পটুয়াখালীর মহিপুরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত জমি দখল, প্রাণনাশের হুমকি, চাঁদাবাজি এবং হামলার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক প্রবাসী পরিবারের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী মো. মুসা গাজীর পক্ষে তার দাদি মোসা. ফাতিমা বেগম। তিনি জানান, তার ছেলে মো. মজিবুর রহমান গাজী দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন। প্রবাসে অর্জিত অর্থে ২০২৪ সালে তিনি ৪০ নং ইউসুফপুর মৌজার বিএস ৮১৬ খতিয়ানের ২৩০৩ ও ২৩০৭ দাগের অংশ থেকে ১.২৮ একর জমি ক্রয় করে বৈধভাবে ভোগদখলে রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি ইমরান হাওলাদার ও কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তির সহযোগিতায় ওই জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা চালান। বিষয়টি নিয়ে মহিপুর থানায় সালিশ বৈঠকে চূড়ান্ত সমাধান না হওয়া পর্যন্ত জমিতে সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। তবে গত ১২ জুন ইমরান হাওলাদার মহিপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বেল্লাল ইসলাম গালিব (মাইকেল), মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আইউব আলী আকন ফিরোজ, ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তাউয়াব সরদার ও রাসেল মাহমুদ ভেকুকে দিয়ে মাটি কাটার কাজ শুরু করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
ফাতিমা বেগম দাবি করেন, তাদের স্বজনরা বাধা দিতে গেলে মারধরের শিকার হন, প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়। এ ঘটনায় তার চাচা আব্দুল মতিন গাজী মহিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-আর ১১৬/২৬) করেন।
এবিষয়ে মহিপুর থানা বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছে অভিযোগ করেও কোন সুফল পায়নি ওই ভুক্তভোগী পরিবারটি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, গত ২১ জুন কলাপাড়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হলেও বিবাদীরা ২৩ জুন পুনরায় জমিতে স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে আব্দুল মতিন গাজী, শহিদুল গাজী ও দেলোয়ার দুয়ারির ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আব্দুল মতিন গাজী গুরুতর আহত হন। পরে তাকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারটির দাবি, তারা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইমরান হাওলাদার বলেন, আমার জমিতে আমি কাজ করেছি। কারও কাছে কোনো টাকা-পয়সা চাওয়া হয়নি। আদালতের কোনো নোটিশও আমি পাইনি।
মহিপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বেলাল ইসলাম গালিব বলেন, বাজারে যাওয়ার পথে বিরোধপূর্ণ জমিতে লোকজনের ভিড় দেখে সেখানে যাই। পরে আমাদের জড়িয়ে আদালতে মামলা ও থানায় জিডি করা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত।
এ বিষয়ে মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি জলিল হাওলাদার বলেন, এটি জমিজমা সংক্রান্ত আদালতের বিষয়। মালিকপক্ষ আদালতে স্বপক্ষে প্রমাণ উপস্থাপন করে ফয়সালা করবেন। বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:২৫
পটুয়াখালীর বাউফলে গাছের ডাল মাথায় পড়ে মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার (৬৫) নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে বাউফল পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার ওই এলাকার মৃত আনালি হাওলাদারের ছেলে। তিনি পৌর বিএনপির সদস্য ছিলেন।
নিহতের ছেলে ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মিজানুর রহমান জানান, কালাইয়ার এক ব্যক্তির কাছে তাঁদের বাড়ির কয়েকটি গাছ বিক্রি করা হয়েছিল। বুধবার দুপুরে এক কাঠুরিয়া গাছে উঠে একটি ডাল কাটেন। পরে আরেক কাঠুরিয়া রশি দিয়ে ডালটি বেঁধে নিচে নামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় গাছের অদূরে দাঁড়িয়ে থাকা তাঁর বাবা মোসলেম উদ্দিন হাওলাদারের মাথার ওপর ডালটি পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে তাঁকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ইরফান উদ্দিন তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাউফল পৌর বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার পৌর বিএনপির সদস্য ছিলেন।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন। পরিবারের কোনো আপত্তি না থাকায় এ ঘটনায় আইনি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
পটুয়াখালীর বাউফলে গাছের ডাল মাথায় পড়ে মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার (৬৫) নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে বাউফল পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার ওই এলাকার মৃত আনালি হাওলাদারের ছেলে। তিনি পৌর বিএনপির সদস্য ছিলেন।
