
৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:১৬
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পিরোজপুরে জনতার মুখোমুখি অনুষ্ঠানে একই মঞ্চে জামায়াত ও বিএনপি’র প্রার্থীকে দেখা গেছে। এ সময় সাধারণ মানুষের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর এবং এলাকার উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিলেন প্রার্থীরা।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় গোপালকৃষ্ণ টাউন হল প্রাঙ্গণে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে প্রার্থীরা স্থানীয় জনগণ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া দুই জন প্রার্থীরা হলেন পিরোজপুর-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন ও জামায়াত জোটের প্রার্থী মাসুদ সাইদী।
জনতার মুখোমুখি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) পিরোজপুর জেলা শাখার সভাপতি মুনিরুজ্জামান নাসিম আলী। এ সময় স্থানীয় জনগণ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সহ বিএনপি ও জামায়াতে নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা প্রার্থীদের কাছে উন্নয়ন, সুশাসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ধরেন। প্রার্থীরা নির্বাচিত হলে এসব বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পিরোজপুরে জনতার মুখোমুখি অনুষ্ঠানে একই মঞ্চে জামায়াত ও বিএনপি’র প্রার্থীকে দেখা গেছে। এ সময় সাধারণ মানুষের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর এবং এলাকার উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিলেন প্রার্থীরা।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় গোপালকৃষ্ণ টাউন হল প্রাঙ্গণে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে প্রার্থীরা স্থানীয় জনগণ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া দুই জন প্রার্থীরা হলেন পিরোজপুর-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন ও জামায়াত জোটের প্রার্থী মাসুদ সাইদী।
জনতার মুখোমুখি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) পিরোজপুর জেলা শাখার সভাপতি মুনিরুজ্জামান নাসিম আলী। এ সময় স্থানীয় জনগণ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সহ বিএনপি ও জামায়াতে নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা প্রার্থীদের কাছে উন্নয়ন, সুশাসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ধরেন। প্রার্থীরা নির্বাচিত হলে এসব বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১৭

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৭
পিরোজপুরে হাম রোগের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এ কর্মসূচির আওতায় ৯ মাস থেকে ১৫ মাস বয়সি শিশুদের টিকা প্রদান করা হবে।
পিরোজপুরের সিভিল সার্জন মো. মতিউর রহমান বলেন, ‘এ কর্মসূচির আওতায় আমরা জেলার ৯ থেকে ১৫ মাস বয়সি প্রায় ৬০ হাজার শিশুকে টিকা প্রদান করব। পর্যায়ক্রমে সকল শিশুকে এ টিকার আওতায় আনা হবে। তবে পিরোজপুরে হাম রোগের তেমন কোনো প্রাদুর্ভাব নেই। গতকাল দুইজন শিশু আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, তারা আমাদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।’
এ সময় পিরোজপুরের সিভিল সার্জন মো. মতিউর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আলাউদ্দিন ভূঁইয়া জনি, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আলমগীর হোসেন এবং পিরোজপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস. এম. রেজাউল ইসলাম শামীম উপস্থিত ছিলেন।

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫৪
পিরোজপুর-বরিশাল মহাসড়কে দুই বাসের ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে ৭ জন আহত হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে রানীপুর নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ঢাকা থেকে ভান্ডারিয়াগামী পালকি পরিবহন এবং চরমোনাইয়ের মাহফিল থেকে আগত মোল্লা ট্রাভেলস নামের বাসের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মোল্লা ট্রাভেলস বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। মোল্লা ট্রাভেলসে থাকা যাত্রীরা অভিযোগ করেন, বিপরীত দিক থেকে আসা পালকি পরিবহনের অতিরিক্ত গতির কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পিরোজপুর সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান জানান, দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে উভয় বাসের যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজন আহত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পিরোজপুরের নেছারাবাদে পিতৃপরিচয়ের দাবিতে মো. নাহিদ (২৪) নামের এক যুবক বিভিন্ন দপ্তরে গিয়েও জাতীয় পরিচয়পত্র করতে পারছেন না বলে জানা গেছে। ২৪ বছর পর পিতৃত্বের দাবিতে মা-ছেলে ঘুরছেন দ্বারে দ্বারে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকেলে নেছারাবাদ উপজেলার জলাবাড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ কামারকাঠী গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত পিতা মিজান বালী উপজেলার জলাবাড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ কামারকাঠী গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোহরাব বালীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, ২০০১ সালে ওই গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে মিজান বালীর সঙ্গে একই গ্রামের মৃত হাতেম আলীর মেয়ে নাসিমা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছরের মধ্যে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। বিচ্ছেদের সময় নাসিমা বেগম পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। ২০০২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি তার গর্ভে থাকা সন্তানের জন্ম হয়। তবে জন্মের পর থেকেই সন্তান নাহিদকে অস্বীকার করেন মিজান। নিরুপায় হয়ে নাসিমা বেগম সন্তানসহ নানা বাড়িতে আশ্রয় নেন। বর্তমানে পিতৃপরিচয় না থাকায় জন্মনিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র করতে পারছেন না নাহিদ।
