Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৫ আগস্ট, ২০২৫ ১৩:৪৭
বরিশালের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী একাধিক মামলার আসামি বরিশাল সদর উপজেলা ৩নং চরবাড়িয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রাসেল হালদার কে আটক করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশ।
আজ শুক্রবার সকালে চরবাড়িয়া গাজীর খেয়াঘাট সংলগ্ন রাসেলের বাসার পাশে বিল থেকে তাকে আটক করা হয়েছে। এসময় তার নিকট থেকে বেশ কয়েকটি দেশি অস্ত্র ও ৩৮০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ কমিশনার মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, চিহ্নিত মাদক বিক্রেতাও একাধিক মামলার আসামি চরবাড়িয়ার রাসেল হাওলাদারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় ধরেই অভিযোগ রয়েছে।
তাকে আটকের জন্য বরিশাল পুলিশের সকল ইউনিট তৎপর ছিল। দীর্ঘদিন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তথ্য থাকার পরে সকালে রাসেলকে আটকের উদ্দেশ্যে তার বাসার আশপাশে অবস্থান নেয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
রাসেল বুঝতে পেরে পালানোর চেষ্টা করে বাড়ির পাশে বিলের ভিতর থেকে পালাতে গেলে গোয়েন্দা ইন্সপেক্টর সগীরের নেতৃত্বে অবস্থানরত পুলিশ সদস্যরা তাকে আটক করে।
আটকের সময় রাসেলের সাথে অনেক ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে তবে রাসেলের সহযোগী ল্যাপটপ বাবু থেকে শুরু করে বেশ কয়েকজন এখনো রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। তাদের কেও আইনের আওতায় আনা হতে পারে বলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
তথ্য বলছে রাসেল হাওলাদার দেড় যুগ যাবৎ মাদকের ব্যবসা করে আসছে। তার নামে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। তিনি গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তারপর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক (পলাতক) মোঃ মাহাতাব হোসেন সুরুজ অনুসারী হয়ে মাদক বিক্রির টাকা গরিবের মাঝে বিলিয়ে দিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যের পদটি বাগিয়ে নেয়।
কিন্তু ইউপি মেম্বার হবার পর তার মাদক বিক্রি চেহারা ও ক্ষমতা আরো পাল্টে যায়। এর কারণ পূর্বে পালিয়ে পালিয়ে মাদক বিক্রি করলেও ইউপি সদস্য হবার পরে চেয়ারম্যান সুরুজের ঘনিষ্ঠজন ভাবার কারণে ওপেনে মাদক বিক্রি শুরু করে।
যেহেতু রাসেল আওয়ামী লীগের প্রতিটি অনুষ্ঠানে জনবল ও অর্থ সরবরাহ করতো তাই তিনি ওই এলাকার একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হয়ে ওঠে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের কাছে। ফলে তার মাদক বিক্রি যে বাধা গুলো ছিল এগুলো তিনি কাটিয়ে ওঠে তবে বরিশাল মেট্রোপলিটনের পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জুলাই আগস্ট বিপ্লবের পরে বরিশালে যোগদান করলে চরবাড়ীয়ার মাদক সম্রাট রাসেল ও কাশিপুরের অপর মাদক ডিলার একাধিক মামলার আসামি রাসেলের বিরুদ্ধে তার কাছে অভিযোগ আসতে শুরু করে।
এরপরই তিনি কঠোর হস্তে দমন করার লক্ষ্যে স্থানীয় থানা পুলিশ সহ তার গোটা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ টিম গঠন করে এবং গোয়েন্দা পুলিশের নেতৃত্বে দুই রাসেল কে আটকের জন্য জোরে সোরে মাঠ চষে বেড়ায়।
এক পর্যায়ে গত রোজার মধ্যে কাশীপুরের রাসেলকেও তিনি গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন। অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরে গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ নজরদারি ও কাউনিয়া থানার সহযোগিতায় সরাসরি পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে আজ সকালে দেশীয় আধুনিক একাধিক অস্ত্র সহ তাকে আটক করা হয়।
তার নিকট থেকে মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ কমিশনার বলছেন রাসেলের কাছে একটি অবৈধ রিভাল বার থাকে যেটি উদ্ধারের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ ও অভিযান অব্যহত রয়েছে। তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে আরো অনুরোধ জানিয়ে বলেন সমাজের অসঙ্গতি ও মাদক বিক্রেতাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে এতে পুলিশের সহযোগিতা শতভাগ অব্যাহত থাকবে।
বরিশালের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী একাধিক মামলার আসামি বরিশাল সদর উপজেলা ৩নং চরবাড়িয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রাসেল হালদার কে আটক করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশ।
