
০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:১২
বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র ও কার্যক্রম স্থগিত আওয়ামী লীগের নেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র বিরুদ্ধে এবার দুর্নীতির অভিযোগে মামলা হয়েছে। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ভোগ-দখলে রাখার অভিযোগের ‘সত্যতা’ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে সাদিক আব্দুল্লাহ’র বরিশাল শহরের কালিবাড়ি রোডের পৈত্রিক ভবনে হামলা হয়। এবং এতে মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা ও সিটির ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গাজী নঈমুল ইসলাম লিটুসহ তিনজন আগুনে পুড়ে মারা যান। সহকর্মীদের এই প্রাণবিয়োগের আগেই বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আব্দুল্লাহ জনরোষে পড়ার আশঙ্কায় সেরনিয়াবাত ভবন ত্যাগ করেন। কিছুদিন পরে বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য পাওয়া যায় সাদিক পালিয়ে পার্শ্ববর্তী তাদের মিত্র দেশ ভারতে আশ্রয় নিয়ে আছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, তিনি প্রথমে ভারতে গেলেও পরবর্তীতে সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন।
পলাতক সাদিক আব্দুল্লাহ কোথায় আছেন এই ধোয়াশা পরিস্কার হওয়ার আগেই বরিশাল এবং রাজধানী ঢাকায় শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ছেলে সাদিকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। সেই সব মোকদ্দমা চলামান থাকার মধ্যে এবার বরিশাল আওয়ামী লীগের পলাতক এই নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। সংস্থাটির উপ-পরিচালক এসএম রাশেদুর রেজা মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকায় মামলাটি করেন। সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।
দুদক সূত্র জানিয়েছে, দুদক আইনের ২৬(১) ধারায় বরিশালের সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিস দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় একই আইনের ২৬(২) ধারায় ‘শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটিত’ হয়। এর আগে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে আসা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করা হয়। অনুসন্ধানকালে প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ভোগ-দখলে রাখার অভিযোগের ‘সত্যতা’ পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য সাদিক আবদুল্লাহর নামে নোটিস জারির সিদ্ধান্ত হয়।
নোটিস পৌঁছে দিতে ২৬ অক্টোবর দুদকের একজন কনস্টেবল রাজধানী ঢাকার কলাবাগান এলাকায় তার ঠিকানায় গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে ৪ নভেম্বর বরিশাল শহরের কালিবাড়ি সেরনিয়াবাত ভবনে গিয়েও তাকে না পাওয়ায় একই দিন আগৈলঝাড়া উপজেলার সেরাল এলাকার ঠিকানায় সম্পদ বিবরণী ফরমের মূল কপি বাড়ির দরজায় টাঙিয়ে নোটিস জারি করা হয়। দুদকের ওই সূত্রটি জানায়, ৪ নভেম্বর নোটিস জারির পর নির্ধারিত ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি সাদিক আবদুল্লাহ। এ কারণে তার বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। তার ক্ষমতার ৫ বছরে তিনি বরিশাল শহরবাসীর ওপর অনৈতিকভাবে ব্যাপক ছড়ি ঘুরিয়েছেন। বিশেষ করে শহর উন্নয়ন বাদ দিয়ে সাদিক বহুতল বাসা-বাড়ির নকশা আটকে ভূমি মালিকদের জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেন। এবং দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিকদের শায়েস্তা করতে গিয়ে ঘটনাচক্রে তুমুল বিতর্ক তৈরি করেছিলেন।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সাদিক আব্দুল্লাহ বিপুলসংখ্যক ক্যাডার বাহিনী নিয়ে শহরে ভীতিকর সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করেন। বিশেষ করে ১৮ জুলাই তার নেতৃত্বে শহরের চৌমাথা এলাকায় বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং সদস্যসচিব জিয়া সিকদারের ওপর হামলা ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এতে রাজনৈতিক বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন তিনি। এছাড়া তৎকালীন সাদিকের নেতৃত্বে বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপির কার্যালয়েও আগুন দেওয়া হয়।
উল্লেখিত বরিশালের আলোচিত এই দুটি ঘটনায় সাদিক এবং তার ক্যাডার বাহিনীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পাশাপাশি বরিশালে ও ঢাকায় তার বিরুদ্ধে আরও অসংখ্য মামলা হয়, যা বিচারাধীন আছে। পলাতক সাদিকের বিরুদ্ধে এবার সবশেষে মামলা করল দুর্নীতি দমন কমিশন।
দুর্নীতিসংক্রান্ত মামলার বিষয়ে জানতে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি তার ব্যবহৃত হোটসঅ্যাপ নম্বরে দিলে কল করা হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। তবে সাদিক আব্দুল্লাহকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরব দেখা যাচ্ছে। তিনি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন বার্তা ফেসবুকে শেয়ার করাসহ মাঝে মাঝে বিশেষ দিনে পোস্টও করে থাকেন। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সাদিক কি ভাবে বরিশালের কালিবাড়ির বাসা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে গেছেন, তার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া যায়নি। এবং বর্তমানে ভারতে না কী আমেরিকা অবস্থান করছেন তা তিনিও পরিস্কার করেননি। ফলে বরিশালের সাবেক এই জনপ্রতিনিধির আশ্রয়স্থল নিয়ে নেতাকর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও ধোয়াশা রয়েছে।’
বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র ও কার্যক্রম স্থগিত আওয়ামী লীগের নেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র বিরুদ্ধে এবার দুর্নীতির অভিযোগে মামলা হয়েছে। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ভোগ-দখলে রাখার অভিযোগের ‘সত্যতা’ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে সাদিক আব্দুল্লাহ’র বরিশাল শহরের কালিবাড়ি রোডের পৈত্রিক ভবনে হামলা হয়। এবং এতে মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা ও সিটির ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গাজী নঈমুল ইসলাম লিটুসহ তিনজন আগুনে পুড়ে মারা যান। সহকর্মীদের এই প্রাণবিয়োগের আগেই বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আব্দুল্লাহ জনরোষে পড়ার আশঙ্কায় সেরনিয়াবাত ভবন ত্যাগ করেন। কিছুদিন পরে বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য পাওয়া যায় সাদিক পালিয়ে পার্শ্ববর্তী তাদের মিত্র দেশ ভারতে আশ্রয় নিয়ে আছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, তিনি প্রথমে ভারতে গেলেও পরবর্তীতে সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন।
পলাতক সাদিক আব্দুল্লাহ কোথায় আছেন এই ধোয়াশা পরিস্কার হওয়ার আগেই বরিশাল এবং রাজধানী ঢাকায় শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ছেলে সাদিকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। সেই সব মোকদ্দমা চলামান থাকার মধ্যে এবার বরিশাল আওয়ামী লীগের পলাতক এই নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। সংস্থাটির উপ-পরিচালক এসএম রাশেদুর রেজা মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকায় মামলাটি করেন। সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।
দুদক সূত্র জানিয়েছে, দুদক আইনের ২৬(১) ধারায় বরিশালের সাবেক মেয়র সাদিক আবদুল্লাহকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিস দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় একই আইনের ২৬(২) ধারায় ‘শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটিত’ হয়। এর আগে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে আসা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করা হয়। অনুসন্ধানকালে প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ভোগ-দখলে রাখার অভিযোগের ‘সত্যতা’ পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য সাদিক আবদুল্লাহর নামে নোটিস জারির সিদ্ধান্ত হয়।
নোটিস পৌঁছে দিতে ২৬ অক্টোবর দুদকের একজন কনস্টেবল রাজধানী ঢাকার কলাবাগান এলাকায় তার ঠিকানায় গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে ৪ নভেম্বর বরিশাল শহরের কালিবাড়ি সেরনিয়াবাত ভবনে গিয়েও তাকে না পাওয়ায় একই দিন আগৈলঝাড়া উপজেলার সেরাল এলাকার ঠিকানায় সম্পদ বিবরণী ফরমের মূল কপি বাড়ির দরজায় টাঙিয়ে নোটিস জারি করা হয়। দুদকের ওই সূত্রটি জানায়, ৪ নভেম্বর নোটিস জারির পর নির্ধারিত ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি সাদিক আবদুল্লাহ। এ কারণে তার বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। তার ক্ষমতার ৫ বছরে তিনি বরিশাল শহরবাসীর ওপর অনৈতিকভাবে ব্যাপক ছড়ি ঘুরিয়েছেন। বিশেষ করে শহর উন্নয়ন বাদ দিয়ে সাদিক বহুতল বাসা-বাড়ির নকশা আটকে ভূমি মালিকদের জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেন। এবং দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিকদের শায়েস্তা করতে গিয়ে ঘটনাচক্রে তুমুল বিতর্ক তৈরি করেছিলেন।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সাদিক আব্দুল্লাহ বিপুলসংখ্যক ক্যাডার বাহিনী নিয়ে শহরে ভীতিকর সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করেন। বিশেষ করে ১৮ জুলাই তার নেতৃত্বে শহরের চৌমাথা এলাকায় বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং সদস্যসচিব জিয়া সিকদারের ওপর হামলা ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এতে রাজনৈতিক বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন তিনি। এছাড়া তৎকালীন সাদিকের নেতৃত্বে বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপির কার্যালয়েও আগুন দেওয়া হয়।
উল্লেখিত বরিশালের আলোচিত এই দুটি ঘটনায় সাদিক এবং তার ক্যাডার বাহিনীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পাশাপাশি বরিশালে ও ঢাকায় তার বিরুদ্ধে আরও অসংখ্য মামলা হয়, যা বিচারাধীন আছে। পলাতক সাদিকের বিরুদ্ধে এবার সবশেষে মামলা করল দুর্নীতি দমন কমিশন।
দুর্নীতিসংক্রান্ত মামলার বিষয়ে জানতে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি তার ব্যবহৃত হোটসঅ্যাপ নম্বরে দিলে কল করা হলেও অপরপ্রান্ত থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। তবে সাদিক আব্দুল্লাহকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরব দেখা যাচ্ছে। তিনি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন বার্তা ফেসবুকে শেয়ার করাসহ মাঝে মাঝে বিশেষ দিনে পোস্টও করে থাকেন। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সাদিক কি ভাবে বরিশালের কালিবাড়ির বাসা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে গেছেন, তার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া যায়নি। এবং বর্তমানে ভারতে না কী আমেরিকা অবস্থান করছেন তা তিনিও পরিস্কার করেননি। ফলে বরিশালের সাবেক এই জনপ্রতিনিধির আশ্রয়স্থল নিয়ে নেতাকর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও ধোয়াশা রয়েছে।’

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.