নিহতের ছেলে ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মিজানুর রহমান জানান, কালাইয়ার এক ব্যক্তির কাছে তাঁদের বাড়ির কয়েকটি গাছ বিক্রি করা হয়েছিল। বুধবার দুপুরে এক কাঠুরিয়া গাছে উঠে একটি ডাল কাটেন। পরে আরেক কাঠুরিয়া রশি দিয়ে ডালটি বেঁধে নিচে নামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় গাছের অদূরে দাঁড়িয়ে থাকা তাঁর বাবা মোসলেম উদ্দিন হাওলাদারের মাথার ওপর ডালটি পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে তাঁকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ইরফান উদ্দিন তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাউফল পৌর বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার পৌর বিএনপির সদস্য ছিলেন।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন। পরিবারের কোনো আপত্তি না থাকায় এ ঘটনায় আইনি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:১১
পটুয়াখালীর বাউফলে বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, আসবাবপত্রসহ পুড়ে গেছে নিজের ও বোনের বিয়ের জন্য ১০ থেকে ১২ বছরে জমানো প্রায় সাত লাখ টাকা। এতে সর্বস্ব হারিয়ে পড়েছেন মোশাররফ হোসেনের (৩০) পরিবার।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাংলালিংক টাওয়ারসংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় হঠাৎ মোশাররফের বসতঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেও সফল হননি। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই ঘরের মালামাল, গবাদিপশু ও নগদ টাকা পুড়ে যায়।
মোশাররফ হোসেন জানান, কৃষিকাজের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গরু-ছাগল পালন করে আসছেন তিনি। এর আগে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তবে অটোরিকশার ব্যাটারি চুরি হয়ে যাওয়ায় সেটি বিক্রি করে দেন। এরপর গবাদিপশু পালন শুরু করেন।
মোশাররফ বলেন, গত ১০ থেকে ১২ বছরে পাঁচটি গরু ও ৪০টির বেশি ছাগল বিক্রি করে প্রায় সাত লাখ টাকা জমিয়েছিলেন। নিজের ও বোনের বিয়ের খরচের জন্য টাকাগুলো ঘরে রেখেছিলেন। কিন্তু আগুনে তাঁর সব সঞ্চয় পুড়ে গেছে। প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের দুটি গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি ও ঘরের আসবাবপত্রও আগুনে নষ্ট হয়েছে। এখন কীভাবে সংসার চালাবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।
বাউফল ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার ছাব্বির আহমেদ বলেন, সন্ধ্যা ৭টা ১৮ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। পরে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তের পর আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, আসবাবপত্রসহ পুড়ে গেছে নিজের ও বোনের বিয়ের জন্য ১০ থেকে ১২ বছরে জমানো প্রায় সাত লাখ টাকা। এতে সর্বস্ব হারিয়ে পড়েছেন মোশাররফ হোসেনের (৩০) পরিবার।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাংলালিংক টাওয়ারসংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় হঠাৎ মোশাররফের বসতঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেও সফল হননি। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই ঘরের মালামাল, গবাদিপশু ও নগদ টাকা পুড়ে যায়।
মোশাররফ হোসেন জানান, কৃষিকাজের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গরু-ছাগল পালন করে আসছেন তিনি। এর আগে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তবে অটোরিকশার ব্যাটারি চুরি হয়ে যাওয়ায় সেটি বিক্রি করে দেন। এরপর গবাদিপশু পালন শুরু করেন।
মোশাররফ বলেন, গত ১০ থেকে ১২ বছরে পাঁচটি গরু ও ৪০টির বেশি ছাগল বিক্রি করে প্রায় সাত লাখ টাকা জমিয়েছিলেন। নিজের ও বোনের বিয়ের খরচের জন্য টাকাগুলো ঘরে রেখেছিলেন। কিন্তু আগুনে তাঁর সব সঞ্চয় পুড়ে গেছে। প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের দুটি গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি ও ঘরের আসবাবপত্রও আগুনে নষ্ট হয়েছে। এখন কীভাবে সংসার চালাবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।
বাউফল ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার ছাব্বির আহমেদ বলেন, সন্ধ্যা ৭টা ১৮ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। পরে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তের পর আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।

১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৫৬
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর ১০ মাস বয়সী শিশু রাইয়ানের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ঘুটাবাছা গ্রামে আল আমিনের বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রাইয়ান ওই গ্রামের রাসেল খানের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে বাবার সঙ্গে ঘরে ঘুমিয়ে ছিল রাইয়ান। এ সময় শিশুটির মা রুমানা বেগম ঘরের বাইরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সকাল ৬টা ১০ মিনিটের দিকে রাসেল ঘুম থেকে উঠে ঘরে তাঁর স্ত্রীর বোনের স্বামী আল আমিনকে দেখতে পান। এরপর তিনি আবার ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে আর খুঁজে পাননি।
