Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ বিতরণ নিয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃত অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে সহায়তা না দিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে প্রদান করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি অসচ্ছল ও দুস্থ পরিবারের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে নগদ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু তালিকা প্রণয়নে স্বচ্ছতা না থাকায় অনেক প্রকৃত দরিদ্র পরিবার এই সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বরং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী কয়েকজন জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকটে থাকলেও কোনো ধরনের সহায়তা পাননি। অথচ যাদের আর্থিক অবস্থা তুলনামূলক ভালো, তাদের ঘরেই ত্রাণের অর্থ পৌঁছেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বেড়েই চলেছে।
সম্প্রতি উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নে দুই শতর বেশি সদস্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। আর সে সকল সদস্যদের তালিকার মধ্যে অনেকেই রয়েছেন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি সহ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের নাম। চরমদি ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সরদার, চরামদ্দি ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি শাহ আলম খান, চরমদ্দি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হান্নান মৃধা, রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ইউনুস হাওলাদারের ছেলে মাহফুজ,পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো: ফিরোজ হাওলাদার সহ ১৪ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের নাম।
প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিলের টাকা বিতরণের অনিয়ম নিয়ে অনুসন্ধান করে দেখা যায়, নিয়ামতি ইউনিয়নে মোট ৩০ জন সদস্যার মধ্যে ত্রান তহবিলের টাকা বিতরণ করা হয়েছে। আর ৩০ জনের ওই তালিকায় ১৫ জনের নাম দিয়েছেন নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো: সোহেল ফরাজী। বাকি ১৫ জনের নাম দিয়েছেন নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদার।
সোহেল সিকদারের দেয়া তালিকায় যে ১৫ জন ত্রান তহবিলের টাকা পেয়েছেন তার মধ্যে রয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাদুর হোসেন খানের আপন ছোট ভাই উজ্বল খান ও বাহাদুর হোসেন খানের ছেলে সাইফুদ্দিন। এছাড়া ওই তালিকা দেখা গেছে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মাইনুল ইসলামের নাম। তারা সকলেই ওই তালিকায় স্বাক্ষর দিয়ে ২০০০ টাকা করে গ্রহণ করেছেন। দলের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে থেকে নিজের পরিবারের মধ্যে ত্রান তহবিলের টাকা বিতরণ করায় নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
তারা দাবি জানিয়েছেন যাহারা এসকল অনিয়মের সাথে জড়িত তাদেরকে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়ার। তাদেরকে যদি সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া না হয় তাহলে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম ব্যাহত হবে এবং বিএনপি'র প্রতি মানুষের আস্থা হারিয়ে যাবে।
তবে এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, ত্রাণের মতো মানবিক সহায়তা বিতরণে এ ধরনের অনিয়ম সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট করছে।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুজ্জামান মিজান মিয়াকে ফোন করা হলে তিনি জানান, নিয়ামতি ইউনিয়নে ৩০ জনকে ত্রান তহবিলের টাকা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জন রয়েছে সভাপতি সোহেল ফরাজির তালিকা ও ১৫ জন রয়েছে সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদারের তালিকা। এই ৩০ জনের তালিকের মধ্যে যদি কেউ তার নিজের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে টাকা প্রদান করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ২৫ জনের একটি তালিকা দিয়েছিলাম সেখান থেকে ১৫ জনকে টাকা দেয়া হয়েছে। ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাদুর হোসেন খানের পরিবারের লোকজনের নাম রয়েছে কিনা সেটা আমার ভালো জানা নেই। তবে এই নাম কিভাবে আসলো প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন হয়তো সাংগঠনিক সম্পাদক নিজেই এই নাম দিয়েছেন।
এই বিষয় নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাদুর হোসেন খান কে ফোন দেওয়া হলে তিনি জানান, ত্রান তহবিলের টাকা প্রদানের তালিকা ইউনিয়ন বিএনপি সাধারন সম্পাদক সোহেল সিকদার দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে বাকেরগঞ্জের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানকে ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিলের টাকা সংসদ সদস্যের মাধ্যমে বণ্টন করার নির্দেশ রয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের তদারকি করার কিছুই নেই।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ বিতরণ নিয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃত অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে সহায়তা না দিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে প্রদান করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি অসচ্ছল ও দুস্থ পরিবারের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে নগদ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু তালিকা প্রণয়নে স্বচ্ছতা না থাকায় অনেক প্রকৃত দরিদ্র পরিবার এই সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বরং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী কয়েকজন জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকটে থাকলেও কোনো ধরনের সহায়তা পাননি। অথচ যাদের আর্থিক অবস্থা তুলনামূলক ভালো, তাদের ঘরেই ত্রাণের অর্থ পৌঁছেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বেড়েই চলেছে।
সম্প্রতি উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নে দুই শতর বেশি সদস্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। আর সে সকল সদস্যদের তালিকার মধ্যে অনেকেই রয়েছেন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি সহ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের নাম। চরমদি ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সরদার, চরামদ্দি ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি শাহ আলম খান, চরমদ্দি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সভাপতি হান্নান মৃধা, রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ইউনুস হাওলাদারের ছেলে মাহফুজ,পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো: ফিরোজ হাওলাদার সহ ১৪ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের নাম।
প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিলের টাকা বিতরণের অনিয়ম নিয়ে অনুসন্ধান করে দেখা যায়, নিয়ামতি ইউনিয়নে মোট ৩০ জন সদস্যার মধ্যে ত্রান তহবিলের টাকা বিতরণ করা হয়েছে। আর ৩০ জনের ওই তালিকায় ১৫ জনের নাম দিয়েছেন নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো: সোহেল ফরাজী। বাকি ১৫ জনের নাম দিয়েছেন নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদার।
সোহেল সিকদারের দেয়া তালিকায় যে ১৫ জন ত্রান তহবিলের টাকা পেয়েছেন তার মধ্যে রয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাদুর হোসেন খানের আপন ছোট ভাই উজ্বল খান ও বাহাদুর হোসেন খানের ছেলে সাইফুদ্দিন। এছাড়া ওই তালিকা দেখা গেছে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মাইনুল ইসলামের নাম। তারা সকলেই ওই তালিকায় স্বাক্ষর দিয়ে ২০০০ টাকা করে গ্রহণ করেছেন। দলের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে থেকে নিজের পরিবারের মধ্যে ত্রান তহবিলের টাকা বিতরণ করায় নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
তারা দাবি জানিয়েছেন যাহারা এসকল অনিয়মের সাথে জড়িত তাদেরকে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়ার। তাদেরকে যদি সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া না হয় তাহলে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম ব্যাহত হবে এবং বিএনপি'র প্রতি মানুষের আস্থা হারিয়ে যাবে।
তবে এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, ত্রাণের মতো মানবিক সহায়তা বিতরণে এ ধরনের অনিয়ম সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট করছে।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুজ্জামান মিজান মিয়াকে ফোন করা হলে তিনি জানান, নিয়ামতি ইউনিয়নে ৩০ জনকে ত্রান তহবিলের টাকা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জন রয়েছে সভাপতি সোহেল ফরাজির তালিকা ও ১৫ জন রয়েছে সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদারের তালিকা। এই ৩০ জনের তালিকের মধ্যে যদি কেউ তার নিজের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে টাকা প্রদান করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ২৫ জনের একটি তালিকা দিয়েছিলাম সেখান থেকে ১৫ জনকে টাকা দেয়া হয়েছে। ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাদুর হোসেন খানের পরিবারের লোকজনের নাম রয়েছে কিনা সেটা আমার ভালো জানা নেই। তবে এই নাম কিভাবে আসলো প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন হয়তো সাংগঠনিক সম্পাদক নিজেই এই নাম দিয়েছেন।
এই বিষয় নিয়ামতি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাদুর হোসেন খান কে ফোন দেওয়া হলে তিনি জানান, ত্রান তহবিলের টাকা প্রদানের তালিকা ইউনিয়ন বিএনপি সাধারন সম্পাদক সোহেল সিকদার দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে বাকেরগঞ্জের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানকে ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিলের টাকা সংসদ সদস্যের মাধ্যমে বণ্টন করার নির্দেশ রয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের তদারকি করার কিছুই নেই।

০৯ জুন, ২০২৬ ১৮:০৫
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ২০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। তাই সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোতে তোলা হয়েছে এক নম্বর সংকেত। মঙ্গলবার (৯ জুন) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানিয়েছেন, বরিশাল, পটুয়াখালী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নৌবন্দরকে এক নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

০৯ জুন, ২০২৬ ১৭:৩২
বরিশাল শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক স্মৃতি (কেডিসি) কলোনীর একটি বাসা থেকে গাঁজার একটি বৃহৎ চালান উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। বুধবার সকালে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ৬৬ কেজি পরিমাণের এই গাঁজার চালানটি উদ্ধার করা হয়। তবে এসময় মাদকবিক্রেতা সাইদুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি।
গোয়েন্দাপুলিশ জানিয়েছে, কলোনীর বাসিন্দা সাইদুল ইসলামের বাসায় ব্যাপকসংখ্যক মাদক মজুত আছে- এমন তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সকালে সেখানে ডিবি ডিসির নেতৃত্বে হানা দেওয়া হয়। এবং সেখানকার একটি টিনের বাসার তৃতীয় তলা থেকে সর্বমোট ৬৬ কেজি গাঁজা পাওয়া যায়। এই ঘটনায় ঘরের বাসিন্দা সাইদুল বা জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
গোয়েন্দাপুলিশের পরিদর্শক (ওসি) ছগির হোসেন বরিশালটাইমসকে জানান, মঙ্গলবার নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবরের ভিত্তিতে অভিযান শুরু হয়। এবং একপর্যায়ে বুধবার সকালে কেডিসি কলোনীর সাইদুলের বাসায় অভিযান চালিয়ে ৬৬ কেজি গাঁজা পাওয়া গেছে। তবে এসময় সাইদুল বা তার সহযোগী কাউকে পাওয়া যায়নি।
এই মাদকের সাথে জড়িত সাইদুলসহ সকলকে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দাপুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে, জানান ডিবি পুলিশের ওসি।’

০৯ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ শাহে আলমকে এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (৮ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালত এ আদেশ দেন। এদিন কারাগার থেকে শাহে আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গুলশানের শাহজাদপুর এলাকায় আন্দোলন চলাকালে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। কনফিডেন্স টাওয়ারের সামনে সংঘটিত ওই ঘটনায় ভ্যানচালক জব্বার আলী হাওলাদার গুলিবিদ্ধ হন। পরে ওই বছরের ১১ ডিসেম্বর জব্বার আলী হাওলাদার বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১০৯ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় এজাহারে নাম না থাকলেও অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে শাহে আলমকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
এর আগে, ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর শাহে আলমের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, হামলা, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বরিশালের আদালতে একটি মামলা দায়ের হয়। মামলাটিতে তার তিন ভাইসহ মোট ১৪ জন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে শাহে আলমের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এদিকে ২০২৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আটকের পর থেকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার হয়ে তিনি দীর্ঘ ২১ মাস ধরে কারান্তরীণ রয়েছেন। সম্প্রতি ছাত্র হত্যা মামলায় তার জামিন হলেও আরেক হত্যা চেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
একের পর এক রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলায় তাকে দীর্ঘ ২১ মাস কারাগারে বন্দি রাখার ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ২০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। তাই সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোতে তোলা হয়েছে এক নম্বর সংকেত। মঙ্গলবার (৯ জুন) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানিয়েছেন, বরিশাল, পটুয়াখালী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নৌবন্দরকে এক নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বরিশাল শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক স্মৃতি (কেডিসি) কলোনীর একটি বাসা থেকে গাঁজার একটি বৃহৎ চালান উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। বুধবার সকালে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ৬৬ কেজি পরিমাণের এই গাঁজার চালানটি উদ্ধার করা হয়। তবে এসময় মাদকবিক্রেতা সাইদুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি।
গোয়েন্দাপুলিশ জানিয়েছে, কলোনীর বাসিন্দা সাইদুল ইসলামের বাসায় ব্যাপকসংখ্যক মাদক মজুত আছে- এমন তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সকালে সেখানে ডিবি ডিসির নেতৃত্বে হানা দেওয়া হয়। এবং সেখানকার একটি টিনের বাসার তৃতীয় তলা থেকে সর্বমোট ৬৬ কেজি গাঁজা পাওয়া যায়। এই ঘটনায় ঘরের বাসিন্দা সাইদুল বা জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
গোয়েন্দাপুলিশের পরিদর্শক (ওসি) ছগির হোসেন বরিশালটাইমসকে জানান, মঙ্গলবার নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবরের ভিত্তিতে অভিযান শুরু হয়। এবং একপর্যায়ে বুধবার সকালে কেডিসি কলোনীর সাইদুলের বাসায় অভিযান চালিয়ে ৬৬ কেজি গাঁজা পাওয়া গেছে। তবে এসময় সাইদুল বা তার সহযোগী কাউকে পাওয়া যায়নি।
এই মাদকের সাথে জড়িত সাইদুলসহ সকলকে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দাপুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে, জানান ডিবি পুলিশের ওসি।’
বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ শাহে আলমকে এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (৮ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালত এ আদেশ দেন। এদিন কারাগার থেকে শাহে আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গুলশানের শাহজাদপুর এলাকায় আন্দোলন চলাকালে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। কনফিডেন্স টাওয়ারের সামনে সংঘটিত ওই ঘটনায় ভ্যানচালক জব্বার আলী হাওলাদার গুলিবিদ্ধ হন। পরে ওই বছরের ১১ ডিসেম্বর জব্বার আলী হাওলাদার বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১০৯ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় এজাহারে নাম না থাকলেও অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে শাহে আলমকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
এর আগে, ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর শাহে আলমের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, হামলা, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বরিশালের আদালতে একটি মামলা দায়ের হয়। মামলাটিতে তার তিন ভাইসহ মোট ১৪ জন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে শাহে আলমের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এদিকে ২০২৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আটকের পর থেকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার হয়ে তিনি দীর্ঘ ২১ মাস ধরে কারান্তরীণ রয়েছেন। সম্প্রতি ছাত্র হত্যা মামলায় তার জামিন হলেও আরেক হত্যা চেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
একের পর এক রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলায় তাকে দীর্ঘ ২১ মাস কারাগারে বন্দি রাখার ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস