
১০ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:৩৯
ঘুরেফিরে একই স্থানে একাধিক কর্মকর্তা # গড়ে উঠেছে আওয়ামী সিন্ডিকেট। চলছে বদলি ও তদবির বাণিজ্য। জিএম বললেন, কোনো সমস্যা নেই।
আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠ এবং সুবিধাভোগী একাধিক কর্মকর্তা এখনো ঘিরে রেখেছে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি বরিশাল সার্কেল সচিবালয়ের যাবতীয় কার্যক্রম। বরিশাল সার্কেলের প্রতিজন জেনারেল ম্যানেজারকে (জিএম) এদের ইচ্ছেমত চলতে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বরিশাল সার্কেলে যখন যিনি জিএম হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন তাকেই ভুল ও মিথ্যে তথ্য দিয়ে দিশেহারা করে তোলেন ফ্যাসিস্ট সহযোগী এই কর্মকর্তারা। এরা ব্যাংকের নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যুগ যুগ ধরে ঘুরে ফিরে বরিশাল সার্কেল অফিস ও নগরীর বিভিন্ন শাখায় কর্মরত রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদের মধ্যে বরিশাল আওয়ামী লীগের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও ঢাকা মহানগরের (দক্ষিণ) সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মুরাদের ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম, ওমর ফারুক, দেবাশীষ কুণ্ডু সহ আরো কয়েকজন রয়েছেন। যারা তখন বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও স্বাধীনতা ব্যাঙ্কারস এসোসিয়েশনের নেতা হয়ে রীতিমতো রাজনৈতিক সভা সমাবেশ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন বলে তথ্য প্রমাণ রয়েছে। গণ অভ্যুত্থানের পরে এখনো তারা বহাল তবিয়েতে
এই ফ্যাসিস্ট সহযোগীরা নিজস্ব সিন্ডিকেট তৈরি করে বরিশাল সার্কেলে নতুন কোনো জিএম আসামাত্র তাকে ঘিরে ফেলে এবং মিথ্যে ও ভুল তথ্য দিয়ে বিভিন্ন বদলী বাণিজ্য, শাখা ম্যানেজার তৈরির সুপারিশসহ ঋণ বিতরণ বাণিজ্য চালিয়ে বরিশালে রীতিমতো রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে। তাদের এসব কাজে বাধা দিয়ে ইতিমধ্যেই অনেক সৎ কর্মকর্তা বিভিন্নভাবে হেনস্তা ও সর্বশেষ বদলির আদেশ পেয়েছেন বলেও সার্কেল অফিস সুত্রে জানা গেছে। যদিও বর্তমান জিএম জাহিদ ইকবাল বলেছেন, অতোটা ফ্যাসিস্ট হলে এরা কি এখনো টিকতে পারতো? আমার কাজে এখনো তাদের থেকে কোনো সমস্যা নেই বলে জানান তিনি।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, জুলাই বিপ্লবের পর চলতি বছর জানুয়ারিতে বরিশাল সার্কেলের জিএম হিসেবে জাহিদ ইকবাল দায়িত্ব পেলেও তার পিএস হিসেবে রয়ে গেছেন ফ্যাসিস্ট সহযোগী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম। এই প্রতিবেদন তৈরি সময়ে তার অগ্রণী ব্যাংকে চাকুরীর বয়স ১২ বছর ২ মাসের বেশি। তিনি ২০১৩ সালের ২৫ আগস্ট অগ্রণী ব্যাংকে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং বরিশাল সার্কেলে যোগদান করেন। এরপর বরিশালেই কয়েকটি শাখা অফিসে ঘুরে পুনরায় বরিশাল সার্কেল অগ্রণী ব্যাংকে জিএম এর পিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমানে তিনি টানা ৩ বছর ১১ মাস বরিশাল সার্কেল অফিসে কর্মরত আছেন। চাকুরী বিধি অনুযায়ী ৩ বছর এর বেশি একই কর্মস্থলে থাকা যায় না। কিন্তু জাহিদুল ইসলামের ৩ বছর পূর্ণ হওয়ামাত্রই নিজ থেকে আরেক শাখা/অফিসে বদলী হন। একমাস বা দুইমাস শাখা অফিসে থেকে পুনরায় সার্কেল অফিসে জিএম এর পিএস