Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১১ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:৪০
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে কাশবন বিক্রিকে ঘিরে নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ। প্রশাসনের নিলাম বিজ্ঞপ্তির আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ের এসেস্ট শাখার এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে গোপনে কাশবন বিক্রি ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, গত ৬ নভেম্বর (বুধবার) বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমানকে কাশবন কাটার প্রস্তাব দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এসেস্ট শাখা। তিনি ও তাঁর বাবা বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে, সংশ্লিষ্টন শাখা তাঁদের জানান ২০ হাজার টাকা দিলে কাজটি পাইয়ে দেবেন অথবা তাঁরাই কাশবন কেটে নিয়ে যাবেন।
ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে এসেস্ট শাখার কর্মচারী মিজান ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন,তোমরা এই কাশবন কাটতে পারবা না। যদি কাজ করতে চাও আগে ৫ হাজার টাকা দাও বাকি ১৫ হাজার টাকা কাশবন কাটা শেষে দিতে হবে।
পরে বাধ্য হয়ে আব্দুর রহমানের বাবা অগ্রিম ৫ হাজার টাকা দেন। একই সঙ্গে মিজান তাঁদের দেখিয়ে দেন, কোন অংশ থেকে কাশবন কাটতে হবে।
এরপরের দিন বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সকালে আব্দুর রহমান কাশবন কাটতে গেলে এক শিক্ষার্থীর চোখে পড়ে বিষয়টি। শিক্ষার্থী তাঁকে জিজ্ঞেস করলে আব্দুর রহমান জানান, তাঁরা ২০ হাজার টাকায় তিন তলার স্যারের কাছ থেকে কাশবন কিনেছেন।পরে ওই শিক্ষার্থী বিষয়টি যাচাই করতে তাঁকে সঙ্গে নিয়ে যান এসেট শাখায়, যেখানে আব্দুর রহমান স্পষ্ট করে বলেন টাকা নিয়েছেন শাখার কর্মচারী মিজান।
পরিস্থিতি জানাজানি হলে এসেট শাখার দায়িত্বে সাইদুর জামান বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোলা রোডের একটি চায়ের দোকানে বসে আব্দুর রহমানের কাছে টাকা ফেরত দেন।
এ বিষয়ে আব্দুর রহমান বলেন,বুধবার তিন তলার স্যার মিজান আমার বাবাকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ৫ হাজার টাকা নিয়েছেন। কাশবন কাটা শেষ হলে বাকি ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে বলেছিলেন। কিন্তু এখন আমরা কাশবন কাটতে পারছি না, প্রশাসন বলছে নিলাম হবে। তিনি আরও বলেন আমাদের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নিসে যার মৌখিক অভিযোগ ভিসির কাছে দিয়েছি।
এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয় ১১ নভেম্বর কাশবন বিক্রির জন্য নিলামের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে সাংবাদিকরা আব্দুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে এসেস্ট শাখায় গেলে অভিযুক্ত কর্মচারী মিজান প্রথমে সাংবাদিকদের দেখেই পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ডেকে আনা হলে তিনি উপস্থিত হন এবং পুরো ঘটনাটি অস্বীকার করেন। যদিও তাঁর সামনেই আব্দুর রহমান স্পষ্টভাবে বলেন, এই স্যার আমাদের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নিয়েছেন।”
এই কর্মচারী মিজানের বিরুদ্ধে এর আগেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। ২০২৩ সালের ২৩ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যান চুরির ঘটনায় তাঁর সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়েছিল বলে জানা যায়।এবং অগ্নিনির্বাপক ফায়ার বোতলে রাসায়নিক দ্রব্য না বুঝে পেয়ে প্রত্যয়ণ প্রদানের নিমিত্তে ঠিকাদারের নিকট থেকে অর্থ গ্রহণ করে এই কর্মচারী।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে কাশবন বিক্রিকে ঘিরে নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ। প্রশাসনের নিলাম বিজ্ঞপ্তির আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ের এসেস্ট শাখার এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে গোপনে কাশবন বিক্রি ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, গত ৬ নভেম্বর (বুধবার) বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমানকে কাশবন কাটার প্রস্তাব দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এসেস্ট শাখা। তিনি ও তাঁর বাবা বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে, সংশ্লিষ্টন শাখা তাঁদের জানান ২০ হাজার টাকা দিলে কাজটি পাইয়ে দেবেন অথবা তাঁরাই কাশবন কেটে নিয়ে যাবেন।
ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে এসেস্ট শাখার কর্মচারী মিজান ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন,তোমরা এই কাশবন কাটতে পারবা না। যদি কাজ করতে চাও আগে ৫ হাজার টাকা দাও বাকি ১৫ হাজার টাকা কাশবন কাটা শেষে দিতে হবে।
পরে বাধ্য হয়ে আব্দুর রহমানের বাবা অগ্রিম ৫ হাজার টাকা দেন। একই সঙ্গে মিজান তাঁদের দেখিয়ে দেন, কোন অংশ থেকে কাশবন কাটতে হবে।
এরপরের দিন বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সকালে আব্দুর রহমান কাশবন কাটতে গেলে এক শিক্ষার্থীর চোখে পড়ে বিষয়টি। শিক্ষার্থী তাঁকে জিজ্ঞেস করলে আব্দুর রহমান জানান, তাঁরা ২০ হাজার টাকায় তিন তলার স্যারের কাছ থেকে কাশবন কিনেছেন।পরে ওই শিক্ষার্থী বিষয়টি যাচাই করতে তাঁকে সঙ্গে নিয়ে যান এসেট শাখায়, যেখানে আব্দুর রহমান স্পষ্ট করে বলেন টাকা নিয়েছেন শাখার কর্মচারী মিজান।
পরিস্থিতি জানাজানি হলে এসেট শাখার দায়িত্বে সাইদুর জামান বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোলা রোডের একটি চায়ের দোকানে বসে আব্দুর রহমানের কাছে টাকা ফেরত দেন।
এ বিষয়ে আব্দুর রহমান বলেন,বুধবার তিন তলার স্যার মিজান আমার বাবাকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ৫ হাজার টাকা নিয়েছেন। কাশবন কাটা শেষ হলে বাকি ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে বলেছিলেন। কিন্তু এখন আমরা কাশবন কাটতে পারছি না, প্রশাসন বলছে নিলাম হবে। তিনি আরও বলেন আমাদের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নিসে যার মৌখিক অভিযোগ ভিসির কাছে দিয়েছি।
এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয় ১১ নভেম্বর কাশবন বিক্রির জন্য নিলামের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে সাংবাদিকরা আব্দুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে এসেস্ট শাখায় গেলে অভিযুক্ত কর্মচারী মিজান প্রথমে সাংবাদিকদের দেখেই পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ডেকে আনা হলে তিনি উপস্থিত হন এবং পুরো ঘটনাটি অস্বীকার করেন। যদিও তাঁর সামনেই আব্দুর রহমান স্পষ্টভাবে বলেন, এই স্যার আমাদের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নিয়েছেন।”
এই কর্মচারী মিজানের বিরুদ্ধে এর আগেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। ২০২৩ সালের ২৩ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যান চুরির ঘটনায় তাঁর সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়েছিল বলে জানা যায়।এবং অগ্নিনির্বাপক ফায়ার বোতলে রাসায়নিক দ্রব্য না বুঝে পেয়ে প্রত্যয়ণ প্রদানের নিমিত্তে ঠিকাদারের নিকট থেকে অর্থ গ্রহণ করে এই কর্মচারী।

২৫ মে, ২০২৬ ১৮:১৬
বরিশালের সাগরদী এলাকায় ডিম বিক্রির আড়ালে ফেনসিডিল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত চার মাদক কারবারি গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮। গতকাল রোববার রাতে নগরীর সাগরদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— সিদ্দিকুর রহমান জুয়েল, বিশ্বজিৎ কুমার দাস, জাহিদুল ইসলাম ও লাল্টু মিয়া। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৮ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সিদ্দিকুর রহমানের বাড়ির চৌকির নিচ থেকে ৩১২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইকও জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা আলামতসহ তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশালের সাগরদী এলাকায় ডিম বিক্রির আড়ালে ফেনসিডিল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত চার মাদক কারবারি গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮। গতকাল রোববার রাতে নগরীর সাগরদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— সিদ্দিকুর রহমান জুয়েল, বিশ্বজিৎ কুমার দাস, জাহিদুল ইসলাম ও লাল্টু মিয়া। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৮ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সিদ্দিকুর রহমানের বাড়ির চৌকির নিচ থেকে ৩১২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইকও জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা আলামতসহ তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

২৫ মে, ২০২৬ ১৪:০০
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাতলা গ্রামে মাদকাসক্ত এক যুবকের বিরুদ্ধে পারিবারিক বসতঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে দক্ষিণ সাতলা গ্রামের মরহুম আব্দুল জলিল হাওলাদারের ছোট ছেলে মো. তামিম হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। পরিবারের দাবি, তাকে একাধিকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল।
অভিযোগ রয়েছে, তামিম প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের কাছে টাকা দাবি করতেন। টাকা না দিলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতেন বলেও অভিযোগ পরিবারের। শনিবার সকালে তিনি মায়ের কাছে টাকা চান এবং এক বোনকে ফোন করে টাকা না দিলে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় তামিমের মা বাড়ির পাশের ঘাটলায় ছিলেন। এ সময় হঠাৎ বসতঘরে আগুন দেখতে পান তিনি। বাড়ির অবস্থান ও প্রবেশের সীমাবদ্ধতার কারণে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এলেও ঘরের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, ধান, চাল ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র আগুনে পুড়ে যায়।
পরিবারের দাবি, এ ঘটনায় তাদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং তারা এখন প্রায় নিঃস্ব অবস্থায় রয়েছেন। এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিকুল ইসলাম জানান, নিজ বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। স্থানীয় জনতার সহায়তায় রবিবার রাত প্রায় ১১টার দিকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাতলা গ্রামে মাদকাসক্ত এক যুবকের বিরুদ্ধে পারিবারিক বসতঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে দক্ষিণ সাতলা গ্রামের মরহুম আব্দুল জলিল হাওলাদারের ছোট ছেলে মো. তামিম হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। পরিবারের দাবি, তাকে একাধিকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল।
অভিযোগ রয়েছে, তামিম প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের কাছে টাকা দাবি করতেন। টাকা না দিলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতেন বলেও অভিযোগ পরিবারের। শনিবার সকালে তিনি মায়ের কাছে টাকা চান এবং এক বোনকে ফোন করে টাকা না দিলে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় তামিমের মা বাড়ির পাশের ঘাটলায় ছিলেন। এ সময় হঠাৎ বসতঘরে আগুন দেখতে পান তিনি। বাড়ির অবস্থান ও প্রবেশের সীমাবদ্ধতার কারণে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এলেও ঘরের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, ধান, চাল ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র আগুনে পুড়ে যায়।
পরিবারের দাবি, এ ঘটনায় তাদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং তারা এখন প্রায় নিঃস্ব অবস্থায় রয়েছেন। এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিকুল ইসলাম জানান, নিজ বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। স্থানীয় জনতার সহায়তায় রবিবার রাত প্রায় ১১টার দিকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

২৫ মে, ২০২৬ ১৩:৪৬
হাম উপসর্গে বরিশালে থামছেই না মৃত্যুর মিছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল (শেবাচিম) কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে আরও দুই শিশুর।
এ নিয়ে বিভাগে মৃতের সংখ্যা পৌছেছে ৪৩ জনে। যার মধ্যে শেবাচিম হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ৩১ জনের। সোমবার (২৫ মে) সকালে হাসপাতাল পরিচালকের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মৃত শিশুরা হলেন- বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উত্তরদাতপুর গ্রামের আল আমিনের ছেলে আলী আকবর (৫ মাস) ও ভোলার দৌতলখানের মধ্যজয়নগ বাংলাবাজারের ফয়জুদ্দিনের ছেলে আব্দুল আহাদ (৬ মাস)।
রোববার ও সোমবার সকালে ওই দুই শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীনবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। রোববার (২২ মে) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৩৪ জন।
একই সময় হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪১ জন। বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ১৫৭ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অদ্যাবদি হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিয়েছেন ২৫৬১ জন রোগী।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশপাশি বরিশাল জেনারেল হাসপাতালেও এই রোগের উপসর্গ নিয়ে রোগী ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে। বেড সংকটে হাসপাতালের মেঝে বারান্দায় চিকিৎসা নিতে দেখা গিয়েছে অনেককে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২২ জন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্যমতে জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ৬৬৫৩ জন ভর্তি হয়েছিলেন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মোহাম্মদ লোকমান হাকিম জানান, 'সরকারি হাসপাতালগুলো হাম রোগীদের চিকিৎসায় যথেষ্ট আন্তরিক। চিকিৎসকরাও কোনো ঘাটতি রাখছে না।' হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের অধিকাংশই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত।
হাম উপসর্গে বরিশালে থামছেই না মৃত্যুর মিছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল (শেবাচিম) কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে আরও দুই শিশুর।
এ নিয়ে বিভাগে মৃতের সংখ্যা পৌছেছে ৪৩ জনে। যার মধ্যে শেবাচিম হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ৩১ জনের। সোমবার (২৫ মে) সকালে হাসপাতাল পরিচালকের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মৃত শিশুরা হলেন- বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উত্তরদাতপুর গ্রামের আল আমিনের ছেলে আলী আকবর (৫ মাস) ও ভোলার দৌতলখানের মধ্যজয়নগ বাংলাবাজারের ফয়জুদ্দিনের ছেলে আব্দুল আহাদ (৬ মাস)।
রোববার ও সোমবার সকালে ওই দুই শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীনবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। রোববার (২২ মে) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৩৪ জন।
একই সময় হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪১ জন। বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ১৫৭ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অদ্যাবদি হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিয়েছেন ২৫৬১ জন রোগী।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশপাশি বরিশাল জেনারেল হাসপাতালেও এই রোগের উপসর্গ নিয়ে রোগী ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে। বেড সংকটে হাসপাতালের মেঝে বারান্দায় চিকিৎসা নিতে দেখা গিয়েছে অনেককে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২২ জন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্যমতে জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ৬৬৫৩ জন ভর্তি হয়েছিলেন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মোহাম্মদ লোকমান হাকিম জানান, 'সরকারি হাসপাতালগুলো হাম রোগীদের চিকিৎসায় যথেষ্ট আন্তরিক। চিকিৎসকরাও কোনো ঘাটতি রাখছে না।' হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের অধিকাংশই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত।