
১১ মে, ২০২৬ ২০:৪৩
ভোলার লালমোহন উপজেলায় চরের ভূমিহীনদের জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার বিকেলে ভূমিহীনদের পক্ষ থেকে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া পশ্চিম বাজারে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। এ সময় ভূমিহীনদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলেনে বক্তব্য রাখেন আব্দুল কাদের নামে এক ভুক্তভোগী।
তিনি বলেন, পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়মের চরকচুয়াখালীর পাশে ভুতুম চর অবস্থিত। গত বছর ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও স্পিকার মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদের নির্দেশে তার ছেলে শাহরুখ হাফিজ ডিকো ওই চরের খাস জমি সাড়ে চারশত ভূমিহীনদের দখল বুঝিয়ে দেন। এরপর ভূমিহীনরা ওইসব জমিতে চাষাবাদ শুরু করেন।
তবে সোমবার (১১ মে) বেলা ১১টার দিকে পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ১ নম্বর ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের কচুয়াখালী এলাকার বাসিন্দা মহসীন হাওলাদার, কাশেম, জাফর হাজী, মোশারফ হাওলাদার, মিজান পিটারের নেতৃত্বে অন্তত অর্ধশত সন্ত্রাসী ভুতুম চরে গিয়ে ভূমিহীনদের দখলে থাকা ওইসব জমি দখলের চেষ্টা চালায়।
এ সময় চরে গিয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা চালায় সন্ত্রাসীরা। খবর পেয়ে ভুক্তভোগী ভূমিহীনরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের ধাওয়া দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে মহসীন ও কাশেমের নেতৃত্বে থাকা সন্ত্রাসীরা চর থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হয়। আমরা ওইসব সন্ত্রাসীদের বিচার চাই।
সংবাদ সম্মেলন শেষে গাজারিয়া বাজারে ভুতুম চরের প্রায় শতাধিক ভূমিহীন বিক্ষোভ মিছিল করেন। বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন আব্দুল কাদের, আব্দুস সহিদ, মহিউদ্দিন, আবুল কালাম, সফিজল হক, আকবর, রফিক, সেলিম, ভুট্টো, জামাল মাঝি, শাহে আলম মাঝি, আব্দুল মালেকসহ আরো অনেকে। বিক্ষোভ মিছিলে চর দখল করতে যাওয়া সন্ত্রাসীদের বিচার চেয়ে শ্লোগান দেন তারা।
অভিযোগের ব্যাপারে মহসীন হাওলাদার জানান, যারা সংবাদ সম্মেলন করেছে তারা জোর করে জমি দখল করে আছে। আমাদের যাদের কাগজপত্র রয়েছে তারা চরে গিয়েছি জমি দেখতে, দখল করতে নয়। কিন্তু আমরা চরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জোর করে দখলকারীরা আমাদেরকে কুপিয়ে আহত করেছেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো.অলিউল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি মৌখিকভাবে শুনেছি। তবে এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় চরের ভূমিহীনদের জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার বিকেলে ভূমিহীনদের পক্ষ থেকে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া পশ্চিম বাজারে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। এ সময় ভূমিহীনদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলেনে বক্তব্য রাখেন আব্দুল কাদের নামে এক ভুক্তভোগী।
তিনি বলেন, পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়মের চরকচুয়াখালীর পাশে ভুতুম চর অবস্থিত। গত বছর ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও স্পিকার মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদের নির্দেশে তার ছেলে শাহরুখ হাফিজ ডিকো ওই চরের খাস জমি সাড়ে চারশত ভূমিহীনদের দখল বুঝিয়ে দেন। এরপর ভূমিহীনরা ওইসব জমিতে চাষাবাদ শুরু করেন।
তবে সোমবার (১১ মে) বেলা ১১টার দিকে পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ১ নম্বর ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের কচুয়াখালী এলাকার বাসিন্দা মহসীন হাওলাদার, কাশেম, জাফর হাজী, মোশারফ হাওলাদার, মিজান পিটারের নেতৃত্বে অন্তত অর্ধশত সন্ত্রাসী ভুতুম চরে গিয়ে ভূমিহীনদের দখলে থাকা ওইসব জমি দখলের চেষ্টা চালায়।
এ সময় চরে গিয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা চালায় সন্ত্রাসীরা। খবর পেয়ে ভুক্তভোগী ভূমিহীনরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের ধাওয়া দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে মহসীন ও কাশেমের নেতৃত্বে থাকা সন্ত্রাসীরা চর থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হয়। আমরা ওইসব সন্ত্রাসীদের বিচার চাই।
