ছবি: সংগৃহীত
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় স্বামীর হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে স্বামীর মরদেহ নিয়ে থানায় আসলো স্ত্রী ও তার দুই সন্তান। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার নারায়ণগঞ্জ থেকে এ মরদেহ নিয়ে থানায় উপস্থিত হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। শত শত এলাকাবাসী থানার সামনে ভীড় করে। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করে।
নিহতের পরিবারের দাবি, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের মারধরে তার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। কলাপাড়া থানা পুলিশ জানায়, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের ইদ্রিস আলী খান স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ঢাকার নারায়ণগঞ্জে থাকেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এলাকার এক ব্যক্তির ফেসবুকে ইউপি মেম্বর জহিরুল ইসলামের রান্না করার ছবির পোস্টে ইদ্রিস আলী একটি কমেন্ট করেন।
কমেন্টে লেখেন রাতে গরু চুরি করে আর দিনে পাকায়। তারে ফেসবুক কমেন্টে ক্ষিপ্ত হন নীলগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম। এরপরই তাকে বিভিন্নভাবে ফোনে হুমকি দেয়া হয় বলে তার পরিবারের অভিযোগ।
নিহত ইদ্রিস আলীর স্ত্রী আমেনা খাতুন বলেন, তার দুই সন্তান নিয়ে এখন কোথায় যাবেন। সাধারণ একটি ঘটনা নিয়ে তার স্বামীকে মারধর করা হয়েছে। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
নিহতের ছেলে মো. পারভেজ ও ভাই আলমগীর খান বলেন, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে নীলগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ইদ্রিস আলীকে তার অফিসে ডেকে পাঠান। ইদ্রিস আলী অফিসে এসে তার কমেন্টের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। কিন্তু তাকে ক্ষমা না করে উল্টো মারধর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপরই অসুস্থ হয়ে পড়ে ইদ্রিস।
তারা বলেন, ঘটনার রাত থেকে ইদ্রিস আলী শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। সবশেষ সোমবার আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
তাদের অভিযোগ, মেম্বর ও তার সহযোগীদের মারধরেই ইদ্রিস আলী মারা গেছে। তারা এ ঘটনার দোষীদের শাস্তি দাবি করে মৃতদেহ নিয়ে থানায় এসেছেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ঐদিন প্যানেল চেয়ারম্যানের অফিসে গিয়ে নিহত ইদ্রিস অনেক অনুনয় বিনয় করেছেন। কিন্তু কেন সে মেম্বারের বিরুদ্ধে পোস্ট দিয়েছে এ কারণে তাকে মারধর করে। তারা এ সময় বাধা দিতে গেলে তাদেরও অফিস থেকে বের করে দেয়া হয়।
এদিকে ইদ্রিস আলীর মৃতদেহ থানায় আসলো পুলিশ এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
কলাপাড়া থানার এসআই ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তবে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সুরতহালে নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তবে ঘটনার সাথে জড়িত নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম নিহত ইদ্রিস আলীকে অফিসে ডাকার কথা স্বীকার করলেও মারধরের কথা স্বীকার করেননি।
তিনি মুঠো ফোনে বলেন, নির্বাচনের সময় তার বিরুদ্ধে একটি পোস্ট দেওয়া কে কেন্দ্র করে সমর্থকরা কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়। তবে তিনি এই বিষয়ে তাকে কিছুই বলেননি। তার বিরুদ্ধে মারধরের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা।
বরিশাল টাইমস

৩০ জুলাই, ২০২৬ ১৩:২৫
পটুয়াখালীর বাউফলে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ফারুক হোসেন প্যাদাকে (৪০) মারধর করার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে খেজুরবাড়ীয়া গ্রমে এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ফারুক হোসেন প্যাদার বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ এনে ওই গৃহবধূর স্বামী পারভেজ সহ কয়েকজন তাকে জিজ্ঞাসা করলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা আহত ফারুককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন প্যাদা বলেন, স্থানীয় সাইদুল, পারভেজ মৃধা সহ তাদের বাড়ির ৪-৫ জন আমাকে মারধর করেছে। তারা আমার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। অতীতে তাদের সঙ্গে আমার বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে আমার বিরুদ্ধে এক নারীর সম্পর্ক রয়েছে বলে গুজব ছড়াচ্ছে। আমি তাদের এ ধরনের মিথ্যা অপবাদ না ছড়ানোর অনুরোধ করি। আমি কোনো নারীকে উত্ত্যক্ত করিনি। তারপরও কথিত অভিযোগে আমাকে মারধর করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ওই গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে আমার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করত। তাকে টাকা-পয়সার প্রলোভন দিত। একপর্যায়ে সে আমাদের পরিবারের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় কানাঘুষা চলছিল। প্রথমে আমরা তা বিশ্বাস করিনি। পরে কিছু ছবি দেখানোর পর বিষয়টি বিশ্বাস করি। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও সে আমার পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দিত।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারধরের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ফারুক হোসেন প্যাদাকে (৪০) মারধর করার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে খেজুরবাড়ীয়া গ্রমে এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ফারুক হোসেন প্যাদার বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ এনে ওই গৃহবধূর স্বামী পারভেজ সহ কয়েকজন তাকে জিজ্ঞাসা করলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা আহত ফারুককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন প্যাদা বলেন, স্থানীয় সাইদুল, পারভেজ মৃধা সহ তাদের বাড়ির ৪-৫ জন আমাকে মারধর করেছে। তারা আমার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। অতীতে তাদের সঙ্গে আমার বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে আমার বিরুদ্ধে এক নারীর সম্পর্ক রয়েছে বলে গুজব ছড়াচ্ছে। আমি তাদের এ ধরনের মিথ্যা অপবাদ না ছড়ানোর অনুরোধ করি। আমি কোনো নারীকে উত্ত্যক্ত করিনি। তারপরও কথিত অভিযোগে আমাকে মারধর করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ওই গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে আমার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করত। তাকে টাকা-পয়সার প্রলোভন দিত। একপর্যায়ে সে আমাদের পরিবারের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় কানাঘুষা চলছিল। প্রথমে আমরা তা বিশ্বাস করিনি। পরে কিছু ছবি দেখানোর পর বিষয়টি বিশ্বাস করি। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও সে আমার পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দিত।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারধরের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৬
পটুয়াখালীর দুমকিতে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান এবং মিরাজ খান গং কর্তৃক সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুল আলম শুভ খানসহ কয়েকজন যুবকের ওপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় দুমকি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন হামলার শিকার সাইফুল আলম।
জানা যায়, উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মৃত্যু সোলাইমান খানের ছেলে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান প্রায় এক যুগ ধরে দাপটের সাথে গাঁজা ইয়াবার ব্যবসা করে আসছে। ব্যবসা করতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার মাদকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে মাদকসহ গ্রেফতার হন। কিছুদিন জেল খেটে বেরিয়ে পূনরায় বীরদর্পে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ফিরোজ খান ও মিরাজ খানের প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করেন একই এলাকার বাসিন্দা সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ সাইফুল আলম শুভ সহ কয়েকজন যুবক।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থেকে গত ২৪ জুলাই রাতে ফিরোজ খান ও মিরাজ খানসহ তাদের সহযোগীদের নিয়ে সাইফুল আলম শুভ, মনির হোসেন,আবু তাহের সহ কয়েকজন যুবকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এবং এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সেলিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
পটুয়াখালীর দুমকিতে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান এবং মিরাজ খান গং কর্তৃক সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুল আলম শুভ খানসহ কয়েকজন যুবকের ওপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় দুমকি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন হামলার শিকার সাইফুল আলম।
জানা যায়, উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মৃত্যু সোলাইমান খানের ছেলে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান প্রায় এক যুগ ধরে দাপটের সাথে গাঁজা ইয়াবার ব্যবসা করে আসছে। ব্যবসা করতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার মাদকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে মাদকসহ গ্রেফতার হন। কিছুদিন জেল খেটে বেরিয়ে পূনরায় বীরদর্পে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ফিরোজ খান ও মিরাজ খানের প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করেন একই এলাকার বাসিন্দা সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ সাইফুল আলম শুভ সহ কয়েকজন যুবক।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থেকে গত ২৪ জুলাই রাতে ফিরোজ খান ও মিরাজ খানসহ তাদের সহযোগীদের নিয়ে সাইফুল আলম শুভ, মনির হোসেন,আবু তাহের সহ কয়েকজন যুবকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এবং এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সেলিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৫৩
বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী নারী। চলতি মাসের ২২ তারিখ পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদি হয়ে মামলা দায়ের করা হয়।
এদিকে, মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৭ বছর আগে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী মারা যান। এরপর তিনি একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাবা বাড়ি ইটবাড়িয়া ইউনিয়নে চলে যান। সেখানে তাকে দেখার পর শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দেন। এতে রাজী না হলে শহিদুল তাকে বিবাহের প্রস্তাব দেন।
চলতি বছরের ২৪ মার্চ ওই বিধবা ভুক্তভোগী নারীকে প্রলোভন দেখিয়ে শহরের শেরে বাংলা সড়কে শহীদুলের বোনের বাসায় নিয়ে গেলে কক্ষের মধ্যে আটকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত শহিদুল। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন তিনি।
এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শহরে নিয়ে আসা হয়। পরে শহিদুলের বোনের বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়েছেন। পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, যেহেতু তার (মো.শহিদুল) নামে আদালতে মামলা হয়েছে, এ বিষয়ে আমাদের কিছু বলা উচিত না। আদালত তার বিচার করবেন। আদালত দেখবেন সত্য নাকি মিথ্যা। দোষী হলে পরে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত মামলার কপি হাতে পাইনি। কপি হাতে পেলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী নারী। চলতি মাসের ২২ তারিখ পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদি হয়ে মামলা দায়ের করা হয়।
এদিকে, মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৭ বছর আগে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী মারা যান। এরপর তিনি একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাবা বাড়ি ইটবাড়িয়া ইউনিয়নে চলে যান। সেখানে তাকে দেখার পর শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দেন। এতে রাজী না হলে শহিদুল তাকে বিবাহের প্রস্তাব দেন।
চলতি বছরের ২৪ মার্চ ওই বিধবা ভুক্তভোগী নারীকে প্রলোভন দেখিয়ে শহরের শেরে বাংলা সড়কে শহীদুলের বোনের বাসায় নিয়ে গেলে কক্ষের মধ্যে আটকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত শহিদুল। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন তিনি।
এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শহরে নিয়ে আসা হয়। পরে শহিদুলের বোনের বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়েছেন। পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, যেহেতু তার (মো.শহিদুল) নামে আদালতে মামলা হয়েছে, এ বিষয়ে আমাদের কিছু বলা উচিত না। আদালত তার বিচার করবেন। আদালত দেখবেন সত্য নাকি মিথ্যা। দোষী হলে পরে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত মামলার কপি হাতে পাইনি। কপি হাতে পেলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

০৩ মার্চ, ২০২৬ ২০:২১
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় স্বামীর হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে স্বামীর মরদেহ নিয়ে থানায় আসলো স্ত্রী ও তার দুই সন্তান। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার নারায়ণগঞ্জ থেকে এ মরদেহ নিয়ে থানায় উপস্থিত হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। শত শত এলাকাবাসী থানার সামনে ভীড় করে। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করে।
নিহতের পরিবারের দাবি, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের মারধরে তার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। কলাপাড়া থানা পুলিশ জানায়, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের ইদ্রিস আলী খান স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ঢাকার নারায়ণগঞ্জে থাকেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এলাকার এক ব্যক্তির ফেসবুকে ইউপি মেম্বর জহিরুল ইসলামের রান্না করার ছবির পোস্টে ইদ্রিস আলী একটি কমেন্ট করেন।
কমেন্টে লেখেন রাতে গরু চুরি করে আর দিনে পাকায়। তারে ফেসবুক কমেন্টে ক্ষিপ্ত হন নীলগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম। এরপরই তাকে বিভিন্নভাবে ফোনে হুমকি দেয়া হয় বলে তার পরিবারের অভিযোগ।
নিহত ইদ্রিস আলীর স্ত্রী আমেনা খাতুন বলেন, তার দুই সন্তান নিয়ে এখন কোথায় যাবেন। সাধারণ একটি ঘটনা নিয়ে তার স্বামীকে মারধর করা হয়েছে। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
নিহতের ছেলে মো. পারভেজ ও ভাই আলমগীর খান বলেন, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে নীলগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ইদ্রিস আলীকে তার অফিসে ডেকে পাঠান। ইদ্রিস আলী অফিসে এসে তার কমেন্টের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। কিন্তু তাকে ক্ষমা না করে উল্টো মারধর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপরই অসুস্থ হয়ে পড়ে ইদ্রিস।
তারা বলেন, ঘটনার রাত থেকে ইদ্রিস আলী শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। সবশেষ সোমবার আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
তাদের অভিযোগ, মেম্বর ও তার সহযোগীদের মারধরেই ইদ্রিস আলী মারা গেছে। তারা এ ঘটনার দোষীদের শাস্তি দাবি করে মৃতদেহ নিয়ে থানায় এসেছেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ঐদিন প্যানেল চেয়ারম্যানের অফিসে গিয়ে নিহত ইদ্রিস অনেক অনুনয় বিনয় করেছেন। কিন্তু কেন সে মেম্বারের বিরুদ্ধে পোস্ট দিয়েছে এ কারণে তাকে মারধর করে। তারা এ সময় বাধা দিতে গেলে তাদেরও অফিস থেকে বের করে দেয়া হয়।
এদিকে ইদ্রিস আলীর মৃতদেহ থানায় আসলো পুলিশ এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
কলাপাড়া থানার এসআই ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তবে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সুরতহালে নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তবে ঘটনার সাথে জড়িত নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম নিহত ইদ্রিস আলীকে অফিসে ডাকার কথা স্বীকার করলেও মারধরের কথা স্বীকার করেননি।
তিনি মুঠো ফোনে বলেন, নির্বাচনের সময় তার বিরুদ্ধে একটি পোস্ট দেওয়া কে কেন্দ্র করে সমর্থকরা কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়। তবে তিনি এই বিষয়ে তাকে কিছুই বলেননি। তার বিরুদ্ধে মারধরের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা।
বরিশাল টাইমস