
১০ মে, ২০২৬ ১৭:৪০
বরগুনার আমতলী ও তালতলী উপজেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের ৩৬ কোটি টাকার চারটি প্রকল্পে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। দরপত্র (টেন্ডার) আহ্বানের পর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বরগুনার নির্বাহী প্রকৌশলীসহ তিন কর্মকর্তা তাঁদের আত্মীয় ও আওয়ামী লীগ নেতার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেন। এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ে এমন অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
তালতলীর বাসিন্দা ওমর আব্দুল্লাহ শাহীন সম্প্রতি এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ে এই অভিযোগ করেছেন। তিনি বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস)। এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন বরিশাল বিভাগীয় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শেখ মোহা. নুরুল ইসলামকে অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, এলজিইডির বরগুনা কার্যালয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান খান, জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রকৌশলী শ্যামল কুমার গাইন ও গ্রামীণ অবকাঠামো প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী রাজিব শাহ তাঁদের নিকটাত্মীয়দের পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে স্বজনপ্রীতি করে কাজ পাইয়ে দিয়েছেন। এসব ঠিকাদার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
ওমর আব্দুল্লাহ শাহীন অভিযোগ করেন, গত মার্চ মাসে আমতলী-তালতলী উপজেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৩৬ কোটি টাকার দরপত্র আহ্বান করে বরগুনা এলজিইডি কার্যালয়। এতে ৭৭টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। গত ২০ এপ্রিল চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে অনিয়ম ও অনৈতিকতার আশ্রয় নিয়ে ওই কাজ পাইয়ে দেন নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান খানসহ তিন প্রকৌশলী।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে ওই তিন কর্মকর্তা তাঁদের আত্মীয়দের দরপত্রের মাধ্যমে কাজ পাইয়ে দেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চারটি হলো নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান খানের নিকটাত্মীয় বরিশাল এমএস লুৎফুল কবির ট্রেডার্স, শেখ সেলিমের ভাগনে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী
লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ আতিকুর রহমান নুরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমএস নুর কনস্ট্রাকশন, সহকারী প্রকৌশলী রাজিব শাহর নিকটাত্মীয় নড়াইল জেলার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লেলিন-দিপ (জয়েন্ট ভেঞ্চার) এসএম লেলিন ট্রেডার্স, জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রকৌশলী শ্যামল গাইনের নিকটাত্মীয় ঝিনাইদহের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিশিত বসু ট্রেডার্স।
ওমর আব্দুল্লাহ শাহীন বলেন, বরগুনা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান খান, জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রকৌশলী শ্যামল কুমার গাইন ও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী রাজিব শাহ ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আমতলী-তালতলীর ৩৬ কোটি টাকার কাজ তাঁদের নিকটাত্মীয় ও আওয়ামী লীগ নেতার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দিয়েছেন। এসব দরপত্রে তাঁরা মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়ে কাজ পাইয়ে দেন। তদন্ত করলেই তাঁদের দুর্নীতির বাস্তব চিত্র বেরিয়ে আসবে
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বরগুনা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান খান বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে কেন অভিযোগ দিয়েছেন, তা যিনি দিয়েছেন, তিনিই বলতে পারবেন। আমি টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম করিনি।’
অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া এলজিইডির বরিশাল বিভাগীয় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী তদন্ত কর্মকর্তা শেখ মোহা. নুরুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযোগ তদন্ত করতে প্রধান কার্যালয় থেকে আমাকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ১৪ মে তদন্তকাজ শুরু করা হবে।’
বরগুনার আমতলী ও তালতলী উপজেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের ৩৬ কোটি টাকার চারটি প্রকল্পে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। দরপত্র (টেন্ডার) আহ্বানের পর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বরগুনার নির্বাহী প্রকৌশলীসহ তিন কর্মকর্তা তাঁদের আত্মীয় ও আওয়ামী লীগ নেতার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেন। এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ে এমন অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
তালতলীর বাসিন্দা ওমর আব্দুল্লাহ শাহীন সম্প্রতি এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ে এই অভিযোগ করেছেন। তিনি বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস)। এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন বরিশাল বিভাগীয় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শেখ মোহা. নুরুল ইসলামকে অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, এলজিইডির বরগুনা কার্যালয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান খান, জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রকৌশলী শ্যামল কুমার গাইন ও গ্রামীণ অবকাঠামো প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী রাজিব শাহ তাঁদের নিকটাত্মীয়দের পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে স্বজনপ্রীতি করে কাজ পাইয়ে দিয়েছেন। এসব ঠিকাদার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
ওমর আব্দুল্লাহ শাহীন অভিযোগ করেন, গত মার্চ মাসে আমতলী-তালতলী উপজেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৩৬ কোটি টাকার দরপত্র আহ্বান করে বরগুনা এলজিইডি কার্যালয়। এতে ৭৭টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। গত ২০ এপ্রিল চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে অনিয়ম ও অনৈতিকতার আশ্রয় নিয়ে ওই কাজ পাইয়ে দেন নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান খানসহ তিন প্রকৌশলী।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে ওই তিন কর্মকর্তা তাঁদের আত্মীয়দের দরপত্রের মাধ্যমে কাজ পাইয়ে দেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চারটি হলো নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান খানের নিকটাত্মীয় বরিশাল এমএস লুৎফুল কবির ট্রেডার্স, শেখ সেলিমের ভাগনে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী
লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ আতিকুর রহমান নুরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমএস নুর কনস্ট্রাকশন, সহকারী প্রকৌশলী রাজিব শাহর নিকটাত্মীয় নড়াইল জেলার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লেলিন-দিপ (জয়েন্ট ভেঞ্চার) এসএম লেলিন ট্রেডার্স, জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রকৌশলী শ্যামল গাইনের নিকটাত্মীয় ঝিনাইদহের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিশিত বসু ট্রেডার্স।
ওমর আব্দুল্লাহ শাহীন বলেন, বরগুনা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান খান, জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রকৌশলী শ্যামল কুমার গাইন ও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী রাজিব শাহ ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আমতলী-তালতলীর ৩৬ কোটি টাকার কাজ তাঁদের নিকটাত্মীয় ও আওয়ামী লীগ নেতার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দিয়েছেন। এসব দরপত্রে তাঁরা মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়ে কাজ পাইয়ে দেন। তদন্ত করলেই তাঁদের দুর্নীতির বাস্তব চিত্র বেরিয়ে আসবে
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বরগুনা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান খান বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে কেন অভিযোগ দিয়েছেন, তা যিনি দিয়েছেন, তিনিই বলতে পারবেন। আমি টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম করিনি।’
অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া এলজিইডির বরিশাল বিভাগীয় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী তদন্ত কর্মকর্তা শেখ মোহা. নুরুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযোগ তদন্ত করতে প্রধান কার্যালয় থেকে আমাকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ১৪ মে তদন্তকাজ শুরু করা হবে।’

০৯ মে, ২০২৬ ১৩:১৪
বরগুনার আকাশে হঠাৎ দেখা মিলেছে অদ্ভুত আলোর ঝলকানি, যা অল্পসময় স্থায়ী হয়। শুক্রবার (০৮ মে) সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ করে পাথরঘাটার আকাশে দেখা মেলে এ অদ্ভুত আলোর। কয়েকবার এই অদ্ভুত আলোর দেখা যায়।
এদিকে এমন আলো দেখা যাওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। মুহূর্তেই সেই আলোর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়।
জহির নামের এক অটোচালক বলেন, আমি গাড়ি চালাচ্ছিলাম হঠাৎ করেই আকাশে এমন অদ্ভুত আলো দেখতে পাই। আসলে এটা কী হতে পারে তা আমি নিজেও জানি না৷
এই অদ্ভুত আলো নিয়ে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লেখেন, এটা কী হতে পারে? ইব্রাহিম নামে একজন লেখেন, পশ্চিম-দক্ষিণ কোণের আকাশে আজ সন্ধ্যায় এটা কী দেখা গেছে?
