
০১ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:৪৪
বাংলাদেশ পুলিশের একাডেমি সারদা থেকে রহস্যজনকভাবে পলাতক ডিআইজি এহসান উল্যাহ সাবেক কর্মস্থল বরিশালেও বহুমুখী অপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন। বরিশাল জেলার সাবেক পুলিশ সুপার এহসানের নির্দেশে ২০১৫ সালে আগৈলঝাড়া ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক কবির হোসেন রনিকে ক্রোসফায়ার দেওয়া হয়। সেই কিলিং পরিকল্পনায় বরিশাল-১ আসনের সাবেক এমপি ও শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহসহ রাজনৈতিক ও পুলিশ প্রশাসনের আরও বেশ কজন কর্মকর্তা সম্পৃক্ত ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণআন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ছাত্রদল নেতা রনি খুনের ঘটনায় তার ছেলে আশিকুর রহমান আসিফ (২০) বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।
সূত্রে জানা গেছে, এই মামলাটিতে বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর পাশাপাশি বরিশাল রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি মো. হুমায়ন কবির, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি আকরাম হোসেন, বরিশাল জেলার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) মো. এহসান উল্যাহ, সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর মল্লিক এবং আগৈলঝাড়া থানার সাবেক ওসি মনিরুল ইসলামসহ স্থানীয় অর্ধশত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে অভিযুক্ত করা হয়। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে গত বছরের ৮ অক্টোবর বরিশালের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে মামলাটি করা হলে বিচারক তা আগৈলঝাড়া থানা পুলিশকে রুজু করার নির্দেশ দেন। কিন্তু এরপরে বছরখানেক সময় অতিবাহিত হলেও এই মামলায় অভিযুক্ত কোনো পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
এখন খবর পাওয়া যাচ্ছে, বরিশালের আলোচিত এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার এহসান উল্যাহ খোদ বাংলাদেশ পুলিশের একাডেমি সারদা থেকে পালিয়ে গেছেন। বহু অঘটন পটিয়াসী এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে ক্রোসফায়ার ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে।
সূত্রের খবর হচ্ছে, বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার, বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে সাপ্লাই বিভাগের দায়িত্বে থাকা ডিআইজি এহসান উল্যাহকে আটক করতে বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে পুলিশ একাডেমিতে অভিযান চালানো হয়। কিন্তু সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি, এমনকি তিনি কোথায় আছেন তাও নিশ্চিত বলতে পারছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সরকার।
পুলিশ কর্মকর্তা এহসান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ডেরার মধ্যে থেকে পালিয়ে যাওয়ায় বেশ উদ্বিগ্ন নিহত ছাত্রদল নেতা রনির পরিবার। খুনির এই অন্তর্ধান নিয়ে ছাত্রদল নেতার পরিবার ক্ষোভ প্রকাশ করাসহ শিগগিরই তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবি রেখেছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্ররোচনায় পুলিশ কর্মকর্তারা ২০১৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্রদল নেতা রনিকে রাজধানী ঢাকার নবীনগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে ওই ছাত্রদল নেতাকে আটকে রেখে ব্যাপক নির্যাতন করা হয়। এবং একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি রাত আড়াইটায় আগৈলঝাড়া উপজেলার বাইপাস ব্রিজের পশ্চিম পাশে রাস্তায় রনিকে গুলি করে হত্যা করে। পরে সব আসামিরা বিষয়টি একযোগে ক্রোসফায়ার ও এনকাউন্টার বলে প্রচারণা করেন।
রনির ছেলে সিয়াম রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তার বাবা বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার কারণে তাকে খুন করা হয়েছে। তৎসময়ে আসামিদের ভয়ে মামলা করতে পর্যন্ত সাহস পাননি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে আদালতে মামলা করে বিচার চেয়েছেন। সেই মামলার অভিযুক্ত বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার পালিয়ে গেছেন, এমন খবর খুবই হতাশাজনক এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য লজ্জারও বটে।
পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এহসান উল্যাহ জেলার এসপি থাকাকালীন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নেতাদের ইশারায় নিরাপরাধ ছাত্রদল নেতা রনিকে খুন করাসহ বিরোধী মতকে দমনে দৈবশক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছেন। এবং নিজেকে আওয়ামী লীগপন্থী পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে নিয়োগ বাণিজ্যসহ নানামুখী গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়লেও কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস দেখাননি। বরং তৎকালীন রেঞ্জ ডিআইজি হুমায়ন কবির তার এই অনৈতিক কাজসমূহকে প্রশ্রয় দিয়ে গেছেন।
সূত্রটি জানায়, এর কয়েক বছর পরে এহসান উল্যাহ বরিশাল রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হয়ে এসে বদলি বাণিজ্যসহ পূর্বের ন্যায় অনুরূপ অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। এবং তৎকালীন সরকারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রাম রোহিত করতে তাকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাদৃশ্য ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে দেখা যায়।
বরিশালে আলোচিত ছাত্রদল নেতা খুনের মামলার আসামি এই পুলিশ কর্মকর্তা সন্তপর্ণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা গন্ডির মধ্যে থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটিতে অভিজ্ঞমহল বিস্ময়প্রকাশ করেছেন। এবং এজাহারভুক্ত মামলার আসামি এহসান উল্যাকে গ্রেপ্তারে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ এতদিন কোনো উদ্যোগ নিল না তা নিয়েও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
আলোচিত মামলার আসামিকে এক বছরেও কোনো গ্রেপ্তার করা গেলো না জানতে চাইলে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, বাদী মামলাটি পরিচালানা করতে চাননি। এবং বিষয়টি নির্বাহী আদেশে তদন্ত করা শেষে একটি রিপোর্ট আদালতে আদালতে জমা দেওয়া হয়। এখানে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের গাফলতি করেছে এমনটি বলার সুযোগ নেই, মন্তব্য করেন ওসি।
এহসান উল্যার পলায়নের বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গত বুধবার থেকে তিনি একাডেমিতে অনুপস্থিত রয়েছেন। ঢাকা থেকে ২৯ অক্টোবর একটি টিম তাকে আটক করতে এসেছিল। কিন্তু তাকে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন এই পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।’
বাংলাদেশ পুলিশের একাডেমি সারদা থেকে রহস্যজনকভাবে পলাতক ডিআইজি এহসান উল্যাহ সাবেক কর্মস্থল বরিশালেও বহুমুখী অপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন। বরিশাল জেলার সাবেক পুলিশ সুপার এহসানের নির্দেশে ২০১৫ সালে আগৈলঝাড়া ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক কবির হোসেন রনিকে ক্রোসফায়ার দেওয়া হয়। সেই কিলিং পরিকল্পনায় বরিশাল-১ আসনের সাবেক এমপি ও শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহসহ রাজনৈতিক ও পুলিশ প্রশাসনের আরও বেশ কজন কর্মকর্তা সম্পৃক্ত ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণআন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ছাত্রদল নেতা রনি খুনের ঘটনায় তার ছেলে আশিকুর রহমান আসিফ (২০) বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।
সূত্রে জানা গেছে, এই মামলাটিতে বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর পাশাপাশি বরিশাল রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি মো. হুমায়ন কবির, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি আকরাম হোসেন, বরিশাল জেলার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) মো. এহসান উল্যাহ, সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর মল্লিক এবং আগৈলঝাড়া থানার সাবেক ওসি মনিরুল ইসলামসহ স্থানীয় অর্ধশত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে অভিযুক্ত করা হয়। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে গত বছরের ৮ অক্টোবর বরিশালের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে মামলাটি করা হলে বিচারক তা আগৈলঝাড়া থানা পুলিশকে রুজু করার নির্দেশ দেন। কিন্তু এরপরে বছরখানেক সময় অতিবাহিত হলেও এই মামলায় অভিযুক্ত কোনো পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
এখন খবর পাওয়া যাচ্ছে, বরিশালের আলোচিত এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার এহসান উল্যাহ খোদ বাংলাদেশ পুলিশের একাডেমি সারদা থেকে পালিয়ে গেছেন। বহু অঘটন পটিয়াসী এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে ক্রোসফায়ার ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে।
