
০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:১২
বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র ও কার্যক্রম স্থগিত আওয়ামী লীগের নেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র বিরুদ্ধে এবার দুর্নীতির অভিযোগে মামলা হয়েছে। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ভোগ-দখলে রাখার অভিযোগের ‘সত্যতা’ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে সাদিক আব্দুল্লাহ’র বরিশাল শহরের কালিবাড়ি রোডের পৈত্রিক ভবনে হামলা হয়। এবং এতে মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা ও সিটির ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গাজী নঈমুল ইসলাম লিটুসহ তিনজন আগুনে পুড়ে মারা যান। সহকর্মীদের এই প্রাণবিয়োগের আগেই বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আব্দুল্লাহ জনরোষে পড়ার আশঙ্কায় সেরনিয়াবাত ভবন ত্যাগ করেন। কিছুদিন পরে বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য পাওয়া যায় সাদিক পালিয়ে পার্শ্ববর্তী তাদের মিত্র দেশ ভারতে আশ্রয় নিয়ে আছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, তিনি প্রথমে ভারতে গেলেও পরবর্তীতে সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন।
পলাতক সাদিক আব্দুল্লাহ কোথায় আছেন এই ধোয়াশা পরিস্কার হওয়ার আগেই বরিশাল এবং রাজধানী ঢাকায় শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ছেলে সাদিকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। সেই সব মোকদ্দমা চলামান থাকার মধ্যে এবার বরিশাল আওয়ামী লীগের পলাতক এই নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। সংস্থাটির উপ-পরিচালক এসএম রাশেদুর রেজা মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকায় মামলাটি করেন। সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।
দুদক সূত্র জানিয়েছে, দুদক আইনের ২৬(১) ধারায় বরিশালের সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিস দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় একই আইনের ২৬(২) ধারায় ‘শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটিত’ হয়। এর আগে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে আসা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করা হয়। অনুসন্ধানকালে প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ভোগ-দখলে রাখার অভিযোগের ‘সত্যতা’ পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য সাদিক আবদুল্লাহর নামে নোটিস জারির সিদ্ধান্ত হয়।
নোটিস পৌঁছে দিতে ২৬ অক্টোবর দুদকের একজন কনস্টেবল রাজধানী ঢাকার কলাবাগান এলাকায় তার ঠিকানায় গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে ৪ নভেম্বর বরিশাল শহরের কালিবাড়ি সেরনিয়াবাত ভবনে গিয়েও তাকে না পাওয়ায় একই দিন আগৈলঝাড়া উপজেলার সেরাল এলাকার ঠিকানায় সম্পদ বিবরণী ফরমের মূল কপি বাড়ির দরজায় টাঙিয়ে নোটিস জারি করা হয়। দুদকের ওই সূত্রটি জানায়, ৪ নভেম্বর নোটিস জারির পর নির্ধারিত ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি সাদিক আবদুল্লাহ। এ কারণে তার বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। তার ক্ষমতার ৫ বছরে তিনি বরিশাল শহরবাসীর ওপর অনৈতিকভাবে ব্যাপক ছড়ি ঘুরিয়েছেন। বিশেষ করে শহর উন্নয়ন বাদ দিয়ে সাদিক বহুতল বাসা-বাড়ির নকশা আটকে ভূমি মালিকদের জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেন। এবং দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিকদের শায়েস্তা করতে গিয়ে ঘটনাচক্রে তুমুল বিতর্ক তৈরি করেছিলেন।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সাদিক আব্দুল্লাহ বিপুলসংখ্যক ক্যাডার বাহিনী নিয়ে শহরে ভীতিকর সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করেন। বিশেষ করে ১৮ জুলাই তার নেতৃত্বে শহরের চৌমাথা এলাকায় বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং সদস্যসচিব জিয়া সিকদারের ওপর হামলা ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এতে রাজনৈতিক বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন তিনি। এছাড়া তৎকালীন সাদিকের নেতৃত্বে বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপির কার্যালয়েও আগুন দেওয়া হয়।
উল্লেখিত বরিশালের আলোচিত এই দুটি ঘটনায় সাদিক এবং তার ক্যাডার বাহিনীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পাশাপাশি বরিশালে ও ঢাকায় তার বিরুদ্ধে আরও অসংখ্য মামলা হয়, যা বিচারাধীন আছে। পলাতক সাদিকের বিরুদ্ধে এবার সবশেষে মামলা করল দুর্নীতি দমন কমিশন।
দুর্নীতিসংক্রান্ত মামলার বিষয়ে জানতে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি তার ব্যবহৃত হোটসঅ্যাপ নম্বরে দিলে কল করা হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। তবে সাদিক আব্দুল্লাহকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরব দেখা যাচ্ছে। তিনি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন বার্তা ফেসবুকে শেয়ার করাসহ মাঝে মাঝে বিশেষ দিনে পোস্টও করে থাকেন। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সাদিক কি ভাবে বরিশালের কালিবাড়ির বাসা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে গেছেন, তার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া যায়নি। এবং বর্তমানে ভারতে না কী আমেরিকা অবস্থান করছেন তা তিনিও পরিস্কার করেননি। ফলে বরিশালের সাবেক এই জনপ্রতিনিধির আশ্রয়স্থল নিয়ে নেতাকর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও ধোয়াশা রয়েছে।’
বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র ও কার্যক্রম স্থগিত আওয়ামী লীগের নেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র বিরুদ্ধে এবার দুর্নীতির অভিযোগে মামলা হয়েছে। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ভোগ-দখলে রাখার অভিযোগের ‘সত্যতা’ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে সাদিক আব্দুল্লাহ’র বরিশাল শহরের কালিবাড়ি রোডের পৈত্রিক ভবনে হামলা হয়। এবং এতে মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা ও সিটির ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গাজী নঈমুল ইসলাম লিটুসহ তিনজন আগুনে পুড়ে মারা যান। সহকর্মীদের এই প্রাণবিয়োগের আগেই বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আব্দুল্লাহ জনরোষে পড়ার আশঙ্কায় সেরনিয়াবাত ভবন ত্যাগ করেন। কিছুদিন পরে বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য পাওয়া যায় সাদিক পালিয়ে পার্শ্ববর্তী তাদের মিত্র দেশ ভারতে আশ্রয় নিয়ে আছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, তিনি প্রথমে ভারতে গেলেও পরবর্তীতে সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন।
পলাতক সাদিক আব্দুল্লাহ কোথায় আছেন এই ধোয়াশা পরিস্কার হওয়ার আগেই বরিশাল এবং রাজধানী ঢাকায় শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ছেলে সাদিকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। সেই সব মোকদ্দমা চলামান থাকার মধ্যে এবার বরিশাল আওয়ামী লীগের পলাতক এই নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। সংস্থাটির উপ-পরিচালক এসএম রাশেদুর রেজা মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকায় মামলাটি করেন। সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।
দুদক সূত্র জানিয়েছে, দুদক আইনের ২৬(১) ধারায় বরিশালের সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিস দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় একই আইনের ২৬(২) ধারায় ‘শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটিত’ হয়। এর আগে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে আসা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করা হয়। অনুসন্ধানকালে প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ভোগ-দখলে রাখার অভিযোগের ‘সত্যতা’ পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য সাদিক আবদুল্লাহর নামে নোটিস জারির সিদ্ধান্ত হয়।
নোটিস পৌঁছে দিতে ২৬ অক্টোবর দুদকের একজন কনস্টেবল রাজধানী ঢাকার কলাবাগান এলাকায় তার ঠিকানায় গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে ৪ নভেম্বর বরিশাল শহরের কালিবাড়ি সেরনিয়াবাত ভবনে গিয়েও তাকে না পাওয়ায় একই দিন আগৈলঝাড়া উপজেলার সেরাল এলাকার ঠিকানায় সম্পদ বিবরণী ফরমের মূল কপি বাড়ির দরজায় টাঙিয়ে নোটিস জারি করা হয়। দুদকের ওই সূত্রটি জানায়, ৪ নভেম্বর নোটিস জারির পর নির্ধারিত ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি সাদিক আবদুল্লাহ। এ কারণে তার বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। তার ক্ষমতার ৫ বছরে তিনি বরিশাল শহরবাসীর ওপর অনৈতিকভাবে ব্যাপক ছড়ি ঘুরিয়েছেন। বিশেষ করে শহর উন্নয়ন বাদ দিয়ে সাদিক বহুতল বাসা-বাড়ির নকশা আটকে ভূমি মালিকদের জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেন। এবং দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিকদের শায়েস্তা করতে গিয়ে ঘটনাচক্রে তুমুল বিতর্ক তৈরি করেছিলেন।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সাদিক আব্দুল্লাহ বিপুলসংখ্যক ক্যাডার বাহিনী নিয়ে শহরে ভীতিকর সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করেন। বিশেষ করে ১৮ জুলাই তার নেতৃত্বে শহরের চৌমাথা এলাকায় বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং সদস্যসচিব জিয়া সিকদারের ওপর হামলা ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এতে রাজনৈতিক বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন তিনি। এছাড়া তৎকালীন সাদিকের নেতৃত্বে বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপির কার্যালয়েও আগুন দেওয়া হয়।
উল্লেখিত বরিশালের আলোচিত এই দুটি ঘটনায় সাদিক এবং তার ক্যাডার বাহিনীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পাশাপাশি বরিশালে ও ঢাকায় তার বিরুদ্ধে আরও অসংখ্য মামলা হয়, যা বিচারাধীন আছে। পলাতক সাদিকের বিরুদ্ধে এবার সবশেষে মামলা করল দুর্নীতি দমন কমিশন।
দুর্নীতিসংক্রান্ত মামলার বিষয়ে জানতে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি তার ব্যবহৃত হোটসঅ্যাপ নম্বরে দিলে কল করা হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। তবে সাদিক আব্দুল্লাহকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরব দেখা যাচ্ছে। তিনি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন বার্তা ফেসবুকে শেয়ার করাসহ মাঝে মাঝে বিশেষ দিনে পোস্টও করে থাকেন। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সাদিক কি ভাবে বরিশালের কালিবাড়ির বাসা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে গেছেন, তার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া যায়নি। এবং বর্তমানে ভারতে না কী আমেরিকা অবস্থান করছেন তা তিনিও পরিস্কার করেননি। ফলে বরিশালের সাবেক এই জনপ্রতিনিধির আশ্রয়স্থল নিয়ে নেতাকর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও ধোয়াশা রয়েছে।’

