
২৯ মে, ২০২৫ ১৭:৪৫
চলতি বছরের শেষদিকে দেশের সাত সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী মনোনয়নের কাজও এগিয়ে নিয়েছে দলটি।
বরিশাল সিটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীও প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেছে। হাইকমান্ডের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে নিহত তার ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের ছোট ছেলে এবং আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র ছোট ভাই আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ ওরফে খোকন সেরনিয়াবাত। বিশেষ করে খোকন সেরনিয়াবাতের ওপরে সুনজর রয়েছে প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার। তবে একই পরিবারের সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র বড় ছেলে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকেও মাথায় রাখছেন তারা।
বঙ্গবন্ধুর পরিবারের এই দুই সদস্যের কে পাবেন দলীয় মনোনয়ন, তা নির্ভর করবে নির্বাচনের আগ মুহূর্তের পরিবেশ এবং পরিবারের অন্যদের মতামতের ভিত্তিতে। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের ওপরও নির্ভর করতে হতে পারে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, এতোদিন চট্টগ্রামেই বেশি থেকেছেন হঠাৎ আলোচনায় আসা খোকন সেরনিয়াবাত। বরিশালে গেলে থাকেন তার শ্বশুরের বাসা নগরীর ব্রাউন কম্পাউন্ডে। ঢাকায় বসবাস করেন ধানমণ্ডিতে।
বরিশালের নেতারা জানান, পঁচাত্তরের নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর থেকে নিভৃতচারী পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্বের অধিকারী খোকন সেরনিয়াবাতের দলে কোনো পদ-পদবি নেই। সাবেক সংসদ সদস্য ও সিটি মেয়র শওকত হোসেন হিরণের মৃত্যুর পরে প্রথম মহানগর আওয়ামী লীগের শোকসভা ও দোয়া-মোনাজাতে অংশ নেন তিনি। এখন মাঝে-মধ্যেই এসে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জন্য ভোজসভার আয়োজন করে থাকেন ভোজনরসিক খোকন।
পারিবারিকভাবে অনেক আগে থেকেই সম্পর্কে ভাতিজা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র সঙ্গে খোকন সেরনিয়াবাতের চাপা দ্বন্দ্ব রয়েছে। রাজনৈতিকভাবে এখন মনোনয়ন নিয়ে তা বাড়ছে বলেও জানান আওয়ামী লীগের নেতারা।
খোকন সেরনিয়াবাত সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি বিষয়টি অনানুষ্ঠানিকভাবেই শুনেছি। এটি সম্পূর্ণ দল ও নেত্রীর বিষয়। বরিশালের মানুষের চাওয়া-না চাওয়ার বিষয়ও থাকতে পারে। নেত্রী ও বরিশালের মানুষ যদি আমাকে মেয়র হিসেবে দেখতে চান, তখনতো চিন্তা করতেই হবে’।
বড় ভাইয়ের ছেলে সাদিক আব্দুল্লাহ’র সম্ভাব্য প্রার্থীতা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ইচ্ছার স্বাধীনতা সবারই আছে। তিনি যদি প্রার্থী হন এবং দল যদি তাকে মনোনয়ন দেয়, তাতে কোনো সমস্যা দেখি না। তার সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই, দ্বন্দ্বও নেই’।
অন্যদিকে ২০১৪ সালে শওকত হোসেন হিরণের মৃত্যুর পর বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে উত্থান ঘটে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র বড় ছেলে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র। মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদিক বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনেরও নেতৃত্বে আছেন।
বর্তমানে বরিশাল মহানগর ও সদর উপজেলার আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ অঙ্গসংগঠনের বেশিরভাগ নেতাকর্মীদের নেতৃত্বে অঘোষিতভাবেই রয়েছেন তিনি। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্য হওয়ায় প্রভাব আর নেতৃত্বগুণে তৃণমূলের বেশিরভাগ নেতাকর্মী তার সঙ্গেই থাকেন।
অবশ্য বদনামও রয়েছে তার। হিরণের সঙ্গে হাসানাত পরিবারের পুরনো দ্বন্দ্ব গড়িয়েছে হিরণপতœী বরিশাল সদর আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজের সঙ্গেও। আর সাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বর্তমানে জেবুন্নেছাপন্থীদেরকে দলে অনেকটাই কোনঠাসা করে রেখেছেন তিনি।
