
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ক্লাস চলাকালে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ১৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষে থাকা সাত ছাত্রী আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো—অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা, সুমাইয়া ও মীম আক্তার; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত এবং নবম শ্রেণির আফরোজা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। তাদের মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, বাকি পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একই সময়ে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বজ্রপাত হলে আট শিক্ষার্থী আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজামুল হক জানান, দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে অভিভাবকদের ডেকে তাদের কাছে শিক্ষার্থীদের হস্তান্তর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: বরিশাল টাইমস
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ক্লাস চলাকালে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ১৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষে থাকা সাত ছাত্রী আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো—অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা, সুমাইয়া ও মীম আক্তার; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত এবং নবম শ্রেণির আফরোজা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। তাদের মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, বাকি পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একই সময়ে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বজ্রপাত হলে আট শিক্ষার্থী আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজামুল হক জানান, দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে অভিভাবকদের ডেকে তাদের কাছে শিক্ষার্থীদের হস্তান্তর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৭
বিতর্কের মুখে বিক্রির টাকায় নতুন পশু কিনে ছেড়ে দিলেও দল থেকে পেলেন শোকজ নোটিস
বরিশালের শায়েস্তাবাদ পল্লীতে মানতের পশু জবাই করাসহ গোশত বিক্রি করে রাজনৈতিকভাবে বেকায়দায় পড়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা সামছুল কবির ফরহাদ ওরফে ফরহাদ। গত ২৪ এপ্রিল স্থানীয় আটহাজার গ্রামে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ষাঁড়টি জবাই করে বিক্রির ঘটনায় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব ফরহাদকে দলীয়ভাবে শোকজ অর্থাৎ কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ২৫ এপ্রিল পশুটির মালিক দাবি করে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানায় একটি অভিযোগ দেন চরকাউয়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার। সেই অভিযোগের প্রেক্ষাপটে স্থানীয় পত্র-পত্রিকা এবং ফেসবুকে ফরহাদের ছবিসংবলিত বিভিন্ন নেতিবাচক লেখালেখি হয়। বিতর্কের এড়াতে স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা নতুন একটি ষাঁড় ক্রয় করে ছাড়লেও এনিয়ে দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিকরা নেপথ্যে থেকে তাকে ঘায়েল করতে নানান তৎপরতায় চালানোয় বিষয়টি নিয়ে এখন সর্বত্র চর্চা হয়, হচ্ছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র নিশ্চিত করে গত ২৪ এপ্রিল সকালে শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সামছুল কবির ফরহাদের নেতৃত্বে স্থানীয় আটহাজার গ্রামে ষাঁড়টিকে জবাই করা হয়। এবং পরবর্তীতে ভাগা দিয়ে ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে। মানতের ষাঁড় বিক্রির ৯৩ হাজার টাকা তার কাছে রেখে দিলে বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যেকার বিতর্ক তৈরি হয়।
সূত্র জানায়, স্বেচ্ছাসেবক দলনেতার এই নীতিবিবর্জিত কর্মকান্ডটি আলোচনায় আসলে চরকাউয়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার ষাঁড়টির মালিক দাবি করে কাউনিয়া থানায় একটি অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে পুলিশ তদন্ত শুরু করলে চাপের মুখে পড়ে যান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফরহাদ। এবং বিষয়টি নিয়ে দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীদের দৌড়ঝাপ দেখে সমূহ বিপদের আলামত পেয়ে তিনি ৮৫ হাজার টাকা দিয়ে একটি ষাঁড় কিনে ছেড়ে দেন। কিন্তু এরপরেও কিছুতেই যেনো বিতর্ক থামছে না। এবার তাকে খোদ দল থেকে শোকজ নোটিস বা কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) স্বেচ্ছাসেবক দল বরিশাল জেলা শাখার তরফ থেকে নোটিসটি দেওয়া হয়।
অবশ্য নোটিসে মানতের ষাঁড় জবাই করে বিক্রির বিষয়টি উল্লেখ না থাকলেও স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা ফরহাদের বিরুদ্ধে সংগঠনে বিশৃঙ্খলা তৈরির কথা বলা হয়। এবং তাকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে নোটিসের জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তাছাড়া অভিযোগ তদন্তে গিয়ে কাউনিয়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) উজ্জল ভক্ত ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন বলে জানা গেছে। ফলে মানতের পশু জবাইকান্ড নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা ফরহাদ যে পুলিশ এবং শীর্ষস্থানীয়দের চাপে আছেন তা সহজেই অনুমেয়।
তবে মানতের ষাঁড় ধরে জবাই করা এবং পরবর্তীতে মাংস বিক্রি করে দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করছেন স্বেচ্ছাসেক দলনেতা সামছুল কবির ফরহাদ ওরফে ফরহাদ। তিনি এ প্রতিবেদকের কাছে দাবি করেছেন, ষাঁড়টি তারা ক্রয় করেছিলেন এবং সেটি রোগাক্রান্ত হওয়ায় গ্রামবাসীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জবাই করে বিক্রি করেন।
তাহলে আপনার বিরুদ্ধে মানতের ষাঁড় বিক্রির অভিযোগ কেনো উত্থ্যাপিত হলোÑ এমন প্রশ্ন রাখা হলে তিনি তার কোনো সদুত্তোর দিতে পারেননি। বরং টেলিআলাপের একপর্যায়ে তিনি নিজের বক্তব্যে তালগোল পাকিয়ে ফোনসংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন। অবশ্য এর আগেই তিনি উল্টো অভিযোগ করেন, দলীয় ঘরনার বিরোধী একটি পক্ষ তাকে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত করতে অপপ্রচার অব্যাহত রেখেছে।
কিন্তু স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা ফরহাদ যে মানতের পশু জবাই করেছেন তা কাউনিয়া থানা পুলিশের ওসি সন্জিৎ চন্দ্র দাসও নিশ্চিত হয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এই ঘটনায় চরকাউয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার বাদী হয়ে একটি অভিযোগ করেছেন। সেই অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে, আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সেক্ষেত্রে ধারনা করা হচ্ছে, মানতের ষাঁড় খাইতে গিয়ে মামলার পাশাপাশি দলীয় পদটিও সামছুল কবির ফরহাদ হারাতে পারেন, যা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের শোকজ নোটিস দেখলে কিছুটা অনুমান করা যায়।
ইউনিয়নপর্যায়ের নেতার পশু জবাইকান্ড সম্পর্কে জানতে বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম জনিকে বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এই ঘটনায় ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’
বিতর্কের মুখে বিক্রির টাকায় নতুন পশু কিনে ছেড়ে দিলেও দল থেকে পেলেন শোকজ নোটিস
বরিশালের শায়েস্তাবাদ পল্লীতে মানতের পশু জবাই করাসহ গোশত বিক্রি করে রাজনৈতিকভাবে বেকায়দায় পড়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা সামছুল কবির ফরহাদ ওরফে ফরহাদ। গত ২৪ এপ্রিল স্থানীয় আটহাজার গ্রামে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ষাঁড়টি জবাই করে বিক্রির ঘটনায় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব ফরহাদকে দলীয়ভাবে শোকজ অর্থাৎ কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ২৫ এপ্রিল পশুটির মালিক দাবি করে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানায় একটি অভিযোগ দেন চরকাউয়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার। সেই অভিযোগের প্রেক্ষাপটে স্থানীয় পত্র-পত্রিকা এবং ফেসবুকে ফরহাদের ছবিসংবলিত বিভিন্ন নেতিবাচক লেখালেখি হয়। বিতর্কের এড়াতে স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা নতুন একটি ষাঁড় ক্রয় করে ছাড়লেও এনিয়ে দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিকরা নেপথ্যে থেকে তাকে ঘায়েল করতে নানান তৎপরতায় চালানোয় বিষয়টি নিয়ে এখন সর্বত্র চর্চা হয়, হচ্ছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র নিশ্চিত করে গত ২৪ এপ্রিল সকালে শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সামছুল কবির ফরহাদের নেতৃত্বে স্থানীয় আটহাজার গ্রামে ষাঁড়টিকে জবাই করা হয়। এবং পরবর্তীতে ভাগা দিয়ে ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে। মানতের ষাঁড় বিক্রির ৯৩ হাজার টাকা তার কাছে রেখে দিলে বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যেকার বিতর্ক তৈরি হয়।
সূত্র জানায়, স্বেচ্ছাসেবক দলনেতার এই নীতিবিবর্জিত কর্মকান্ডটি আলোচনায় আসলে চরকাউয়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার ষাঁড়টির মালিক দাবি করে কাউনিয়া থানায় একটি অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে পুলিশ তদন্ত শুরু করলে চাপের মুখে পড়ে যান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফরহাদ। এবং বিষয়টি নিয়ে দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীদের দৌড়ঝাপ দেখে সমূহ বিপদের আলামত পেয়ে তিনি ৮৫ হাজার টাকা দিয়ে একটি ষাঁড় কিনে ছেড়ে দেন। কিন্তু এরপরেও কিছুতেই যেনো বিতর্ক থামছে না। এবার তাকে খোদ দল থেকে শোকজ নোটিস বা কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) স্বেচ্ছাসেবক দল বরিশাল জেলা শাখার তরফ থেকে নোটিসটি দেওয়া হয়।
অবশ্য নোটিসে মানতের ষাঁড় জবাই করে বিক্রির বিষয়টি উল্লেখ না থাকলেও স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা ফরহাদের বিরুদ্ধে সংগঠনে বিশৃঙ্খলা তৈরির কথা বলা হয়। এবং তাকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে নোটিসের জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তাছাড়া অভিযোগ তদন্তে গিয়ে কাউনিয়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) উজ্জল ভক্ত ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন বলে জানা গেছে। ফলে মানতের পশু জবাইকান্ড নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা ফরহাদ যে পুলিশ এবং শীর্ষস্থানীয়দের চাপে আছেন তা সহজেই অনুমেয়।
তবে মানতের ষাঁড় ধরে জবাই করা এবং পরবর্তীতে মাংস বিক্রি করে দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করছেন স্বেচ্ছাসেক দলনেতা সামছুল কবির ফরহাদ ওরফে ফরহাদ। তিনি এ প্রতিবেদকের কাছে দাবি করেছেন, ষাঁড়টি তারা ক্রয় করেছিলেন এবং সেটি রোগাক্রান্ত হওয়ায় গ্রামবাসীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জবাই করে বিক্রি করেন।
তাহলে আপনার বিরুদ্ধে মানতের ষাঁড় বিক্রির অভিযোগ কেনো উত্থ্যাপিত হলোÑ এমন প্রশ্ন রাখা হলে তিনি তার কোনো সদুত্তোর দিতে পারেননি। বরং টেলিআলাপের একপর্যায়ে তিনি নিজের বক্তব্যে তালগোল পাকিয়ে ফোনসংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন। অবশ্য এর আগেই তিনি উল্টো অভিযোগ করেন, দলীয় ঘরনার বিরোধী একটি পক্ষ তাকে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত করতে অপপ্রচার অব্যাহত রেখেছে।
কিন্তু স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা ফরহাদ যে মানতের পশু জবাই করেছেন তা কাউনিয়া থানা পুলিশের ওসি সন্জিৎ চন্দ্র দাসও নিশ্চিত হয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এই ঘটনায় চরকাউয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার বাদী হয়ে একটি অভিযোগ করেছেন। সেই অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে, আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সেক্ষেত্রে ধারনা করা হচ্ছে, মানতের ষাঁড় খাইতে গিয়ে মামলার পাশাপাশি দলীয় পদটিও সামছুল কবির ফরহাদ হারাতে পারেন, যা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের শোকজ নোটিস দেখলে কিছুটা অনুমান করা যায়।
ইউনিয়নপর্যায়ের নেতার পশু জবাইকান্ড সম্পর্কে জানতে বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম জনিকে বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এই ঘটনায় ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:৫৭
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে পৃথক দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বজ্রপাতের ঘটনায় এক শিক্ষকসহ ১৫ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে ক্লাস চলাকালে চরএককরিয়া ইউনিয়নের দাদপুর তেমুহনী এবং আলীমাবাদে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এর ফলে উপজেলাজুড়ে স্কুলশিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, বেলা সোয়া ২টার দিকে বিকট শব্দে বজ্রপাত হলে আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা ছোটাছুটি শুরু করে। এ সময় ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা ফারুকুল ইসলামসহ ৮ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। কেউ কেউ জ্ঞান হারান।
আহতরা হলেন— ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা ফারুকুল ইসলাম, সপ্তম শ্রেণির জান্নাত, অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা, আমেনা, সুমাইয়া, মীম আক্তার এবং নবম শ্রেণির আফরোজ আক্তার এবং সুমাইয়া আক্তার।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার মৌ বলেন, দুপুরে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল। হঠাৎ বিকট শব্দে বিদ্যালয়ের ওপর বজ্রপাত হয়। স্যারসহ আমরা কয়েকজন জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। পরে বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষক ও স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
একই সময়ে আলীমাবাদ ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বজ্রপাতের ঘটনায় আরও ৮ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানান বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য বাহাদুর মৃধা।
প্রধান শিক্ষক মো. নিজাম উদ্দিন ফকির বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে শিক্ষার্থীরা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ও অজ্ঞান হয়ে যায়। তাদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. আব্দুল কাদের বরিশালটাইমসকে বলেন, বজ্রপাতে আহত হয়ে দাদপুর স্কুলের ৮ জন হাসপাতালে এসেছে। কেউ গুরুতর নয়। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তারা অনেকটা সুস্থ। তবে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রয়োজন হলে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান হবে।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুর সোয়া ২টায় ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বজ্রপাতে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। আমরা দ্রুত আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাই।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মহি উদ্দিন বলেন, ঘটনার পর থেকেই আমি আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখছি। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।'
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে পৃথক দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বজ্রপাতের ঘটনায় এক শিক্ষকসহ ১৫ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে ক্লাস চলাকালে চরএককরিয়া ইউনিয়নের দাদপুর তেমুহনী এবং আলীমাবাদে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এর ফলে উপজেলাজুড়ে স্কুলশিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, বেলা সোয়া ২টার দিকে বিকট শব্দে বজ্রপাত হলে আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা ছোটাছুটি শুরু করে। এ সময় ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা ফারুকুল ইসলামসহ ৮ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। কেউ কেউ জ্ঞান হারান।
আহতরা হলেন— ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা ফারুকুল ইসলাম, সপ্তম শ্রেণির জান্নাত, অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা, আমেনা, সুমাইয়া, মীম আক্তার এবং নবম শ্রেণির আফরোজ আক্তার এবং সুমাইয়া আক্তার।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার মৌ বলেন, দুপুরে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল। হঠাৎ বিকট শব্দে বিদ্যালয়ের ওপর বজ্রপাত হয়। স্যারসহ আমরা কয়েকজন জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। পরে বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষক ও স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
একই সময়ে আলীমাবাদ ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বজ্রপাতের ঘটনায় আরও ৮ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে জানান বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য বাহাদুর মৃধা।
প্রধান শিক্ষক মো. নিজাম উদ্দিন ফকির বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে শিক্ষার্থীরা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ও অজ্ঞান হয়ে যায়। তাদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. আব্দুল কাদের বরিশালটাইমসকে বলেন, বজ্রপাতে আহত হয়ে দাদপুর স্কুলের ৮ জন হাসপাতালে এসেছে। কেউ গুরুতর নয়। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তারা অনেকটা সুস্থ। তবে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রয়োজন হলে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান হবে।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুর সোয়া ২টায় ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বজ্রপাতে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। আমরা দ্রুত আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাই।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মহি উদ্দিন বলেন, ঘটনার পর থেকেই আমি আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখছি। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।'
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:২৬
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪০