
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৬:২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি এমন কাজগুলো করে, যে কাজ করলে দেশের মানুষের উপকার হয় ও ভালো থাকে। দেশের কৃষকরা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। খাল খননের পর দুপাশে বৃক্ষরোপণ করা হবে।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে দিনাজপুরের কাহারোল বলরামপুর মৌজার সাহাপাড়ায় ১২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজ উদ্বোধন শেষে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এ খাল পুনঃখনন কাজের মাধ্যমে দেশের ৫৩টি জেলায় একযোগে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
তারেক রহমান বলেন, খাল খননের মাধ্যমে পানি সমস্যার সমাধান করা হবে। বর্ষার পানিকে কৃষকের কাজে ব্যবহার করতে হবে, এ জন্য বর্ষার পানি ধরে রাখতে হবে। আল্লাহ ধান, চালসহ মৌলিক খাবার আমাদের দেশে উৎপাদনের ব্যবস্থা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা ৩৭ হাজার মায়ের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিয়েছি। মায়েদের যেমন ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছি, কৃষকদেরও কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। আমরা কৃষকদের ভালো রাখতে চাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কৃষিভিত্তিক শিল্প কারখানার মালিকদের সঙ্গে বসে কৃষিনির্ভর আর কী কী শিল্প গড়ে তোলা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করব।
এর আগে, সকাল সাড়ে ৯টায় একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সৈয়দপুর পৌঁছে সেখান থেকে সড়কপথে কর্মসূচিস্থলে যান প্রধানমন্ত্রী।
এরপর সাহাপাড়ায় নিজে কোদাল হাতে খাল খননে নামেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। খাল খনন কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় মানুষদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এতে পানির সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছেন তারা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি এমন কাজগুলো করে, যে কাজ করলে দেশের মানুষের উপকার হয় ও ভালো থাকে। দেশের কৃষকরা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। খাল খননের পর দুপাশে বৃক্ষরোপণ করা হবে।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে দিনাজপুরের কাহারোল বলরামপুর মৌজার সাহাপাড়ায় ১২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজ উদ্বোধন শেষে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এ খাল পুনঃখনন কাজের মাধ্যমে দেশের ৫৩টি জেলায় একযোগে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
তারেক রহমান বলেন, খাল খননের মাধ্যমে পানি সমস্যার সমাধান করা হবে। বর্ষার পানিকে কৃষকের কাজে ব্যবহার করতে হবে, এ জন্য বর্ষার পানি ধরে রাখতে হবে। আল্লাহ ধান, চালসহ মৌলিক খাবার আমাদের দেশে উৎপাদনের ব্যবস্থা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা ৩৭ হাজার মায়ের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিয়েছি। মায়েদের যেমন ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছি, কৃষকদেরও কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। আমরা কৃষকদের ভালো রাখতে চাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কৃষিভিত্তিক শিল্প কারখানার মালিকদের সঙ্গে বসে কৃষিনির্ভর আর কী কী শিল্প গড়ে তোলা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করব।
এর আগে, সকাল সাড়ে ৯টায় একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সৈয়দপুর পৌঁছে সেখান থেকে সড়কপথে কর্মসূচিস্থলে যান প্রধানমন্ত্রী।
এরপর সাহাপাড়ায় নিজে কোদাল হাতে খাল খননে নামেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। খাল খনন কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় মানুষদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এতে পানির সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছেন তারা।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৫
মুরগিবাহী গাড়িতে থাকা ১৬০টি মুরগি ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠার পর হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. শাকিল ফারহান মিয়াকে বহিষ্কার করেছে জেলা ছাত্রদল।
রোববার (১৫ মার্চ) রাতে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। এ তথ্য জানানো হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল হবিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি শাহ রাজীব আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ মার্চ রাত ১০টার দিকে চুনারুঘাট উপজেলার ১ নম্বর গাজীপুর ইউনিয়নের উছমানপুর গ্রামে অবস্থিত প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ-এর প্রতিষ্ঠান হবিগঞ্জ অ্যাগ্রো লিমিটেড থেকে লেয়ার মুরগি বহনকারী একটি গাড়ি থেকে প্রায় ১৬০টি মুরগি ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠে শাকিল ফারহান মিয়ার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ১৩ মার্চ রাতে চুনারুঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দেয় প্রাণ-আরএফএল কর্তৃপক্ষ। থানায় দেওয়া অভিযোগে বলা হয়, ১২ মার্চ রাত ১০টার দিকে গাজীপুর ইউনিয়নের উছমানপুর গ্রামে হবিগঞ্জ অ্যাগ্রো লিমিটেডের একটি মুরগিবাহী গাড়ি শাকিলের নেতৃত্বে ছিনতাই করা হয়।
এ সময় চালক ও হেলপারের কাছ থেকে দুটি মানিব্যাগ ও একটি মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে কোম্পানির সুপারভাইজার আশফাক এগিয়ে গেলে তার মোটরসাইকেলের চাবিও ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
পরে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় মোটরসাইকেলের চাবি ও একটি মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়া হলেও ছিনতাই হওয়া মুরগিগুলো আর উদ্ধার করা যায়নি।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার মুখে পড়ে ওই ছাত্রদল নেতা। পরে সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে তাকে বহিষ্কার করে জেলা ছাত্রদল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান।
মুরগিবাহী গাড়িতে থাকা ১৬০টি মুরগি ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠার পর হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. শাকিল ফারহান মিয়াকে বহিষ্কার করেছে জেলা ছাত্রদল।
রোববার (১৫ মার্চ) রাতে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। এ তথ্য জানানো হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল হবিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি শাহ রাজীব আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ মার্চ রাত ১০টার দিকে চুনারুঘাট উপজেলার ১ নম্বর গাজীপুর ইউনিয়নের উছমানপুর গ্রামে অবস্থিত প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ-এর প্রতিষ্ঠান হবিগঞ্জ অ্যাগ্রো লিমিটেড থেকে লেয়ার মুরগি বহনকারী একটি গাড়ি থেকে প্রায় ১৬০টি মুরগি ছিনতাইয়ের অভিযোগ ওঠে শাকিল ফারহান মিয়ার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ১৩ মার্চ রাতে চুনারুঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দেয় প্রাণ-আরএফএল কর্তৃপক্ষ। থানায় দেওয়া অভিযোগে বলা হয়, ১২ মার্চ রাত ১০টার দিকে গাজীপুর ইউনিয়নের উছমানপুর গ্রামে হবিগঞ্জ অ্যাগ্রো লিমিটেডের একটি মুরগিবাহী গাড়ি শাকিলের নেতৃত্বে ছিনতাই করা হয়।
এ সময় চালক ও হেলপারের কাছ থেকে দুটি মানিব্যাগ ও একটি মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে কোম্পানির সুপারভাইজার আশফাক এগিয়ে গেলে তার মোটরসাইকেলের চাবিও ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
পরে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় মোটরসাইকেলের চাবি ও একটি মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়া হলেও ছিনতাই হওয়া মুরগিগুলো আর উদ্ধার করা যায়নি।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার মুখে পড়ে ওই ছাত্রদল নেতা। পরে সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে তাকে বহিষ্কার করে জেলা ছাত্রদল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩০
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গণপরিবহন চলাচলে জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বিআরটিএ তিনটি নির্দেশনা দিয়েছে। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য হটলাইন নম্বর দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (১৬ মার্চ) জারি করা জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগের ৩ দিন এবং পরবর্তী ৩ দিন অর্থাৎ ১৭ মার্চ হতে ২৩ মার্চ পর্যন্ত মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরী চলাচল বন্ধ থাকবে।
তেলের কোনো সংকট নেই, ভাড়াও বাড়বে না : সেতুমন্ত্রী
তবে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার দুই পাশে পার্কিং করা যাবে না। নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য-দ্রব্য, পচনশীল দ্রব্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, ওষুধ, সার এবং জ্বালানি বহনকারী যানবাহনসমূহ এর আওতামুক্ত থাকবে।
যানবাহন চলাচল নিরবচ্ছিন্ন রাখার নিমিত্ত যেকোনো প্রয়োজনে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সাথে যোগাযোগের হটলাইন নম্বর ১৬১০৭। মোবাইল নম্বর- ০১৫৫০০৫১৬০৬ এবং ০১৫৫০০৫৬৫৭৭-এ যোগাযোগ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করেছে কর্তৃপক্ষ।
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গণপরিবহন চলাচলে জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বিআরটিএ তিনটি নির্দেশনা দিয়েছে। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য হটলাইন নম্বর দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (১৬ মার্চ) জারি করা জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগের ৩ দিন এবং পরবর্তী ৩ দিন অর্থাৎ ১৭ মার্চ হতে ২৩ মার্চ পর্যন্ত মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরী চলাচল বন্ধ থাকবে।
তেলের কোনো সংকট নেই, ভাড়াও বাড়বে না : সেতুমন্ত্রী
তবে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার দুই পাশে পার্কিং করা যাবে না। নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য-দ্রব্য, পচনশীল দ্রব্য, গার্মেন্টস সামগ্রী, ওষুধ, সার এবং জ্বালানি বহনকারী যানবাহনসমূহ এর আওতামুক্ত থাকবে।
যানবাহন চলাচল নিরবচ্ছিন্ন রাখার নিমিত্ত যেকোনো প্রয়োজনে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সাথে যোগাযোগের হটলাইন নম্বর ১৬১০৭। মোবাইল নম্বর- ০১৫৫০০৫১৬০৬ এবং ০১৫৫০০৫৬৫৭৭-এ যোগাযোগ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করেছে কর্তৃপক্ষ।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১১
বিএনপি সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচি শুরু করেছে। দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরের সাহাপাড়ায় খাল খননের মাধ্যমে একযোগে দেশের ৫৪টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
এর আগে সকাল ৯টা ৩০মিনিটে একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সৈয়দপুর পৌঁছে সেখান থেকে সড়ক পথে কর্মসূচিস্থলে যান প্রধানমন্ত্রী।
সাহাপাড়ায় নিজে কোদাল হাতে খাল খননে নামেন প্রধানমন্ত্রী। খাল খনন কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় মানুষদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এতে পানির সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছেন তারা।
কৃষি সেচ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় চলবে এই কর্মসূচি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জিয়াউর রহমানের সফল উদ্যোগ থেকে অভিজ্ঞতা নিয়ে টেকসই ও আধুনিকভাবে খাল খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ করলে কৃষি বিপ্লব ঘটবে। তবে বাস্তবায়নে পড়তে হবে চ্যালেঞ্জে।
গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি পুনরুজ্জীবনের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সালে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। বর্ষকালের অতিরিক্ত পানি ধরে রেখে, শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজে সেচ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা লক্ষ্য ছিল।
সে সময় সারা দেশে ৩ হাজার ৬৩৬ মাইল খাল খনন করেন তিনি। শুধু তাই নয়, স্থানীয় জনগণকে সরাসরি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে জিয়াউর রহমান চালু করেন কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি।
বিএনপি সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচি শুরু করেছে। দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরের সাহাপাড়ায় খাল খননের মাধ্যমে একযোগে দেশের ৫৪টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
এর আগে সকাল ৯টা ৩০মিনিটে একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সৈয়দপুর পৌঁছে সেখান থেকে সড়ক পথে কর্মসূচিস্থলে যান প্রধানমন্ত্রী।
সাহাপাড়ায় নিজে কোদাল হাতে খাল খননে নামেন প্রধানমন্ত্রী। খাল খনন কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় মানুষদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এতে পানির সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছেন তারা।
কৃষি সেচ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় চলবে এই কর্মসূচি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জিয়াউর রহমানের সফল উদ্যোগ থেকে অভিজ্ঞতা নিয়ে টেকসই ও আধুনিকভাবে খাল খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ করলে কৃষি বিপ্লব ঘটবে। তবে বাস্তবায়নে পড়তে হবে চ্যালেঞ্জে।
গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি পুনরুজ্জীবনের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সালে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। বর্ষকালের অতিরিক্ত পানি ধরে রেখে, শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজে সেচ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা লক্ষ্য ছিল।
সে সময় সারা দেশে ৩ হাজার ৬৩৬ মাইল খাল খনন করেন তিনি। শুধু তাই নয়, স্থানীয় জনগণকে সরাসরি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে জিয়াউর রহমান চালু করেন কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৯:০৩
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৯:০০
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৬:২৬
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৬:১৯