
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪০
ভোটার ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও গ্রহণযোগ্য হবে না মন্তব্য করেছেন করেছেন বরিশাল ৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। শনিবার (১০ জানুয়ারি) অপরাহ্নে বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা এলাকায় জোটের নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচন আচরণবিধি বিষয়ক এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রত্যাশিত তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। তার দাবি, প্রশাসন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে।
তিনি আরও বলেন, ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা কেন্দ্র দখলের পরিকল্পনা করছে- এমন তথ্য রয়েছে। আমরা ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোর তালিকা প্রস্তুত করেছি। নির্দিষ্ট কিছু কেন্দ্রে অস্ত্রের মহড়ার প্রস্তুতির তথ্যও পেয়েছি। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।
নির্বাচনের অতীত অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ২০০১ সালের পর দেশে সত্যিকার অর্থে একটি ভালো নির্বাচন হয়নি। অথচ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আগামী নির্বাচন হবে ঈদের আনন্দের মতো। কিন্তু ভোটার ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে এবং আগেই কেন্দ্র দখলের ছক কষে রাখলে সেই নির্বাচন কখনোই ভালো হতে পারে না।
একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকারের প্রতি কঠোর অবস্থানের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ও ভোটকেন্দ্র দখলের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে প্রশাসনের কাছে তথ্য রয়েছে। স্থানীয়ভাবে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে বিশেষ ক্ষমতা আইন বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদী আটক নিশ্চিত করা গেলে সহিংসতা ও কেন্দ্র দখলের প্রবণতা অনেকাংশে কমবে বলে তিনি মনে করেন।
নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে এবি পার্টির এই নেতা বলেন, তারা নিয়মিতভাবে জোটের নেতাকর্মীদের নির্বাচন আচরণবিধি বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক সভা করছেন। কোন ধরনের প্রচারণা আইনসম্মত এবং কোনটি নয়—সে বিষয়ে মাঠপর্যায়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বি কিছু রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা নিজেদের নামে ও বেনামে ব্যানার-পোস্টার ব্যবহার করে আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। এসব অনিয়মের বিষয়েও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
সবশেষে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, এই অনিয়মগুলো বন্ধ না হলে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে- এমন আস্থা তৈরি হয় না। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হলে নির্বাচন আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন এবং আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, বরিশাল জেলা ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক মো. শাহাদাত হোসেন, বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রশিবির সভাপতি মো. সৌরভ সরদার, এবি পার্টির জেলা সদস্যসচিব ইঞ্জিনিয়ার জি এম রাব্বি, যুগ্ম-আহ্বায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার এবং যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তানভীর আহমেদসহ প্রমুখ।’
ভোটার ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও গ্রহণযোগ্য হবে না মন্তব্য করেছেন করেছেন বরিশাল ৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। শনিবার (১০ জানুয়ারি) অপরাহ্নে বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা এলাকায় জোটের নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচন আচরণবিধি বিষয়ক এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রত্যাশিত তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। তার দাবি, প্রশাসন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে।
তিনি আরও বলেন, ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা কেন্দ্র দখলের পরিকল্পনা করছে- এমন তথ্য রয়েছে। আমরা ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোর তালিকা প্রস্তুত করেছি। নির্দিষ্ট কিছু কেন্দ্রে অস্ত্রের মহড়ার প্রস্তুতির তথ্যও পেয়েছি। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।
নির্বাচনের অতীত অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ২০০১ সালের পর দেশে সত্যিকার অর্থে একটি ভালো নির্বাচন হয়নি। অথচ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আগামী নির্বাচন হবে ঈদের আনন্দের মতো। কিন্তু ভোটার ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে এবং আগেই কেন্দ্র দখলের ছক কষে রাখলে সেই নির্বাচন কখনোই ভালো হতে পারে না।
একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকারের প্রতি কঠোর অবস্থানের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ও ভোটকেন্দ্র দখলের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে প্রশাসনের কাছে তথ্য রয়েছে। স্থানীয়ভাবে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে বিশেষ ক্ষমতা আইন বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদী আটক নিশ্চিত করা গেলে সহিংসতা ও কেন্দ্র দখলের প্রবণতা অনেকাংশে কমবে বলে তিনি মনে করেন।
নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে এবি পার্টির এই নেতা বলেন, তারা নিয়মিতভাবে জোটের নেতাকর্মীদের নির্বাচন আচরণবিধি বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক সভা করছেন। কোন ধরনের প্রচারণা আইনসম্মত এবং কোনটি নয়—সে বিষয়ে মাঠপর্যায়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বি কিছু রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা নিজেদের নামে ও বেনামে ব্যানার-পোস্টার ব্যবহার করে আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। এসব অনিয়মের বিষয়েও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
সবশেষে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, এই অনিয়মগুলো বন্ধ না হলে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে- এমন আস্থা তৈরি হয় না। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হলে নির্বাচন আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন এবং আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, বরিশাল জেলা ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক মো. শাহাদাত হোসেন, বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রশিবির সভাপতি মো. সৌরভ সরদার, এবি পার্টির জেলা সদস্যসচিব ইঞ্জিনিয়ার জি এম রাব্বি, যুগ্ম-আহ্বায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার এবং যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তানভীর আহমেদসহ প্রমুখ।’

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫২

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩০
মানুষ বাঁচতে চায়, নতুন দিনের স্বপ্ন দেখে। কিন্তু কখনো কখনো সেই স্বপ্ন ভেঙে যায় অপমান, কটাক্ষ আর মানসিক যন্ত্রণার ভারে। তেমনই এক নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে নিজের জীবন শেষ করার পথ বেছে নিতে গিয়েছিলেন বরিশালের এক তরুণী।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল নগরীর মুক্তিযোদ্ধা পার্কে কাফনের কাপড় ও দাফনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাশে রেখে বিষপান করেন তিনি। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল সদর উপজেলার বাসিন্দা ওই তরুণীর সঙ্গে প্রকৌশলী সিদ্দিকুর রহমান সাগরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরিবারের অসম্মতিতে ২০২৫ সালের মে মাসে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে বিয়ের মাত্র চার মাস পর গোপনে তাকে তালাক দেয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
তরুণীর অভিযোগ, এর আগেই তিনি অন্তঃসত্ত্বা হলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জোরপূর্বক তার গর্ভপাত করান। সোমবার এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মামলার শুনানি ছিল বরিশাল আদালতে। শুনানি শেষে আদালত চত্বর থেকে বের হওয়ার সময় শ্বশুর ও দেবরের কটাক্ষ ও অশালীন মন্তব্যের শিকার হন তিনি। সেই অপমান ও মানসিক আঘাত সহ্য করতে না পেরে বাজার থেকে কাফনের কাপড় ও দাফনের সামগ্রী কিনে মুক্তিযোদ্ধা পার্কে যান এবং সেখানে বিষপান করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বরিশাল জেলা পুলিশের সদস্য মো. জীবন জানান, পার্কের একটি বেঞ্চে শুয়ে তরুণী কাতরাচ্ছিলেন। শিশু-কিশোরদের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান। পাশে একটি বিষের বোতল ও দাফনের সামগ্রী পড়ে ছিল। সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯ নম্বরে কল করা হলে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মেহেদী হাসান জানান, ওই তরুণী কীটনাশকজাতীয় বিষ পান করেছেন। হাসপাতালে আনার পর তার পাকস্থলী পরিষ্কার করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থা এখনো সন্তোষজনক নয়।
এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, সামাজিক অবহেলা, পারিবারিক চাপ ও মানসিক নির্যাতনের ফলেই এমন চরম সিদ্ধান্তের পথে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছেন নারীরা।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৫
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার তাঁতিবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এ দিকে দুর্ঘটনার পর ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী। এতে ভোগান্তিতে পড়েন দক্ষিণ অঞ্চলের বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার যাত্রীরা।
মাদারীপুরের মোস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন আল রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রাজৈরের টেকেরহাট থেকে একটি কাভার্ডভ্যান বরিশালের দিকে যাচ্ছিল। মাঝপথে সদর উপজেলার তাঁতিবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে অপর দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানকে সামনে থেকে চাপা দেয় ওই কাভার্ডভ্যানটি। এতে ঘটনাস্থলেই নারীসহ দুই ভ্যানযাত্রী নিহত হন। আহত হন দুজন। আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শহর শয্যা জেলা হাসপাতালে নিলে সেখানে মারা যান এক নারী।
একটি ফরম। কয়েকটি কলাম। নাম, পেশা, আয়, সম্পদ। নির্বাচন এলেই এই কাগজটাই হয়ে ওঠে প্রার্থীদের অবস্থার নীরব দলিল।
বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনের হলফনামা খুললে দেখা যায়, সেখানে কাগজে লেখা রয়েছে দুই রকম নারীর গল্প। একজনের ঘরে কোটি টাকা, আরেকজনের ঘরে শূন্য। দুজনই প্রার্থীর স্ত্রী। কিন্তু তাঁদের ব্যক্তিগত পৃথিবী এক নয়।
প্রার্থীদের হলফনামা বলছে, রাজনীতির ময়দানে তাঁদের অবস্থান যেমন বৈচিত্র্যে ভরা, তেমনি বৈচিত্র্য তাঁদের স্ত্রীদের আর্থিক অবস্থায়ও। কোনো কোনো হলফনামার নির্ধারিত ঘরে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ, কোথাও আবার শূন্য ঘর।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনে ৪১ জন বৈধ প্রার্থীর মধ্যে চারজন প্রার্থীর স্ত্রী কোটিপতি। আর প্রায় কোটিপতি রয়েছেন আরো দুই প্রার্থীর স্ত্রী। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এই চিত্র।
বরিশাল-৩ আসনের একটি হলফনামায় চোখ আটকে যায়। পেশার ঘরে লেখা ‘গৃহিনী’। ঠিক নিচেই সম্পদের অঙ্ক, পাঁচ কোটি ৯১ লাখ টাকার বেশি। এই গৃহিনীর নাম ফাহমিদা কিবরিয়া। তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী কারান্তরীণ সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপুর স্ত্রী। ঘর-সংসার সামলানো এই নারীর নামে রয়েছে জমি, ভবন, নগদ অর্থ- সব মিলিয়ে প্রায় ছয় কোটি টাকা।
এর পরই রয়েছেন বরিশাল-৫ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের স্ত্রী তাছলিমা আক্তার। গৃহিনী ও ব্যবসায়ী পরিচয়ের এই নারীর সম্পদের পরিমাণ তিন কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।
বরিশাল-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী জহিরউদ্দিন স্বপনের স্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ডালিয়া রহমান। তাঁর সঞ্চয় দুই কোটি ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৭৯৬ টাকা। একই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা আবদুস সোবহানের স্ত্রী পারভীন সুলতানা। পেশায় ব্যবসায়ী পারভীন সুলতানার সম্পদ এক কোটি তিন লাখ ৯৬ হাজার ৩৬৭ টাকা।
কোটির ঘরে পৌঁছাতে সামান্য দূরত্বে রয়েছেন আরো দুই প্রার্থীর স্ত্রী। বরিশাল-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন খানের স্ত্রী সেলিনা হোসেনের সম্পদের পরিমাণ ৯৭ লাখ ৬৪ হাজার ২৩৪ টাকা। বরিশাল-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর স্ত্রী নাসিমা আহমেদের সম্পদ ৯৫ লাখ ৪৬ হাজার ১৪৫ টাকা। আবুল হোসেন খান সাবেক সংসদ সদস্য।
বরিশালের নির্বাচনী মাঠে লাখোপতি স্ত্রীদের তালিকাও দীর্ঘ। বরিশাল-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলীর গৃহিনী স্ত্রী নাছিমা বেগমের সম্পদ ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বরিশাল-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবদুল মান্নানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা স্ত্রী মাহফুজা বেগমের সম্পদ ৩২ লাখ ১০ হাজার টাকা।
বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির জয়নাল আবেদীনের স্ত্রী মনিকা আক্তারের সম্পদের পরিমাণ ২৬ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮৬ টাকা। একই আসনে এবি পার্টির প্রার্থী আসাদুজ্জামান ফুয়াদের স্ত্রী রুমা মারজানের সম্পদ মাত্র দুই লাখ ১৮ হাজার টাকা।
বরিশাল-৫ আসনের জামায়াত প্রার্থী মুয়াযযম হোসাইন হেলালের শিক্ষিকা স্ত্রী নাঈমা তাহেরার সম্পদের পরিমাণ ৩৭ লাখ ২৮ হাজার ৪২২ টাকা। এই কাগজে লেখা নেই, প্রার্থীদের স্ত্রীরা কীভাবে এই সম্পদের মালিক হলেন। আইনও সেই প্রশ্ন করে না। শুধু সংখ্যাটা রেখে দেয় ভোটারের সামনে। হলফনামাও সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
আরেকটি হলফনামা। বরিশাল-৪ আসনের এক প্রার্থীর কাগজ। স্ত্রীর সম্পদের ঘরে লেখা আছে, ‘প্রযোজ্য নয়’। আরো কিছু হলফনামায় লেখা, ‘স্ত্রীর নামে কোনো সম্পদ নেই। একেবারে কিছুই না’। এই নারীদের নাম রয়েছে কাগজে। কিন্তু তাঁদের পাশে কোনো অঙ্ক নেই। নেই স্বর্ণালংকার, জমি কিংবা ব্যাংক হিসাব। কেবল একটি ফাঁকা জায়গা।
একটি ফরম। কয়েকটি কলাম। নাম, পেশা, আয়, সম্পদ। নির্বাচন এলেই এই কাগজটাই হয়ে ওঠে প্রার্থীদের অবস্থার নীরব দলিল।
বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনের হলফনামা খুললে দেখা যায়, সেখানে কাগজে লেখা রয়েছে দুই রকম নারীর গল্প। একজনের ঘরে কোটি টাকা, আরেকজনের ঘরে শূন্য। দুজনই প্রার্থীর স্ত্রী। কিন্তু তাঁদের ব্যক্তিগত পৃথিবী এক নয়।
প্রার্থীদের হলফনামা বলছে, রাজনীতির ময়দানে তাঁদের অবস্থান যেমন বৈচিত্র্যে ভরা, তেমনি বৈচিত্র্য তাঁদের স্ত্রীদের আর্থিক অবস্থায়ও। কোনো কোনো হলফনামার নির্ধারিত ঘরে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ, কোথাও আবার শূন্য ঘর।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনে ৪১ জন বৈধ প্রার্থীর মধ্যে চারজন প্রার্থীর স্ত্রী কোটিপতি। আর প্রায় কোটিপতি রয়েছেন আরো দুই প্রার্থীর স্ত্রী। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এই চিত্র।
বরিশাল-৩ আসনের একটি হলফনামায় চোখ আটকে যায়। পেশার ঘরে লেখা ‘গৃহিনী’। ঠিক নিচেই সম্পদের অঙ্ক, পাঁচ কোটি ৯১ লাখ টাকার বেশি। এই গৃহিনীর নাম ফাহমিদা কিবরিয়া। তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী কারান্তরীণ সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপুর স্ত্রী। ঘর-সংসার সামলানো এই নারীর নামে রয়েছে জমি, ভবন, নগদ অর্থ- সব মিলিয়ে প্রায় ছয় কোটি টাকা।
এর পরই রয়েছেন বরিশাল-৫ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের স্ত্রী তাছলিমা আক্তার। গৃহিনী ও ব্যবসায়ী পরিচয়ের এই নারীর সম্পদের পরিমাণ তিন কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।
বরিশাল-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী জহিরউদ্দিন স্বপনের স্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ডালিয়া রহমান। তাঁর সঞ্চয় দুই কোটি ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৭৯৬ টাকা। একই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা আবদুস সোবহানের স্ত্রী পারভীন সুলতানা। পেশায় ব্যবসায়ী পারভীন সুলতানার সম্পদ এক কোটি তিন লাখ ৯৬ হাজার ৩৬৭ টাকা।
কোটির ঘরে পৌঁছাতে সামান্য দূরত্বে রয়েছেন আরো দুই প্রার্থীর স্ত্রী। বরিশাল-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন খানের স্ত্রী সেলিনা হোসেনের সম্পদের পরিমাণ ৯৭ লাখ ৬৪ হাজার ২৩৪ টাকা। বরিশাল-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর স্ত্রী নাসিমা আহমেদের সম্পদ ৯৫ লাখ ৪৬ হাজার ১৪৫ টাকা। আবুল হোসেন খান সাবেক সংসদ সদস্য।
বরিশালের নির্বাচনী মাঠে লাখোপতি স্ত্রীদের তালিকাও দীর্ঘ। বরিশাল-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ছেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলীর গৃহিনী স্ত্রী নাছিমা বেগমের সম্পদ ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বরিশাল-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবদুল মান্নানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা স্ত্রী মাহফুজা বেগমের সম্পদ ৩২ লাখ ১০ হাজার টাকা।
বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির জয়নাল আবেদীনের স্ত্রী মনিকা আক্তারের সম্পদের পরিমাণ ২৬ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮৬ টাকা। একই আসনে এবি পার্টির প্রার্থী আসাদুজ্জামান ফুয়াদের স্ত্রী রুমা মারজানের সম্পদ মাত্র দুই লাখ ১৮ হাজার টাকা।
বরিশাল-৫ আসনের জামায়াত প্রার্থী মুয়াযযম হোসাইন হেলালের শিক্ষিকা স্ত্রী নাঈমা তাহেরার সম্পদের পরিমাণ ৩৭ লাখ ২৮ হাজার ৪২২ টাকা। এই কাগজে লেখা নেই, প্রার্থীদের স্ত্রীরা কীভাবে এই সম্পদের মালিক হলেন। আইনও সেই প্রশ্ন করে না। শুধু সংখ্যাটা রেখে দেয় ভোটারের সামনে। হলফনামাও সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
আরেকটি হলফনামা। বরিশাল-৪ আসনের এক প্রার্থীর কাগজ। স্ত্রীর সম্পদের ঘরে লেখা আছে, ‘প্রযোজ্য নয়’। আরো কিছু হলফনামায় লেখা, ‘স্ত্রীর নামে কোনো সম্পদ নেই। একেবারে কিছুই না’। এই নারীদের নাম রয়েছে কাগজে। কিন্তু তাঁদের পাশে কোনো অঙ্ক নেই। নেই স্বর্ণালংকার, জমি কিংবা ব্যাংক হিসাব। কেবল একটি ফাঁকা জায়গা।
মানুষ বাঁচতে চায়, নতুন দিনের স্বপ্ন দেখে। কিন্তু কখনো কখনো সেই স্বপ্ন ভেঙে যায় অপমান, কটাক্ষ আর মানসিক যন্ত্রণার ভারে। তেমনই এক নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে নিজের জীবন শেষ করার পথ বেছে নিতে গিয়েছিলেন বরিশালের এক তরুণী।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল নগরীর মুক্তিযোদ্ধা পার্কে কাফনের কাপড় ও দাফনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাশে রেখে বিষপান করেন তিনি। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল সদর উপজেলার বাসিন্দা ওই তরুণীর সঙ্গে প্রকৌশলী সিদ্দিকুর রহমান সাগরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরিবারের অসম্মতিতে ২০২৫ সালের মে মাসে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে বিয়ের মাত্র চার মাস পর গোপনে তাকে তালাক দেয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
তরুণীর অভিযোগ, এর আগেই তিনি অন্তঃসত্ত্বা হলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জোরপূর্বক তার গর্ভপাত করান। সোমবার এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মামলার শুনানি ছিল বরিশাল আদালতে। শুনানি শেষে আদালত চত্বর থেকে বের হওয়ার সময় শ্বশুর ও দেবরের কটাক্ষ ও অশালীন মন্তব্যের শিকার হন তিনি। সেই অপমান ও মানসিক আঘাত সহ্য করতে না পেরে বাজার থেকে কাফনের কাপড় ও দাফনের সামগ্রী কিনে মুক্তিযোদ্ধা পার্কে যান এবং সেখানে বিষপান করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বরিশাল জেলা পুলিশের সদস্য মো. জীবন জানান, পার্কের একটি বেঞ্চে শুয়ে তরুণী কাতরাচ্ছিলেন। শিশু-কিশোরদের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান। পাশে একটি বিষের বোতল ও দাফনের সামগ্রী পড়ে ছিল। সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯ নম্বরে কল করা হলে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মেহেদী হাসান জানান, ওই তরুণী কীটনাশকজাতীয় বিষ পান করেছেন। হাসপাতালে আনার পর তার পাকস্থলী পরিষ্কার করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থা এখনো সন্তোষজনক নয়।
এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, সামাজিক অবহেলা, পারিবারিক চাপ ও মানসিক নির্যাতনের ফলেই এমন চরম সিদ্ধান্তের পথে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছেন নারীরা।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার তাঁতিবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এ দিকে দুর্ঘটনার পর ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী। এতে ভোগান্তিতে পড়েন দক্ষিণ অঞ্চলের বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার যাত্রীরা।
মাদারীপুরের মোস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন আল রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রাজৈরের টেকেরহাট থেকে একটি কাভার্ডভ্যান বরিশালের দিকে যাচ্ছিল। মাঝপথে সদর উপজেলার তাঁতিবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে অপর দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানকে সামনে থেকে চাপা দেয় ওই কাভার্ডভ্যানটি। এতে ঘটনাস্থলেই নারীসহ দুই ভ্যানযাত্রী নিহত হন। আহত হন দুজন। আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শহর শয্যা জেলা হাসপাতালে নিলে সেখানে মারা যান এক নারী।
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৭
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫২
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪১
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩৯