এবার হানিট্র্যাপের শিকার হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আশরাফ আলী হাওলাদার।
কুয়াকাটা পৌর এলাকার ফারজানা বেগম (২৪) নামের এক নারীর নেতৃত্বে হানিট্র্যাপের শিকার হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় মামলা করেন আশ্রাফ আলী হাওলাদার। রিমা (১৮) নামের অপর এক নারীসহ আরও ৪জনকে অজ্ঞাত নামা আসামি করা হয় এই মামলায়।
মামলার রেশ ধরে সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টার দিকে এজাহারভুক্ত আসামি ফারজানা বেগমকে কুয়াকাটা শাহীন মাস্টারের ভাড়া বাড়ি থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
মহিপুর থানাধীন কুয়াকাটার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত হাতেম দফাদারের কন্যা এবং মো. শাহিন হোসেনের স্ত্রী এই ফারজানা বেগম।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, দুইটি মোবাইল নম্বর দিয়ে অপরিচিত মহিলা কণ্ঠে আশ্রাফ হাওলাদারকে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করা হতো। তিনি বাঁধা দিলেও শুনতেন না। গত বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) তাঁর নিজের মালিকাধীন গ্রীন পার্ক থেকে মোটরসাইকেল যোগে দুপুরে বাসার উদ্দেশে রওনা দিলে পথিমধ্যে ৪-৫ জন বোরকা পরিহিত মহিলা তাঁর পথরোধ করে। এবং তাঁরা কলেজ শিক্ষার্থী পরিচয় দেয় ও তাদের শিক্ষা সফরসহ বিভিন্ন শিক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় করার জন্য ৫ লক্ষ টাকা প্রয়োজন বলে জানান। এত টাকা চাঁদা দিতে তিনি অসম্মতি জ্ঞাপন করলে ওই নারীরা তাকে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দেয় এবং তাকে টেনে হেঁচড়ে বিবস্ত্র করার চেষ্টা করে। এঅবস্থায় তাদের হাতে থাকা মোবাইল দিয়ে ভিডিও ধারণ করতে থাকে। আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহযোগিতায় তৈরি করা তাঁর নগ্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দিবে বলে নারীরা ভয়-ভীতি দেখায়। এর ধারাবাহিকতায় তিনি বিকাশের মাধ্যমে ওই নারীদের টাকা পাঠান। দুইদিন পরে অর্থাৎ শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মির্জাগঞ্জ থানাসংলগ্ন কপালভেড়া স্টিল ব্রিজের পশ্চিম পাশে পৌঁছলে ফারজানা এবং রিমাসহ অজ্ঞাতনামা একজন জন নারী ও দুইজন পুরুষ আশ্রাফ হাওলাদারের মােটরসাইকেল রোধ করে। দাবিকৃত টাকা কেন পাঠানো হয়নি বলে তাকে বিবস্ত্র করার ভয় দেখিয়ে ব্লাকমেইল করে তাৎক্ষণিক এক লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়,সুগার ড্যাডি বানিয়ে আশ্রাফ হাওলাদারের নিকট থেকে হাতিয়ে নেওয়া পাঁচ হাজার টাকা, ফাঁদ তৈরির ফেসবুক মেসেঞ্জার ব্যবহারকৃত ইনফিনিক্স এক্স ৬৮৮০ মডেলের একটি মোবাইল এবং দুইটি সীম উদ্ধার করা হয় গ্রেফতারকৃত আসামি ফারজানা বেগমের নিকট থেকে।
এছাড়াও ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবির বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ মোবাইল থেকে জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, আসামিরা হানিট্রাপের মাধ্যমে বয়স্ক বৃদ্ধ লোকদের সুগার ড্যাডি বানিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নজরুল ইসলাম মৃধা জানান, বয়স্ক বিত্তবানদের টার্গেট করে হানি ট্র্যাপে ফেলে অর্থ আত্মসাৎ করাই তাদের কাজ। এই গ্রুপের প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদেরও গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত আছে।

৩০ জুলাই, ২০২৬ ১৩:২৫
পটুয়াখালীর বাউফলে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ফারুক হোসেন প্যাদাকে (৪০) মারধর করার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে খেজুরবাড়ীয়া গ্রমে এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ফারুক হোসেন প্যাদার বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ এনে ওই গৃহবধূর স্বামী পারভেজ সহ কয়েকজন তাকে জিজ্ঞাসা করলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা আহত ফারুককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন প্যাদা বলেন, স্থানীয় সাইদুল, পারভেজ মৃধা সহ তাদের বাড়ির ৪-৫ জন আমাকে মারধর করেছে। তারা আমার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। অতীতে তাদের সঙ্গে আমার বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে আমার বিরুদ্ধে এক নারীর সম্পর্ক রয়েছে বলে গুজব ছড়াচ্ছে। আমি তাদের এ ধরনের মিথ্যা অপবাদ না ছড়ানোর অনুরোধ করি। আমি কোনো নারীকে উত্ত্যক্ত করিনি। তারপরও কথিত অভিযোগে আমাকে মারধর করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ওই গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে আমার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করত। তাকে টাকা-পয়সার প্রলোভন দিত। একপর্যায়ে সে আমাদের পরিবারের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় কানাঘুষা চলছিল। প্রথমে আমরা তা বিশ্বাস করিনি। পরে কিছু ছবি দেখানোর পর বিষয়টি বিশ্বাস করি। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও সে আমার পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দিত।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারধরের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ফারুক হোসেন প্যাদাকে (৪০) মারধর করার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে খেজুরবাড়ীয়া গ্রমে এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ফারুক হোসেন প্যাদার বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ এনে ওই গৃহবধূর স্বামী পারভেজ সহ কয়েকজন তাকে জিজ্ঞাসা করলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা আহত ফারুককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন প্যাদা বলেন, স্থানীয় সাইদুল, পারভেজ মৃধা সহ তাদের বাড়ির ৪-৫ জন আমাকে মারধর করেছে। তারা আমার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। অতীতে তাদের সঙ্গে আমার বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে আমার বিরুদ্ধে এক নারীর সম্পর্ক রয়েছে বলে গুজব ছড়াচ্ছে। আমি তাদের এ ধরনের মিথ্যা অপবাদ না ছড়ানোর অনুরোধ করি। আমি কোনো নারীকে উত্ত্যক্ত করিনি। তারপরও কথিত অভিযোগে আমাকে মারধর করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ওই গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে আমার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করত। তাকে টাকা-পয়সার প্রলোভন দিত। একপর্যায়ে সে আমাদের পরিবারের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় কানাঘুষা চলছিল। প্রথমে আমরা তা বিশ্বাস করিনি। পরে কিছু ছবি দেখানোর পর বিষয়টি বিশ্বাস করি। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও সে আমার পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দিত।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারধরের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৬
পটুয়াখালীর দুমকিতে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান এবং মিরাজ খান গং কর্তৃক সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুল আলম শুভ খানসহ কয়েকজন যুবকের ওপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় দুমকি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন হামলার শিকার সাইফুল আলম।
জানা যায়, উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মৃত্যু সোলাইমান খানের ছেলে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান প্রায় এক যুগ ধরে দাপটের সাথে গাঁজা ইয়াবার ব্যবসা করে আসছে। ব্যবসা করতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার মাদকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে মাদকসহ গ্রেফতার হন। কিছুদিন জেল খেটে বেরিয়ে পূনরায় বীরদর্পে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ফিরোজ খান ও মিরাজ খানের প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করেন একই এলাকার বাসিন্দা সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ সাইফুল আলম শুভ সহ কয়েকজন যুবক।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থেকে গত ২৪ জুলাই রাতে ফিরোজ খান ও মিরাজ খানসহ তাদের সহযোগীদের নিয়ে সাইফুল আলম শুভ, মনির হোসেন,আবু তাহের সহ কয়েকজন যুবকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এবং এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সেলিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