এ ঘটনায় পারিবারিক বিরোধের জেরে আল আমিন শিশুটিকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেছে রাইয়ানের পরিবার। বৃহস্পতিবার রাতেই আল আমিনসহ অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করে কলাপাড়া থানায় মামলা করেন রুমানা বেগম। এর আগে ওই দিন দুপুরে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খাল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর ১০ মাস বয়সী শিশু রাইয়ানের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ঘুটাবাছা গ্রামে আল আমিনের বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রাইয়ান ওই গ্রামের রাসেল খানের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে বাবার সঙ্গে ঘরে ঘুমিয়ে ছিল রাইয়ান। এ সময় শিশুটির মা রুমানা বেগম ঘরের বাইরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সকাল ৬টা ১০ মিনিটের দিকে রাসেল ঘুম থেকে উঠে ঘরে তাঁর স্ত্রীর বোনের স্বামী আল আমিনকে দেখতে পান। এরপর তিনি আবার ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে আর খুঁজে পাননি।
এ ঘটনায় পারিবারিক বিরোধের জেরে আল আমিন শিশুটিকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেছে রাইয়ানের পরিবার। বৃহস্পতিবার রাতেই আল আমিনসহ অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করে কলাপাড়া থানায় মামলা করেন রুমানা বেগম। এর আগে ওই দিন দুপুরে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খাল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

২৫ জুন, ২০২৬ ১৭:০৪
পটুয়াখালীর মহিপুরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত জমি দখল, প্রাণনাশের হুমকি, চাঁদাবাজি এবং হামলার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক প্রবাসী পরিবারের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী মো. মুসা গাজীর পক্ষে তার দাদি মোসা. ফাতিমা বেগম। তিনি জানান, তার ছেলে মো. মজিবুর রহমান গাজী দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন। প্রবাসে অর্জিত অর্থে ২০২৪ সালে তিনি ৪০ নং ইউসুফপুর মৌজার বিএস ৮১৬ খতিয়ানের ২৩০৩ ও ২৩০৭ দাগের অংশ থেকে ১.২৮ একর জমি ক্রয় করে বৈধভাবে ভোগদখলে রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি ইমরান হাওলাদার ও কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তির সহযোগিতায় ওই জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা চালান। বিষয়টি নিয়ে মহিপুর থানায় সালিশ বৈঠকে চূড়ান্ত সমাধান না হওয়া পর্যন্ত জমিতে সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। তবে গত ১২ জুন ইমরান হাওলাদার মহিপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বেল্লাল ইসলাম গালিব (মাইকেল), মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আইউব আলী আকন ফিরোজ, ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তাউয়াব সরদার ও রাসেল মাহমুদ ভেকুকে দিয়ে মাটি কাটার কাজ শুরু করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
ফাতিমা বেগম দাবি করেন, তাদের স্বজনরা বাধা দিতে গেলে মারধরের শিকার হন, প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়। এ ঘটনায় তার চাচা আব্দুল মতিন গাজী মহিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-আর ১১৬/২৬) করেন।
এবিষয়ে মহিপুর থানা বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছে অভিযোগ করেও কোন সুফল পায়নি ওই ভুক্তভোগী পরিবারটি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, গত ২১ জুন কলাপাড়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হলেও বিবাদীরা ২৩ জুন পুনরায় জমিতে স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে আব্দুল মতিন গাজী, শহিদুল গাজী ও দেলোয়ার দুয়ারির ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আব্দুল মতিন গাজী গুরুতর আহত হন। পরে তাকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারটির দাবি, তারা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইমরান হাওলাদার বলেন, আমার জমিতে আমি কাজ করেছি। কারও কাছে কোনো টাকা-পয়সা চাওয়া হয়নি। আদালতের কোনো নোটিশও আমি পাইনি।
মহিপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বেলাল ইসলাম গালিব বলেন, বাজারে যাওয়ার পথে বিরোধপূর্ণ জমিতে লোকজনের ভিড় দেখে সেখানে যাই। পরে আমাদের জড়িয়ে আদালতে মামলা ও থানায় জিডি করা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত।
এ বিষয়ে মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি জলিল হাওলাদার বলেন, এটি জমিজমা সংক্রান্ত আদালতের বিষয়। মালিকপক্ষ আদালতে স্বপক্ষে প্রমাণ উপস্থাপন করে ফয়সালা করবেন। বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:২০
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:১১
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৫৮