
০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:১২
বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র ও কার্যক্রম স্থগিত আওয়ামী লীগের নেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র বিরুদ্ধে এবার দুর্নীতির অভিযোগে মামলা হয়েছে। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ভোগ-দখলে রাখার অভিযোগের ‘সত্যতা’ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে সাদিক আব্দুল্লাহ’র বরিশাল শহরের কালিবাড়ি রোডের পৈত্রিক ভবনে হামলা হয়। এবং এতে মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা ও সিটির ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গাজী নঈমুল ইসলাম লিটুসহ তিনজন আগুনে পুড়ে মারা যান। সহকর্মীদের এই প্রাণবিয়োগের আগেই বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আব্দুল্লাহ জনরোষে পড়ার আশঙ্কায় সেরনিয়াবাত ভবন ত্যাগ করেন। কিছুদিন পরে বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য পাওয়া যায় সাদিক পালিয়ে পার্শ্ববর্তী তাদের মিত্র দেশ ভারতে আশ্রয় নিয়ে আছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, তিনি প্রথমে ভারতে গেলেও পরবর্তীতে সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন।
পলাতক সাদিক আব্দুল্লাহ কোথায় আছেন এই ধোয়াশা পরিস্কার হওয়ার আগেই বরিশাল এবং রাজধানী ঢাকায় শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ছেলে সাদিকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। সেই সব মোকদ্দমা চলামান থাকার মধ্যে এবার বরিশাল আওয়ামী লীগের পলাতক এই নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। সংস্থাটির উপ-পরিচালক এসএম রাশেদুর রেজা মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকায় মামলাটি করেন। সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।
দুদক সূত্র জানিয়েছে, দুদক আইনের ২৬(১) ধারায় বরিশালের সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিস দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় একই আইনের ২৬(২) ধারায় ‘শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটিত’ হয়। এর আগে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে আসা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করা হয়। অনুসন্ধানকালে প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ভোগ-দখলে রাখার অভিযোগের ‘সত্যতা’ পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য সাদিক আবদুল্লাহর নামে নোটিস জারির সিদ্ধান্ত হয়।
নোটিস পৌঁছে দিতে ২৬ অক্টোবর দুদকের একজন কনস্টেবল রাজধানী ঢাকার কলাবাগান এলাকায় তার ঠিকানায় গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে ৪ নভেম্বর বরিশাল শহরের কালিবাড়ি সেরনিয়াবাত ভবনে গিয়েও তাকে না পাওয়ায় একই দিন আগৈলঝাড়া উপজেলার সেরাল এলাকার ঠিকানায় সম্পদ বিবরণী ফরমের মূল কপি বাড়ির দরজায় টাঙিয়ে নোটিস জারি করা হয়। দুদকের ওই সূত্রটি জানায়, ৪ নভেম্বর নোটিস জারির পর নির্ধারিত ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি সাদিক আবদুল্লাহ। এ কারণে তার বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। তার ক্ষমতার ৫ বছরে তিনি বরিশাল শহরবাসীর ওপর অনৈতিকভাবে ব্যাপক ছড়ি ঘুরিয়েছেন। বিশেষ করে শহর উন্নয়ন বাদ দিয়ে সাদিক বহুতল বাসা-বাড়ির নকশা আটকে ভূমি মালিকদের জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেন। এবং দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিকদের শায়েস্তা করতে গিয়ে ঘটনাচক্রে তুমুল বিতর্ক তৈরি করেছিলেন।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সাদিক আব্দুল্লাহ বিপুলসংখ্যক ক্যাডার বাহিনী নিয়ে শহরে ভীতিকর সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করেন। বিশেষ করে ১৮ জুলাই তার নেতৃত্বে শহরের চৌমাথা এলাকায় বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং সদস্যসচিব জিয়া সিকদারের ওপর হামলা ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এতে রাজনৈতিক বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন তিনি। এছাড়া তৎকালীন সাদিকের নেতৃত্বে বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপির কার্যালয়েও আগুন দেওয়া হয়।
উল্লেখিত বরিশালের আলোচিত এই দুটি ঘটনায় সাদিক এবং তার ক্যাডার বাহিনীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পাশাপাশি বরিশালে ও ঢাকায় তার বিরুদ্ধে আরও অসংখ্য মামলা হয়, যা বিচারাধীন আছে। পলাতক সাদিকের বিরুদ্ধে এবার সবশেষে মামলা করল দুর্নীতি দমন কমিশন।
দুর্নীতিসংক্রান্ত মামলার বিষয়ে জানতে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি তার ব্যবহৃত হোটসঅ্যাপ নম্বরে দিলে কল করা হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। তবে সাদিক আব্দুল্লাহকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরব দেখা যাচ্ছে। তিনি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন বার্তা ফেসবুকে শেয়ার করাসহ মাঝে মাঝে বিশেষ দিনে পোস্টও করে থাকেন। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সাদিক কি ভাবে বরিশালের কালিবাড়ির বাসা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে গেছেন, তার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া যায়নি। এবং বর্তমানে ভারতে না কী আমেরিকা অবস্থান করছেন তা তিনিও পরিস্কার করেননি। ফলে বরিশালের সাবেক এই জনপ্রতিনিধির আশ্রয়স্থল নিয়ে নেতাকর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও ধোয়াশা রয়েছে।’
বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র ও কার্যক্রম স্থগিত আওয়ামী লীগের নেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র বিরুদ্ধে এবার দুর্নীতির অভিযোগে মামলা হয়েছে। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ভোগ-দখলে রাখার অভিযোগের ‘সত্যতা’ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে সাদিক আব্দুল্লাহ’র বরিশাল শহরের কালিবাড়ি রোডের পৈত্রিক ভবনে হামলা হয়। এবং এতে মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা ও সিটির ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গাজী নঈমুল ইসলাম লিটুসহ তিনজন আগুনে পুড়ে মারা যান। সহকর্মীদের এই প্রাণবিয়োগের আগেই বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আব্দুল্লাহ জনরোষে পড়ার আশঙ্কায় সেরনিয়াবাত ভবন ত্যাগ করেন। কিছুদিন পরে বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য পাওয়া যায় সাদিক পালিয়ে পার্শ্ববর্তী তাদের মিত্র দেশ ভারতে আশ্রয় নিয়ে আছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, তিনি প্রথমে ভারতে গেলেও পরবর্তীতে সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন।
পলাতক সাদিক আব্দুল্লাহ কোথায় আছেন এই ধোয়াশা পরিস্কার হওয়ার আগেই বরিশাল এবং রাজধানী ঢাকায় শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ছেলে সাদিকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। সেই সব মোকদ্দমা চলামান থাকার মধ্যে এবার বরিশাল আওয়ামী লীগের পলাতক এই নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। সংস্থাটির উপ-পরিচালক এসএম রাশেদুর রেজা মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকায় মামলাটি করেন। সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।
দুদক সূত্র জানিয়েছে, দুদক আইনের ২৬(১) ধারায় বরিশালের সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিস দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় একই আইনের ২৬(২) ধারায় ‘শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটিত’ হয়। এর আগে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে আসা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করা হয়। অনুসন্ধানকালে প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ভোগ-দখলে রাখার অভিযোগের ‘সত্যতা’ পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য সাদিক আবদুল্লাহর নামে নোটিস জারির সিদ্ধান্ত হয়।
নোটিস পৌঁছে দিতে ২৬ অক্টোবর দুদকের একজন কনস্টেবল রাজধানী ঢাকার কলাবাগান এলাকায় তার ঠিকানায় গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে ৪ নভেম্বর বরিশাল শহরের কালিবাড়ি সেরনিয়াবাত ভবনে গিয়েও তাকে না পাওয়ায় একই দিন আগৈলঝাড়া উপজেলার সেরাল এলাকার ঠিকানায় সম্পদ বিবরণী ফরমের মূল কপি বাড়ির দরজায় টাঙিয়ে নোটিস জারি করা হয়। দুদকের ওই সূত্রটি জানায়, ৪ নভেম্বর নোটিস জারির পর নির্ধারিত ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি সাদিক আবদুল্লাহ। এ কারণে তার বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। তার ক্ষমতার ৫ বছরে তিনি বরিশাল শহরবাসীর ওপর অনৈতিকভাবে ব্যাপক ছড়ি ঘুরিয়েছেন। বিশেষ করে শহর উন্নয়ন বাদ দিয়ে সাদিক বহুতল বাসা-বাড়ির নকশা আটকে ভূমি মালিকদের জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেন। এবং দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিকদের শায়েস্তা করতে গিয়ে ঘটনাচক্রে তুমুল বিতর্ক তৈরি করেছিলেন।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সাদিক আব্দুল্লাহ বিপুলসংখ্যক ক্যাডার বাহিনী নিয়ে শহরে ভীতিকর সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করেন। বিশেষ করে ১৮ জুলাই তার নেতৃত্বে শহরের চৌমাথা এলাকায় বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং সদস্যসচিব জিয়া সিকদারের ওপর হামলা ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এতে রাজনৈতিক বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন তিনি। এছাড়া তৎকালীন সাদিকের নেতৃত্বে বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপির কার্যালয়েও আগুন দেওয়া হয়।
উল্লেখিত বরিশালের আলোচিত এই দুটি ঘটনায় সাদিক এবং তার ক্যাডার বাহিনীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পাশাপাশি বরিশালে ও ঢাকায় তার বিরুদ্ধে আরও অসংখ্য মামলা হয়, যা বিচারাধীন আছে। পলাতক সাদিকের বিরুদ্ধে এবার সবশেষে মামলা করল দুর্নীতি দমন কমিশন।
দুর্নীতিসংক্রান্ত মামলার বিষয়ে জানতে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি তার ব্যবহৃত হোটসঅ্যাপ নম্বরে দিলে কল করা হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। তবে সাদিক আব্দুল্লাহকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরব দেখা যাচ্ছে। তিনি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন বার্তা ফেসবুকে শেয়ার করাসহ মাঝে মাঝে বিশেষ দিনে পোস্টও করে থাকেন। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সাদিক কি ভাবে বরিশালের কালিবাড়ির বাসা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে গেছেন, তার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া যায়নি। এবং বর্তমানে ভারতে না কী আমেরিকা অবস্থান করছেন তা তিনিও পরিস্কার করেননি। ফলে বরিশালের সাবেক এই জনপ্রতিনিধির আশ্রয়স্থল নিয়ে নেতাকর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও ধোয়াশা রয়েছে।’

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৫
বরিশালের গৌরনদীতে কোনধরনের লাইসেন্স না থাকা সত্বেও অবৈধভাবে জ্বালানি তেল ডিজেল, মবিল ও গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ করে চড়া দামে বিক্রি করে আসছিলো এক অসাধু ব্যবসায়ী।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ব্যবসায়ীর দোকান ও বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন বরিশাল জেলার এনএসআই'র সদস্যরা। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের প্রত্যন্ত সুনিল সিকদারের হাট সংলগ্ন চর সরিকল গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় চর সরিকল গ্রামের আব্দুল করিম সিকদারের ছেলে হালিম সিকদারের দোকান ও বাড়ি থেকে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা ৩০০ লিটার ডিজেল, ২০০ লিটার মবিল ও গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করা এনএসআই'র বরিশাল জেলা শাখার সদস্যরা জানিয়েছেন, ব্যবসায়ী হালিম সিকদার অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে বিক্রি করে আসছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযোগ পেয়ে তারা অভিযান পরিচালনা করেন।
পরবর্তীতে তারা জব্দকৃত পন্যসহ ব্যবসায়ী হালিম সিকদারকে ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে সোর্পদ করেন। ভ্রাম্যমান আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও গৌরনদী উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, অবৈধ মজুদের ঘটনায় ব্যবসায়ী হালিম সিকদারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
পাশাপাশি লাইসেন্স না করা পর্যন্ত ওই ব্যবসায়ীর ব্যবসা বন্ধ রাখার জন্য লিখিত মুচলেকা রাখা হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত জ্বালানি তেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির জন্য স্থানীয় এক সমাজ সেবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে কোনধরনের লাইসেন্স না থাকা সত্বেও অবৈধভাবে জ্বালানি তেল ডিজেল, মবিল ও গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ করে চড়া দামে বিক্রি করে আসছিলো এক অসাধু ব্যবসায়ী।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ব্যবসায়ীর দোকান ও বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন বরিশাল জেলার এনএসআই'র সদস্যরা। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের প্রত্যন্ত সুনিল সিকদারের হাট সংলগ্ন চর সরিকল গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় চর সরিকল গ্রামের আব্দুল করিম সিকদারের ছেলে হালিম সিকদারের দোকান ও বাড়ি থেকে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা ৩০০ লিটার ডিজেল, ২০০ লিটার মবিল ও গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করা এনএসআই'র বরিশাল জেলা শাখার সদস্যরা জানিয়েছেন, ব্যবসায়ী হালিম সিকদার অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে বিক্রি করে আসছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযোগ পেয়ে তারা অভিযান পরিচালনা করেন।
পরবর্তীতে তারা জব্দকৃত পন্যসহ ব্যবসায়ী হালিম সিকদারকে ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে সোর্পদ করেন। ভ্রাম্যমান আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও গৌরনদী উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, অবৈধ মজুদের ঘটনায় ব্যবসায়ী হালিম সিকদারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
পাশাপাশি লাইসেন্স না করা পর্যন্ত ওই ব্যবসায়ীর ব্যবসা বন্ধ রাখার জন্য লিখিত মুচলেকা রাখা হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত জ্বালানি তেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির জন্য স্থানীয় এক সমাজ সেবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩২
বরিশালের বানারীপাড়ায় স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে মারিয়া আক্তার (১৮) নামের এক সন্তানের জননীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃত্যু হয়। জানা গেছে, বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের
বাসিন্দা কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়। তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
জীবিকার তাগিদে তারা রাজধানী ঢাকায় নন্দীপাড়ার ছোট বটতলা নামক এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা গাড়ি চালান।
নিহত মারিয়ার বাবা কবির হাওলাদার অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকা দাবি পূরণ ও বিয়ের সময়ে প্রতিশ্রুত স্বর্নের কানের দুল দিতে না পারা এবং মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রবিউল স্ত্রী মারিয়াকে মানসিক ও শারিরীকভাবে নির্যাতন করতেন।
স্ত্রীকে নির্যাতনে রবিউলকে তার মা ও বোন ইন্ধন যোগাতেন। রমজান মাসে রবিউল তার স্ত্রী মারিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন।
চা দোকানী দরিদ্র বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং বাসায় বসে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় ,গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা স্ত্রী মারিয়াকে অমানবিকভাবে মারধর করে। এ সময় পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। , এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের পরে তাকে কোন চিকিৎসাও করানো হয়নি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারনে বাসায় রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফা তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার খবর পেয়ে তার মা হাফিজা বেগম ঢাকায় ছুঁটে যান। সেখান থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুরুতর আহত মারিয়াকে বানারীপাড়ায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় স্বামী,শাশুড়ি ও ননদকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়েরর প্রস্তুতি চলছে।
পৈশাচিক নির্যাতনে হত্যার এ ঘটনায় নিহতের বাবা-মাসহ পরিবার দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এলাকাজুড়ে এ নির্মম হত্যাকান্ডের ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় বইছে।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।
বরিশালের বানারীপাড়ায় স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে মারিয়া আক্তার (১৮) নামের এক সন্তানের জননীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃত্যু হয়। জানা গেছে, বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের
বাসিন্দা কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়। তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
জীবিকার তাগিদে তারা রাজধানী ঢাকায় নন্দীপাড়ার ছোট বটতলা নামক এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা গাড়ি চালান।
নিহত মারিয়ার বাবা কবির হাওলাদার অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকা দাবি পূরণ ও বিয়ের সময়ে প্রতিশ্রুত স্বর্নের কানের দুল দিতে না পারা এবং মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রবিউল স্ত্রী মারিয়াকে মানসিক ও শারিরীকভাবে নির্যাতন করতেন।
স্ত্রীকে নির্যাতনে রবিউলকে তার মা ও বোন ইন্ধন যোগাতেন। রমজান মাসে রবিউল তার স্ত্রী মারিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন।
চা দোকানী দরিদ্র বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং বাসায় বসে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় ,গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা স্ত্রী মারিয়াকে অমানবিকভাবে মারধর করে। এ সময় পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। , এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের পরে তাকে কোন চিকিৎসাও করানো হয়নি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারনে বাসায় রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফা তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার খবর পেয়ে তার মা হাফিজা বেগম ঢাকায় ছুঁটে যান। সেখান থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুরুতর আহত মারিয়াকে বানারীপাড়ায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় স্বামী,শাশুড়ি ও ননদকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়েরর প্রস্তুতি চলছে।
পৈশাচিক নির্যাতনে হত্যার এ ঘটনায় নিহতের বাবা-মাসহ পরিবার দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এলাকাজুড়ে এ নির্মম হত্যাকান্ডের ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় বইছে।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৩৮
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ নাজিরপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুটি গাভীর করুন মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গাভী দুটির এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
এসময় এর মালিক অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। উন্নত জাতের গাভী দুটির মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। গাভী দুটির মালিক মোঃ বাচ্চু বেপারী জানান, তার টিনকাঠের ঘরের বারান্দায় অবস্থিত গোয়ালঘরের বিদ্যুতের তার তিনি অসাবধানবশত খুলে রেখেছিলেন।
টিনকাঠের ঘরের সামনে তার নতুন পাকা ভবন নির্মাণকাজের জন্য তিনি গোয়াল ঘরের লাইটের সরঞ্জাম খুলে সেখানে সেট করেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে ঝড়ে গোয়াল ঘরের সেই খোলা তার পড়ে টিনের বেড়া বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোর ৬টার দিকে গরুর ডাক শুনে বাচ্চু গোয়ালঘরে ছুঁটে গিয়ে দুটি গাভীকে ফ্লোরে ছটফট করতে দেখেন। গাভীর কাছে গেলে এসময় তিনিও বিদ্যুৎ স্পর্শের শিকার হলে তার ছেলে তাৎক্ষনিক লাইন খুলে ফেলায় প্রাণে রক্ষা পান। গোয়ালের দুটি গাভী মারা গেলেও দুটি বাছুর ও একটি গাভী অক্ষত রয়েছে। এদিকে জীবিকার মাধ্যম প্রিয় গাভী দুটিকে হারিয়ে বাচ্চু ও তার পরিবারের কান্না-আহাজারীতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ নাজিরপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুটি গাভীর করুন মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গাভী দুটির এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
এসময় এর মালিক অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। উন্নত জাতের গাভী দুটির মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। গাভী দুটির মালিক মোঃ বাচ্চু বেপারী জানান, তার টিনকাঠের ঘরের বারান্দায় অবস্থিত গোয়ালঘরের বিদ্যুতের তার তিনি অসাবধানবশত খুলে রেখেছিলেন।
টিনকাঠের ঘরের সামনে তার নতুন পাকা ভবন নির্মাণকাজের জন্য তিনি গোয়াল ঘরের লাইটের সরঞ্জাম খুলে সেখানে সেট করেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে ঝড়ে গোয়াল ঘরের সেই খোলা তার পড়ে টিনের বেড়া বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোর ৬টার দিকে গরুর ডাক শুনে বাচ্চু গোয়ালঘরে ছুঁটে গিয়ে দুটি গাভীকে ফ্লোরে ছটফট করতে দেখেন। গাভীর কাছে গেলে এসময় তিনিও বিদ্যুৎ স্পর্শের শিকার হলে তার ছেলে তাৎক্ষনিক লাইন খুলে ফেলায় প্রাণে রক্ষা পান। গোয়ালের দুটি গাভী মারা গেলেও দুটি বাছুর ও একটি গাভী অক্ষত রয়েছে। এদিকে জীবিকার মাধ্যম প্রিয় গাভী দুটিকে হারিয়ে বাচ্চু ও তার পরিবারের কান্না-আহাজারীতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.