
০১ জুলাই, ২০২৫ ১৭:০১
বরগুনার তালতলীতে উপজেলা বিএনপির দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি চলাকালে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (০১ জুলাই) বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার সদর রোডে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন - সিদ্দিকুর রহমান (৩০), শাকিল হোসেন (২৭), রবিউল মুসুল্লি (২৬), মহসিন খান (২৭), মান্নু(৪৫), আলাউদ্দিন (৪৫), কবির হোসেন (৩৫), রহিম হাওলাদার (৪০), রুবেল হোসেন (৩৪), সাহাবিদ খান (৪২), আঃ হাই (৫০), সাইদুল ইসলাম (৩৫), নুর মোহাম্মদ (৪৫), মিজানুর রহমান ওরফে টাস মিজান (২৫)। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় ৪ জনকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. শহিদুল হকের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ এবং অপর একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দেন তালতলী বাজার বহুমুখী সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মামুন ও উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মিয়া রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৩০ জুন) উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. শহিদুল হকের বিরুদ্ধে মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি কর্মী ও ব্যবসায়ী মো. আবুল কালাম।
এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও তালতলী বাজার বহুমুখী সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মাহবুবুল আলম মামুন, কৃষক দলের বরগুনা জেলা সহসভাপতি অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ খান, উপজেলা বিএনপি'র যুগ্ম আহ্বায়ক মিয়া শামিম আহসান, মংসেলন তালুকদার, যুবদলের সদস্য সচিব মিয়া রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি জাফর হাওলাদার প্রমুখ।
এঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে মঙ্গলবার (০১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা বিএনপি'র আহ্বায়ক মো. শহিদুল হকের সমর্থকরা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে। এ কর্মসূচি পালনের সময় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মামুন ও যুবদলের সদস্য সচিব মিয়া রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ এর নেতৃত্বে একই স্থানে সমাবেশ করার জন্য বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সমবেত হন। একই স্থানে উভয়পক্ষ মুখোমুখী হলে দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ ও নৌবাহিনী মাইকিং করে শহরের দোকানপাট বন্ধ করে দেন এবং ঘন্টা ব্যাপী চেষ্টা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আহতরা সবাই তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় ৪ জনকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তালতলী স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৪ জন গুরুতর আহত থাকায় তাদেরকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও তালতলী বাজার বহুমুখী সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মাহবুবুল আলম মামুন বলেন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. শহিদুল হক চাঁদার দাবিতে প্রতিবন্ধী ব্যবসায়ী আবুল কালাম কে মারধর করেন।
এঘটনায় মঙ্গলবার ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। আমরা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ব্যবসায়ীদের পক্ষে একাত্মতা প্রকাশ করি।
এ কর্মসূচি চলাকালীন সময়ে শহিদুল হকের নেতৃত্বে ব্যবসায়ীদের উপর অতর্কিত হামলা করলে কয়েকজন ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতাকর্মী আহত হয়। মামুন আরো বলেন, উপজেলা বিএনপি'র আহবায়ক মো. শহিদুলের বিষয়ে সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নিলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. শহিদুল হক বলেন, আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন চলছিলো। এসময় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মামুন ও যুবদলের সদস্য সচিব মিয়া রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজের নেতৃত্বে আমার সমর্থকদের উপর হামলা চালায়।
তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহজালাল বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে নৌ বাহিনীর সাথে মিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। এ ব্যাপারে কোন পক্ষ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা উম্মে সালমা বলেন, বিএনপির দু'গ্রুপের সংঘর্ষের খবর পেয়ে নৌবাহিনীর সহায়তায় ১ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শহরের দোকানপাট ২ ঘন্টার জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বরগুনার তালতলীতে উপজেলা বিএনপির দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি চলাকালে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (০১ জুলাই) বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার সদর রোডে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন - সিদ্দিকুর রহমান (৩০), শাকিল হোসেন (২৭), রবিউল মুসুল্লি (২৬), মহসিন খান (২৭), মান্নু(৪৫), আলাউদ্দিন (৪৫), কবির হোসেন (৩৫), রহিম হাওলাদার (৪০), রুবেল হোসেন (৩৪), সাহাবিদ খান (৪২), আঃ হাই (৫০), সাইদুল ইসলাম (৩৫), নুর মোহাম্মদ (৪৫), মিজানুর রহমান ওরফে টাস মিজান (২৫)। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় ৪ জনকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. শহিদুল হকের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ এবং অপর একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দেন তালতলী বাজার বহুমুখী সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মামুন ও উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মিয়া রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৩০ জুন) উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. শহিদুল হকের বিরুদ্ধে মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি কর্মী ও ব্যবসায়ী মো. আবুল কালাম।
এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও তালতলী বাজার বহুমুখী সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মাহবুবুল আলম মামুন, কৃষক দলের বরগুনা জেলা সহসভাপতি অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ খান, উপজেলা বিএনপি'র যুগ্ম আহ্বায়ক মিয়া শামিম আহসান, মংসেলন তালুকদার, যুবদলের সদস্য সচিব মিয়া রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি জাফর হাওলাদার প্রমুখ।
এঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে মঙ্গলবার (০১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা বিএনপি'র আহ্বায়ক মো. শহিদুল হকের সমর্থকরা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে। এ কর্মসূচি পালনের সময় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মামুন ও যুবদলের সদস্য সচিব মিয়া রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ এর নেতৃত্বে একই স্থানে সমাবেশ করার জন্য বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সমবেত হন। একই স্থানে উভয়পক্ষ মুখোমুখী হলে দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ ও নৌবাহিনী মাইকিং করে শহরের দোকানপাট বন্ধ করে দেন এবং ঘন্টা ব্যাপী চেষ্টা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আহতরা সবাই তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় ৪ জনকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তালতলী স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৪ জন গুরুতর আহত থাকায় তাদেরকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও তালতলী বাজার বহুমুখী সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মাহবুবুল আলম মামুন বলেন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. শহিদুল হক চাঁদার দাবিতে প্রতিবন্ধী ব্যবসায়ী আবুল কালাম কে মারধর করেন।
এঘটনায় মঙ্গলবার ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। আমরা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ব্যবসায়ীদের পক্ষে একাত্মতা প্রকাশ করি।
এ কর্মসূচি চলাকালীন সময়ে শহিদুল হকের নেতৃত্বে ব্যবসায়ীদের উপর অতর্কিত হামলা করলে কয়েকজন ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতাকর্মী আহত হয়। মামুন আরো বলেন, উপজেলা বিএনপি'র আহবায়ক মো. শহিদুলের বিষয়ে সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নিলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. শহিদুল হক বলেন, আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন চলছিলো। এসময় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মামুন ও যুবদলের সদস্য সচিব মিয়া রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজের নেতৃত্বে আমার সমর্থকদের উপর হামলা চালায়।
তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহজালাল বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে নৌ বাহিনীর সাথে মিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। এ ব্যাপারে কোন পক্ষ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা উম্মে সালমা বলেন, বিএনপির দু'গ্রুপের সংঘর্ষের খবর পেয়ে নৌবাহিনীর সহায়তায় ১ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শহরের দোকানপাট ২ ঘন্টার জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৩০ মে, ২০২৬ ১১:১২
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:২৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫১

২৬ মে, ২০২৬ ১৮:২৪
বরগুনা শহরে খোলা মাঠ থেকে এক অজ্ঞাত পরিচয় নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল প্রায় ১১টার দিকে শহরের সিভিল পুলিশ সুপার কার্যালয় ও সার্জন অফিসের পশ্চিম পাশে, বরগুনা জেলা জজ কোর্ট সংলগ্ন দিঘির পূর্ব পাশের খোলা মাঠে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেয়ে সাংবাদিকদের খবর দিলে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি লাইভ সম্প্রচার করেন।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ জানায়, মরদেহটির পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি শহরে দীর্ঘদিন ধরে ঘোরাফেরা করা এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর মরদেহ হতে পারে।
বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আলীম বলেন, প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারী ঘোরাফেরা করতেন।
তার মাথার চুল কাটা ছিল এবং মাঝে মাঝে উলঙ্গ অবস্থায়ও চলাফেরা করতেন। মরদেহটির গঠন ও চেহারার সঙ্গে ওই নারীর মিল রয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার বিষয়ে সিআইডি ও পিবিআইকে অবহিত করা হয়েছে। তারা এসে তদন্তের মাধ্যমে মরদেহের সঠিক পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করবে। পরিচয় নিশ্চিত না হলে সরকারি ব্যবস্থাপনায় অথবা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় মরদেহটি দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।
বরগুনা শহরে খোলা মাঠ থেকে এক অজ্ঞাত পরিচয় নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল প্রায় ১১টার দিকে শহরের সিভিল পুলিশ সুপার কার্যালয় ও সার্জন অফিসের পশ্চিম পাশে, বরগুনা জেলা জজ কোর্ট সংলগ্ন দিঘির পূর্ব পাশের খোলা মাঠে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেয়ে সাংবাদিকদের খবর দিলে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি লাইভ সম্প্রচার করেন।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ জানায়, মরদেহটির পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি শহরে দীর্ঘদিন ধরে ঘোরাফেরা করা এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর মরদেহ হতে পারে।
বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আলীম বলেন, প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারী ঘোরাফেরা করতেন।
তার মাথার চুল কাটা ছিল এবং মাঝে মাঝে উলঙ্গ অবস্থায়ও চলাফেরা করতেন। মরদেহটির গঠন ও চেহারার সঙ্গে ওই নারীর মিল রয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার বিষয়ে সিআইডি ও পিবিআইকে অবহিত করা হয়েছে। তারা এসে তদন্তের মাধ্যমে মরদেহের সঠিক পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করবে। পরিচয় নিশ্চিত না হলে সরকারি ব্যবস্থাপনায় অথবা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় মরদেহটি দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।

২৬ মে, ২০২৬ ১৪:৪১
বরগুনার পাথরঘাটায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কাটেনি ক্ষতচিহ্ন। ভাঙা বেড়িবাঁধ, লবণাক্ত জমি, ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি আর জীবিকা সংকটে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন উপকূলের হাজারো মানুষ।
পুর্বে বিষখালী, পশ্চিমে সুন্দরবন সংলগ্ন বলেশ্বর নদী আর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। বিষখালী ও বলেশ্বর বেষ্টিত পাথরঘাটা উপজেলা। যেখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়েই থাকেন এখানকার বাসিন্দারা।
ঘূর্ণিঝড় 'রেমাল' হলো ২০২৪ সালের মে মাসে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়। এটি ২৬ মে সন্ধ্যা থেকে ২৭ মে সকাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম করে। ঘূর্ণিঝড় রিমালে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় পাথরঘাটার কয়েকটি উপকূলীয় ইউনিয়ন। জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা। ভেঙে যায় বেড়িবাঁধ, পানিবন্দি হয়ে পড়ে শত শত পরিবার। মাছের ঘের, কৃষিজমি ও বসতঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সুপেয় পানির সংকট হয় তীব্র।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুই বছরেও অনেক পরিবার ঘর মেরামত করতে পারেনি। অনেকের জমিতে এখনো লবণাক্ততার কারণে ফসল ফলছে না। নদীভাঙনের আতঙ্কও রয়েই গেছে।
পাথরঘাটার চরদুয়ানি ইউনিয়নের বলেশ্বর নদী সংলগ্ন দক্ষিন চরদুয়ানী গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, “রিমাল আমাদের সব শেষ করে দিয়েছে। এখনো ঋণ করে সংসার চালাতে হচ্ছে। বেড়িবাঁধ ভেঙে ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। আজও ঘর ঠিক করতে পারিনি।”
পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের চরলাঠিমারা গ্রামের ইদ্রিস মিয়া বলেন, রিমালের ক্ষতি যার হয়নি সে বুঝবেনা কষ্ট কতটা। রিমালে আমাদের এখানে বেড়িবাঁধ ভেঙে তলিয়ে যায় অসংখ্য ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি। লবনাক্ত পানি ঢুকে কৃষি জমিতে মনে হয় আজও লবন রয়ে গেছে। কৃষি জমিতে ফলন ভালো হচ্ছেনা।
স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এনএসএস'র নির্বাহী পরিচালক সাহাবুদ্দিন পান্না বলেন, ঘূর্নিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তাৎক্ষণিক সহায়তা দেয়া হয়েছে এবং দীর্ঘদিন সুপেয় পানি সরবরাহ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পাথরঘাটায় এমনিতেই সুপেয় পানির সংকট থাকে তারপর আবার ঘূর্নিঝড়ের সময় আরও তীব্র হয়। সুপেয় পানি সংকটে সরকারি-বেসরকারিভাবে সমন্বিত উদ্যোগ দরকার যা হতে হবে স্থায়ী।
বরগুনার আরডিএফ'র পরিচালক এনামুল হোসেন বলেন, রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের কয়েকশ পরিবারকে টয়লেট এবং শুকনো খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সংখ্যা বেশি বেড়িবাঁধ সংলগ্ন। এ ক্ষেত্রে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা দরকার।
উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, সিডর থেকে শুরু করে বিগত দিনের যতগুলো ঘূর্ণিঝড় বা জলোচ্ছ্বাস হয়েছে তার চেয়ে বেশি সময় ধরে উপকূলে পানি স্থায়ী রয়েছে। যে পানি ছিলো লবনাক্ত তাতে উপকূলের ফসল ও ফসলের মাটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকরা যে ক্ষতি আজও কাটিয়ে উঠতে পারেনি।
তিনি আরও বলেন, একটি রাষ্ট্র বা দেশকে স্থায়ীভাবে টেকসই করতে হলে উপকূলকে রক্ষা করতে হবে। এজন্য উপকূলের বেরিবাঁধ, উপকূলের বনায়ন টেকসই করার বিকল্প নেই।
বরগুনার পাথরঘাটায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কাটেনি ক্ষতচিহ্ন। ভাঙা বেড়িবাঁধ, লবণাক্ত জমি, ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি আর জীবিকা সংকটে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন উপকূলের হাজারো মানুষ।
পুর্বে বিষখালী, পশ্চিমে সুন্দরবন সংলগ্ন বলেশ্বর নদী আর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। বিষখালী ও বলেশ্বর বেষ্টিত পাথরঘাটা উপজেলা। যেখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়েই থাকেন এখানকার বাসিন্দারা।
ঘূর্ণিঝড় 'রেমাল' হলো ২০২৪ সালের মে মাসে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়। এটি ২৬ মে সন্ধ্যা থেকে ২৭ মে সকাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম করে। ঘূর্ণিঝড় রিমালে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় পাথরঘাটার কয়েকটি উপকূলীয় ইউনিয়ন। জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা। ভেঙে যায় বেড়িবাঁধ, পানিবন্দি হয়ে পড়ে শত শত পরিবার। মাছের ঘের, কৃষিজমি ও বসতঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সুপেয় পানির সংকট হয় তীব্র।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুই বছরেও অনেক পরিবার ঘর মেরামত করতে পারেনি। অনেকের জমিতে এখনো লবণাক্ততার কারণে ফসল ফলছে না। নদীভাঙনের আতঙ্কও রয়েই গেছে।
পাথরঘাটার চরদুয়ানি ইউনিয়নের বলেশ্বর নদী সংলগ্ন দক্ষিন চরদুয়ানী গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, “রিমাল আমাদের সব শেষ করে দিয়েছে। এখনো ঋণ করে সংসার চালাতে হচ্ছে। বেড়িবাঁধ ভেঙে ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। আজও ঘর ঠিক করতে পারিনি।”
পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের চরলাঠিমারা গ্রামের ইদ্রিস মিয়া বলেন, রিমালের ক্ষতি যার হয়নি সে বুঝবেনা কষ্ট কতটা। রিমালে আমাদের এখানে বেড়িবাঁধ ভেঙে তলিয়ে যায় অসংখ্য ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি। লবনাক্ত পানি ঢুকে কৃষি জমিতে মনে হয় আজও লবন রয়ে গেছে। কৃষি জমিতে ফলন ভালো হচ্ছেনা।
স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এনএসএস'র নির্বাহী পরিচালক সাহাবুদ্দিন পান্না বলেন, ঘূর্নিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তাৎক্ষণিক সহায়তা দেয়া হয়েছে এবং দীর্ঘদিন সুপেয় পানি সরবরাহ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পাথরঘাটায় এমনিতেই সুপেয় পানির সংকট থাকে তারপর আবার ঘূর্নিঝড়ের সময় আরও তীব্র হয়। সুপেয় পানি সংকটে সরকারি-বেসরকারিভাবে সমন্বিত উদ্যোগ দরকার যা হতে হবে স্থায়ী।
বরগুনার আরডিএফ'র পরিচালক এনামুল হোসেন বলেন, রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের কয়েকশ পরিবারকে টয়লেট এবং শুকনো খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সংখ্যা বেশি বেড়িবাঁধ সংলগ্ন। এ ক্ষেত্রে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা দরকার।
উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, সিডর থেকে শুরু করে বিগত দিনের যতগুলো ঘূর্ণিঝড় বা জলোচ্ছ্বাস হয়েছে তার চেয়ে বেশি সময় ধরে উপকূলে পানি স্থায়ী রয়েছে। যে পানি ছিলো লবনাক্ত তাতে উপকূলের ফসল ও ফসলের মাটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকরা যে ক্ষতি আজও কাটিয়ে উঠতে পারেনি।
তিনি আরও বলেন, একটি রাষ্ট্র বা দেশকে স্থায়ীভাবে টেকসই করতে হলে উপকূলকে রক্ষা করতে হবে। এজন্য উপকূলের বেরিবাঁধ, উপকূলের বনায়ন টেকসই করার বিকল্প নেই।

২৫ মে, ২০২৬ ১৪:৩৭
বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার চারবারের সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন আকনকে (৭৮) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
রোববার (২৪ মে) রাত ২টার দিকে পাথরঘাটা পৌর শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাকে বরগুনা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে আনোয়ার হোসেন আকন আত্মগোপনে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে পাথরঘাটা পৌরসভার ঠিকাদারি কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পাথরঘাটা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনটি মামলা রয়েছে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার তদন্তাধীন আছে। দুজন ঠিকাদার তার বিরুদ্ধে মামলাগুলো দায়ের করেন।
বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, সাবেক মেয়র আনোয়ার হোসেন আকন বর্তমানে বরগুনা সদর থানায় পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে। এদিকে সাবেক মেয়রকে আটকের ঘটনা পাথরঘাটার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার চারবারের সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন আকনকে (৭৮) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
রোববার (২৪ মে) রাত ২টার দিকে পাথরঘাটা পৌর শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাকে বরগুনা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে আনোয়ার হোসেন আকন আত্মগোপনে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে পাথরঘাটা পৌরসভার ঠিকাদারি কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পাথরঘাটা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনটি মামলা রয়েছে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার তদন্তাধীন আছে। দুজন ঠিকাদার তার বিরুদ্ধে মামলাগুলো দায়ের করেন।
বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, সাবেক মেয়র আনোয়ার হোসেন আকন বর্তমানে বরগুনা সদর থানায় পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে। এদিকে সাবেক মেয়রকে আটকের ঘটনা পাথরঘাটার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.