সংবাদ সম্মেলন শেষে গাজারিয়া বাজারে ভুতুম চরের প্রায় শতাধিক ভূমিহীন বিক্ষোভ মিছিল করেন। বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন আব্দুল কাদের, আব্দুস সহিদ, মহিউদ্দিন, আবুল কালাম, সফিজল হক, আকবর, রফিক, সেলিম, ভুট্টো, জামাল মাঝি, শাহে আলম মাঝি, আব্দুল মালেকসহ আরো অনেকে। বিক্ষোভ মিছিলে চর দখল করতে যাওয়া সন্ত্রাসীদের বিচার চেয়ে শ্লোগান দেন তারা।
অভিযোগের ব্যাপারে মহসীন হাওলাদার জানান, যারা সংবাদ সম্মেলন করেছে তারা জোর করে জমি দখল করে আছে। আমাদের যাদের কাগজপত্র রয়েছে তারা চরে গিয়েছি জমি দেখতে, দখল করতে নয়। কিন্তু আমরা চরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জোর করে দখলকারীরা আমাদেরকে কুপিয়ে আহত করেছেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো.অলিউল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি মৌখিকভাবে শুনেছি। তবে এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

০৯ মে, ২০২৬ ১৯:৫৩
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক মায়ের বিরুদ্ধে তার তিন মাস বয়সী অসুস্থ শিশুকে ফেলে রেখে উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে পরিচয়হীন ওই শিশুটি হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। শিশুটির সার্বিক দেখভালের দায়িত্ব নিয়েছে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়।
শুক্রবার (০৮ মে) বিকেল চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ওই দিন এক নারী তার অসুস্থ শিশুটিকে হাসপাতালের মেঝেতে অন্য এক রোগীর পাশে রেখে দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। শুরুতে বিষয়টি তেমন গুরুত্ব না পেলেও কিছুক্ষণ পর শিশুটির পাশে কোনো স্বজনকে না দেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হয়। এরপর পুরো হাসপাতালজুড়ে ওই নারীর খোঁজ করা হলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পরপরই হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা শিশুটিকে নিজেদের তত্ত্বাবধানে নিয়ে চিকিৎসা শুরু করেন। বর্তমানে শিশুটির শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স আল মামুন জানান, শিশুটির কোনো পরিচয় বা স্বজন এখনো পাওয়া যায়নি। সরকারি ব্যবস্থাপনায় তার চিকিৎসা চলমান রয়েছে। পরবর্তীতে বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আইনগতভাবে প্রক্রিয়াকরণ করা হবে।
এদিকে খবর পেয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মামুন হোসেইন বেলন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির খোঁজখবর নেন।
সমাজসেবা কর্মকর্তা মামুন হোসেইন বেলন বলেন, শিশুটির সার্বক্ষণিক খোঁজ রাখা হচ্ছে এবং তার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ সাংবাদিকদের জানান, শিশুটির চিকিৎসা চলছে এবং সমাজসেবা কর্মকর্তাকে তার দেখভালের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিশুটির পরিবারের সন্ধানেও প্রশাসন কাজ করছে।’
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক মায়ের বিরুদ্ধে তার তিন মাস বয়সী অসুস্থ শিশুকে ফেলে রেখে উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে পরিচয়হীন ওই শিশুটি হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। শিশুটির সার্বিক দেখভালের দায়িত্ব নিয়েছে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়।
শুক্রবার (০৮ মে) বিকেল চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ওই দিন এক নারী তার অসুস্থ শিশুটিকে হাসপাতালের মেঝেতে অন্য এক রোগীর পাশে রেখে দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। শুরুতে বিষয়টি তেমন গুরুত্ব না পেলেও কিছুক্ষণ পর শিশুটির পাশে কোনো স্বজনকে না দেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হয়। এরপর পুরো হাসপাতালজুড়ে ওই নারীর খোঁজ করা হলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পরপরই হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা শিশুটিকে নিজেদের তত্ত্বাবধানে নিয়ে চিকিৎসা শুরু করেন। বর্তমানে শিশুটির শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স আল মামুন জানান, শিশুটির কোনো পরিচয় বা স্বজন এখনো পাওয়া যায়নি। সরকারি ব্যবস্থাপনায় তার চিকিৎসা চলমান রয়েছে। পরবর্তীতে বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আইনগতভাবে প্রক্রিয়াকরণ করা হবে।
এদিকে খবর পেয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মামুন হোসেইন বেলন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির খোঁজখবর নেন।
সমাজসেবা কর্মকর্তা মামুন হোসেইন বেলন বলেন, শিশুটির সার্বক্ষণিক খোঁজ রাখা হচ্ছে এবং তার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ সাংবাদিকদের জানান, শিশুটির চিকিৎসা চলছে এবং সমাজসেবা কর্মকর্তাকে তার দেখভালের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিশুটির পরিবারের সন্ধানেও প্রশাসন কাজ করছে।’

০৯ মে, ২০২৬ ১৩:২৫
পটুয়াখালীর কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেল থেকে ভোলার চরফ্যাশনের অপহৃত কলেজছাত্রী কারিমা হাসানকে (১৭) উদ্ধার করেছে মহিপুর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) সকালে আটকদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ মে) গভীর রাতে কুয়াকাটার একটি হোটেল থেকে কারিমাকে উদ্ধার করা হয়। আটকরা হলেন- চরফ্যাশন এলাকার মো. হাসনাইন (২১) ও মেহেদী হাসান (২৬)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৬ মে) ভোলার চরফ্যাশন এলাকা থেকে কলেজছাত্রী কারিমা হাসান অপহৃত হন।
অভিযোগ রয়েছে, তাকে ইনজেকশন দিয়ে অজ্ঞান করার পর অপহরণ করা হয়। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কুয়াকাটার হোটেল রুপান্তি থেকে তাকে উদ্ধার করে মহিপুর থানা পুলিশ।
মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার জানান, ৯৯৯-এর মাধ্যমে তথ্য পেয়ে অভিযান চালিয়ে ওই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ভোলার চরফ্যাশন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত তরুণীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় নেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেল থেকে ভোলার চরফ্যাশনের অপহৃত কলেজছাত্রী কারিমা হাসানকে (১৭) উদ্ধার করেছে মহিপুর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) সকালে আটকদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ মে) গভীর রাতে কুয়াকাটার একটি হোটেল থেকে কারিমাকে উদ্ধার করা হয়। আটকরা হলেন- চরফ্যাশন এলাকার মো. হাসনাইন (২১) ও মেহেদী হাসান (২৬)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৬ মে) ভোলার চরফ্যাশন এলাকা থেকে কলেজছাত্রী কারিমা হাসান অপহৃত হন।
অভিযোগ রয়েছে, তাকে ইনজেকশন দিয়ে অজ্ঞান করার পর অপহরণ করা হয়। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কুয়াকাটার হোটেল রুপান্তি থেকে তাকে উদ্ধার করে মহিপুর থানা পুলিশ।
মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার জানান, ৯৯৯-এর মাধ্যমে তথ্য পেয়ে অভিযান চালিয়ে ওই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ভোলার চরফ্যাশন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত তরুণীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় নেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

০৮ মে, ২০২৬ ১৪:৩৪
আসন্ন কোরবানির হাটকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামার মালিক ও শ্রমিকরা। এ বছর ভোলায় কোরবানির হাটকে কেন্দ্র করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে বিশাল আকৃতির ‘জমিদার’। সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খেয়ে মোটাতাজা হয়েছে জমিদার। ১৫-১৬ মণ ওজনের এই গরুটি ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মালেগো বাড়ির বাসিন্দা ও খামারি মো. আলী এবারের কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য তার খামারে ছয়টি দেশীয় গরু মোটাতাজা করেছেন। এরমধ্যে রয়েছে জমিদার নামে গরুটি।
জমিদার গরুর মালিক ও খামারি মো. আলী জানান, তিনি প্রায় ১৪ বছর ধরে গরুর খামার দিয়েছেন। তার খামারে প্রতি বছরই তিনি গরু মোটাতাজা করে কোরবানির হাটে বিক্রি করেন। এবছরও তিনি ৬টি গরু হাটে নেবেন।
ছয়টি গরুর নাম রেখেন জমিদার, বাহাদুর, বাদশা, রাজা, কালাচাঁদ ও লালচাঁদ। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় গরু ‘জমিদার’। যার উচ্চতা প্রায় ৬ ফুট ও দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ ফুটের কাছাকাছি। ওজন প্রায় ১৫ থেকে ১৬ মণ।
তিনি আরও জানান, প্রায় ২ বছর আগে গরুটি তিনি এক খামারির থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকায় ক্রয় করেছেন।
খামারের প্রতিটি গরুকে কাঁচা ঘাস, গম-ভূট্টা ভাঙা, খৈল ও ভূষিসহ সুষম দানাদার খাবার খাওয়ানো হয়েছে। কিন্তু জমিদার অন্য গরুর থেকে বেশি খাবার খেয়ে থাকে। এ কারণে তার নাম জমিদার রাখা হয়েছে।
প্রায় ৬ মাস ধরে জমিদারকে সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় প্রায় ২০ থেকে ২২ কেজি কাঁচা ঘাস, গম-ভূট্টা ভাঙা, খৈল ও ভূষিসহ সুষম দানাদার খাবার খাওয়াচ্ছেন। এবারের কোরবানির হাটে জমিদারের দাম হাঁকিয়েছেন ৪ লাখ টাকা।
তার দাবি, ভোলা সদর উপজেলায় এত বড় ও পরিপুষ্ট দেশীয় গরু কারো খামারে নেই। তাই কোরবানির হাটে জমিদার উঠালে সবার দৃষ্টি কারবে।
ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খাঁন জানান, আমরা সব খামারিকেই দেশীয় পদ্ধতিতে, দেশীয় খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজা করার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। জমিদার নামে গরুটিও দেশীয় খাবার খেয়ে মোটাতাজা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, কোন খামারি যদি কোরবানির হাটকে টার্গেট করে অবৈধভাবে গরু মোটাতাজা করে তবে ওই খামারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আসন্ন কোরবানির হাটকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামার মালিক ও শ্রমিকরা। এ বছর ভোলায় কোরবানির হাটকে কেন্দ্র করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে বিশাল আকৃতির ‘জমিদার’। সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খেয়ে মোটাতাজা হয়েছে জমিদার। ১৫-১৬ মণ ওজনের এই গরুটি ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মালেগো বাড়ির বাসিন্দা ও খামারি মো. আলী এবারের কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য তার খামারে ছয়টি দেশীয় গরু মোটাতাজা করেছেন। এরমধ্যে রয়েছে জমিদার নামে গরুটি।
জমিদার গরুর মালিক ও খামারি মো. আলী জানান, তিনি প্রায় ১৪ বছর ধরে গরুর খামার দিয়েছেন। তার খামারে প্রতি বছরই তিনি গরু মোটাতাজা করে কোরবানির হাটে বিক্রি করেন। এবছরও তিনি ৬টি গরু হাটে নেবেন।
ছয়টি গরুর নাম রেখেন জমিদার, বাহাদুর, বাদশা, রাজা, কালাচাঁদ ও লালচাঁদ। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় গরু ‘জমিদার’। যার উচ্চতা প্রায় ৬ ফুট ও দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ ফুটের কাছাকাছি। ওজন প্রায় ১৫ থেকে ১৬ মণ।
তিনি আরও জানান, প্রায় ২ বছর আগে গরুটি তিনি এক খামারির থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকায় ক্রয় করেছেন।
খামারের প্রতিটি গরুকে কাঁচা ঘাস, গম-ভূট্টা ভাঙা, খৈল ও ভূষিসহ সুষম দানাদার খাবার খাওয়ানো হয়েছে। কিন্তু জমিদার অন্য গরুর থেকে বেশি খাবার খেয়ে থাকে। এ কারণে তার নাম জমিদার রাখা হয়েছে।
প্রায় ৬ মাস ধরে জমিদারকে সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় প্রায় ২০ থেকে ২২ কেজি কাঁচা ঘাস, গম-ভূট্টা ভাঙা, খৈল ও ভূষিসহ সুষম দানাদার খাবার খাওয়াচ্ছেন। এবারের কোরবানির হাটে জমিদারের দাম হাঁকিয়েছেন ৪ লাখ টাকা।
তার দাবি, ভোলা সদর উপজেলায় এত বড় ও পরিপুষ্ট দেশীয় গরু কারো খামারে নেই। তাই কোরবানির হাটে জমিদার উঠালে সবার দৃষ্টি কারবে।
ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খাঁন জানান, আমরা সব খামারিকেই দেশীয় পদ্ধতিতে, দেশীয় খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজা করার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। জমিদার নামে গরুটিও দেশীয় খাবার খেয়ে মোটাতাজা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, কোন খামারি যদি কোরবানির হাটকে টার্গেট করে অবৈধভাবে গরু মোটাতাজা করে তবে ওই খামারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.