Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১১ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:৪০
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে কাশবন বিক্রিকে ঘিরে নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ। প্রশাসনের নিলাম বিজ্ঞপ্তির আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ের এসেস্ট শাখার এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে গোপনে কাশবন বিক্রি ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, গত ৬ নভেম্বর (বুধবার) বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমানকে কাশবন কাটার প্রস্তাব দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এসেস্ট শাখা। তিনি ও তাঁর বাবা বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে, সংশ্লিষ্টন শাখা তাঁদের জানান ২০ হাজার টাকা দিলে কাজটি পাইয়ে দেবেন অথবা তাঁরাই কাশবন কেটে নিয়ে যাবেন।
ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে এসেস্ট শাখার কর্মচারী মিজান ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন,তোমরা এই কাশবন কাটতে পারবা না। যদি কাজ করতে চাও আগে ৫ হাজার টাকা দাও বাকি ১৫ হাজার টাকা কাশবন কাটা শেষে দিতে হবে।
পরে বাধ্য হয়ে আব্দুর রহমানের বাবা অগ্রিম ৫ হাজার টাকা দেন। একই সঙ্গে মিজান তাঁদের দেখিয়ে দেন, কোন অংশ থেকে কাশবন কাটতে হবে।
এরপরের দিন বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সকালে আব্দুর রহমান কাশবন কাটতে গেলে এক শিক্ষার্থীর চোখে পড়ে বিষয়টি। শিক্ষার্থী তাঁকে জিজ্ঞেস করলে আব্দুর রহমান জানান, তাঁরা ২০ হাজার টাকায় তিন তলার স্যারের কাছ থেকে কাশবন কিনেছেন।পরে ওই শিক্ষার্থী বিষয়টি যাচাই করতে তাঁকে সঙ্গে নিয়ে যান এসেট শাখায়, যেখানে আব্দুর রহমান স্পষ্ট করে বলেন টাকা নিয়েছেন শাখার কর্মচারী মিজান।
পরিস্থিতি জানাজানি হলে এসেট শাখার দায়িত্বে সাইদুর জামান বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোলা রোডের একটি চায়ের দোকানে বসে আব্দুর রহমানের কাছে টাকা ফেরত দেন।
এ বিষয়ে আব্দুর রহমান বলেন,বুধবার তিন তলার স্যার মিজান আমার বাবাকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ৫ হাজার টাকা নিয়েছেন। কাশবন কাটা শেষ হলে বাকি ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে বলেছিলেন। কিন্তু এখন আমরা কাশবন কাটতে পারছি না, প্রশাসন বলছে নিলাম হবে। তিনি আরও বলেন আমাদের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নিসে যার মৌখিক অভিযোগ ভিসির কাছে দিয়েছি।
এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয় ১১ নভেম্বর কাশবন বিক্রির জন্য নিলামের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে সাংবাদিকরা আব্দুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে এসেস্ট শাখায় গেলে অভিযুক্ত কর্মচারী মিজান প্রথমে সাংবাদিকদের দেখেই পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ডেকে আনা হলে তিনি উপস্থিত হন এবং পুরো ঘটনাটি অস্বীকার করেন। যদিও তাঁর সামনেই আব্দুর রহমান স্পষ্টভাবে বলেন, এই স্যার আমাদের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নিয়েছেন।”
এই কর্মচারী মিজানের বিরুদ্ধে এর আগেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। ২০২৩ সালের ২৩ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যান চুরির ঘটনায় তাঁর সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়েছিল বলে জানা যায়।এবং অগ্নিনির্বাপক ফায়ার বোতলে রাসায়নিক দ্রব্য না বুঝে পেয়ে প্রত্যয়ণ প্রদানের নিমিত্তে ঠিকাদারের নিকট থেকে অর্থ গ্রহণ করে এই কর্মচারী।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে কাশবন বিক্রিকে ঘিরে নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ। প্রশাসনের নিলাম বিজ্ঞপ্তির আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ের এসেস্ট শাখার এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে গোপনে কাশবন বিক্রি ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, গত ৬ নভেম্বর (বুধবার) বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমানকে কাশবন কাটার প্রস্তাব দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এসেস্ট শাখা। তিনি ও তাঁর বাবা বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে, সংশ্লিষ্টন শাখা তাঁদের জানান ২০ হাজার টাকা দিলে কাজটি পাইয়ে দেবেন অথবা তাঁরাই কাশবন কেটে নিয়ে যাবেন।
ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে এসেস্ট শাখার কর্মচারী মিজান ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন,তোমরা এই কাশবন কাটতে পারবা না। যদি কাজ করতে চাও আগে ৫ হাজার টাকা দাও বাকি ১৫ হাজার টাকা কাশবন কাটা শেষে দিতে হবে।
পরে বাধ্য হয়ে আব্দুর রহমানের বাবা অগ্রিম ৫ হাজার টাকা দেন। একই সঙ্গে মিজান তাঁদের দেখিয়ে দেন, কোন অংশ থেকে কাশবন কাটতে হবে।
এরপরের দিন বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সকালে আব্দুর রহমান কাশবন কাটতে গেলে এক শিক্ষার্থীর চোখে পড়ে বিষয়টি। শিক্ষার্থী তাঁকে জিজ্ঞেস করলে আব্দুর রহমান জানান, তাঁরা ২০ হাজার টাকায় তিন তলার স্যারের কাছ থেকে কাশবন কিনেছেন।পরে ওই শিক্ষার্থী বিষয়টি যাচাই করতে তাঁকে সঙ্গে নিয়ে যান এসেট শাখায়, যেখানে আব্দুর রহমান স্পষ্ট করে বলেন টাকা নিয়েছেন শাখার কর্মচারী মিজান।
পরিস্থিতি জানাজানি হলে এসেট শাখার দায়িত্বে সাইদুর জামান বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোলা রোডের একটি চায়ের দোকানে বসে আব্দুর রহমানের কাছে টাকা ফেরত দেন।
এ বিষয়ে আব্দুর রহমান বলেন,বুধবার তিন তলার স্যার মিজান আমার বাবাকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ৫ হাজার টাকা নিয়েছেন। কাশবন কাটা শেষ হলে বাকি ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে বলেছিলেন। কিন্তু এখন আমরা কাশবন কাটতে পারছি না, প্রশাসন বলছে নিলাম হবে। তিনি আরও বলেন আমাদের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নিসে যার মৌখিক অভিযোগ ভিসির কাছে দিয়েছি।
এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয় ১১ নভেম্বর কাশবন বিক্রির জন্য নিলামের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে সাংবাদিকরা আব্দুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে এসেস্ট শাখায় গেলে অভিযুক্ত কর্মচারী মিজান প্রথমে সাংবাদিকদের দেখেই পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ডেকে আনা হলে তিনি উপস্থিত হন এবং পুরো ঘটনাটি অস্বীকার করেন। যদিও তাঁর সামনেই আব্দুর রহমান স্পষ্টভাবে বলেন, এই স্যার আমাদের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নিয়েছেন।”
এই কর্মচারী মিজানের বিরুদ্ধে এর আগেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। ২০২৩ সালের ২৩ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যান চুরির ঘটনায় তাঁর সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়েছিল বলে জানা যায়।এবং অগ্নিনির্বাপক ফায়ার বোতলে রাসায়নিক দ্রব্য না বুঝে পেয়ে প্রত্যয়ণ প্রদানের নিমিত্তে ঠিকাদারের নিকট থেকে অর্থ গ্রহণ করে এই কর্মচারী।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২১
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ঘটনার পর ওই পরীক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন কর্মকর্তাকে মারধর করে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
শুক্রবার দুপুরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান বরিশাল মহানগর পুলিশের বন্দর থানার ওসি ইসমাইল হোসেন। আটক পরীক্ষার্থীর নাম আহনাফ আহমেদ। ভর্তি পরীক্ষায় তার রোল নম্বর ১৯৯৮৬০।
আহতরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের সিকিউরিটি শাখার কর্মচারী মো. মনিরুজ্জামান, রাসেল হোসেন এবং উজ্জ্বল। তারা শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
আহত মনিরুজ্জামান বলেন, “বহিষ্কারের পর এক পরীক্ষার্থী স্টাফ ও অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের মারধর শুরু করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে সে আমাকে মারধর করে। এতে আমার নাক, মুখ ও কান রক্তাক্ত হয়।
পরে আশপাশের লোকজন এসে তাকে আটক করে।” বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রধান ফোকাল পয়েন্ট সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, “মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষা দেওয়ায় একজনকে বহিষ্কার করা হয়।
পরে ওই পরীক্ষার্থী আমাদের তিনজন স্টাফকে মারধর করে আহত করে। তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রাহাত হোসাইন ফয়সাল বলেন, “পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেন কক্ষ পরিদর্শক। বহিষ্কারের পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে নেওয়ার সময় নিরাপত্তা শাখার তিনজনকে মারধর করেন তিনি। আহতরা হাসপাতালে ভর্তি আছেন।”
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষায় আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করা পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে গেছে বলে জানান তিনি। ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক শিক্ষার্থীকে হস্তান্তর করেছে। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৭
বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার ১০ এপ্রিল সকাল ৯ টায় মহাসড়কের বদরপুর নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেলটি বাকেরগঞ্জ থেকে পটুয়াখালীর দিকে যাচ্ছিল। মোটরসাইকেলটি পটুয়াখালীর বদরপুর নামক স্থানে পৌঁছালে পথিমধ্যে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালক গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মোটরসাইকেল চালক মারুফ (২৩) গারুড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ভান্ডারীকাঠি গ্রামের রফিকুল ইসলাম হাওলাদারের পুত্র। মারুফ গারুড়িয়া ইউনিয়নের কান্তা হাসান বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
পুলিশ জানায়, নিহত মারুফের মরা দেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি জব্দ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা মহাসড়কে বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৬
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় স্বামীর রহস্যজনক মৃত্যুর সঠিক তদন্ত ও প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক মাদ্রাসা শিক্ষিকা ও তার সন্তানরা।
১০ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১০টায় উপজেলার ডাকবাংলা এলাকায় নিজ ভাইয়ের বাসায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন বড়কোঠা ইউনিয়নের গাববাড়ি গ্রামের বাসিন্দা মাদ্রাসা শিক্ষিকা সারমিন আক্তার নিপা। এ সময় তার দুই পুত্রও উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সারমিন আক্তার নিপা অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী মোহাম্মদ শাজাহান হাওলাদার সুমন (৪৪) গত ৬ এপ্রিল সোমবার ঢাকার উত্তরখান এলাকায় নিজ বাসায় রহস্যজনকভাবে মারা যান।
ঘটনার দিন সকাল ১১টার দিকে তিনি ছোট ছেলে হামীম হোসাইন সানমুনকে নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শেষে বাসায় ফিরে দেখেন ঘরের দরজা খোলা। ভেতরে ঢুকে স্বামীকে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে কাছে গিয়ে দেখেন তিনি অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। কপালে হাত দিলে ঠান্ডা অনুভূত হয়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করা হলেও স্থানীয়রা তাতে রাজি হননি এবং দ্রুত গোসল ও জানাজার ব্যবস্থা করেন। বিষয়টি তিনি শাশুড়িকে জানালে তারা মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসার কথা বলেন। পরে মরদেহ বাড়িতে আনার পর শাশুড়ি ও ননদের পক্ষ থেকে তার ও সন্তানদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং মৃত্যুকে ঘিরে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়।
সারমিন বলেন, তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে পুলিশি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও দাবি করেন, তার স্বামী দীর্ঘদিন মাদকাসক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ নিয়ে পারিবারিক বিরোধও ছিল। তার অভিযোগ, তার অনুপস্থিতির সুযোগে স্বামীর মাদকসেবী বন্ধুদের কেউ এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে।
তিনি স্বামীর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানান।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ঘটনার পর ওই পরীক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন কর্মকর্তাকে মারধর করে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
শুক্রবার দুপুরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান বরিশাল মহানগর পুলিশের বন্দর থানার ওসি ইসমাইল হোসেন। আটক পরীক্ষার্থীর নাম আহনাফ আহমেদ। ভর্তি পরীক্ষায় তার রোল নম্বর ১৯৯৮৬০।
আহতরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের সিকিউরিটি শাখার কর্মচারী মো. মনিরুজ্জামান, রাসেল হোসেন এবং উজ্জ্বল। তারা শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
আহত মনিরুজ্জামান বলেন, “বহিষ্কারের পর এক পরীক্ষার্থী স্টাফ ও অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের মারধর শুরু করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে সে আমাকে মারধর করে। এতে আমার নাক, মুখ ও কান রক্তাক্ত হয়।