পদে যোগদান করেন। ৫ আগস্টের আগে তিনি বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন এবং বিভিন্ন দলীয় কার্যক্রমে নিয়মিত অংশ নিতে দেখা গেছে। বর্তমানে পুনরায় বরিশাল সার্কেলে তার তিন বছর পূর্ণ হওয়ার পরও বহাল রয়েছেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৪ মাস পেরিয়ে গেলেও অগ্রণী ব্যাংক বরিশাল সার্কেলে আওয়ামী পন্থী এই ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের মত বরিশাল অগ্রণী ব্যাংকে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ কুণ্ডু ও সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে এজিএম পংকজ কুমার নাথ, আজিজুর রহমান এবং এসপিও আবু তাহের, পিও জিয়াউর রহমান, পিও রাশেদ এর সহযোগিতায় বদলী বাণিজ্য ও ম্যানেজার বানানোর কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। আর এই কাজগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত অনুসন্ধান না করেই জিএম জাহিদ ইকবাল অনুমোদন করে দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
সার্কেল অফিসের কয়েকজন অবহেলিত ভুক্তভোগী বলেন, ফ্যাসিস্ট সহযোগী এই কর্মকর্তারা জিএম জাহিদ ইকবালকে চারদিক থেকে ঘিরে থাকে। অন্যকাউকে তার কাছে ঘেঁষতে দেয়া হয়না।
এদের অন্যতম আরেকজন সহযোগী দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা দেবাশীষ কুণ্ডু। তিনি ২০১২ সালের ১৩ মে অগ্রণী ব্যাংকে যোগদান করেন। সাবেক ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতা ও অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক পরিচালক বলরাম পোদ্দারের সুপারিশে তার এই নিয়োগ হয়। ১৩ বছর ৫ মাস কার্যকালীন সময়ে ৬ বছর ২ মাস ০৯ দিন তিনি বরিশাল সার্কেল অফিসে চাকুরী করছেন এবং এখানো বহাল তবিয়তে আছেন। বাকি সময়ে কখনো বরিশাল জোনাল অফিস অথবা বরিশালেরই কোন শাখায় কর্মরত ছিলেন।
ঠিক একইভাবে রাশেদুল ইসলাম অগ্রণী ব্যাংকে জয়েন করেন ২০১০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর। সর্বমোট ১৫ বছর তিন মাসের মধ্যে বরিশাল সার্কেল অফিসে চাকুরী করছেন ১১ বছর ২ মাস যাবত। একই এসপিও আবদুল মতিন ও আবু তাহের চাকুরী জীবনের অধিকাংশ সময় বরিশাল সার্কেল অফিসে চাকুরী করছেন। এরা সবাই বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও স্বাধীনতা ব্যাঙ্কার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে বরিশাল জোনের বিভিন্ন বদলি বাণিজ্য, কমিশন বাণিজ্য, তদবির বাণিজ্য এবং শাখা ম্যানেজার বানানোর সকল কারিশমা সম্পাদন করছে বলে জানা গেছে। জিএম জাহিদ ইকবাল এসব বিষয় জেনেও না জানার ভান করে আছেন। এদিকে এই ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের অত্যাচারে সাধারণ অফিসাররা অতিষ্ঠ। নিয়মিত মাসোহারা না দিলে দুর্গম স্থানে বদলীর হুমকি প্রদান করেন এবং বিভিন্ন শাখা ও জোনাল অফিসে সমস্যা হতে পারে এমন অফিসারদের বরিশাল থেকে সরিয়ে দিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন বলে জানা গেছে।
এসব অভিযোগ বিষয়ে বরিশাল সার্কেল অগ্রণী ব্যাংকের জিএম জাহিদ ইকবাল বললেন, তারা যতই ফ্যাসিস্ট বা ফ্যাসিস্ট সহযোগী হোক, তাতো অফিসের বাইরে। অফিসের ভিতরে আমার কাজে এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা তারা তৈরি করেনি। তাছাড়া তিন বছর পূর্ণ হওয়া মাত্র বদলির নিয়ম অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।’
