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৭৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা থেকে ৬২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলোতে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। নিম্নচাপের কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার। দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার সময় বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে।
নিম্নচাপের কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর উত্তাল রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এদিকে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতরের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের গতিপথ ও শক্তি পরিবর্তন সম্পর্কে নতুন তথ্য পাওয়া যাবে।

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৫১
বরিশাল নগরীতে স্বামী নুরুজ্জামান হাওলাদার (৫৫) হত্যাকাণ্ডে প্রধান আসামি তার দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা বেগমকে ঢাকার ভাটারা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার ওসি (তদন্ত) সুমন কুমার আইচ জানান, নাসিমাকে গ্রেপ্তারের পর রাতেই পুলিশের একটি দল তাকে নিয়ে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে নগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইছাকাঠী কলোনির একটি ভাড়া বাসায় নুরুজ্জামানের মরদেহ পাওয়া যায়। পরদিন ভোরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নুরুজ্জামান বরিশাল আদালতের একজন আইনজীবীর সহকারী (মুহুরি) ছিলেন। পাশাপাশি তিনি বরিশাল আইনজীবী সহকারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রের বরাতে পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের আগে কয়েকদিন ধরে নুরুজ্জামান ও নাসিমার মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে দাম্পত্য কলহ চলছিল।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, দাম্পত্য কলহের জেরে নুরুজ্জামানকে আঘাতের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। এরপর বাসার বাইরে থেকে দরজায় তালা দিয়ে নাসিমা আত্মগোপনে চলে যান বলে পুলিশের দাবি।
হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই নাসিমা পলাতক ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকার ভাটারা এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ।
নিহত নুরুজ্জামান মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের পূর্ব তয়কা গ্রামের মৃত সাত্তার হাওলাদারের ছেলে। কর্মসূত্রে তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমাকে নিয়ে বরিশাল নগরীর ইছাকাঠী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
হত্যার নেপথ্যে আসলে কী ঘটেছিল—গ্রেপ্তার নাসিমাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে তারই উত্তর খুঁজছে পুলিশ।
বরিশাল নগরীতে স্বামী নুরুজ্জামান হাওলাদার (৫৫) হত্যাকাণ্ডে প্রধান আসামি তার দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা বেগমকে ঢাকার ভাটারা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার ওসি (তদন্ত) সুমন কুমার আইচ জানান, নাসিমাকে গ্রেপ্তারের পর রাতেই পুলিশের একটি দল তাকে নিয়ে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে নগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইছাকাঠী কলোনির একটি ভাড়া বাসায় নুরুজ্জামানের মরদেহ পাওয়া যায়। পরদিন ভোরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নুরুজ্জামান বরিশাল আদালতের একজন আইনজীবীর সহকারী (মুহুরি) ছিলেন। পাশাপাশি তিনি বরিশাল আইনজীবী সহকারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রের বরাতে পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের আগে কয়েকদিন ধরে নুরুজ্জামান ও নাসিমার মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে দাম্পত্য কলহ চলছিল।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, দাম্পত্য কলহের জেরে নুরুজ্জামানকে আঘাতের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। এরপর বাসার বাইরে থেকে দরজায় তালা দিয়ে নাসিমা আত্মগোপনে চলে যান বলে পুলিশের দাবি।
হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই নাসিমা পলাতক ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকার ভাটারা এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ।