ভুক্তভোগী যুবক নাহিদ বলেন, ২০০১ সালে আমার মা-বাবার বিয়ে হয়। ২০০২ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের সময় আমি মায়ের গর্ভে ছিলাম। এখন আমার বাবা আমাকে অস্বীকার করছেন। পিতৃত্বের দাবিতে সমাজপতিদের কাছে গিয়েছি, বাবার কাছেও গিয়েছি। তবে কোনো সাড়া পাইনি। জন্মনিবন্ধন করতে গেলেও বাবার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি চাওয়া হয়। সমাজে নানা কটূক্তির শিকার হচ্ছি। আমি কি পিতৃত্বের পরিচয় পাব না? আমি আমার পিতৃত্বের স্বীকৃতি চাই।
নাসিমা বেগম বলেন, ২০০১ সালে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলাম। দরিদ্রতার কারণে এক বছরের মধ্যেই বিবাহবিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের সময় আমি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলাম। সন্তান জন্মের পর তার বাবা কোনো খোঁজখবর নেয়নি, বরং অস্বীকার করেছে। আমি অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালাই। এখন আমার সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য পিতৃপরিচয় খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে গিয়েও কোনো সমাধান পাইনি। আমার ছেলে কি পিতার পরিচয় পাবে না?
অভিযুক্ত মিজান বালী বলেন, প্রায় ২৪ বছর আগে নাসিমার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের তিন মাস পর তালাক হয়। পরে শুনেছি তিনি অন্যত্র বিয়ে করেছেন। যে ছেলেটি পিতৃত্বের দাবি করছে, সে আমার সন্তান নয়। এটি তার দ্বিতীয় স্বামীর সন্তান। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করতে একটি মহল চক্রান্ত করছে।
গ্রামচৌকিদার বিপুল হালদার বলেন, মিজান বালী ও নাসিমা বেগমের বিয়েটি আমরা করিয়ে দিয়েছিলাম। দাম্পত্য কলহের কারণে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর মিজান দীর্ঘদিন এলাকায় ছিলেন না। এখন নাহিদ নামের এক যুবক পিতৃত্বের দাবি করছে বলে শুনেছি।
ওয়ার্ড সদস্য লিটন খান বলেন, মিজান ও নাসিমার বিয়ের বিষয়টি সবাই জানে। বিচ্ছেদের পর সন্তানের জন্ম হওয়ায় মিজান অস্বীকার করছেন। তবে নাহিদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় পিতৃপরিচয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পিতার পরিচয় না থাকায় সে সরকারি সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।
জলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ বলেন, নাহিদ নামের এক যুবক জন্মনিবন্ধনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে এসেছিল। তার কাছ থেকে সমস্যার কথা শুনেছি। ঘটনাটি অনেক পুরোনো হওয়ায় উভয় পক্ষের কথা না শুনে সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে নাহিদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে পিতৃপরিচয়ের দাবিতে মো. নাহিদ (২৪) নামের এক যুবক বিভিন্ন দপ্তরে গিয়েও জাতীয় পরিচয়পত্র করতে পারছেন না বলে জানা গেছে। ২৪ বছর পর পিতৃত্বের দাবিতে মা-ছেলে ঘুরছেন দ্বারে দ্বারে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকেলে নেছারাবাদ উপজেলার জলাবাড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ কামারকাঠী গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত পিতা মিজান বালী উপজেলার জলাবাড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ কামারকাঠী গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোহরাব বালীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, ২০০১ সালে ওই গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে মিজান বালীর সঙ্গে একই গ্রামের মৃত হাতেম আলীর মেয়ে নাসিমা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছরের মধ্যে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। বিচ্ছেদের সময় নাসিমা বেগম পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। ২০০২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি তার গর্ভে থাকা সন্তানের জন্ম হয়। তবে জন্মের পর থেকেই সন্তান নাহিদকে অস্বীকার করেন মিজান। নিরুপায় হয়ে নাসিমা বেগম সন্তানসহ নানা বাড়িতে আশ্রয় নেন। বর্তমানে পিতৃপরিচয় না থাকায় জন্মনিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র করতে পারছেন না নাহিদ।
ভুক্তভোগী যুবক নাহিদ বলেন, ২০০১ সালে আমার মা-বাবার বিয়ে হয়। ২০০২ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের সময় আমি মায়ের গর্ভে ছিলাম। এখন আমার বাবা আমাকে অস্বীকার করছেন। পিতৃত্বের দাবিতে সমাজপতিদের কাছে গিয়েছি, বাবার কাছেও গিয়েছি। তবে কোনো সাড়া পাইনি। জন্মনিবন্ধন করতে গেলেও বাবার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি চাওয়া হয়। সমাজে নানা কটূক্তির শিকার হচ্ছি। আমি কি পিতৃত্বের পরিচয় পাব না? আমি আমার পিতৃত্বের স্বীকৃতি চাই।
নাসিমা বেগম বলেন, ২০০১ সালে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলাম। দরিদ্রতার কারণে এক বছরের মধ্যেই বিবাহবিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের সময় আমি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলাম। সন্তান জন্মের পর তার বাবা কোনো খোঁজখবর নেয়নি, বরং অস্বীকার করেছে। আমি অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালাই। এখন আমার সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য পিতৃপরিচয় খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে গিয়েও কোনো সমাধান পাইনি। আমার ছেলে কি পিতার পরিচয় পাবে না?
অভিযুক্ত মিজান বালী বলেন, প্রায় ২৪ বছর আগে নাসিমার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের তিন মাস পর তালাক হয়। পরে শুনেছি তিনি অন্যত্র বিয়ে করেছেন। যে ছেলেটি পিতৃত্বের দাবি করছে, সে আমার সন্তান নয়। এটি তার দ্বিতীয় স্বামীর সন্তান। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করতে একটি মহল চক্রান্ত করছে।
গ্রামচৌকিদার বিপুল হালদার বলেন, মিজান বালী ও নাসিমা বেগমের বিয়েটি আমরা করিয়ে দিয়েছিলাম। দাম্পত্য কলহের কারণে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর মিজান দীর্ঘদিন এলাকায় ছিলেন না। এখন নাহিদ নামের এক যুবক পিতৃত্বের দাবি করছে বলে শুনেছি।
ওয়ার্ড সদস্য লিটন খান বলেন, মিজান ও নাসিমার বিয়ের বিষয়টি সবাই জানে। বিচ্ছেদের পর সন্তানের জন্ম হওয়ায় মিজান অস্বীকার করছেন। তবে নাহিদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় পিতৃপরিচয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পিতার পরিচয় না থাকায় সে সরকারি সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।
জলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ বলেন, নাহিদ নামের এক যুবক জন্মনিবন্ধনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে এসেছিল। তার কাছ থেকে সমস্যার কথা শুনেছি। ঘটনাটি অনেক পুরোনো হওয়ায় উভয় পক্ষের কথা না শুনে সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে নাহিদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
পিরোজপুরে হাম রোগের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এ কর্মসূচির আওতায় ৯ মাস থেকে ১৫ মাস বয়সি শিশুদের টিকা প্রদান করা হবে।
পিরোজপুরের সিভিল সার্জন মো. মতিউর রহমান বলেন, ‘এ কর্মসূচির আওতায় আমরা জেলার ৯ থেকে ১৫ মাস বয়সি প্রায় ৬০ হাজার শিশুকে টিকা প্রদান করব। পর্যায়ক্রমে সকল শিশুকে এ টিকার আওতায় আনা হবে। তবে পিরোজপুরে হাম রোগের তেমন কোনো প্রাদুর্ভাব নেই। গতকাল দুইজন শিশু আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, তারা আমাদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।’
এ সময় পিরোজপুরের সিভিল সার্জন মো. মতিউর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আলাউদ্দিন ভূঁইয়া জনি, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আলমগীর হোসেন এবং পিরোজপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস. এম. রেজাউল ইসলাম শামীম উপস্থিত ছিলেন।
পিরোজপুর-বরিশাল মহাসড়কে দুই বাসের ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে ৭ জন আহত হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে রানীপুর নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ঢাকা থেকে ভান্ডারিয়াগামী পালকি পরিবহন এবং চরমোনাইয়ের মাহফিল থেকে আগত মোল্লা ট্রাভেলস নামের বাসের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মোল্লা ট্রাভেলস বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। মোল্লা ট্রাভেলসে থাকা যাত্রীরা অভিযোগ করেন, বিপরীত দিক থেকে আসা পালকি পরিবহনের অতিরিক্ত গতির কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পিরোজপুর সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান জানান, দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে উভয় বাসের যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজন আহত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।