Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৬ জুলাই, ২০২৫ ১৮:৫৫
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়নের আসমা আক্তার হত্যার ঘটনায় স্বামী ও সৎ মেয়েকে গ্রেফতার করেছে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ। শনিবার (২৬ জুলাই) সকালে বাকেরগঞ্জ থানার পক্ষ থেকে নিহত আসমা বেগমের স্বামী আবুল হোসেন (৫৫) ও সৎ মেয়ে সাকিবা আক্তার মৌসুমে (২৫) কে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বাকেরগঞ্জ থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক (এস আই) রফিকুল ইসলাম তাদেরকে নারায়ণগঞ্জ থেকে আটক করে বাকেরগঞ্জ থানায় নিয়ে আসে বলে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
বাকেরগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১৭ জুন (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় উপজেলার কলসকাঠী গ্রামে আসমা বেগম (৫৫) নামে একজন গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। ওই ঘটনায় নিহতের বড় ছেলে আছিম বিল্লাহ গত ১৮ জুন বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই রফিকুল ইসলাম বলেন, তদন্ত করতে গিয়ে নিহত আসমার স্বামী ও সৎ মেয়ের অসংলগ্ন কথাবার্তা ও প্রাথমিকভাবে হত্যার ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বাকেরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মো: আবুল কালাম আজাদ বলেন, নিহতের ছেলে বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে পুলিশ তদন্ত শুরু করেন। তদন্তে নিহত আসমা বেগমের স্বামী ও কন্যার প্রাথমিকভাবে হত্যা ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।আসামিদের আজ দুপুর ১২ টায় আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়নের আসমা আক্তার হত্যার ঘটনায় স্বামী ও সৎ মেয়েকে গ্রেফতার করেছে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ। শনিবার (২৬ জুলাই) সকালে বাকেরগঞ্জ থানার পক্ষ থেকে নিহত আসমা বেগমের স্বামী আবুল হোসেন (৫৫) ও সৎ মেয়ে সাকিবা আক্তার মৌসুমে (২৫) কে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বাকেরগঞ্জ থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক (এস আই) রফিকুল ইসলাম তাদেরকে নারায়ণগঞ্জ থেকে আটক করে বাকেরগঞ্জ থানায় নিয়ে আসে বলে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
বাকেরগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১৭ জুন (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় উপজেলার কলসকাঠী গ্রামে আসমা বেগম (৫৫) নামে একজন গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। ওই ঘটনায় নিহতের বড় ছেলে আছিম বিল্লাহ গত ১৮ জুন বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই রফিকুল ইসলাম বলেন, তদন্ত করতে গিয়ে নিহত আসমার স্বামী ও সৎ মেয়ের অসংলগ্ন কথাবার্তা ও প্রাথমিকভাবে হত্যার ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বাকেরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মো: আবুল কালাম আজাদ বলেন, নিহতের ছেলে বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে পুলিশ তদন্ত শুরু করেন। তদন্তে নিহত আসমা বেগমের স্বামী ও কন্যার প্রাথমিকভাবে হত্যা ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।আসামিদের আজ দুপুর ১২ টায় আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২

২০ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৫
মোবাইলে কার্টুন দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৩ বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাউরগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত জালাল সিকদার (৬৫) ওই এলাকার মৃত আজাহার সিকদারের ছেলে।ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার বিকেলে প্রতিবেশী জালাল সিকদার শিশুটিকে মোবাইলে কার্টুন দেখানোর কথা বলে নিজ বসত ঘরের ভেতরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে।
জালালের একাধিক বিয়ে থাকলেও বর্তমানে তার ঘরে কোনো স্ত্রী নেই। ঘটনার পর থেকে তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন।
শিশুর চাচী জানান, শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তার মেডিকেল টেস্ট সম্পন্ন করা হয়েছে।
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তৌকির আহমেদ জানান, শিশু কন্যাটির যৌনাঙ্গ ফোলা ও রক্তাক্ত অবস্থায় নিয়ে স্বজনরা ওইদিন গভীর রাতে হাসপাতালে নিয়ে আসে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. ফিরোজ আলম বলেন, খবর পেয়ে ওই রাতেই আমি গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।তিনি জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২০ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৯
ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের প্রতি অবমাননা ও গাইবান্ধাসহ সারাদেশে মন্দির গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে বরিশালে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন
বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকুল চন্দ্র মুখার্জি, সঞ্জীব সিংহ বর্মন বি এ এম বার সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলা, ব্রাহ্মণ যুব কিশোর সংসদের সভাপতি হৃদয় চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক মিলন চক্রবর্তী, যুব কিশরের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সমন্বয় সিংহ বর্মন সহ বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদও যুব কিশোর বরিশাল জেলার ও মহানগরের নেতৃবৃন্ধরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১ টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবে বরিশালেও এই কর্মসূচি সংগঠনের জেলা এবং মহানগর কমিটির আয়োজনে পালন করা হয়।
এখানে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদসহ সনাতন ধর্মালম্বীদের বিভিন্ন সংগঠন ব্যানার এবং ফেস্টুন নিয়ে যোগ দেয়। এখানে বক্তারা বলেন,ধর্মের প্রতি আবমাননা এটা সহ্য করার নয়।এবং আমাদের প্রতি নিপীড়ন এটা নতুন কোন ঘটনা নয়। স্বাধনিতার পর থেকেই এমন অত্যাচার চলে আসছে।
আমরা চাই সনাতনীদের প্রতি এহেন অত্যাচার বন্ধ হোক। এজন্য সরকারের প্রতি ব্যবস্থা নিতে জোর দাবী করেন। মানিক মুখার্জী, সভাপতি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল। মানববন্ধনের পর দুপুর ১২টায় বিক্ষোভ মিছিল বের হলে তা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
বরিশালের বানারীপাড়ায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের বিরুদ্ধে গোপনে শিক্ষক হাজিরা খাতায স্বাক্ষর করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারি কিশোর কুমার বড়াল বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে ১৬ জুন বানারীপাড়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। এতে অভিযোগ করা হয় গত ৩ মে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বায়েজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের চাকরি নেওয়ার বিষয়টি তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী তার
বেতন-ভাতা বন্ধ করা হয়। ফলে গত ৪ মে থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত তিনি স্কুলের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেননি। ১৪ জুন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বিদ্যালয়ের কাজে ঢাকায় যান।
এ সুযোগে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার ১৫ জুন বিদ্যালয়ে এসে গত ৪ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত হাজিরা খাতায় এক সঙ্গে সবগুলো স্বাক্ষর করেন।
বিষয়টি জেনে ১৬ জুন প্রধান শিক্ষক ওই শিক্ষকের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের ঘরে লাল কালির দাগ টেনে দুদিন বরিশালে দাপ্তরিক কাজে গেলে তার সেই লাল কালির দাগের মধ্যে ১৬ ও ১৭ জুন সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার স্বাক্ষর করেন।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বলেন আমি স্কুলের কাজে ঢাকা ও বরিশালে থাকার সুযোগে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার হাজিরা খাতায় গোপনে স্বাক্ষর করেন।
এমনকি আমার দেওয়া লাল কালির দাগের মধ্যেও তিনি ১৬ ও ১৭ জুন স্বাক্ষর করেছেন। তার বিষয় নিয়ে সকল শিক্ষকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় ইউএনও মহোদয় বেতন-ভাতা বন্ধ করে তাকে বিদ্যালয়ে আসতে নিষেধ করার পরেও তিনি আসেন এবং গোপনে স্বাক্ষর করায় তার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।
এ ব্যপারে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার বলেন, তার বেতন-ভাতা বন্ধ করার এখতিয়ার কেবল মন্ত্রনালয়ের রয়েছে, ইউএনও কিংবা প্রধান শিক্ষকের নেই। তার সার্টিফিকেট জাল কিংবা ভূয়া নয়।
এধরণের কম্পিউটার সার্টিফিকেট দিয়ে বিভিন্ন স্কুলে অনেকেই চাকরি করছেন। গোপনে নয় প্রতিদিন বিদ্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন দাবি করে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে তাকে হয়রাণি করছেন।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বায়েজিদুর রহমান বলেন, তদন্তে ওই সহকারি শিক্ষকের সার্টিফিকেট জালিয়াতির বিষয়টি প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে
বরিশালের বানারীপাড়ায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের বিরুদ্ধে গোপনে শিক্ষক হাজিরা খাতায স্বাক্ষর করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারি কিশোর কুমার বড়াল বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে ১৬ জুন বানারীপাড়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। এতে অভিযোগ করা হয় গত ৩ মে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বায়েজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল ও ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তারের চাকরি নেওয়ার বিষয়টি তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী তার
বেতন-ভাতা বন্ধ করা হয়। ফলে গত ৪ মে থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত তিনি স্কুলের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেননি। ১৪ জুন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বিদ্যালয়ের কাজে ঢাকায় যান।
এ সুযোগে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার ১৫ জুন বিদ্যালয়ে এসে গত ৪ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত হাজিরা খাতায় এক সঙ্গে সবগুলো স্বাক্ষর করেন।
বিষয়টি জেনে ১৬ জুন প্রধান শিক্ষক ওই শিক্ষকের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের ঘরে লাল কালির দাগ টেনে দুদিন বরিশালে দাপ্তরিক কাজে গেলে তার সেই লাল কালির দাগের মধ্যে ১৬ ও ১৭ জুন সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার স্বাক্ষর করেন।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জামাল হোসেন বলেন আমি স্কুলের কাজে ঢাকা ও বরিশালে থাকার সুযোগে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকা কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার হাজিরা খাতায় গোপনে স্বাক্ষর করেন।
এমনকি আমার দেওয়া লাল কালির দাগের মধ্যেও তিনি ১৬ ও ১৭ জুন স্বাক্ষর করেছেন। তার বিষয় নিয়ে সকল শিক্ষকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় ইউএনও মহোদয় বেতন-ভাতা বন্ধ করে তাকে বিদ্যালয়ে আসতে নিষেধ করার পরেও তিনি আসেন এবং গোপনে স্বাক্ষর করায় তার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।
এ ব্যপারে সহকারি শিক্ষক নাছরীন আক্তার বলেন, তার বেতন-ভাতা বন্ধ করার এখতিয়ার কেবল মন্ত্রনালয়ের রয়েছে, ইউএনও কিংবা প্রধান শিক্ষকের নেই। তার সার্টিফিকেট জাল কিংবা ভূয়া নয়।
এধরণের কম্পিউটার সার্টিফিকেট দিয়ে বিভিন্ন স্কুলে অনেকেই চাকরি করছেন। গোপনে নয় প্রতিদিন বিদ্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন দাবি করে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে তাকে হয়রাণি করছেন।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বায়েজিদুর রহমান বলেন, তদন্তে ওই সহকারি শিক্ষকের সার্টিফিকেট জালিয়াতির বিষয়টি প্রমানিত হওয়ায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে
মোবাইলে কার্টুন দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৩ বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাউরগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত জালাল সিকদার (৬৫) ওই এলাকার মৃত আজাহার সিকদারের ছেলে।ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার বিকেলে প্রতিবেশী জালাল সিকদার শিশুটিকে মোবাইলে কার্টুন দেখানোর কথা বলে নিজ বসত ঘরের ভেতরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে।
জালালের একাধিক বিয়ে থাকলেও বর্তমানে তার ঘরে কোনো স্ত্রী নেই। ঘটনার পর থেকে তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন।
শিশুর চাচী জানান, শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তার মেডিকেল টেস্ট সম্পন্ন করা হয়েছে।
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তৌকির আহমেদ জানান, শিশু কন্যাটির যৌনাঙ্গ ফোলা ও রক্তাক্ত অবস্থায় নিয়ে স্বজনরা ওইদিন গভীর রাতে হাসপাতালে নিয়ে আসে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. ফিরোজ আলম বলেন, খবর পেয়ে ওই রাতেই আমি গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি শিশুটিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।তিনি জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভগবান শ্রী রামচন্দ্রের প্রতি অবমাননা ও গাইবান্ধাসহ সারাদেশে মন্দির গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে বরিশালে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন
বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকুল চন্দ্র মুখার্জি, সঞ্জীব সিংহ বর্মন বি এ এম বার সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদ বরিশাল জেলা, ব্রাহ্মণ যুব কিশোর সংসদের সভাপতি হৃদয় চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক মিলন চক্রবর্তী, যুব কিশরের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সমন্বয় সিংহ বর্মন সহ বাংলাদেশ ব্রাহ্মণ সংসদও যুব কিশোর বরিশাল জেলার ও মহানগরের নেতৃবৃন্ধরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১ টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবে বরিশালেও এই কর্মসূচি সংগঠনের জেলা এবং মহানগর কমিটির আয়োজনে পালন করা হয়।
এখানে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদসহ সনাতন ধর্মালম্বীদের বিভিন্ন সংগঠন ব্যানার এবং ফেস্টুন নিয়ে যোগ দেয়। এখানে বক্তারা বলেন,ধর্মের প্রতি আবমাননা এটা সহ্য করার নয়।এবং আমাদের প্রতি নিপীড়ন এটা নতুন কোন ঘটনা নয়। স্বাধনিতার পর থেকেই এমন অত্যাচার চলে আসছে।
আমরা চাই সনাতনীদের প্রতি এহেন অত্যাচার বন্ধ হোক। এজন্য সরকারের প্রতি ব্যবস্থা নিতে জোর দাবী করেন। মানিক মুখার্জী, সভাপতি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল। মানববন্ধনের পর দুপুর ১২টায় বিক্ষোভ মিছিল বের হলে তা নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
২০ জুন, ২০২৬ ২০:৫৯
২০ জুন, ২০২৬ ২০:১০
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৪৩
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২