১৭ জুন, ২০২৬ ১৩:২৪
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে মশাল মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। মিছিলে অংশ নেয়ার সবার মুখ ঢাকা ছিল।
দাবি করা হচ্ছে মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর বর্ধিত এলাকা ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের টিয়াখালী সড়কে এই মশাল মিছিল বের করা হয়।
এমন একটি মিছিলের ১ মিনিট ১৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ এসেছে প্রতিবেদকের হাতে। ভিডিওতে দেখা যায় মিছিলে অংশ নেয়া অনেকের মুখে মাস্কপড়া। কারও মুখ খোলা। তারা মশাল হাতে আওয়ামী লীগের স্লোগান দিচ্ছেন।
তবে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মশাল মিছিলের এমন কোন খবর জানা নেই বলে দাবি করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম।
টিয়াখালী এলাকায় খোঁজ নিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানাগেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের সময় হঠাৎ করে কয়েকজন লোক মশাল মিছিল বের করে। মিছিল থেকে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নাম নিয়ে স্লোগান দিতে শোনা যায়। মিছিলটি স্থায়ীত্ব ১০-১৫ মিনিট ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের।
খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ও জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব হোসেন খানের অনুসারীরা মশাল মিছিলটি বের করে। মিছিল থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন অংশগ্রহণকারীরা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম জানিয়েছেন, বরিশাল নগরীতে নিষিদ্ধ সংগঠনের মশাল মিছিল হয়েছে এমন কোন খবর জানা নেই। এখন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও পুরানো কিনা সেটা বুঝতে পারছি না। বিষয়টি খোঁজ-খবর নিয়ে দেখবেন বলে তিনি।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে মশাল মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। মিছিলে অংশ নেয়ার সবার মুখ ঢাকা ছিল।
দাবি করা হচ্ছে মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর বর্ধিত এলাকা ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের টিয়াখালী সড়কে এই মশাল মিছিল বের করা হয়।
এমন একটি মিছিলের ১ মিনিট ১৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ এসেছে প্রতিবেদকের হাতে। ভিডিওতে দেখা যায় মিছিলে অংশ নেয়া অনেকের মুখে মাস্কপড়া। কারও মুখ খোলা। তারা মশাল হাতে আওয়ামী লীগের স্লোগান দিচ্ছেন।
তবে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মশাল মিছিলের এমন কোন খবর জানা নেই বলে দাবি করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম।
টিয়াখালী এলাকায় খোঁজ নিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানাগেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের সময় হঠাৎ করে কয়েকজন লোক মশাল মিছিল বের করে। মিছিল থেকে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নাম নিয়ে স্লোগান দিতে শোনা যায়। মিছিলটি স্থায়ীত্ব ১০-১৫ মিনিট ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের।
খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ও জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব হোসেন খানের অনুসারীরা মশাল মিছিলটি বের করে। মিছিল থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন অংশগ্রহণকারীরা।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম জানিয়েছেন, বরিশাল নগরীতে নিষিদ্ধ সংগঠনের মশাল মিছিল হয়েছে এমন কোন খবর জানা নেই। এখন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও পুরানো কিনা সেটা বুঝতে পারছি না। বিষয়টি খোঁজ-খবর নিয়ে দেখবেন বলে তিনি।

১৭ জুন, ২০২৬ ১২:৫৭
বরিশালসহ সারাদেশে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে দেশের ১৩ জেলার উপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বইছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বুধবার (১৭ জুন) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমানের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া মানিকগঞ্জ, নীলফামারী ও রাজশাহী জেলাসহ খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজস্রহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজস্রহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শনিবার (২০ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্র্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজস্রহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
