
২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২৩:৫৩
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে বরিশালের ৬টি আসনে ৪৮ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার শেষ সময়ের পর সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে বরিশালের রিটার্নিং কর্মকর্তা খায়রুল আলম সুমন বরিশালটাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বরিশাল জেলার ৬টি আসনে ৬২টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়েছিল।
বরিশাল ১ আসনে ৮টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়, জমা পড়েছে ৫টি। বরিশাল ২ আসনে ১২টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হলেও জমা পড়ে ১১টি। বরিশাল ৩ আসনে ১১টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়, জমা পড়েছে ১০টি। বরিশাল ৪ আসনে ৬টি ফরম বিতরণ করা হয়, সবগুলো জমা পড়ে। বরিশাল ৫ আসনে ১৮টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হলেও জমা পড়েছে মাত্র ১০টি এবং বরিশাল ৬ আসনে ৭টি ফরম বিতরণ করা হয়, এর মধ্যে জমা পড়ে ৬টি।
বরিশাল ১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুস সোবাহান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. রাসেল সরদার, জাতীয় পার্টির সেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কামরুল ইসলাম খান মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
বরিশাল ২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) তরিকুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল মন্নান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ নেছার উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের মুন্সি মোস্তাফিজুর রহমান, জাতীয় পার্টির এমএ জলিল, গণঅধিকার পরিষদের রঞ্জিত কুমার বাড়ৈ, বাংলাদেশ জাসদের আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আ. হক, স্বতন্ত্র মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবং এনসিপির সাহেব আলী।
বরিশাল ৩ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জয়নুল আবেদীন, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা আ. সত্তার খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. সিরাজুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপু, মো. ইকবাল হোসেন তাপস ও ফকরুল আহসান, এবি পার্টির মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া, জামায়াতে ইসলামীর জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, স্বতন্ত্র সৈয়দ বদরুল হোসেন এবং গণঅধিকার পরিষদের ইয়ামিন এইচএম ফারদিন।
বরিশাল ৪ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী রাজিব আহসান, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সৈয়দ এছহাক মো. আবুল খায়ের, এবি পার্টির আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া, জাতীয় পার্টির এমএ জলিল এবং বাংলাদেশ জাসদের প্রার্থী আবদুস সালাম।
বরিশাল ৫ (সদর) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. মজিবর রহমান সরোয়ার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম, বাসদের মণীষা চক্রবর্তী, জামায়াতে ইসলামীর মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, জাতীয় পার্টির আখতার রহমান, এবি পার্টির মো. তারিকুল ইসলাম, এনসিপির আব্দুল হান্নান সিকদার, মো. তৌহিদুল ইসলাম, বাসদ মাকর্সবাদী দলের সাইদুর রহমান এবং খেলাফত মজলিসের একেএম মাহবুব আলম।
বরিশাল ৬ আসনে মুসলীম লীগের প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুস, বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন খান, জামায়াতে ইসলামীর মো. মাহমুদুন্নবী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম, গণঅধিকার পরিষদের সালাউদ্দিন মিয়া এবং স্বতন্ত্র কামরুল ইসলাম খান মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
মনোনয়নপত্র বাছাই ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ৪ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আপিলের তারিখ আগামী ৬ থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত। মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত; আপিল নিষ্পত্তি ১২ জানুয়ারি সোমবার থেকে ১৮ জানুয়ারি। রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি ২০২৬। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে বরিশালের ৬টি আসনে ৪৮ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার শেষ সময়ের পর সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে বরিশালের রিটার্নিং কর্মকর্তা খায়রুল আলম সুমন বরিশালটাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বরিশাল জেলার ৬টি আসনে ৬২টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়েছিল।