পরে আশপাশের লোকজন এসে তাকে আটক করে।” বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রধান ফোকাল পয়েন্ট সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, “মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষা দেওয়ায় একজনকে বহিষ্কার করা হয়।
পরে ওই পরীক্ষার্থী আমাদের তিনজন স্টাফকে মারধর করে আহত করে। তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রাহাত হোসাইন ফয়সাল বলেন, “পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেন কক্ষ পরিদর্শক। বহিষ্কারের পর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে নেওয়ার সময় নিরাপত্তা শাখার তিনজনকে মারধর করেন তিনি। আহতরা হাসপাতালে ভর্তি আছেন।”
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষায় আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করা পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে গেছে বলে জানান তিনি। ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক শিক্ষার্থীকে হস্তান্তর করেছে। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার ১০ এপ্রিল সকাল ৯ টায় মহাসড়কের বদরপুর নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেলটি বাকেরগঞ্জ থেকে পটুয়াখালীর দিকে যাচ্ছিল। মোটরসাইকেলটি পটুয়াখালীর বদরপুর নামক স্থানে পৌঁছালে পথিমধ্যে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালক গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মোটরসাইকেল চালক মারুফ (২৩) গারুড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ভান্ডারীকাঠি গ্রামের রফিকুল ইসলাম হাওলাদারের পুত্র। মারুফ গারুড়িয়া ইউনিয়নের কান্তা হাসান বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
পুলিশ জানায়, নিহত মারুফের মরা দেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি জব্দ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা মহাসড়কে বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় স্বামীর রহস্যজনক মৃত্যুর সঠিক তদন্ত ও প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক মাদ্রাসা শিক্ষিকা ও তার সন্তানরা।
১০ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১০টায় উপজেলার ডাকবাংলা এলাকায় নিজ ভাইয়ের বাসায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন বড়কোঠা ইউনিয়নের গাববাড়ি গ্রামের বাসিন্দা মাদ্রাসা শিক্ষিকা সারমিন আক্তার নিপা। এ সময় তার দুই পুত্রও উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সারমিন আক্তার নিপা অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী মোহাম্মদ শাজাহান হাওলাদার সুমন (৪৪) গত ৬ এপ্রিল সোমবার ঢাকার উত্তরখান এলাকায় নিজ বাসায় রহস্যজনকভাবে মারা যান।
ঘটনার দিন সকাল ১১টার দিকে তিনি ছোট ছেলে হামীম হোসাইন সানমুনকে নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শেষে বাসায় ফিরে দেখেন ঘরের দরজা খোলা। ভেতরে ঢুকে স্বামীকে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে কাছে গিয়ে দেখেন তিনি অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। কপালে হাত দিলে ঠান্ডা অনুভূত হয়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করা হলেও স্থানীয়রা তাতে রাজি হননি এবং দ্রুত গোসল ও জানাজার ব্যবস্থা করেন। বিষয়টি তিনি শাশুড়িকে জানালে তারা মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসার কথা বলেন। পরে মরদেহ বাড়িতে আনার পর শাশুড়ি ও ননদের পক্ষ থেকে তার ও সন্তানদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং মৃত্যুকে ঘিরে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়।
সারমিন বলেন, তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে পুলিশি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও দাবি করেন, তার স্বামী দীর্ঘদিন মাদকাসক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ নিয়ে পারিবারিক বিরোধও ছিল। তার অভিযোগ, তার অনুপস্থিতির সুযোগে স্বামীর মাদকসেবী বন্ধুদের কেউ এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে।
তিনি স্বামীর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানান।
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২১
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫৩
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৭
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৬