
০২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:০০
চালুর অপেক্ষায় রয়েছে মোংলা পোর্ট উন্নয়ন প্রকল্প পোর্ট রিসিপশন ফ্যাসিলিটি (পিআরএফ)। এ প্রকল্প চালু হলে জাহাজ থেকে তেল সংগ্রহ এবং অপসারণের ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নদী ও সামুদ্রিক জীবনচক্র রক্ষা করবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এটি রাজশাহী, রংপুর এবং বরিশাল বিভাগের সাথে সড়ক, নদী এবং রেলপথের মাধ্যমে উন্নত সংযোগ প্রদান করছে।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক জীবনরেখা হিসেবে মোংলা বন্দর খাদ্যশস্য, সিমেন্ট ক্লিংকার, সার, গাড়ি, যন্ত্রপাতি, চাল, গম, কয়লা, জ্বালানি তেল, পাথর, ভুট্টা, তৈলবীজ এবং এলপিজি আমদানি করছে। অন্যদিকে হিমায়িত মাছ, চিংড়ি, কাঁকড়া, পাট ও পাটজাত পণ্য, মাটি, টাইলস, রেশম বস্ত্র এবং সাধারণ পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।
একটি বিশ্বমানের, আধুনিক ও নিরাপদ বন্দর ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য, বন্দরের আধুনিকীকরণ এবং পরিচালনা ক্ষমতা বৃদ্ধি, চ্যানেলের নাব্যতা নিশ্চিতকরণ, পণ্য সম্ভার ও কন্টেইনার সংরক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ, আধুনিক সরঞ্জাম সংগ্রহ এবং নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের (এমপিএ) সিনিয়র উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মো. মাকরুজ্জামান বাসসকে বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোংলা বন্দর সকল প্রধান পরিচালন ও আর্থিক লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে। ৮.৮৮ মিলিয়ন মেট্রিক টন কার্গো হ্যান্ডলিং-এর বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বন্দরটি ১০.৪১২ মিলিয়ন মেট্রিক টন হ্যান্ডলিং করেছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ১.৫৩২ মিলিয়ন টন বা ১৭.২৫ শতাংশ বেশি। একই অর্থবছরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং এর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০,০০০ টিইইউ। এ সময় বন্দরটি ২১,৪৫৬ টিইইউ হ্যান্ডলিং করেছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ১,৪৫৬ টিইইউ বা ৭.২৮ শতাংশ অতিক্রম করেছে।
তিনি জানান, মোংলা বন্দর তার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রাও অতিক্রম করেছে। বার্ষিক রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৩৩৩.৮৭ কোটি টাকার বিপরীতে ৩৪৩.৩০ কোটি টাকা আয় করেছে। যা ৯.৪৬ কোটি টাকা বা ২.৮৩ শতাংশ বেশি। এ বন্দরের নিট মুনাফাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০.৪৬ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বন্দরটি ৬২.১০ কোটি টাকা অর্জন করেছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ৪১.৬৪ কোটি টাকা ছাড়িয়ে ২০৩.৪৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বন্দর কর্মকর্তারা জানান, আধুনিক সরঞ্জাম সংগ্রহের ফলে প্রতি ঘন্টায় ২৪টিরও বেশি কন্টেইনার পরিচালনা সম্ভব হয়েছে। জেটির সামনে নিয়মিত ড্রেজিংয়ের ফলে নাব্যতা নিশ্চিত হয়েছে। যার ফলে পাঁচটি জেটিতে একই সাথে পাঁচটি জাহাজ পরিচালনা করা সম্ভব হয়েছে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে মোংলা বন্দরে ৩৫৬টি পণ্যবাহী জাহাজ নোঙর করেছে। এ থেকে ১৩,৮৫৪ টিইইউ কন্টেইনার পরিচালনা করেছে, ৪,১৩৯টি আমদানিকৃত যানবাহন প্রক্রিয়াজাত করেছে এবং ৪.৪ মিলিয়ন টন আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিচালনা করেছে।
বন্দর কর্মকর্তা মাকরুজ্জামান বলেন, মোংলা বন্দরের পিআরএফ প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে। এই প্রকল্প বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশগুলিতে ট্রানজিট পণ্য আমদানি ও রপ্তানি করার জন্য বিরাট সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এ বন্দর ব্যবহার করলে স্থল, জল এবং রেলপথে রাজশাহী, রংপুর এবং বরিশাল বিভাগের পণ্য পরিবহন সহজতর এবং দ্রুততর হবে।
তিনি বলেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বার্ষিক ১৫০ মিলিয়ন টন কার্গো এবং ৩৫০-৪০০ লক্ষ টিইইউ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে। এর ফলে বন্দরের কার্যক্রমের সাথে যুক্ত শিপিং এজেন্ট, সিএন্ডএফ এজেন্ট, স্টিভডরিং এবং শ্রমিক শ্রেণীর মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে আধুনিক বন্দরের মাধ্যমে ৪ লক্ষ টিইইউ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রতি বছর ১৫০ মিলিয়ন টন কার্গো এবং ৪০০ লক্ষ টিইইউ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহীন রহমান বাসসকে বলেন, মোংলা বন্দর চ্যানেলে সংরক্ষণ ড্রেজিং করা হবে। কর্মক্ষমতা-ভিত্তিক সংরক্ষণ ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের নাব্যতা রক্ষার জন্য প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রতি বছর মোংলা বন্দর দিয়ে জেটি পর্যন্ত ৯.৫-১০ মিটারের ড্রাফটসহ ১০০টিরও বেশি অতিরিক্ত জাহাজ এবং জেটি থেকে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত ১৩০টি অতিরিক্ত জাহাজ পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, মোংলা বন্দরকে আরও আধুনিক ও বিশ্বমানের করার জন্য বেশ কয়েকটি প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং ভবিষ্যতের উন্নয়নের জন্য কিছু প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ (এমপিএ) সোমবার ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে তার প্ল্যাটিনাম জয়ন্তী এবং ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করেছে।
চালুর অপেক্ষায় রয়েছে মোংলা পোর্ট উন্নয়ন প্রকল্প পোর্ট রিসিপশন ফ্যাসিলিটি (পিআরএফ)। এ প্রকল্প চালু হলে জাহাজ থেকে তেল সংগ্রহ এবং অপসারণের ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নদী ও সামুদ্রিক জীবনচক্র রক্ষা করবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এটি রাজশাহী, রংপুর এবং বরিশাল বিভাগের সাথে সড়ক, নদী এবং রেলপথের মাধ্যমে উন্নত সংযোগ প্রদান করছে।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক জীবনরেখা হিসেবে মোংলা বন্দর খাদ্যশস্য, সিমেন্ট ক্লিংকার, সার, গাড়ি, যন্ত্রপাতি, চাল, গম, কয়লা, জ্বালানি তেল, পাথর, ভুট্টা, তৈলবীজ এবং এলপিজি আমদানি করছে। অন্যদিকে হিমায়িত মাছ, চিংড়ি, কাঁকড়া, পাট ও পাটজাত পণ্য, মাটি, টাইলস, রেশম বস্ত্র এবং সাধারণ পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।
একটি বিশ্বমানের, আধুনিক ও নিরাপদ বন্দর ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য, বন্দরের আধুনিকীকরণ এবং পরিচালনা ক্ষমতা বৃদ্ধি, চ্যানেলের নাব্যতা নিশ্চিতকরণ, পণ্য সম্ভার ও কন্টেইনার সংরক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ, আধুনিক সরঞ্জাম সংগ্রহ এবং নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের (এমপিএ) সিনিয়র উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মো. মাকরুজ্জামান বাসসকে বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোংলা বন্দর সকল প্রধান পরিচালন ও আর্থিক লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে। ৮.৮৮ মিলিয়ন মেট্রিক টন কার্গো হ্যান্ডলিং-এর বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বন্দরটি ১০.৪১২ মিলিয়ন মেট্রিক টন হ্যান্ডলিং করেছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ১.৫৩২ মিলিয়ন টন বা ১৭.২৫ শতাংশ বেশি। একই অর্থবছরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং এর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০,০০০ টিইইউ। এ সময় বন্দরটি ২১,৪৫৬ টিইইউ হ্যান্ডলিং করেছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ১,৪৫৬ টিইইউ বা ৭.২৮ শতাংশ অতিক্রম করেছে।
তিনি জানান, মোংলা বন্দর তার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রাও অতিক্রম করেছে। বার্ষিক রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৩৩৩.৮৭ কোটি টাকার বিপরীতে ৩৪৩.৩০ কোটি টাকা আয় করেছে। যা ৯.৪৬ কোটি টাকা বা ২.৮৩ শতাংশ বেশি। এ বন্দরের নিট মুনাফাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০.৪৬ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বন্দরটি ৬২.১০ কোটি টাকা অর্জন করেছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ৪১.৬৪ কোটি টাকা ছাড়িয়ে ২০৩.৪৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বন্দর কর্মকর্তারা জানান, আধুনিক সরঞ্জাম সংগ্রহের ফলে প্রতি ঘন্টায় ২৪টিরও বেশি কন্টেইনার পরিচালনা সম্ভব হয়েছে। জেটির সামনে নিয়মিত ড্রেজিংয়ের ফলে নাব্যতা নিশ্চিত হয়েছে। যার ফলে পাঁচটি জেটিতে একই সাথে পাঁচটি জাহাজ পরিচালনা করা সম্ভব হয়েছে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে মোংলা বন্দরে ৩৫৬টি পণ্যবাহী জাহাজ নোঙর করেছে। এ থেকে ১৩,৮৫৪ টিইইউ কন্টেইনার পরিচালনা করেছে, ৪,১৩৯টি আমদানিকৃত যানবাহন প্রক্রিয়াজাত করেছে এবং ৪.৪ মিলিয়ন টন আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিচালনা করেছে।
