
২৪ নভেম্বর, ২০২৫ ২০:৫৮
পিরোজপুর সদর উপজেলার হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ২০ বছর থেকে পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-০৮। গতকাল রবিবার রাতে ঢাকার মগবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. আসাদুজ্জামান আলমকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
গ্রেপ্তার হওয়া মো. আসাদুজ্জামান আলম (৫৫) পিরোজপুর সদর উপজেলার শারিকতার মাথাবেড়া এলাকার মৃত মফিজুর রহমান শেখের ছেলে। তিনি ২০ বছর ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে পলাতক ছিলেন।
র্যাব জানায়, ২০১০ সালে ঝিনাইদহ জেলায় একটি হত্যা ঘটনার মামলার অন্যতম আসামি মো. আসাদুজ্জামান আলমের নামে মামলা হয়। এরপর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে পুরানা পল্টন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।
বরিশাল র্যাব-৮ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক অমিত হাসান বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকা মহানগরের হাতিরঝিল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে পালিয়ে থাকা বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, মাদক কারবারিসহ অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য র্যাব-৮ কাজ করে যাচ্ছে।
পিরোজপুর সদর উপজেলার হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ২০ বছর থেকে পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-০৮। গতকাল রবিবার রাতে ঢাকার মগবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. আসাদুজ্জামান আলমকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
গ্রেপ্তার হওয়া মো. আসাদুজ্জামান আলম (৫৫) পিরোজপুর সদর উপজেলার শারিকতার মাথাবেড়া এলাকার মৃত মফিজুর রহমান শেখের ছেলে। তিনি ২০ বছর ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে পলাতক ছিলেন।
র্যাব জানায়, ২০১০ সালে ঝিনাইদহ জেলায় একটি হত্যা ঘটনার মামলার অন্যতম আসামি মো. আসাদুজ্জামান আলমের নামে মামলা হয়। এরপর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে পুরানা পল্টন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।
বরিশাল র্যাব-৮ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক অমিত হাসান বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকা মহানগরের হাতিরঝিল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে পালিয়ে থাকা বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, মাদক কারবারিসহ অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য র্যাব-৮ কাজ করে যাচ্ছে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫৪
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় চরম অভাবের তাড়নায় তিন শিশু সন্তানকে ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) রেখে নিখোঁজ হওয়া মা মুক্তা বেগমকে (২৭) খুঁজে পাওয়া গেছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিশুদের মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং ওই নারীর কর্মসংস্থানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এর আগে সকাল ১০টার দিকে জিয়ানগর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদে তিন সন্তানকে রেখে চলে যান মুক্তা। মাকে ফিরে পেয়ে ছয় বছরের আরজিনি, তিন বছরের আছিয়া ও সাত মাস বয়সী খাদিজা আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে মুক্তা বেগমের স্বামী আমান উল্লাহ দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র চলে যান। এরপর থেকে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো খোঁজ নেননি।
চরম অনটনের মধ্যে তিন সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন মুক্তা। বুধবার সকালে তিনি সন্তানদের নিয়ে চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদে আসেন। সেখানে চেয়ারম্যান তার জন্য নাস্তার ব্যবস্থা করলে তিনি সুযোগ বুঝে পরিষদের দোতলার বারান্দায় শিশুদের রেখে চলে যান। শিশুদের কান্নাকাটি শুনে পরিষদের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করলে বিষয়টি জানাজানি হয়।
জানা গেছে, মুক্তা বেগমের আয়ের একমাত্র উৎস ছিলো একটি সেলাই মেশিন। কিন্তু মাত্র এক হাজার টাকা দেনার দায়ে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সদস্য নজরুল ইসলাম সেটি কেড়ে নিয়ে যান। উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি আরও দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। ইউপি সদস্য সাহিদা আক্তার পারুল জানান, পারিবারিক কলহ ও শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের কারণে মুক্তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিলো।