রোববার (২১ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজস্রহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালসহ সারাদেশে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে দেশের ১৩ জেলার উপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বইছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বুধবার (১৭ জুন) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমানের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া মানিকগঞ্জ, নীলফামারী ও রাজশাহী জেলাসহ খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজস্রহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজস্রহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শনিবার (২০ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্র্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজস্রহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
রোববার (২১ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজস্রহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বরিশাল টাইমস

১৭ জুন, ২০২৬ ১১:২৯
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল নেতাসহ দুই ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চারজনের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রমের নতুন ধাপ শুরু হচ্ছে আজ।
বুধবার (১৭ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এ বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, বিচার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রথমে মামলার ওপেনিং স্টেটমেন্ট বা সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করা হবে। এরপর সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরুর মধ্য দিয়েই মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিচারিক ধাপে অগ্রসর হবে।
মামলার চার আসামির মধ্যে বর্তমানে গ্রেফতার রয়েছেন উজিরপুর থানার সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও এএসআই জসিম উদ্দিন। অপরদিকে পলাতক রয়েছেন বরিশাল-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এহসান উল্লাহ।
এর আগে গত ২০ মে ট্রাইব্যুনাল চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একইসঙ্গে সূচনা বক্তব্য ও রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৭ জুন দিন নির্ধারণ করা হয়।
মামলার ভুক্তভোগী দুজন হলেন আগৈলঝাড়া উপজেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং উপজেলা জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লা ছিলেন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। তাদের সরিয়ে দিতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রসিকিউশনের দাবি, ওই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তৎকালীন পুলিশ সুপার এহসান উল্লাহকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে ২০১৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি টিপু ও কবিরকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপতার করে পুলিশ। এরপর আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের পাশে গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কে কথিত ‘ক্রসফায়ারের’ ঘটনা সাজিয়ে তাদের হত্যা করা হয়।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল নেতাসহ দুই ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চারজনের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রমের নতুন ধাপ শুরু হচ্ছে আজ।
বুধবার (১৭ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এ বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, বিচার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রথমে মামলার ওপেনিং স্টেটমেন্ট বা সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করা হবে। এরপর সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরুর মধ্য দিয়েই মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিচারিক ধাপে অগ্রসর হবে।
মামলার চার আসামির মধ্যে বর্তমানে গ্রেফতার রয়েছেন উজিরপুর থানার সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও এএসআই জসিম উদ্দিন। অপরদিকে পলাতক রয়েছেন বরিশাল-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এহসান উল্লাহ।
এর আগে গত ২০ মে ট্রাইব্যুনাল চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একইসঙ্গে সূচনা বক্তব্য ও রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৭ জুন দিন নির্ধারণ করা হয়।
মামলার ভুক্তভোগী দুজন হলেন আগৈলঝাড়া উপজেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং উপজেলা জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লা ছিলেন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। তাদের সরিয়ে দিতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রসিকিউশনের দাবি, ওই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তৎকালীন পুলিশ সুপার এহসান উল্লাহকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে ২০১৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি টিপু ও কবিরকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপতার করে পুলিশ। এরপর আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের পাশে গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কে কথিত ‘ক্রসফায়ারের’ ঘটনা সাজিয়ে তাদের হত্যা করা হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৭ জুন, ২০২৬ ১৩:৪১
১৭ জুন, ২০২৬ ১৩:২৪
১৭ জুন, ২০২৬ ১৩:০২
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:৫৭