Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০৩
ত্রিশোর্ধ্ব যুবকের বিরুদ্ধে ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে ২৬ টি মামলা বিচারাধীন।
বরিশাল নগরীতে আকাশ হাওলাদার ওরফে কালা মাসুদ নামের এক ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীর উত্থান ঘটেছে। খুন-মাদকসহ একাধিক মামলার আসামি ত্রিশোর্ধ্ব এই যুবক রাত গভীর হলেই সাঙ্গপাঙ্গদের সাথে নিয়ে কোতয়ালি থানাধীন পোর্টরোড টু লঞ্চঘাট, এমনকি আশপাশ এলাকাসমূহে অস্ত্রের মহড়া দিতে শুরু করে। পাশাপাশি সমান্তরাল চালিয়ে যাচ্ছেন মাদক বাণিজ্য। মাঝেমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই সন্ত্রাসীকে আটক করলেও কিছুদিন পরেই জামিনে মুক্ত হয়ে ফের পূর্বের অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন। শুক্রবার গভীর রাতে আকাশ হাওলাদার ওরফে কালা মাসুদ সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে শহরের পোর্টরোড এলাকায় অস্ত্রের মহড়া দিয়ে ত্রাস তৈরি করেন। তাদের অস্ত্রের ঝনঝনানিতে গভীর রাতে পোর্টরোড এবং এর আশপাশ এলাকায় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের গিলাতলী গ্রামের এনায়েত হাওলাদারের ছেলে আকাশ ওরফে কালা মাসুদ ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত। এসব ঘটনাবলীতে তার বিরুদ্ধে অন্তত ২৬টি মামলা বরিশালের আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ২০২৪ সালের শেষের দিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের একটি চৌকশ টিম তাকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আদালত মাসুদকে কারাগারে পাঠিয়ে দিলেও কিছুদিন না যেতেই জামিনে মুক্ত হয়ে ফের আগেই মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।
গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, কালা মাসুদ বিভিন্ন সময়ে টাকার বিনিময়ে টার্গেট করা ব্যক্তিকে কুপিয়ে আহত ও হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে। বরিশাল নগরীর ছিনতাইকারীদের গডফাদার ও ভাড়াটে খুনি নামে পরিচিত তিনি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ছাড়াও ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। এছাড়াও কালা মাসুদের রয়েছে ছিনতাইকারী কয়েকটি চক্র। সূত্রগুলো জানায়, শহরের ধোপাবাড়ির মোড়, কলেজ অ্যাভিনিউ, বৈদ্যপাড়াসহ কয়েকটি স্থানে রয়েছে কালা মাসুদের সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যরা। তারা টাকার বদৌলতে বিভিন্ন অপরাধ করে থাকেন।
বরিশাল শহরের এই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শুক্রবার রাতে লঞ্চঘাট এলাকায় প্রকাশ্য অস্ত্রের মহড়া দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, পোর্টরোডে মাদক বিক্রি এবং আধিপত্য বিস্তারের জেরে কালা মাসুদ শুক্রবার গভীর রাতে সংঘাতে লিপ্ত হয়। এনিয়ে দুই গ্রুপের লোকজন অস্ত্রসহ রাতভর মহড়া দিতে থাকে এবং একপর্যায়ে কালা মাসুদের নেতৃত্বে মহশিন মার্কেটসংলগ্ন আবাসিক হোটেলে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করাসহ প্রতিপক্ষের লোককে মারধর করে। এই সংঘাতের ঘটনায় আশপাশ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, ঘটনাস্থলের পাশেই রয়েছে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি এবং আনুমানিক পৌনে এক কিলোমিটার দূরত্বে কোতয়ালি থানা। পুলিশ প্রশাসনের নাগালে থেকে অশস্ত্র সন্ত্রাস তৈরি করার বিষয়টি খোদ স্থানীয় বাসিন্দাদের হতবাক করেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই কালা মাসুদ আওয়ামী লীগের গোটা শাসনামলে বরিশাল শহরের ত্রাস চালিয়েছে। এবং বিভিন্ন ঘটনাচক্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারেও প্রেরণ করে। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পরে তার যেনো নতুন ভাবে উত্থান ঘটেছে। এই চিহ্নিত অপরাধীকে সময় বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশকে নিয়েও ‘খিস্তিখেউর’ করতে শোনা যায়!
ফোন করে শুক্রবার রাতের ঘটনা জানতে চাইলে সন্ত্রাসী কালা মাসুদ দম্ভোক্তি করে বলেন, পুলিশ করার টাইম নাই! আপনি ফোন করছেন কেনো, আপনার বিষয়টিও দেখতে হবে, আমি ‘দাও মাসুদ, সিটি কিং! সুতরাং এই যুবক যে কোন মাপের সন্ত্রাস তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। অবশ্য এই নয়া সন্ত্রাস সম্পর্কে বরিশাল পুলিশ প্রশাসনও অবগত এবং তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ঘটনাস্থল সংশ্লিষ্ট স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম বলেন, শুক্রবার রাতে ঘটনাটি শোনার পরে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু এরআগেই সন্ত্রাসী মাসুদ সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে পালিয়ে যায়। বরিশাল শহরে সন্ত্রাসের কোনো স্থান হবে না, তাকে যে কোনো মূল্যে আইনের আওতায় আসতে হবে। তাছাড়া এই যুবকের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষেরও নির্দেশনা রয়েছে, জানান এসআই নাসিম।
শুক্রবার রাতে কালা মাসুদের সশস্ত্র সন্ত্রাসের কাহিনী শুনে অবাক হয়েছে খোদ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এই ধরনের সন্ত্রাস বা সন্ত্রসীদের ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যেহেতু সে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী এবং নতুন করে সন্ত্রাস করেছে তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আসতে হবে। মাঠপুলিশকে সেই রকমেরই নির্দেশনা দেওয়া আছে, জানান কমিশনার।
সন্ত্রাসী মাসুদের কার্যকলাপে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও যে রীতিমত ওষ্ঠাগত তা শীর্ষস্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্যেই অনুমান করা যায়। সেক্ষেত্রে এই ধারনা বদ্ধমূল হয় যে, সন্ত্রাসী আকাশ ওরফে কালা মাসুদকে খুব শিগগিরই পাকড়াও করতে চলছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শেষ পর্যন্ত এই সন্ত্রাসীকে পুলিশ প্রশাসন আটকে রাখতে ভূমিকা রাখতে যাচ্ছে সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।’
ত্রিশোর্ধ্ব যুবকের বিরুদ্ধে ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে ২৬ টি মামলা বিচারাধীন।
বরিশাল নগরীতে আকাশ হাওলাদার ওরফে কালা মাসুদ নামের এক ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীর উত্থান ঘটেছে। খুন-মাদকসহ একাধিক মামলার আসামি ত্রিশোর্ধ্ব এই যুবক রাত গভীর হলেই সাঙ্গপাঙ্গদের সাথে নিয়ে কোতয়ালি থানাধীন পোর্টরোড টু লঞ্চঘাট, এমনকি আশপাশ এলাকাসমূহে অস্ত্রের মহড়া দিতে শুরু করে। পাশাপাশি সমান্তরাল চালিয়ে যাচ্ছেন মাদক বাণিজ্য। মাঝেমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই সন্ত্রাসীকে আটক করলেও কিছুদিন পরেই জামিনে মুক্ত হয়ে ফের পূর্বের অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন। শুক্রবার গভীর রাতে আকাশ হাওলাদার ওরফে কালা মাসুদ সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে শহরের পোর্টরোড এলাকায় অস্ত্রের মহড়া দিয়ে ত্রাস তৈরি করেন। তাদের অস্ত্রের ঝনঝনানিতে গভীর রাতে পোর্টরোড এবং এর আশপাশ এলাকায় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের গিলাতলী গ্রামের এনায়েত হাওলাদারের ছেলে আকাশ ওরফে কালা মাসুদ ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত। এসব ঘটনাবলীতে তার বিরুদ্ধে অন্তত ২৬টি মামলা বরিশালের আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ২০২৪ সালের শেষের দিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের একটি চৌকশ টিম তাকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আদালত মাসুদকে কারাগারে পাঠিয়ে দিলেও কিছুদিন না যেতেই জামিনে মুক্ত হয়ে ফের আগেই মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।
গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, কালা মাসুদ বিভিন্ন সময়ে টাকার বিনিময়ে টার্গেট করা ব্যক্তিকে কুপিয়ে আহত ও হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে। বরিশাল নগরীর ছিনতাইকারীদের গডফাদার ও ভাড়াটে খুনি নামে পরিচিত তিনি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ছাড়াও ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। এছাড়াও কালা মাসুদের রয়েছে ছিনতাইকারী কয়েকটি চক্র। সূত্রগুলো জানায়, শহরের ধোপাবাড়ির মোড়, কলেজ অ্যাভিনিউ, বৈদ্যপাড়াসহ কয়েকটি স্থানে রয়েছে কালা মাসুদের সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যরা। তারা টাকার বদৌলতে বিভিন্ন অপরাধ করে থাকেন।