আজ শুক্রবার সকালে চরবাড়িয়া গাজীর খেয়াঘাট সংলগ্ন রাসেলের বাসার পাশে বিল থেকে তাকে আটক করা হয়েছে। এসময় তার নিকট থেকে বেশ কয়েকটি দেশি অস্ত্র ও ৩৮০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ কমিশনার মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, চিহ্নিত মাদক বিক্রেতাও একাধিক মামলার আসামি চরবাড়িয়ার রাসেল হাওলাদারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় ধরেই অভিযোগ রয়েছে।
তাকে আটকের জন্য বরিশাল পুলিশের সকল ইউনিট তৎপর ছিল। দীর্ঘদিন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তথ্য থাকার পরে সকালে রাসেলকে আটকের উদ্দেশ্যে তার বাসার আশপাশে অবস্থান নেয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
রাসেল বুঝতে পেরে পালানোর চেষ্টা করে বাড়ির পাশে বিলের ভিতর থেকে পালাতে গেলে গোয়েন্দা ইন্সপেক্টর সগীরের নেতৃত্বে অবস্থানরত পুলিশ সদস্যরা তাকে আটক করে।
আটকের সময় রাসেলের সাথে অনেক ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে তবে রাসেলের সহযোগী ল্যাপটপ বাবু থেকে শুরু করে বেশ কয়েকজন এখনো রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। তাদের কেও আইনের আওতায় আনা হতে পারে বলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
তথ্য বলছে রাসেল হাওলাদার দেড় যুগ যাবৎ মাদকের ব্যবসা করে আসছে। তার নামে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। তিনি গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তারপর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক (পলাতক) মোঃ মাহাতাব হোসেন সুরুজ অনুসারী হয়ে মাদক বিক্রির টাকা গরিবের মাঝে বিলিয়ে দিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যের পদটি বাগিয়ে নেয়।
কিন্তু ইউপি মেম্বার হবার পর তার মাদক বিক্রি চেহারা ও ক্ষমতা আরো পাল্টে যায়। এর কারণ পূর্বে পালিয়ে পালিয়ে মাদক বিক্রি করলেও ইউপি সদস্য হবার পরে চেয়ারম্যান সুরুজের ঘনিষ্ঠজন ভাবার কারণে ওপেনে মাদক বিক্রি শুরু করে।
যেহেতু রাসেল আওয়ামী লীগের প্রতিটি অনুষ্ঠানে জনবল ও অর্থ সরবরাহ করতো তাই তিনি ওই এলাকার একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হয়ে ওঠে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের কাছে। ফলে তার মাদক বিক্রি যে বাধা গুলো ছিল এগুলো তিনি কাটিয়ে ওঠে তবে বরিশাল মেট্রোপলিটনের পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জুলাই আগস্ট বিপ্লবের পরে বরিশালে যোগদান করলে চরবাড়ীয়ার মাদক সম্রাট রাসেল ও কাশিপুরের অপর মাদক ডিলার একাধিক মামলার আসামি রাসেলের বিরুদ্ধে তার কাছে অভিযোগ আসতে শুরু করে।
এরপরই তিনি কঠোর হস্তে দমন করার লক্ষ্যে স্থানীয় থানা পুলিশ সহ তার গোটা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ টিম গঠন করে এবং গোয়েন্দা পুলিশের নেতৃত্বে দুই রাসেল কে আটকের জন্য জোরে সোরে মাঠ চষে বেড়ায়।
এক পর্যায়ে গত রোজার মধ্যে কাশীপুরের রাসেলকেও তিনি গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন। অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরে গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ নজরদারি ও কাউনিয়া থানার সহযোগিতায় সরাসরি পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে আজ সকালে দেশীয় আধুনিক একাধিক অস্ত্র সহ তাকে আটক করা হয়।
তার নিকট থেকে মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ কমিশনার বলছেন রাসেলের কাছে একটি অবৈধ রিভাল বার থাকে যেটি উদ্ধারের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ ও অভিযান অব্যহত রয়েছে। তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে আরো অনুরোধ জানিয়ে বলেন সমাজের অসঙ্গতি ও মাদক বিক্রেতাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে এতে পুলিশের সহযোগিতা শতভাগ অব্যাহত থাকবে।

১৭ মার্চ, ২০২৬ ০০:৩৯
আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৭তম জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি প্রথমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ব্রিটিশ ভারত এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।
১৯৬৬ সালে তিনি ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন। ১৯৬৮ সালে তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয়। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থান ও জনগণের চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবসহ অন্যান্য আসামিকে মুক্তি দেয়। মুক্তিলাভের পর ছাত্র-জনতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত মুজিবের ১৯৭১ সালে দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ইউনেস্কো।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে আওয়ামী লীগ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি চালায়। এ প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ওই বছরের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ রাতে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির বাসভবনে সপরিবারের নিহত হন বঙ্গবন্ধু।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দিনটির রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সরকারি ছুটি বাতিল করে। সেইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া জাতীয় শিশু দিবস পালনও বন্ধ হয়ে যায়। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এবারও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ঘিরে কোনো কর্মসূচি পালন হচ্ছে না।’

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৪
বরিশালে ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের গ্লোবাল ক্যাপসুল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর রূপাতলী কারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, কারখানার বয়লারের জ্বালানির জন্য কাঠের গুড়ি স্তূপ করে রাখা ছিল। অসাবধানতাবশত ওই কাঠের গুড়িতে আগুন লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পেয়ে ছুটে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কাঠের গুড়ি হওয়ায় পুরোপুরি নিভে যেতে সময় লাগবে।
রবিউল ইসলাম আরও বলেন, কী কারণে আগুনের সূত্রপাত ও কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব নয়, পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক তথ্য জানা যাবে।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:১৭
আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৭তম জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি প্রথমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ব্রিটিশ ভারত এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।
১৯৬৬ সালে তিনি ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন। ১৯৬৮ সালে তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয়। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থান ও জনগণের চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবসহ অন্যান্য আসামিকে মুক্তি দেয়। মুক্তিলাভের পর ছাত্র-জনতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত মুজিবের ১৯৭১ সালে দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ইউনেস্কো।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে আওয়ামী লীগ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি চালায়। এ প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ওই বছরের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ রাতে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির বাসভবনে সপরিবারের নিহত হন বঙ্গবন্ধু।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দিনটির রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সরকারি ছুটি বাতিল করে। সেইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া জাতীয় শিশু দিবস পালনও বন্ধ হয়ে যায়। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এবারও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ঘিরে কোনো কর্মসূচি পালন হচ্ছে না।’
বরিশালে ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের গ্লোবাল ক্যাপসুল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর রূপাতলী কারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, কারখানার বয়লারের জ্বালানির জন্য কাঠের গুড়ি স্তূপ করে রাখা ছিল। অসাবধানতাবশত ওই কাঠের গুড়িতে আগুন লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পেয়ে ছুটে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কাঠের গুড়ি হওয়ায় পুরোপুরি নিভে যেতে সময় লাগবে।
রবিউল ইসলাম আরও বলেন, কী কারণে আগুনের সূত্রপাত ও কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব নয়, পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক তথ্য জানা যাবে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কিশোরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অগ্নিসংযোগের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিশু রাইসা বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিনমজুর নজরুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।
মৃত্যুর আগে অগ্নিদগ্ধ রাইসার একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, আমারে খারাপ জিনিস কইছে, আমি হুনিনাই দেইখা শিফাত আমার গায় আগুন দিছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা তসলিম জানান, রাইসারা এক ভাই, এক বোন। মা তাদের ফেলে রেখে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বড় ভাই ঢাকার একটি ফলের দোকানে চাকরি করেন। বাবা কাঠমিস্ত্রি।
তিনি বলেন, রাইসা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার সময় ওর বাবা বাড়িতে ছিল না। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানুষের ডাকাডাকি এবং রাইসার চিৎকার শুনে ওর ঘরের সামনে ছুটে যায়। দেখতে পাই সারা শরীরের দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দ্রুত এক বাতলি পানি মেরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ওরে কোলে নিয়ে পাশে থাকা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আগুন নেভাই।
তসলিম বলেন, ‘রাইসাকে উদ্ধার করে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাই তখন প্রতিবেশী জালাল সিকদারকে রাইসা দেখতে পায়। তখন রাইসা কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকে— জালাল সিকদারের ছেলে শিফাতের জন্য তার শরীরের আগুন লেগেছে।
তবে ঘটনার পর শিফাতকে ঘটনাস্থলের আশপাশে দেখা যায়নি। আদৌ কেউ ওর গায়ে আগুন দিয়েছে নাকি আগুন লেগেছে, অথবা নিজেই আগুন দিয়েছে কিনা আমার জানা নেই।
তসলিম জানান, ঘটনার পর রাইসাকে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবস্থা খারাপ হওয়ায় সেখানেও তাকে না রেখে ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করে। সেখানে পৌঁছাতে রাত হয়ে যায়। ভর্তি করে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত যেতে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।
চিকিৎসক জানান, রাইসার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে, অবস্থা ভালো না। এরপর অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চিকিৎসক জানান রাইসা মারা গেছে। তখন রাত সাড়ে ১০টার মতো বাজতে পারে। বর্তমানে রাইসার মরদেহ মর্গে রয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ঘটনার ভিডিও দেখেছি। তবে এমন অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসেনি বা কেউ পুলিশকে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কিশোরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অগ্নিসংযোগের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিশু রাইসা বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিনমজুর নজরুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।
মৃত্যুর আগে অগ্নিদগ্ধ রাইসার একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, আমারে খারাপ জিনিস কইছে, আমি হুনিনাই দেইখা শিফাত আমার গায় আগুন দিছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা তসলিম জানান, রাইসারা এক ভাই, এক বোন। মা তাদের ফেলে রেখে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বড় ভাই ঢাকার একটি ফলের দোকানে চাকরি করেন। বাবা কাঠমিস্ত্রি।
তিনি বলেন, রাইসা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার সময় ওর বাবা বাড়িতে ছিল না। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানুষের ডাকাডাকি এবং রাইসার চিৎকার শুনে ওর ঘরের সামনে ছুটে যায়। দেখতে পাই সারা শরীরের দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দ্রুত এক বাতলি পানি মেরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ওরে কোলে নিয়ে পাশে থাকা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আগুন নেভাই।
তসলিম বলেন, ‘রাইসাকে উদ্ধার করে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাই তখন প্রতিবেশী জালাল সিকদারকে রাইসা দেখতে পায়। তখন রাইসা কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকে— জালাল সিকদারের ছেলে শিফাতের জন্য তার শরীরের আগুন লেগেছে।
তবে ঘটনার পর শিফাতকে ঘটনাস্থলের আশপাশে দেখা যায়নি। আদৌ কেউ ওর গায়ে আগুন দিয়েছে নাকি আগুন লেগেছে, অথবা নিজেই আগুন দিয়েছে কিনা আমার জানা নেই।
তসলিম জানান, ঘটনার পর রাইসাকে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবস্থা খারাপ হওয়ায় সেখানেও তাকে না রেখে ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করে। সেখানে পৌঁছাতে রাত হয়ে যায়। ভর্তি করে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত যেতে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।
চিকিৎসক জানান, রাইসার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে, অবস্থা ভালো না। এরপর অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চিকিৎসক জানান রাইসা মারা গেছে। তখন রাত সাড়ে ১০টার মতো বাজতে পারে। বর্তমানে রাইসার মরদেহ মর্গে রয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ঘটনার ভিডিও দেখেছি। তবে এমন অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসেনি বা কেউ পুলিশকে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।