আরও অভিযোগ রয়েছে, বরিশালের সকল সরকারি দপ্তরেই রয়েছে তার একক আধিপত্য। ২০১৫ সালের ৩০ জানুয়ারি মহানগর আওয়ামী লীগের বর্তমান শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল সাদিক আব্দুল্লাহ’র সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে কুয়াকাটার হোটেলরুমে গুলিবিদ্ধ হন। ওই গুলি সাদিকের আগ্নেয়াস্ত্র থেকেই বের হয়েছিল বলে প্রথমে অভিযোগ উঠলেও অজ্ঞাত কারণে তা আর সামনে আসেনি। যদিও পরে একান্ত ঘনিষ্টজন টুটুলের চিকিৎসা ও কৃত্রিম পা বসানোর কাজ সাদিকের চেষ্টায়ই সফল হয়।
চেষ্টা করেও সাদিক আব্দুল্লাহ’র সঙ্গে এসব বিষয়ে কথা বলা সম্ভব হয়নি।’’
চলতি বছরের শেষদিকে দেশের সাত সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী মনোনয়নের কাজও এগিয়ে নিয়েছে দলটি।
বরিশাল সিটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীও প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেছে। হাইকমান্ডের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে নিহত তার ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের ছোট ছেলে এবং আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র ছোট ভাই আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ ওরফে খোকন সেরনিয়াবাত। বিশেষ করে খোকন সেরনিয়াবাতের ওপরে সুনজর রয়েছে প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার। তবে একই পরিবারের সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র বড় ছেলে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকেও মাথায় রাখছেন তারা।
বঙ্গবন্ধুর পরিবারের এই দুই সদস্যের কে পাবেন দলীয় মনোনয়ন, তা নির্ভর করবে নির্বাচনের আগ মুহূর্তের পরিবেশ এবং পরিবারের অন্যদের মতামতের ভিত্তিতে। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের ওপরও নির্ভর করতে হতে পারে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, এতোদিন চট্টগ্রামেই বেশি থেকেছেন হঠাৎ আলোচনায় আসা খোকন সেরনিয়াবাত। বরিশালে গেলে থাকেন তার শ্বশুরের বাসা নগরীর ব্রাউন কম্পাউন্ডে। ঢাকায় বসবাস করেন ধানমণ্ডিতে।
বরিশালের নেতারা জানান, পঁচাত্তরের নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর থেকে নিভৃতচারী পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্বের অধিকারী খোকন সেরনিয়াবাতের দলে কোনো পদ-পদবি নেই। সাবেক সংসদ সদস্য ও সিটি মেয়র শওকত হোসেন হিরণের মৃত্যুর পরে প্রথম মহানগর আওয়ামী লীগের শোকসভা ও দোয়া-মোনাজাতে অংশ নেন তিনি। এখন মাঝে-মধ্যেই এসে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জন্য ভোজসভার আয়োজন করে থাকেন ভোজনরসিক খোকন।
পারিবারিকভাবে অনেক আগে থেকেই সম্পর্কে ভাতিজা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র সঙ্গে খোকন সেরনিয়াবাতের চাপা দ্বন্দ্ব রয়েছে। রাজনৈতিকভাবে এখন মনোনয়ন নিয়ে তা বাড়ছে বলেও জানান আওয়ামী লীগের নেতারা।
খোকন সেরনিয়াবাত সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি বিষয়টি অনানুষ্ঠানিকভাবেই শুনেছি। এটি সম্পূর্ণ দল ও নেত্রীর বিষয়। বরিশালের মানুষের চাওয়া-না চাওয়ার বিষয়ও থাকতে পারে। নেত্রী ও বরিশালের মানুষ যদি আমাকে মেয়র হিসেবে দেখতে চান, তখনতো চিন্তা করতেই হবে’।
বড় ভাইয়ের ছেলে সাদিক আব্দুল্লাহ’র সম্ভাব্য প্রার্থীতা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ইচ্ছার স্বাধীনতা সবারই আছে। তিনি যদি প্রার্থী হন এবং দল যদি তাকে মনোনয়ন দেয়, তাতে কোনো সমস্যা দেখি না। তার সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই, দ্বন্দ্বও নেই’।
অন্যদিকে ২০১৪ সালে শওকত হোসেন হিরণের মৃত্যুর পর বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে উত্থান ঘটে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র বড় ছেলে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র। মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদিক বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনেরও নেতৃত্বে আছেন।
