দুনিয়াটা বদলে গেছে। ক্লাসে শিক্ষক নেই, হাসপাতালে চিকিৎসক নেই। তবু চলছে পাঠদান, চলছে চিকিৎসা। কারণ একটাই, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। যে প্রযুক্তি একসময় ছিল বিজ্ঞানের কাল্পনিক গল্পে, এখন তা আমাদের প্রতিদিনের সঙ্গী। আর এবার সেই প্রযুক্তি পা রাখল এমন এক জায়গায়, যেখানে আগে কেবল প্রাণ বাজি রেখে দাঁড়াতে হতো।
সুইডেন এবার পাইলট ছাড়াই আকাশে ওড়াল এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধবিমান, যার নিয়ন্ত্রণে নেই কোনো মানুষ। ককপিট ফাঁকা, কিন্তু বিমান চলছে আরও বেশি গতিতে, আরও নিখুঁতভাবে, আরও ভয়ংকর কৌশলে।
এআই চালিত এই যুদ্ধবিমানগুলো এখন কেবল উড়ছে না। তারা নিজেরাই পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করছে, যুদ্ধের কৌশল সাজাচ্ছে, শত্রুর গতিবিধি যাচাই করছে, আর প্রয়োজন হলে এক ঝটকায় ছুড়ে দিচ্ছে ধ্বংসের গোলা।
এই বিমানগুলোর মাথায় বসানো হয়েছে এমন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থা। যা যেকোনো মুহূর্তে নির্ণয় করতে পারে কোথায় আঘাত করা সবচেয়ে কার্যকর, সেকেন্ডের ভেতরেই বিশ্লেষণ করে নেয় পিছিয়ে যাবে, না পাল্টা আঘাত হানবে এবং নিজের ক্ষমতা যাচাই করে সর্বোচ্চ ফলাফল দিতে পারে, এমনকি ডগফাইটে জিতে যেতে পারে পাইলট চালিত বিমানের সঙ্গেও!
সম্প্রতি এভিয়েশন ইন্টারন্যাশনাল নিউজ এক রিপোর্টে জানায়, সুইডেনের এই এআই চালিত যুদ্ধবিমানগুলো পরীক্ষামূলকভাবে সফলভাবে উড়েছে। এমনকি বাল্টিক সাগরের আকাশে একটি প্রতীকী যুদ্ধ মহড়ায় অংশ নিয়ে মানব-চালিত বিমানকে পরাজিত করে চমকে দিয়েছে সবার ধারণা। কোনো পাইলট ছাড়াই বিমান উড়েছে, কৌশল দেখিয়েছে, শত্রুকে আঘাত করেছে আর সবকিছু করেছে নিজের সিদ্ধান্তে।
জার্মানির প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সংস্থা Helsing এই প্রকল্পে কাজ করেছে। গত ২৮ মে থেকে ৩ জুন, এই সময়ের মধ্যে সুইডেনের সামরিক বাহিনীর তত্ত্বাবধানে তিন দফা পরীক্ষা চালানো হয়।
সবগুলোতেই এআই যুদ্ধবিমান স্বয়ংক্রিয়ভাবে উড্ডয়ন করেছে, পরিস্থিতি অনুযায়ী কৌশল পরিবর্তন করেছে, শত্রু লক্ষ্য করে নিখুঁতভাবে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে এবং জরুরি অবস্থায় অবতরণও সম্পূর্ণ নিরাপদে করতে পেরেছে
এই পরীক্ষাগুলো যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে স্পষ্ট হয়েছে বিমানগুলো শুধু উড়তে পারে না, যুদ্ধও করতে পারে, এবং মানুষ ছাড়াই জয় ছিনিয়ে আনতে পারে।
সুইডেনের প্রতিরক্ষা বিভাগ বলছে, এই বিমান এখনো গবেষণার আওতায় রয়েছে। তবে প্রাথমিক সফলতার পর এটি বিশ্বের সামরিক প্রযুক্তি অঙ্গনে রীতিমতো বিপ্লব সৃষ্টি করেছে। অনেক দেশই এখন এই প্রযুক্তির দিকে নজর দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বিমানগুলো ভবিষ্যতের যুদ্ধকে পুরোপুরি বদলে দেবে। এটা শুধু একটি প্রযুক্তির প্রয়োগ নয়, এটি এমন এক যুগের ইঙ্গিত যেখানে যুদ্ধ হবে মানুষের চেয়ে বেশি যন্ত্রনির্ভর, আর সিদ্ধান্ত নেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৪
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৩১
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু। শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯, ধর্ষণের পর ২৬ এবং ধর্ষণচেষ্টার পর চার শিশু নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া গুলিতে তিন, গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনে দুই, উত্ত্যক্তকারীর হাতে দুই এবং অপহরণের পর একজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশু নিখোঁজ ও হত্যার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। এর আগেও নিখোঁজ শিশুদের কারও মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায়, আবার কারও মরদেহ নদী বা ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে।
শুধু হত্যাই নয়, শিশু নিখোঁজের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। পুলিশ সদরদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
আসকের হিসাবে, একই সময়ে আত্মহত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু ও মরদেহ উদ্ধারের আরও ৯৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু। শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯, ধর্ষণের পর ২৬ এবং ধর্ষণচেষ্টার পর চার শিশু নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া গুলিতে তিন, গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনে দুই, উত্ত্যক্তকারীর হাতে দুই এবং অপহরণের পর একজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশু নিখোঁজ ও হত্যার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। এর আগেও নিখোঁজ শিশুদের কারও মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায়, আবার কারও মরদেহ নদী বা ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে।
শুধু হত্যাই নয়, শিশু নিখোঁজের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। পুলিশ সদরদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
আসকের হিসাবে, একই সময়ে আত্মহত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু ও মরদেহ উদ্ধারের আরও ৯৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১২
রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, মরদেহ তখনও ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম পাঠানো হচ্ছে।
ডিসি তেজগাঁও বলেন, “লাশ এখনও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম আসছে। আমরা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, মরদেহ তখনও ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম পাঠানো হচ্ছে।
ডিসি তেজগাঁও বলেন, “লাশ এখনও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম আসছে। আমরা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

২১ জুন, ২০২৫ ১৩:২৮
দুনিয়াটা বদলে গেছে। ক্লাসে শিক্ষক নেই, হাসপাতালে চিকিৎসক নেই। তবু চলছে পাঠদান, চলছে চিকিৎসা। কারণ একটাই, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। যে প্রযুক্তি একসময় ছিল বিজ্ঞানের কাল্পনিক গল্পে, এখন তা আমাদের প্রতিদিনের সঙ্গী। আর এবার সেই প্রযুক্তি পা রাখল এমন এক জায়গায়, যেখানে আগে কেবল প্রাণ বাজি রেখে দাঁড়াতে হতো।
সুইডেন এবার পাইলট ছাড়াই আকাশে ওড়াল এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধবিমান, যার নিয়ন্ত্রণে নেই কোনো মানুষ। ককপিট ফাঁকা, কিন্তু বিমান চলছে আরও বেশি গতিতে, আরও নিখুঁতভাবে, আরও ভয়ংকর কৌশলে।
এআই চালিত এই যুদ্ধবিমানগুলো এখন কেবল উড়ছে না। তারা নিজেরাই পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করছে, যুদ্ধের কৌশল সাজাচ্ছে, শত্রুর গতিবিধি যাচাই করছে, আর প্রয়োজন হলে এক ঝটকায় ছুড়ে দিচ্ছে ধ্বংসের গোলা।
এই বিমানগুলোর মাথায় বসানো হয়েছে এমন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থা। যা যেকোনো মুহূর্তে নির্ণয় করতে পারে কোথায় আঘাত করা সবচেয়ে কার্যকর, সেকেন্ডের ভেতরেই বিশ্লেষণ করে নেয় পিছিয়ে যাবে, না পাল্টা আঘাত হানবে এবং নিজের ক্ষমতা যাচাই করে সর্বোচ্চ ফলাফল দিতে পারে, এমনকি ডগফাইটে জিতে যেতে পারে পাইলট চালিত বিমানের সঙ্গেও!
সম্প্রতি এভিয়েশন ইন্টারন্যাশনাল নিউজ এক রিপোর্টে জানায়, সুইডেনের এই এআই চালিত যুদ্ধবিমানগুলো পরীক্ষামূলকভাবে সফলভাবে উড়েছে। এমনকি বাল্টিক সাগরের আকাশে একটি প্রতীকী যুদ্ধ মহড়ায় অংশ নিয়ে মানব-চালিত বিমানকে পরাজিত করে চমকে দিয়েছে সবার ধারণা। কোনো পাইলট ছাড়াই বিমান উড়েছে, কৌশল দেখিয়েছে, শত্রুকে আঘাত করেছে আর সবকিছু করেছে নিজের সিদ্ধান্তে।
জার্মানির প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সংস্থা Helsing এই প্রকল্পে কাজ করেছে। গত ২৮ মে থেকে ৩ জুন, এই সময়ের মধ্যে সুইডেনের সামরিক বাহিনীর তত্ত্বাবধানে তিন দফা পরীক্ষা চালানো হয়।
সবগুলোতেই এআই যুদ্ধবিমান স্বয়ংক্রিয়ভাবে উড্ডয়ন করেছে, পরিস্থিতি অনুযায়ী কৌশল পরিবর্তন করেছে, শত্রু লক্ষ্য করে নিখুঁতভাবে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে এবং জরুরি অবস্থায় অবতরণও সম্পূর্ণ নিরাপদে করতে পেরেছে
এই পরীক্ষাগুলো যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে স্পষ্ট হয়েছে বিমানগুলো শুধু উড়তে পারে না, যুদ্ধও করতে পারে, এবং মানুষ ছাড়াই জয় ছিনিয়ে আনতে পারে।
সুইডেনের প্রতিরক্ষা বিভাগ বলছে, এই বিমান এখনো গবেষণার আওতায় রয়েছে। তবে প্রাথমিক সফলতার পর এটি বিশ্বের সামরিক প্রযুক্তি অঙ্গনে রীতিমতো বিপ্লব সৃষ্টি করেছে। অনেক দেশই এখন এই প্রযুক্তির দিকে নজর দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বিমানগুলো ভবিষ্যতের যুদ্ধকে পুরোপুরি বদলে দেবে। এটা শুধু একটি প্রযুক্তির প্রয়োগ নয়, এটি এমন এক যুগের ইঙ্গিত যেখানে যুদ্ধ হবে মানুষের চেয়ে বেশি যন্ত্রনির্ভর, আর সিদ্ধান্ত নেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:১৬
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:৩৪
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৪৬
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১৬