
০৬ নভেম্বর, ২০২৫ ২০:৩৪
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় পাথর লুট থামছে না। সম্প্রতি পর্যটনকেন্দ্র সাদাপাথর থেকে পাথর লুটের ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল। মামলার পাশাপাশি লুট করা পাথর আটক করে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল পর্যটনকেন্দ্রে। অভিযানে নেমেছিল প্রশাসনের পাশাপাশি যৌথ বাহিনী। এরপরও পাথর লুটপাটকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র এলাকায় লুটপাট কমলেও লুট থামছে না ‘পাথরের খনি’খ্যাত শাহ আরেফিন টিলায়। এরই মধ্যে এই টিলার প্রায় ৮৫ শতাংশ পাথর লুট হয়ে গেছে। টিলা কেটে লুট করা হয়েছে পাথরগুলো। এরপরও থামছে না পাথর লুট।
শাহ আরেফিন টিলা থেকে লুট করে নিয়ে যাওয়ার সময় গতকাল বুধবার রাতে চার ট্রাক্টরভর্তি পাথর ও আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এক ট্রাকভর্তি পাথর জব্দ করেছে পুলিশ। তবে উদ্ধার করা পাথরের পরিমাণ জানা যায়নি।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে সরকারি খাস খতিয়ানে ১৩৭ দশমিক ৫০ একর জায়গায় শাহ আরেফিন টিলার অবস্থান। কথিত আছে, প্রায় ৭০০ বছর আগে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর অন্যতম সফরসঙ্গী হজরত শাহ আরেফিন (রহ.) খাসিয়া পাহাড় এলাকা পরিভ্রমণকালে পাহাড়-টিলার চূড়ায় বিশ্রাম নিতেন। শাহ আরেফিনের একটি ‘আসন’ (বিশ্রামের স্থান) হিসেবে পরিচিতি থেকে ওই টিলার নামকরণ হয়েছে শাহ আরেফিন টিলা। লালচে, বাদামি ও আঠালো মাটির এ টিলার নিচে রয়েছে বড় বড় পাথর। এসব পাথর উত্তোলন করতেই চলছে ধ্বংসযজ্ঞ।
পুলিশ জানায়, বুধবার রাতে কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জে চার ট্রাক্টরভর্তি পাথর নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ সদস্যদের দেখে চালকেরা পাথর ও গাড়ি রেখে পালিয়ে যান। পরে পুলিশ চার ট্রাক্টরভর্তি পাথরগুলো থানায় নিয়ে যায়।
এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনে পুলিশের তল্লাশিচৌকিতে এক ট্রাকভর্তি পাথর জব্দ করা হয়। সে সময় ট্রাকের চালক পালিয়ে যান। পরে পাথরসহ ট্রাক উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে পুলিশের কাছে রাখা হয়।
এর আগে সাদাপাথরের পাথর লুটের ঘটনার পর থেকে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে ২৪ ঘণ্টা পুলিশের তল্লাশিচৌকি বসানো হয়েছে। তল্লাশিচৌকিতে বালু ও পাথর পরিবহন করা যানবাহন আটকে বৈধ কাগজপত্র দেখা হচ্ছে। বৈধ কোনো কাগজপত্র পাওয়া না গেলে নেওয়া হচ্ছে ব্যবস্থা।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ জানান, আটক করা পাথর ও যানবাহনগুলো পুলিশের জিম্মায় রয়েছে। পাথরগুলো শাহ আরেফিন টিলা থেকে অবৈধভাবে উত্তোলন করে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তল্লাশিচৌকিতে আটক করা ট্রাক ও পাথরের ব্যাপারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ ছাড়া আটক চারটি ট্রাক্টরের মালিক ও ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় পাথর লুট থামছে না। সম্প্রতি পর্যটনকেন্দ্র সাদাপাথর থেকে পাথর লুটের ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল। মামলার পাশাপাশি লুট করা পাথর আটক করে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল পর্যটনকেন্দ্রে। অভিযানে নেমেছিল প্রশাসনের পাশাপাশি যৌথ বাহিনী। এরপরও পাথর লুটপাটকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র এলাকায় লুটপাট কমলেও লুট থামছে না ‘পাথরের খনি’খ্যাত শাহ আরেফিন টিলায়। এরই মধ্যে এই টিলার প্রায় ৮৫ শতাংশ পাথর লুট হয়ে গেছে। টিলা কেটে লুট করা হয়েছে পাথরগুলো। এরপরও থামছে না পাথর লুট।
শাহ আরেফিন টিলা থেকে লুট করে নিয়ে যাওয়ার সময় গতকাল বুধবার রাতে চার ট্রাক্টরভর্তি পাথর ও আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এক ট্রাকভর্তি পাথর জব্দ করেছে পুলিশ। তবে উদ্ধার করা পাথরের পরিমাণ জানা যায়নি।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে সরকারি খাস খতিয়ানে ১৩৭ দশমিক ৫০ একর জায়গায় শাহ আরেফিন টিলার অবস্থান। কথিত আছে, প্রায় ৭০০ বছর আগে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর অন্যতম সফরসঙ্গী হজরত শাহ আরেফিন (রহ.) খাসিয়া পাহাড় এলাকা পরিভ্রমণকালে পাহাড়-টিলার চূড়ায় বিশ্রাম নিতেন। শাহ আরেফিনের একটি ‘আসন’ (বিশ্রামের স্থান) হিসেবে পরিচিতি থেকে ওই টিলার নামকরণ হয়েছে শাহ আরেফিন টিলা। লালচে, বাদামি ও আঠালো মাটির এ টিলার নিচে রয়েছে বড় বড় পাথর। এসব পাথর উত্তোলন করতেই চলছে ধ্বংসযজ্ঞ।
পুলিশ জানায়, বুধবার রাতে কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জে চার ট্রাক্টরভর্তি পাথর নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ সদস্যদের দেখে চালকেরা পাথর ও গাড়ি রেখে পালিয়ে যান। পরে পুলিশ চার ট্রাক্টরভর্তি পাথরগুলো থানায় নিয়ে যায়।
এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনে পুলিশের তল্লাশিচৌকিতে এক ট্রাকভর্তি পাথর জব্দ করা হয়। সে সময় ট্রাকের চালক পালিয়ে যান। পরে পাথরসহ ট্রাক উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে পুলিশের কাছে রাখা হয়।
এর আগে সাদাপাথরের পাথর লুটের ঘটনার পর থেকে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে ২৪ ঘণ্টা পুলিশের তল্লাশিচৌকি বসানো হয়েছে। তল্লাশিচৌকিতে বালু ও পাথর পরিবহন করা যানবাহন আটকে বৈধ কাগজপত্র দেখা হচ্ছে। বৈধ কোনো কাগজপত্র পাওয়া না গেলে নেওয়া হচ্ছে ব্যবস্থা।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ জানান, আটক করা পাথর ও যানবাহনগুলো পুলিশের জিম্মায় রয়েছে। পাথরগুলো শাহ আরেফিন টিলা থেকে অবৈধভাবে উত্তোলন করে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তল্লাশিচৌকিতে আটক করা ট্রাক ও পাথরের ব্যাপারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ ছাড়া আটক চারটি ট্রাক্টরের মালিক ও ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
মারা গেছেন আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারী আবদুল আহাদ মোমান্দ। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জার্মানিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ জুন ৬৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
আবদুল আহাদ মোমান্দ শুধু আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারীই নন, ইতিহাসের চতুর্থ মুসলিম মহাকাশচারী হিসেবেও পরিচিত। ১৯৮৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘মির’ মহাকাশ স্টেশনে অভিযানে যাওয়ার সময় তিনি সঙ্গে নিয়েছিলেন পবিত্র কোরআন। মহাকাশে অবস্থানকালে কোরআন তেলাওয়াত করার ঘটনাও তাকে মুসলিম বিশ্বে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে রেখেছে।
ঐতিহাসিক সেই অভিযানে তিনি টানা নয় দিন মহাকাশে অবস্থান করেন এবং আফগানিস্তানের জন্য গড়ে তোলেন এক অনন্য অর্জনের ইতিহাস।
গজনি প্রদেশে জন্ম নেওয়া মোমান্দ পরবর্তীতে গৃহযুদ্ধের সময় জার্মানিতে চলে যান। এর আগে মস্কোর ইউরি গ্যাগরিন বিমানবাহিনী একাডেমিতে পড়াশোনা করেন। সেখানে প্রায় ৪০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে নির্বাচিত আটজনের একজন ছিলেন তিনি। পরে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘ইন্টারকসমস’ কর্মসূচির আওতায় মহাকাশ অভিযানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
বিজ্ঞান, ইতিহাস ও মুসলিম বিশ্বের গৌরবময় অধ্যায়ের এক উজ্জ্বল নাম আবদুল আহাদ মোমান্দের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাঁর মহাকাশযাত্রা ও অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
মারা গেছেন আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারী আবদুল আহাদ মোমান্দ। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে জার্মানিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ জুন ৬৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
আবদুল আহাদ মোমান্দ শুধু আফগানিস্তানের প্রথম মহাকাশচারীই নন, ইতিহাসের চতুর্থ মুসলিম মহাকাশচারী হিসেবেও পরিচিত। ১৯৮৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘মির’ মহাকাশ স্টেশনে অভিযানে যাওয়ার সময় তিনি সঙ্গে নিয়েছিলেন পবিত্র কোরআন। মহাকাশে অবস্থানকালে কোরআন তেলাওয়াত করার ঘটনাও তাকে মুসলিম বিশ্বে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে রেখেছে।
ঐতিহাসিক সেই অভিযানে তিনি টানা নয় দিন মহাকাশে অবস্থান করেন এবং আফগানিস্তানের জন্য গড়ে তোলেন এক অনন্য অর্জনের ইতিহাস।
গজনি প্রদেশে জন্ম নেওয়া মোমান্দ পরবর্তীতে গৃহযুদ্ধের সময় জার্মানিতে চলে যান। এর আগে মস্কোর ইউরি গ্যাগরিন বিমানবাহিনী একাডেমিতে পড়াশোনা করেন। সেখানে প্রায় ৪০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে নির্বাচিত আটজনের একজন ছিলেন তিনি। পরে সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘ইন্টারকসমস’ কর্মসূচির আওতায় মহাকাশ অভিযানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
বিজ্ঞান, ইতিহাস ও মুসলিম বিশ্বের গৌরবময় অধ্যায়ের এক উজ্জ্বল নাম আবদুল আহাদ মোমান্দের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাঁর মহাকাশযাত্রা ও অর্জন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:৫০
বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। রোববার (২৯ জুন) বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে কাউনিয়া থানার দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটক ব্যক্তি মো. রাসেল হাওলাদার (৩৫)। তিনি কাউনিয়া থানাধীন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর (মামুন মিয়ার ঘের সংলগ্ন) এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় একাধিক মাদক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় রাসেল হাওলাদার ও তার সহযোগী আখি দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছেন। তথ্যের সত্যতা যাচাই শেষে কাউনিয়া থানার একটি চৌকস দল এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের একপর্যায়ে রাসেলকে আটক করে তার হেফাজত থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় সহযোগী আখি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজীত চন্দ্র নাথ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ রাসেল হাওলাদারকে আটক করা হয়েছে। পলাতক আসামি আখিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আটক ও পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূলে কাউনিয়া থানার অভিযান চলমান রয়েছে। মাদক ব্যবসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। রোববার (২৯ জুন) বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে কাউনিয়া থানার দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটক ব্যক্তি মো. রাসেল হাওলাদার (৩৫)। তিনি কাউনিয়া থানাধীন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর (মামুন মিয়ার ঘের সংলগ্ন) এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় একাধিক মাদক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় রাসেল হাওলাদার ও তার সহযোগী আখি দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছেন। তথ্যের সত্যতা যাচাই শেষে কাউনিয়া থানার একটি চৌকস দল এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের একপর্যায়ে রাসেলকে আটক করে তার হেফাজত থেকে ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় সহযোগী আখি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজীত চন্দ্র নাথ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ রাসেল হাওলাদারকে আটক করা হয়েছে। পলাতক আসামি আখিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আটক ও পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূলে কাউনিয়া থানার অভিযান চলমান রয়েছে। মাদক ব্যবসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:০৩
বরিশাল নগরীতে যাত্রী পরিবহনকারী অটোরিকশা ও থ্রি-হুইলারের ভাড়া না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। সোমবার (২৯ জুন) নগর ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় ত্রিপক্ষীয় প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে আগামী ১ জুলাই থেকে লাইসেন্সবিহীন ও অবৈধ থ্রি-হুইলারের বিরুদ্ধে সম্মিলিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। সমন্বয় সভায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিএম কলেজের ছাত্রশিক্ষক প্রতিনিধিসহ থ্রিহুইলার চালক-মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মহানগরীর পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানের কথা জানানো হয়। সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়, থ্রি-হুইলারের বর্তমান ভাড়ার হার অপরিবর্তিত থাকবে এবং যাত্রীসাধারণকে বিদ্যমান ভাড়াতেই সেবা দেওয়া হবে।
একই সঙ্গে থ্রি-হুইলারের বৈধ লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় জানানো হয়, যেসব থ্রি-হুইলারের লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি বা বৈধ কাগজপত্র নেই, তাদের বিরুদ্ধে আগামী ১ জুলাই থেকে সম্মিলিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। অভিযানে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, নগরবাসীর স্বার্থে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা এবং যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় থেকে সুরক্ষা দিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনের সভাপতিত্বে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল কবির সুমন, সরকারি বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম, বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান উজ জামান।
এর আগে রোববার সকালে অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই শতাধিক থ্রিহুইলার আটকে রাখে বিএম কলেজ শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়াও তারা যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে। তারপর সোমবারের মধ্যে এ সংকট সমাধানের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি স্থগিত করে। বর্তমানে নগরীর থ্রি-হুইলার চালকরা দূরত্ব ভেদে ৫-১০ টাকা বেশি ভাড়া আদায় করছে। এ নিয়ে প্রতিদিনই চালক ও যাত্রীদের মধ্যে ঘটছে অপ্রীতিকর ঘটনা। তথ্যমতে, ৫৮ বর্গ কিলোমিটারের বরিশাল নগরীতে বৈধ-অবৈধ মিলিয়ে ৩০ হাজার সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত থ্রিহুইলার চলাচল করছে।’
বরিশাল নগরীতে যাত্রী পরিবহনকারী অটোরিকশা ও থ্রি-হুইলারের ভাড়া না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। সোমবার (২৯ জুন) নগর ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় ত্রিপক্ষীয় প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে আগামী ১ জুলাই থেকে লাইসেন্সবিহীন ও অবৈধ থ্রি-হুইলারের বিরুদ্ধে সম্মিলিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। সমন্বয় সভায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিএম কলেজের ছাত্রশিক্ষক প্রতিনিধিসহ থ্রিহুইলার চালক-মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মহানগরীর পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানের কথা জানানো হয়। সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়, থ্রি-হুইলারের বর্তমান ভাড়ার হার অপরিবর্তিত থাকবে এবং যাত্রীসাধারণকে বিদ্যমান ভাড়াতেই সেবা দেওয়া হবে।
একই সঙ্গে থ্রি-হুইলারের বৈধ লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় জানানো হয়, যেসব থ্রি-হুইলারের লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি বা বৈধ কাগজপত্র নেই, তাদের বিরুদ্ধে আগামী ১ জুলাই থেকে সম্মিলিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। অভিযানে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, নগরবাসীর স্বার্থে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা এবং যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় থেকে সুরক্ষা দিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনের সভাপতিত্বে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল কবির সুমন, সরকারি বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম, বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান উজ জামান।
এর আগে রোববার সকালে অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই শতাধিক থ্রিহুইলার আটকে রাখে বিএম কলেজ শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়াও তারা যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে। তারপর সোমবারের মধ্যে এ সংকট সমাধানের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি স্থগিত করে। বর্তমানে নগরীর থ্রি-হুইলার চালকরা দূরত্ব ভেদে ৫-১০ টাকা বেশি ভাড়া আদায় করছে। এ নিয়ে প্রতিদিনই চালক ও যাত্রীদের মধ্যে ঘটছে অপ্রীতিকর ঘটনা। তথ্যমতে, ৫৮ বর্গ কিলোমিটারের বরিশাল নগরীতে বৈধ-অবৈধ মিলিয়ে ৩০ হাজার সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত থ্রিহুইলার চলাচল করছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:৫০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:০৩
২৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১৪