Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৮
সন্ত্রাসীবিরোধী আইনে মামলা, কারাগারে প্রেরণ।
নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বরিশাল শহরের রূপাতলীতে গোপন বৈঠক করার প্রাক্কালে পুলিশ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে রূপাতলী হাউজিংয়ের ছায়া নিকেতন ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে তাদের আটক করা হয়। অবশ্য মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশের অভিযানের আগেই ভবনটির অভ্যন্তরে ছাত্রলীগ নেতা মইদুর রহমান বাকীসহ সকলকে অবরুদ্ধ করে রাখেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গভীর রাতে রূপাতলী হাউজিংয়ের ছায়া নিকেতনে চিল্লা-চিল্লির আওয়াজ পাওয়া যায়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের ভেতরের একটি ফ্ল্যাটে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মইদুর রহমান বাকী এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাকিব হাসান রনিসহ কজনকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অবরুদ্ধ করে রাখেন। এনিয়ে সেখানে উত্তেজনা দেখা দিলে উৎসুক জনতা ভবনটির চারদিকে অবস্থান নিয়ে বিষয়টি প্রত্যক্ষ করছিলেন। কিছুক্ষণ পরে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম গিয়ে সেখান থেকে ছাত্রলীগ নেতা বাকী এবং রনিসহ অন্তত ৫জনকে আটক করে থানায় নেয়।
বাকী ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্রলীগ ছেড়ে আওয়ামী লীগবিরোধী অবস্থান নেওয়ায় তার প্রতি জুলাইযোদ্ধাদের সহানুভূতি রয়েছে। ফলে বাকীসহ সকলকে ছাড়িয়ে নিতে জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের তরফ থেকে সুপারিশ রাখা হয়। এনিয়ে রাতভর থানায় উত্তপ্ত থাকলেও শেষ পর্যন্ত ছাত্রদল নেতাদের চাপের মুখে বাকীদের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এবং শনিবার আদালত তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ছাত্রলীগ নেতা বাকীসহ কজন ভবনটির ফ্ল্যাটে অবস্থান নিয়ে সরকারবিরোধী বৈঠক করতেছিল। এবং এই ভবনটি থেকে আগেও একাধিকবার অনুরূপ বৈঠক করা হয়। পাশাপাশি এখানে মাদক-বাণিজ্যও চলে। এই অভিযোগ তুলে ধরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান রূপালী বাংলাদেশকে বলছেন, ছাত্রলীগ নেতা বাকীসহ কজন সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত এবং সেই বৈঠকটি হচ্ছে রূপাতলীর হাউজিংয়ের আলোচিত ছায়া নিকেতনে, এমন খবর পেয়ে সেখানে গেলে ঘটনার সত্যতা মেলে। তখন তাদের হাতেনাতে ধরে কোতয়ালি পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
তবে ছাত্রলীগ নেতা বাকীসহ গ্রেপ্তার ৫ জনই দাবি করেছেন, ছায়া নিকেতনে কোনো সরকারবিরোধী বৈঠক হয়নি। তাদের মধ্যেকার শুভ নামের একজনের পারিবারিক কলহ নিয়ে তমাল এবং ইমনের বাসায় আয়োজিত বৈঠকে অংশ নিয়ে ছিলেন। কোনো মাধ্যম খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গিয়ে মব করে। এবং ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছিল, কিন্তু সেই টাকা না দেওয়ায় বেইজ্জতি করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
মইদুর রহমান বাকী জানান, তমাল নামে যাকে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে, সে জুলাই আগস্টে ছাত্র আন্দোলন করে গ্রেপ্তার হয়েছিল। এছাড়া তিনি আগে ছাত্রলীগ করলেও সেই আন্দোলনে অংশ নেন এবং পর্যাপ্ত ভূমিকাও রাখেন। সঙ্গত কারণে ছাত্রদল এবং পুলিশের এমন ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে প্রশ্ন তোলেন বাকী।
তবে বরিশাল মহানগর কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে বলছেন, সরকারবিরোধী বৈঠক হচ্ছিল এমন সংবাদ পেয়ে শুক্রবার গভীর রাতে সেখানে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতা বাকী-রনি-ইমনসহ ৫ জনকে আটক করা হয়। এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেও এমন তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয়। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৫ জনকে শনিবার আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন।’
সন্ত্রাসীবিরোধী আইনে মামলা, কারাগারে প্রেরণ।
নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বরিশাল শহরের রূপাতলীতে গোপন বৈঠক করার প্রাক্কালে পুলিশ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে রূপাতলী হাউজিংয়ের ছায়া নিকেতন ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে তাদের আটক করা হয়। অবশ্য মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশের অভিযানের আগেই ভবনটির অভ্যন্তরে ছাত্রলীগ নেতা মইদুর রহমান বাকীসহ সকলকে অবরুদ্ধ করে রাখেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গভীর রাতে রূপাতলী হাউজিংয়ের ছায়া নিকেতনে চিল্লা-চিল্লির আওয়াজ পাওয়া যায়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের ভেতরের একটি ফ্ল্যাটে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মইদুর রহমান বাকী এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাকিব হাসান রনিসহ কজনকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অবরুদ্ধ করে রাখেন। এনিয়ে সেখানে উত্তেজনা দেখা দিলে উৎসুক জনতা ভবনটির চারদিকে অবস্থান নিয়ে বিষয়টি প্রত্যক্ষ করছিলেন। কিছুক্ষণ পরে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম গিয়ে সেখান থেকে ছাত্রলীগ নেতা বাকী এবং রনিসহ অন্তত ৫জনকে আটক করে থানায় নেয়।