পটুয়াখালীর দুমকিতে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান এবং মিরাজ খান গং কর্তৃক সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুল আলম শুভ খানসহ কয়েকজন যুবকের ওপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় দুমকি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন হামলার শিকার সাইফুল আলম।
জানা যায়, উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মৃত্যু সোলাইমান খানের ছেলে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান প্রায় এক যুগ ধরে দাপটের সাথে গাঁজা ইয়াবার ব্যবসা করে আসছে। ব্যবসা করতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার মাদকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে মাদকসহ গ্রেফতার হন। কিছুদিন জেল খেটে বেরিয়ে পূনরায় বীরদর্পে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ফিরোজ খান ও মিরাজ খানের প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করেন একই এলাকার বাসিন্দা সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ সাইফুল আলম শুভ সহ কয়েকজন যুবক।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থেকে গত ২৪ জুলাই রাতে ফিরোজ খান ও মিরাজ খানসহ তাদের সহযোগীদের নিয়ে সাইফুল আলম শুভ, মনির হোসেন,আবু তাহের সহ কয়েকজন যুবকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এবং এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সেলিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৫৩
বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী নারী। চলতি মাসের ২২ তারিখ পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদি হয়ে মামলা দায়ের করা হয়।
এদিকে, মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৭ বছর আগে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী মারা যান। এরপর তিনি একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাবা বাড়ি ইটবাড়িয়া ইউনিয়নে চলে যান। সেখানে তাকে দেখার পর শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দেন। এতে রাজী না হলে শহিদুল তাকে বিবাহের প্রস্তাব দেন।
চলতি বছরের ২৪ মার্চ ওই বিধবা ভুক্তভোগী নারীকে প্রলোভন দেখিয়ে শহরের শেরে বাংলা সড়কে শহীদুলের বোনের বাসায় নিয়ে গেলে কক্ষের মধ্যে আটকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত শহিদুল। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন তিনি।
এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শহরে নিয়ে আসা হয়। পরে শহিদুলের বোনের বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়েছেন। পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, যেহেতু তার (মো.শহিদুল) নামে আদালতে মামলা হয়েছে, এ বিষয়ে আমাদের কিছু বলা উচিত না। আদালত তার বিচার করবেন। আদালত দেখবেন সত্য নাকি মিথ্যা। দোষী হলে পরে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত মামলার কপি হাতে পাইনি। কপি হাতে পেলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী নারী। চলতি মাসের ২২ তারিখ পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদি হয়ে মামলা দায়ের করা হয়।
এদিকে, মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৭ বছর আগে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী মারা যান। এরপর তিনি একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাবা বাড়ি ইটবাড়িয়া ইউনিয়নে চলে যান। সেখানে তাকে দেখার পর শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দেন। এতে রাজী না হলে শহিদুল তাকে বিবাহের প্রস্তাব দেন।
চলতি বছরের ২৪ মার্চ ওই বিধবা ভুক্তভোগী নারীকে প্রলোভন দেখিয়ে শহরের শেরে বাংলা সড়কে শহীদুলের বোনের বাসায় নিয়ে গেলে কক্ষের মধ্যে আটকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত শহিদুল। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন তিনি।
এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শহরে নিয়ে আসা হয়। পরে শহিদুলের বোনের বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়েছেন। পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, যেহেতু তার (মো.শহিদুল) নামে আদালতে মামলা হয়েছে, এ বিষয়ে আমাদের কিছু বলা উচিত না। আদালত তার বিচার করবেন। আদালত দেখবেন সত্য নাকি মিথ্যা। দোষী হলে পরে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত মামলার কপি হাতে পাইনি। কপি হাতে পেলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৬:৩৪
এবার হানিট্র্যাপের শিকার হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আশরাফ আলী হাওলাদার।
কুয়াকাটা পৌর এলাকার ফারজানা বেগম (২৪) নামের এক নারীর নেতৃত্বে হানিট্র্যাপের শিকার হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় মামলা করেন আশ্রাফ আলী হাওলাদার। রিমা (১৮) নামের অপর এক নারীসহ আরও ৪জনকে অজ্ঞাত নামা আসামি করা হয় এই মামলায়।
মামলার রেশ ধরে সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টার দিকে এজাহারভুক্ত আসামি ফারজানা বেগমকে কুয়াকাটা শাহীন মাস্টারের ভাড়া বাড়ি থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
মহিপুর থানাধীন কুয়াকাটার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত হাতেম দফাদারের কন্যা এবং মো. শাহিন হোসেনের স্ত্রী এই ফারজানা বেগম।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, দুইটি মোবাইল নম্বর দিয়ে অপরিচিত মহিলা কণ্ঠে আশ্রাফ হাওলাদারকে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করা হতো। তিনি বাঁধা দিলেও শুনতেন না। গত বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) তাঁর নিজের মালিকাধীন গ্রীন পার্ক থেকে মোটরসাইকেল যোগে দুপুরে বাসার উদ্দেশে রওনা দিলে পথিমধ্যে ৪-৫ জন বোরকা পরিহিত মহিলা তাঁর পথরোধ করে। এবং তাঁরা কলেজ শিক্ষার্থী পরিচয় দেয় ও তাদের শিক্ষা সফরসহ বিভিন্ন শিক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় করার জন্য ৫ লক্ষ টাকা প্রয়োজন বলে জানান। এত টাকা চাঁদা দিতে তিনি অসম্মতি জ্ঞাপন করলে ওই নারীরা তাকে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দেয় এবং তাকে টেনে হেঁচড়ে বিবস্ত্র করার চেষ্টা করে। এঅবস্থায় তাদের হাতে থাকা মোবাইল দিয়ে ভিডিও ধারণ করতে থাকে। আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহযোগিতায় তৈরি করা তাঁর নগ্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দিবে বলে নারীরা ভয়-ভীতি দেখায়। এর ধারাবাহিকতায় তিনি বিকাশের মাধ্যমে ওই নারীদের টাকা পাঠান। দুইদিন পরে অর্থাৎ শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মির্জাগঞ্জ থানাসংলগ্ন কপালভেড়া স্টিল ব্রিজের পশ্চিম পাশে পৌঁছলে ফারজানা এবং রিমাসহ অজ্ঞাতনামা একজন জন নারী ও দুইজন পুরুষ আশ্রাফ হাওলাদারের মােটরসাইকেল রোধ করে। দাবিকৃত টাকা কেন পাঠানো হয়নি বলে তাকে বিবস্ত্র করার ভয় দেখিয়ে ব্লাকমেইল করে তাৎক্ষণিক এক লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়,সুগার ড্যাডি বানিয়ে আশ্রাফ হাওলাদারের নিকট থেকে হাতিয়ে নেওয়া পাঁচ হাজার টাকা, ফাঁদ তৈরির ফেসবুক মেসেঞ্জার ব্যবহারকৃত ইনফিনিক্স এক্স ৬৮৮০ মডেলের একটি মোবাইল এবং দুইটি সীম উদ্ধার করা হয় গ্রেফতারকৃত আসামি ফারজানা বেগমের নিকট থেকে।
এছাড়াও ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবির বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ মোবাইল থেকে জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, আসামিরা হানিট্রাপের মাধ্যমে বয়স্ক বৃদ্ধ লোকদের সুগার ড্যাডি বানিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নজরুল ইসলাম মৃধা জানান, বয়স্ক বিত্তবানদের টার্গেট করে হানি ট্র্যাপে ফেলে অর্থ আত্মসাৎ করাই তাদের কাজ। এই গ্রুপের প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদেরও গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত আছে।