এই অদ্ভুত আলো নিয়ে পাথরঘাটায় চলছে আলোচনা। অনেকেই এর কারণ খোঁজারও চেষ্টা করছেন। অনেকেই দিচ্ছেন আবার ভিন্ন মতামত।
বরগুনার আকাশে হঠাৎ দেখা মিলেছে অদ্ভুত আলোর ঝলকানি, যা অল্পসময় স্থায়ী হয়। শুক্রবার (০৮ মে) সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ করে পাথরঘাটার আকাশে দেখা মেলে এ অদ্ভুত আলোর। কয়েকবার এই অদ্ভুত আলোর দেখা যায়।
এদিকে এমন আলো দেখা যাওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। মুহূর্তেই সেই আলোর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়।
জহির নামের এক অটোচালক বলেন, আমি গাড়ি চালাচ্ছিলাম হঠাৎ করেই আকাশে এমন অদ্ভুত আলো দেখতে পাই। আসলে এটা কী হতে পারে তা আমি নিজেও জানি না৷
এই অদ্ভুত আলো নিয়ে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লেখেন, এটা কী হতে পারে? ইব্রাহিম নামে একজন লেখেন, পশ্চিম-দক্ষিণ কোণের আকাশে আজ সন্ধ্যায় এটা কী দেখা গেছে?
এই অদ্ভুত আলো নিয়ে পাথরঘাটায় চলছে আলোচনা। অনেকেই এর কারণ খোঁজারও চেষ্টা করছেন। অনেকেই দিচ্ছেন আবার ভিন্ন মতামত।

০৯ মে, ২০২৬ ১২:৫৭
বরগুনার পাথরঘাটায় মালামালবোঝাই একটি টমটম নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে ইলিয়াস হোসেন (৪১) নামে এক দিনমজুর নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় চালকসহ আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে উপজেলার মুন্সিরহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল নেওয়ার পথে বিকেল ৫টার দিকে ইলিয়াস হোসেনের মৃত্যু হয়।
নিহত ইলিয়াস হোসেন উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের কালিবাড়ি এলাকার নুর ইসলামের ছেলে। আহতরা হলেন— চরদুয়ানী ইউনিয়নের হোগলাপাশা এলাকার আল আমিন (৩৮) ও মোশাররফ হোসেন (৩৮)।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে ইট-বালি পরিবহনে ব্যবহৃত একটি টমটম কাঁঠালতলী এলাকার দিকে যাওয়ার সময় মুন্সিরহাট বাজার এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়।
এতে টমটমে থাকা তিনজনই গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তবে বরিশালে নেওয়ার পথে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া এলাকায় পৌঁছালে ইলিয়াস হোসেনের মৃত্যু হয়।
পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক প্রদীপ দত্ত জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাদের আঘাত গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বরগুনার পাথরঘাটায় মালামালবোঝাই একটি টমটম নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে ইলিয়াস হোসেন (৪১) নামে এক দিনমজুর নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় চালকসহ আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে উপজেলার মুন্সিরহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল নেওয়ার পথে বিকেল ৫টার দিকে ইলিয়াস হোসেনের মৃত্যু হয়।
নিহত ইলিয়াস হোসেন উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের কালিবাড়ি এলাকার নুর ইসলামের ছেলে। আহতরা হলেন— চরদুয়ানী ইউনিয়নের হোগলাপাশা এলাকার আল আমিন (৩৮) ও মোশাররফ হোসেন (৩৮)।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে ইট-বালি পরিবহনে ব্যবহৃত একটি টমটম কাঁঠালতলী এলাকার দিকে যাওয়ার সময় মুন্সিরহাট বাজার এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়।
এতে টমটমে থাকা তিনজনই গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তবে বরিশালে নেওয়ার পথে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া এলাকায় পৌঁছালে ইলিয়াস হোসেনের মৃত্যু হয়।
পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক প্রদীপ দত্ত জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাদের আঘাত গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৮
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১ হাজার ২৬০ লিটার বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন, পাথরঘাটা স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পাথরঘাটা উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশন সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে জ্বালানির সংকট তৈরি করে মজুতসহ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথারঘাটার বিভিন্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এ সময় উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালালে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৬০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা।
পরবর্তীতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র ব্যতিত অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটে ও ডিজেল মজুত এবং বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধারকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল বলেন, কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত জ্বালানি উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১ হাজার ২৬০ লিটার বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন, পাথরঘাটা স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পাথরঘাটা উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশন সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে জ্বালানির সংকট তৈরি করে মজুতসহ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথারঘাটার বিভিন্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এ সময় উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালালে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৬০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা।
পরবর্তীতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র ব্যতিত অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটে ও ডিজেল মজুত এবং বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধারকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল বলেন, কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত জ্বালানি উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.