
০৩ মার্চ, ২০২৬ ২০:২১
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় স্বামীর হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে স্বামীর মরদেহ নিয়ে থানায় আসলো স্ত্রী ও তার দুই সন্তান। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার নারায়ণগঞ্জ থেকে এ মরদেহ নিয়ে থানায় উপস্থিত হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। শত শত এলাকাবাসী থানার সামনে ভীড় করে। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করে।
নিহতের পরিবারের দাবি, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের মারধরে তার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। কলাপাড়া থানা পুলিশ জানায়, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের ইদ্রিস আলী খান স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ঢাকার নারায়ণগঞ্জে থাকেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এলাকার এক ব্যক্তির ফেসবুকে ইউপি মেম্বর জহিরুল ইসলামের রান্না করার ছবির পোস্টে ইদ্রিস আলী একটি কমেন্ট করেন।
কমেন্টে লেখেন রাতে গরু চুরি করে আর দিনে পাকায়। তারে ফেসবুক কমেন্টে ক্ষিপ্ত হন নীলগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম। এরপরই তাকে বিভিন্নভাবে ফোনে হুমকি দেয়া হয় বলে তার পরিবারের অভিযোগ।
নিহত ইদ্রিস আলীর স্ত্রী আমেনা খাতুন বলেন, তার দুই সন্তান নিয়ে এখন কোথায় যাবেন। সাধারণ একটি ঘটনা নিয়ে তার স্বামীকে মারধর করা হয়েছে। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
নিহতের ছেলে মো. পারভেজ ও ভাই আলমগীর খান বলেন, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে নীলগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ইদ্রিস আলীকে তার অফিসে ডেকে পাঠান। ইদ্রিস আলী অফিসে এসে তার কমেন্টের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। কিন্তু তাকে ক্ষমা না করে উল্টো মারধর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপরই অসুস্থ হয়ে পড়ে ইদ্রিস।
তারা বলেন, ঘটনার রাত থেকে ইদ্রিস আলী শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। সবশেষ সোমবার আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
তাদের অভিযোগ, মেম্বর ও তার সহযোগীদের মারধরেই ইদ্রিস আলী মারা গেছে। তারা এ ঘটনার দোষীদের শাস্তি দাবি করে মৃতদেহ নিয়ে থানায় এসেছেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ঐদিন প্যানেল চেয়ারম্যানের অফিসে গিয়ে নিহত ইদ্রিস অনেক অনুনয় বিনয় করেছেন। কিন্তু কেন সে মেম্বারের বিরুদ্ধে পোস্ট দিয়েছে এ কারণে তাকে মারধর করে। তারা এ সময় বাধা দিতে গেলে তাদেরও অফিস থেকে বের করে দেয়া হয়।
এদিকে ইদ্রিস আলীর মৃতদেহ থানায় আসলো পুলিশ এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
কলাপাড়া থানার এসআই ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তবে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সুরতহালে নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তবে ঘটনার সাথে জড়িত নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম নিহত ইদ্রিস আলীকে অফিসে ডাকার কথা স্বীকার করলেও মারধরের কথা স্বীকার করেননি।
তিনি মুঠো ফোনে বলেন, নির্বাচনের সময় তার বিরুদ্ধে একটি পোস্ট দেওয়া কে কেন্দ্র করে সমর্থকরা কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়। তবে তিনি এই বিষয়ে তাকে কিছুই বলেননি। তার বিরুদ্ধে মারধরের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় স্বামীর হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে স্বামীর মরদেহ নিয়ে থানায় আসলো স্ত্রী ও তার দুই সন্তান। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার নারায়ণগঞ্জ থেকে এ মরদেহ নিয়ে থানায় উপস্থিত হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। শত শত এলাকাবাসী থানার সামনে ভীড় করে। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করে।
নিহতের পরিবারের দাবি, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের মারধরে তার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। কলাপাড়া থানা পুলিশ জানায়, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের ইদ্রিস আলী খান স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ঢাকার নারায়ণগঞ্জে থাকেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এলাকার এক ব্যক্তির ফেসবুকে ইউপি মেম্বর জহিরুল ইসলামের রান্না করার ছবির পোস্টে ইদ্রিস আলী একটি কমেন্ট করেন।