চন্ডিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মঞ্জু বলেন, স্বামী আলাদা থাকায় এবং আয়ের একমাত্র সম্বল সেলাই মেশিনটি ছিনিয়ে নেওয়ায় মুক্তা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। আমরা তাকে উদ্ধার করে সন্তানদের বুঝিয়ে দিয়েছি। তবে অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ সদস্য নজরুল ইসলাম এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, অভাবের তাড়নায় মা চলে যাওয়ার বিষয়টি জানার পর আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিই।
তাকে খুঁজে বের করে শিশুদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গ্রাম পুলিশ যে সেলাই মেশিনটি আটকে রেখেছে সেটি দ্রুত ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ওই নারীর টেকসই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৭
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদে তিন শিশু সন্তান রেখে উধাও হয়েছেন মুক্তা বেগম (২৭)। (৮ এপ্রিল) বুধবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানায়, মুক্তা বেগমের স্বামী আমান উল্লাহ প্রায় এক বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র বসবাস শুরু করেন। এরপর থেকে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো খোঁজখবর নেননি। ফলে চরম অভাব-অনটনের মধ্যে তিন সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন মুক্তা।
বুধবার সকালে তিন সন্তান আরজিনি (৬), আছিয়া (৩) ও সাত মাস বয়সী খাদিজাকে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে আসেন মা মুক্ত। চেয়ারম্যান তার জন্য নাস্তার ব্যবস্থা করেন। পরে পরিষদের দোতলার বারান্দায় শিশু তিনটিকে রেখে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান।
পরে শিশুদের কান্নাকাটি দেখে পরিষদের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করলেও বিকেল পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, মুক্তা বেগমের আয়ের একমাত্র উৎস ছিল একটি সেলাই মেশিন। কিন্তু এক হাজার টাকা দেনার দায়ে সেটিও নিয়ে যায় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ নজরুল ইসলাম। এতে তিনি আরও অসহায় হয়ে পড়েন।
ইউপি সদস্য সাহিদা আক্তার পারুল জানান, পারিবারিক কলহ ও শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের কারণে মুক্তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল। চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মঞ্জু বলেন, মুক্তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করে আলাদা থাকেন। তার আয়ের একমাত্র সম্বল সেলাই মেশিনটিও নিয়ে নেওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৬
পিরোজপুরে দীর্ঘদিনের তীব্র সুপেয় পানি সংকটের স্থায়ী সমাধানের দাবিতে পৌরসভা ঘেরাও এবং অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে পৌরবাসী।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে পিরোজপুর পৌরসভার সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে শহরের বিভিন্ন এলাকার ভুক্তভোগী মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পিরোজপুর পৌর এলাকায় সুপেয় পানির চরম সংকট বিরাজ করছে। অনেক এলাকায় নিয়মিত পানি সরবরাহ না থাকায় সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রীষ্ম মৌসুমে এ সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।
তারা অভিযোগ করেন, বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে তারা রাস্তায় নেমে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
বক্তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে পানি সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ, পানির লাইনের সংস্কার এবং নিরবচ্ছিন্ন সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান। এ সময় দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় চরম অভাবের তাড়নায় তিন শিশু সন্তানকে ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) রেখে নিখোঁজ হওয়া মা মুক্তা বেগমকে (২৭) খুঁজে পাওয়া গেছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিশুদের মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং ওই নারীর কর্মসংস্থানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এর আগে সকাল ১০টার দিকে জিয়ানগর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদে তিন সন্তানকে রেখে চলে যান মুক্তা। মাকে ফিরে পেয়ে ছয় বছরের আরজিনি, তিন বছরের আছিয়া ও সাত মাস বয়সী খাদিজা আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে মুক্তা বেগমের স্বামী আমান উল্লাহ দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র চলে যান। এরপর থেকে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো খোঁজ নেননি।
চরম অনটনের মধ্যে তিন সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন মুক্তা। বুধবার সকালে তিনি সন্তানদের নিয়ে চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদে আসেন। সেখানে চেয়ারম্যান তার জন্য নাস্তার ব্যবস্থা করলে তিনি সুযোগ বুঝে পরিষদের দোতলার বারান্দায় শিশুদের রেখে চলে যান। শিশুদের কান্নাকাটি শুনে পরিষদের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করলে বিষয়টি জানাজানি হয়।
জানা গেছে, মুক্তা বেগমের আয়ের একমাত্র উৎস ছিলো একটি সেলাই মেশিন। কিন্তু মাত্র এক হাজার টাকা দেনার দায়ে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সদস্য নজরুল ইসলাম সেটি কেড়ে নিয়ে যান। উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি আরও দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। ইউপি সদস্য সাহিদা আক্তার পারুল জানান, পারিবারিক কলহ ও শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের কারণে মুক্তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিলো।
চন্ডিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মঞ্জু বলেন, স্বামী আলাদা থাকায় এবং আয়ের একমাত্র সম্বল সেলাই মেশিনটি ছিনিয়ে নেওয়ায় মুক্তা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। আমরা তাকে উদ্ধার করে সন্তানদের বুঝিয়ে দিয়েছি। তবে অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ সদস্য নজরুল ইসলাম এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, অভাবের তাড়নায় মা চলে যাওয়ার বিষয়টি জানার পর আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিই।
তাকে খুঁজে বের করে শিশুদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গ্রাম পুলিশ যে সেলাই মেশিনটি আটকে রেখেছে সেটি দ্রুত ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ওই নারীর টেকসই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদে তিন শিশু সন্তান রেখে উধাও হয়েছেন মুক্তা বেগম (২৭)। (৮ এপ্রিল) বুধবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানায়, মুক্তা বেগমের স্বামী আমান উল্লাহ প্রায় এক বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র বসবাস শুরু করেন। এরপর থেকে তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো খোঁজখবর নেননি। ফলে চরম অভাব-অনটনের মধ্যে তিন সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন মুক্তা।
বুধবার সকালে তিন সন্তান আরজিনি (৬), আছিয়া (৩) ও সাত মাস বয়সী খাদিজাকে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে আসেন মা মুক্ত। চেয়ারম্যান তার জন্য নাস্তার ব্যবস্থা করেন। পরে পরিষদের দোতলার বারান্দায় শিশু তিনটিকে রেখে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান।
পরে শিশুদের কান্নাকাটি দেখে পরিষদের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করলেও বিকেল পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, মুক্তা বেগমের আয়ের একমাত্র উৎস ছিল একটি সেলাই মেশিন। কিন্তু এক হাজার টাকা দেনার দায়ে সেটিও নিয়ে যায় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ নজরুল ইসলাম। এতে তিনি আরও অসহায় হয়ে পড়েন।
ইউপি সদস্য সাহিদা আক্তার পারুল জানান, পারিবারিক কলহ ও শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের কারণে মুক্তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল। চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মঞ্জু বলেন, মুক্তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করে আলাদা থাকেন। তার আয়ের একমাত্র সম্বল সেলাই মেশিনটিও নিয়ে নেওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুরে দীর্ঘদিনের তীব্র সুপেয় পানি সংকটের স্থায়ী সমাধানের দাবিতে পৌরসভা ঘেরাও এবং অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে পৌরবাসী।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে পিরোজপুর পৌরসভার সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে শহরের বিভিন্ন এলাকার ভুক্তভোগী মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পিরোজপুর পৌর এলাকায় সুপেয় পানির চরম সংকট বিরাজ করছে। অনেক এলাকায় নিয়মিত পানি সরবরাহ না থাকায় সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রীষ্ম মৌসুমে এ সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।
তারা অভিযোগ করেন, বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে তারা রাস্তায় নেমে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
বক্তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে পানি সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ, পানির লাইনের সংস্কার এবং নিরবচ্ছিন্ন সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান। এ সময় দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১০
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৬