
১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩৭
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) প্রথম বর্ষের নবীন বরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সকল বর্ষের চলমান ও নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, একটি নির্দিষ্ট ব্যাচের অনুষ্ঠানের জন্য সব ব্যাচের পরীক্ষা স্থগিত করা একটি হঠকারী ও অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত। তারা অনতিবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
গত ১৩ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে জারি করা এক জরুরি নোটিশে জানানো হয়, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম আগামী ২৫ জানুয়ারি (রোববার) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত কর্মসূচিতে সকল শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত ও আয়োজন সফল করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় পরীক্ষাসহ চলমান সকল সেমিস্টার ও বর্ষের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ সিদ্ধান্তের ফলে বাংলা বিভাগের ৪র্থ বর্ষ, ইংরেজি বিভাগের ৪র্থ বর্ষসহ একাধিক বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে।
এ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা বলছেন, একটি ব্যাচের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে যেখানে মূলত সংশ্লিষ্ট নবীন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিই মুখ্য, সেখানে অন্যান্য বর্ষের পরীক্ষাসূচি স্থগিত করা মোটেও যুক্তিসংগত নয়। এতে দীর্ঘদিনের সেশনজটে জর্জরিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাজীবন আরও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে যাবে। পাশাপাশি সামনে জাতীয় নির্বাচন থাকায় নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা শেষ না হলে শিক্ষার্থীদের নানা অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাংলা বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মাদ জালাল উদ্দিন বলেন, ‘পরীক্ষা পিছানোর মতো এমন হঠকারী সিদ্ধান্ত আমাদের দীর্ঘমেয়াদী সংকটে ফেলবে। এতে সেশনজট আরও বাড়বে। আমরা বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ জানাই, এই সিদ্ধান্ত যেন প্রত্যাহার করা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে যাদের অংশগ্রহণ বা সংশ্লিষ্টতা নেই, তাদের পরীক্ষা থেকে বিরত রাখার অধিকার কারো নেই। যার কাজ যিনি করবেন, সেটাই স্বাভাবিক নিয়ম। কারোর বাধায় যেন কেউ আটকে না যায়- এটাই আমাদের চাওয়া।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সুব্রত কুমার বাহাদুর বলেন, ‘কেন্দ্রীয় এই প্রোগ্রামে সকল বিভাগের চেয়ারম্যান ও শিক্ষকবৃন্দের উপস্থিতি প্রয়োজন। প্রোগ্রামটি সাফল্যমণ্ডিত করার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে সমন্বয় করে পুনঃনির্ধারণ করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের ওপর এর প্রভাব খুব বেশি না পড়ে।’
তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, নবীন বরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন হলেও তা যেন অন্য বর্ষের একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত না করে- সেই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তারা অবিলম্বে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে পরীক্ষাগুলো পূর্বনির্ধারিত সূচিতেই গ্রহণের আহ্বান জানান।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) প্রথম বর্ষের নবীন বরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সকল বর্ষের চলমান ও নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, একটি নির্দিষ্ট ব্যাচের অনুষ্ঠানের জন্য সব ব্যাচের পরীক্ষা স্থগিত করা একটি হঠকারী ও অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত। তারা অনতিবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
গত ১৩ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে জারি করা এক জরুরি নোটিশে জানানো হয়, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম আগামী ২৫ জানুয়ারি (রোববার) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত কর্মসূচিতে সকল শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত ও আয়োজন সফল করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় পরীক্ষাসহ চলমান সকল সেমিস্টার ও বর্ষের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ সিদ্ধান্তের ফলে বাংলা বিভাগের ৪র্থ বর্ষ, ইংরেজি বিভাগের ৪র্থ বর্ষসহ একাধিক বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে।
এ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা বলছেন, একটি ব্যাচের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে যেখানে মূলত সংশ্লিষ্ট নবীন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিই মুখ্য, সেখানে অন্যান্য বর্ষের পরীক্ষাসূচি স্থগিত করা মোটেও যুক্তিসংগত নয়। এতে দীর্ঘদিনের সেশনজটে জর্জরিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাজীবন আরও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে যাবে। পাশাপাশি সামনে জাতীয় নির্বাচন থাকায় নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা শেষ না হলে শিক্ষার্থীদের নানা অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাংলা বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মাদ জালাল উদ্দিন বলেন, ‘পরীক্ষা পিছানোর মতো এমন হঠকারী সিদ্ধান্ত আমাদের দীর্ঘমেয়াদী সংকটে ফেলবে। এতে সেশনজট আরও বাড়বে। আমরা বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ জানাই, এই সিদ্ধান্ত যেন প্রত্যাহার করা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে যাদের অংশগ্রহণ বা সংশ্লিষ্টতা নেই, তাদের পরীক্ষা থেকে বিরত রাখার অধিকার কারো নেই। যার কাজ যিনি করবেন, সেটাই স্বাভাবিক নিয়ম। কারোর বাধায় যেন কেউ আটকে না যায়- এটাই আমাদের চাওয়া।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সুব্রত কুমার বাহাদুর বলেন, ‘কেন্দ্রীয় এই প্রোগ্রামে সকল বিভাগের চেয়ারম্যান ও শিক্ষকবৃন্দের উপস্থিতি প্রয়োজন। প্রোগ্রামটি সাফল্যমণ্ডিত করার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে সমন্বয় করে পুনঃনির্ধারণ করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের ওপর এর প্রভাব খুব বেশি না পড়ে।’
তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, নবীন বরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন হলেও তা যেন অন্য বর্ষের একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত না করে- সেই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তারা অবিলম্বে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে পরীক্ষাগুলো পূর্বনির্ধারিত সূচিতেই গ্রহণের আহ্বান জানান।

২৫ মে, ২০২৬ ১৮:১৬
বরিশালের সাগরদী এলাকায় ডিম বিক্রির আড়ালে ফেনসিডিল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত চার মাদক কারবারি গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮। গতকাল রোববার রাতে নগরীর সাগরদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— সিদ্দিকুর রহমান জুয়েল, বিশ্বজিৎ কুমার দাস, জাহিদুল ইসলাম ও লাল্টু মিয়া। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৮ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সিদ্দিকুর রহমানের বাড়ির চৌকির নিচ থেকে ৩১২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইকও জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা আলামতসহ তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

২৫ মে, ২০২৬ ১৪:০০
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাতলা গ্রামে মাদকাসক্ত এক যুবকের বিরুদ্ধে পারিবারিক বসতঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে দক্ষিণ সাতলা গ্রামের মরহুম আব্দুল জলিল হাওলাদারের ছোট ছেলে মো. তামিম হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। পরিবারের দাবি, তাকে একাধিকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল।
অভিযোগ রয়েছে, তামিম প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের কাছে টাকা দাবি করতেন। টাকা না দিলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতেন বলেও অভিযোগ পরিবারের। শনিবার সকালে তিনি মায়ের কাছে টাকা চান এবং এক বোনকে ফোন করে টাকা না দিলে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় তামিমের মা বাড়ির পাশের ঘাটলায় ছিলেন। এ সময় হঠাৎ বসতঘরে আগুন দেখতে পান তিনি। বাড়ির অবস্থান ও প্রবেশের সীমাবদ্ধতার কারণে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এলেও ঘরের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, ধান, চাল ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র আগুনে পুড়ে যায়।
পরিবারের দাবি, এ ঘটনায় তাদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং তারা এখন প্রায় নিঃস্ব অবস্থায় রয়েছেন। এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিকুল ইসলাম জানান, নিজ বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। স্থানীয় জনতার সহায়তায় রবিবার রাত প্রায় ১১টার দিকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

২৫ মে, ২০২৬ ১৩:৪৬
হাম উপসর্গে বরিশালে থামছেই না মৃত্যুর মিছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল (শেবাচিম) কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে আরও দুই শিশুর।
এ নিয়ে বিভাগে মৃতের সংখ্যা পৌছেছে ৪৩ জনে। যার মধ্যে শেবাচিম হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ৩১ জনের। সোমবার (২৫ মে) সকালে হাসপাতাল পরিচালকের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মৃত শিশুরা হলেন- বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উত্তরদাতপুর গ্রামের আল আমিনের ছেলে আলী আকবর (৫ মাস) ও ভোলার দৌতলখানের মধ্যজয়নগ বাংলাবাজারের ফয়জুদ্দিনের ছেলে আব্দুল আহাদ (৬ মাস)।
রোববার ও সোমবার সকালে ওই দুই শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীনবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। রোববার (২২ মে) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৩৪ জন।