বর্তমানে বরিশাল মহানগর ও সদর উপজেলার আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ অঙ্গসংগঠনের বেশিরভাগ নেতাকর্মীদের নেতৃত্বে অঘোষিতভাবেই রয়েছেন তিনি। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্য হওয়ায় প্রভাব আর নেতৃত্বগুণে তৃণমূলের বেশিরভাগ নেতাকর্মী তার সঙ্গেই থাকেন।
অবশ্য বদনামও রয়েছে তার। হিরণের সঙ্গে হাসানাত পরিবারের পুরনো দ্বন্দ্ব গড়িয়েছে হিরণপতœী বরিশাল সদর আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজের সঙ্গেও। আর সাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বর্তমানে জেবুন্নেছাপন্থীদেরকে দলে অনেকটাই কোনঠাসা করে রেখেছেন তিনি।
আরও অভিযোগ রয়েছে, বরিশালের সকল সরকারি দপ্তরেই রয়েছে তার একক আধিপত্য। ২০১৫ সালের ৩০ জানুয়ারি মহানগর আওয়ামী লীগের বর্তমান শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল সাদিক আব্দুল্লাহ’র সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে কুয়াকাটার হোটেলরুমে গুলিবিদ্ধ হন। ওই গুলি সাদিকের আগ্নেয়াস্ত্র থেকেই বের হয়েছিল বলে প্রথমে অভিযোগ উঠলেও অজ্ঞাত কারণে তা আর সামনে আসেনি। যদিও পরে একান্ত ঘনিষ্টজন টুটুলের চিকিৎসা ও কৃত্রিম পা বসানোর কাজ সাদিকের চেষ্টায়ই সফল হয়।
চেষ্টা করেও সাদিক আব্দুল্লাহ’র সঙ্গে এসব বিষয়ে কথা বলা সম্ভব হয়নি।’’

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৪
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। এতে সৈয়দ মোশারফ রাশিদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা সভাপতি এবং বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি সাংবাদিক আরিফ আহমেদ মুন্না দ্বিতীয়বারের মতো সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
গতকাল বাবুগঞ্জ উপজেলা সুজন কমিটির সভায় সকল সদস্যদের কণ্ঠভোটের মাধ্যমে ওই কমিটি গঠন করা হয়। উপজেলার রহমতপুরে কামিনী রেস্তোরাঁয় আয়োজিত ওই সুজন সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ ও সুজন-এর বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়কারী মেহের আফরোজ মিতা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সুজন বরিশাল মহানগর কমিটির সভাপতি সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আবদুল মোতালেব হাওলাদার এবং সুজন বরিশাল জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রণজিৎ কুমার দত্ত।
সুজন বাবুগঞ্জ উপজেলা কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন সহ-সভাপতি-১ প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান তালেব, সহ-সভাপতি-২ প্রধান শিক্ষক এইচ.এম ইউসুফ আলী, যুগ্ম-সম্পাদক হারুন অর রশীদ, কোষাধ্যক্ষ প্রভাষক মনিরুজ্জামান খোকন, প্রচার সম্পাদক প্রভাষক শাহিন মাহমুদ, কার্যনির্বাহী সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা আ.জ.ম সামসুল আলম, প্রভাষক মহিদুল ইসলাম জামাল, শিক্ষক আল-আমিন শেখ, ব্র্যাক কর্মকর্তা আবু হানিফ ফকির, জজকোর্টের এজিপি অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম জহির, অ্যাডভোকেট ইমরান হোসেন মোল্লা, সাংবাদিক রোকন মিয়া, মহিউদ্দিন খান রানা, আরিফ হোসেন মাস্টার, সাব্বির হাসান ও ইয়ুথ লিডার শাম্মী আক্তার সাথী।
উল্লেখ্য, এর আগে বাবুগঞ্জ উপজেলা সুজন কমিটির সভাপতি ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান খালেদা ওহাব এবং সম্পাদক ছিলেন বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি সাংবাদিক আরিফ আহমেদ মুন্না। গত ২৭ নভেম্বর খালেদা ওহাবের মৃত্যু হলে সভাপতির পদ শূন্য হয়। নবনির্বাচিত সভাপতি প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা সুজন-এর আজীবন সদস্য এবং সাবেক কমিটির ১নং সহ-সভাপতি ছিলেন। সম্পাদক সাংবাদিক আরিফ আহমেদ মুন্না বিগত ২০১৮ সাল থেকেই সুজন সম্পাদক এবং বরিশাল-৩ আসনের পিস অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। #
