নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদকে সমর্থন জানিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি এই মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ও কৌশলগত কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক বলেন, জোটের সিদ্ধান্ত ও দলের নির্দেশনার প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করতে তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন। নিজের নিষ্ঠা ও দায়বদ্ধতা বজায় রেখে জোটের প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে তিনি সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবেন।
এর আগে, উপজেলা সদরে অনুষ্ঠিত ১০ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলনে হান্নান মাসউদকে জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাস্টার বোরহানুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন জামায়াত মনোনীত হাতিয়া পৌরসভা মেয়র প্রার্থী শাব্বির আহমেদ তাফসীর।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন হাতিয়া উপজেলা খেলাফত আন্দোলনের সদস্য সচিব মুফতি ইছমাইল হোসাইন, খেলাফত মজলিসের উপজেলা সভাপতি মাওলানা ইউনুছ সাঈফী, এনসিপির উপজেলা আহ্বায়ক শামছল তিব্রীজ, এলডিপির প্রার্থী আবুল হোসেন বাবুল, জামায়াত প্রার্থী মাহফুজ ও ১০ দলীয় জোট প্রার্থী হান্নান মাসউদ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, অতীতে ভোটাধিকার হরণের সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তি এখনও নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে সক্রিয়। তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন যেন এই ধরনের ব্যক্তিরা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব না পান।
এলডিপির আবুল হোসেন বাবুল বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ ছিল না। নতুন প্রজন্মের মধ্যে ভোট উৎসবমুখর হওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, যা নস্যাৎ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি এলডিপির পক্ষ থেকে হান্নান মাসউদকে পূর্ণ সমর্থন দেন।
শাহ মাহফুজুল হক বলেন, গত ১৭ বছরে মানুষের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার হরণ করে বিরোধী কণ্ঠ রোধ করা হয়েছে। এখন ১০ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মাঠে নামেছে।
১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হান্নান মাসউদ বলেন, জোট ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করছে। তিনি দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে একত্রিত হয়ে শান্তিপূর্ণ, উন্নত ও আধুনিক হাতিয়া গড়ার আহ্বান জানান। এ ছাড়া, অতীতে অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত না থাকা সবাইকে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের জন্য স্বাগত জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত নেতা শাহ মিজানুল হক, জাতীয় যুবশক্তির উপজেলা আহ্বায়ক ইউসুফ রেজা, ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক নেয়ামত উল্লাহ নিরবসহ ১০ দলীয় জোটের বিভিন্ন শরিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে সার মজুদ করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন ও কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে সার মজুদ করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন ও কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৪৮
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল ঠাকুরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশক্রমে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির বলেন, নাজমুল ঠাকুরের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দলের নজরে আসে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নাজমুল ঠাকুরের ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি ভিডিওটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে বলেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। বিষয়টি যাচাই করতে ভিডিওটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল ঠাকুরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশক্রমে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির বলেন, নাজমুল ঠাকুরের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দলের নজরে আসে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নাজমুল ঠাকুরের ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি ভিডিওটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে বলেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। বিষয়টি যাচাই করতে ভিডিওটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:০২
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক ও আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃতদের তালিকা প্রকাশ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের ১২৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান উপাচার্য।
স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন—গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম।
এ ছাড়া স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, হাফিজুর রহমান, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহবুবার রহমান ওরফে বাবু, সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নিরাপত্তা প্রহরী নুর আলম মিয়া, এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন এবং প্রক্টর দপ্তরের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ আপেল।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ৯ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী জানান, ট্রাইব্যুনালের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ।
তার মৃত্যুর ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরবর্তী সময়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নেয় এবং সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক ও আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃতদের তালিকা প্রকাশ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের ১২৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান উপাচার্য।
স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন—গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম।
এ ছাড়া স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, হাফিজুর রহমান, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহবুবার রহমান ওরফে বাবু, সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নিরাপত্তা প্রহরী নুর আলম মিয়া, এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন এবং প্রক্টর দপ্তরের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ আপেল।
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ৯ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী জানান, ট্রাইব্যুনালের রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ।
তার মৃত্যুর ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরবর্তী সময়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নেয় এবং সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়।

২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:০৭
নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদকে সমর্থন জানিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি এই মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ও কৌশলগত কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক বলেন, জোটের সিদ্ধান্ত ও দলের নির্দেশনার প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করতে তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন। নিজের নিষ্ঠা ও দায়বদ্ধতা বজায় রেখে জোটের প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে তিনি সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবেন।
এর আগে, উপজেলা সদরে অনুষ্ঠিত ১০ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলনে হান্নান মাসউদকে জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাস্টার বোরহানুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন জামায়াত মনোনীত হাতিয়া পৌরসভা মেয়র প্রার্থী শাব্বির আহমেদ তাফসীর।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন হাতিয়া উপজেলা খেলাফত আন্দোলনের সদস্য সচিব মুফতি ইছমাইল হোসাইন, খেলাফত মজলিসের উপজেলা সভাপতি মাওলানা ইউনুছ সাঈফী, এনসিপির উপজেলা আহ্বায়ক শামছল তিব্রীজ, এলডিপির প্রার্থী আবুল হোসেন বাবুল, জামায়াত প্রার্থী মাহফুজ ও ১০ দলীয় জোট প্রার্থী হান্নান মাসউদ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, অতীতে ভোটাধিকার হরণের সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তি এখনও নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে সক্রিয়। তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন যেন এই ধরনের ব্যক্তিরা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব না পান।
এলডিপির আবুল হোসেন বাবুল বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ ছিল না। নতুন প্রজন্মের মধ্যে ভোট উৎসবমুখর হওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, যা নস্যাৎ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি এলডিপির পক্ষ থেকে হান্নান মাসউদকে পূর্ণ সমর্থন দেন।
শাহ মাহফুজুল হক বলেন, গত ১৭ বছরে মানুষের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার হরণ করে বিরোধী কণ্ঠ রোধ করা হয়েছে। এখন ১০ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মাঠে নামেছে।
১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হান্নান মাসউদ বলেন, জোট ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করছে। তিনি দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে একত্রিত হয়ে শান্তিপূর্ণ, উন্নত ও আধুনিক হাতিয়া গড়ার আহ্বান জানান। এ ছাড়া, অতীতে অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত না থাকা সবাইকে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের জন্য স্বাগত জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত নেতা শাহ মিজানুল হক, জাতীয় যুবশক্তির উপজেলা আহ্বায়ক ইউসুফ রেজা, ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক নেয়ামত উল্লাহ নিরবসহ ১০ দলীয় জোটের বিভিন্ন শরিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৩:৩৪
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:১৬
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৩১