Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৭ আগস্ট, ২০২৫ ১৮:৪২
অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আয়তন বৃদ্ধি এবং নিরাপদ পরিবহণ ব্যবস্থা নিশ্চিতের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে কোন সাড়া না পেয়ে চতুর্থ দিনের মত বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (২৭আগস্ট) বিকাল ৫ টায় থেকে ববির মূল গেটের সামনের মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে তারা । শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচিকে ‘দক্ষিণাঞ্চল ব্লকেড 'নামে আখ্যায়িত করেছেন।এ সময় মহাসড়কের দুই প্রান্তে অসংখ্য যানবাহন আটকে জট দেখা দেওয়ায় ভোগান্তিতে পরে যাত্রীরা।
শিক্ষার্থীরা বলেন, গত রবিবার আমাদের তিনটি দাবি নিয়ে মহাসড়কে সংবাদ সন্মেলন করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছিলাম আমাদের সাথে যদি যোগাযোগ না করা হয় তবে অনির্দিষ্ট সময়ের কালের জন্য মহাসড়ক অবরোধ করে দিব। দুঃখের বিষয় দুইদিন পার হয়ে গেলেও তারা আমাদের সাথে কোন যোগাযোগ করেনি।
আইন বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান বলেন, চতুর্থ দিনের মত আমরা সড়ক অবরোধ করছি কারণ আমরা গত দুই দিন আগে আমাদের চলমান সংকট নিয়ে সংবাদ সন্মেলনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের প্রতিনিধিদের প্রতি অহ্বান করে বলেছিলাম আমাদের সাথে বসুন আমাদের সংকটের কথা শুনুন কিন্তু তারা এখনো পর্যন্ত আমাদের সাথে যোগাযোগ করেনি। যার কারণে বাধ্য হচ্ছি বারবার সড়ক অবরোধ করতে।
একাউন্ট এন্ড ইনফরমেশন বিভাগের শিক্ষার্থী তাইজুল ইসলাম তাজ বলেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে দাবি না মানা পর্যন্ত রাজপথে আছি থাকবো।
তিন দফা দাবির যথেষ্ট কারণ দেখিয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৭টি অনুষদে ২৫টি বিভাগের প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য প্রয়োজন অন্তত ৭৫টি কক্ষ। কিন্তু আছে মাত্র ৩৬টি। কক্ষ সংকটের কারণে অনেক সময় খোলা মাঠে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হচ্ছে। শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষকসংকটের কারণে অধিকাংশ বিভাগে সেশনজট বাড়ছে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামোও গড়ে ওঠেনি। নানা সংকটের মধ্যেই পড়াশোনা চালিয়ে নিতে হচ্ছে। আবাসন, পাঠদান কক্ষ, শিক্ষক, পরিবহণ ও গ্রন্থাগারে বইয়ের সংকট প্রকট। এর মধ্যে বেশি ভোগাচ্ছে পাঠদান কক্ষ সংকট। অবকাঠামোগত সংকটে শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমও চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফিটনেসবিহীন গাড়িতে যাতায়াত করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
এদিকে প্রতিদিন মহাসড়ক অবরোধের কারণে বিপাকে পড়তে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের। ঘন্টার পর ঘন্টা গরমে রাস্তায় বসে থাকতে হচ্ছে। পটুয়াখালীর মানিক মিয়া বলেন, ঢাকা থেকে ফেরার পথে অবরোধে আটকে চরম দুর্ভোগে পরেছি। এমনিভাবে সড়ক আটকে আন্দোলন না করার আহ্বান জানান তিনি।
বরিশাল মহানগর পুলিশের বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ করেছে। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ মোতায়েন করা আছে।
অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আয়তন বৃদ্ধি এবং নিরাপদ পরিবহণ ব্যবস্থা নিশ্চিতের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে কোন সাড়া না পেয়ে চতুর্থ দিনের মত বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (২৭আগস্ট) বিকাল ৫ টায় থেকে ববির মূল গেটের সামনের মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে তারা । শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচিকে ‘দক্ষিণাঞ্চল ব্লকেড 'নামে আখ্যায়িত করেছেন।এ সময় মহাসড়কের দুই প্রান্তে অসংখ্য যানবাহন আটকে জট দেখা দেওয়ায় ভোগান্তিতে পরে যাত্রীরা।
শিক্ষার্থীরা বলেন, গত রবিবার আমাদের তিনটি দাবি নিয়ে মহাসড়কে সংবাদ সন্মেলন করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছিলাম আমাদের সাথে যদি যোগাযোগ না করা হয় তবে অনির্দিষ্ট সময়ের কালের জন্য মহাসড়ক অবরোধ করে দিব। দুঃখের বিষয় দুইদিন পার হয়ে গেলেও তারা আমাদের সাথে কোন যোগাযোগ করেনি।
আইন বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান বলেন, চতুর্থ দিনের মত আমরা সড়ক অবরোধ করছি কারণ আমরা গত দুই দিন আগে আমাদের চলমান সংকট নিয়ে সংবাদ সন্মেলনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের প্রতিনিধিদের প্রতি অহ্বান করে বলেছিলাম আমাদের সাথে বসুন আমাদের সংকটের কথা শুনুন কিন্তু তারা এখনো পর্যন্ত আমাদের সাথে যোগাযোগ করেনি। যার কারণে বাধ্য হচ্ছি বারবার সড়ক অবরোধ করতে।
একাউন্ট এন্ড ইনফরমেশন বিভাগের শিক্ষার্থী তাইজুল ইসলাম তাজ বলেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে দাবি না মানা পর্যন্ত রাজপথে আছি থাকবো।
তিন দফা দাবির যথেষ্ট কারণ দেখিয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৭টি অনুষদে ২৫টি বিভাগের প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য প্রয়োজন অন্তত ৭৫টি কক্ষ। কিন্তু আছে মাত্র ৩৬টি। কক্ষ সংকটের কারণে অনেক সময় খোলা মাঠে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হচ্ছে। শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষকসংকটের কারণে অধিকাংশ বিভাগে সেশনজট বাড়ছে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামোও গড়ে ওঠেনি। নানা সংকটের মধ্যেই পড়াশোনা চালিয়ে নিতে হচ্ছে। আবাসন, পাঠদান কক্ষ, শিক্ষক, পরিবহণ ও গ্রন্থাগারে বইয়ের সংকট প্রকট। এর মধ্যে বেশি ভোগাচ্ছে পাঠদান কক্ষ সংকট। অবকাঠামোগত সংকটে শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমও চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফিটনেসবিহীন গাড়িতে যাতায়াত করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
এদিকে প্রতিদিন মহাসড়ক অবরোধের কারণে বিপাকে পড়তে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের। ঘন্টার পর ঘন্টা গরমে রাস্তায় বসে থাকতে হচ্ছে। পটুয়াখালীর মানিক মিয়া বলেন, ঢাকা থেকে ফেরার পথে অবরোধে আটকে চরম দুর্ভোগে পরেছি। এমনিভাবে সড়ক আটকে আন্দোলন না করার আহ্বান জানান তিনি।
বরিশাল মহানগর পুলিশের বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ করেছে। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ মোতায়েন করা আছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৮
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৮:১২
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’