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। এতে সৈয়দ মোশারফ রাশিদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা সভাপতি এবং বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি সাংবাদিক আরিফ আহমেদ মুন্না দ্বিতীয়বারের মতো সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
গতকাল বাবুগঞ্জ উপজেলা সুজন কমিটির সভায় সকল সদস্যদের কণ্ঠভোটের মাধ্যমে ওই কমিটি গঠন করা হয়। উপজেলার রহমতপুরে কামিনী রেস্তোরাঁয় আয়োজিত ওই সুজন সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ ও সুজন-এর বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়কারী মেহের আফরোজ মিতা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সুজন বরিশাল মহানগর কমিটির সভাপতি সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আবদুল মোতালেব হাওলাদার এবং সুজন বরিশাল জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রণজিৎ কুমার দত্ত।
সুজন বাবুগঞ্জ উপজেলা কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন সহ-সভাপতি-১ প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান তালেব, সহ-সভাপতি-২ প্রধান শিক্ষক এইচ.এম ইউসুফ আলী, যুগ্ম-সম্পাদক হারুন অর রশীদ, কোষাধ্যক্ষ প্রভাষক মনিরুজ্জামান খোকন, প্রচার সম্পাদক প্রভাষক শাহিন মাহমুদ, কার্যনির্বাহী সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা আ.জ.ম সামসুল আলম, প্রভাষক মহিদুল ইসলাম জামাল, শিক্ষক আল-আমিন শেখ, ব্র্যাক কর্মকর্তা আবু হানিফ ফকির, জজকোর্টের এজিপি অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম জহির, অ্যাডভোকেট ইমরান হোসেন মোল্লা, সাংবাদিক রোকন মিয়া, মহিউদ্দিন খান রানা, আরিফ হোসেন মাস্টার, সাব্বির হাসান ও ইয়ুথ লিডার শাম্মী আক্তার সাথী।
উল্লেখ্য, এর আগে বাবুগঞ্জ উপজেলা সুজন কমিটির সভাপতি ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান খালেদা ওহাব এবং সম্পাদক ছিলেন বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি সাংবাদিক আরিফ আহমেদ মুন্না। গত ২৭ নভেম্বর খালেদা ওহাবের মৃত্যু হলে সভাপতির পদ শূন্য হয়। নবনির্বাচিত সভাপতি প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা সুজন-এর আজীবন সদস্য এবং সাবেক কমিটির ১নং সহ-সভাপতি ছিলেন। সম্পাদক সাংবাদিক আরিফ আহমেদ মুন্না বিগত ২০১৮ সাল থেকেই সুজন সম্পাদক এবং বরিশাল-৩ আসনের পিস অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। #

১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৮
ভারতের দক্ষিণ বেঙ্গালুরুর জিগানিসংলগ্ন পোডু গ্রামে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালীন সময়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে শারবানু খাতুন নামে এক বাংলাদেশি নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই নারী ‘অবৈধভাবে’ বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করে বেঙ্গালুরুতে বসবাস করছিলেন বলে দাবি করেছে স্থানীয় পুলিশ।
গ্রেপ্তার নারীর নাম শারবানু খাতুন, তিনি গৃহপরিচারিকার কাজ করেন।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, উচ্ছেদ অভিযানের সময় ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তি ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিতে থাকেন। তখন শারবানু খাতুন তার পরিবর্তে ‘জয় বাংলা’ বলেন। যদিও কয়েক সেকেন্ড পরেই তিনি ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। কিন্তু ওই নারী ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার পরই এলাকার মানুষদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে ওই ভাইরাল ভিডিওর পরিপ্রেক্ষিতে হেব্বাগোডি থানার হেড কনস্টেবল ভূষা বেন্দ্র গত ১১ জানুয়ারী একটি অভিযোগ করেন।
পুলিশের মতে, একটি অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে ওই নারী ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছিলেন। তা ছাড়া ভারতে থেকে অন্য একটি দেশের স্লোগান তোলাটা দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে দাবি করে তারা।
শারবানু খাতুনের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর ১৫২ ধারা (ভারতের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও অখণ্ডতাকে বিপন্নকারী কাজ), ১৯৬ ধারা (ধর্ম, জাতি, জন্মস্থান, বাসস্থান, ভাষা ইত্যাদির ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি এবং সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য ক্ষতিকর কাজ করা), ১৯৭ ধারা (জাতীয় সংহতির জন্য ক্ষতিকর অভিযোগ, দাবি) এবং ৩৫৩ ধারা (জনসাধারণের ক্ষতির কারণ হতে পারে এমন বিবৃতি)-এর অধীনে একটি মামলা করা হয়েছে।’
ভারতের দক্ষিণ বেঙ্গালুরুর জিগানিসংলগ্ন পোডু গ্রামে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালীন সময়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে শারবানু খাতুন নামে এক বাংলাদেশি নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই নারী ‘অবৈধভাবে’ বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করে বেঙ্গালুরুতে বসবাস করছিলেন বলে দাবি করেছে স্থানীয় পুলিশ।
গ্রেপ্তার নারীর নাম শারবানু খাতুন, তিনি গৃহপরিচারিকার কাজ করেন।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, উচ্ছেদ অভিযানের সময় ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তি ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিতে থাকেন। তখন শারবানু খাতুন তার পরিবর্তে ‘জয় বাংলা’ বলেন। যদিও কয়েক সেকেন্ড পরেই তিনি ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। কিন্তু ওই নারী ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার পরই এলাকার মানুষদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে ওই ভাইরাল ভিডিওর পরিপ্রেক্ষিতে হেব্বাগোডি থানার হেড কনস্টেবল ভূষা বেন্দ্র গত ১১ জানুয়ারী একটি অভিযোগ করেন।
পুলিশের মতে, একটি অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে ওই নারী ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছিলেন। তা ছাড়া ভারতে থেকে অন্য একটি দেশের স্লোগান তোলাটা দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে দাবি করে তারা।
শারবানু খাতুনের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর ১৫২ ধারা (ভারতের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও অখণ্ডতাকে বিপন্নকারী কাজ), ১৯৬ ধারা (ধর্ম, জাতি, জন্মস্থান, বাসস্থান, ভাষা ইত্যাদির ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি এবং সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য ক্ষতিকর কাজ করা), ১৯৭ ধারা (জাতীয় সংহতির জন্য ক্ষতিকর অভিযোগ, দাবি) এবং ৩৫৩ ধারা (জনসাধারণের ক্ষতির কারণ হতে পারে এমন বিবৃতি)-এর অধীনে একটি মামলা করা হয়েছে।’

০৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ০০:৪৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে অনেকের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। তবে প্রার্থিতা বাতিল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করা যাবে। এ ক্ষেত্রে ৭ নির্দেশনা মানতে হবে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) নির্দেশনাগুলো প্রার্থীদের মাঝে প্রচারের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
নির্দেশনা
১। আপিল আবেদন কমিশনকে সম্বোধন করে স্মারকলিপি আকারে (নির্ধারিত ফরমেটে) দায়ের করতে হবে।
২। আপিল দায়েরকালে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ, আপিলের কারণ সংবলিত বিবৃতি এবং মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণ আদেশের সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে।
৩। আপিল আবেদনের ১টি মূল কপিসহ মোট ৭ কপি দাখিল করতে হবে।
৪। আপিল আবেদন নির্বাচন কমিশনের আপিল আবেদন গ্রহণসংক্রান্ত কেন্দ্রে স্ব স্ব অঞ্চলের নির্ধারিত বুথে জমা দিতে হবে।
৫। আপিল আবেদন ৫-৯ জানুয়ারির মধ্যে দায়ের করতে হবে।
৬। আপিল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বা রায়ের কপির জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন দাখিল করতে হবে। ফরমের নমুনা নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় বুথ থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
৭। আপিল দায়েরকারী অথবা আপিল দায়েরকারীর পক্ষে মনোনীত ব্যক্তি আপিলের রায়ের কপি সংগ্রহ করতে পারবেন। আপিল দায়েরের জন্য আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে থাকবে ১০টি বুথ।
বুথ নং-১ (খুলনা অঞ্চল)
মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা জেলা।
বুথ-২ (রাজশাহী অঞ্চল)
জয়পুরহাট, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা।
বুথ-৩ (রংপুর অঞ্চল)
পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা।
বুথ-৪ (চট্টগ্রাম অঞ্চল)
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি এবং বান্দরবান।
বুথ-৫ (কুমিল্লা অঞ্চল)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী এবং লক্ষ্মীপুর।
বুথ-৬ (সিলেট অঞ্চল)
সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ।
বুথ-৭ (ঢাকা অঞ্চল)
টাংগাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ।
বুথ-৮ (ময়মনসিংহ অঞ্চল)
জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা।
বুথ-৯ (বরিশাল অঞ্চল)
বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর।
বুথ-১০ (ফরিদপুর অঞ্চল)
রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর এবং শরীয়তপুর।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে অনেকের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। তবে প্রার্থিতা বাতিল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করা যাবে। এ ক্ষেত্রে ৭ নির্দেশনা মানতে হবে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) নির্দেশনাগুলো প্রার্থীদের মাঝে প্রচারের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
নির্দেশনা
১। আপিল আবেদন কমিশনকে সম্বোধন করে স্মারকলিপি আকারে (নির্ধারিত ফরমেটে) দায়ের করতে হবে।
২। আপিল দায়েরকালে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ, আপিলের কারণ সংবলিত বিবৃতি এবং মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণ আদেশের সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে।
৩। আপিল আবেদনের ১টি মূল কপিসহ মোট ৭ কপি দাখিল করতে হবে।
৪। আপিল আবেদন নির্বাচন কমিশনের আপিল আবেদন গ্রহণসংক্রান্ত কেন্দ্রে স্ব স্ব অঞ্চলের নির্ধারিত বুথে জমা দিতে হবে।
৫। আপিল আবেদন ৫-৯ জানুয়ারির মধ্যে দায়ের করতে হবে।
৬। আপিল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বা রায়ের কপির জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন দাখিল করতে হবে। ফরমের নমুনা নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় বুথ থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
৭। আপিল দায়েরকারী অথবা আপিল দায়েরকারীর পক্ষে মনোনীত ব্যক্তি আপিলের রায়ের কপি সংগ্রহ করতে পারবেন। আপিল দায়েরের জন্য আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে থাকবে ১০টি বুথ।
বুথ নং-১ (খুলনা অঞ্চল)
মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা জেলা।
বুথ-২ (রাজশাহী অঞ্চল)
জয়পুরহাট, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা।
বুথ-৩ (রংপুর অঞ্চল)
পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা।
বুথ-৪ (চট্টগ্রাম অঞ্চল)
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি এবং বান্দরবান।
বুথ-৫ (কুমিল্লা অঞ্চল)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী এবং লক্ষ্মীপুর।
বুথ-৬ (সিলেট অঞ্চল)
সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ।
বুথ-৭ (ঢাকা অঞ্চল)
টাংগাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ।
বুথ-৮ (ময়মনসিংহ অঞ্চল)
জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা।
বুথ-৯ (বরিশাল অঞ্চল)
বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর।
বুথ-১০ (ফরিদপুর অঞ্চল)
রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর এবং শরীয়তপুর।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.