ঘুরেফিরে একই স্থানে একাধিক কর্মকর্তা # গড়ে উঠেছে আওয়ামী সিন্ডিকেট। চলছে বদলি ও তদবির বাণিজ্য। জিএম বললেন, কোনো সমস্যা নেই।
আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠ এবং সুবিধাভোগী একাধিক কর্মকর্তা এখনো ঘিরে রেখেছে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি বরিশাল সার্কেল সচিবালয়ের যাবতীয় কার্যক্রম। বরিশাল সার্কেলের প্রতিজন জেনারেল ম্যানেজারকে (জিএম) এদের ইচ্ছেমত চলতে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বরিশাল সার্কেলে যখন যিনি জিএম হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন তাকেই ভুল ও মিথ্যে তথ্য দিয়ে দিশেহারা করে তোলেন ফ্যাসিস্ট সহযোগী এই কর্মকর্তারা। এরা ব্যাংকের নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যুগ যুগ ধরে ঘুরে ফিরে বরিশাল সার্কেল অফিস ও নগরীর বিভিন্ন শাখায় কর্মরত রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদের মধ্যে বরিশাল আওয়ামী লীগের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও ঢাকা মহানগরের (দক্ষিণ) সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মুরাদের ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম, ওমর ফারুক, দেবাশীষ কুণ্ডু সহ আরো কয়েকজন রয়েছেন। যারা তখন বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও স্বাধীনতা ব্যাঙ্কারস এসোসিয়েশনের নেতা হয়ে রীতিমতো রাজনৈতিক সভা সমাবেশ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন বলে তথ্য প্রমাণ রয়েছে। গণ অভ্যুত্থানের পরে এখনো তারা বহাল তবিয়েতে
এই ফ্যাসিস্ট সহযোগীরা নিজস্ব সিন্ডিকেট তৈরি করে বরিশাল সার্কেলে নতুন কোনো জিএম আসামাত্র তাকে ঘিরে ফেলে এবং মিথ্যে ও ভুল তথ্য দিয়ে বিভিন্ন বদলী বাণিজ্য, শাখা ম্যানেজার তৈরির সুপারিশসহ ঋণ বিতরণ বাণিজ্য চালিয়ে বরিশালে রীতিমতো রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে। তাদের এসব কাজে বাধা দিয়ে ইতিমধ্যেই অনেক সৎ কর্মকর্তা বিভিন্নভাবে হেনস্তা ও সর্বশেষ বদলির আদেশ পেয়েছেন বলেও সার্কেল অফিস সুত্রে জানা গেছে। যদিও বর্তমান জিএম জাহিদ ইকবাল বলেছেন, অতোটা ফ্যাসিস্ট হলে এরা কি এখনো টিকতে পারতো? আমার কাজে এখনো তাদের থেকে কোনো সমস্যা নেই বলে জানান তিনি।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, জুলাই বিপ্লবের পর চলতি বছর জানুয়ারিতে বরিশাল সার্কেলের জিএম হিসেবে জাহিদ ইকবাল দায়িত্ব পেলেও তার পিএস হিসেবে রয়ে গেছেন ফ্যাসিস্ট সহযোগী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম। এই প্রতিবেদন তৈরি সময়ে তার অগ্রণী ব্যাংকে চাকুরীর বয়স ১২ বছর ২ মাসের বেশি। তিনি ২০১৩ সালের ২৫ আগস্ট অগ্রণী ব্যাংকে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং বরিশাল সার্কেলে যোগদান করেন। এরপর বরিশালেই কয়েকটি শাখা অফিসে ঘুরে পুনরায় বরিশাল সার্কেল অগ্রণী ব্যাংকে জিএম এর পিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমানে তিনি টানা ৩ বছর ১১ মাস বরিশাল সার্কেল অফিসে কর্মরত আছেন। চাকুরী বিধি অনুযায়ী ৩ বছর এর বেশি একই কর্মস্থলে থাকা যায় না। কিন্তু জাহিদুল ইসলামের ৩ বছর পূর্ণ হওয়ামাত্রই নিজ থেকে আরেক শাখা/অফিসে বদলী হন। একমাস বা দুইমাস শাখা অফিসে থেকে পুনরায় সার্কেল অফিসে জিএম এর পিএস পদে যোগদান করেন। ৫ আগস্টের আগে তিনি বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন এবং বিভিন্ন দলীয় কার্যক্রমে নিয়মিত অংশ নিতে দেখা গেছে। বর্তমানে পুনরায় বরিশাল সার্কেলে তার তিন বছর পূর্ণ হওয়ার পরও বহাল রয়েছেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৪ মাস পেরিয়ে গেলেও অগ্রণী ব্যাংক বরিশাল সার্কেলে আওয়ামী পন্থী এই ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের মত বরিশাল অগ্রণী ব্যাংকে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ কুণ্ডু ও সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে এজিএম পংকজ কুমার নাথ, আজিজুর রহমান এবং এসপিও আবু তাহের, পিও জিয়াউর রহমান, পিও রাশেদ এর সহযোগিতায় বদলী বাণিজ্য ও ম্যানেজার বানানোর কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। আর এই কাজগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত অনুসন্ধান না করেই জিএম জাহিদ ইকবাল অনুমোদন করে দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
সার্কেল অফিসের কয়েকজন অবহেলিত ভুক্তভোগী বলেন, ফ্যাসিস্ট সহযোগী এই কর্মকর্তারা জিএম জাহিদ ইকবালকে চারদিক থেকে ঘিরে থাকে। অন্যকাউকে তার কাছে ঘেঁষতে দেয়া হয়না।
এদের অন্যতম আরেকজন সহযোগী দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা দেবাশীষ কুণ্ডু। তিনি ২০১২ সালের ১৩ মে অগ্রণী ব্যাংকে যোগদান করেন। সাবেক ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতা ও অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক পরিচালক বলরাম পোদ্দারের সুপারিশে তার এই নিয়োগ হয়। ১৩ বছর ৫ মাস কার্যকালীন সময়ে ৬ বছর ২ মাস ০৯ দিন তিনি বরিশাল সার্কেল অফিসে চাকুরী করছেন এবং এখানো বহাল তবিয়তে আছেন। বাকি সময়ে কখনো বরিশাল জোনাল অফিস অথবা বরিশালেরই কোন শাখায় কর্মরত ছিলেন।
ঠিক একইভাবে রাশেদুল ইসলাম অগ্রণী ব্যাংকে জয়েন করেন ২০১০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর। সর্বমোট ১৫ বছর তিন মাসের মধ্যে বরিশাল সার্কেল অফিসে চাকুরী করছেন ১১ বছর ২ মাস যাবত। একই এসপিও আবদুল মতিন ও আবু তাহের চাকুরী জীবনের অধিকাংশ সময় বরিশাল সার্কেল অফিসে চাকুরী করছেন। এরা সবাই বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও স্বাধীনতা ব্যাঙ্কার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে বরিশাল জোনের বিভিন্ন বদলি বাণিজ্য, কমিশন বাণিজ্য, তদবির বাণিজ্য এবং শাখা ম্যানেজার বানানোর সকল কারিশমা সম্পাদন করছে বলে জানা গেছে। জিএম জাহিদ ইকবাল এসব বিষয় জেনেও না জানার ভান করে আছেন। এদিকে এই ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের অত্যাচারে সাধারণ অফিসাররা অতিষ্ঠ। নিয়মিত মাসোহারা না দিলে দুর্গম স্থানে বদলীর হুমকি প্রদান করেন এবং বিভিন্ন শাখা ও জোনাল অফিসে সমস্যা হতে পারে এমন অফিসারদের বরিশাল থেকে সরিয়ে দিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন বলে জানা গেছে।
এসব অভিযোগ বিষয়ে বরিশাল সার্কেল অগ্রণী ব্যাংকের জিএম জাহিদ ইকবাল বললেন, তারা যতই ফ্যাসিস্ট বা ফ্যাসিস্ট সহযোগী হোক, তাতো অফিসের বাইরে। অফিসের ভিতরে আমার কাজে এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা তারা তৈরি করেনি। তাছাড়া তিন বছর পূর্ণ হওয়া মাত্র বদলির নিয়ম অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।’

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।