বাকী ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্রলীগ ছেড়ে আওয়ামী লীগবিরোধী অবস্থান নেওয়ায় তার প্রতি জুলাইযোদ্ধাদের সহানুভূতি রয়েছে। ফলে বাকীসহ সকলকে ছাড়িয়ে নিতে জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের তরফ থেকে সুপারিশ রাখা হয়। এনিয়ে রাতভর থানায় উত্তপ্ত থাকলেও শেষ পর্যন্ত ছাত্রদল নেতাদের চাপের মুখে বাকীদের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এবং শনিবার আদালত তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ছাত্রলীগ নেতা বাকীসহ কজন ভবনটির ফ্ল্যাটে অবস্থান নিয়ে সরকারবিরোধী বৈঠক করতেছিল। এবং এই ভবনটি থেকে আগেও একাধিকবার অনুরূপ বৈঠক করা হয়। পাশাপাশি এখানে মাদক-বাণিজ্যও চলে। এই অভিযোগ তুলে ধরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান রূপালী বাংলাদেশকে বলছেন, ছাত্রলীগ নেতা বাকীসহ কজন সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত এবং সেই বৈঠকটি হচ্ছে রূপাতলীর হাউজিংয়ের আলোচিত ছায়া নিকেতনে, এমন খবর পেয়ে সেখানে গেলে ঘটনার সত্যতা মেলে। তখন তাদের হাতেনাতে ধরে কোতয়ালি পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
তবে ছাত্রলীগ নেতা বাকীসহ গ্রেপ্তার ৫ জনই দাবি করেছেন, ছায়া নিকেতনে কোনো সরকারবিরোধী বৈঠক হয়নি। তাদের মধ্যেকার শুভ নামের একজনের পারিবারিক কলহ নিয়ে তমাল এবং ইমনের বাসায় আয়োজিত বৈঠকে অংশ নিয়ে ছিলেন। কোনো মাধ্যম খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গিয়ে মব করে। এবং ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছিল, কিন্তু সেই টাকা না দেওয়ায় বেইজ্জতি করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
মইদুর রহমান বাকী জানান, তমাল নামে যাকে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে, সে জুলাই আগস্টে ছাত্র আন্দোলন করে গ্রেপ্তার হয়েছিল। এছাড়া তিনি আগে ছাত্রলীগ করলেও সেই আন্দোলনে অংশ নেন এবং পর্যাপ্ত ভূমিকাও রাখেন। সঙ্গত কারণে ছাত্রদল এবং পুলিশের এমন ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে প্রশ্ন তোলেন বাকী।
তবে বরিশাল মহানগর কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে বলছেন, সরকারবিরোধী বৈঠক হচ্ছিল এমন সংবাদ পেয়ে শুক্রবার গভীর রাতে সেখানে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতা বাকী-রনি-ইমনসহ ৫ জনকে আটক করা হয়। এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেও এমন তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয়। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৫ জনকে শনিবার আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন।’

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪২
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ক্লাস চলাকালে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ১৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষে থাকা সাত ছাত্রী আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো—অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা, সুমাইয়া ও মীম আক্তার; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত এবং নবম শ্রেণির আফরোজা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। তাদের মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, বাকি পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একই সময়ে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বজ্রপাত হলে আট শিক্ষার্থী আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজামুল হক জানান, দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে অভিভাবকদের ডেকে তাদের কাছে শিক্ষার্থীদের হস্তান্তর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ক্লাস চলাকালে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ১৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষে থাকা সাত ছাত্রী আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো—অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা, সুমাইয়া ও মীম আক্তার; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত এবং নবম শ্রেণির আফরোজা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। তাদের মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, বাকি পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একই সময়ে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বজ্রপাত হলে আট শিক্ষার্থী আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজামুল হক জানান, দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে অভিভাবকদের ডেকে তাদের কাছে শিক্ষার্থীদের হস্তান্তর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪২
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:২৬
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২