বন্দর কর্মকর্তা মাকরুজ্জামান বলেন, মোংলা বন্দরের পিআরএফ প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে। এই প্রকল্প বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশগুলিতে ট্রানজিট পণ্য আমদানি ও রপ্তানি করার জন্য বিরাট সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এ বন্দর ব্যবহার করলে স্থল, জল এবং রেলপথে রাজশাহী, রংপুর এবং বরিশাল বিভাগের পণ্য পরিবহন সহজতর এবং দ্রুততর হবে।
তিনি বলেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বার্ষিক ১৫০ মিলিয়ন টন কার্গো এবং ৩৫০-৪০০ লক্ষ টিইইউ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে। এর ফলে বন্দরের কার্যক্রমের সাথে যুক্ত শিপিং এজেন্ট, সিএন্ডএফ এজেন্ট, স্টিভডরিং এবং শ্রমিক শ্রেণীর মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে আধুনিক বন্দরের মাধ্যমে ৪ লক্ষ টিইইউ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রতি বছর ১৫০ মিলিয়ন টন কার্গো এবং ৪০০ লক্ষ টিইইউ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহীন রহমান বাসসকে বলেন, মোংলা বন্দর চ্যানেলে সংরক্ষণ ড্রেজিং করা হবে। কর্মক্ষমতা-ভিত্তিক সংরক্ষণ ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের নাব্যতা রক্ষার জন্য প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রতি বছর মোংলা বন্দর দিয়ে জেটি পর্যন্ত ৯.৫-১০ মিটারের ড্রাফটসহ ১০০টিরও বেশি অতিরিক্ত জাহাজ এবং জেটি থেকে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত ১৩০টি অতিরিক্ত জাহাজ পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, মোংলা বন্দরকে আরও আধুনিক ও বিশ্বমানের করার জন্য বেশ কয়েকটি প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং ভবিষ্যতের উন্নয়নের জন্য কিছু প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ (এমপিএ) সোমবার ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে তার প্ল্যাটিনাম জয়ন্তী এবং ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করেছে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২১

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪১
বরিশালের গৌরনদীতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের একটি ব্রিজের রেলিং ভেঙে পণ্যবাহী ট্রাক খাদে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ট্রাকটির চালক ও হেলপার আহত হলেও ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে গেছেন। তারা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে মহাসড়কের টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বরিশালগামী একটি মালবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নীলখোলা ব্রিজের রেলিং ভেঙে সরাসরি খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং ট্রাকের ভেতর আটকে পড়া চালক ও হেলপারকে উদ্ধার করেন। দুর্ঘটনার তীব্রতা বেশি থাকলেও তারা দুজনেই সামান্য আঘাত পেয়ে প্রাণে রক্ষা পান।
এ বিষয়ে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম শেখ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩৯
হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৩০ জন শিশু।
বৃহস্পতিবার (০৮ এপ্রিল) সকালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ নিয়ে বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ১২ জনে পৌঁছালো।
মৃতরা হলো: বরিশালের বাকেরগঞ্জের পান্না খানের পাঁচ মাস বয়সী ছেলে ইমাম ও বরগুনার আমতলীর আবু বকরের ৯ মাস বয়সী ছেলে আনু সালেহ। শেবাচিম হাসপাতালে বর্তমানে হাম সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছে মোট ৯১ জন। আর ছাড়পত্র নিয়ে গেছে ২৭ জন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আজ ৯ এপ্রিল পর্যন্ত হাসপাতালটি থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ৩০১ জন।
এ দিকে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, এই রোগের উপসর্গ নিয়ে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছিলেন মোট ১০৮০ জন। যার মধ্যে ছাড়পত্র নিয়েছে ৬৩১ জন। আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫৭ জন।
এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাং শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, ‘হাম অতি ছোঁয়াচে সংক্রমণ ব্যাধি। এই রোগ যাতে দ্রুত ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য বিভাগের সব হাসপাতালে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি টিকা কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের বানারীপাড়ায় যৌতুক না পেয়ে নির্মম নির্যাতন করে স্ত্রী মারিয়া আক্তারকে (১৮) হত্যা মামলার আসামী ঘাতক স্বামী রবিউল মৃধাকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত দুইটার দিকে রাজধানীর নন্দীপাড়ার ছোট বটতলার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে তাকে বানারীপাড়া থানায় নিয়ে আসার পরে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার জেড, এম মোস্তাফিজুর রহমানের দূরদর্শী দিক নির্দেশনায় গৃহবধু মারিয়া আক্তার মারা যাওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ঢাকা থেকে হত্যা মামলার মূল আসামী রবিউলকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছি।এর আগে বুধবার রাতে নিহত মারিয়া আক্তারের পিতা হুমায়ুন কবির হাওলাদার বাদী হয়ে মেয়ে জামাতা রবিউলকে প্রধান আসামী ও ৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে বানারীপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়।
তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। জীবিকার তাগিদে তারা রাজধানী ঢাকায় নন্দীপাড়ার ছোট বটতলায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা গাড়ির চালক।
যৌতুকের টাকার দাবি পূরণ ও বিয়ের সময়ে প্রতিশ্রুত স্বর্নের কানের দুল দিতে না পারা এবং মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রবিউল স্ত্রী মারিয়াকে মানসিক ও শারিরীকভাবে নির্যাতন করতেন।
স্ত্রীকে নির্যাতনে রবিউলকে তার মা ও বোন ইন্ধন যোগাতেন। রমজান মাসে রবিউল তার স্ত্রী মারিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন। চা দোকানী দরিদ্র বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং বাসায় বসে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা স্ত্রী মারিয়াকে অমানবিকভাবে মারধর করে। এ সময় পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। , এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের পরে তাকে কোন চিকিৎসাও করানো হয়নি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারনে বাসায় রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফা তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার খবর পেয়ে তার মা হাফিজা বেগম ঢাকায় ছুঁটে যান। সেখান থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুরুতর আহত মারিয়াকে বানারীপাড়ায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। সেখানে ময়না তদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জানাজা শেষে তার মরদেহ বাবার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে মারিয়ার ঘাতক রবিউল মৃধা অল্প সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার হওয়ায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা ঘাতকের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় যৌতুক না পেয়ে নির্মম নির্যাতন করে স্ত্রী মারিয়া আক্তারকে (১৮) হত্যা মামলার আসামী ঘাতক স্বামী রবিউল মৃধাকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত দুইটার দিকে রাজধানীর নন্দীপাড়ার ছোট বটতলার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে তাকে বানারীপাড়া থানায় নিয়ে আসার পরে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার জেড, এম মোস্তাফিজুর রহমানের দূরদর্শী দিক নির্দেশনায় গৃহবধু মারিয়া আক্তার মারা যাওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ঢাকা থেকে হত্যা মামলার মূল আসামী রবিউলকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছি।এর আগে বুধবার রাতে নিহত মারিয়া আক্তারের পিতা হুমায়ুন কবির হাওলাদার বাদী হয়ে মেয়ে জামাতা রবিউলকে প্রধান আসামী ও ৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে বানারীপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়।
তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। জীবিকার তাগিদে তারা রাজধানী ঢাকায় নন্দীপাড়ার ছোট বটতলায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা গাড়ির চালক।
যৌতুকের টাকার দাবি পূরণ ও বিয়ের সময়ে প্রতিশ্রুত স্বর্নের কানের দুল দিতে না পারা এবং মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রবিউল স্ত্রী মারিয়াকে মানসিক ও শারিরীকভাবে নির্যাতন করতেন।
স্ত্রীকে নির্যাতনে রবিউলকে তার মা ও বোন ইন্ধন যোগাতেন। রমজান মাসে রবিউল তার স্ত্রী মারিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন। চা দোকানী দরিদ্র বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং বাসায় বসে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা স্ত্রী মারিয়াকে অমানবিকভাবে মারধর করে। এ সময় পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। , এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের পরে তাকে কোন চিকিৎসাও করানো হয়নি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারনে বাসায় রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফা তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার খবর পেয়ে তার মা হাফিজা বেগম ঢাকায় ছুঁটে যান। সেখান থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুরুতর আহত মারিয়াকে বানারীপাড়ায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। সেখানে ময়না তদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জানাজা শেষে তার মরদেহ বাবার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে মারিয়ার ঘাতক রবিউল মৃধা অল্প সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার হওয়ায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা ঘাতকের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন।
বরিশালের গৌরনদীতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের একটি ব্রিজের রেলিং ভেঙে পণ্যবাহী ট্রাক খাদে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ট্রাকটির চালক ও হেলপার আহত হলেও ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে গেছেন। তারা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে মহাসড়কের টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বরিশালগামী একটি মালবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নীলখোলা ব্রিজের রেলিং ভেঙে সরাসরি খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং ট্রাকের ভেতর আটকে পড়া চালক ও হেলপারকে উদ্ধার করেন। দুর্ঘটনার তীব্রতা বেশি থাকলেও তারা দুজনেই সামান্য আঘাত পেয়ে প্রাণে রক্ষা পান।
এ বিষয়ে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম শেখ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৩০ জন শিশু।
বৃহস্পতিবার (০৮ এপ্রিল) সকালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ নিয়ে বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ১২ জনে পৌঁছালো।
মৃতরা হলো: বরিশালের বাকেরগঞ্জের পান্না খানের পাঁচ মাস বয়সী ছেলে ইমাম ও বরগুনার আমতলীর আবু বকরের ৯ মাস বয়সী ছেলে আনু সালেহ। শেবাচিম হাসপাতালে বর্তমানে হাম সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছে মোট ৯১ জন। আর ছাড়পত্র নিয়ে গেছে ২৭ জন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আজ ৯ এপ্রিল পর্যন্ত হাসপাতালটি থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ৩০১ জন।
এ দিকে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, এই রোগের উপসর্গ নিয়ে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছিলেন মোট ১০৮০ জন। যার মধ্যে ছাড়পত্র নিয়েছে ৬৩১ জন। আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫৭ জন।
এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাং শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, ‘হাম অতি ছোঁয়াচে সংক্রমণ ব্যাধি। এই রোগ যাতে দ্রুত ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য বিভাগের সব হাসপাতালে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি টিকা কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।’
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১০
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৬