বরিশাল শহরের এই চিহ্নিত সন্ত্রাসী শুক্রবার রাতে লঞ্চঘাট এলাকায় প্রকাশ্য অস্ত্রের মহড়া দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, পোর্টরোডে মাদক বিক্রি এবং আধিপত্য বিস্তারের জেরে কালা মাসুদ শুক্রবার গভীর রাতে সংঘাতে লিপ্ত হয়। এনিয়ে দুই গ্রুপের লোকজন অস্ত্রসহ রাতভর মহড়া দিতে থাকে এবং একপর্যায়ে কালা মাসুদের নেতৃত্বে মহশিন মার্কেটসংলগ্ন আবাসিক হোটেলে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করাসহ প্রতিপক্ষের লোককে মারধর করে। এই সংঘাতের ঘটনায় আশপাশ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, ঘটনাস্থলের পাশেই রয়েছে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি এবং আনুমানিক পৌনে এক কিলোমিটার দূরত্বে কোতয়ালি থানা। পুলিশ প্রশাসনের নাগালে থেকে অশস্ত্র সন্ত্রাস তৈরি করার বিষয়টি খোদ স্থানীয় বাসিন্দাদের হতবাক করেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই কালা মাসুদ আওয়ামী লীগের গোটা শাসনামলে বরিশাল শহরের ত্রাস চালিয়েছে। এবং বিভিন্ন ঘটনাচক্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারেও প্রেরণ করে। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পরে তার যেনো নতুন ভাবে উত্থান ঘটেছে। এই চিহ্নিত অপরাধীকে সময় বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশকে নিয়েও ‘খিস্তিখেউর’ করতে শোনা যায়!
ফোন করে শুক্রবার রাতের ঘটনা জানতে চাইলে সন্ত্রাসী কালা মাসুদ দম্ভোক্তি করে বলেন, পুলিশ করার টাইম নাই! আপনি ফোন করছেন কেনো, আপনার বিষয়টিও দেখতে হবে, আমি ‘দাও মাসুদ, সিটি কিং! সুতরাং এই যুবক যে কোন মাপের সন্ত্রাস তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। অবশ্য এই নয়া সন্ত্রাস সম্পর্কে বরিশাল পুলিশ প্রশাসনও অবগত এবং তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ঘটনাস্থল সংশ্লিষ্ট স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম বলেন, শুক্রবার রাতে ঘটনাটি শোনার পরে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু এরআগেই সন্ত্রাসী মাসুদ সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে পালিয়ে যায়। বরিশাল শহরে সন্ত্রাসের কোনো স্থান হবে না, তাকে যে কোনো মূল্যে আইনের আওতায় আসতে হবে। তাছাড়া এই যুবকের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষেরও নির্দেশনা রয়েছে, জানান এসআই নাসিম।
শুক্রবার রাতে কালা মাসুদের সশস্ত্র সন্ত্রাসের কাহিনী শুনে অবাক হয়েছে খোদ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এই ধরনের সন্ত্রাস বা সন্ত্রসীদের ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যেহেতু সে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী এবং নতুন করে সন্ত্রাস করেছে তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আসতে হবে। মাঠপুলিশকে সেই রকমেরই নির্দেশনা দেওয়া আছে, জানান কমিশনার।
সন্ত্রাসী মাসুদের কার্যকলাপে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও যে রীতিমত ওষ্ঠাগত তা শীর্ষস্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্যেই অনুমান করা যায়। সেক্ষেত্রে এই ধারনা বদ্ধমূল হয় যে, সন্ত্রাসী আকাশ ওরফে কালা মাসুদকে খুব শিগগিরই পাকড়াও করতে চলছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শেষ পর্যন্ত এই সন্ত্রাসীকে পুলিশ প্রশাসন আটকে রাখতে ভূমিকা রাখতে যাচ্ছে সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।’

১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
বরিশালসহ সারা দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে, (৯ জুন) সকাল থেকে বুধবার (১০ জুন) সকাল পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীরা ভর্তি হন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ আছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশালে মোট ৩৮ জন এর মধ্যে আক্রান্তরা মহানগরী এলাকার বাইরে, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) চার জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন রয়েছেন।
এ সময়ে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৯৩ জন।
চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯১৭ জন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ ও ৩৭ দশমিক ১ শতাংশ নারী। এই বছর ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।
২০২৪ সালে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।
বরিশাল টাইমস
বরিশালসহ সারা দেশে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে, (৯ জুন) সকাল থেকে বুধবার (১০ জুন) সকাল পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীরা ভর্তি হন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ আছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশালে মোট ৩৮ জন এর মধ্যে আক্রান্তরা মহানগরী এলাকার বাইরে, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) চার জন এবং সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন রয়েছেন।
এ সময়ে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৯৩ জন।
চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯১৭ জন। এর মধ্যে ৬২ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ ও ৩৭ দশমিক ১ শতাংশ নারী। এই বছর ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।
২০২৪ সালে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।
বরিশাল টাইমস

১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
বরিশালে কেএমসি হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত মনির খান (৩৮) বাবুগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাহেরচর গ্রামের মৃত আব্দুল হক খানের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় মনির খানকে কেএমসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনির খানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, কেএমসি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে কেএমসি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন-উল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা ছিল। পরে উভয় পক্ষ দুঃখ প্রকাশ করলে বিষয়টির সমঝোতা হয়। এছাড়া কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তাই এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বরিশাল টাইমস
বরিশালে কেএমসি হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত মনির খান (৩৮) বাবুগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাহেরচর গ্রামের মৃত আব্দুল হক খানের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় মনির খানকে কেএমসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনির খানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, কেএমসি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে কেএমসি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন-উল ইসলাম বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা ছিল। পরে উভয় পক্ষ দুঃখ প্রকাশ করলে বিষয়টির সমঝোতা হয়। এছাড়া কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তাই এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বরিশাল টাইমস

১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে একই পরিবারের নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) রাতে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের মধ্য গোমা গ্রামের মিজানুর রহমান রিবুর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাসেম খানের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মামলার বাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞার আবেদন আদালত নাকচ করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিরোধপূর্ণ জমিতে মিজানুর রহমান রিবুর পরিবার পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের হৃদয় হোসেন ইউনুচ খা (৩৫), শাহআলম খা (৫৫), শাহিন খান (৩৬), সিরাজ হাওলাদার (৪০), ওহিদুল ইসলাম (৪৪), সোহাগ খান (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২৫)সহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা রিবুর পাশের একটি দোকান ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
হামলার সময় বাধা দিতে গেলে মিজানুর রহমান রিবু (৪৪), আব্দুর রশিদ খান (৬২), শিরিন বেগম (৪০) ও খলিলুর রহমান (৬০) আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠান।
এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান রিবুর সহোদর আসাদুল হক নান্টু খান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে একই পরিবারের নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) রাতে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের মধ্য গোমা গ্রামের মিজানুর রহমান রিবুর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাসেম খানের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মামলার বাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞার আবেদন আদালত নাকচ করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিরোধপূর্ণ জমিতে মিজানুর রহমান রিবুর পরিবার পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের হৃদয় হোসেন ইউনুচ খা (৩৫), শাহআলম খা (৫৫), শাহিন খান (৩৬), সিরাজ হাওলাদার (৪০), ওহিদুল ইসলাম (৪৪), সোহাগ খান (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২৫)সহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা রিবুর পাশের একটি দোকান ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
হামলার সময় বাধা দিতে গেলে মিজানুর রহমান রিবু (৪৪), আব্দুর রশিদ খান (৬২), শিরিন বেগম (৪০) ও খলিলুর রহমান (৬০) আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠান।
এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান রিবুর সহোদর আসাদুল হক নান্টু খান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