সূত্রের খবর হচ্ছে, বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার, বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে সাপ্লাই বিভাগের দায়িত্বে থাকা ডিআইজি এহসান উল্যাহকে আটক করতে বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে পুলিশ একাডেমিতে অভিযান চালানো হয়। কিন্তু সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি, এমনকি তিনি কোথায় আছেন তাও নিশ্চিত বলতে পারছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সরকার।
পুলিশ কর্মকর্তা এহসান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ডেরার মধ্যে থেকে পালিয়ে যাওয়ায় বেশ উদ্বিগ্ন নিহত ছাত্রদল নেতা রনির পরিবার। খুনির এই অন্তর্ধান নিয়ে ছাত্রদল নেতার পরিবার ক্ষোভ প্রকাশ করাসহ শিগগিরই তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবি রেখেছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্ররোচনায় পুলিশ কর্মকর্তারা ২০১৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্রদল নেতা রনিকে রাজধানী ঢাকার নবীনগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে ওই ছাত্রদল নেতাকে আটকে রেখে ব্যাপক নির্যাতন করা হয়। এবং একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি রাত আড়াইটায় আগৈলঝাড়া উপজেলার বাইপাস ব্রিজের পশ্চিম পাশে রাস্তায় রনিকে গুলি করে হত্যা করে। পরে সব আসামিরা বিষয়টি একযোগে ক্রোসফায়ার ও এনকাউন্টার বলে প্রচারণা করেন।
রনির ছেলে সিয়াম রূপালী বাংলাদেশকে জানান, তার বাবা বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার কারণে তাকে খুন করা হয়েছে। তৎসময়ে আসামিদের ভয়ে মামলা করতে পর্যন্ত সাহস পাননি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে আদালতে মামলা করে বিচার চেয়েছেন। সেই মামলার অভিযুক্ত বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার পালিয়ে গেছেন, এমন খবর খুবই হতাশাজনক এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য লজ্জারও বটে।
পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এহসান উল্যাহ জেলার এসপি থাকাকালীন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নেতাদের ইশারায় নিরাপরাধ ছাত্রদল নেতা রনিকে খুন করাসহ বিরোধী মতকে দমনে দৈবশক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছেন। এবং নিজেকে আওয়ামী লীগপন্থী পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে নিয়োগ বাণিজ্যসহ নানামুখী গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়লেও কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস দেখাননি। বরং তৎকালীন রেঞ্জ ডিআইজি হুমায়ন কবির তার এই অনৈতিক কাজসমূহকে প্রশ্রয় দিয়ে গেছেন।
সূত্রটি জানায়, এর কয়েক বছর পরে এহসান উল্যাহ বরিশাল রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হয়ে এসে বদলি বাণিজ্যসহ পূর্বের ন্যায় অনুরূপ অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। এবং তৎকালীন সরকারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রাম রোহিত করতে তাকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাদৃশ্য ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে দেখা যায়।
বরিশালে আলোচিত ছাত্রদল নেতা খুনের মামলার আসামি এই পুলিশ কর্মকর্তা সন্তপর্ণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা গন্ডির মধ্যে থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটিতে অভিজ্ঞমহল বিস্ময়প্রকাশ করেছেন। এবং এজাহারভুক্ত মামলার আসামি এহসান উল্যাকে গ্রেপ্তারে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ এতদিন কোনো উদ্যোগ নিল না তা নিয়েও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
আলোচিত মামলার আসামিকে এক বছরেও কোনো গ্রেপ্তার করা গেলো না জানতে চাইলে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, বাদী মামলাটি পরিচালানা করতে চাননি। এবং বিষয়টি নির্বাহী আদেশে তদন্ত করা শেষে একটি রিপোর্ট আদালতে আদালতে জমা দেওয়া হয়। এখানে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের গাফলতি করেছে এমনটি বলার সুযোগ নেই, মন্তব্য করেন ওসি।
এহসান উল্যার পলায়নের বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গত বুধবার থেকে তিনি একাডেমিতে অনুপস্থিত রয়েছেন। ঢাকা থেকে ২৯ অক্টোবর একটি টিম তাকে আটক করতে এসেছিল। কিন্তু তাকে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন এই পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।’

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.