কমেন্টে লেখেন রাতে গরু চুরি করে আর দিনে পাকায়। তারে ফেসবুক কমেন্টে ক্ষিপ্ত হন নীলগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম। এরপরই তাকে বিভিন্নভাবে ফোনে হুমকি দেয়া হয় বলে তার পরিবারের অভিযোগ।
নিহত ইদ্রিস আলীর স্ত্রী আমেনা খাতুন বলেন, তার দুই সন্তান নিয়ে এখন কোথায় যাবেন। সাধারণ একটি ঘটনা নিয়ে তার স্বামীকে মারধর করা হয়েছে। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
নিহতের ছেলে মো. পারভেজ ও ভাই আলমগীর খান বলেন, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে নীলগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ইদ্রিস আলীকে তার অফিসে ডেকে পাঠান। ইদ্রিস আলী অফিসে এসে তার কমেন্টের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। কিন্তু তাকে ক্ষমা না করে উল্টো মারধর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপরই অসুস্থ হয়ে পড়ে ইদ্রিস।
তারা বলেন, ঘটনার রাত থেকে ইদ্রিস আলী শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। সবশেষ সোমবার আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
তাদের অভিযোগ, মেম্বর ও তার সহযোগীদের মারধরেই ইদ্রিস আলী মারা গেছে। তারা এ ঘটনার দোষীদের শাস্তি দাবি করে মৃতদেহ নিয়ে থানায় এসেছেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ঐদিন প্যানেল চেয়ারম্যানের অফিসে গিয়ে নিহত ইদ্রিস অনেক অনুনয় বিনয় করেছেন। কিন্তু কেন সে মেম্বারের বিরুদ্ধে পোস্ট দিয়েছে এ কারণে তাকে মারধর করে। তারা এ সময় বাধা দিতে গেলে তাদেরও অফিস থেকে বের করে দেয়া হয়।
এদিকে ইদ্রিস আলীর মৃতদেহ থানায় আসলো পুলিশ এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
কলাপাড়া থানার এসআই ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তবে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সুরতহালে নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তবে ঘটনার সাথে জড়িত নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম নিহত ইদ্রিস আলীকে অফিসে ডাকার কথা স্বীকার করলেও মারধরের কথা স্বীকার করেননি।
তিনি মুঠো ফোনে বলেন, নির্বাচনের সময় তার বিরুদ্ধে একটি পোস্ট দেওয়া কে কেন্দ্র করে সমর্থকরা কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়। তবে তিনি এই বিষয়ে তাকে কিছুই বলেননি। তার বিরুদ্ধে মারধরের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা।
বরিশাল টাইমস

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৯

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০১
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রীর তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। রোগীদের নিত্যপ্রয়োজনীয় উপকরণ গজ, ব্যান্ডেজ, ক্যানোলা, মাইক্রোপোর, হেক্সসল, সিরিঞ্জ ও স্যালাইন সেট হাসপাতালে পর্যাপ্ত না থাকার কারণে রোগীদের বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে এসব কিনতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত খরচ ও দুর্ভোগে পড়ছেন চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা।
সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, ভর্তি রোগীদের জন্য শুধুমাত্র স্যালাইন পাওয়া গেলেও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী হাসপাতালে মজুত নেই। ফলে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা বিপাকে পড়ছেন।
হাসপাতালে ভর্তি শ্রীরামপুর ইউনিয়নের সোহেল (২৫) নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে যদি সব কিছু বাইরে থেকে কিনতে হয়, তাহলে আমাদের জন্য কষ্ট হয়ে যায়। গরিব মানুষ কোথায় যাবে।’
মহিলা ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা আরেকজন রোগীর স্বজন রিনা অভিযোগ করে বলেন, “ডাক্তাররা প্রেসক্রিপশন দেন, কিন্তু প্রয়োজনীয় জিনিস হাসপাতালে পাওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।” জ্বর ও কাশি নিয়ে ভর্তি থাকা রোগী সজিব (২৭) বলেন, “আমি কয়েকদিন ধরে ভর্তি আছি, প্রতিদিনই কোনো না কোনো জিনিস বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। এতে চিকিৎসার খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে।”
শুধু তাই নয়, বহুদিন ধরে মাঠপর্যায়ে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর অভাব রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাঠকর্মীরা সাধারণত পাঁচ ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী দম্পতিদের মধ্যে বিলি করেন। এগুলো হলো কনডম, খাওয়ার বড়ি, আইইউডি, ইনজেক্টেবলস ও ইমপ্ল্যান্ট।
