
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৭
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বরিশাল জেলার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুস আদালতে আত্মসমর্পণের পর দুটি মামলায় জামিন পেয়েছেন।
সোমবার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম শরীয়তউল্লাহ তার জামিন মঞ্জুর করেন। তালুকদার মো. ইউনুস বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি। সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময়ে তিনি নিয়মিত মামলা পরিচালনা করতেন।
আইনজীবী সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তালুকদার মো. ইউনুস আত্মগোপনে চলে যান। ওই সময় তার বিরুদ্ধে একের পর এক রাজনৈতিক মামলা দায়ের করা হয়। সোমবার তিনি আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করলে শুনানি শেষে আদালত জামিনের আদেশ দেন।
১৯৫২ সালের ৪ মে জন্ম নেওয়া তালুকদার মো. ইউনুস বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন প্রবীণ রাজনীতিক, আইনজীবী ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক।
তিনি ২০০৮ সালে বরিশাল-১ আসন থেকে এবং ২০১৪ সালে বরিশাল-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিব বাহিনীর সদস্য হিসেবে ভারতে এক মাসের সশস্ত্র প্রশিক্ষণ নেন তালুকদার মো. ইউনুস।
১৯৭১ সালের অক্টোবরে দেশে ফেরার পর যশোরের বাঘারপাড়া এলাকা থেকে পাকিস্তানি সেনাদের হাতে আটক হন তিনি। পরে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে কোর্ট মার্শালের বিচারে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দিনও নির্ধারিত হয়েছিল।
তবে ৭ ডিসেম্বর ওই এলাকা শত্রুমুক্ত হলে কারাগার ভেঙে মুক্তিযোদ্ধাদের মুক্ত করা হয়। চারদিন হেঁটে তিনি বরিশালের গৌরনদীতে ফিরে আসেন।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বরিশাল জেলার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুস আদালতে আত্মসমর্পণের পর দুটি মামলায় জামিন পেয়েছেন।
সোমবার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম শরীয়তউল্লাহ তার জামিন মঞ্জুর করেন। তালুকদার মো. ইউনুস বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি। সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময়ে তিনি নিয়মিত মামলা পরিচালনা করতেন।
আইনজীবী সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তালুকদার মো. ইউনুস আত্মগোপনে চলে যান। ওই সময় তার বিরুদ্ধে একের পর এক রাজনৈতিক মামলা দায়ের করা হয়। সোমবার তিনি আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করলে শুনানি শেষে আদালত জামিনের আদেশ দেন।
১৯৫২ সালের ৪ মে জন্ম নেওয়া তালুকদার মো. ইউনুস বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন প্রবীণ রাজনীতিক, আইনজীবী ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক।
তিনি ২০০৮ সালে বরিশাল-১ আসন থেকে এবং ২০১৪ সালে বরিশাল-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিব বাহিনীর সদস্য হিসেবে ভারতে এক মাসের সশস্ত্র প্রশিক্ষণ নেন তালুকদার মো. ইউনুস।
১৯৭১ সালের অক্টোবরে দেশে ফেরার পর যশোরের বাঘারপাড়া এলাকা থেকে পাকিস্তানি সেনাদের হাতে আটক হন তিনি। পরে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে কোর্ট মার্শালের বিচারে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দিনও নির্ধারিত হয়েছিল।
তবে ৭ ডিসেম্বর ওই এলাকা শত্রুমুক্ত হলে কারাগার ভেঙে মুক্তিযোদ্ধাদের মুক্ত করা হয়। চারদিন হেঁটে তিনি বরিশালের গৌরনদীতে ফিরে আসেন।

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:৫১
ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের উজিরপুর উপজেলার জয়শ্রী সাজু পাম্প এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোর আনুমানিক ৪টা থেকে ৬টার মধ্যে যেকোনো সময় অজ্ঞাত একটি যানবাহন প্রায় ৫২ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা সড়কের পাশে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত ব্যক্তির কপাল, চোখের বাম পাশ, ডান হাত ও বাম পায়ে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম জানান, নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। দুর্ঘটনায় জড়িত যানবাহন শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে বলেও তিনি জানান।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ। পরে মরদেহ হাইওয়ে থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে ওই এলাকায় যানবাহন চলাচল ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৫