একই সময় হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪১ জন। বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ১৫৭ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অদ্যাবদি হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিয়েছেন ২৫৬১ জন রোগী।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশপাশি বরিশাল জেনারেল হাসপাতালেও এই রোগের উপসর্গ নিয়ে রোগী ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে। বেড সংকটে হাসপাতালের মেঝে বারান্দায় চিকিৎসা নিতে দেখা গিয়েছে অনেককে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২২ জন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্যমতে জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ৬৬৫৩ জন ভর্তি হয়েছিলেন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মোহাম্মদ লোকমান হাকিম জানান, 'সরকারি হাসপাতালগুলো হাম রোগীদের চিকিৎসায় যথেষ্ট আন্তরিক। চিকিৎসকরাও কোনো ঘাটতি রাখছে না।' হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের অধিকাংশই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের সাগরদী এলাকায় ডিম বিক্রির আড়ালে ফেনসিডিল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত চার মাদক কারবারি গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮। গতকাল রোববার রাতে নগরীর সাগরদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— সিদ্দিকুর রহমান জুয়েল, বিশ্বজিৎ কুমার দাস, জাহিদুল ইসলাম ও লাল্টু মিয়া। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৮ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সিদ্দিকুর রহমানের বাড়ির চৌকির নিচ থেকে ৩১২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইকও জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা আলামতসহ তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাতলা গ্রামে মাদকাসক্ত এক যুবকের বিরুদ্ধে পারিবারিক বসতঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে দক্ষিণ সাতলা গ্রামের মরহুম আব্দুল জলিল হাওলাদারের ছোট ছেলে মো. তামিম হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। পরিবারের দাবি, তাকে একাধিকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল।
অভিযোগ রয়েছে, তামিম প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের কাছে টাকা দাবি করতেন। টাকা না দিলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতেন বলেও অভিযোগ পরিবারের। শনিবার সকালে তিনি মায়ের কাছে টাকা চান এবং এক বোনকে ফোন করে টাকা না দিলে ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় তামিমের মা বাড়ির পাশের ঘাটলায় ছিলেন। এ সময় হঠাৎ বসতঘরে আগুন দেখতে পান তিনি। বাড়ির অবস্থান ও প্রবেশের সীমাবদ্ধতার কারণে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এলেও ঘরের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, ধান, চাল ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র আগুনে পুড়ে যায়।
পরিবারের দাবি, এ ঘটনায় তাদের প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং তারা এখন প্রায় নিঃস্ব অবস্থায় রয়েছেন। এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিকুল ইসলাম জানান, নিজ বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। স্থানীয় জনতার সহায়তায় রবিবার রাত প্রায় ১১টার দিকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
হাম উপসর্গে বরিশালে থামছেই না মৃত্যুর মিছিল। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল (শেবাচিম) কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে আরও দুই শিশুর।
এ নিয়ে বিভাগে মৃতের সংখ্যা পৌছেছে ৪৩ জনে। যার মধ্যে শেবাচিম হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ৩১ জনের। সোমবার (২৫ মে) সকালে হাসপাতাল পরিচালকের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মৃত শিশুরা হলেন- বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উত্তরদাতপুর গ্রামের আল আমিনের ছেলে আলী আকবর (৫ মাস) ও ভোলার দৌতলখানের মধ্যজয়নগ বাংলাবাজারের ফয়জুদ্দিনের ছেলে আব্দুল আহাদ (৬ মাস)।
রোববার ও সোমবার সকালে ওই দুই শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীনবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। রোববার (২২ মে) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৩৪ জন।
একই সময় হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪১ জন। বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ১৫৭ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অদ্যাবদি হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিয়েছেন ২৫৬১ জন রোগী।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশপাশি বরিশাল জেনারেল হাসপাতালেও এই রোগের উপসর্গ নিয়ে রোগী ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে। বেড সংকটে হাসপাতালের মেঝে বারান্দায় চিকিৎসা নিতে দেখা গিয়েছে অনেককে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২২ জন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্যমতে জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ৬৬৫৩ জন ভর্তি হয়েছিলেন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মোহাম্মদ লোকমান হাকিম জানান, 'সরকারি হাসপাতালগুলো হাম রোগীদের চিকিৎসায় যথেষ্ট আন্তরিক। চিকিৎসকরাও কোনো ঘাটতি রাখছে না।' হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের অধিকাংশই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত।