
০৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০২:৪৮
রাজশাহীর দুর্গাপুর থানার দুই পুলিশ কনস্টেবল সাদা পোশাকে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক ও গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ওই দুই পুলিশ কনস্টেবলকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়। ঘটনার পর অভিযুক্ত দুই পুলিশ কনস্টেবলকে পুলিশ লাইনে (ক্লোজড) সংযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা হলেন- দুর্গাপুর থানার জরুরি সেবা ট্রিপল নাইনের ড্রাইভার ইমরান আলী ও থানার কম্পিউটার অপারেটর মাজেদ হোসেন।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের আবু বাক্কারের ছেলে সজীব আহমেদ (২৫) অনলাইনের ক্যাসিনোর সঙ্গে জড়িত। এমন অভিযোগ নিয়ে অভিযুক্ত দুই পুলিশ কনস্টেবল সজীবের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। অন্যথায় সজীবকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়।
বিষয়টি স্থানীয়দের কাছে সন্দেহজনক হলে অভিযুক্ত দুই পুলিশ কনস্টেবলের পরিচয় জানতে চান।
একপর্যায়ে স্থানীয়দের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান অভিযুক্ত দুই পুলিশ কনস্টেবল। এ সময় স্থানীয়রা ওই দুই পুলিশ কনস্টেবলকে গণধোলাই দিয়ে আটকে রেখে থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি টিম অভিযুক্ত দুই পুলিশ কনস্টেবলকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়।
অপর একটি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে কনস্টেবল ইমরান ও মাজেদ নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে শ্যামপুর এলাকায় গিয়ে সজীবকে ফোন করে ডেকে নিয়ে নির্জন জায়গায় গিয়ে গ্রেপ্তার করবে মর্মে ভয়ভীতি দেখিয়ে মোটা অংকের দাবি করেন।
বিষয়টি স্থানীয়রা জানতে পেরে তারা দুই পুলিশ সদস্যের কাছে তাদের পরিচয় জানতে চায়। কিন্তু তাদের কাছে আইডি কার্ড না থাকায় তারা তাৎক্ষণিক নিজেদের পুলিশ পরিচয় নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হোন।
দুর্গাপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপরই ওই দুই কনস্টেবলকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হলে অভিযুক্ত দুই পুলিশ কনস্টেবলকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়।
জেলা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হবে। তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে অভিযুক্তদের মধ্যে পুলিশ কনস্টেবল ইমরান আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাদের মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে ফাঁসানো হয়েছে। আমি ওই ছেলেকে (সজীব) চিনি না। সে আমাকে ডেকে নিয়ে গেছে। আমরা তাকে গ্রেপ্তার করতে যাইনি বা করিনি।
রাজশাহীর দুর্গাপুর থানার দুই পুলিশ কনস্টেবল সাদা পোশাকে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক ও গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ওই দুই পুলিশ কনস্টেবলকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়। ঘটনার পর অভিযুক্ত দুই পুলিশ কনস্টেবলকে পুলিশ লাইনে (ক্লোজড) সংযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা হলেন- দুর্গাপুর থানার জরুরি সেবা ট্রিপল নাইনের ড্রাইভার ইমরান আলী ও থানার কম্পিউটার অপারেটর মাজেদ হোসেন।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের আবু বাক্কারের ছেলে সজীব আহমেদ (২৫) অনলাইনের ক্যাসিনোর সঙ্গে জড়িত। এমন অভিযোগ নিয়ে অভিযুক্ত দুই পুলিশ কনস্টেবল সজীবের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। অন্যথায় সজীবকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়।
বিষয়টি স্থানীয়দের কাছে সন্দেহজনক হলে অভিযুক্ত দুই পুলিশ কনস্টেবলের পরিচয় জানতে চান।
একপর্যায়ে স্থানীয়দের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান অভিযুক্ত দুই পুলিশ কনস্টেবল। এ সময় স্থানীয়রা ওই দুই পুলিশ কনস্টেবলকে গণধোলাই দিয়ে আটকে রেখে থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি টিম অভিযুক্ত দুই পুলিশ কনস্টেবলকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়।
অপর একটি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে কনস্টেবল ইমরান ও মাজেদ নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে শ্যামপুর এলাকায় গিয়ে সজীবকে ফোন করে ডেকে নিয়ে নির্জন জায়গায় গিয়ে গ্রেপ্তার করবে মর্মে ভয়ভীতি দেখিয়ে মোটা অংকের দাবি করেন।
বিষয়টি স্থানীয়রা জানতে পেরে তারা দুই পুলিশ সদস্যের কাছে তাদের পরিচয় জানতে চায়। কিন্তু তাদের কাছে আইডি কার্ড না থাকায় তারা তাৎক্ষণিক নিজেদের পুলিশ পরিচয় নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হোন।
দুর্গাপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপরই ওই দুই কনস্টেবলকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হলে অভিযুক্ত দুই পুলিশ কনস্টেবলকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়।
জেলা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হবে। তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে অভিযুক্তদের মধ্যে পুলিশ কনস্টেবল ইমরান আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাদের মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে ফাঁসানো হয়েছে। আমি ওই ছেলেকে (সজীব) চিনি না। সে আমাকে ডেকে নিয়ে গেছে। আমরা তাকে গ্রেপ্তার করতে যাইনি বা করিনি।
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০২:১৮
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:১২
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:০১
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:৪৯

১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০২:১৮
রাজধানী ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এসময় হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত তিনটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে র্যাব।
