যশোরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) রেস্ট হাউজে ওসিসহ নারীকে আটক রেখে চাঁদাবাজির অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় চলছে। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ফাঁস হওয়ার পর শহরজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঝিনাইদহের মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম এক নারীকে সঙ্গে নিয়ে রেস্ট হাউজে অবস্থান করছিলেন। এ সময় জেলা ছাত্রদলের এক নেতা ৫-৬ জন সহযোগী নিয়ে সেখানে ঢুকে পড়ে। তারা ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখিয়ে শেষ পর্যন্ত দুই লাখ টাকায় আপস করে ওসিসহ নারীকে চলে যেতে সহায়তা করে।
ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার (৩০ জুন)। সিসিটিভি ফুটেজ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওইদিন সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে ওসি সাইফুল ইসলাম এক নারীকে নিয়ে যশোর পাউবোর পুরনো রেস্ট হাউজের কপোতাক্ষ কক্ষে ওঠেন। প্রায় এক ঘণ্টা পর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম হাসান সনি কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে সেখানে পৌঁছান। দরজা ধাক্কা দিলে ওসি সাইফুল ইসলাম বাইরে বের হয়ে আসেন। তবে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা কক্ষে ঢুকতে গেলে তিনি বাধা দেন। একপর্যায়ে টানাহেঁচড়া ও ধস্তাধস্তির মধ্য দিয়ে ওসিকে সঙ্গে নিয়েই তারা কক্ষে ঢুকে পড়েন।
পরে ছাত্রদল নেতা সনি অভিযোগ তোলেন, ওসি ওই নারীকে নিয়ে একান্তে সময় কাটাচ্ছিলেন। এ সময় তিনি ওসির কাছে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন। ওসি টাকা দিতে অস্বীকার করলে তারা রেস্ট হাউজে ভাঙচুর ও ভিডিও ধারণ শুরু করেন। একইসঙ্গে আনসার সদস্য ও পাউবোর এক কর্মচারীকেও মারধর করেন। একপর্যায়ে বিষয়টি চাপা দিতে দুই লাখ টাকায় সমঝোতা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এলে ছাত্রদল নেতা সনি ওসিসহ নারীকে পেছনের দরজা দিয়ে বের হতে সহায়তা করেন।
ঘটনার দিন রেস্ট হাউজের গেটে দায়িত্বরত আনসার সদস্য রাজু জানান, তিনি দেখেছেন এক পুলিশ কর্মকর্তা এক নারীকে নিয়ে বাংলোতে প্রবেশ করেছেন। কিছুক্ষণ পর কিছু স্থানীয় লোক ঢুকে দরজা আটকে দেয়, বাইরে কাউকে ঢুকতে দেয়নি। এরপর আরও অনেকে আসেন এবং থানার পুলিশও আসে। তবে ভেতরে কী হয়েছে তা তার জানা নেই।
রেস্ট হাউজের ইনচার্জ উপ-সহকারী প্রকৌশলী তরুন হোসেন বলেন, যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর নির্দেশে তিনি ওসি সাইফুল ইসলামকে কক্ষ বরাদ্দ দিয়েছিলেন। ওই নারীকে স্ত্রী পরিচয়ে নিয়ে এসেছিলেন ওসি। রেস্ট হাউজে অবস্থানকালে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে যায়, খবর পেয়ে পাউবো ও থানার লোকজন সেখানে পৌঁছান।
পাউবোর কেয়ারটেকার মিজানুর রহমান জানান, ওসি সাইফুল ইসলাম স্ত্রী পরিচয়ে একজন নারীকে নিয়ে আসেন। তিনি নিজে দরজা খুলে কক্ষ বুঝিয়ে দেন। কিছু সময় পর ওসি সাইফুল নাশতার জন্য তাকে শহরের এক হোটেলে পাঠান। প্রায় ঘণ্টাখানেক পর কিছু স্থানীয় লোক এসে দরজায় ধাক্কাধাক্কি শুরু করে। এরপর ওসি দরজা খুলে বের হওয়ার চেষ্টা করলে তারা টানাহেঁচড়া করে ওসিসহ নারীকে আবার ঘরে ঢুকিয়ে নেয়।
কেয়ারটেকার আরও বলেন, ‘এসময় ওসি টাকা বের করে দেন চক্রের লোকজনের হাতে। টাকা লেনদেন দেখে ফেলায় এবং রেস্ট হাউজে অবস্থানের চেষ্টা করায় আমাকেও মারধর ও রেস্ট হাউস ভাঙচুর করা হয়। বাবুর্চি মিজানকেও মারধর করে।’
যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী জানান, ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পাঠানো চিঠির ভিত্তিতে ওসি সাইফুল ইসলামকে রেস্ট হাউজে কক্ষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেখানে পরে বহিরাগতরা গিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটায়। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করছে।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৪
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৩১
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু। শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯, ধর্ষণের পর ২৬ এবং ধর্ষণচেষ্টার পর চার শিশু নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া গুলিতে তিন, গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনে দুই, উত্ত্যক্তকারীর হাতে দুই এবং অপহরণের পর একজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশু নিখোঁজ ও হত্যার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। এর আগেও নিখোঁজ শিশুদের কারও মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায়, আবার কারও মরদেহ নদী বা ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে।
শুধু হত্যাই নয়, শিশু নিখোঁজের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। পুলিশ সদরদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
আসকের হিসাবে, একই সময়ে আত্মহত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু ও মরদেহ উদ্ধারের আরও ৯৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু। শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯, ধর্ষণের পর ২৬ এবং ধর্ষণচেষ্টার পর চার শিশু নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া গুলিতে তিন, গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনে দুই, উত্ত্যক্তকারীর হাতে দুই এবং অপহরণের পর একজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশু নিখোঁজ ও হত্যার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। এর আগেও নিখোঁজ শিশুদের কারও মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায়, আবার কারও মরদেহ নদী বা ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে।
