
১৭ মে, ২০২৬ ১৪:৫১
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং ডিমের বরাদ্দ ভাগাভাগি নিয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে দুটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকের আলাপচারিতা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
গত মঙ্গলবার বিষয়টি জানাজানি হলেও রোববার (১০ মে) ঘটেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ৩ সদস্যের গঠিত কমিটি তদন্ত শুরু করেছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ৯ মিনিট ৫৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি উপজেলার ৫৬ নম্বর মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে ধারণ করা।
এতে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. নাসির উদ্দীন ও ৬৫ নম্বর সূর্যমনি নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমানের সঙ্গে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার সরবরাহকারী ভোলার বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ উন্নয়নের ঠিকাদার নুরুন্নবীসহ কয়েকজনকে দেখা যায়।
ভিডিওর শুরুতেই দুই প্রধান শিক্ষককে ধূমপান করতে দেখা যায়। এ সময় ঠিকাদার নুরুন্নবী শিডিউল অনুযায়ী সরবরাহ ও ডিম বণ্টন নিয়ে কথা বলছিলেন। এক পর্যায়ে ১২ হাজার ছাত্রের জন্য ১৮ হাজার ডিমের বরাদ্দ ও ব্যবহার নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ করেন তারা। এতে দুই শিক্ষক অতিরিক্ত ছয় হাজার ডিম বা সমপরিমাণ ডিমের টাকা কীভাবে ভাগবাঁটোয়ারা করবেন, এ নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়। শিক্ষকরা ঠিকাদারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সমন্বয়ের প্রস্তাব দেন। ঠিকাদার শিডিউল অনুযায়ী কাজ করার পক্ষে অবস্থান নেন। তিনি নিয়মবহির্ভূত কোনো কাজে নিজেকে না জড়ানোর কথা বলেন।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নাসির উদ্দীনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সূর্যমনি নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমানের দাবি, ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাদের কথোপকথনকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এ বিষয়টি তদন্তাধীন জানিয়ে আর মন্তব্য করতে চাননি তিনি। ঠিকাদার নুরুন্নবীর সঙ্গে কয়েক দফায় চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পিরোজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোল্লা বখতিয়ার রহমান জানান, প্রধান শিক্ষক ও ঠিকাদারের মধ্যে কথোপকথন সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার বিষয় নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। কমিটির কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার জানান, ভাইরাল হওয়া ভিডিওর বিষয় নিয়ে জেলা পর্যায়ে তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে এবং তাদের প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের নিকট দাখিল করা হবে। পাশাপাশি উপজেলায় ফিডিং কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং ডিমের বরাদ্দ ভাগাভাগি নিয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে দুটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকের আলাপচারিতা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
গত মঙ্গলবার বিষয়টি জানাজানি হলেও রোববার (১০ মে) ঘটেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ৩ সদস্যের গঠিত কমিটি তদন্ত শুরু করেছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ৯ মিনিট ৫৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি উপজেলার ৫৬ নম্বর মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে ধারণ করা।
এতে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. নাসির উদ্দীন ও ৬৫ নম্বর সূর্যমনি নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমানের সঙ্গে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার সরবরাহকারী ভোলার বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ উন্নয়নের ঠিকাদার নুরুন্নবীসহ কয়েকজনকে দেখা যায়।
ভিডিওর শুরুতেই দুই প্রধান শিক্ষককে ধূমপান করতে দেখা যায়। এ সময় ঠিকাদার নুরুন্নবী শিডিউল অনুযায়ী সরবরাহ ও ডিম বণ্টন নিয়ে কথা বলছিলেন। এক পর্যায়ে ১২ হাজার ছাত্রের জন্য ১৮ হাজার ডিমের বরাদ্দ ও ব্যবহার নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ করেন তারা। এতে দুই শিক্ষক অতিরিক্ত ছয় হাজার ডিম বা সমপরিমাণ ডিমের টাকা কীভাবে ভাগবাঁটোয়ারা করবেন, এ নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়। শিক্ষকরা ঠিকাদারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সমন্বয়ের প্রস্তাব দেন। ঠিকাদার শিডিউল অনুযায়ী কাজ করার পক্ষে অবস্থান নেন। তিনি নিয়মবহির্ভূত কোনো কাজে নিজেকে না জড়ানোর কথা বলেন।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নাসির উদ্দীনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সূর্যমনি নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমানের দাবি, ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাদের কথোপকথনকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এ বিষয়টি তদন্তাধীন জানিয়ে আর মন্তব্য করতে চাননি তিনি। ঠিকাদার নুরুন্নবীর সঙ্গে কয়েক দফায় চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পিরোজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোল্লা বখতিয়ার রহমান জানান, প্রধান শিক্ষক ও ঠিকাদারের মধ্যে কথোপকথন সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার বিষয় নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। কমিটির কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার জানান, ভাইরাল হওয়া ভিডিওর বিষয় নিয়ে জেলা পর্যায়ে তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে এবং তাদের প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের নিকট দাখিল করা হবে। পাশাপাশি উপজেলায় ফিডিং কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

১৭ মে, ২০২৬ ১২:৪১
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় দুর্বৃত্তরা একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ২-৩ লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৫ মে) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড গোলবুনিয়া সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশে মোহাম্মদ ফজলুল হক আকনের পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।
ফজলুল হক আকন জানান, পুকুরে পাঙ্গাস, তেলাপিয়া, সিলভার কাপ ,পুঁটিসহ দেশীয় বিভিন্ন জাতের মাছ চাষ করেছি। এতে আমার প্রায় ৫-৬ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। কিছু দিনের মধ্যেই মাছগুলো বাজারে বিক্রির উপযোগী হয়ে উঠতো।
বাড়ির পাশের কিছু লোকজন জমি সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পুকুরে বিষ দিয়েছে। এই পুকুরের পানি স্থানীয় ৩০ থেকে ৩৫টি পরিবার এবং আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা এই পুকুরের পানি পান করেন। পাশে একটি মসজিদ রয়েছে এখান থেকে ওযু করেন। আইনি সহায়তার জন্য থানায় অভিযোগ দিবেন জানান তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কিছুক্ষণ পরপর পুকুরের মাছ মরে ভেসে উঠে। পুকুরে বিষ প্রয়োগের কারণেই সব মাছ মরে ভেসে উঠেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তারা এই পুকুর থেকে পানি সংগ্রহ করে পান করতেন।
আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড গোলবুনিয়ার গ্রাম পুলিশ আশীষ দর্জি জানান, কারা রাতের আঁধারে বিষ দিয়েছে এখনো জানা যায়নি। তবে আমরা তদন্ত করে বিষয়টি সামনে আনার চেষ্টা করছি।
আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ জানান, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে এসেছি। এসে দেখি দুর্বৃত্তরা পুকুরে বিষ দিয়েছে অনেক মাছ মারা গেছে। পুকুরের পাশে একটি মসজিদ রয়েছে এখানে মুসল্লিরা ওযু করেন এবং এলাকাবাসী এই পুকুর থেকে পানি সংগ্রহ করে পান করেন।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় দুর্বৃত্তরা একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ২-৩ লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৫ মে) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড গোলবুনিয়া সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশে মোহাম্মদ ফজলুল হক আকনের পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।
ফজলুল হক আকন জানান, পুকুরে পাঙ্গাস, তেলাপিয়া, সিলভার কাপ ,পুঁটিসহ দেশীয় বিভিন্ন জাতের মাছ চাষ করেছি। এতে আমার প্রায় ৫-৬ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। কিছু দিনের মধ্যেই মাছগুলো বাজারে বিক্রির উপযোগী হয়ে উঠতো।
বাড়ির পাশের কিছু লোকজন জমি সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পুকুরে বিষ দিয়েছে। এই পুকুরের পানি স্থানীয় ৩০ থেকে ৩৫টি পরিবার এবং আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা এই পুকুরের পানি পান করেন। পাশে একটি মসজিদ রয়েছে এখান থেকে ওযু করেন। আইনি সহায়তার জন্য থানায় অভিযোগ দিবেন জানান তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কিছুক্ষণ পরপর পুকুরের মাছ মরে ভেসে উঠে। পুকুরে বিষ প্রয়োগের কারণেই সব মাছ মরে ভেসে উঠেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তারা এই পুকুর থেকে পানি সংগ্রহ করে পান করতেন।
আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড গোলবুনিয়ার গ্রাম পুলিশ আশীষ দর্জি জানান, কারা রাতের আঁধারে বিষ দিয়েছে এখনো জানা যায়নি। তবে আমরা তদন্ত করে বিষয়টি সামনে আনার চেষ্টা করছি।
আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ জানান, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে এসেছি। এসে দেখি দুর্বৃত্তরা পুকুরে বিষ দিয়েছে অনেক মাছ মারা গেছে। পুকুরের পাশে একটি মসজিদ রয়েছে এখানে মুসল্লিরা ওযু করেন এবং এলাকাবাসী এই পুকুর থেকে পানি সংগ্রহ করে পান করেন।

১৬ মে, ২০২৬ ২০:০০
সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে পিরোজপুরে জার্নালিজম ফর সুন্দরবনস শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (১৬ মে) বেসরকারি সংস্থা রূপান্তরের আয়োজনে পিরোজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
Reducing Pollution and Improving the Ecology of the Sundarbans প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। সভায় সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, দূষণ কমানো এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
পিরোজপুর সুন্দরবন জার্নালিজম ফোরামের সদস্য সিনিয়র সাংবাদিক খালিদ আবু এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ফসিউল ইসলাম বাচ্চু, মোঃ খেলাফত হোসেন খসরু, মোঃ জিয়াউল হক, ইমাম হোসেন মাসুদ, হাসান মামুন, মো: তামিম সরদার, নাসির উদ্দিন, নাঈম তালুকদার, মোঃ আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সুন্দরবন দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের পরিবেশ সংরক্ষণে সাংবাদিকদের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সুন্দরবনকেন্দ্রিক সংবাদ প্রকাশে গুরুত্বারোপ করেন ।
প্লাস্টিক দূষণ রোধ এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে নিজেদের ধারনাকে বাড়িয়ে তোলা এবং সুন্দরবনের পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সমূহ ও বিভিন্ন স্টক হোল্ডারদের সাথে কার্যকরী যোগাযোগ ও এ্যাডভোকেসি করার কৌশল রপ্ত করাসহ পাঁচটি জেলার ১৭ টি উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকাজুড়ে সুন্দরবনের পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে সক্রিয় উদ্যোগ নেওয়ার কৌশল সম্পর্কে নিজেদের দক্ষতা সম্পর্কে আলোচনা করা যায়।
সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে পিরোজপুরে জার্নালিজম ফর সুন্দরবনস শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (১৬ মে) বেসরকারি সংস্থা রূপান্তরের আয়োজনে পিরোজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
Reducing Pollution and Improving the Ecology of the Sundarbans প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। সভায় সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, দূষণ কমানো এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
পিরোজপুর সুন্দরবন জার্নালিজম ফোরামের সদস্য সিনিয়র সাংবাদিক খালিদ আবু এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ফসিউল ইসলাম বাচ্চু, মোঃ খেলাফত হোসেন খসরু, মোঃ জিয়াউল হক, ইমাম হোসেন মাসুদ, হাসান মামুন, মো: তামিম সরদার, নাসির উদ্দিন, নাঈম তালুকদার, মোঃ আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সুন্দরবন দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের পরিবেশ সংরক্ষণে সাংবাদিকদের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সুন্দরবনকেন্দ্রিক সংবাদ প্রকাশে গুরুত্বারোপ করেন ।
প্লাস্টিক দূষণ রোধ এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে নিজেদের ধারনাকে বাড়িয়ে তোলা এবং সুন্দরবনের পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সমূহ ও বিভিন্ন স্টক হোল্ডারদের সাথে কার্যকরী যোগাযোগ ও এ্যাডভোকেসি করার কৌশল রপ্ত করাসহ পাঁচটি জেলার ১৭ টি উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকাজুড়ে সুন্দরবনের পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে সক্রিয় উদ্যোগ নেওয়ার কৌশল সম্পর্কে নিজেদের দক্ষতা সম্পর্কে আলোচনা করা যায়।

১৬ মে, ২০২৬ ১৪:৩২
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার মিয়ারহাট বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭টি দোকান ও একটি দোতলা ভবন সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় মৎস্য শিকারের সুতা-রশির মোকাম, কীটনাশক, সার ও মুদিপণ্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ কোটি কোটি টাকার মালামাল ভস্মীভূত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৫ কোটি টাকা বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগুন লাগার পরপরই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নেছারাবাদ ইউনিটের দুটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এ সময় নেছারাবাদ থানা পুলিশ, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ আগুন নেভানোর কাজে সহযোগিতা করেন।
প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে ১৭টি দোকান ও একটি দোতলা ভবন সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডে ফায়ার সার্ভিসের এক সদস্যসহ অন্তত চারজন আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।
সুতা-রশির ব্যবসায়ী বশির হোসেন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার জীবনের সব সঞ্চয় এই দোকানে ছিল। মুহূর্তের মধ্যে সব শেষ হয়ে গেছে। এখন পরিবার নিয়ে কীভাবে দাঁড়াব বুঝতে পারছি না।
কীটনাশক ও সার ব্যবসায়ী রিয়াদ কাজী বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকির মধ্যে ব্যবসা করে আসছি। আগুন লাগার পর কিছুই বের করতে পারিনি। কোটি টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।
জাহাজ ও ট্রলারের দড়ি ব্যবসায়ী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, গত বছরও একই গলিতে ভয়াবহ আগুনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। কিন্তু স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বারবার এমন ঘটনা ব্যবসায়ীদের পথে বসিয়ে দিচ্ছে।
বরিশাল বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তবে দাহ্য পদার্থ বেশি থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট অথবা কীটনাশকের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে বন্দর এলাকায় অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।
নেছারাবাদ থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে জানমাল রক্ষা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, মিয়ারহাট বন্দরে প্রায় দুই হাজারের বেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। গত বছর একই বন্দরের একই গলিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৮টি দোকান পুড়ে যায়।
সেই ঘটনার মাত্র কয়েকশ ফুট দূরে আবারও আগুন লাগায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারি ক্ষতিপূরণ, আধুনিক অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং মিয়ারহাট বন্দরে স্থায়ী ফায়ার স্টেশন স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার মিয়ারহাট বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭টি দোকান ও একটি দোতলা ভবন সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় মৎস্য শিকারের সুতা-রশির মোকাম, কীটনাশক, সার ও মুদিপণ্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ কোটি কোটি টাকার মালামাল ভস্মীভূত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৫ কোটি টাকা বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগুন লাগার পরপরই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নেছারাবাদ ইউনিটের দুটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এ সময় নেছারাবাদ থানা পুলিশ, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ আগুন নেভানোর কাজে সহযোগিতা করেন।
প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে ১৭টি দোকান ও একটি দোতলা ভবন সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডে ফায়ার সার্ভিসের এক সদস্যসহ অন্তত চারজন আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।
সুতা-রশির ব্যবসায়ী বশির হোসেন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার জীবনের সব সঞ্চয় এই দোকানে ছিল। মুহূর্তের মধ্যে সব শেষ হয়ে গেছে। এখন পরিবার নিয়ে কীভাবে দাঁড়াব বুঝতে পারছি না।
কীটনাশক ও সার ব্যবসায়ী রিয়াদ কাজী বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকির মধ্যে ব্যবসা করে আসছি। আগুন লাগার পর কিছুই বের করতে পারিনি। কোটি টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।
জাহাজ ও ট্রলারের দড়ি ব্যবসায়ী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, গত বছরও একই গলিতে ভয়াবহ আগুনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। কিন্তু স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বারবার এমন ঘটনা ব্যবসায়ীদের পথে বসিয়ে দিচ্ছে।
বরিশাল বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তবে দাহ্য পদার্থ বেশি থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট অথবা কীটনাশকের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে বন্দর এলাকায় অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।
নেছারাবাদ থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে জানমাল রক্ষা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, মিয়ারহাট বন্দরে প্রায় দুই হাজারের বেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। গত বছর একই বন্দরের একই গলিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৮টি দোকান পুড়ে যায়।
সেই ঘটনার মাত্র কয়েকশ ফুট দূরে আবারও আগুন লাগায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারি ক্ষতিপূরণ, আধুনিক অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং মিয়ারহাট বন্দরে স্থায়ী ফায়ার স্টেশন স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.