
০৩ মার্চ, ২০২৬ ২০:২১
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় স্বামীর হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে স্বামীর মরদেহ নিয়ে থানায় আসলো স্ত্রী ও তার দুই সন্তান। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার নারায়ণগঞ্জ থেকে এ মরদেহ নিয়ে থানায় উপস্থিত হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। শত শত এলাকাবাসী থানার সামনে ভীড় করে। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করে।
নিহতের পরিবারের দাবি, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের মারধরে তার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। কলাপাড়া থানা পুলিশ জানায়, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের ইদ্রিস আলী খান স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ঢাকার নারায়ণগঞ্জে থাকেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এলাকার এক ব্যক্তির ফেসবুকে ইউপি মেম্বর জহিরুল ইসলামের রান্না করার ছবির পোস্টে ইদ্রিস আলী একটি কমেন্ট করেন।
কমেন্টে লেখেন রাতে গরু চুরি করে আর দিনে পাকায়। তারে ফেসবুক কমেন্টে ক্ষিপ্ত হন নীলগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম। এরপরই তাকে বিভিন্নভাবে ফোনে হুমকি দেয়া হয় বলে তার পরিবারের অভিযোগ।
নিহত ইদ্রিস আলীর স্ত্রী আমেনা খাতুন বলেন, তার দুই সন্তান নিয়ে এখন কোথায় যাবেন। সাধারণ একটি ঘটনা নিয়ে তার স্বামীকে মারধর করা হয়েছে। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
নিহতের ছেলে মো. পারভেজ ও ভাই আলমগীর খান বলেন, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে নীলগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ইদ্রিস আলীকে তার অফিসে ডেকে পাঠান। ইদ্রিস আলী অফিসে এসে তার কমেন্টের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। কিন্তু তাকে ক্ষমা না করে উল্টো মারধর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপরই অসুস্থ হয়ে পড়ে ইদ্রিস।
তারা বলেন, ঘটনার রাত থেকে ইদ্রিস আলী শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। সবশেষ সোমবার আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
তাদের অভিযোগ, মেম্বর ও তার সহযোগীদের মারধরেই ইদ্রিস আলী মারা গেছে। তারা এ ঘটনার দোষীদের শাস্তি দাবি করে মৃতদেহ নিয়ে থানায় এসেছেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ঐদিন প্যানেল চেয়ারম্যানের অফিসে গিয়ে নিহত ইদ্রিস অনেক অনুনয় বিনয় করেছেন। কিন্তু কেন সে মেম্বারের বিরুদ্ধে পোস্ট দিয়েছে এ কারণে তাকে মারধর করে। তারা এ সময় বাধা দিতে গেলে তাদেরও অফিস থেকে বের করে দেয়া হয়।
এদিকে ইদ্রিস আলীর মৃতদেহ থানায় আসলো পুলিশ এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
কলাপাড়া থানার এসআই ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তবে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সুরতহালে নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তবে ঘটনার সাথে জড়িত নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম নিহত ইদ্রিস আলীকে অফিসে ডাকার কথা স্বীকার করলেও মারধরের কথা স্বীকার করেননি।
তিনি মুঠো ফোনে বলেন, নির্বাচনের সময় তার বিরুদ্ধে একটি পোস্ট দেওয়া কে কেন্দ্র করে সমর্থকরা কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়। তবে তিনি এই বিষয়ে তাকে কিছুই বলেননি। তার বিরুদ্ধে মারধরের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় স্বামীর হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে স্বামীর মরদেহ নিয়ে থানায় আসলো স্ত্রী ও তার দুই সন্তান। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার নারায়ণগঞ্জ থেকে এ মরদেহ নিয়ে থানায় উপস্থিত হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। শত শত এলাকাবাসী থানার সামনে ভীড় করে। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করে।
নিহতের পরিবারের দাবি, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের মারধরে তার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। কলাপাড়া থানা পুলিশ জানায়, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের ইদ্রিস আলী খান স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ঢাকার নারায়ণগঞ্জে থাকেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এলাকার এক ব্যক্তির ফেসবুকে ইউপি মেম্বর জহিরুল ইসলামের রান্না করার ছবির পোস্টে ইদ্রিস আলী একটি কমেন্ট করেন।
কমেন্টে লেখেন রাতে গরু চুরি করে আর দিনে পাকায়। তারে ফেসবুক কমেন্টে ক্ষিপ্ত হন নীলগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম। এরপরই তাকে বিভিন্নভাবে ফোনে হুমকি দেয়া হয় বলে তার পরিবারের অভিযোগ।
নিহত ইদ্রিস আলীর স্ত্রী আমেনা খাতুন বলেন, তার দুই সন্তান নিয়ে এখন কোথায় যাবেন। সাধারণ একটি ঘটনা নিয়ে তার স্বামীকে মারধর করা হয়েছে। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
নিহতের ছেলে মো. পারভেজ ও ভাই আলমগীর খান বলেন, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে নীলগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ইদ্রিস আলীকে তার অফিসে ডেকে পাঠান। ইদ্রিস আলী অফিসে এসে তার কমেন্টের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। কিন্তু তাকে ক্ষমা না করে উল্টো মারধর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপরই অসুস্থ হয়ে পড়ে ইদ্রিস।
তারা বলেন, ঘটনার রাত থেকে ইদ্রিস আলী শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। সবশেষ সোমবার আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
তাদের অভিযোগ, মেম্বর ও তার সহযোগীদের মারধরেই ইদ্রিস আলী মারা গেছে। তারা এ ঘটনার দোষীদের শাস্তি দাবি করে মৃতদেহ নিয়ে থানায় এসেছেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ঐদিন প্যানেল চেয়ারম্যানের অফিসে গিয়ে নিহত ইদ্রিস অনেক অনুনয় বিনয় করেছেন। কিন্তু কেন সে মেম্বারের বিরুদ্ধে পোস্ট দিয়েছে এ কারণে তাকে মারধর করে। তারা এ সময় বাধা দিতে গেলে তাদেরও অফিস থেকে বের করে দেয়া হয়।
এদিকে ইদ্রিস আলীর মৃতদেহ থানায় আসলো পুলিশ এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
কলাপাড়া থানার এসআই ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তবে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সুরতহালে নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তবে ঘটনার সাথে জড়িত নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম নিহত ইদ্রিস আলীকে অফিসে ডাকার কথা স্বীকার করলেও মারধরের কথা স্বীকার করেননি।
তিনি মুঠো ফোনে বলেন, নির্বাচনের সময় তার বিরুদ্ধে একটি পোস্ট দেওয়া কে কেন্দ্র করে সমর্থকরা কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়। তবে তিনি এই বিষয়ে তাকে কিছুই বলেননি। তার বিরুদ্ধে মারধরের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা।
বরিশাল টাইমস
২৫ মে, ২০২৬ ১০:১৮
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:৩৭
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:২৬
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:০৪

২৪ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে প্রতিবন্ধী তরুণীকে (২৭) ধর্ষণের অভিযোগে মো. নাজেম মৃধা (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মে) এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২২ মে) পায়রা নদীর পাড়ে ওই তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার সময় জনৈক এক জেলে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন বলে জানা যায়, যা পরে ঘটনার প্রমাণ হিসেবে সামনে আসে।
ভুক্তভোগী মির্জাগঞ্জ উপজেলার গোলখালী গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় চরখালী গ্রামের নবাব আলী মৃধার ছেলে মো. নাজেম মৃধার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বোতলবুনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার বোনের বাড়ির সামনে থেকে অভিযুক্ত নাজেম মৃধাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস সালাম জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে প্রতিবন্ধী তরুণীকে (২৭) ধর্ষণের অভিযোগে মো. নাজেম মৃধা (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মে) এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২২ মে) পায়রা নদীর পাড়ে ওই তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার সময় জনৈক এক জেলে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন বলে জানা যায়, যা পরে ঘটনার প্রমাণ হিসেবে সামনে আসে।
ভুক্তভোগী মির্জাগঞ্জ উপজেলার গোলখালী গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় চরখালী গ্রামের নবাব আলী মৃধার ছেলে মো. নাজেম মৃধার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বোতলবুনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার বোনের বাড়ির সামনে থেকে অভিযুক্ত নাজেম মৃধাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস সালাম জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস

২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৩১
বন্ধুর ভগ্নিপতির জানাজা নামাজে যাওয়ার পথে মিজানুর রহমান মিজুর নামের এক ঠিকাদার লরিচাপায় নিহত হয়েছেন। এ সময় তার বন্ধু সাগর গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) দিবাগত রাতে দিবাগত রাতে গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চরখালী গ্রামে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ঠিকাদার পটুয়খালী সিএন্ডবি রোডের মো. রফিক হাওলাদারের ছেলে এবং তার বন্ধু একই এলাকার আ. লফিতফ মৃধার ছেলে মো. সাগর মৃধা।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর তাদের উদ্ধার করে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিাকৎসারত অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়।
হতাহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে সাগর মৃধার ভগ্নিপতি মো. হাবিবুর রহমানের জানাজা নামাজে অংশ নিতে তার বন্ধু মিজুরকে নিয়ে গলাচিপার চরখালী গ্রামের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালী থেকে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উত্তর চরখালী এলাকায় পৌঁছালে মালামালবাহী একটি লরির সঙ্গে ধাক্কা লেগে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে যান সাগর ও মিজুর। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদেরকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়। অপরদিকে সাগরের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গলাচিপা থানার ওসি (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় মিজানুর রহমান মিজুর নিহত এবং সাগর গুরুতর আহত হওয়ার খবরটি জানতে পেরেছি। তবে যেহেতু মারা গেছেন বরিশাল মেডিক্যালে এবং তার বাড়ি পটুয়াখালী শহরে যে কারণে এই মুহূর্তে আমাদের করণীয় তেমন কিছু নাই, তারপরেও যদি নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বন্ধুর ভগ্নিপতির জানাজা নামাজে যাওয়ার পথে মিজানুর রহমান মিজুর নামের এক ঠিকাদার লরিচাপায় নিহত হয়েছেন। এ সময় তার বন্ধু সাগর গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) দিবাগত রাতে দিবাগত রাতে গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চরখালী গ্রামে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ঠিকাদার পটুয়খালী সিএন্ডবি রোডের মো. রফিক হাওলাদারের ছেলে এবং তার বন্ধু একই এলাকার আ. লফিতফ মৃধার ছেলে মো. সাগর মৃধা।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর তাদের উদ্ধার করে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিাকৎসারত অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়।
হতাহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে সাগর মৃধার ভগ্নিপতি মো. হাবিবুর রহমানের জানাজা নামাজে অংশ নিতে তার বন্ধু মিজুরকে নিয়ে গলাচিপার চরখালী গ্রামের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালী থেকে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উত্তর চরখালী এলাকায় পৌঁছালে মালামালবাহী একটি লরির সঙ্গে ধাক্কা লেগে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে যান সাগর ও মিজুর। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদেরকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়। অপরদিকে সাগরের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গলাচিপা থানার ওসি (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় মিজানুর রহমান মিজুর নিহত এবং সাগর গুরুতর আহত হওয়ার খবরটি জানতে পেরেছি। তবে যেহেতু মারা গেছেন বরিশাল মেডিক্যালে এবং তার বাড়ি পটুয়াখালী শহরে যে কারণে এই মুহূর্তে আমাদের করণীয় তেমন কিছু নাই, তারপরেও যদি নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

২৩ মে, ২০২৬ ২০:০২
পটুয়াখালীর দশমিনায় মোসা. সালমা পারভীন (৩৫) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৩ মে) সকালে উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের চরঘূনী এলাকায় নিজ বাসার শয়নকক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সালমা পারভীন মালয়েশিয়া প্রবাসী বশির বেপারীর স্ত্রী এবং দুমকি উপজেলার নুর ইসলাম হাওলাদারের মেয়ে। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, সকালে তিনি কক্ষের দরজা বন্ধ করে রাখেন। দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা জানালা দিয়ে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন।
পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর দশমিনায় মোসা. সালমা পারভীন (৩৫) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৩ মে) সকালে উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের চরঘূনী এলাকায় নিজ বাসার শয়নকক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সালমা পারভীন মালয়েশিয়া প্রবাসী বশির বেপারীর স্ত্রী এবং দুমকি উপজেলার নুর ইসলাম হাওলাদারের মেয়ে। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, সকালে তিনি কক্ষের দরজা বন্ধ করে রাখেন। দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা জানালা দিয়ে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন।
পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.