
১০ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:৩৯
ঘুরেফিরে একই স্থানে একাধিক কর্মকর্তা # গড়ে উঠেছে আওয়ামী সিন্ডিকেট। চলছে বদলি ও তদবির বাণিজ্য। জিএম বললেন, কোনো সমস্যা নেই।
আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠ এবং সুবিধাভোগী একাধিক কর্মকর্তা এখনো ঘিরে রেখেছে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি বরিশাল সার্কেল সচিবালয়ের যাবতীয় কার্যক্রম। বরিশাল সার্কেলের প্রতিজন জেনারেল ম্যানেজারকে (জিএম) এদের ইচ্ছেমত চলতে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বরিশাল সার্কেলে যখন যিনি জিএম হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন তাকেই ভুল ও মিথ্যে তথ্য দিয়ে দিশেহারা করে তোলেন ফ্যাসিস্ট সহযোগী এই কর্মকর্তারা। এরা ব্যাংকের নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যুগ যুগ ধরে ঘুরে ফিরে বরিশাল সার্কেল অফিস ও নগরীর বিভিন্ন শাখায় কর্মরত রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদের মধ্যে বরিশাল আওয়ামী লীগের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও ঢাকা মহানগরের (দক্ষিণ) সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মুরাদের ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম, ওমর ফারুক, দেবাশীষ কুণ্ডু সহ আরো কয়েকজন রয়েছেন। যারা তখন বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও স্বাধীনতা ব্যাঙ্কারস এসোসিয়েশনের নেতা হয়ে রীতিমতো রাজনৈতিক সভা সমাবেশ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন বলে তথ্য প্রমাণ রয়েছে। গণ অভ্যুত্থানের পরে এখনো তারা বহাল তবিয়েতে
এই ফ্যাসিস্ট সহযোগীরা নিজস্ব সিন্ডিকেট তৈরি করে বরিশাল সার্কেলে নতুন কোনো জিএম আসামাত্র তাকে ঘিরে ফেলে এবং মিথ্যে ও ভুল তথ্য দিয়ে বিভিন্ন বদলী বাণিজ্য, শাখা ম্যানেজার তৈরির সুপারিশসহ ঋণ বিতরণ বাণিজ্য চালিয়ে বরিশালে রীতিমতো রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে। তাদের এসব কাজে বাধা দিয়ে ইতিমধ্যেই অনেক সৎ কর্মকর্তা বিভিন্নভাবে হেনস্তা ও সর্বশেষ বদলির আদেশ পেয়েছেন বলেও সার্কেল অফিস সুত্রে জানা গেছে। যদিও বর্তমান জিএম জাহিদ ইকবাল বলেছেন, অতোটা ফ্যাসিস্ট হলে এরা কি এখনো টিকতে পারতো? আমার কাজে এখনো তাদের থেকে কোনো সমস্যা নেই বলে জানান তিনি।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, জুলাই বিপ্লবের পর চলতি বছর জানুয়ারিতে বরিশাল সার্কেলের জিএম হিসেবে জাহিদ ইকবাল দায়িত্ব পেলেও তার পিএস হিসেবে রয়ে গেছেন ফ্যাসিস্ট সহযোগী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম। এই প্রতিবেদন তৈরি সময়ে তার অগ্রণী ব্যাংকে চাকুরীর বয়স ১২ বছর ২ মাসের বেশি। তিনি ২০১৩ সালের ২৫ আগস্ট অগ্রণী ব্যাংকে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং বরিশাল সার্কেলে যোগদান করেন। এরপর বরিশালেই কয়েকটি শাখা অফিসে ঘুরে পুনরায় বরিশাল সার্কেল অগ্রণী ব্যাংকে জিএম এর পিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমানে তিনি টানা ৩ বছর ১১ মাস বরিশাল সার্কেল অফিসে কর্মরত আছেন। চাকুরী বিধি অনুযায়ী ৩ বছর এর বেশি একই কর্মস্থলে থাকা যায় না। কিন্তু জাহিদুল ইসলামের ৩ বছর পূর্ণ হওয়ামাত্রই নিজ থেকে আরেক শাখা/অফিসে বদলী হন। একমাস বা দুইমাস শাখা অফিসে থেকে পুনরায় সার্কেল অফিসে জিএম এর পিএস পদে যোগদান করেন। ৫ আগস্টের আগে তিনি বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন এবং বিভিন্ন দলীয় কার্যক্রমে নিয়মিত অংশ নিতে দেখা গেছে। বর্তমানে পুনরায় বরিশাল সার্কেলে তার তিন বছর পূর্ণ হওয়ার পরও বহাল রয়েছেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৪ মাস পেরিয়ে গেলেও অগ্রণী ব্যাংক বরিশাল সার্কেলে আওয়ামী পন্থী এই ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের মত বরিশাল অগ্রণী ব্যাংকে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ কুণ্ডু ও সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে এজিএম পংকজ কুমার নাথ, আজিজুর রহমান এবং এসপিও আবু তাহের, পিও জিয়াউর রহমান, পিও রাশেদ এর সহযোগিতায় বদলী বাণিজ্য ও ম্যানেজার বানানোর কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। আর এই কাজগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত অনুসন্ধান না করেই জিএম জাহিদ ইকবাল অনুমোদন করে দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
সার্কেল অফিসের কয়েকজন অবহেলিত ভুক্তভোগী বলেন, ফ্যাসিস্ট সহযোগী এই কর্মকর্তারা জিএম জাহিদ ইকবালকে চারদিক থেকে ঘিরে থাকে। অন্যকাউকে তার কাছে ঘেঁষতে দেয়া হয়না।
এদের অন্যতম আরেকজন সহযোগী দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা দেবাশীষ কুণ্ডু। তিনি ২০১২ সালের ১৩ মে অগ্রণী ব্যাংকে যোগদান করেন। সাবেক ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতা ও অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক পরিচালক বলরাম পোদ্দারের সুপারিশে তার এই নিয়োগ হয়। ১৩ বছর ৫ মাস কার্যকালীন সময়ে ৬ বছর ২ মাস ০৯ দিন তিনি বরিশাল সার্কেল অফিসে চাকুরী করছেন এবং এখানো বহাল তবিয়তে আছেন। বাকি সময়ে কখনো বরিশাল জোনাল অফিস অথবা বরিশালেরই কোন শাখায় কর্মরত ছিলেন।
ঠিক একইভাবে রাশেদুল ইসলাম অগ্রণী ব্যাংকে জয়েন করেন ২০১০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর। সর্বমোট ১৫ বছর তিন মাসের মধ্যে বরিশাল সার্কেল অফিসে চাকুরী করছেন ১১ বছর ২ মাস যাবত। একই এসপিও আবদুল মতিন ও আবু তাহের চাকুরী জীবনের অধিকাংশ সময় বরিশাল সার্কেল অফিসে চাকুরী করছেন। এরা সবাই বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও স্বাধীনতা ব্যাঙ্কার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে বরিশাল জোনের বিভিন্ন বদলি বাণিজ্য, কমিশন বাণিজ্য, তদবির বাণিজ্য এবং শাখা ম্যানেজার বানানোর সকল কারিশমা সম্পাদন করছে বলে জানা গেছে। জিএম জাহিদ ইকবাল এসব বিষয় জেনেও না জানার ভান করে আছেন। এদিকে এই ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের অত্যাচারে সাধারণ অফিসাররা অতিষ্ঠ। নিয়মিত মাসোহারা না দিলে দুর্গম স্থানে বদলীর হুমকি প্রদান করেন এবং বিভিন্ন শাখা ও জোনাল অফিসে সমস্যা হতে পারে এমন অফিসারদের বরিশাল থেকে সরিয়ে দিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন বলে জানা গেছে।
এসব অভিযোগ বিষয়ে বরিশাল সার্কেল অগ্রণী ব্যাংকের জিএম জাহিদ ইকবাল বললেন, তারা যতই ফ্যাসিস্ট বা ফ্যাসিস্ট সহযোগী হোক, তাতো অফিসের বাইরে। অফিসের ভিতরে আমার কাজে এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা তারা তৈরি করেনি। তাছাড়া তিন বছর পূর্ণ হওয়া মাত্র বদলির নিয়ম অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।’