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাছের ঘেরে এয়ারগান দিয়ে অবৈধভাবে পাখি শিকারে বাধা দেওয়ায় অশোক মিস্ত্রি নামে এক ব্যক্তির ওপর বখাটেদের হামলার ঘটনা ঘটেছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
আহত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের আস্কর গ্রামের একটি মাছের ঘেরে এয়ারগান দিয়ে অবৈধভাবে পাখি শিকারের চেষ্টা করছিল চক্রীবাড়ি গ্রামের রহিম হাওলাদারের ছেলে লিমন ও তার সহযোগী ফকু হাওলাদার।
এসময় লক্ষণ মিস্ত্রির ছেলে অশোক মিস্ত্রি তাদের পাখি শিকারে বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বখাটেরা অশোকের ওপর চড়াও হয় এবং এয়ারগান দিয়ে পিটিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী অশোক মিস্ত্রি বাদী হয়ে আগৈলঝাড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। আগৈলঝাড়া থানার ওসি (তদন্ত) সুশংকর মল্লিক লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে। সোমবার সকালে ঘটনাটি নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হবে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হবে।

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৫
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের উজিরপুর উপজেলার জয়শ্রী সাজু পাম্প এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোর আনুমানিক ৪টা থেকে ৬টার মধ্যে যেকোনো সময় অজ্ঞাত একটি যানবাহন প্রায় ৫২ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা সড়কের পাশে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত ব্যক্তির কপাল, চোখের বাম পাশ, ডান হাত ও বাম পায়ে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম জানান, নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। দুর্ঘটনায় জড়িত যানবাহন শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে বলেও তিনি জানান।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ। পরে মরদেহ হাইওয়ে থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে ওই এলাকায় যানবাহন চলাচল ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাছের ঘেরে এয়ারগান দিয়ে অবৈধভাবে পাখি শিকারে বাধা দেওয়ায় অশোক মিস্ত্রি নামে এক ব্যক্তির ওপর বখাটেদের হামলার ঘটনা ঘটেছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
আহত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের আস্কর গ্রামের একটি মাছের ঘেরে এয়ারগান দিয়ে অবৈধভাবে পাখি শিকারের চেষ্টা করছিল চক্রীবাড়ি গ্রামের রহিম হাওলাদারের ছেলে লিমন ও তার সহযোগী ফকু হাওলাদার।
এসময় লক্ষণ মিস্ত্রির ছেলে অশোক মিস্ত্রি তাদের পাখি শিকারে বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বখাটেরা অশোকের ওপর চড়াও হয় এবং এয়ারগান দিয়ে পিটিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী অশোক মিস্ত্রি বাদী হয়ে আগৈলঝাড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। আগৈলঝাড়া থানার ওসি (তদন্ত) সুশংকর মল্লিক লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে। সোমবার সকালে ঘটনাটি নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হবে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হবে।
বরিশালের রায়পাশা-কড়াপুরে বিএনপি কর্মী দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী খুনের ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন নোংরা রাজনীতি শুরু হয়েছে। আলোচিত এ খুনের নেপথ্যে কে বা কারা এই তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করতে না পারলেও বিএনপির একটি অংশ প্রতিপক্ষ পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের ওপর দায় চাপানো চেষ্টা চালাচ্ছে।
পাশাপাশি মামলাটি নিয়ে বাণিজ্য করার অভিযোগও পাওয়া গেছে, যা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নানা আলোচনা শোনা যাচ্ছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাদের পক্ষে বর্তমান বাস্তবতায় বিএনপি কর্মী খুন করা সম্ভব কী না এমন প্রশ্নও তোলা হচ্ছে।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা রাতে বিএনপির সমর্থক গরু ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী খুনের এই ঘটনায় ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশ দুজন ফোরকান চৌধুরী এবং মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা বর্তমানে কারান্তরীণ আছে। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট আলোচিত এই খুনের রহস্য উন্মোচনে কাজ করছে।
পুলিশ জানিয়েছে, বোসেরহাট বাজারের ইজারাদার দেলোয়ার চৌধুরী ১৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা রাতে বাইসাইকেলযোগে বাসায় ফিরছিলেন। কিন্তু গন্তব্যে পৌছানোর আগেই তিনি স্থানীয় বড় আরিন্দা বাড়ি জামে মসজিদের কাছে খুন হন। ষাটোর্ধ্ব এই ব্যক্তির মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে অন্তত ৪/৫টি কোপ দেয় সন্ত্রাসীরা। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা, গরু ব্যবসায়ী দেলোয়ার বাইসাইকেলযোগে বাসায় ফেরার পথে তাকে কেউ বা কারা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী কুপিয়ে হত্যা করে। এবং রক্তাক্ত লাশটি রাস্তার পাশে ডোবার ভেতরে ফেলে রেখে গেছে।
খুনের কিছুক্ষণ পরেই ঘটনাস্থলে লোকজন নিয়ে পৌছে যান ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বর হাবিবুর রহমান মিন্টু। এবং তিনি এই প্রাণবিয়োগের ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরী ও কবির চৌধুরীর নামটি সামনে নিয়ে আসেন। একই বাড়ির বাসিন্দা নিহত দেলোয়ার চৌধুরীর সাথে জমিসংক্রান্ত বিরোধ থাকলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হওয়ার পর তারা পলাতক রয়েছেন।
এই মামলায় জামাল হোসেন নামের যাকে ১ নম্বর অভিযুক্ত করা হয়েছে, তিনি চৌধুরী বাড়ির মেয়ে জামাই। এছাড়া দুজন বিএনপির পদধারী নেতাকেও মামলায় আসামি করা হয়। শাহীন এবং রফিক নামের এই দুজন বিএনপি নেতাকে আসামি করায় বিতর্ক আরও জোরালো রূপ নেয়।
১ নং অভিযুক্ত জাকিরের স্বজনের অভিযোগ, দেলোয়ার চৌধুরী খুনের পর বোসেরহাট বাজারে তাদের মালিকানাধীন একটি দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়। এবং জাকিরকে মামলায় না জড়ানোর অভয় দিয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মেম্বর হাবিবুর রহমান মিন্টু ৫ লাখ টাকা দাবি করেন।
পুলিশ বলছে, আসামি করা নিয়ে বাণিজ্যের বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে শোনা যাচ্ছে। কিন্তু মামলায় যাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে, তা বাদী কমলা বেগমের সিদ্ধান্তে। ফলে এখানে পুলিশের করণীয় কিছু নেই। তাছাড়া এই হত্যাকান্ডে কারা জড়িত এবং কেনো দেলোয়ারকে খুন করা হলো তা পুলিশের তদন্তেই উঠে আসবে।
নিশ্চিত হওয়া গেছে, বিএনপি কর্মী খুনের আলোচিত এই মামলাটি পুলিশের উচ্চমহলের নির্দেশে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশও তদন্ত করছে। ডিবি পুলিশের ওসি ছগির হোসেনের নেতৃত্ব একটি টিম শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট বলছে, সবকিছু বিশ্লেষণ করে বলা যায়, দেলোয়ার চৌধুরীকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। এবং তাকে কোথায় ও কখন খুন করা হবে তা আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল বলে মনে হচ্ছে।
এই খুন আওয়ামী লীগের পলাতক নেতা কবির চৌধুরী এবং জামাল-সবুজদের নির্দেশে সন্ত্রাসীরা করেছে বলা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে মোড় ঘুরে যাওয়ার সম্ভবনা আছে। এক্ষেত্রে আলোচনায় আছে তৃতীয় একটি পক্ষ।
বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, স্বৈরাচারের দোষর পলাতক আওয়ামী লীগের নেতাদের ৫ একর ভূমি নিয়ে একটি বাড়ি রয়েছে, যেটি বিএনপি নেতা মিন্টু মেম্বরের বাসার কাছাকাছি।
এই ভূসম্পত্তি নিয়ে মিন্টু মেম্বরের বিরোধ চলছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে দত্ত বাড়িটি দখল নিতে কয়েক দফা তোড়জোড় চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।
পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরীর স্বজনদের অভিযোগ, নিহত দেলোয়ার চৌধুরী তাদের স্বজন এবং তার সাথে জমিজমা নিয়ে কিছুটা বিরোধ ছিল। কিন্তু সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে তাকে খুন করার মতো কিছু অতীতে বা বর্তমানে ঘটেনি।
তাদের অভিযোগ, কয়েক কোটি টাকা মূল্যের আলোচিত দত্ত বাড়িটি দখলে নিতে চাচাতো ভাই দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলায় জড়িয়ে দৌড়ের ওপর রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি দত্ত বাড়ি দেখভালে জড়িতদের খুন-জখমের হুমকির দেওয়া হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
বাবার খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে স্থানীয় নোংরা রাজনীতি চলছে, তা খোদ দেলোয়ার চৌধুরীর ছেলে পুলিশ কনস্টেবল রায়হানও অনুমান করতে পেরেছেন। ক্ষুব্ধ রায়হান অভিযোগ করেন, ঘটনার চারদিনেও পুলিশ কোনো রহস্য উন্মোচন করতে পারেনি।
তবে যাদের মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে, তারা পলাতক থাকলেও এই খুনের সাথে জড়িত থাকার সম্ভবনা আছে। আবার তাদের ওপর দোষ চাপিয়ে অন্য কেউও ফায়দা লুটতে পারেন বলে সন্দেহ করেন তিনি। তবে রায়হান শুধু তার বাবার প্রকৃত খুনিকেই দেখতে চাইছেন।
দেলোয়ারের স্ত্রী কমলা বেগম এই মামলার বাদী হলেও তিনি আসামিদের কজনকে চেনেন না এবং তাদের নাম কি ভাবে আসল তাও বলতে পারছেন না। তিনি সাংবাদিকদের জানান, চাচাতো দেবরদের সাথে তার স্বামীর জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। তিনি তাদের নাম জানেন, মামলার এজাহারেও তা উল্লেখ করেছেন।
খুনের ঘটনাটি নিয়ে যে রাজনীতি হচ্ছে তা নিহতের স্ত্রীর বক্তব্যেও কিছুটা অনুমান করা গেছে। পুলিশ বলছে, মামলাটি গ্রহণের ক্ষেত্রে তাদের কোনো হস্তক্ষেপ ছিল না, বাদী যেভাবে এজাহার দিয়েছেন, সেভাবেই মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান জানান, খুনের ঘটনাটি নিয়ে তারা বিভিন্ন এঙ্গেলে কাজ শুরু করেছেন। পাশাপাশি গোয়েন্দাপুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও বেশ কয়েকটি ইউনিট কাজ করছে।
শনিবার সকালে ঘটনাস্থল ডোবা থেকে পুরুষ মানুষের তিনটি জুতা উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে একটি চাদর উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনার দিন ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে খুনিরা মোটরসাইকেলযোগে চাদরে ধারালো অস্ত্র মুড়িয়ে নিয়ে আসে এবং বড় আরিন্দা বাড়ি মসজিদের পাশে দেলোয়ারকে কুপিয়ে খুন করে।
দেলোয়ার চৌধুরীকে যে পূর্বপরিকল্পনার আলোকে খুন করা হয়, তা খোদ পুলিশও আচ করতে পেরেছে। পুলিশ কর্মকর্তা মিজান জানান, দেলোয়ার সেই রাতে সাথে করে দেড় লাখ টাকা নিয়ে বাসায় যাচ্ছিলেন। খুনের পরে তার পকেটেই টাকা পাওয়া যাওয়ায় পুলিশের এই সন্দেহ আরও জোরালো হয়।
তবে আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে, দেলোয়ার চৌধুরীকে যেখানে কুপিয়ে হত্যা করা হয়, তার আশেপাশে ২/১ কিলোমিটারের মধ্যে কোনো সিসি ক্যামেরা নেই। আবার ২/৪টি প্রতিষ্ঠানে ক্যামেরা থাকলেও তা অকেজো হওয়ায় ভিডিও ধারণ হয়নি। ফলে এই খুনের ঘটনাটির রহস্য উন্মোচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রচন্ড বেগ পেতে হচ্ছে।
তবে তথ্য-প্রযুক্তির সহযোগিতায় খুব শিগগিরই খুনের নেপথ্য কী এবং কারা জড়িত তাদের সামনে আনতে পুলিশ সফল হবে মন্তব্য করেন ওসি মিজান। এবং এই খুনে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে যাদের নাম আলোচনায় আসছে, তারা জড়িত থাকলেও কোনো ছাড় দেওয়া হবে না, জানান ওসি।’
বরিশালের রায়পাশা-কড়াপুরে বিএনপি কর্মী দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী খুনের ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন নোংরা রাজনীতি শুরু হয়েছে। আলোচিত এ খুনের নেপথ্যে কে বা কারা এই তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করতে না পারলেও বিএনপির একটি অংশ প্রতিপক্ষ পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের ওপর দায় চাপানো চেষ্টা চালাচ্ছে।
