
১১ নভেম্বর, ২০২৫ ১০:২৬
পটুয়াখালীর মহিপুর থানা এলাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। শেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১০ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে তাদের মৃত্যুর খবর জানা গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান হাওলাদার।
নিহতরা হলেন: মহিপুরের পরিচিত দর্জি শিশির দাস এবং আলীপুর কালাচাঁনপাড়া এলাকার ফার্মেসি ব্যবসায়ী (রাখাইন) উবাচো।
স্বজন সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন আগে তারা ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। এ নিয়ে চলতি সপ্তাহে মহিপুর থানা এলাকায় ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে আটজনে। আক্রান্তের সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুয়াকাটা ও মহিপুর এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সম্প্রতি মারা গেছেন খাজুরা এলাকার চান মিয়া ফকিরের ছেলে নুরজামাল ফকির এবং মিশ্রীপাড়া এলাকার হাবিব। তারা দুজনই ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
এর আগে গত ১৩ অক্টোবর মহিপুর এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়, তাদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী ছিলেন। সিজারিয়ানের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শংকর প্রসাদ অধিকারী জানান, মহিপুরে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। জনসচেতনতা বাড়াতে মাইকিং, প্রচারণা এবং ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি চালানো হচ্ছে।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাওসার হামিদ বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফগার মেশিন দিয়ে স্প্রে করা হচ্ছে এবং জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চলছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানদের বাড়িঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে মহিপুর, আলীপুর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আলীপুর এলাকার একই পরিবারে ৩ জন ঢাকায় একটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে।
পটুয়াখালীর মহিপুর থানা এলাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। শেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১০ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে তাদের মৃত্যুর খবর জানা গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান হাওলাদার।
নিহতরা হলেন: মহিপুরের পরিচিত দর্জি শিশির দাস এবং আলীপুর কালাচাঁনপাড়া এলাকার ফার্মেসি ব্যবসায়ী (রাখাইন) উবাচো।
স্বজন সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন আগে তারা ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। এ নিয়ে চলতি সপ্তাহে মহিপুর থানা এলাকায় ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে আটজনে। আক্রান্তের সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুয়াকাটা ও মহিপুর এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সম্প্রতি মারা গেছেন খাজুরা এলাকার চান মিয়া ফকিরের ছেলে নুরজামাল ফকির এবং মিশ্রীপাড়া এলাকার হাবিব। তারা দুজনই ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
এর আগে গত ১৩ অক্টোবর মহিপুর এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়, তাদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী ছিলেন। সিজারিয়ানের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শংকর প্রসাদ অধিকারী জানান, মহিপুরে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। জনসচেতনতা বাড়াতে মাইকিং, প্রচারণা এবং ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি চালানো হচ্ছে।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাওসার হামিদ বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফগার মেশিন দিয়ে স্প্রে করা হচ্ছে এবং জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চলছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানদের বাড়িঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে মহিপুর, আলীপুর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আলীপুর এলাকার একই পরিবারে ৩ জন ঢাকায় একটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে।
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৫
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২১
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫৩
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৭

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৪
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও নগদ টাকা লুটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে কুয়াকাটা পৌর এলাকার আবাসিক ‘হোটেল আমান’-এর সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ বাশার জানান, তিনি হোটেল আমানের সামনে একটি ছোট দোকান পরিচালনা করেন। স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী সোলেমানের সঙ্গে তার বাবার পূর্বের আর্থিক লেনদেনের জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
বাশারের অভিযোগ, সোলেমান হঠাৎ দোকানে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি দোকানের মালামাল তছনছ করেন এবং ব্যাপক ভাঙচুর চালান। এ সময় দোকানের ক্যাশে থাকা বিক্রির নগদ প্রায় ৯০ হাজার টাকা সোলেমান লুটে নিয়ে যান বলে দাবি করেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাশারের বাবা আনোয়ার মাঝির সঙ্গে অভিযুক্ত সোলেমানের আগে থেকেই পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে এই হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাতের আঁধারে এমন আকস্মিক ঘটনায় আশপাশের ব্যবসায়ীদের মধ্যেও উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সোলেমানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। ফলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
এ প্রসঙ্গে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান বলেন, ঘটনাটি নিয়ে আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও নগদ টাকা লুটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে কুয়াকাটা পৌর এলাকার আবাসিক ‘হোটেল আমান’-এর সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ বাশার জানান, তিনি হোটেল আমানের সামনে একটি ছোট দোকান পরিচালনা করেন। স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী সোলেমানের সঙ্গে তার বাবার পূর্বের আর্থিক লেনদেনের জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