এতে বলা হয়, ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শুটার ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা হুমায়ুনকে ফয়সালের শ্বশুরবাড়ি নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসময় পুকুর থেকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত ৩টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে বিজয়নগর এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক এবং ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি একটি রিকশায় যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল করে আসা দুইজনের একজন তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলিতে হাদি মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গুলি চালানোর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে শনাক্ত করে। তারা হলেন, ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান (প্রধান সন্দেহভাজন শুটার) এবং আলমগীর হোসেন (বাইক চালক)। এ ঘটনায় ফয়সাল করিমের স্ত্রী, প্রেমিকা ও শ্যালককে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।’
রাজধানী ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এসময় হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত তিনটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে র্যাব।
এতে বলা হয়, ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শুটার ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা হুমায়ুনকে ফয়সালের শ্বশুরবাড়ি নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসময় পুকুর থেকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত ৩টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে বিজয়নগর এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক এবং ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি একটি রিকশায় যাওয়ার সময় মোটরসাইকেল করে আসা দুইজনের একজন তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলিতে হাদি মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গুলি চালানোর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে শনাক্ত করে। তারা হলেন, ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান (প্রধান সন্দেহভাজন শুটার) এবং আলমগীর হোসেন (বাইক চালক)। এ ঘটনায় ফয়সাল করিমের স্ত্রী, প্রেমিকা ও শ্যালককে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।’

১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:৪৯
পদ্মা সেতুতে দুই যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে এক হেলপার নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ১৫ জন যাত্রী। গতকাল সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতুর ২৯ নম্বর পিলারের ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হেলপারের নাম মো. তোফায়েল মিয়া (২৭)। তিনি মাদারীপুরের দক্ষিণপাড়া এলাকার মৃত সেলিম মিয়ার ছেলে।
পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ভাঙ্গাগামী বসুমতি পরিবহনের একটি বাস পদ্মা সেতুর ওপর পৌঁছালে পেছন থেকে ঢাকা-কুয়াকাটাগামী পদ্মা স্পেশাল পরিবহনের একটি বাস ধাক্কা দেয়। এতে বসুমতি পরিবহনের হেলপার মো. তোফায়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। দুর্ঘটনায় বসুমতি পরিবহনের অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হন।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে, দুর্ঘটনার পর পদ্মা সেতুতে সাময়িক যান চলাচল ব্যাহত হলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর তৎপরতায় দ্রুত স্বাভাবিক করা হয়। দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি জব্দ করেছে পুলিশ।
এ ব্যাপারে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কবির আহমেদ বলেন, ‘পদ্মা সেতুর ২৯ নম্বর পিলারের কাছে ভাঙ্গাগামী বসুমতী পরিবহনের একটি বাস চলমান আরেকটি বাসের পেছনে ধাক্কা দেয়।
এতে বসুমতী পরিবহনের হেলপার তোফায়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তা শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।’
আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আর বাস দুটি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান এসআই কবির।
পদ্মা সেতুতে দুই যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে এক হেলপার নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ১৫ জন যাত্রী। গতকাল সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতুর ২৯ নম্বর পিলারের ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হেলপারের নাম মো. তোফায়েল মিয়া (২৭)। তিনি মাদারীপুরের দক্ষিণপাড়া এলাকার মৃত সেলিম মিয়ার ছেলে।
পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ভাঙ্গাগামী বসুমতি পরিবহনের একটি বাস পদ্মা সেতুর ওপর পৌঁছালে পেছন থেকে ঢাকা-কুয়াকাটাগামী পদ্মা স্পেশাল পরিবহনের একটি বাস ধাক্কা দেয়। এতে বসুমতি পরিবহনের হেলপার মো. তোফায়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। দুর্ঘটনায় বসুমতি পরিবহনের অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হন।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে, দুর্ঘটনার পর পদ্মা সেতুতে সাময়িক যান চলাচল ব্যাহত হলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর তৎপরতায় দ্রুত স্বাভাবিক করা হয়। দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি জব্দ করেছে পুলিশ।
এ ব্যাপারে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কবির আহমেদ বলেন, ‘পদ্মা সেতুর ২৯ নম্বর পিলারের কাছে ভাঙ্গাগামী বসুমতী পরিবহনের একটি বাস চলমান আরেকটি বাসের পেছনে ধাক্কা দেয়।
এতে বসুমতী পরিবহনের হেলপার তোফায়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তা শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।’
আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আর বাস দুটি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান এসআই কবির।

১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৩:১৯
এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টায় সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার আইটি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল সফট আইটি লিমিটেডের সব ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ঊর্ধ্বতন এক সূত্র আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওসমান হাদির ওপর হামলার পর যেহেতু ফয়সাল করিম মাসুদ প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত হয়েছেন, সেহেতু তার বিভিন্ন বিষয় অনুসন্ধান করবে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। আমরাও তার আর্থিক কোনো অপরাধ আছে কি না, সেগুলোর অনুসন্ধান করব।
শোনা যাচ্ছে এবং অনেক আলোচনা রয়েছে যে এই ধরনের অপরাধ সংঘটিত করার জন্য এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির জন্য ভারত থেকে অনেক ফান্ডিং হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, ফলে সে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার জন্য মূলত হিসাবগুলো ফ্রিজ করা হয়েছে।
জানা গেছে, অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সদস্য। এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে সন্দেহভাজনের ছবি প্রকাশ করে তথ্য চাওয়া হয়। পুলিশের বিবৃতিতে সন্দেহভাজন তরুণের নাম উল্লেখ করা না হলেও ছবি দেখে ‘ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান’ বলে ধারণা করা হয়। তাকে আগেও হাদির সঙ্গে দেখা গেছে।
তবে কয়েক দিন ধরে হাদির সঙ্গে গণসংযোগে থাকা মাস্ক পরা তরুণই যে তিনি সে বিষয়ে পুলিশের কাছ থেকে কোনো তথ্য মেলেনি।
গত মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় হাদির ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে গিয়ে হাদির পাশে বসে আলোচনা শুনছিলেন ফয়সাল করিম। সেই আলোচনার ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।
জানা গেছে, ফয়সাল করিম নামের ওই তরুণ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধঘোষিত সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০১৯ সালের ১১ মে ঘোষিত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তিনি সদস্য হন।
এদিকে, ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি শনাক্ত করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। মোটরসাইকেলটির মালিক সন্দেহে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) আব্দুল হান্নান (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হন ওসমান হাদি। তিনি জাতীয় সংসদের ঢাকা-৮ আসনে সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। সেদিন রাত থেকে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
হাদির চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড জানিয়েছে, গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে থাকা শরিফ ওসমান হাদির সার্বিক পরিস্থিতি ‘অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।’
এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টায় সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার আইটি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল সফট আইটি লিমিটেডের সব ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ঊর্ধ্বতন এক সূত্র আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওসমান হাদির ওপর হামলার পর যেহেতু ফয়সাল করিম মাসুদ প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত হয়েছেন, সেহেতু তার বিভিন্ন বিষয় অনুসন্ধান করবে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। আমরাও তার আর্থিক কোনো অপরাধ আছে কি না, সেগুলোর অনুসন্ধান করব।
শোনা যাচ্ছে এবং অনেক আলোচনা রয়েছে যে এই ধরনের অপরাধ সংঘটিত করার জন্য এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির জন্য ভারত থেকে অনেক ফান্ডিং হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, ফলে সে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার জন্য মূলত হিসাবগুলো ফ্রিজ করা হয়েছে।
জানা গেছে, অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সদস্য। এর আগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে সন্দেহভাজনের ছবি প্রকাশ করে তথ্য চাওয়া হয়। পুলিশের বিবৃতিতে সন্দেহভাজন তরুণের নাম উল্লেখ করা না হলেও ছবি দেখে ‘ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান’ বলে ধারণা করা হয়। তাকে আগেও হাদির সঙ্গে দেখা গেছে।
তবে কয়েক দিন ধরে হাদির সঙ্গে গণসংযোগে থাকা মাস্ক পরা তরুণই যে তিনি সে বিষয়ে পুলিশের কাছ থেকে কোনো তথ্য মেলেনি।
গত মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় হাদির ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে গিয়ে হাদির পাশে বসে আলোচনা শুনছিলেন ফয়সাল করিম। সেই আলোচনার ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।
জানা গেছে, ফয়সাল করিম নামের ওই তরুণ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধঘোষিত সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০১৯ সালের ১১ মে ঘোষিত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তিনি সদস্য হন।
এদিকে, ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি শনাক্ত করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। মোটরসাইকেলটির মালিক সন্দেহে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) আব্দুল হান্নান (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হন ওসমান হাদি। তিনি জাতীয় সংসদের ঢাকা-৮ আসনে সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। সেদিন রাত থেকে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
হাদির চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড জানিয়েছে, গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে থাকা শরিফ ওসমান হাদির সার্বিক পরিস্থিতি ‘অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।’

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.