
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১০
পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দীন মহারাজ, তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম এবং ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় পিরোজপুরে মামলাগুলো দায়ের করা হয়। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে পিরোজপুর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন ও মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। মামলাগুলোর অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম। তদন্ত কর্মকর্তা পরে নিয়োগ করা হবে।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মো. মহিউদ্দীন মহারাজ তার নামে ১২২টি দলিলে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট ও দোকান ক্রয় করেন। এসব স্থাবর সম্পদের মূল্য প্রায় ২৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
এ ছাড়া ব্যাংকে সঞ্চয়, ব্যবসার মূলধন, কোম্পানির শেয়ার ক্রয় ও দুটি বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়সহ প্রায় ১৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এভাবে তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। একই সময়ে পারিবারিক ব্যয় হিসেবে পাওয়া যায় প্রায় ১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। ফলে মোট সম্পদ ও ব্যয় মিলিয়ে তার সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৫৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
অন্যদিকে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে, মাত্র ৩ কোটি ৫১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৫১ কোটি ২৭ লাখ ৩২ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের একাধিক শাখার মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও বিনিয়োগের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগও আনা হয়েছে।
দুদকের আরেক মামলায় মহিউদ্দীন মহারাজের স্ত্রী উম্মে কুলসুমের বিরুদ্ধে প্রায় ৯ কোটি ৫ লাখ, ৭২ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ২ কোটি ৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৬ কোটি ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়, নগদ অর্থ ও ব্যবসার মূলধনসহ তার নামে উল্লেখযোগ্য অস্থাবর সম্পদের তথ্যও পাওয়া গেছে। ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ১ কোটি ৫১ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ ৫৩ হাজার টাকার সম্পদ অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
দুদক জানিয়েছে, ইফতি একজন ছাত্র হওয়ায় তার নিজস্ব আয়ের উৎস নেই। তার নামে থাকা সম্পদের বড় অংশই মহিউদ্দীন মহারাজের অবৈধ আয়ের অর্থ থেকে অর্জিত এবং অবৈধ সম্পদের উৎস গোপনের উদ্দেশ্যে তার নামে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পিরোজপুরের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের পারমিশন পিটিশনের আদেশ অনুযায়ী মহিউদ্দীন মহারাজ ও স্ত্রী-ছেলের নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ইতোমধ্যে ক্রোক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে।
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ মামলার তদন্তে আরও সম্পদের তথ্য সামনে আসতে পারে। রাজনীতি ও ভুয়া প্রকল্পের আড়ালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে মহারাজ পরিবার বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছে কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারে অংশ নিয়ে কার্যাদেশ গ্রহণের পর কাজ না করেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদক পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে মহিউদ্দীন মহারাজ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করেন। সেসব মামলাও বর্তমানে তদন্তাধীন।
পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দীন মহারাজ, তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম এবং ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় পিরোজপুরে মামলাগুলো দায়ের করা হয়। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে পিরোজপুর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন ও মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। মামলাগুলোর অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম। তদন্ত কর্মকর্তা পরে নিয়োগ করা হবে।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মো. মহিউদ্দীন মহারাজ তার নামে ১২২টি দলিলে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট ও দোকান ক্রয় করেন। এসব স্থাবর সম্পদের মূল্য প্রায় ২৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
এ ছাড়া ব্যাংকে সঞ্চয়, ব্যবসার মূলধন, কোম্পানির শেয়ার ক্রয় ও দুটি বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়সহ প্রায় ১৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এভাবে তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। একই সময়ে পারিবারিক ব্যয় হিসেবে পাওয়া যায় প্রায় ১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। ফলে মোট সম্পদ ও ব্যয় মিলিয়ে তার সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৫৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
অন্যদিকে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে, মাত্র ৩ কোটি ৫১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৫১ কোটি ২৭ লাখ ৩২ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের একাধিক শাখার মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও বিনিয়োগের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগও আনা হয়েছে।
দুদকের আরেক মামলায় মহিউদ্দীন মহারাজের স্ত্রী উম্মে কুলসুমের বিরুদ্ধে প্রায় ৯ কোটি ৫ লাখ, ৭২ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ২ কোটি ৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৬ কোটি ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়, নগদ অর্থ ও ব্যবসার মূলধনসহ তার নামে উল্লেখযোগ্য অস্থাবর সম্পদের তথ্যও পাওয়া গেছে। ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ১ কোটি ৫১ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ ৫৩ হাজার টাকার সম্পদ অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
দুদক জানিয়েছে, ইফতি একজন ছাত্র হওয়ায় তার নিজস্ব আয়ের উৎস নেই। তার নামে থাকা সম্পদের বড় অংশই মহিউদ্দীন মহারাজের অবৈধ আয়ের অর্থ থেকে অর্জিত এবং অবৈধ সম্পদের উৎস গোপনের উদ্দেশ্যে তার নামে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পিরোজপুরের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের পারমিশন পিটিশনের আদেশ অনুযায়ী মহিউদ্দীন মহারাজ ও স্ত্রী-ছেলের নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ইতোমধ্যে ক্রোক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে।
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ মামলার তদন্তে আরও সম্পদের তথ্য সামনে আসতে পারে। রাজনীতি ও ভুয়া প্রকল্পের আড়ালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে মহারাজ পরিবার বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছে কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারে অংশ নিয়ে কার্যাদেশ গ্রহণের পর কাজ না করেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদক পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে মহিউদ্দীন মহারাজ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করেন। সেসব মামলাও বর্তমানে তদন্তাধীন।
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৫
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৭
পিরোজপুর সদর উপজেলায় ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু ধর্ষণ অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পিরোজপুর এর বিচারক এস এম মনিরুজ্জামান এ রায় দেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) পাবলিক প্রসিকিউট (পিপি) অ্যাডভোকেট শাহজাহান সরদার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলার প্রধান আসামি মিলন শেখকে ধর্ষণের অপরাধে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। অন্য দুই আসামি অলি গাজী ও মারুফ গাজী কিশোরী ভিকটিমকে অপহরণের অপরাধে প্রত্যেককে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায় তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
আসামিরা হলেন- মিলন শেখ (২৮) নাজিরপুর উপজেলা চৌঠাই মহল এলাকার বেলায়েত শেখের পুত্র। এ ছাড়াও আসামি অলি গাজী (২৪) পিরোজপুর সদর উপজেলার সিকদার মল্লিক এলাকার মৃত আকতার গাজীর পুত্র। আসামি মারুফ গাজী (২৫) নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া এলাকার সাহেব গাজীর পুত্র।
ভিকটিম সনাতন ধর্মাবলম্বী ১৩ বছরের কিশোরী পিরোজপুর সদর উপজেলার পশ্চিম কদমতলা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। সে কদমতলা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৩ মার্চ ভিকটিম নাজিরপুরের চৌঠাই মহল এলাকায় মামাবাড়ি থেকে পিরোজপুর শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে আসলে দুই আসামি অলি গাজী ও মারুফ গাজী তাকে অপহরণ করে কৃষ্ণনগর এলাকায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে তারা খুলনায় মিলন শেখের কাছে পৌঁছে দিলে মিলন বিয়ের নাটক সাজিয়ে মুসলিম বানিয়ে গোপালগঞ্জে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ২০ থেকে ২২ দিন আটকে রেখে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে কিশোরী সুযোগ পেয়ে পাশের বাসায় গিয়ে আশ্রয় নিয়ে তার বাড়িতে বাবাকে ফোন করলে পুলিশ নিয়ে তার বাবা মেয়েকে উদ্ধার করে। পরে তার বাবা বাদী হয়ে পিরোজপুর সদর থানায় একটি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
মামলার বাদী বলেন, মেয়েকে জোরপূর্বক অপহরণ করে ২ আসামি অলি গাজী ও মারুফ গাজী নিয়ে প্রধান আসামী মিলন শেখ এর হাতে তুলে দেয়। মিলন শেখ জোরপূর্বক বিয়ের নাটক সাজিয়ে নিয়ে আটকে রাখে। দীর্ঘ ২২ দিন পরে আমরা মেয়েকে উদ্ধার করি। মিলন শেখসহ বাকি ২ আসনের উপযুক্ত শাস্তি পেয়েছে বলে মনে করছি উচ্চ আদালতেও যেন এ রায় বহাল থাকে।
দীর্ঘ শুনানির পর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু ধর্ষণ অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পিরোজপুর এর বিচারক এস এম মনিরুজ্জামান এ রায় দেন।
পাবলিক প্রসিকিউট (পিপি) অ্যাডভোকেট শাজাহান সরদার জানান, ১৩ বছর বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। রায় পেয়ে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুর সদর উপজেলায় ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু ধর্ষণ অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পিরোজপুর এর বিচারক এস এম মনিরুজ্জামান এ রায় দেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) পাবলিক প্রসিকিউট (পিপি) অ্যাডভোকেট শাহজাহান সরদার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলার প্রধান আসামি মিলন শেখকে ধর্ষণের অপরাধে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। অন্য দুই আসামি অলি গাজী ও মারুফ গাজী কিশোরী ভিকটিমকে অপহরণের অপরাধে প্রত্যেককে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায় তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
আসামিরা হলেন- মিলন শেখ (২৮) নাজিরপুর উপজেলা চৌঠাই মহল এলাকার বেলায়েত শেখের পুত্র। এ ছাড়াও আসামি অলি গাজী (২৪) পিরোজপুর সদর উপজেলার সিকদার মল্লিক এলাকার মৃত আকতার গাজীর পুত্র। আসামি মারুফ গাজী (২৫) নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া এলাকার সাহেব গাজীর পুত্র।
ভিকটিম সনাতন ধর্মাবলম্বী ১৩ বছরের কিশোরী পিরোজপুর সদর উপজেলার পশ্চিম কদমতলা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। সে কদমতলা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৩ মার্চ ভিকটিম নাজিরপুরের চৌঠাই মহল এলাকায় মামাবাড়ি থেকে পিরোজপুর শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে আসলে দুই আসামি অলি গাজী ও মারুফ গাজী তাকে অপহরণ করে কৃষ্ণনগর এলাকায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে তারা খুলনায় মিলন শেখের কাছে পৌঁছে দিলে মিলন বিয়ের নাটক সাজিয়ে মুসলিম বানিয়ে গোপালগঞ্জে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ২০ থেকে ২২ দিন আটকে রেখে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে কিশোরী সুযোগ পেয়ে পাশের বাসায় গিয়ে আশ্রয় নিয়ে তার বাড়িতে বাবাকে ফোন করলে পুলিশ নিয়ে তার বাবা মেয়েকে উদ্ধার করে। পরে তার বাবা বাদী হয়ে পিরোজপুর সদর থানায় একটি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
মামলার বাদী বলেন, মেয়েকে জোরপূর্বক অপহরণ করে ২ আসামি অলি গাজী ও মারুফ গাজী নিয়ে প্রধান আসামী মিলন শেখ এর হাতে তুলে দেয়। মিলন শেখ জোরপূর্বক বিয়ের নাটক সাজিয়ে নিয়ে আটকে রাখে। দীর্ঘ ২২ দিন পরে আমরা মেয়েকে উদ্ধার করি। মিলন শেখসহ বাকি ২ আসনের উপযুক্ত শাস্তি পেয়েছে বলে মনে করছি উচ্চ আদালতেও যেন এ রায় বহাল থাকে।
দীর্ঘ শুনানির পর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু ধর্ষণ অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পিরোজপুর এর বিচারক এস এম মনিরুজ্জামান এ রায় দেন।
পাবলিক প্রসিকিউট (পিপি) অ্যাডভোকেট শাজাহান সরদার জানান, ১৩ বছর বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। রায় পেয়ে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি।
বরিশাল টাইমস

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১১:৪২
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য চালু হওয়া স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে শুরুতেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত মানের চেয়ে ছোট ডিম এবং পচা-আধাপাকা কলা বিতরণের ঘটনায় অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
সরকারি অর্থায়নে ‘গ্রাম উন্নয়ন সংস্থা’ নামক একটি বেসরকারি এনজিও উপজেলার ১৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। গত রোববার প্রথম দিনে প্যাকেটজাত বনরুটি ও ডিম দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হলেও প্রথম দিনেই বাধে বিপত্তি।
অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ৬০ গ্রাম ওজনের সিদ্ধ ডিম দেওয়ার কথা থাকলেও সরবরাহ করা হয়েছে মাত্র ৪০ থেকে ৪২ গ্রাম ওজনের অতি ক্ষুদ্র আকারের ডিম।
কর্মসূচির নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী, সোমবার (৩০ মার্চ) ১২০ গ্রাম বনরুটি ও ২০০ মিলিলিটার দুধ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শিক্ষার্থীদের দুধের বদলে দেওয়া হয়েছে নিম্নমানের কলা। শিক্ষকদের অভিযোগ, সরবরাহকৃত কলার বড় অংশই ছিল পচা, আধাপাকা বা কালো দাগযুক্ত, যা শিশুদের খাওয়ার অনুপযোগী।
উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সীমা রানী হালদার বলেন, সরবরাহকৃত কলার মধ্যে বেশ কিছু কলা আধাপাকা ছিল এবং কালো দাগ ছিল। এছাড়া আগের দিন দেওয়া ডিমের মধ্যেও অনেকগুলো ছিল খুবই ছোট।
দক্ষিণ কামারকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অশোক কুমার দাস বলেন, তালিকায় রুটি ও দুধ দেওয়ার কথা থাকলেও তারা দুধ দিতে পারেনি। সরবরাহ নেই বলে শুধু রুটি দিয়েছে। আবার বুধবারের জন্য নির্ধারিত কলা সোমবার দিয়ে গেছে।
বাস্তবায়নকারী সংস্থা ‘গ্রাম উন্নয়ন সংস্থা’র প্রতিনিধি মো. ওয়াসিফ বলেন, এত বড় উপজেলায় একসঙ্গে খাবার সরবরাহ করা কিছুটা কঠিন। শুরুর দিকে কিছু ভুলভ্রান্তি হতে পারে। দূর থেকে পরিবহনের কারণে কলায় কিছু সমস্যা হয়েছে।
নেছারাবাদ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার জসিম আহমদ বলেন, খাদ্য তালিকায় দুধ নিয়ে কিছুটা সমস্যা আছে, তবে সে ক্ষেত্রে বিকল্প কিছু দেওয়া হতে পারে।
তালিকায় কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। স্থানীয় অভিভাবকদের দাবি, শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিতের এই সরকারি প্রজেক্টে যারা নিম্নমানের খাবার দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য চালু হওয়া স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে শুরুতেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত মানের চেয়ে ছোট ডিম এবং পচা-আধাপাকা কলা বিতরণের ঘটনায় অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
সরকারি অর্থায়নে ‘গ্রাম উন্নয়ন সংস্থা’ নামক একটি বেসরকারি এনজিও উপজেলার ১৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। গত রোববার প্রথম দিনে প্যাকেটজাত বনরুটি ও ডিম দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হলেও প্রথম দিনেই বাধে বিপত্তি।
অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ৬০ গ্রাম ওজনের সিদ্ধ ডিম দেওয়ার কথা থাকলেও সরবরাহ করা হয়েছে মাত্র ৪০ থেকে ৪২ গ্রাম ওজনের অতি ক্ষুদ্র আকারের ডিম।
কর্মসূচির নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী, সোমবার (৩০ মার্চ) ১২০ গ্রাম বনরুটি ও ২০০ মিলিলিটার দুধ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শিক্ষার্থীদের দুধের বদলে দেওয়া হয়েছে নিম্নমানের কলা। শিক্ষকদের অভিযোগ, সরবরাহকৃত কলার বড় অংশই ছিল পচা, আধাপাকা বা কালো দাগযুক্ত, যা শিশুদের খাওয়ার অনুপযোগী।
উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সীমা রানী হালদার বলেন, সরবরাহকৃত কলার মধ্যে বেশ কিছু কলা আধাপাকা ছিল এবং কালো দাগ ছিল। এছাড়া আগের দিন দেওয়া ডিমের মধ্যেও অনেকগুলো ছিল খুবই ছোট।
দক্ষিণ কামারকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অশোক কুমার দাস বলেন, তালিকায় রুটি ও দুধ দেওয়ার কথা থাকলেও তারা দুধ দিতে পারেনি। সরবরাহ নেই বলে শুধু রুটি দিয়েছে। আবার বুধবারের জন্য নির্ধারিত কলা সোমবার দিয়ে গেছে।
বাস্তবায়নকারী সংস্থা ‘গ্রাম উন্নয়ন সংস্থা’র প্রতিনিধি মো. ওয়াসিফ বলেন, এত বড় উপজেলায় একসঙ্গে খাবার সরবরাহ করা কিছুটা কঠিন। শুরুর দিকে কিছু ভুলভ্রান্তি হতে পারে। দূর থেকে পরিবহনের কারণে কলায় কিছু সমস্যা হয়েছে।
নেছারাবাদ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার জসিম আহমদ বলেন, খাদ্য তালিকায় দুধ নিয়ে কিছুটা সমস্যা আছে, তবে সে ক্ষেত্রে বিকল্প কিছু দেওয়া হতে পারে।
তালিকায় কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। স্থানীয় অভিভাবকদের দাবি, শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিতের এই সরকারি প্রজেক্টে যারা নিম্নমানের খাবার দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৮:০৭
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় বাস কাউন্টার, এলপি গ্যাসের দোকান ও তরমুজের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান।
শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ঘোষেরহাট বাজারের বাস কাউন্টার ও চন্ডিপুর বাজারের বাস কাউন্টারসহ এসব বাজারের এলপি গ্যাস এবং তরমুজের দোকানে এ অভিযান চালানো হয়।
অভিযান চলাকালে সরকারের নির্ধারিত নিয়ম উপেক্ষা করে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করার অভিযোগে চন্ডিপুর বাজারের তরমুজ ব্যবসায়ী ও একই এলাকার বাসিন্দা মো. রাজ্জাককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩০০ টাকা জরিমানা করা হয়। স্থানীয়দের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে প্রাথমিকভাবে এ জরিমানা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ছাড়া বাস কাউন্টার ও এলপি গ্যাসের দোকানগুলোতে দৃশ্যমান কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয় এবং ভবিষ্যতে কোনো ধরনের অনিয়ম না করার জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাস কাউন্টারগুলোতে ভাড়ার তালিকা টানানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযানকালে ইন্দুরকানী থানার এসআই পলাশ সাহাসহ পুলিশের একাধিক সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সাংবাদিক নাছরুল্লাহ আল কাফী, শহিদুল ইসলাম শহিদ ও মারুফুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘তরমুজ বিক্রিতে অনিয়ম পাওয়া গেছে। তাই প্রাথমিকভাবে ৩০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে তার ফ্যামিলি কার্ড হলে সরকার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।’
তিনি আরও জানান, বাস কাউন্টারগুলোতে ভাড়ার তালিকা টানানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় বাস কাউন্টার, এলপি গ্যাসের দোকান ও তরমুজের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান।
শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ঘোষেরহাট বাজারের বাস কাউন্টার ও চন্ডিপুর বাজারের বাস কাউন্টারসহ এসব বাজারের এলপি গ্যাস এবং তরমুজের দোকানে এ অভিযান চালানো হয়।
অভিযান চলাকালে সরকারের নির্ধারিত নিয়ম উপেক্ষা করে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করার অভিযোগে চন্ডিপুর বাজারের তরমুজ ব্যবসায়ী ও একই এলাকার বাসিন্দা মো. রাজ্জাককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩০০ টাকা জরিমানা করা হয়। স্থানীয়দের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে প্রাথমিকভাবে এ জরিমানা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ছাড়া বাস কাউন্টার ও এলপি গ্যাসের দোকানগুলোতে দৃশ্যমান কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয় এবং ভবিষ্যতে কোনো ধরনের অনিয়ম না করার জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাস কাউন্টারগুলোতে ভাড়ার তালিকা টানানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযানকালে ইন্দুরকানী থানার এসআই পলাশ সাহাসহ পুলিশের একাধিক সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সাংবাদিক নাছরুল্লাহ আল কাফী, শহিদুল ইসলাম শহিদ ও মারুফুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘তরমুজ বিক্রিতে অনিয়ম পাওয়া গেছে। তাই প্রাথমিকভাবে ৩০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে তার ফ্যামিলি কার্ড হলে সরকার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।’
তিনি আরও জানান, বাস কাউন্টারগুলোতে ভাড়ার তালিকা টানানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.