বাশারের অভিযোগ, সোলেমান হঠাৎ দোকানে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি দোকানের মালামাল তছনছ করেন এবং ব্যাপক ভাঙচুর চালান। এ সময় দোকানের ক্যাশে থাকা বিক্রির নগদ প্রায় ৯০ হাজার টাকা সোলেমান লুটে নিয়ে যান বলে দাবি করেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাশারের বাবা আনোয়ার মাঝির সঙ্গে অভিযুক্ত সোলেমানের আগে থেকেই পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে এই হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাতের আঁধারে এমন আকস্মিক ঘটনায় আশপাশের ব্যবসায়ীদের মধ্যেও উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সোলেমানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। ফলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
এ প্রসঙ্গে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান বলেন, ঘটনাটি নিয়ে আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৪১
পটুয়াখালীর বাউফলে ইয়াবাসহ এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে একটি চায়ের দোকান থেকে তাকে আটক করা হয়|
আটক সুজন (১৬) উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা দুলাল মৃধার ছেলে। সে বাউফল সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়-এর চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে বাউফল থানার এসআই মাসুদুর রহমান ও এসআই রবিন খাবারের জন্য হাসপাতাল এলাকায় গেলে তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে রাব্বি একটি প্যাকেট পাশের সরকারি কবরস্থানের দেয়ালের দিকে ছুড়ে ফেলে| এতে সন্দেহ হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালায়।
পরে কাগজে মোড়ানো একটি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়, যার ভেতরে ৪০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। স্থানীয় চা দোকানি জানান, সুজনের সঙ্গে আরও দুইজন ছিল, যারা আগে সেখান থেকে চলে যায়। পরে সুজন একা চা ও সিগারেট খাচ্ছিল। তাদের দেখে কি যেন ফেলে দিল।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, আটক কিশোরের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তার সাথে জড়িত অন্যদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলার সমস্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে ইয়াবাসহ এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে একটি চায়ের দোকান থেকে তাকে আটক করা হয়|
আটক সুজন (১৬) উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা দুলাল মৃধার ছেলে। সে বাউফল সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়-এর চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে বাউফল থানার এসআই মাসুদুর রহমান ও এসআই রবিন খাবারের জন্য হাসপাতাল এলাকায় গেলে তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে রাব্বি একটি প্যাকেট পাশের সরকারি কবরস্থানের দেয়ালের দিকে ছুড়ে ফেলে| এতে সন্দেহ হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালায়।
পরে কাগজে মোড়ানো একটি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়, যার ভেতরে ৪০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। স্থানীয় চা দোকানি জানান, সুজনের সঙ্গে আরও দুইজন ছিল, যারা আগে সেখান থেকে চলে যায়। পরে সুজন একা চা ও সিগারেট খাচ্ছিল। তাদের দেখে কি যেন ফেলে দিল।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, আটক কিশোরের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তার সাথে জড়িত অন্যদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলার সমস্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪১
পটুয়াখালীর বাউফলে বাসে হামলা ও চালককে মারধরের মামলায় জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ-এর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নেতা আবদুল মালেক শরীফকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাউফল উপজেলার বগা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে (৮ এপ্রিল) বুধবার রাত ১০টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার এজাহারের জানা যায়, ২৬ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ‘কিংস পরিবহন’ এর যাত্রীবাহী বাস দুমকি-বাউফল সড়কের বোর্ড অফিস ব্রিজ অতিক্রমের সময় একটি প্রাইভেটকারকে ওভারটেকিং করে দ্রুত বেগে চরগরবদি ফেরিতে ওঠে।
পরে প্রাইভেটকারটি পেছনে পেছনে ফেরিতে উঠে চালকের সঙ্গে তর্কে জড়ান। ফেরিটি বগা প্রান্তের পন্টুনে ভিড়লে মালেক শরীফসহ ছয় যুবক প্রাইভেটকারের পক্ষ নিয়ে পরিবহন চালক সোহেলকে লোহার (জিআই) পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয়রা আহত বাস চালককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এঘটনায় ওইদিন রাতে আহত চালক সোহেল মোল্লার মা ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে মালেক শরীফের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত ছয় জনকে আসামি করে দুমকি থানায় মামলা দায়ের করেন। দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিন জানান, গ্রেফতার আসামিকে (০৯ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে বাসে হামলা ও চালককে মারধরের মামলায় জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ-এর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নেতা আবদুল মালেক শরীফকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাউফল উপজেলার বগা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে (৮ এপ্রিল) বুধবার রাত ১০টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার এজাহারের জানা যায়, ২৬ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ‘কিংস পরিবহন’ এর যাত্রীবাহী বাস দুমকি-বাউফল সড়কের বোর্ড অফিস ব্রিজ অতিক্রমের সময় একটি প্রাইভেটকারকে ওভারটেকিং করে দ্রুত বেগে চরগরবদি ফেরিতে ওঠে।
পরে প্রাইভেটকারটি পেছনে পেছনে ফেরিতে উঠে চালকের সঙ্গে তর্কে জড়ান। ফেরিটি বগা প্রান্তের পন্টুনে ভিড়লে মালেক শরীফসহ ছয় যুবক প্রাইভেটকারের পক্ষ নিয়ে পরিবহন চালক সোহেলকে লোহার (জিআই) পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয়রা আহত বাস চালককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এঘটনায় ওইদিন রাতে আহত চালক সোহেল মোল্লার মা ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে মালেক শরীফের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাত ছয় জনকে আসামি করে দুমকি থানায় মামলা দায়ের করেন। দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিন জানান, গ্রেফতার আসামিকে (০৯ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.