
২০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:৩৭
এবার খোদ ‘ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ’ নেতার বিরুদ্ধেই জুলাইযোদ্ধা তরুণীকে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ‘ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ’ বরিশাল বিভাগের সদস্যসচিব সুবহান আল তালুকদার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেত্রী ২২ বছর বয়সি তরুণীকে ১১ অক্টোবর হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করাসহ আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে রাখেন। এবং তরুণীকে পরবর্তীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। এমনকি তরুণীর অনিচ্ছা সত্ত্বে ধারণ করা সেই আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল করার হুমকি দিয়েও ধর্ষণ করেন সুবহান। ভুক্তভোগী তরুণী নিজেকে নির্যাতন এবং ব্ল্যাকমেইলিং করে ধর্ষণের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানায় একটি মামলা করেছেন।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, অভিযুক্ত সুবহান আল তালুকদার তৎসময়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয় হন এবং পরবর্তীতে ‘ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ’র নেতৃত্ব লাভ করেন। তবে চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে বরিশালে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার আন্দোলনে তাকে মহিউদ্দিন রনির সাথে থাকতে দেখা যায়। অবশ্য সেই সময় সুবহানকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ পরিচয়ে পুলিশ গ্রেপ্তার করলে মহিউদ্দিন রনি তাকে ছাড়াতে থানা অবরোধও করেছিলেন।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ভুক্তভোগী তরুণী জানান, ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে ‘ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ’ নেতা সুবহান আল তালুকদারের সাথে পরিচয় ঘটে। এরপরে দীর্ঘসময় তাদের মধ্যেকার বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনায় হয় এবং একপর্যায়ে তা হৃদয়ঘটিত সম্পর্কে রূপ নেয়।
তরুণীর মামলার বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ১১ অক্টোবর সন্ধ্যায় বরিশাল সদর রোডের ‘আবাসিক হোটেল হক’-এর ৪০৪ নম্বর কক্ষে নিয়ে ওই তরুণীকে প্রথমবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন সুবহান। এসময় গোপনে মোবাইলে ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে রাখা হয়। পরবর্তীতে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় ব্ল্যাকমেইল করে ওই নেত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। বিয়ের জন্য চাপ দিলে সুবহান কালক্ষেপণ করতে থাকেন। সর্বশেষ গত ১৭ ডিসেম্বর দুপুরে নবগ্রাম রোড এলাকায় সুবহান তাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে তিনি বিয়ে করবেন না। একপর্যায়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে সুবহান ওই তরুণীকে হত্যার উদ্দেশে হেলমেট দিয়ে মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করেন। এসময় তরুণীর ঠোঁট ফেটে গুরুতর জখম হয়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর মাসহ একাধিক ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে জানান, ১৮ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী তরুণীর লিখিত এজাহারটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মামলা করার আগে তরুণী ফেসবুক লাইভে এসে তাকে মারধর করাসহ বিভিন্নভাবে নির্যাতনের বক্তব্য তুলে ধরেন, যা লাইক-কমেন্ট এবং শেয়ারে মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। এবং বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় দৈনিক পত্রিকাগুলো মোটাদাগে সংবাদও প্রকাশ করে।
এবার খোদ ‘ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ’ নেতার বিরুদ্ধেই জুলাইযোদ্ধা তরুণীকে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ‘ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ’ বরিশাল বিভাগের সদস্যসচিব সুবহান আল তালুকদার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেত্রী ২২ বছর বয়সি তরুণীকে ১১ অক্টোবর হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করাসহ আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে রাখেন। এবং তরুণীকে পরবর্তীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। এমনকি তরুণীর অনিচ্ছা সত্ত্বে ধারণ করা সেই আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল করার হুমকি দিয়েও ধর্ষণ করেন সুবহান। ভুক্তভোগী তরুণী নিজেকে নির্যাতন এবং ব্ল্যাকমেইলিং করে ধর্ষণের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানায় একটি মামলা করেছেন।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, অভিযুক্ত সুবহান আল তালুকদার তৎসময়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয় হন এবং পরবর্তীতে ‘ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ’র নেতৃত্ব লাভ করেন। তবে চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে বরিশালে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার আন্দোলনে তাকে মহিউদ্দিন রনির সাথে থাকতে দেখা যায়। অবশ্য সেই সময় সুবহানকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ পরিচয়ে পুলিশ গ্রেপ্তার করলে মহিউদ্দিন রনি তাকে ছাড়াতে থানা অবরোধও করেছিলেন।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ভুক্তভোগী তরুণী জানান, ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে ‘ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চ’ নেতা সুবহান আল তালুকদারের সাথে পরিচয় ঘটে। এরপরে দীর্ঘসময় তাদের মধ্যেকার বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনায় হয় এবং একপর্যায়ে তা হৃদয়ঘটিত সম্পর্কে রূপ নেয়।
তরুণীর মামলার বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ১১ অক্টোবর সন্ধ্যায় বরিশাল সদর রোডের ‘আবাসিক হোটেল হক’-এর ৪০৪ নম্বর কক্ষে নিয়ে ওই তরুণীকে প্রথমবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন সুবহান। এসময় গোপনে মোবাইলে ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে রাখা হয়। পরবর্তীতে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় ব্ল্যাকমেইল করে ওই নেত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। বিয়ের জন্য চাপ দিলে সুবহান কালক্ষেপণ করতে থাকেন। সর্বশেষ গত ১৭ ডিসেম্বর দুপুরে নবগ্রাম রোড এলাকায় সুবহান তাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে তিনি বিয়ে করবেন না। একপর্যায়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে সুবহান ওই তরুণীকে হত্যার উদ্দেশে হেলমেট দিয়ে মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করেন। এসময় তরুণীর ঠোঁট ফেটে গুরুতর জখম হয়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর মাসহ একাধিক ব্যক্তি সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে জানান, ১৮ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী তরুণীর লিখিত এজাহারটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মামলা করার আগে তরুণী ফেসবুক লাইভে এসে তাকে মারধর করাসহ বিভিন্নভাবে নির্যাতনের বক্তব্য তুলে ধরেন, যা লাইক-কমেন্ট এবং শেয়ারে মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। এবং বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় দৈনিক পত্রিকাগুলো মোটাদাগে সংবাদও প্রকাশ করে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৫
বরিশালের গৌরনদীতে কোনধরনের লাইসেন্স না থাকা সত্বেও অবৈধভাবে জ্বালানি তেল ডিজেল, মবিল ও গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ করে চড়া দামে বিক্রি করে আসছিলো এক অসাধু ব্যবসায়ী।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ব্যবসায়ীর দোকান ও বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন বরিশাল জেলার এনএসআই'র সদস্যরা। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের প্রত্যন্ত সুনিল সিকদারের হাট সংলগ্ন চর সরিকল গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় চর সরিকল গ্রামের আব্দুল করিম সিকদারের ছেলে হালিম সিকদারের দোকান ও বাড়ি থেকে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা ৩০০ লিটার ডিজেল, ২০০ লিটার মবিল ও গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করা এনএসআই'র বরিশাল জেলা শাখার সদস্যরা জানিয়েছেন, ব্যবসায়ী হালিম সিকদার অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে বিক্রি করে আসছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযোগ পেয়ে তারা অভিযান পরিচালনা করেন।
পরবর্তীতে তারা জব্দকৃত পন্যসহ ব্যবসায়ী হালিম সিকদারকে ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে সোর্পদ করেন। ভ্রাম্যমান আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও গৌরনদী উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, অবৈধ মজুদের ঘটনায় ব্যবসায়ী হালিম সিকদারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
পাশাপাশি লাইসেন্স না করা পর্যন্ত ওই ব্যবসায়ীর ব্যবসা বন্ধ রাখার জন্য লিখিত মুচলেকা রাখা হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত জ্বালানি তেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির জন্য স্থানীয় এক সমাজ সেবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে কোনধরনের লাইসেন্স না থাকা সত্বেও অবৈধভাবে জ্বালানি তেল ডিজেল, মবিল ও গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ করে চড়া দামে বিক্রি করে আসছিলো এক অসাধু ব্যবসায়ী।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ব্যবসায়ীর দোকান ও বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন বরিশাল জেলার এনএসআই'র সদস্যরা। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের প্রত্যন্ত সুনিল সিকদারের হাট সংলগ্ন চর সরিকল গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় চর সরিকল গ্রামের আব্দুল করিম সিকদারের ছেলে হালিম সিকদারের দোকান ও বাড়ি থেকে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা ৩০০ লিটার ডিজেল, ২০০ লিটার মবিল ও গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করা এনএসআই'র বরিশাল জেলা শাখার সদস্যরা জানিয়েছেন, ব্যবসায়ী হালিম সিকদার অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে বিক্রি করে আসছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযোগ পেয়ে তারা অভিযান পরিচালনা করেন।
পরবর্তীতে তারা জব্দকৃত পন্যসহ ব্যবসায়ী হালিম সিকদারকে ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে সোর্পদ করেন। ভ্রাম্যমান আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও গৌরনদী উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, অবৈধ মজুদের ঘটনায় ব্যবসায়ী হালিম সিকদারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
পাশাপাশি লাইসেন্স না করা পর্যন্ত ওই ব্যবসায়ীর ব্যবসা বন্ধ রাখার জন্য লিখিত মুচলেকা রাখা হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত জ্বালানি তেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির জন্য স্থানীয় এক সমাজ সেবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩২
বরিশালের বানারীপাড়ায় স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে মারিয়া আক্তার (১৮) নামের এক সন্তানের জননীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃত্যু হয়। জানা গেছে, বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের
বাসিন্দা কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়। তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
জীবিকার তাগিদে তারা রাজধানী ঢাকায় নন্দীপাড়ার ছোট বটতলা নামক এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা গাড়ি চালান।
নিহত মারিয়ার বাবা কবির হাওলাদার অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকা দাবি পূরণ ও বিয়ের সময়ে প্রতিশ্রুত স্বর্নের কানের দুল দিতে না পারা এবং মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রবিউল স্ত্রী মারিয়াকে মানসিক ও শারিরীকভাবে নির্যাতন করতেন।
স্ত্রীকে নির্যাতনে রবিউলকে তার মা ও বোন ইন্ধন যোগাতেন। রমজান মাসে রবিউল তার স্ত্রী মারিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন।
চা দোকানী দরিদ্র বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং বাসায় বসে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় ,গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা স্ত্রী মারিয়াকে অমানবিকভাবে মারধর করে। এ সময় পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। , এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের পরে তাকে কোন চিকিৎসাও করানো হয়নি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারনে বাসায় রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফা তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার খবর পেয়ে তার মা হাফিজা বেগম ঢাকায় ছুঁটে যান। সেখান থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুরুতর আহত মারিয়াকে বানারীপাড়ায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় স্বামী,শাশুড়ি ও ননদকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়েরর প্রস্তুতি চলছে।
পৈশাচিক নির্যাতনে হত্যার এ ঘটনায় নিহতের বাবা-মাসহ পরিবার দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এলাকাজুড়ে এ নির্মম হত্যাকান্ডের ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় বইছে।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।
বরিশালের বানারীপাড়ায় স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে মারিয়া আক্তার (১৮) নামের এক সন্তানের জননীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃত্যু হয়। জানা গেছে, বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের
বাসিন্দা কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়। তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
জীবিকার তাগিদে তারা রাজধানী ঢাকায় নন্দীপাড়ার ছোট বটতলা নামক এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা গাড়ি চালান।
নিহত মারিয়ার বাবা কবির হাওলাদার অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকা দাবি পূরণ ও বিয়ের সময়ে প্রতিশ্রুত স্বর্নের কানের দুল দিতে না পারা এবং মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রবিউল স্ত্রী মারিয়াকে মানসিক ও শারিরীকভাবে নির্যাতন করতেন।
স্ত্রীকে নির্যাতনে রবিউলকে তার মা ও বোন ইন্ধন যোগাতেন। রমজান মাসে রবিউল তার স্ত্রী মারিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন।
চা দোকানী দরিদ্র বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং বাসায় বসে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় ,গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা স্ত্রী মারিয়াকে অমানবিকভাবে মারধর করে। এ সময় পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। , এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের পরে তাকে কোন চিকিৎসাও করানো হয়নি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারনে বাসায় রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফা তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার খবর পেয়ে তার মা হাফিজা বেগম ঢাকায় ছুঁটে যান। সেখান থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুরুতর আহত মারিয়াকে বানারীপাড়ায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় স্বামী,শাশুড়ি ও ননদকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়েরর প্রস্তুতি চলছে।
পৈশাচিক নির্যাতনে হত্যার এ ঘটনায় নিহতের বাবা-মাসহ পরিবার দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এলাকাজুড়ে এ নির্মম হত্যাকান্ডের ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় বইছে।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৩৮
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ নাজিরপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুটি গাভীর করুন মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গাভী দুটির এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
এসময় এর মালিক অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। উন্নত জাতের গাভী দুটির মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। গাভী দুটির মালিক মোঃ বাচ্চু বেপারী জানান, তার টিনকাঠের ঘরের বারান্দায় অবস্থিত গোয়ালঘরের বিদ্যুতের তার তিনি অসাবধানবশত খুলে রেখেছিলেন।
টিনকাঠের ঘরের সামনে তার নতুন পাকা ভবন নির্মাণকাজের জন্য তিনি গোয়াল ঘরের লাইটের সরঞ্জাম খুলে সেখানে সেট করেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে ঝড়ে গোয়াল ঘরের সেই খোলা তার পড়ে টিনের বেড়া বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোর ৬টার দিকে গরুর ডাক শুনে বাচ্চু গোয়ালঘরে ছুঁটে গিয়ে দুটি গাভীকে ফ্লোরে ছটফট করতে দেখেন। গাভীর কাছে গেলে এসময় তিনিও বিদ্যুৎ স্পর্শের শিকার হলে তার ছেলে তাৎক্ষনিক লাইন খুলে ফেলায় প্রাণে রক্ষা পান। গোয়ালের দুটি গাভী মারা গেলেও দুটি বাছুর ও একটি গাভী অক্ষত রয়েছে। এদিকে জীবিকার মাধ্যম প্রিয় গাভী দুটিকে হারিয়ে বাচ্চু ও তার পরিবারের কান্না-আহাজারীতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ নাজিরপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুটি গাভীর করুন মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গাভী দুটির এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
এসময় এর মালিক অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। উন্নত জাতের গাভী দুটির মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। গাভী দুটির মালিক মোঃ বাচ্চু বেপারী জানান, তার টিনকাঠের ঘরের বারান্দায় অবস্থিত গোয়ালঘরের বিদ্যুতের তার তিনি অসাবধানবশত খুলে রেখেছিলেন।
টিনকাঠের ঘরের সামনে তার নতুন পাকা ভবন নির্মাণকাজের জন্য তিনি গোয়াল ঘরের লাইটের সরঞ্জাম খুলে সেখানে সেট করেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে ঝড়ে গোয়াল ঘরের সেই খোলা তার পড়ে টিনের বেড়া বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোর ৬টার দিকে গরুর ডাক শুনে বাচ্চু গোয়ালঘরে ছুঁটে গিয়ে দুটি গাভীকে ফ্লোরে ছটফট করতে দেখেন। গাভীর কাছে গেলে এসময় তিনিও বিদ্যুৎ স্পর্শের শিকার হলে তার ছেলে তাৎক্ষনিক লাইন খুলে ফেলায় প্রাণে রক্ষা পান। গোয়ালের দুটি গাভী মারা গেলেও দুটি বাছুর ও একটি গাভী অক্ষত রয়েছে। এদিকে জীবিকার মাধ্যম প্রিয় গাভী দুটিকে হারিয়ে বাচ্চু ও তার পরিবারের কান্না-আহাজারীতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.