নিহত নুরুজ্জামান মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের পূর্ব তয়কা গ্রামের মৃত সাত্তার হাওলাদারের ছেলে। কর্মসূত্রে তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমাকে নিয়ে বরিশাল নগরীর ইছাকাঠী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
হত্যার নেপথ্যে আসলে কী ঘটেছিল—গ্রেপ্তার নাসিমাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে তারই উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

০৮ মে, ২০২৬ ১৬:৩২
ভালোবাসার টানে সব বাধা পেরিয়ে প্রেমিককে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিতে ধর্ম পরিবর্তন করেছেন এক হিন্দু তরুণী। পরিবারের আপত্তি, সামাজিক নানা চাপ ও সমালোচনার মধ্যেও প্রেমের সম্পর্ককে পরিণয়ে রূপ দিতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মুসলিম যুবককে বিয়ে করেছেন তিনি।
জানা গেছে, বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের বশির সরদারের ছেলে মো: তামিম হাসান ও পার্শ্ববর্তী গ্রাম ফলাঘরের প্রদীপ চন্দ্র সাহার মেয়ে প্রিয়ন্তী রানী সাহা দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল।
একপর্যায়ে দুজনই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তারা দুজনেই প্রাপ্তবয়স্ক হলেও তাদের মধ্যে ধর্ম ভিন্ন হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হলে পরিবারকে না জানিয়ে দুজনই পালিয়ে যায়। পরে ওই তরুণী স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নতুন নামে পরিচিত হন জান্নাতি ইসলম নামে। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে স্থানীয় কাজীর মাধ্যমে গত ৩ মে ২ লক্ষ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
তবে সেই বিয়ের পরে বাসর ঘরের পরিবর্তে প্রেমিক তামিমের ঠাই হয়েছে জেল হাজতে। দুজনে পালিয়ে যাওয়ার পরে এই ঘটনায় তরুণী জান্নাতী ইসলামের পরিবার বাকেরগঞ্জ থানা একটি সাধারণ ডায়রি করলে গত বৃহস্পতিবার ওই তরুন তরুণীকে পুলিশ গ্রেফতার করলে তামিমকে জেল হাজতে পাঠানো হয়। আর ওই তরুণী জান্নাতি ইসলামকে মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে
আলামত সংগ্রহের জন্য। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ তাদের ভালোবাসার জয় হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ধর্ম পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে নানা মন্তব্য করছেন। তবে পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় নবদম্পতির দাবি ছিল তারা দুজনই প্রাপ্তবয়স্ক এবং নিজেদের ইচ্ছাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তবে এই ঘটনায় প্রেমিক মো: তামিম হাসানের পিতা : বশির সরদার জানান, ছেলে মেয়ের সম্পর্কের বিষয়টি আমি যখন জানতে পারি তখন মেয়ের পরিবারকে আমি ঘটনাটি জানিয়েছি। আমিও কখনো চাইনি আমার ছেলে এভাবে পালিয়ে বিয়ে করুক। ছেলে মেয়ে উভয় প্রাপ্তবয়স্ক শুনেছি তারা নাকি বিয়েও করেছে। তবে এখন শুনতে পাচ্ছি পুলিশ গ্রেপ্তারের পরে আমার ছেলের বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণ ও অপহরণ মামলা করা হয়েছে। এখানে কোন অপহরণের ঘটনাই ঘটেনি। এই ধরনের মামলা আমার ছেলেকে ফাঁসানোর জন্যই করা হয়েছে।
এই ঘটনায় তরুণীর পরিবার জানান, আমার মেয়েকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে হিন্দু থেকে মুসলমান করা হয়েছে। তাকে অপহরণ করে নেয়া হয়েছিল এজন্য আমরা মামলা দিয়েছি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিয়ের পর নবদম্পতি সুখে-শান্তিতে সংসার করার কথা থাকলেও এই ঘটনাটি মেয়ের পরিবার মেনে নেয়নি। তারা উল্টো ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করে জেলে পাঠিয়েছে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ঘটনাটি নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো: আদিল হোসেন জানান, থানায় সাধারণ ডায়রি হওয়ার পরে তরুণ তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে। ছেলেটিকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ওই তরুণীর পরিবার ছেলেটির বিরুদ্ধে বাকেরগঞ্জ থানা একটি মামলা দায়ের করেছে। আমরা মামলা গ্রহণ করেছি। এখন বিষয়টি আদালত দেখবে।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:২৪
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৩৪
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪১
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৫১