ঘুরেফিরে একই স্থানে একাধিক কর্মকর্তা # গড়ে উঠেছে আওয়ামী সিন্ডিকেট। চলছে বদলি ও তদবির বাণিজ্য। জিএম বললেন, কোনো সমস্যা নেই।
আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠ এবং সুবিধাভোগী একাধিক কর্মকর্তা এখনো ঘিরে রেখেছে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি বরিশাল সার্কেল সচিবালয়ের যাবতীয় কার্যক্রম। বরিশাল সার্কেলের প্রতিজন জেনারেল ম্যানেজারকে (জিএম) এদের ইচ্ছেমত চলতে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বরিশাল সার্কেলে যখন যিনি জিএম হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন তাকেই ভুল ও মিথ্যে তথ্য দিয়ে দিশেহারা করে তোলেন ফ্যাসিস্ট সহযোগী এই কর্মকর্তারা। এরা ব্যাংকের নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যুগ যুগ ধরে ঘুরে ফিরে বরিশাল সার্কেল অফিস ও নগরীর বিভিন্ন শাখায় কর্মরত রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদের মধ্যে বরিশাল আওয়ামী লীগের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও ঢাকা মহানগরের (দক্ষিণ) সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মুরাদের ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম, ওমর ফারুক, দেবাশীষ কুণ্ডু সহ আরো কয়েকজন রয়েছেন। যারা তখন বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও স্বাধীনতা ব্যাঙ্কারস এসোসিয়েশনের নেতা হয়ে রীতিমতো রাজনৈতিক সভা সমাবেশ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন বলে তথ্য প্রমাণ রয়েছে। গণ অভ্যুত্থানের পরে এখনো তারা বহাল তবিয়েতে
এই ফ্যাসিস্ট সহযোগীরা নিজস্ব সিন্ডিকেট তৈরি করে বরিশাল সার্কেলে নতুন কোনো জিএম আসামাত্র তাকে ঘিরে ফেলে এবং মিথ্যে ও ভুল তথ্য দিয়ে বিভিন্ন বদলী বাণিজ্য, শাখা ম্যানেজার তৈরির সুপারিশসহ ঋণ বিতরণ বাণিজ্য চালিয়ে বরিশালে রীতিমতো রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে। তাদের এসব কাজে বাধা দিয়ে ইতিমধ্যেই অনেক সৎ কর্মকর্তা বিভিন্নভাবে হেনস্তা ও সর্বশেষ বদলির আদেশ পেয়েছেন বলেও সার্কেল অফিস সুত্রে জানা গেছে। যদিও বর্তমান জিএম জাহিদ ইকবাল বলেছেন, অতোটা ফ্যাসিস্ট হলে এরা কি এখনো টিকতে পারতো? আমার কাজে এখনো তাদের থেকে কোনো সমস্যা নেই বলে জানান তিনি।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, জুলাই বিপ্লবের পর চলতি বছর জানুয়ারিতে বরিশাল সার্কেলের জিএম হিসেবে জাহিদ ইকবাল দায়িত্ব পেলেও তার পিএস হিসেবে রয়ে গেছেন ফ্যাসিস্ট সহযোগী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম। এই প্রতিবেদন তৈরি সময়ে তার অগ্রণী ব্যাংকে চাকুরীর বয়স ১২ বছর ২ মাসের বেশি। তিনি ২০১৩ সালের ২৫ আগস্ট অগ্রণী ব্যাংকে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং বরিশাল সার্কেলে যোগদান করেন। এরপর বরিশালেই কয়েকটি শাখা অফিসে ঘুরে পুনরায় বরিশাল সার্কেল অগ্রণী ব্যাংকে জিএম এর পিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমানে তিনি টানা ৩ বছর ১১ মাস বরিশাল সার্কেল অফিসে কর্মরত আছেন। চাকুরী বিধি অনুযায়ী ৩ বছর এর বেশি একই কর্মস্থলে থাকা যায় না। কিন্তু জাহিদুল ইসলামের ৩ বছর পূর্ণ হওয়ামাত্রই নিজ থেকে আরেক শাখা/অফিসে বদলী হন। একমাস বা দুইমাস শাখা অফিসে থেকে পুনরায় সার্কেল অফিসে জিএম এর পিএস পদে যোগদান করেন। ৫ আগস্টের আগে তিনি বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন এবং বিভিন্ন দলীয় কার্যক্রমে নিয়মিত অংশ নিতে দেখা গেছে। বর্তমানে পুনরায় বরিশাল সার্কেলে তার তিন বছর পূর্ণ হওয়ার পরও বহাল রয়েছেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৪ মাস পেরিয়ে গেলেও অগ্রণী ব্যাংক বরিশাল সার্কেলে আওয়ামী পন্থী এই ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের মত বরিশাল অগ্রণী ব্যাংকে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ কুণ্ডু ও সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে এজিএম পংকজ কুমার নাথ, আজিজুর রহমান এবং এসপিও আবু তাহের, পিও জিয়াউর রহমান, পিও রাশেদ এর সহযোগিতায় বদলী বাণিজ্য ও ম্যানেজার বানানোর কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। আর এই কাজগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত অনুসন্ধান না করেই জিএম জাহিদ ইকবাল অনুমোদন করে দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
সার্কেল অফিসের কয়েকজন অবহেলিত ভুক্তভোগী বলেন, ফ্যাসিস্ট সহযোগী এই কর্মকর্তারা জিএম জাহিদ ইকবালকে চারদিক থেকে ঘিরে থাকে। অন্যকাউকে তার কাছে ঘেঁষতে দেয়া হয়না।
এদের অন্যতম আরেকজন সহযোগী দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা দেবাশীষ কুণ্ডু। তিনি ২০১২ সালের ১৩ মে অগ্রণী ব্যাংকে যোগদান করেন। সাবেক ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতা ও অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক পরিচালক বলরাম পোদ্দারের সুপারিশে তার এই নিয়োগ হয়। ১৩ বছর ৫ মাস কার্যকালীন সময়ে ৬ বছর ২ মাস ০৯ দিন তিনি বরিশাল সার্কেল অফিসে চাকুরী করছেন এবং এখানো বহাল তবিয়তে আছেন। বাকি সময়ে কখনো বরিশাল জোনাল অফিস অথবা বরিশালেরই কোন শাখায় কর্মরত ছিলেন।
ঠিক একইভাবে রাশেদুল ইসলাম অগ্রণী ব্যাংকে জয়েন করেন ২০১০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর। সর্বমোট ১৫ বছর তিন মাসের মধ্যে বরিশাল সার্কেল অফিসে চাকুরী করছেন ১১ বছর ২ মাস যাবত। একই এসপিও আবদুল মতিন ও আবু তাহের চাকুরী জীবনের অধিকাংশ সময় বরিশাল সার্কেল অফিসে চাকুরী করছেন। এরা সবাই বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও স্বাধীনতা ব্যাঙ্কার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে বরিশাল জোনের বিভিন্ন বদলি বাণিজ্য, কমিশন বাণিজ্য, তদবির বাণিজ্য এবং শাখা ম্যানেজার বানানোর সকল কারিশমা সম্পাদন করছে বলে জানা গেছে। জিএম জাহিদ ইকবাল এসব বিষয় জেনেও না জানার ভান করে আছেন। এদিকে এই ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের অত্যাচারে সাধারণ অফিসাররা অতিষ্ঠ। নিয়মিত মাসোহারা না দিলে দুর্গম স্থানে বদলীর হুমকি প্রদান করেন এবং বিভিন্ন শাখা ও জোনাল অফিসে সমস্যা হতে পারে এমন অফিসারদের বরিশাল থেকে সরিয়ে দিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন বলে জানা গেছে।
এসব অভিযোগ বিষয়ে বরিশাল সার্কেল অগ্রণী ব্যাংকের জিএম জাহিদ ইকবাল বললেন, তারা যতই ফ্যাসিস্ট বা ফ্যাসিস্ট সহযোগী হোক, তাতো অফিসের বাইরে। অফিসের ভিতরে আমার কাজে এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা তারা তৈরি করেনি। তাছাড়া তিন বছর পূর্ণ হওয়া মাত্র বদলির নিয়ম অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।’

১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৮

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