বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) প্রথম বর্ষের নবীন বরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সকল বর্ষের চলমান ও নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, একটি নির্দিষ্ট ব্যাচের অনুষ্ঠানের জন্য সব ব্যাচের পরীক্ষা স্থগিত করা একটি হঠকারী ও অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত। তারা অনতিবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
গত ১৩ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে জারি করা এক জরুরি নোটিশে জানানো হয়, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম আগামী ২৫ জানুয়ারি (রোববার) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত কর্মসূচিতে সকল শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত ও আয়োজন সফল করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় পরীক্ষাসহ চলমান সকল সেমিস্টার ও বর্ষের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ সিদ্ধান্তের ফলে বাংলা বিভাগের ৪র্থ বর্ষ, ইংরেজি বিভাগের ৪র্থ বর্ষসহ একাধিক বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে।
এ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা বলছেন, একটি ব্যাচের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে যেখানে মূলত সংশ্লিষ্ট নবীন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিই মুখ্য, সেখানে অন্যান্য বর্ষের পরীক্ষাসূচি স্থগিত করা মোটেও যুক্তিসংগত নয়। এতে দীর্ঘদিনের সেশনজটে জর্জরিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাজীবন আরও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে যাবে। পাশাপাশি সামনে জাতীয় নির্বাচন থাকায় নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা শেষ না হলে শিক্ষার্থীদের নানা অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাংলা বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মাদ জালাল উদ্দিন বলেন, ‘পরীক্ষা পিছানোর মতো এমন হঠকারী সিদ্ধান্ত আমাদের দীর্ঘমেয়াদী সংকটে ফেলবে। এতে সেশনজট আরও বাড়বে। আমরা বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ জানাই, এই সিদ্ধান্ত যেন প্রত্যাহার করা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে যাদের অংশগ্রহণ বা সংশ্লিষ্টতা নেই, তাদের পরীক্ষা থেকে বিরত রাখার অধিকার কারো নেই। যার কাজ যিনি করবেন, সেটাই স্বাভাবিক নিয়ম। কারোর বাধায় যেন কেউ আটকে না যায়- এটাই আমাদের চাওয়া।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সুব্রত কুমার বাহাদুর বলেন, ‘কেন্দ্রীয় এই প্রোগ্রামে সকল বিভাগের চেয়ারম্যান ও শিক্ষকবৃন্দের উপস্থিতি প্রয়োজন। প্রোগ্রামটি সাফল্যমণ্ডিত করার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে সমন্বয় করে পুনঃনির্ধারণ করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের ওপর এর প্রভাব খুব বেশি না পড়ে।’
তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, নবীন বরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন হলেও তা যেন অন্য বর্ষের একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত না করে- সেই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তারা অবিলম্বে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে পরীক্ষাগুলো পূর্বনির্ধারিত সূচিতেই গ্রহণের আহ্বান জানান।

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৩৩
গাজীপুরের জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের আওতায় রংপুর সিটি করপোরেশনও
বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য উঠে এসেছে স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে। একই প্রতিবেদনে গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়মের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিস্তারিত খাতভিত্তিক হিসাব প্রতিবেদনের প্রকাশিত অংশে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সাত হাজার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর ও সিটি করপোরেশনের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সম্পদসংক্রান্ত ৬৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বিষয়ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
রংপুর সিটি করপোরেশনের ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং নৌকা ও নৌকাঘাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের বিষয়গুলো পৃথকভাবে অনুসন্ধানের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় সরকার খাতের ৬৬টি ক্ষেত্রে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তৈরি তদন্ত প্রতিবেদনটি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এ ছাড়া বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের বাজার ও স্থাপনার ভাড়া আদায়সংক্রান্ত ঘটনায় ১৮৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়, কমিউনিটি সেন্টার ও মার্কেটের দোকানভাড়া এবং অন্যান্য রাজস্ব খাতেও আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।'
গাজীপুরের জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের আওতায় রংপুর সিটি করপোরেশনও
বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য উঠে এসেছে স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে। একই প্রতিবেদনে গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়মের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিস্তারিত খাতভিত্তিক হিসাব প্রতিবেদনের প্রকাশিত অংশে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সাত হাজার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর ও সিটি করপোরেশনের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সম্পদসংক্রান্ত ৬৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বিষয়ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
রংপুর সিটি করপোরেশনের ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং নৌকা ও নৌকাঘাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের বিষয়গুলো পৃথকভাবে অনুসন্ধানের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় সরকার খাতের ৬৬টি ক্ষেত্রে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তৈরি তদন্ত প্রতিবেদনটি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এ ছাড়া বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের বাজার ও স্থাপনার ভাড়া আদায়সংক্রান্ত ঘটনায় ১৮৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়, কমিউনিটি সেন্টার ও মার্কেটের দোকানভাড়া এবং অন্যান্য রাজস্ব খাতেও আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।'

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৩৮
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ (৩৫) নামে উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বারপাইকা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি উপজেলার সেরাল গ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেন। এতে সঞ্জয় কুমার বাড়ৈও অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ (৩৫) নামে উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বারপাইকা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি উপজেলার সেরাল গ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেন। এতে সঞ্জয় কুমার বাড়ৈও অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:৩২
বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিচ্ছে ‘অর্ণব’। এর প্রভাবে বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত আবহাওয়াবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর উত্তাল রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পায়রা, মোংলা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার পরিবর্তন ও সাগরের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
পূর্বাভাসে ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর বাংলাদেশের উপকূলে এর প্রভাব নির্ভর করবে। তাই জেলে, ট্রলারচালক ও উপকূলীয় বাসিন্দাদের আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
সূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনের ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন।
বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিচ্ছে ‘অর্ণব’। এর প্রভাবে বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত আবহাওয়াবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর উত্তাল রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পায়রা, মোংলা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার পরিবর্তন ও সাগরের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
পূর্বাভাসে ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর বাংলাদেশের উপকূলে এর প্রভাব নির্ভর করবে। তাই জেলে, ট্রলারচালক ও উপকূলীয় বাসিন্দাদের আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
সূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনের ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন।

১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩৭
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) প্রথম বর্ষের নবীন বরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সকল বর্ষের চলমান ও নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, একটি নির্দিষ্ট ব্যাচের অনুষ্ঠানের জন্য সব ব্যাচের পরীক্ষা স্থগিত করা একটি হঠকারী ও অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত। তারা অনতিবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
গত ১৩ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে জারি করা এক জরুরি নোটিশে জানানো হয়, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম আগামী ২৫ জানুয়ারি (রোববার) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত কর্মসূচিতে সকল শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত ও আয়োজন সফল করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় পরীক্ষাসহ চলমান সকল সেমিস্টার ও বর্ষের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ সিদ্ধান্তের ফলে বাংলা বিভাগের ৪র্থ বর্ষ, ইংরেজি বিভাগের ৪র্থ বর্ষসহ একাধিক বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে।
এ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা বলছেন, একটি ব্যাচের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে যেখানে মূলত সংশ্লিষ্ট নবীন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিই মুখ্য, সেখানে অন্যান্য বর্ষের পরীক্ষাসূচি স্থগিত করা মোটেও যুক্তিসংগত নয়। এতে দীর্ঘদিনের সেশনজটে জর্জরিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাজীবন আরও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে যাবে। পাশাপাশি সামনে জাতীয় নির্বাচন থাকায় নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা শেষ না হলে শিক্ষার্থীদের নানা অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাংলা বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মাদ জালাল উদ্দিন বলেন, ‘পরীক্ষা পিছানোর মতো এমন হঠকারী সিদ্ধান্ত আমাদের দীর্ঘমেয়াদী সংকটে ফেলবে। এতে সেশনজট আরও বাড়বে। আমরা বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ জানাই, এই সিদ্ধান্ত যেন প্রত্যাহার করা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে যাদের অংশগ্রহণ বা সংশ্লিষ্টতা নেই, তাদের পরীক্ষা থেকে বিরত রাখার অধিকার কারো নেই। যার কাজ যিনি করবেন, সেটাই স্বাভাবিক নিয়ম। কারোর বাধায় যেন কেউ আটকে না যায়- এটাই আমাদের চাওয়া।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সুব্রত কুমার বাহাদুর বলেন, ‘কেন্দ্রীয় এই প্রোগ্রামে সকল বিভাগের চেয়ারম্যান ও শিক্ষকবৃন্দের উপস্থিতি প্রয়োজন। প্রোগ্রামটি সাফল্যমণ্ডিত করার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে সমন্বয় করে পুনঃনির্ধারণ করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের ওপর এর প্রভাব খুব বেশি না পড়ে।’
তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, নবীন বরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন হলেও তা যেন অন্য বর্ষের একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত না করে- সেই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তারা অবিলম্বে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে পরীক্ষাগুলো পূর্বনির্ধারিত সূচিতেই গ্রহণের আহ্বান জানান।