
২০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:৩৭
এবার খোদ ‘ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ’ নেতার বিরুদ্ধেই জুলাইযোদ্ধা তরুণীকে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ‘ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ’ বরিশাল বিভাগের সদস্যসচিব সুবহান আল তালুকদার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেত্রী ২২ বছর বয়সি তরুণীকে ১১ অক্টোবর হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করাসহ আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে রাখেন। এবং তরুণীকে পরবর্তীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। এমনকি তরুণীর অনিচ্ছা সত্ত্বে ধারণ করা সেই আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল করার হুমকি দিয়েও ধর্ষণ করেন সুবহান। ভুক্তভোগী তরুণী নিজেকে নির্যাতন এবং ব্ল্যাকমেইলিং করে ধর্ষণের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানায় একটি মামলা করেছেন।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, অভিযুক্ত সুবহান আল তালুকদার তৎসময়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয় হন এবং পরবর্তীতে ‘ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ’র নেতৃত্ব লাভ করেন। তবে চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে বরিশালে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার আন্দোলনে তাকে মহিউদ্দিন রনির সাথে থাকতে দেখা যায়। অবশ্য সেই সময় সুবহানকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ পরিচয়ে পুলিশ গ্রেপ্তার করলে মহিউদ্দিন রনি তাকে ছাড়াতে থানা অবরোধও করেছিলেন।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ভুক্তভোগী তরুণী জানান, ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে ‘ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ’ নেতা সুবহান আল তালুকদারের সাথে পরিচয় ঘটে। এরপরে দীর্ঘসময় তাদের মধ্যেকার বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনায় হয় এবং একপর্যায়ে তা হৃদয়ঘটিত সম্পর্কে রূপ নেয়।
তরুণীর মামলার বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ১১ অক্টোবর সন্ধ্যায় বরিশাল সদর রোডের ‘আবাসিক হোটেল হক’-এর ৪০৪ নম্বর কক্ষে নিয়ে ওই তরুণীকে প্রথমবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন সুবহান। এসময় গোপনে মোবাইলে ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে রাখা হয়। পরবর্তীতে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় ব্ল্যাকমেইল করে ওই নেত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। বিয়ের জন্য চাপ দিলে সুবহান কালক্ষেপণ করতে থাকেন। সর্বশেষ গত ১৭ ডিসেম্বর দুপুরে নবগ্রাম রোড এলাকায় সুবহান তাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে তিনি বিয়ে করবেন না। একপর্যায়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে সুবহান ওই তরুণীকে হত্যার উদ্দেশে হেলমেট দিয়ে মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করেন। এসময় তরুণীর ঠোঁট ফেটে গুরুতর জখম হয়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর মাসহ একাধিক ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে জানান, ১৮ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী তরুণীর লিখিত এজাহারটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মামলা করার আগে তরুণী ফেসবুক লাইভে এসে তাকে মারধর করাসহ বিভিন্নভাবে নির্যাতনের বক্তব্য তুলে ধরেন, যা লাইক-কমেন্ট এবং শেয়ারে মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। এবং বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় দৈনিক পত্রিকাগুলো মোটাদাগে সংবাদও প্রকাশ করে।
এবার খোদ ‘ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ’ নেতার বিরুদ্ধেই জুলাইযোদ্ধা তরুণীকে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ‘ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ’ বরিশাল বিভাগের সদস্যসচিব সুবহান আল তালুকদার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেত্রী ২২ বছর বয়সি তরুণীকে ১১ অক্টোবর হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করাসহ আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে রাখেন। এবং তরুণীকে পরবর্তীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। এমনকি তরুণীর অনিচ্ছা সত্ত্বে ধারণ করা সেই আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল করার হুমকি দিয়েও ধর্ষণ করেন সুবহান। ভুক্তভোগী তরুণী নিজেকে নির্যাতন এবং ব্ল্যাকমেইলিং করে ধর্ষণের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানায় একটি মামলা করেছেন।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, অভিযুক্ত সুবহান আল তালুকদার তৎসময়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয় হন এবং পরবর্তীতে ‘ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ’র নেতৃত্ব লাভ করেন। তবে চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে বরিশালে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার আন্দোলনে তাকে মহিউদ্দিন রনির সাথে থাকতে দেখা যায়। অবশ্য সেই সময় সুবহানকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ পরিচয়ে পুলিশ গ্রেপ্তার করলে মহিউদ্দিন রনি তাকে ছাড়াতে থানা অবরোধও করেছিলেন।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ভুক্তভোগী তরুণী জানান, ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে ‘ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ’ নেতা সুবহান আল তালুকদারের সাথে পরিচয় ঘটে। এরপরে দীর্ঘসময় তাদের মধ্যেকার বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনায় হয় এবং একপর্যায়ে তা হৃদয়ঘটিত সম্পর্কে রূপ নেয়।
তরুণীর মামলার বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ১১ অক্টোবর সন্ধ্যায় বরিশাল সদর রোডের ‘আবাসিক হোটেল হক’-এর ৪০৪ নম্বর কক্ষে নিয়ে ওই তরুণীকে প্রথমবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন সুবহান। এসময় গোপনে মোবাইলে ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে রাখা হয়। পরবর্তীতে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় ব্ল্যাকমেইল করে ওই নেত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। বিয়ের জন্য চাপ দিলে সুবহান কালক্ষেপণ করতে থাকেন। সর্বশেষ গত ১৭ ডিসেম্বর দুপুরে নবগ্রাম রোড এলাকায় সুবহান তাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে তিনি বিয়ে করবেন না। একপর্যায়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে সুবহান ওই তরুণীকে হত্যার উদ্দেশে হেলমেট দিয়ে মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করেন। এসময় তরুণীর ঠোঁট ফেটে গুরুতর জখম হয়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর মাসহ একাধিক ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে জানান, ১৮ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী তরুণীর লিখিত এজাহারটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মামলা করার আগে তরুণী ফেসবুক লাইভে এসে তাকে মারধর করাসহ বিভিন্নভাবে নির্যাতনের বক্তব্য তুলে ধরেন, যা লাইক-কমেন্ট এবং শেয়ারে মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। এবং বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় দৈনিক পত্রিকাগুলো মোটাদাগে সংবাদও প্রকাশ করে।
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
বরিশাল নগরীর বান্দরোড এলাকায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় মেহেদী হাসান শুভ (২৫) নামে এক সৌদি প্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় মো. আরিফ (২৫) নামে আরও এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বান্দ রোডের কেডিসি গলির মুখে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিহত শুভ পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী গ্রামের হেলাল প্যাদার ছেলে। আহত আরিফ একই এলাকার গনি হাওলাদারের ছেলে।
নিহতের বন্ধু ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রাকিব খান জানান, 'বৃহস্পতিবার রাতে তারা দুইটি মোটরসাইকেলযোগে এক বন্ধুকে বরিশাল লঞ্চঘাটে পৌঁছে দেন। এরপর তারা পুনরায় মোটরসাইকেলে লেবুখালীর উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে নগরীর বান্দরোডের কেডিসি গলির মুখে পৌঁছালে শুভ মোটরসাইকেলটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশার পিছনে ধাক্কা দিয়ে সড়ক বিভাজকের লোহার পাইপের সাথে প্রচণ্ড আঘাত পান চালক শুভ ও আরোহী আরিফ।'
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শুভকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বড় ভাই আল-আমিন জানান, 'শুভ সৌদি আরব প্রবাসী ছিলেন। পাঁচ মাস আগে তিনি ছুটি নিয়ে দেশে আসেন এবং বর্তমানে বাবার ব্যবসা দেখাশোনা করছিলেন। তবে কী কারণে শুভ বরিশালে এসেছিলেন, সে বিষয়ে জানা নেই তার।'
এ বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, 'দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। আহত যুবককে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।'
ওসি আরও জানান, 'এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।'

১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৯
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশাল নগরীর বান্দরোড এলাকায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় মেহেদী হাসান শুভ (২৫) নামে এক সৌদি প্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় মো. আরিফ (২৫) নামে আরও এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বান্দ রোডের কেডিসি গলির মুখে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিহত শুভ পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী গ্রামের হেলাল প্যাদার ছেলে। আহত আরিফ একই এলাকার গনি হাওলাদারের ছেলে।
নিহতের বন্ধু ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রাকিব খান জানান, 'বৃহস্পতিবার রাতে তারা দুইটি মোটরসাইকেলযোগে এক বন্ধুকে বরিশাল লঞ্চঘাটে পৌঁছে দেন। এরপর তারা পুনরায় মোটরসাইকেলে লেবুখালীর উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে নগরীর বান্দরোডের কেডিসি গলির মুখে পৌঁছালে শুভ মোটরসাইকেলটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশার পিছনে ধাক্কা দিয়ে সড়ক বিভাজকের লোহার পাইপের সাথে প্রচণ্ড আঘাত পান চালক শুভ ও আরোহী আরিফ।'
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শুভকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বড় ভাই আল-আমিন জানান, 'শুভ সৌদি আরব প্রবাসী ছিলেন। পাঁচ মাস আগে তিনি ছুটি নিয়ে দেশে আসেন এবং বর্তমানে বাবার ব্যবসা দেখাশোনা করছিলেন। তবে কী কারণে শুভ বরিশালে এসেছিলেন, সে বিষয়ে জানা নেই তার।'
এ বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, 'দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। আহত যুবককে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।'
ওসি আরও জানান, 'এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।'
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৫১