কনডম ছাড়া বাকি সামগ্রীগুলো নারীদের ব্যবহারের জন্য। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় কনডম ও বড়ি। অধিদপ্তরের দেওয়া হিসাবে, প্রতি মাসে মাঠকর্মীরা ৫০ লাখ ৩৫ হাজার কনডম ও ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার সাইকেল বড়ি দম্পতিদের কাছে পৌঁছে দেন। এই জিনিসগুলো চাহিদার তুলনায় খুবই অপ্রতুল।
দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল হাসান বলেন, ‘এসব কাজ টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে করা হয়, এ বছর টেন্ডার প্রক্রিয়ায় পরিচালকের কাছে অ্যাপ্রুভালের জন্য পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু সেখানে একটু জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এখনো এগুলো ক্রয় করা হয়নি। তার পরেও বিভিন্ন উৎস থেকে এগুলো সংগ্রহের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, ১৫ দিনের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া হয়ে যাবে এবং ঠিকাদারের মাধ্যমে এই জিনিসগুলো ব্যবস্থা করতে পারব।’

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫৬
কুয়াকাটা মাছ বাজারে আবারও দেখা মিললো ২৩ কেজি ওজনের বিশালাকৃতির এক কোরাল মাছেের। মাছটি সুন্দরবন এলাকা থেকে জেলে ফারুক মাঝির জালে ধরা পড়ে। মাছটি বিক্রি হয় ৩০ হাজার ৬শ ৪৫ টাকায়। মাছটি বাজারে নিয়ে আসলে এক নজর দেখার জন্য হৈচৈ পড়ে যায়।
বুধবার (১ এপ্রিল ) সকালে কুয়াকাটা মাছ বাজারের জেলে ফারুক মাঝি কুয়াকাটা মৎস্য আড়তের খান ফিশে নিয়ে আসেন। মাছটির ওজন হয় ২২ কেজি ৭০০ গ্রাম। ওপেন ডাকের মাধ্যমে ১ হাজার ৩৫০ টাকা কেজি দরে ৩০ হাজার ৬শ ৪৫ টাকায় মাছটি বিক্রি হয়।
ফারুক মাঝি জানান, সুন্দরবনের ৭ নাম্বার এলাকায় জাল পাতার পরে ২৩ কেজি ওজনের কোরাল মাছটি পেয়েছি। মাছটি কুয়াকাটা বাজারে ডাকের মাধ্যমে বিক্রি হয়েছে। মাছটির ওজন ছিল প্রায় ২২ কেজি ৭০০ গ্রাম। ফারুক মাঝি তালতলী থানার নিশান বাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।
খান ফিশের পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর খান জানান, এমন বড় সাইজের মাছের চাহিদা অনেক বেশী। তাই অনেক ভালো দামে বিক্রি করা যায়। দুইদিন আগেও তারা অনেকগুলো মাছ বিক্রি করে গেছেন।কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, এটি উপকূলের জেলেদের জন্য অত্যন্ত সুখবর। এমন সাইজের বড় কোরাল মাছ এর আগেও কয়েকটি ধরা পড়েছে এটি নিষেধাজ্ঞার একটি সুফল। সামুদ্রিক মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা সঠিকভাবে পালন করলে উপকূলের জেলেরা বেশ ভালো পরিমাণ মাছ পাবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পটুয়াখালীর বাউফলে এইচএসসি নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ না নেওয়ায় এক শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ করতে রাজি না হওয়ায় শিক্ষকদের হুমকি, অসদাচরণ ও মব সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে এক যুব অধিকার পরিষদের নেতার বিরুদ্ধে। ওই নেতার নাম মো. হাসান মাহমুদ। তিনি বাউফল উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েছেন। বুধবার (১এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কালাইয়া ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজের নতুন ভবনের হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করে অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো. এনায়াতে হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে কলেজ অধ্যক্ষ এনায়েত হোসেন বলেন,‘ গতকাল (মঙ্গলবার) দুপুরে মো. সাব্বির নামে ২০২২-২৩ শিক্ষা বর্ষের একজন শিক্ষার্থীর এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সুপারিশ নিয়ে আসেন যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয় হাসান মাহমুদ। ওই শিক্ষার্থী নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি এবং সে ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ফেল করার পর ২০২৫ সালের পরীক্ষায়ও অংশ নেয়নি। যে কারণে আমরা তার ফরম পূরণ করতে রাজি হয়নি। এতে করে ওই যুব অধিকার পরিষদের নেতা ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে অসদাচরণ ও মব সৃষ্টি করেন। কমিটির কক্ষে বসে কোনো রকম অনুমতি না নিয়ে ফেসবুক লাইভ করেন এবং ওই লাইভে ফরম ফিলাপে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার হচ্ছে বলে মিথ্যা প্রচার করেন।
কলেজ অধ্যক্ষ আরও বলেন, ফেসবুক লাইভে দাবি করে ফরম পূরণের জন্য ৫ হাজার টাকা করে নেওয়ার যে দাবি করা হয়েছে তা সর্ম্পূণ মিথ্যা। সরকার নির্ধারিত ফরম পূরণের ফি এবং দুই বছরের বেতন সহ ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও বেতন, টিউশন ফি নিয়ে আরও বেশি টাকা হয়। মানবিক বিবেচনায় ৫ হাজার টাকার কমেও ফরম পূরণ করে থাকি।
এ ঘটনায় কলেজের মান সম্মানহানি, মিথ্যা তথ্য জড়ানো ও শিক্ষকদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ওই যুব অধিকার পরিষদের নেতার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন কলেজ অধ্যক্ষ।
এদিকে, একই দিন বেলা ১২টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলন করে ফরম পূরণের অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাসান মাহমুদ। তিনি দাবি করেন- নির্বাচনী পরীক্ষা অংশ না নেওয়ার পরেও অনেকের ফরম পূরণ করা হচ্ছে। অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ায় সাব্বিরের ফরম পূরণ করেছেনা কলেজ কর্তৃপক্ষ।
বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কালাইয়া ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি সালেহ আহমেদ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর বাউফলে এইচএসসি নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ না নেওয়ায় এক শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ করতে রাজি না হওয়ায় শিক্ষকদের হুমকি, অসদাচরণ ও মব সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে এক যুব অধিকার পরিষদের নেতার বিরুদ্ধে। ওই নেতার নাম মো. হাসান মাহমুদ। তিনি বাউফল উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েছেন। বুধবার (১এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কালাইয়া ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজের নতুন ভবনের হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করে অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো. এনায়াতে হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে কলেজ অধ্যক্ষ এনায়েত হোসেন বলেন,‘ গতকাল (মঙ্গলবার) দুপুরে মো. সাব্বির নামে ২০২২-২৩ শিক্ষা বর্ষের একজন শিক্ষার্থীর এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সুপারিশ নিয়ে আসেন যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয় হাসান মাহমুদ। ওই শিক্ষার্থী নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ নেয়নি এবং সে ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ফেল করার পর ২০২৫ সালের পরীক্ষায়ও অংশ নেয়নি। যে কারণে আমরা তার ফরম পূরণ করতে রাজি হয়নি। এতে করে ওই যুব অধিকার পরিষদের নেতা ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে অসদাচরণ ও মব সৃষ্টি করেন। কমিটির কক্ষে বসে কোনো রকম অনুমতি না নিয়ে ফেসবুক লাইভ করেন এবং ওই লাইভে ফরম ফিলাপে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার হচ্ছে বলে মিথ্যা প্রচার করেন।
কলেজ অধ্যক্ষ আরও বলেন, ফেসবুক লাইভে দাবি করে ফরম পূরণের জন্য ৫ হাজার টাকা করে নেওয়ার যে দাবি করা হয়েছে তা সর্ম্পূণ মিথ্যা। সরকার নির্ধারিত ফরম পূরণের ফি এবং দুই বছরের বেতন সহ ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও বেতন, টিউশন ফি নিয়ে আরও বেশি টাকা হয়। মানবিক বিবেচনায় ৫ হাজার টাকার কমেও ফরম পূরণ করে থাকি।
এ ঘটনায় কলেজের মান সম্মানহানি, মিথ্যা তথ্য জড়ানো ও শিক্ষকদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ওই যুব অধিকার পরিষদের নেতার বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন কলেজ অধ্যক্ষ।
এদিকে, একই দিন বেলা ১২টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলন করে ফরম পূরণের অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাসান মাহমুদ। তিনি দাবি করেন- নির্বাচনী পরীক্ষা অংশ না নেওয়ার পরেও অনেকের ফরম পূরণ করা হচ্ছে। অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ায় সাব্বিরের ফরম পূরণ করেছেনা কলেজ কর্তৃপক্ষ।
বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কালাইয়া ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি সালেহ আহমেদ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রীর তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। রোগীদের নিত্যপ্রয়োজনীয় উপকরণ গজ, ব্যান্ডেজ, ক্যানোলা, মাইক্রোপোর, হেক্সসল, সিরিঞ্জ ও স্যালাইন সেট হাসপাতালে পর্যাপ্ত না থাকার কারণে রোগীদের বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে এসব কিনতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত খরচ ও দুর্ভোগে পড়ছেন চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা।
সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, ভর্তি রোগীদের জন্য শুধুমাত্র স্যালাইন পাওয়া গেলেও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী হাসপাতালে মজুত নেই। ফলে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা বিপাকে পড়ছেন।
হাসপাতালে ভর্তি শ্রীরামপুর ইউনিয়নের সোহেল (২৫) নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে যদি সব কিছু বাইরে থেকে কিনতে হয়, তাহলে আমাদের জন্য কষ্ট হয়ে যায়। গরিব মানুষ কোথায় যাবে।’
মহিলা ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা আরেকজন রোগীর স্বজন রিনা অভিযোগ করে বলেন, “ডাক্তাররা প্রেসক্রিপশন দেন, কিন্তু প্রয়োজনীয় জিনিস হাসপাতালে পাওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।” জ্বর ও কাশি নিয়ে ভর্তি থাকা রোগী সজিব (২৭) বলেন, “আমি কয়েকদিন ধরে ভর্তি আছি, প্রতিদিনই কোনো না কোনো জিনিস বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। এতে চিকিৎসার খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে।”
শুধু তাই নয়, বহুদিন ধরে মাঠপর্যায়ে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর অভাব রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাঠকর্মীরা সাধারণত পাঁচ ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী দম্পতিদের মধ্যে বিলি করেন। এগুলো হলো কনডম, খাওয়ার বড়ি, আইইউডি, ইনজেক্টেবলস ও ইমপ্ল্যান্ট।
কনডম ছাড়া বাকি সামগ্রীগুলো নারীদের ব্যবহারের জন্য। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় কনডম ও বড়ি। অধিদপ্তরের দেওয়া হিসাবে, প্রতি মাসে মাঠকর্মীরা ৫০ লাখ ৩৫ হাজার কনডম ও ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার সাইকেল বড়ি দম্পতিদের কাছে পৌঁছে দেন। এই জিনিসগুলো চাহিদার তুলনায় খুবই অপ্রতুল।
দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর শহীদুল হাসান বলেন, ‘এসব কাজ টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে করা হয়, এ বছর টেন্ডার প্রক্রিয়ায় পরিচালকের কাছে অ্যাপ্রুভালের জন্য পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু সেখানে একটু জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এখনো এগুলো ক্রয় করা হয়নি। তার পরেও বিভিন্ন উৎস থেকে এগুলো সংগ্রহের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, ১৫ দিনের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া হয়ে যাবে এবং ঠিকাদারের মাধ্যমে এই জিনিসগুলো ব্যবস্থা করতে পারব।’
কুয়াকাটা মাছ বাজারে আবারও দেখা মিললো ২৩ কেজি ওজনের বিশালাকৃতির এক কোরাল মাছেের। মাছটি সুন্দরবন এলাকা থেকে জেলে ফারুক মাঝির জালে ধরা পড়ে। মাছটি বিক্রি হয় ৩০ হাজার ৬শ ৪৫ টাকায়। মাছটি বাজারে নিয়ে আসলে এক নজর দেখার জন্য হৈচৈ পড়ে যায়।
বুধবার (১ এপ্রিল ) সকালে কুয়াকাটা মাছ বাজারের জেলে ফারুক মাঝি কুয়াকাটা মৎস্য আড়তের খান ফিশে নিয়ে আসেন। মাছটির ওজন হয় ২২ কেজি ৭০০ গ্রাম। ওপেন ডাকের মাধ্যমে ১ হাজার ৩৫০ টাকা কেজি দরে ৩০ হাজার ৬শ ৪৫ টাকায় মাছটি বিক্রি হয়।
ফারুক মাঝি জানান, সুন্দরবনের ৭ নাম্বার এলাকায় জাল পাতার পরে ২৩ কেজি ওজনের কোরাল মাছটি পেয়েছি। মাছটি কুয়াকাটা বাজারে ডাকের মাধ্যমে বিক্রি হয়েছে। মাছটির ওজন ছিল প্রায় ২২ কেজি ৭০০ গ্রাম। ফারুক মাঝি তালতলী থানার নিশান বাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।
খান ফিশের পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর খান জানান, এমন বড় সাইজের মাছের চাহিদা অনেক বেশী। তাই অনেক ভালো দামে বিক্রি করা যায়। দুইদিন আগেও তারা অনেকগুলো মাছ বিক্রি করে গেছেন।কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, এটি উপকূলের জেলেদের জন্য অত্যন্ত সুখবর। এমন সাইজের বড় কোরাল মাছ এর আগেও কয়েকটি ধরা পড়েছে এটি নিষেধাজ্ঞার একটি সুফল। সামুদ্রিক মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা সঠিকভাবে পালন করলে উপকূলের জেলেরা বেশ ভালো পরিমাণ মাছ পাবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০৬
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪০
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২