
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:১৬
সরকারি নথিতে রাস্তার কাজ শেষ, কিন্তু বাস্তবে সেখানে মাটির একটা কোদালও পড়েনি। মেম্বারের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে তোলা হয়েছে বরাদ্দের টাকা। পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ ও দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নে দুর্নীতির এমন এক ‘মায়াজাল’ বুনেছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) মুনসুর হেলাল। সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার আকস্মিক পরিদর্শনে বেরিয়ে এসেছে জালিয়াতি আর অর্থ আত্মসাতের এই রোমহর্ষক চিত্র। নড়েচড়ে বসেন যে সকল ইউপি সদস্যদের নাম ভাঙিয়ে, স্বাক্ষর জাল করে অভিনব পন্থায় অর্থ আত্মসাত করা হয়েছে তাঁরা।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালীর স্থানীয় সরকার উপপরিচালক (ডিডিএলজি) জনাব জুয়েল রানা মির্জাগঞ্জের দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে আসলে থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়ে। জুয়েল রানা উপস্থিত ইউপি সদস্যদের প্রকল্পের কথা জিজ্ঞেস করলে আকাশ ভেঙে মাথায় পড়ার অবস্থা হয় তাদের।
পরিষদের আওতাধীন এই সকল স্কীমের জন্য যে এলাকায় কাজ, সেই ওয়ার্ডের মেম্বার ‘সভাপতি’, থাকেন। অথচ এই প্রজেক্টের জন্য নথিতে তাদের সভাপতি দেখানো হলে তাঁরা যে সভাপতি তা জানেনই না।
৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদ জানান,তার নামে হাট-বাজার কোটার ১ লক্ষ টাকার একটি প্রকল্প উত্তর রানীপুর রমজান হাওলাদার বাড়ির রাস্তা বাস্তবায়ন দেখানো হয়েছে, যার সভাপতি তিনি। অথচ তিনি জানেনইনা,এখানে প্রকল্প হয়েছে এবং সেটা তাঁর নামে।
আবুল কালাম আজাদ জানান, ডিডিএলজি স্যার আমাকে প্রকল্পের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে আমি উপস্থিত সবার সামনেই এই প্রজেক্টের ব্যাপারে কিছু জানিনা সাথে সাথে জানাই। তিনি আরো বলেন, "আমি স্যারের কাছে বলি এখানে কাজ হলো কবে এবং কে করেছে। এই প্রকল্প বাবদ আমি তো কোন টাকা পাইনি। তাহলে আমার নাম দেখানো হলো কেন।" তিনি দাবি করেন,"রেজিস্ট্রারে তাঁর স্বাক্ষর মুনসুর হেলাল জাল করেছেন।"
আবুল কালাম আজাদের কথা অনুযায়ী রমজান হাওলাদার বাড়ি রাস্তায় দেখা যায় মাটির কাজ করা হয়েছে। তবে রমজান হাওলাদার জানান, "মাটির কাজ তিনি নিজ খরচে করেছেন,কোনো সরকারি তরফে নয়।" স্থানীয়দের সাথেও কথা বলে জানা যায়, মেম্বার আবুল কালাম আজাদ ও রমজান হাওলাদার সঠিক বলছেন।
৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম সোহাগ। তার নামে ২ লক্ষ টাকার প্রকল্প দেখানো হয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না ডিডিএলজিকে জানিয়ে দেন।
কামরুল ইসলাম সোহাগের নামে যে প্রকল্প দেখানো হয়ছে সেই কাজ আসলে টিআর প্রকল্পের টাকায় অনেক আগেই করে রেখেছেন মহিলা মেম্বার নাসিমা বেগম।
এবিষয় সংরক্ষিত মহিলা আসনের ইউপি সদস্য নাসিমা বেগম জানান,পিআইও থেকে দেউলী বাবুল সিকদারের বাড়ির থেকে লেমুয়া ওয়াপদা পর্যন্ত সড়কে কাজ করার জন্য ১ লক্ষ টাকা আমাকে বরাদ্দ দেয়। সে অনুযায়ী আমি কাজ করি।
তিনি আরও জানান,একই রাস্তা আমাকে পিআইও থেকে দেখানো হয়ছে বাবুল সিকদারের বাড়ির রাস্তা আবার সোহাগ মেম্বারকে দেখানো হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান সড়ক নামে। কিন্তু ইউপি বরাদ্দ থেকে আদৌ কোনো কাজ করা হয়নি। কামরুল ইসলাম সোহাগ ও নাসিমা বেগমের দাবি, এই প্রকল্পের অর্থ মুনসুর হেলাল সরকারি তহবিল থেকে তুলে নিয়েছেন।
এখানেই শেষ নয়, সোহাগ মেম্বারের নামে কাবিটা প্রকল্পের ২ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার প্রকল্পের অর্ধেক অর্থাৎ ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকাও গায়েব করার অভিযোগ উঠেছে এই সচিবের বিরুদ্ধে।
সোহাগ মেম্বার আরো বলেন, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের পিআইও অফিস হতে কাবিটা প্রকল্প হতে মােট ২৮০০০০ (দুই লক্ষ আশি হাজার ) টাকার একটি স্কীম বাস্তাবায়ন করি।
স্কীমের নাম ৫ নম্বর ওয়ার্ডে সাহজাহান সড়ক হতে মােসলেম মেম্বার বাড়ি পর্যন্ত ইট সলিং করা। বরাদ্দের অর্ধেক ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা আমার একাউন্টে জমা হলে আমি স্কীমের কাজ সমাপ্ত করি। বাকি ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার বিলের কাগজ মুনসুর হেলাল নিয়ে যান। যে টাকা আমার একাউন্টে জমা হয়নি- আজ পর্যন্ত আমি হাতে পাইনি । মুনসুর হেলাল কিভাবে টাকা উত্তোলন করলেন কারা সহযোগিতা করলেন এ বিষয়ে কিছুই জানতে পারিনি।
৪নং ওয়ার্ডের সদস্য মো.সোবাহানের কাছেও ২ লাখ টাকার একটি স্কিমের কথা জানান কর্মকর্তা জুয়েল রানা। কর্মকর্তার সামনে একই অভিযোগ করেন সোবাহান মেম্বার। তিনিও দাবি করেন,এ প্রজেক্টের কথা তিনি জানেন না বা তাঁর কাছে কোন টাকা আসেনি। এমনকি তিনি বলে দিয়েছেন সে সকল স্থানে কোন কাজও হয়নি।
সোবাহান মেম্বার তাঁর নামের সিল দেখিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন,"সচিব মুনসুর হেলাল আমার সই জাল করেছেন এবং আমার সিলের চেয়ে বড় সাইজের একটি ভুয়া সিল বানিয়ে এই জালিয়াতি করেছেন।"
ডিডিএলজির জিজ্ঞাসা মতে যে রাস্তার বিল তোলা হয়েছে এই স্কীমের ব্যাপারে স্থানীয়রা জানান, এই রাস্তায় সর্বশেষ কাজ হয়েছিল ২০০৩-০৪ সালে সাবেক চেয়ারম্যান মোবারক আলী মুন্সীর আমলে। এরপর আর কোনো কাজ হয়নি।
আরো একজন সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য মােসা: রীনা বেগম জানান, ডিডিএলজি স্যারের পরিদর্শন কালে আমি জানতে পারি আমর নামে হাট- বাজারের বরাদ্দ হতে ২ লাখ টাকা করে ২টি স্কীম মোট ৪ লাখ টাকা বাস্তবায়ন হয়েছে। এই স্কীম সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুনসুর হেলাল আমার স্বাক্ষর নিয়ে নেছেন। আমার একাউন্টে ঐ টাকা আসেনি অথবা নগদ কোন টাকা প্রদান করেনি। ওই টাকা তিনি আত্মসাত করেছেন।
ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য স্থানীয়রা জানান, ডিডিএলজি জুয়েল রানা হাতেনাতে সরাসরি এতসব গুরুতর আত্মসাতের পাহাড় এবং জালিয়াতির প্রমাণ মিললেও অভিযুক্ত মুনসুর হেলাল বর্তমানে মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নে বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন। গত ৮ মার্চ "জেলের চালে ‘প্রবাসী’ ও ‘ভুতুড়ে’ নাম মুনসুর হেলালের দুর্নীতির থাবা থেকে বাদ যায়নি জেলেদের বরাদ্দকৃত চালও।"
এই শিরোনামে কয়েকটি জাতীয় পত্রিকার সংবাদ প্রকাশিত হয়। কিন্তু সবকিছু ম্যানেজ করে চালাচ্ছেন তিনি। তার চোখে-মুখে কোনো অনুশোচনা নেই বলে জানান স্থানীয়রা।
এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী জনপ্রনিধিরা এই ‘দুর্নীতির বরপুত্র’ মুনসুর হেলালের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং আত্মসাৎকৃত সরকারি অর্থ পুনরুদ্ধারের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তবে জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়রা জানান,মুনসুর হেলাল একজন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর। কাউকে সম্মান দেন না এমনকি তোয়াক্কা করেন না। সরকারি সেবা গ্রহীতারা তাঁর কাছ থেকে নানাভাবে ভোগান্তির শিকার হন। আরও বলেন,যত দুর্নীতি করুক আর মুনসুর হেলালকে কেউ কিছু করতে পারবেন না। কারণ তার সঙ্গে বড় বড় রাঘব বোয়াল রয়েছেন। যারা নেপথে কল কাঠি নাড়েন এবং তাঁর একজন আত্মীয় মুক্তিযোদ্ধা। তিনি যে কোন কাজের জন্য সচিবালায় পর্যন্ত পৌঁছেন। তবে এ ব্যাপারে স্থানীয়রা আরও জানান, ওই মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেটের বিপরীতে মামলা রয়েছে। তিনি নাকি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নন।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) মুনসুর হেলাল তার ওপর আনীত অভিযোগ অস্বীকার করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, "চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো বিল তোলা সম্ভব নয়। আমি একা কিছু করিনি।" তবে তিনি ইউপি সদস্যদের স্বাক্ষর জালিয়াতি বা প্রকল্পের অনুপস্থিতির বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
এ ব্যাপারে ডিডিএলজি জুয়েল রানা জানান, "আমার পরিদর্শনে বেশ কিছু এলোমেলো মনে হয়েছে। উত্তরগুলো (মুনসুর হেলালের) ভালো পাইনি। আমি আমার প্রতিবেদনে একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগের সুপারিশ করব যাতে সাইট ভিজিট করে নিশ্চিত হওয়া যায়।"
আমার কাছে সমস্যা সম্পূর্ণই মনে হয়েছে এবং কারণ অ্যানসার গুলো ভালো পাইনি। তো এজন্য যেহেতু আমি জাস্ট একটা ভিজিট করতে গিয়েছি... আমার বক্তব্য এইটাই।"
সরকারি নথিতে রাস্তার কাজ শেষ, কিন্তু বাস্তবে সেখানে মাটির একটা কোদালও পড়েনি। মেম্বারের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে তোলা হয়েছে বরাদ্দের টাকা। পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ ও দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নে দুর্নীতির এমন এক ‘মায়াজাল’ বুনেছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) মুনসুর হেলাল। সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার আকস্মিক পরিদর্শনে বেরিয়ে এসেছে জালিয়াতি আর অর্থ আত্মসাতের এই রোমহর্ষক চিত্র। নড়েচড়ে বসেন যে সকল ইউপি সদস্যদের নাম ভাঙিয়ে, স্বাক্ষর জাল করে অভিনব পন্থায় অর্থ আত্মসাত করা হয়েছে তাঁরা।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালীর স্থানীয় সরকার উপপরিচালক (ডিডিএলজি) জনাব জুয়েল রানা মির্জাগঞ্জের দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে আসলে থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়ে। জুয়েল রানা উপস্থিত ইউপি সদস্যদের প্রকল্পের কথা জিজ্ঞেস করলে আকাশ ভেঙে মাথায় পড়ার অবস্থা হয় তাদের।
পরিষদের আওতাধীন এই সকল স্কীমের জন্য যে এলাকায় কাজ, সেই ওয়ার্ডের মেম্বার ‘সভাপতি’, থাকেন। অথচ এই প্রজেক্টের জন্য নথিতে তাদের সভাপতি দেখানো হলে তাঁরা যে সভাপতি তা জানেনই না।
৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদ জানান,তার নামে হাট-বাজার কোটার ১ লক্ষ টাকার একটি প্রকল্প উত্তর রানীপুর রমজান হাওলাদার বাড়ির রাস্তা বাস্তবায়ন দেখানো হয়েছে, যার সভাপতি তিনি। অথচ তিনি জানেনইনা,এখানে প্রকল্প হয়েছে এবং সেটা তাঁর নামে।
আবুল কালাম আজাদ জানান, ডিডিএলজি স্যার আমাকে প্রকল্পের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে আমি উপস্থিত সবার সামনেই এই প্রজেক্টের ব্যাপারে কিছু জানিনা সাথে সাথে জানাই। তিনি আরো বলেন, "আমি স্যারের কাছে বলি এখানে কাজ হলো কবে এবং কে করেছে। এই প্রকল্প বাবদ আমি তো কোন টাকা পাইনি। তাহলে আমার নাম দেখানো হলো কেন।" তিনি দাবি করেন,"রেজিস্ট্রারে তাঁর স্বাক্ষর মুনসুর হেলাল জাল করেছেন।"
আবুল কালাম আজাদের কথা অনুযায়ী রমজান হাওলাদার বাড়ি রাস্তায় দেখা যায় মাটির কাজ করা হয়েছে। তবে রমজান হাওলাদার জানান, "মাটির কাজ তিনি নিজ খরচে করেছেন,কোনো সরকারি তরফে নয়।" স্থানীয়দের সাথেও কথা বলে জানা যায়, মেম্বার আবুল কালাম আজাদ ও রমজান হাওলাদার সঠিক বলছেন।
৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম সোহাগ। তার নামে ২ লক্ষ টাকার প্রকল্প দেখানো হয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না ডিডিএলজিকে জানিয়ে দেন।
কামরুল ইসলাম সোহাগের নামে যে প্রকল্প দেখানো হয়ছে সেই কাজ আসলে টিআর প্রকল্পের টাকায় অনেক আগেই করে রেখেছেন মহিলা মেম্বার নাসিমা বেগম।
এবিষয় সংরক্ষিত মহিলা আসনের ইউপি সদস্য নাসিমা বেগম জানান,পিআইও থেকে দেউলী বাবুল সিকদারের বাড়ির থেকে লেমুয়া ওয়াপদা পর্যন্ত সড়কে কাজ করার জন্য ১ লক্ষ টাকা আমাকে বরাদ্দ দেয়। সে অনুযায়ী আমি কাজ করি।
তিনি আরও জানান,একই রাস্তা আমাকে পিআইও থেকে দেখানো হয়ছে বাবুল সিকদারের বাড়ির রাস্তা আবার সোহাগ মেম্বারকে দেখানো হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান সড়ক নামে। কিন্তু ইউপি বরাদ্দ থেকে আদৌ কোনো কাজ করা হয়নি। কামরুল ইসলাম সোহাগ ও নাসিমা বেগমের দাবি, এই প্রকল্পের অর্থ মুনসুর হেলাল সরকারি তহবিল থেকে তুলে নিয়েছেন।
এখানেই শেষ নয়, সোহাগ মেম্বারের নামে কাবিটা প্রকল্পের ২ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার প্রকল্পের অর্ধেক অর্থাৎ ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকাও গায়েব করার অভিযোগ উঠেছে এই সচিবের বিরুদ্ধে।
সোহাগ মেম্বার আরো বলেন, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের পিআইও অফিস হতে কাবিটা প্রকল্প হতে মােট ২৮০০০০ (দুই লক্ষ আশি হাজার ) টাকার একটি স্কীম বাস্তাবায়ন করি।
স্কীমের নাম ৫ নম্বর ওয়ার্ডে সাহজাহান সড়ক হতে মােসলেম মেম্বার বাড়ি পর্যন্ত ইট সলিং করা। বরাদ্দের অর্ধেক ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা আমার একাউন্টে জমা হলে আমি স্কীমের কাজ সমাপ্ত করি। বাকি ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার বিলের কাগজ মুনসুর হেলাল নিয়ে যান। যে টাকা আমার একাউন্টে জমা হয়নি- আজ পর্যন্ত আমি হাতে পাইনি । মুনসুর হেলাল কিভাবে টাকা উত্তোলন করলেন কারা সহযোগিতা করলেন এ বিষয়ে কিছুই জানতে পারিনি।
৪নং ওয়ার্ডের সদস্য মো.সোবাহানের কাছেও ২ লাখ টাকার একটি স্কিমের কথা জানান কর্মকর্তা জুয়েল রানা। কর্মকর্তার সামনে একই অভিযোগ করেন সোবাহান মেম্বার। তিনিও দাবি করেন,এ প্রজেক্টের কথা তিনি জানেন না বা তাঁর কাছে কোন টাকা আসেনি। এমনকি তিনি বলে দিয়েছেন সে সকল স্থানে কোন কাজও হয়নি।
সোবাহান মেম্বার তাঁর নামের সিল দেখিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন,"সচিব মুনসুর হেলাল আমার সই জাল করেছেন এবং আমার সিলের চেয়ে বড় সাইজের একটি ভুয়া সিল বানিয়ে এই জালিয়াতি করেছেন।"
ডিডিএলজির জিজ্ঞাসা মতে যে রাস্তার বিল তোলা হয়েছে এই স্কীমের ব্যাপারে স্থানীয়রা জানান, এই রাস্তায় সর্বশেষ কাজ হয়েছিল ২০০৩-০৪ সালে সাবেক চেয়ারম্যান মোবারক আলী মুন্সীর আমলে। এরপর আর কোনো কাজ হয়নি।
আরো একজন সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য মােসা: রীনা বেগম জানান, ডিডিএলজি স্যারের পরিদর্শন কালে আমি জানতে পারি আমর নামে হাট- বাজারের বরাদ্দ হতে ২ লাখ টাকা করে ২টি স্কীম মোট ৪ লাখ টাকা বাস্তবায়ন হয়েছে। এই স্কীম সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুনসুর হেলাল আমার স্বাক্ষর নিয়ে নেছেন। আমার একাউন্টে ঐ টাকা আসেনি অথবা নগদ কোন টাকা প্রদান করেনি। ওই টাকা তিনি আত্মসাত করেছেন।
ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য স্থানীয়রা জানান, ডিডিএলজি জুয়েল রানা হাতেনাতে সরাসরি এতসব গুরুতর আত্মসাতের পাহাড় এবং জালিয়াতির প্রমাণ মিললেও অভিযুক্ত মুনসুর হেলাল বর্তমানে মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নে বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন। গত ৮ মার্চ "জেলের চালে ‘প্রবাসী’ ও ‘ভুতুড়ে’ নাম মুনসুর হেলালের দুর্নীতির থাবা থেকে বাদ যায়নি জেলেদের বরাদ্দকৃত চালও।"
এই শিরোনামে কয়েকটি জাতীয় পত্রিকার সংবাদ প্রকাশিত হয়। কিন্তু সবকিছু ম্যানেজ করে চালাচ্ছেন তিনি। তার চোখে-মুখে কোনো অনুশোচনা নেই বলে জানান স্থানীয়রা।
এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী জনপ্রনিধিরা এই ‘দুর্নীতির বরপুত্র’ মুনসুর হেলালের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং আত্মসাৎকৃত সরকারি অর্থ পুনরুদ্ধারের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তবে জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়রা জানান,মুনসুর হেলাল একজন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর। কাউকে সম্মান দেন না এমনকি তোয়াক্কা করেন না। সরকারি সেবা গ্রহীতারা তাঁর কাছ থেকে নানাভাবে ভোগান্তির শিকার হন। আরও বলেন,যত দুর্নীতি করুক আর মুনসুর হেলালকে কেউ কিছু করতে পারবেন না। কারণ তার সঙ্গে বড় বড় রাঘব বোয়াল রয়েছেন। যারা নেপথে কল কাঠি নাড়েন এবং তাঁর একজন আত্মীয় মুক্তিযোদ্ধা। তিনি যে কোন কাজের জন্য সচিবালায় পর্যন্ত পৌঁছেন। তবে এ ব্যাপারে স্থানীয়রা আরও জানান, ওই মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেটের বিপরীতে মামলা রয়েছে। তিনি নাকি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নন।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) মুনসুর হেলাল তার ওপর আনীত অভিযোগ অস্বীকার করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, "চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো বিল তোলা সম্ভব নয়। আমি একা কিছু করিনি।" তবে তিনি ইউপি সদস্যদের স্বাক্ষর জালিয়াতি বা প্রকল্পের অনুপস্থিতির বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
এ ব্যাপারে ডিডিএলজি জুয়েল রানা জানান, "আমার পরিদর্শনে বেশ কিছু এলোমেলো মনে হয়েছে। উত্তরগুলো (মুনসুর হেলালের) ভালো পাইনি। আমি আমার প্রতিবেদনে একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগের সুপারিশ করব যাতে সাইট ভিজিট করে নিশ্চিত হওয়া যায়।"
আমার কাছে সমস্যা সম্পূর্ণই মনে হয়েছে এবং কারণ অ্যানসার গুলো ভালো পাইনি। তো এজন্য যেহেতু আমি জাস্ট একটা ভিজিট করতে গিয়েছি... আমার বক্তব্য এইটাই।"

২৫ মে, ২০২৬ ১৪:২৪
পটুয়াখালীর দুমকিতে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং কর্মকর্তার কাছ থেকে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি রবিউল ইসলাম ওরফে রনি মৃধা ওরফে ‘কসাই রনি’কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার থানা ব্রিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রনি মৃধা (৩০) উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুর হোসেন মৃধার ছেলে। তিনি দুমকি থানায় করা ছিনতাই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পুলিশের দাবি, দুমকিতে সংঘটিত একাধিক দস্যুতা, লুটপাট ও সহিংস ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ মে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং দুমকি বাজার আউটলেটের ইনচার্জ এক মাঠ কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে বের হন। বেলা ১১টার দিকে তারা রাজাখালী ফার্মগেটের পূর্ব পাশে পৌঁছলে চার দুর্বৃত্ত তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। এ সময় ব্যাংক কর্মকর্তাদের মারধর করে ১৮ হাজার ৩০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় গত ২০ মে দুমকি থানায় দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায় একটি মামলা করা হয়। মামলার নম্বর-৮।
পুলিশি নথি সূত্রে জানা গেছে, রনি মৃধার বিরুদ্ধে পটুয়াখালী ও দুমকি থানায় একাধিক গুরুতর মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পটুয়াখালী থানার একটি মামলায় দণ্ডবিধির ৩৯৯/৪০২ ধারায় দস্যুতার প্রস্তুতির অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলাসহ আরও কয়েকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
দুমকি থানায় দায়ের হওয়া আরেকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির মোট দশটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব ধারার মধ্যে সংঘবদ্ধ হামলা, মারধর, গুরুতর জখম, হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর, চুরি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া কিছুদিন আগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনায়ও তিনি একজন আসামি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘কসাই রনি’ নামে পরিচিত রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লেও রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এতদিন পার পেয়ে আসছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ায় তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে। মামলার অন্য পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং কর্মকর্তার কাছ থেকে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি রবিউল ইসলাম ওরফে রনি মৃধা ওরফে ‘কসাই রনি’কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার থানা ব্রিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রনি মৃধা (৩০) উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুর হোসেন মৃধার ছেলে। তিনি দুমকি থানায় করা ছিনতাই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পুলিশের দাবি, দুমকিতে সংঘটিত একাধিক দস্যুতা, লুটপাট ও সহিংস ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ মে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং দুমকি বাজার আউটলেটের ইনচার্জ এক মাঠ কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে বের হন। বেলা ১১টার দিকে তারা রাজাখালী ফার্মগেটের পূর্ব পাশে পৌঁছলে চার দুর্বৃত্ত তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। এ সময় ব্যাংক কর্মকর্তাদের মারধর করে ১৮ হাজার ৩০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় গত ২০ মে দুমকি থানায় দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায় একটি মামলা করা হয়। মামলার নম্বর-৮।
পুলিশি নথি সূত্রে জানা গেছে, রনি মৃধার বিরুদ্ধে পটুয়াখালী ও দুমকি থানায় একাধিক গুরুতর মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পটুয়াখালী থানার একটি মামলায় দণ্ডবিধির ৩৯৯/৪০২ ধারায় দস্যুতার প্রস্তুতির অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলাসহ আরও কয়েকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
দুমকি থানায় দায়ের হওয়া আরেকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির মোট দশটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব ধারার মধ্যে সংঘবদ্ধ হামলা, মারধর, গুরুতর জখম, হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর, চুরি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া কিছুদিন আগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনায়ও তিনি একজন আসামি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘কসাই রনি’ নামে পরিচিত রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লেও রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এতদিন পার পেয়ে আসছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ায় তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে। মামলার অন্য পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

২৪ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে প্রতিবন্ধী তরুণীকে (২৭) ধর্ষণের অভিযোগে মো. নাজেম মৃধা (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মে) এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২২ মে) পায়রা নদীর পাড়ে ওই তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার সময় জনৈক এক জেলে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন বলে জানা যায়, যা পরে ঘটনার প্রমাণ হিসেবে সামনে আসে।
ভুক্তভোগী মির্জাগঞ্জ উপজেলার গোলখালী গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় চরখালী গ্রামের নবাব আলী মৃধার ছেলে মো. নাজেম মৃধার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বোতলবুনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার বোনের বাড়ির সামনে থেকে অভিযুক্ত নাজেম মৃধাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস সালাম জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে প্রতিবন্ধী তরুণীকে (২৭) ধর্ষণের অভিযোগে মো. নাজেম মৃধা (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মে) এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২২ মে) পায়রা নদীর পাড়ে ওই তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার সময় জনৈক এক জেলে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন বলে জানা যায়, যা পরে ঘটনার প্রমাণ হিসেবে সামনে আসে।
ভুক্তভোগী মির্জাগঞ্জ উপজেলার গোলখালী গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় চরখালী গ্রামের নবাব আলী মৃধার ছেলে মো. নাজেম মৃধার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বোতলবুনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার বোনের বাড়ির সামনে থেকে অভিযুক্ত নাজেম মৃধাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস সালাম জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস

২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৩১
বন্ধুর ভগ্নিপতির জানাজা নামাজে যাওয়ার পথে মিজানুর রহমান মিজুর নামের এক ঠিকাদার লরিচাপায় নিহত হয়েছেন। এ সময় তার বন্ধু সাগর গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) দিবাগত রাতে দিবাগত রাতে গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চরখালী গ্রামে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ঠিকাদার পটুয়খালী সিএন্ডবি রোডের মো. রফিক হাওলাদারের ছেলে এবং তার বন্ধু একই এলাকার আ. লফিতফ মৃধার ছেলে মো. সাগর মৃধা।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর তাদের উদ্ধার করে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিাকৎসারত অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়।
হতাহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে সাগর মৃধার ভগ্নিপতি মো. হাবিবুর রহমানের জানাজা নামাজে অংশ নিতে তার বন্ধু মিজুরকে নিয়ে গলাচিপার চরখালী গ্রামের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালী থেকে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উত্তর চরখালী এলাকায় পৌঁছালে মালামালবাহী একটি লরির সঙ্গে ধাক্কা লেগে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে যান সাগর ও মিজুর। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদেরকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়। অপরদিকে সাগরের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গলাচিপা থানার ওসি (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় মিজানুর রহমান মিজুর নিহত এবং সাগর গুরুতর আহত হওয়ার খবরটি জানতে পেরেছি। তবে যেহেতু মারা গেছেন বরিশাল মেডিক্যালে এবং তার বাড়ি পটুয়াখালী শহরে যে কারণে এই মুহূর্তে আমাদের করণীয় তেমন কিছু নাই, তারপরেও যদি নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বন্ধুর ভগ্নিপতির জানাজা নামাজে যাওয়ার পথে মিজানুর রহমান মিজুর নামের এক ঠিকাদার লরিচাপায় নিহত হয়েছেন। এ সময় তার বন্ধু সাগর গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) দিবাগত রাতে দিবাগত রাতে গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চরখালী গ্রামে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ঠিকাদার পটুয়খালী সিএন্ডবি রোডের মো. রফিক হাওলাদারের ছেলে এবং তার বন্ধু একই এলাকার আ. লফিতফ মৃধার ছেলে মো. সাগর মৃধা।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর তাদের উদ্ধার করে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিাকৎসারত অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়।
হতাহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে সাগর মৃধার ভগ্নিপতি মো. হাবিবুর রহমানের জানাজা নামাজে অংশ নিতে তার বন্ধু মিজুরকে নিয়ে গলাচিপার চরখালী গ্রামের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালী থেকে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উত্তর চরখালী এলাকায় পৌঁছালে মালামালবাহী একটি লরির সঙ্গে ধাক্কা লেগে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে যান সাগর ও মিজুর। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদেরকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়। অপরদিকে সাগরের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গলাচিপা থানার ওসি (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় মিজানুর রহমান মিজুর নিহত এবং সাগর গুরুতর আহত হওয়ার খবরটি জানতে পেরেছি। তবে যেহেতু মারা গেছেন বরিশাল মেডিক্যালে এবং তার বাড়ি পটুয়াখালী শহরে যে কারণে এই মুহূর্তে আমাদের করণীয় তেমন কিছু নাই, তারপরেও যদি নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.