শুধু হত্যাই নয়, শিশু নিখোঁজের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। পুলিশ সদরদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
আসকের হিসাবে, একই সময়ে আত্মহত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু ও মরদেহ উদ্ধারের আরও ৯৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১২
রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, মরদেহ তখনও ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম পাঠানো হচ্ছে।
ডিসি তেজগাঁও বলেন, “লাশ এখনও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম আসছে। আমরা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, মরদেহ তখনও ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম পাঠানো হচ্ছে।
ডিসি তেজগাঁও বলেন, “লাশ এখনও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম আসছে। আমরা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

০৬ জুলাই, ২০২৫ ১৯:২২
যশোরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) রেস্ট হাউজে ওসিসহ নারীকে আটক রেখে চাঁদাবাজির অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় চলছে। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ফাঁস হওয়ার পর শহরজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঝিনাইদহের মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম এক নারীকে সঙ্গে নিয়ে রেস্ট হাউজে অবস্থান করছিলেন। এ সময় জেলা ছাত্রদলের এক নেতা ৫-৬ জন সহযোগী নিয়ে সেখানে ঢুকে পড়ে। তারা ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখিয়ে শেষ পর্যন্ত দুই লাখ টাকায় আপস করে ওসিসহ নারীকে চলে যেতে সহায়তা করে।
ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার (৩০ জুন)। সিসিটিভি ফুটেজ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওইদিন সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে ওসি সাইফুল ইসলাম এক নারীকে নিয়ে যশোর পাউবোর পুরনো রেস্ট হাউজের কপোতাক্ষ কক্ষে ওঠেন। প্রায় এক ঘণ্টা পর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম হাসান সনি কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে সেখানে পৌঁছান। দরজা ধাক্কা দিলে ওসি সাইফুল ইসলাম বাইরে বের হয়ে আসেন। তবে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা কক্ষে ঢুকতে গেলে তিনি বাধা দেন। একপর্যায়ে টানাহেঁচড়া ও ধস্তাধস্তির মধ্য দিয়ে ওসিকে সঙ্গে নিয়েই তারা কক্ষে ঢুকে পড়েন।
পরে ছাত্রদল নেতা সনি অভিযোগ তোলেন, ওসি ওই নারীকে নিয়ে একান্তে সময় কাটাচ্ছিলেন। এ সময় তিনি ওসির কাছে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন। ওসি টাকা দিতে অস্বীকার করলে তারা রেস্ট হাউজে ভাঙচুর ও ভিডিও ধারণ শুরু করেন। একইসঙ্গে আনসার সদস্য ও পাউবোর এক কর্মচারীকেও মারধর করেন। একপর্যায়ে বিষয়টি চাপা দিতে দুই লাখ টাকায় সমঝোতা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এলে ছাত্রদল নেতা সনি ওসিসহ নারীকে পেছনের দরজা দিয়ে বের হতে সহায়তা করেন।
ঘটনার দিন রেস্ট হাউজের গেটে দায়িত্বরত আনসার সদস্য রাজু জানান, তিনি দেখেছেন এক পুলিশ কর্মকর্তা এক নারীকে নিয়ে বাংলোতে প্রবেশ করেছেন। কিছুক্ষণ পর কিছু স্থানীয় লোক ঢুকে দরজা আটকে দেয়, বাইরে কাউকে ঢুকতে দেয়নি। এরপর আরও অনেকে আসেন এবং থানার পুলিশও আসে। তবে ভেতরে কী হয়েছে তা তার জানা নেই।
রেস্ট হাউজের ইনচার্জ উপ-সহকারী প্রকৌশলী তরুন হোসেন বলেন, যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর নির্দেশে তিনি ওসি সাইফুল ইসলামকে কক্ষ বরাদ্দ দিয়েছিলেন। ওই নারীকে স্ত্রী পরিচয়ে নিয়ে এসেছিলেন ওসি। রেস্ট হাউজে অবস্থানকালে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে যায়, খবর পেয়ে পাউবো ও থানার লোকজন সেখানে পৌঁছান।
পাউবোর কেয়ারটেকার মিজানুর রহমান জানান, ওসি সাইফুল ইসলাম স্ত্রী পরিচয়ে একজন নারীকে নিয়ে আসেন। তিনি নিজে দরজা খুলে কক্ষ বুঝিয়ে দেন। কিছু সময় পর ওসি সাইফুল নাশতার জন্য তাকে শহরের এক হোটেলে পাঠান। প্রায় ঘণ্টাখানেক পর কিছু স্থানীয় লোক এসে দরজায় ধাক্কাধাক্কি শুরু করে। এরপর ওসি দরজা খুলে বের হওয়ার চেষ্টা করলে তারা টানাহেঁচড়া করে ওসিসহ নারীকে আবার ঘরে ঢুকিয়ে নেয়।
কেয়ারটেকার আরও বলেন, ‘এসময় ওসি টাকা বের করে দেন চক্রের লোকজনের হাতে। টাকা লেনদেন দেখে ফেলায় এবং রেস্ট হাউজে অবস্থানের চেষ্টা করায় আমাকেও মারধর ও রেস্ট হাউস ভাঙচুর করা হয়। বাবুর্চি মিজানকেও মারধর করে।’
যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী জানান, ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পাঠানো চিঠির ভিত্তিতে ওসি সাইফুল ইসলামকে রেস্ট হাউজে কক্ষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেখানে পরে বহিরাগতরা গিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটায়। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করছে।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:৪৯
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১১
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৪
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:১৬