
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৬
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় সরকারি হাট-বাজার নিলামের টেন্ডার বক্সে জোরপূর্বক সিডিউল ঢোকানোর অভিযোগে মো. হারুন নামে এক শ্রমিকদল নেতাকে দুই দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. হারুন (৪২) নোয়াখালী পৌরসভা শ্রমিকদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং পৌরসভার উজ্জলপুর এলাকার বাসিন্দা মো. শহীদ উল্যার ছেলে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হোমায়রা ইসলাম। এর আগে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সিঁড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার ৩৩টি হাট-বাজারের ইজারা নিলামের টেন্ডার জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ১২ মার্চ। সকাল ৯টা থেকে বিভিন্ন ঠিকাদার ও টেন্ডার প্রত্যাশীরা নির্ধারিত চারটি স্থানে স্থাপিত টেন্ডার বক্সে তাদের সিডিউল জমা দেন।
নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও সদর উপজেলা ভূমি কার্যালয় থেকে টেন্ডার বক্সগুলো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নেওয়া হচ্ছিল।
দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে শ্রমিকদল নেতা হারুন জোরপূর্বক ২-৩টি সিডিউল টেন্ডার বক্সে ঢুকিয়ে দেন।
বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নজরে আসার পর তিনি পুলিশকে অভিযুক্তকে আটক করার নির্দেশ দেন। পরে পুলিশ তাকে কার্যালয়ের নিচতলা থেকে আটক করে।
এরপর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ নেওয়াজ তানভীর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে হারুনকে দুই দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা জরিমানা দেন।
নোয়াখালী জেলা শ্রমিকদলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন বলেন, এই বিষয়টি আমি গণমাধ্যম থেকে জেনেছি। দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহ নেওয়াজ তানভীর বলেন, নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও তিনি জোর করে টেন্ডার সিডিউল জমা দেন। বিষয়টি সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। পরে তাকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় সরকারি হাট-বাজার নিলামের টেন্ডার বক্সে জোরপূর্বক সিডিউল ঢোকানোর অভিযোগে মো. হারুন নামে এক শ্রমিকদল নেতাকে দুই দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. হারুন (৪২) নোয়াখালী পৌরসভা শ্রমিকদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং পৌরসভার উজ্জলপুর এলাকার বাসিন্দা মো. শহীদ উল্যার ছেলে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হোমায়রা ইসলাম। এর আগে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সিঁড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার ৩৩টি হাট-বাজারের ইজারা নিলামের টেন্ডার জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ১২ মার্চ। সকাল ৯টা থেকে বিভিন্ন ঠিকাদার ও টেন্ডার প্রত্যাশীরা নির্ধারিত চারটি স্থানে স্থাপিত টেন্ডার বক্সে তাদের সিডিউল জমা দেন।
নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও সদর উপজেলা ভূমি কার্যালয় থেকে টেন্ডার বক্সগুলো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নেওয়া হচ্ছিল।
দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে শ্রমিকদল নেতা হারুন জোরপূর্বক ২-৩টি সিডিউল টেন্ডার বক্সে ঢুকিয়ে দেন।
বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নজরে আসার পর তিনি পুলিশকে অভিযুক্তকে আটক করার নির্দেশ দেন। পরে পুলিশ তাকে কার্যালয়ের নিচতলা থেকে আটক করে।
এরপর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ নেওয়াজ তানভীর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে হারুনকে দুই দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা জরিমানা দেন।
নোয়াখালী জেলা শ্রমিকদলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন বলেন, এই বিষয়টি আমি গণমাধ্যম থেকে জেনেছি। দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহ নেওয়াজ তানভীর বলেন, নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও তিনি জোর করে টেন্ডার সিডিউল জমা দেন। বিষয়টি সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। পরে তাকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে।

২১ জুন, ২০২৬ ১৪:২৬
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পুড়াভিটায় মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করার সময় প্রশাসনের ওপর হামলা চালিয়ে হ্যান্ডকাপসহ আটক আসামিকে ছিনিয়ে নেয় স্থানীয় মাদক কারবারিরা।
শনিবার (২০ জুন) পুড়াভিটায় বিকেল ৪টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ঘণ্টাব্যাপী অভিযানে গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুনতাসীর হাসান খানের নেতৃত্বে রাজবাড়ী জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
এরপর গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনতাসীর হাসান খানের নেতৃত্বে দৌলতদিয়া এশিয়া বোডিং এলাকায় মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনাকালে আসামি আশীষ চন্দ্র শীলে (২৬) দেহ তল্লাশী করে গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ সনের সংশ্লিষ্ট ধারা মোতাবেক তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও নগদ ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
অপর আসামি পুড়াভিটায় মাদক কারবারি বেবীর ছেলে ফয়সালকে (২৪) মাদক ও টাকাসহ গ্রেপ্তার করে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে দেয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।
এ সময় মাদক কারবারিরা আতর্কিত হামলা করে হ্যান্ডকাপসহ আটক ফয়সালকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। মাদক কারবারিদের হামলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কয়েকজন আহত হন।
গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুনতাসীর হাসান খান বলেন, আমার নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পুড়াভিটা এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী অভিযান পরিচালনা করে দুইজনকে মাদকসহ আটক করা হয়।
এর মধ্যে একজনকে সাজা দেওয়া হয়। অপর আসামি ফয়সালকে নগদ টাকা ও মাদকসহ আটক করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা তাকে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে দেওয়ার পর পুড়াভিটার মাদক কারবারিরা সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা করে আটক ফয়সালকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
হামলায় ঘটনাস্থলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পুড়াভিটায় মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করার সময় প্রশাসনের ওপর হামলা চালিয়ে হ্যান্ডকাপসহ আটক আসামিকে ছিনিয়ে নেয় স্থানীয় মাদক কারবারিরা।
শনিবার (২০ জুন) পুড়াভিটায় বিকেল ৪টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ঘণ্টাব্যাপী অভিযানে গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুনতাসীর হাসান খানের নেতৃত্বে রাজবাড়ী জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
এরপর গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনতাসীর হাসান খানের নেতৃত্বে দৌলতদিয়া এশিয়া বোডিং এলাকায় মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনাকালে আসামি আশীষ চন্দ্র শীলে (২৬) দেহ তল্লাশী করে গাঁজাসহ হাতেনাতে আটক করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ সনের সংশ্লিষ্ট ধারা মোতাবেক তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও নগদ ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
অপর আসামি পুড়াভিটায় মাদক কারবারি বেবীর ছেলে ফয়সালকে (২৪) মাদক ও টাকাসহ গ্রেপ্তার করে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে দেয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।
এ সময় মাদক কারবারিরা আতর্কিত হামলা করে হ্যান্ডকাপসহ আটক ফয়সালকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। মাদক কারবারিদের হামলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কয়েকজন আহত হন।
গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুনতাসীর হাসান খান বলেন, আমার নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পুড়াভিটা এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী অভিযান পরিচালনা করে দুইজনকে মাদকসহ আটক করা হয়।
এর মধ্যে একজনকে সাজা দেওয়া হয়। অপর আসামি ফয়সালকে নগদ টাকা ও মাদকসহ আটক করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা তাকে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে দেওয়ার পর পুড়াভিটার মাদক কারবারিরা সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা করে আটক ফয়সালকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
হামলায় ঘটনাস্থলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

২১ জুন, ২০২৬ ১৪:১৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা রেলওয়ে স্টেশনে কর্তব্যরত স্টেশন মাস্টার সফিকুল রহমানের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ব্রাজিল সমর্থক হিসেবে পরিচিত সুমন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (২১ জুন) সকালে এ ঘটনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডে প্রায় ১ ঘণ্টা ট্রেন চলাচল জন্য বন্ধ থাক। আটক সুমন কসবা উপজেলার গোবিনাথপুর ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের রৌশন মিয়ার ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নোয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তঃনগর ‘উপকূল এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ইঞ্জিনে মাছের পোনা বহনকারী এক ব্যক্তির কাছ থেকে ১০০ টাকা নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
এ নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে সুমন স্টেশন মাস্টার সফিকুল রহমানের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। হামলার সময় অফিসের টেলিফোন, সিগন্যালিং যন্ত্রাংশসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করা হয়।
আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলাকারীকে আটক করে।
আহত স্টেশন মাস্টারকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং হামলার কারণ খতিয়ে দেখছে রেলওয়ে পুলিশ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা রেলওয়ে স্টেশনে কর্তব্যরত স্টেশন মাস্টার সফিকুল রহমানের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ব্রাজিল সমর্থক হিসেবে পরিচিত সুমন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (২১ জুন) সকালে এ ঘটনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডে প্রায় ১ ঘণ্টা ট্রেন চলাচল জন্য বন্ধ থাক। আটক সুমন কসবা উপজেলার গোবিনাথপুর ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের রৌশন মিয়ার ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নোয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তঃনগর ‘উপকূল এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ইঞ্জিনে মাছের পোনা বহনকারী এক ব্যক্তির কাছ থেকে ১০০ টাকা নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
এ নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে সুমন স্টেশন মাস্টার সফিকুল রহমানের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। হামলার সময় অফিসের টেলিফোন, সিগন্যালিং যন্ত্রাংশসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করা হয়।
আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলাকারীকে আটক করে।
আহত স্টেশন মাস্টারকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং হামলার কারণ খতিয়ে দেখছে রেলওয়ে পুলিশ।

২০ জুন, ২০২৬ ২০:১০
প্রবাস থেকে পাঠানো টাকা ও ওই টাকায় কেনা জমি বুঝে পেতে চাওয়ায় শ্বশুর ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রবাসফেরত মেয়ের স্বামীকে গাছের সঙ্গে শিকল দিয়ে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় চাচা শ্বশুর আসাদ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (১৯ জুন) শেরপুরের নালিতাবাড়ী থানায় শ্বশুরসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী মরিয়ম বেগম। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলার বাদলাকুড়া গ্রামে জামাইকে শিকলে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, নয়াবিল ইউনিয়নের বাদলাকুড়া গ্রামের মহর উদ্দিনের মেয়ে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে সোরহাব হোসেন বাবুর বিয়ে হয়।
সোরহাব হোসেন দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থাকাকালীন বিভিন্ন সময়ে শ্বশুর মহর উদ্দিনকে জমি কেনার জন্য মোট ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ধার দেন। পরবর্তীতে আরও দেড় লাখ টাকা দেন শ্বশুরকে।
বৃহস্পতিবার পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে শ্বশুর মহর উদ্দিনের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে শ্বশুরপক্ষের লোকজন সোরহাব হোসেনকে আটক করে শিকল দিয়ে নারকেল গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রবাস থেকে পাঠানো টাকা ও ওই টাকায় কেনা জমি বুঝে পেতে চাওয়ায় শ্বশুর ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রবাসফেরত মেয়ের স্বামীকে গাছের সঙ্গে শিকল দিয়ে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় চাচা শ্বশুর আসাদ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (১৯ জুন) শেরপুরের নালিতাবাড়ী থানায় শ্বশুরসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী মরিয়ম বেগম। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলার বাদলাকুড়া গ্রামে জামাইকে শিকলে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, নয়াবিল ইউনিয়নের বাদলাকুড়া গ্রামের মহর উদ্দিনের মেয়ে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে সোরহাব হোসেন বাবুর বিয়ে হয়।
সোরহাব হোসেন দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থাকাকালীন বিভিন্ন সময়ে শ্বশুর মহর উদ্দিনকে জমি কেনার জন্য মোট ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ধার দেন। পরবর্তীতে আরও দেড় লাখ টাকা দেন শ্বশুরকে।
বৃহস্পতিবার পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে শ্বশুর মহর উদ্দিনের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে শ্বশুরপক্ষের লোকজন সোরহাব হোসেনকে আটক করে শিকল দিয়ে নারকেল গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.