পাশাপাশি মামলাটি নিয়ে বাণিজ্য করার অভিযোগও পাওয়া গেছে, যা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নানা আলোচনা শোনা যাচ্ছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাদের পক্ষে বর্তমান বাস্তবতায় বিএনপি কর্মী খুন করা সম্ভব কী না এমন প্রশ্নও তোলা হচ্ছে।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা রাতে বিএনপির সমর্থক গরু ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী খুনের এই ঘটনায় ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশ দুজন ফোরকান চৌধুরী এবং মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা বর্তমানে কারান্তরীণ আছে। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট আলোচিত এই খুনের রহস্য উন্মোচনে কাজ করছে।
পুলিশ জানিয়েছে, বোসেরহাট বাজারের ইজারাদার দেলোয়ার চৌধুরী ১৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা রাতে বাইসাইকেলযোগে বাসায় ফিরছিলেন। কিন্তু গন্তব্যে পৌছানোর আগেই তিনি স্থানীয় বড় আরিন্দা বাড়ি জামে মসজিদের কাছে খুন হন। ষাটোর্ধ্ব এই ব্যক্তির মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে অন্তত ৪/৫টি কোপ দেয় সন্ত্রাসীরা। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারণা, গরু ব্যবসায়ী দেলোয়ার বাইসাইকেলযোগে বাসায় ফেরার পথে তাকে কেউ বা কারা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী কুপিয়ে হত্যা করে। এবং রক্তাক্ত লাশটি রাস্তার পাশে ডোবার ভেতরে ফেলে রেখে গেছে।
খুনের কিছুক্ষণ পরেই ঘটনাস্থলে লোকজন নিয়ে পৌছে যান ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বর হাবিবুর রহমান মিন্টু। এবং তিনি এই প্রাণবিয়োগের ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরী ও কবির চৌধুরীর নামটি সামনে নিয়ে আসেন। একই বাড়ির বাসিন্দা নিহত দেলোয়ার চৌধুরীর সাথে জমিসংক্রান্ত বিরোধ থাকলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হওয়ার পর তারা পলাতক রয়েছেন।
এই মামলায় জামাল হোসেন নামের যাকে ১ নম্বর অভিযুক্ত করা হয়েছে, তিনি চৌধুরী বাড়ির মেয়ে জামাই। এছাড়া দুজন বিএনপির পদধারী নেতাকেও মামলায় আসামি করা হয়। শাহীন এবং রফিক নামের এই দুজন বিএনপি নেতাকে আসামি করায় বিতর্ক আরও জোরালো রূপ নেয়।
১ নং অভিযুক্ত জাকিরের স্বজনের অভিযোগ, দেলোয়ার চৌধুরী খুনের পর বোসেরহাট বাজারে তাদের মালিকানাধীন একটি দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়। এবং জাকিরকে মামলায় না জড়ানোর অভয় দিয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মেম্বর হাবিবুর রহমান মিন্টু ৫ লাখ টাকা দাবি করেন।
পুলিশ বলছে, আসামি করা নিয়ে বাণিজ্যের বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে শোনা যাচ্ছে। কিন্তু মামলায় যাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে, তা বাদী কমলা বেগমের সিদ্ধান্তে। ফলে এখানে পুলিশের করণীয় কিছু নেই। তাছাড়া এই হত্যাকান্ডে কারা জড়িত এবং কেনো দেলোয়ারকে খুন করা হলো তা পুলিশের তদন্তেই উঠে আসবে।
নিশ্চিত হওয়া গেছে, বিএনপি কর্মী খুনের আলোচিত এই মামলাটি পুলিশের উচ্চমহলের নির্দেশে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশও তদন্ত করছে। ডিবি পুলিশের ওসি ছগির হোসেনের নেতৃত্ব একটি টিম শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট বলছে, সবকিছু বিশ্লেষণ করে বলা যায়, দেলোয়ার চৌধুরীকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। এবং তাকে কোথায় ও কখন খুন করা হবে তা আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল বলে মনে হচ্ছে।
এই খুন আওয়ামী লীগের পলাতক নেতা কবির চৌধুরী এবং জামাল-সবুজদের নির্দেশে সন্ত্রাসীরা করেছে বলা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে মোড় ঘুরে যাওয়ার সম্ভবনা আছে। এক্ষেত্রে আলোচনায় আছে তৃতীয় একটি পক্ষ।
বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, স্বৈরাচারের দোষর পলাতক আওয়ামী লীগের নেতাদের ৫ একর ভূমি নিয়ে একটি বাড়ি রয়েছে, যেটি বিএনপি নেতা মিন্টু মেম্বরের বাসার কাছাকাছি।
এই ভূসম্পত্তি নিয়ে মিন্টু মেম্বরের বিরোধ চলছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে দত্ত বাড়িটি দখল নিতে কয়েক দফা তোড়জোড় চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।
পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরীর স্বজনদের অভিযোগ, নিহত দেলোয়ার চৌধুরী তাদের স্বজন এবং তার সাথে জমিজমা নিয়ে কিছুটা বিরোধ ছিল। কিন্তু সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে তাকে খুন করার মতো কিছু অতীতে বা বর্তমানে ঘটেনি।
তাদের অভিযোগ, কয়েক কোটি টাকা মূল্যের আলোচিত দত্ত বাড়িটি দখলে নিতে চাচাতো ভাই দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলায় জড়িয়ে দৌড়ের ওপর রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি দত্ত বাড়ি দেখভালে জড়িতদের খুন-জখমের হুমকির দেওয়া হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
বাবার খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে স্থানীয় নোংরা রাজনীতি চলছে, তা খোদ দেলোয়ার চৌধুরীর ছেলে পুলিশ কনস্টেবল রায়হানও অনুমান করতে পেরেছেন। ক্ষুব্ধ রায়হান অভিযোগ করেন, ঘটনার চারদিনেও পুলিশ কোনো রহস্য উন্মোচন করতে পারেনি।
তবে যাদের মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে, তারা পলাতক থাকলেও এই খুনের সাথে জড়িত থাকার সম্ভবনা আছে। আবার তাদের ওপর দোষ চাপিয়ে অন্য কেউও ফায়দা লুটতে পারেন বলে সন্দেহ করেন তিনি। তবে রায়হান শুধু তার বাবার প্রকৃত খুনিকেই দেখতে চাইছেন।
দেলোয়ারের স্ত্রী কমলা বেগম এই মামলার বাদী হলেও তিনি আসামিদের কজনকে চেনেন না এবং তাদের নাম কি ভাবে আসল তাও বলতে পারছেন না। তিনি সাংবাদিকদের জানান, চাচাতো দেবরদের সাথে তার স্বামীর জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। তিনি তাদের নাম জানেন, মামলার এজাহারেও তা উল্লেখ করেছেন।
খুনের ঘটনাটি নিয়ে যে রাজনীতি হচ্ছে তা নিহতের স্ত্রীর বক্তব্যেও কিছুটা অনুমান করা গেছে। পুলিশ বলছে, মামলাটি গ্রহণের ক্ষেত্রে তাদের কোনো হস্তক্ষেপ ছিল না, বাদী যেভাবে এজাহার দিয়েছেন, সেভাবেই মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান জানান, খুনের ঘটনাটি নিয়ে তারা বিভিন্ন এঙ্গেলে কাজ শুরু করেছেন। পাশাপাশি গোয়েন্দাপুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও বেশ কয়েকটি ইউনিট কাজ করছে।
শনিবার সকালে ঘটনাস্থল ডোবা থেকে পুরুষ মানুষের তিনটি জুতা উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে একটি চাদর উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনার দিন ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে খুনিরা মোটরসাইকেলযোগে চাদরে ধারালো অস্ত্র মুড়িয়ে নিয়ে আসে এবং বড় আরিন্দা বাড়ি মসজিদের পাশে দেলোয়ারকে কুপিয়ে খুন করে।
দেলোয়ার চৌধুরীকে যে পূর্বপরিকল্পনার আলোকে খুন করা হয়, তা খোদ পুলিশও আচ করতে পেরেছে। পুলিশ কর্মকর্তা মিজান জানান, দেলোয়ার সেই রাতে সাথে করে দেড় লাখ টাকা নিয়ে বাসায় যাচ্ছিলেন। খুনের পরে তার পকেটেই টাকা পাওয়া যাওয়ায় পুলিশের এই সন্দেহ আরও জোরালো হয়।
তবে আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে, দেলোয়ার চৌধুরীকে যেখানে কুপিয়ে হত্যা করা হয়, তার আশেপাশে ২/১ কিলোমিটারের মধ্যে কোনো সিসি ক্যামেরা নেই। আবার ২/৪টি প্রতিষ্ঠানে ক্যামেরা থাকলেও তা অকেজো হওয়ায় ভিডিও ধারণ হয়নি। ফলে এই খুনের ঘটনাটির রহস্য উন্মোচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রচন্ড বেগ পেতে হচ্ছে।
তবে তথ্য-প্রযুক্তির সহযোগিতায় খুব শিগগিরই খুনের নেপথ্য কী এবং কারা জড়িত তাদের সামনে আনতে পুলিশ সফল হবে মন্তব্য করেন ওসি মিজান। এবং এই খুনে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে যাদের নাম আলোচনায় আসছে, তারা জড়িত থাকলেও কোনো ছাড় দেওয়া হবে না, জানান ওসি।’
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:৫১
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৯
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৪
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩১