Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৮
সন্ত্রাসীবিরোধী আইনে মামলা, কারাগারে প্রেরণ।
নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বরিশাল শহরের রূপাতলীতে গোপন বৈঠক করার প্রাক্কালে পুলিশ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে রূপাতলী হাউজিংয়ের ছায়া নিকেতন ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে তাদের আটক করা হয়। অবশ্য মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশের অভিযানের আগেই ভবনটির অভ্যন্তরে ছাত্রলীগ নেতা মইদুর রহমান বাকীসহ সকলকে অবরুদ্ধ করে রাখেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গভীর রাতে রূপাতলী হাউজিংয়ের ছায়া নিকেতনে চিল্লা-চিল্লির আওয়াজ পাওয়া যায়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের ভেতরের একটি ফ্ল্যাটে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মইদুর রহমান বাকী এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাকিব হাসান রনিসহ কজনকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অবরুদ্ধ করে রাখেন। এনিয়ে সেখানে উত্তেজনা দেখা দিলে উৎসুক জনতা ভবনটির চারদিকে অবস্থান নিয়ে বিষয়টি প্রত্যক্ষ করছিলেন। কিছুক্ষণ পরে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম গিয়ে সেখান থেকে ছাত্রলীগ নেতা বাকী এবং রনিসহ অন্তত ৫জনকে আটক করে থানায় নেয়।
বাকী ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্রলীগ ছেড়ে আওয়ামী লীগবিরোধী অবস্থান নেওয়ায় তার প্রতি জুলাইযোদ্ধাদের সহানুভূতি রয়েছে। ফলে বাকীসহ সকলকে ছাড়িয়ে নিতে জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের তরফ থেকে সুপারিশ রাখা হয়। এনিয়ে রাতভর থানায় উত্তপ্ত থাকলেও শেষ পর্যন্ত ছাত্রদল নেতাদের চাপের মুখে বাকীদের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এবং শনিবার আদালত তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ছাত্রলীগ নেতা বাকীসহ কজন ভবনটির ফ্ল্যাটে অবস্থান নিয়ে সরকারবিরোধী বৈঠক করতেছিল। এবং এই ভবনটি থেকে আগেও একাধিকবার অনুরূপ বৈঠক করা হয়। পাশাপাশি এখানে মাদক-বাণিজ্যও চলে। এই অভিযোগ তুলে ধরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান রূপালী বাংলাদেশকে বলছেন, ছাত্রলীগ নেতা বাকীসহ কজন সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত এবং সেই বৈঠকটি হচ্ছে রূপাতলীর হাউজিংয়ের আলোচিত ছায়া নিকেতনে, এমন খবর পেয়ে সেখানে গেলে ঘটনার সত্যতা মেলে। তখন তাদের হাতেনাতে ধরে কোতয়ালি পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
তবে ছাত্রলীগ নেতা বাকীসহ গ্রেপ্তার ৫ জনই দাবি করেছেন, ছায়া নিকেতনে কোনো সরকারবিরোধী বৈঠক হয়নি। তাদের মধ্যেকার শুভ নামের একজনের পারিবারিক কলহ নিয়ে তমাল এবং ইমনের বাসায় আয়োজিত বৈঠকে অংশ নিয়ে ছিলেন। কোনো মাধ্যম খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গিয়ে মব করে। এবং ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছিল, কিন্তু সেই টাকা না দেওয়ায় বেইজ্জতি করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
মইদুর রহমান বাকী জানান, তমাল নামে যাকে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে, সে জুলাই আগস্টে ছাত্র আন্দোলন করে গ্রেপ্তার হয়েছিল। এছাড়া তিনি আগে ছাত্রলীগ করলেও সেই আন্দোলনে অংশ নেন এবং পর্যাপ্ত ভূমিকাও রাখেন। সঙ্গত কারণে ছাত্রদল এবং পুলিশের এমন ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে প্রশ্ন তোলেন বাকী।
তবে বরিশাল মহানগর কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে বলছেন, সরকারবিরোধী বৈঠক হচ্ছিল এমন সংবাদ পেয়ে শুক্রবার গভীর রাতে সেখানে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতা বাকী-রনি-ইমনসহ ৫ জনকে আটক করা হয়। এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেও এমন তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয়। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৫ জনকে শনিবার আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন।’
সন্ত্রাসীবিরোধী আইনে মামলা, কারাগারে প্রেরণ।
নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বরিশাল শহরের রূপাতলীতে গোপন বৈঠক করার প্রাক্কালে পুলিশ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে রূপাতলী হাউজিংয়ের ছায়া নিকেতন ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে তাদের আটক করা হয়। অবশ্য মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশের অভিযানের আগেই ভবনটির অভ্যন্তরে ছাত্রলীগ নেতা মইদুর রহমান বাকীসহ সকলকে অবরুদ্ধ করে রাখেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গভীর রাতে রূপাতলী হাউজিংয়ের ছায়া নিকেতনে চিল্লা-চিল্লির আওয়াজ পাওয়া যায়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের ভেতরের একটি ফ্ল্যাটে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মইদুর রহমান বাকী এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাকিব হাসান রনিসহ কজনকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অবরুদ্ধ করে রাখেন। এনিয়ে সেখানে উত্তেজনা দেখা দিলে উৎসুক জনতা ভবনটির চারদিকে অবস্থান নিয়ে বিষয়টি প্রত্যক্ষ করছিলেন। কিছুক্ষণ পরে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম গিয়ে সেখান থেকে ছাত্রলীগ নেতা বাকী এবং রনিসহ অন্তত ৫জনকে আটক করে থানায় নেয়।
বাকী ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্রলীগ ছেড়ে আওয়ামী লীগবিরোধী অবস্থান নেওয়ায় তার প্রতি জুলাইযোদ্ধাদের সহানুভূতি রয়েছে। ফলে বাকীসহ সকলকে ছাড়িয়ে নিতে জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের তরফ থেকে সুপারিশ রাখা হয়। এনিয়ে রাতভর থানায় উত্তপ্ত থাকলেও শেষ পর্যন্ত ছাত্রদল নেতাদের চাপের মুখে বাকীদের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এবং শনিবার আদালত তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ছাত্রলীগ নেতা বাকীসহ কজন ভবনটির ফ্ল্যাটে অবস্থান নিয়ে সরকারবিরোধী বৈঠক করতেছিল। এবং এই ভবনটি থেকে আগেও একাধিকবার অনুরূপ বৈঠক করা হয়। পাশাপাশি এখানে মাদক-বাণিজ্যও চলে। এই অভিযোগ তুলে ধরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান রূপালী বাংলাদেশকে বলছেন, ছাত্রলীগ নেতা বাকীসহ কজন সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত এবং সেই বৈঠকটি হচ্ছে রূপাতলীর হাউজিংয়ের আলোচিত ছায়া নিকেতনে, এমন খবর পেয়ে সেখানে গেলে ঘটনার সত্যতা মেলে। তখন তাদের হাতেনাতে ধরে কোতয়ালি পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
তবে ছাত্রলীগ নেতা বাকীসহ গ্রেপ্তার ৫ জনই দাবি করেছেন, ছায়া নিকেতনে কোনো সরকারবিরোধী বৈঠক হয়নি। তাদের মধ্যেকার শুভ নামের একজনের পারিবারিক কলহ নিয়ে তমাল এবং ইমনের বাসায় আয়োজিত বৈঠকে অংশ নিয়ে ছিলেন। কোনো মাধ্যম খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গিয়ে মব করে। এবং ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছিল, কিন্তু সেই টাকা না দেওয়ায় বেইজ্জতি করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
মইদুর রহমান বাকী জানান, তমাল নামে যাকে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে, সে জুলাই আগস্টে ছাত্র আন্দোলন করে গ্রেপ্তার হয়েছিল। এছাড়া তিনি আগে ছাত্রলীগ করলেও সেই আন্দোলনে অংশ নেন এবং পর্যাপ্ত ভূমিকাও রাখেন। সঙ্গত কারণে ছাত্রদল এবং পুলিশের এমন ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে প্রশ্ন তোলেন বাকী।
তবে বরিশাল মহানগর কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে বলছেন, সরকারবিরোধী বৈঠক হচ্ছিল এমন সংবাদ পেয়ে শুক্রবার গভীর রাতে সেখানে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতা বাকী-রনি-ইমনসহ ৫ জনকে আটক করা হয়। এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেও এমন তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয়। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৫ জনকে শনিবার আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন।’

২৫ মে, ২০২৬ ২৩:৫৭
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’

২৫ মে, ২০২৬ ২১:১২
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'

২৫ মে, ২০২৬ ২১:০৬
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।