বরিশাল ১ আসনে ৮টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়, জমা পড়েছে ৫টি। বরিশাল ২ আসনে ১২টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হলেও জমা পড়ে ১১টি। বরিশাল ৩ আসনে ১১টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়, জমা পড়েছে ১০টি। বরিশাল ৪ আসনে ৬টি ফরম বিতরণ করা হয়, সবগুলো জমা পড়ে। বরিশাল ৫ আসনে ১৮টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হলেও জমা পড়েছে মাত্র ১০টি এবং বরিশাল ৬ আসনে ৭টি ফরম বিতরণ করা হয়, এর মধ্যে জমা পড়ে ৬টি।
বরিশাল ১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুস সোবাহান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. রাসেল সরদার, জাতীয় পার্টির সেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কামরুল ইসলাম খান মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
বরিশাল ২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) তরিকুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল মন্নান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ নেছার উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের মুন্সি মোস্তাফিজুর রহমান, জাতীয় পার্টির এমএ জলিল, গণঅধিকার পরিষদের রঞ্জিত কুমার বাড়ৈ, বাংলাদেশ জাসদের আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আ. হক, স্বতন্ত্র মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবং এনসিপির সাহেব আলী।
বরিশাল ৩ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জয়নুল আবেদীন, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা আ. সত্তার খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. সিরাজুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপু, মো. ইকবাল হোসেন তাপস ও ফকরুল আহসান, এবি পার্টির মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া, জামায়াতে ইসলামীর জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, স্বতন্ত্র সৈয়দ বদরুল হোসেন এবং গণঅধিকার পরিষদের ইয়ামিন এইচএম ফারদিন।
বরিশাল ৪ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী রাজিব আহসান, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সৈয়দ এছহাক মো. আবুল খায়ের, এবি পার্টির আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া, জাতীয় পার্টির এমএ জলিল এবং বাংলাদেশ জাসদের প্রার্থী আবদুস সালাম।
বরিশাল ৫ (সদর) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. মজিবর রহমান সরোয়ার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম, বাসদের মণীষা চক্রবর্তী, জামায়াতে ইসলামীর মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, জাতীয় পার্টির আখতার রহমান, এবি পার্টির মো. তারিকুল ইসলাম, এনসিপির আব্দুল হান্নান সিকদার, মো. তৌহিদুল ইসলাম, বাসদ মাকর্সবাদী দলের সাইদুর রহমান এবং খেলাফত মজলিসের একেএম মাহবুব আলম।
বরিশাল ৬ আসনে মুসলীম লীগের প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুস, বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন খান, জামায়াতে ইসলামীর মো. মাহমুদুন্নবী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম, গণঅধিকার পরিষদের সালাউদ্দিন মিয়া এবং স্বতন্ত্র কামরুল ইসলাম খান মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
মনোনয়নপত্র বাছাই ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ৪ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আপিলের তারিখ আগামী ৬ থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত। মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত; আপিল নিষ্পত্তি ১২ জানুয়ারি সোমবার থেকে ১৮ জানুয়ারি। রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি ২০২৬। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।’

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৫
বরিশালের গৌরনদীতে কোনধরনের লাইসেন্স না থাকা সত্বেও অবৈধভাবে জ্বালানি তেল ডিজেল, মবিল ও গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ করে চড়া দামে বিক্রি করে আসছিলো এক অসাধু ব্যবসায়ী।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ব্যবসায়ীর দোকান ও বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন বরিশাল জেলার এনএসআই'র সদস্যরা। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের প্রত্যন্ত সুনিল সিকদারের হাট সংলগ্ন চর সরিকল গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় চর সরিকল গ্রামের আব্দুল করিম সিকদারের ছেলে হালিম সিকদারের দোকান ও বাড়ি থেকে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা ৩০০ লিটার ডিজেল, ২০০ লিটার মবিল ও গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করা এনএসআই'র বরিশাল জেলা শাখার সদস্যরা জানিয়েছেন, ব্যবসায়ী হালিম সিকদার অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে বিক্রি করে আসছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযোগ পেয়ে তারা অভিযান পরিচালনা করেন।
পরবর্তীতে তারা জব্দকৃত পন্যসহ ব্যবসায়ী হালিম সিকদারকে ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে সোর্পদ করেন। ভ্রাম্যমান আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও গৌরনদী উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, অবৈধ মজুদের ঘটনায় ব্যবসায়ী হালিম সিকদারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
পাশাপাশি লাইসেন্স না করা পর্যন্ত ওই ব্যবসায়ীর ব্যবসা বন্ধ রাখার জন্য লিখিত মুচলেকা রাখা হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত জ্বালানি তেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির জন্য স্থানীয় এক সমাজ সেবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে কোনধরনের লাইসেন্স না থাকা সত্বেও অবৈধভাবে জ্বালানি তেল ডিজেল, মবিল ও গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ করে চড়া দামে বিক্রি করে আসছিলো এক অসাধু ব্যবসায়ী।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ব্যবসায়ীর দোকান ও বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন বরিশাল জেলার এনএসআই'র সদস্যরা। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের প্রত্যন্ত সুনিল সিকদারের হাট সংলগ্ন চর সরিকল গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় চর সরিকল গ্রামের আব্দুল করিম সিকদারের ছেলে হালিম সিকদারের দোকান ও বাড়ি থেকে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা ৩০০ লিটার ডিজেল, ২০০ লিটার মবিল ও গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করা এনএসআই'র বরিশাল জেলা শাখার সদস্যরা জানিয়েছেন, ব্যবসায়ী হালিম সিকদার অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে বিক্রি করে আসছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযোগ পেয়ে তারা অভিযান পরিচালনা করেন।
পরবর্তীতে তারা জব্দকৃত পন্যসহ ব্যবসায়ী হালিম সিকদারকে ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে সোর্পদ করেন। ভ্রাম্যমান আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও গৌরনদী উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, অবৈধ মজুদের ঘটনায় ব্যবসায়ী হালিম সিকদারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
পাশাপাশি লাইসেন্স না করা পর্যন্ত ওই ব্যবসায়ীর ব্যবসা বন্ধ রাখার জন্য লিখিত মুচলেকা রাখা হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত জ্বালানি তেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির জন্য স্থানীয় এক সমাজ সেবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩২
বরিশালের বানারীপাড়ায় স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে মারিয়া আক্তার (১৮) নামের এক সন্তানের জননীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃত্যু হয়। জানা গেছে, বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের
বাসিন্দা কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়। তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
জীবিকার তাগিদে তারা রাজধানী ঢাকায় নন্দীপাড়ার ছোট বটতলা নামক এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা গাড়ি চালান।
নিহত মারিয়ার বাবা কবির হাওলাদার অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকা দাবি পূরণ ও বিয়ের সময়ে প্রতিশ্রুত স্বর্নের কানের দুল দিতে না পারা এবং মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রবিউল স্ত্রী মারিয়াকে মানসিক ও শারিরীকভাবে নির্যাতন করতেন।
স্ত্রীকে নির্যাতনে রবিউলকে তার মা ও বোন ইন্ধন যোগাতেন। রমজান মাসে রবিউল তার স্ত্রী মারিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন।
চা দোকানী দরিদ্র বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং বাসায় বসে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় ,গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা স্ত্রী মারিয়াকে অমানবিকভাবে মারধর করে। এ সময় পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। , এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের পরে তাকে কোন চিকিৎসাও করানো হয়নি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারনে বাসায় রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফা তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার খবর পেয়ে তার মা হাফিজা বেগম ঢাকায় ছুঁটে যান। সেখান থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুরুতর আহত মারিয়াকে বানারীপাড়ায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় স্বামী,শাশুড়ি ও ননদকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়েরর প্রস্তুতি চলছে।
পৈশাচিক নির্যাতনে হত্যার এ ঘটনায় নিহতের বাবা-মাসহ পরিবার দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এলাকাজুড়ে এ নির্মম হত্যাকান্ডের ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় বইছে।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।
বরিশালের বানারীপাড়ায় স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে মারিয়া আক্তার (১৮) নামের এক সন্তানের জননীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃত্যু হয়। জানা গেছে, বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের
বাসিন্দা কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়। তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
জীবিকার তাগিদে তারা রাজধানী ঢাকায় নন্দীপাড়ার ছোট বটতলা নামক এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা গাড়ি চালান।
নিহত মারিয়ার বাবা কবির হাওলাদার অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকা দাবি পূরণ ও বিয়ের সময়ে প্রতিশ্রুত স্বর্নের কানের দুল দিতে না পারা এবং মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রবিউল স্ত্রী মারিয়াকে মানসিক ও শারিরীকভাবে নির্যাতন করতেন।
স্ত্রীকে নির্যাতনে রবিউলকে তার মা ও বোন ইন্ধন যোগাতেন। রমজান মাসে রবিউল তার স্ত্রী মারিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন।
চা দোকানী দরিদ্র বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং বাসায় বসে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় ,গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা স্ত্রী মারিয়াকে অমানবিকভাবে মারধর করে। এ সময় পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। , এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের পরে তাকে কোন চিকিৎসাও করানো হয়নি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারনে বাসায় রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফা তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার খবর পেয়ে তার মা হাফিজা বেগম ঢাকায় ছুঁটে যান। সেখান থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুরুতর আহত মারিয়াকে বানারীপাড়ায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় স্বামী,শাশুড়ি ও ননদকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়েরর প্রস্তুতি চলছে।
পৈশাচিক নির্যাতনে হত্যার এ ঘটনায় নিহতের বাবা-মাসহ পরিবার দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এলাকাজুড়ে এ নির্মম হত্যাকান্ডের ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় বইছে।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৩৮
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ নাজিরপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুটি গাভীর করুন মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গাভী দুটির এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
এসময় এর মালিক অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। উন্নত জাতের গাভী দুটির মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। গাভী দুটির মালিক মোঃ বাচ্চু বেপারী জানান, তার টিনকাঠের ঘরের বারান্দায় অবস্থিত গোয়ালঘরের বিদ্যুতের তার তিনি অসাবধানবশত খুলে রেখেছিলেন।
টিনকাঠের ঘরের সামনে তার নতুন পাকা ভবন নির্মাণকাজের জন্য তিনি গোয়াল ঘরের লাইটের সরঞ্জাম খুলে সেখানে সেট করেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে ঝড়ে গোয়াল ঘরের সেই খোলা তার পড়ে টিনের বেড়া বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোর ৬টার দিকে গরুর ডাক শুনে বাচ্চু গোয়ালঘরে ছুঁটে গিয়ে দুটি গাভীকে ফ্লোরে ছটফট করতে দেখেন। গাভীর কাছে গেলে এসময় তিনিও বিদ্যুৎ স্পর্শের শিকার হলে তার ছেলে তাৎক্ষনিক লাইন খুলে ফেলায় প্রাণে রক্ষা পান। গোয়ালের দুটি গাভী মারা গেলেও দুটি বাছুর ও একটি গাভী অক্ষত রয়েছে। এদিকে জীবিকার মাধ্যম প্রিয় গাভী দুটিকে হারিয়ে বাচ্চু ও তার পরিবারের কান্না-আহাজারীতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ নাজিরপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুটি গাভীর করুন মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গাভী দুটির এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
এসময় এর মালিক অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। উন্নত জাতের গাভী দুটির মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। গাভী দুটির মালিক মোঃ বাচ্চু বেপারী জানান, তার টিনকাঠের ঘরের বারান্দায় অবস্থিত গোয়ালঘরের বিদ্যুতের তার তিনি অসাবধানবশত খুলে রেখেছিলেন।
টিনকাঠের ঘরের সামনে তার নতুন পাকা ভবন নির্মাণকাজের জন্য তিনি গোয়াল ঘরের লাইটের সরঞ্জাম খুলে সেখানে সেট করেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে ঝড়ে গোয়াল ঘরের সেই খোলা তার পড়ে টিনের বেড়া বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোর ৬টার দিকে গরুর ডাক শুনে বাচ্চু গোয়ালঘরে ছুঁটে গিয়ে দুটি গাভীকে ফ্লোরে ছটফট করতে দেখেন। গাভীর কাছে গেলে এসময় তিনিও বিদ্যুৎ স্পর্শের শিকার হলে তার ছেলে তাৎক্ষনিক লাইন খুলে ফেলায় প্রাণে রক্ষা পান। গোয়ালের দুটি গাভী মারা গেলেও দুটি বাছুর ও একটি গাভী অক্ষত রয়েছে। এদিকে জীবিকার মাধ্যম প্রিয় গাভী দুটিকে হারিয়ে বাচ্চু ও তার পরিবারের কান্না-আহাজারীতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.