
০৩ মার্চ, ২০২৬ ২০:২১
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় স্বামীর হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে স্বামীর মরদেহ নিয়ে থানায় আসলো স্ত্রী ও তার দুই সন্তান। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার নারায়ণগঞ্জ থেকে এ মরদেহ নিয়ে থানায় উপস্থিত হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। শত শত এলাকাবাসী থানার সামনে ভীড় করে। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করে।
নিহতের পরিবারের দাবি, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের মারধরে তার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। কলাপাড়া থানা পুলিশ জানায়, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের ইদ্রিস আলী খান স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ঢাকার নারায়ণগঞ্জে থাকেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এলাকার এক ব্যক্তির ফেসবুকে ইউপি মেম্বর জহিরুল ইসলামের রান্না করার ছবির পোস্টে ইদ্রিস আলী একটি কমেন্ট করেন।
কমেন্টে লেখেন রাতে গরু চুরি করে আর দিনে পাকায়। তারে ফেসবুক কমেন্টে ক্ষিপ্ত হন নীলগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম। এরপরই তাকে বিভিন্নভাবে ফোনে হুমকি দেয়া হয় বলে তার পরিবারের অভিযোগ।
নিহত ইদ্রিস আলীর স্ত্রী আমেনা খাতুন বলেন, তার দুই সন্তান নিয়ে এখন কোথায় যাবেন। সাধারণ একটি ঘটনা নিয়ে তার স্বামীকে মারধর করা হয়েছে। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
নিহতের ছেলে মো. পারভেজ ও ভাই আলমগীর খান বলেন, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে নীলগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ইদ্রিস আলীকে তার অফিসে ডেকে পাঠান। ইদ্রিস আলী অফিসে এসে তার কমেন্টের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। কিন্তু তাকে ক্ষমা না করে উল্টো মারধর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপরই অসুস্থ হয়ে পড়ে ইদ্রিস।
তারা বলেন, ঘটনার রাত থেকে ইদ্রিস আলী শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। সবশেষ সোমবার আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
তাদের অভিযোগ, মেম্বর ও তার সহযোগীদের মারধরেই ইদ্রিস আলী মারা গেছে। তারা এ ঘটনার দোষীদের শাস্তি দাবি করে মৃতদেহ নিয়ে থানায় এসেছেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ঐদিন প্যানেল চেয়ারম্যানের অফিসে গিয়ে নিহত ইদ্রিস অনেক অনুনয় বিনয় করেছেন। কিন্তু কেন সে মেম্বারের বিরুদ্ধে পোস্ট দিয়েছে এ কারণে তাকে মারধর করে। তারা এ সময় বাধা দিতে গেলে তাদেরও অফিস থেকে বের করে দেয়া হয়।
এদিকে ইদ্রিস আলীর মৃতদেহ থানায় আসলো পুলিশ এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
কলাপাড়া থানার এসআই ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তবে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সুরতহালে নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তবে ঘটনার সাথে জড়িত নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম নিহত ইদ্রিস আলীকে অফিসে ডাকার কথা স্বীকার করলেও মারধরের কথা স্বীকার করেননি।
তিনি মুঠো ফোনে বলেন, নির্বাচনের সময় তার বিরুদ্ধে একটি পোস্ট দেওয়া কে কেন্দ্র করে সমর্থকরা কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়। তবে তিনি এই বিষয়ে তাকে কিছুই বলেননি। তার বিরুদ্ধে মারধরের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় স্বামীর হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে স্বামীর মরদেহ নিয়ে থানায় আসলো স্ত্রী ও তার দুই সন্তান। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার নারায়ণগঞ্জ থেকে এ মরদেহ নিয়ে থানায় উপস্থিত হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। শত শত এলাকাবাসী থানার সামনে ভীড় করে। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করে।
নিহতের পরিবারের দাবি, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের মারধরে তার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। কলাপাড়া থানা পুলিশ জানায়, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের ইদ্রিস আলী খান স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ঢাকার নারায়ণগঞ্জে থাকেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এলাকার এক ব্যক্তির ফেসবুকে ইউপি মেম্বর জহিরুল ইসলামের রান্না করার ছবির পোস্টে ইদ্রিস আলী একটি কমেন্ট করেন।
কমেন্টে লেখেন রাতে গরু চুরি করে আর দিনে পাকায়। তারে ফেসবুক কমেন্টে ক্ষিপ্ত হন নীলগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম। এরপরই তাকে বিভিন্নভাবে ফোনে হুমকি দেয়া হয় বলে তার পরিবারের অভিযোগ।
নিহত ইদ্রিস আলীর স্ত্রী আমেনা খাতুন বলেন, তার দুই সন্তান নিয়ে এখন কোথায় যাবেন। সাধারণ একটি ঘটনা নিয়ে তার স্বামীকে মারধর করা হয়েছে। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
নিহতের ছেলে মো. পারভেজ ও ভাই আলমগীর খান বলেন, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে নীলগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ইদ্রিস আলীকে তার অফিসে ডেকে পাঠান। ইদ্রিস আলী অফিসে এসে তার কমেন্টের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। কিন্তু তাকে ক্ষমা না করে উল্টো মারধর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপরই অসুস্থ হয়ে পড়ে ইদ্রিস।
তারা বলেন, ঘটনার রাত থেকে ইদ্রিস আলী শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। সবশেষ সোমবার আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
তাদের অভিযোগ, মেম্বর ও তার সহযোগীদের মারধরেই ইদ্রিস আলী মারা গেছে। তারা এ ঘটনার দোষীদের শাস্তি দাবি করে মৃতদেহ নিয়ে থানায় এসেছেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ঐদিন প্যানেল চেয়ারম্যানের অফিসে গিয়ে নিহত ইদ্রিস অনেক অনুনয় বিনয় করেছেন। কিন্তু কেন সে মেম্বারের বিরুদ্ধে পোস্ট দিয়েছে এ কারণে তাকে মারধর করে। তারা এ সময় বাধা দিতে গেলে তাদেরও অফিস থেকে বের করে দেয়া হয়।
এদিকে ইদ্রিস আলীর মৃতদেহ থানায় আসলো পুলিশ এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
কলাপাড়া থানার এসআই ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তবে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সুরতহালে নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তবে ঘটনার সাথে জড়িত নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম নিহত ইদ্রিস আলীকে অফিসে ডাকার কথা স্বীকার করলেও মারধরের কথা স্বীকার করেননি।
তিনি মুঠো ফোনে বলেন, নির্বাচনের সময় তার বিরুদ্ধে একটি পোস্ট দেওয়া কে কেন্দ্র করে সমর্থকরা কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়। তবে তিনি এই বিষয়ে তাকে কিছুই বলেননি। তার বিরুদ্ধে মারধরের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা।
বরিশাল টাইমস

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৯:০৭
পরকিয়ার ফাঁদে ফেলে অনৈতিক সম্পর্কের ভিডিও ধারণ, বিয়ের চাপ সৃষ্টি এবং একাধিক যুবকের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগে পটুয়াখালীর দুমকিতে শামিমা আক্তার আঁখি নামে এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে আদালতের জারি করা ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে গ্রেফতার দেখানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী নারী ও শিশু জজ আদালতের ১৭৫/২৬ নম্বর মামলার ১৭(বি) ধারায় জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানার আলোকে তাকে আটক করা হয়েছে। তদন্তে অন্তত তিন যুবকের কাছ থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার বেশি অর্থ আদায়ের প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি পুলিশের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুমকি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা শামিমা আক্তার আঁখি দীর্ঘদিন ধরে দুমকি শহরে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে বিয়ের চাপ সৃষ্টি এবং মানহানির ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। কয়েকটি ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিস-মীমাংসার মাধ্যমে টাকা লেনদেন হয়েছে বলেও জানা যায়।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সামাজিক মানসম্মানের ভয়ে তারা প্রকাশ্যে অভিযোগ না করে সালিসের মাধ্যমে অর্থ দিতে বাধ্য হয়েছেন। পরে তাদের মধ্যে কেউ কেউ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান আছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পরকিয়ার ফাঁদে ফেলে অনৈতিক সম্পর্কের ভিডিও ধারণ, বিয়ের চাপ সৃষ্টি এবং একাধিক যুবকের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগে পটুয়াখালীর দুমকিতে শামিমা আক্তার আঁখি নামে এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে আদালতের জারি করা ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে গ্রেফতার দেখানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী নারী ও শিশু জজ আদালতের ১৭৫/২৬ নম্বর মামলার ১৭(বি) ধারায় জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানার আলোকে তাকে আটক করা হয়েছে। তদন্তে অন্তত তিন যুবকের কাছ থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার বেশি অর্থ আদায়ের প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি পুলিশের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুমকি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা শামিমা আক্তার আঁখি দীর্ঘদিন ধরে দুমকি শহরে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে বিয়ের চাপ সৃষ্টি এবং মানহানির ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। কয়েকটি ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিস-মীমাংসার মাধ্যমে টাকা লেনদেন হয়েছে বলেও জানা যায়।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সামাজিক মানসম্মানের ভয়ে তারা প্রকাশ্যে অভিযোগ না করে সালিসের মাধ্যমে অর্থ দিতে বাধ্য হয়েছেন। পরে তাদের মধ্যে কেউ কেউ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান আছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২৬
দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ পটুয়াখালী লঞ্চঘাটে তীব্র নাব্য সংকট দেখা দিয়েছে। লোহালিয়া নদীতে পলি জমে বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠায় ব্যাহত হচ্ছে লঞ্চ চলাচল।
ঘাটের সামনে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা জুড়ে বালুচর দেখা গেছে। ভাটার সময় লঞ্চ নোঙর করতে না পেরে জোয়ারের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে যাত্রী, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে দেখা যায়, ছোট লঞ্চ ও ট্রলার চলাচলেও ধীরগতিতে সতর্ক হয়ে এগোতে হচ্ছে। অনেক সময় জোয়ারের পানির জন্য অপেক্ষা না করলে চলাচলই সম্ভব হচ্ছে না।
লঞ্চ টার্মিনালের সামনে মাসের পর মাস ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার কাজ চললেও এর কোনো দৃশ্যমান সুফল মিলছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। লঞ্চ চলাচল কমে যাওয়ায় ঘাটে মালামাল আসাও কমেছে। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়ছেন শ্রমিকরা, লঞ্চঘাটে নেই আগের মতো কোলাহল।
ঘাট শ্রমিক মনির বলেন, অনেক বছর ধরে এই ঘাটে কাজ করছি। এমন খারাপ অবস্থা আগে কখনো দেখিনি। সামনে ঈদ আসছে, এখন যদি লঞ্চ চলাচলের জায়গা ঠিক না করা হয়- তাহলে লঞ্চই আসবে না। লঞ্চ না এলে আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা সেকান্দার মিয়া বলেন, প্রতিবছর নদী খনন করা হলেও এর স্থায়ী সুফল আমরা পাই না। টেকসই ও পরিকল্পিত ড্রেজিং ছাড়া কোনো উপায় নেই। সঠিক পরিকল্পনায় চ্যানেল রক্ষা করা গেলে পটুয়াখালী শহরের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল থাকবে।
পটুয়াখালীর ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান রুমি বলেন, দ্রুত ও কার্যকর ড্রেজিং না হলে ঈদের মৌসুমে ভোগান্তি আরও তীব্র হবে। প্রতিবছর সরকার এখানে ড্রেজিংয়ে অর্থ ব্যয় করে, কিন্তু কার্যকারিতা আমরা দেখি না। সামনে ঈদে যাত্রীদের আসা-যাওয়া বাড়বে, এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় সংকট তৈরি হবে।
এমন পরিস্থিতিতে লঞ্চঘাট পরিদর্শন করেন পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, আগামী ঈদের আগেই ড্রেজিং কার্যক্রম শেষ করতে হবে।
ঈদের আগে এই রুটে পাঁচ থেকে ছয়টি লঞ্চ চলাচলের সম্ভাবনা রয়েছে। আগে ড্রেজিং কীভাবে হয়েছে সেটাও খতিয়ে দেখা হবে, এবার যেন সঠিকভাবে ড্রেজিং হয় সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের পটুয়াখালী নদী বন্দর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জাকির শাহরিয়া জানান, পটুয়াখালী-ঢাকা রুটের লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, লঞ্চঘাটের দুপাশে দুটি সেতু থাকায় দ্রুত পলি জমে চর পড়ে যায়। এজন্য নিয়মিত ড্রেজিং প্রয়োজন হয়। ঈদের আগেই নাব্য সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।
দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ পটুয়াখালী লঞ্চঘাটে তীব্র নাব্য সংকট দেখা দিয়েছে। লোহালিয়া নদীতে পলি জমে বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠায় ব্যাহত হচ্ছে লঞ্চ চলাচল।
ঘাটের সামনে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা জুড়ে বালুচর দেখা গেছে। ভাটার সময় লঞ্চ নোঙর করতে না পেরে জোয়ারের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে যাত্রী, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে দেখা যায়, ছোট লঞ্চ ও ট্রলার চলাচলেও ধীরগতিতে সতর্ক হয়ে এগোতে হচ্ছে। অনেক সময় জোয়ারের পানির জন্য অপেক্ষা না করলে চলাচলই সম্ভব হচ্ছে না।
লঞ্চ টার্মিনালের সামনে মাসের পর মাস ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার কাজ চললেও এর কোনো দৃশ্যমান সুফল মিলছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। লঞ্চ চলাচল কমে যাওয়ায় ঘাটে মালামাল আসাও কমেছে। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়ছেন শ্রমিকরা, লঞ্চঘাটে নেই আগের মতো কোলাহল।
ঘাট শ্রমিক মনির বলেন, অনেক বছর ধরে এই ঘাটে কাজ করছি। এমন খারাপ অবস্থা আগে কখনো দেখিনি। সামনে ঈদ আসছে, এখন যদি লঞ্চ চলাচলের জায়গা ঠিক না করা হয়- তাহলে লঞ্চই আসবে না। লঞ্চ না এলে আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা সেকান্দার মিয়া বলেন, প্রতিবছর নদী খনন করা হলেও এর স্থায়ী সুফল আমরা পাই না। টেকসই ও পরিকল্পিত ড্রেজিং ছাড়া কোনো উপায় নেই। সঠিক পরিকল্পনায় চ্যানেল রক্ষা করা গেলে পটুয়াখালী শহরের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল থাকবে।
পটুয়াখালীর ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান রুমি বলেন, দ্রুত ও কার্যকর ড্রেজিং না হলে ঈদের মৌসুমে ভোগান্তি আরও তীব্র হবে। প্রতিবছর সরকার এখানে ড্রেজিংয়ে অর্থ ব্যয় করে, কিন্তু কার্যকারিতা আমরা দেখি না। সামনে ঈদে যাত্রীদের আসা-যাওয়া বাড়বে, এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় সংকট তৈরি হবে।
এমন পরিস্থিতিতে লঞ্চঘাট পরিদর্শন করেন পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, আগামী ঈদের আগেই ড্রেজিং কার্যক্রম শেষ করতে হবে।
ঈদের আগে এই রুটে পাঁচ থেকে ছয়টি লঞ্চ চলাচলের সম্ভাবনা রয়েছে। আগে ড্রেজিং কীভাবে হয়েছে সেটাও খতিয়ে দেখা হবে, এবার যেন সঠিকভাবে ড্রেজিং হয় সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের পটুয়াখালী নদী বন্দর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জাকির শাহরিয়া জানান, পটুয়াখালী-ঢাকা রুটের লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, লঞ্চঘাটের দুপাশে দুটি সেতু থাকায় দ্রুত পলি জমে চর পড়ে যায়। এজন্য নিয়মিত ড্রেজিং প্রয়োজন হয়। ঈদের আগেই নাব্য সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।

০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩২
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রুমানা আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২ মার্চ) সকালে উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের বরকুতিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে রুমানা আক্তার বাবার বাড়ি যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তার স্বামী রাব্বি হাওলাদার কয়েক দিন পর রাজমিস্ত্রীর কাজ শেষে নিয়ে যাবেন বলে জানালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়।
পরে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে রুমানা ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ওড়না প্যাঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন দাবি করেছেন শশুর বাড়ির লোকজন। এদিকে রুমানার পরিবার থেকে দাবি করা হচ্ছে শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে মেরে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখেছে।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ সময় তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করলে তার শাশুড়ি ঘরের ভেতর ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে যায়।
নিহত রুমানার বাবার বাড়ি পার্শ্ববর্তী ধূলাসার ইউনিয়নের বড়হরপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম আব্দুল মন্নান হাওলাদার।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে মহিপুর থানার ওসি মহব্বত খান বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রুমানা আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২ মার্চ) সকালে উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের বরকুতিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে রুমানা আক্তার বাবার বাড়ি যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তার স্বামী রাব্বি হাওলাদার কয়েক দিন পর রাজমিস্ত্রীর কাজ শেষে নিয়ে যাবেন বলে জানালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়।
পরে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে রুমানা ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ওড়না প্যাঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন দাবি করেছেন শশুর বাড়ির লোকজন। এদিকে রুমানার পরিবার থেকে দাবি করা হচ্ছে শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে মেরে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখেছে।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ সময় তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করলে তার শাশুড়ি ঘরের ভেতর ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে যায়।
নিহত রুমানার বাবার বাড়ি পার্শ্ববর্তী ধূলাসার ইউনিয়নের বড়হরপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম আব্দুল মন্নান হাওলাদার।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে মহিপুর থানার ওসি মহব্বত খান বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.