
১৩ নভেম্বর, ২০২৫ ০০:২৭
শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে পুলিশের চেকপোস্ট, সন্দেহভাজনদের তল্লাশি-জিজ্ঞাসাবাদ। রাতভর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বাসাবাড়িতে হানা।
ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে পতিত আওয়ামী লীগের আহুত ১৩ নভেম্বরের ‘লক ডাউন’ কর্মসূচিকে ঘিরে নৈরাজ্য রোধে বিভাগীয় শহর বরিশালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কয়েকস্তরের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছে। এই দিনটিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটি যাতে কোনো রকমের সহিংস পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে সে জন্য শহরের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসানোসহ সন্দেহভাজন ব্যক্তি-বিশেষকে থামিয়ে তল্লাশি, এমনকি জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কর্মসূচির একদিন আগে অর্থাৎ বুধবার সকাল থেকে শহরবাসীর নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই উদ্যোগ নিলেও এর আগে মঙ্গলবার রাতে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ধরতে তাদের বাসা-বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। তাদের এই অভিযানে কৃষকলীগ এবং ছাত্রলীগের অন্তত ৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য বুধবার বিকেলে নিশ্চিত করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ১৩ নভেম্বর ‘ঢাকা লক ডাউন’ ঘোষণা করা হলেও বিভাগীয় শহর বরিশালসহ আশপাশ জেলাসমূহে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বড় ধরনের অঘটন ঘটিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ধাক্কা দিতে চাইছে। শহরের কাশিপুর এলাকা থেকে মঙ্গলবার রাতে মিন্টু নামের এক ছাত্রলীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার এবং জিজ্ঞাসাবাদে এই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে। অবশ্য এর আগেই শহরের চারটি থানা কোতয়ালি, কাউনিয়া, বন্দর এবং বিমানবন্দরের আওতাধীন এলাকাসমূহে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়। এবং প্রতিটি থানার গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করাসহ শহরের প্রবেশদ্বার গড়িয়ারপাড়, দপদপিয়া এবং কালিজিরায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চেকপোস্ট বসিয়েছে।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবারে আওয়ামী লীগের কর্মসূচিকে ঘিরে নগরবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে এবং জানমাল রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও র্যাবও টহল ডিউটি পালন করে যাচ্ছে। সেই সাথে সাদাপোশাকে মাঠে অবস্থান নিয়েছে পুলিশের একাধিক গোয়েন্দা টিম, যারা মহল্লা বিশেষ দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার ১৩ নভেম্বর এবং এর আগে পরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কীর্তনখোলা নদী লাগোয়া জনপদ বরিশালে যাতে কোনো রূপ অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারে তার জন্য বরিশাল বিএনপিও ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। মঙ্গলবার রাতে দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতা আফরোজা খানম নাসরিন কমী-সমর্থকদের নিয়ে শহরে মোটরসাইকেল মহড়া দিয়েছেন। এবং বিএনপির পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য রুখে দেওয়াসহ শহরকে নিরাপদ রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাসও দেওয়া হয়।
মাঠপুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ১৩ নভেম্বরকে ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইলে তা প্রতিহত করতে সর্বোচ্চ নির্দেশনা রয়েছে। প্রস্তুতিস্বরূপ শহরের সদর রোড, আমতলার মোড়, রূপাতলী, সিঅ্যান্ডবি রোড, নথুল্লাবাদ, কাশিপুর, গড়িয়ারপাড়সহ অন্তত শতাধিক স্থানে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করার পাশাপাশি চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজনদের তল্লাশি করা হচ্ছে। মাঠপুলিশের এই কার্যক্রম সিসি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তদারকি করছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলামসহ ডিসি-এডিসি পদমর্যাদার আরও অন্তত ৬ কর্মকর্তা।
কোতয়ালিসহ মেট্রোপলিটনের আওতাধীন চার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন, শহরবাসীর জানমাল রক্ষায় চেয়ে কয়েকগুন নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচিকে ঘিরে দুদিন আগে থেকেই তাদের প্রস্তুতি রয়েছে। বিশেষ করে শহরের প্রবেশদ্বারগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক নজর রেখেছে, যাতে বাইরে থেকে কেউ বা কারা প্রবেশ করে নৈরাজ্য তৈরি না করতে পারে।
এই তথ্য নিশ্চিত করে বরিশাল পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, শহরের চারদিকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। সেনাবাহিনী ও র্যাব টহলে থাকলেও বিশেষ স্থানসমূহে পুলিশ অবস্থান নিয়ে আছে। এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দাপুলিশের একাধিক টিম সার্বক্ষণিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। দুদিনে আওয়ামী লীগের অন্তত ৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে মাঠপুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া আছে, জানান বিএমপি কমিশনার।
এদিকে আওয়ামী লীগের ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচি রুখে দিতে বরিশাল শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মিছিলটি শহরের জিলা স্কুলের সামনে থেকে বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সদর রোড গিয়ে সমাপ্ত হয়।’
শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে পুলিশের চেকপোস্ট, সন্দেহভাজনদের তল্লাশি-জিজ্ঞাসাবাদ। রাতভর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বাসাবাড়িতে হানা।
ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে পতিত আওয়ামী লীগের আহুত ১৩ নভেম্বরের ‘লক ডাউন’ কর্মসূচিকে ঘিরে নৈরাজ্য রোধে বিভাগীয় শহর বরিশালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কয়েকস্তরের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছে। এই দিনটিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটি যাতে কোনো রকমের সহিংস পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে সে জন্য শহরের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসানোসহ সন্দেহভাজন ব্যক্তি-বিশেষকে থামিয়ে তল্লাশি, এমনকি জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কর্মসূচির একদিন আগে অর্থাৎ বুধবার সকাল থেকে শহরবাসীর নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই উদ্যোগ নিলেও এর আগে মঙ্গলবার রাতে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ধরতে তাদের বাসা-বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। তাদের এই অভিযানে কৃষকলীগ এবং ছাত্রলীগের অন্তত ৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য বুধবার বিকেলে নিশ্চিত করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ১৩ নভেম্বর ‘ঢাকা লক ডাউন’ ঘোষণা করা হলেও বিভাগীয় শহর বরিশালসহ আশপাশ জেলাসমূহে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বড় ধরনের অঘটন ঘটিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ধাক্কা দিতে চাইছে। শহরের কাশিপুর এলাকা থেকে মঙ্গলবার রাতে মিন্টু নামের এক ছাত্রলীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার এবং জিজ্ঞাসাবাদে এই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে। অবশ্য এর আগেই শহরের চারটি থানা কোতয়ালি, কাউনিয়া, বন্দর এবং বিমানবন্দরের আওতাধীন এলাকাসমূহে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়। এবং প্রতিটি থানার গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করাসহ শহরের প্রবেশদ্বার গড়িয়ারপাড়, দপদপিয়া এবং কালিজিরায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চেকপোস্ট বসিয়েছে।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবারে আওয়ামী লীগের কর্মসূচিকে ঘিরে নগরবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে এবং জানমাল রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও র্যাবও টহল ডিউটি পালন করে যাচ্ছে। সেই সাথে সাদাপোশাকে মাঠে অবস্থান নিয়েছে পুলিশের একাধিক গোয়েন্দা টিম, যারা মহল্লা বিশেষ দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার ১৩ নভেম্বর এবং এর আগে পরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কীর্তনখোলা নদী লাগোয়া জনপদ বরিশালে যাতে কোনো রূপ অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারে তার জন্য বরিশাল বিএনপিও ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। মঙ্গলবার রাতে দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতা আফরোজা খানম নাসরিন কমী-সমর্থকদের নিয়ে শহরে মোটরসাইকেল মহড়া দিয়েছেন। এবং বিএনপির পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য রুখে দেওয়াসহ শহরকে নিরাপদ রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাসও দেওয়া হয়।
মাঠপুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ১৩ নভেম্বরকে ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইলে তা প্রতিহত করতে সর্বোচ্চ নির্দেশনা রয়েছে। প্রস্তুতিস্বরূপ শহরের সদর রোড, আমতলার মোড়, রূপাতলী, সিঅ্যান্ডবি রোড, নথুল্লাবাদ, কাশিপুর, গড়িয়ারপাড়সহ অন্তত শতাধিক স্থানে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করার পাশাপাশি চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজনদের তল্লাশি করা হচ্ছে। মাঠপুলিশের এই কার্যক্রম সিসি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তদারকি করছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলামসহ ডিসি-এডিসি পদমর্যাদার আরও অন্তত ৬ কর্মকর্তা।
কোতয়ালিসহ মেট্রোপলিটনের আওতাধীন চার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন, শহরবাসীর জানমাল রক্ষায় চেয়ে কয়েকগুন নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচিকে ঘিরে দুদিন আগে থেকেই তাদের প্রস্তুতি রয়েছে। বিশেষ করে শহরের প্রবেশদ্বারগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক নজর রেখেছে, যাতে বাইরে থেকে কেউ বা কারা প্রবেশ করে নৈরাজ্য তৈরি না করতে পারে।
এই তথ্য নিশ্চিত করে বরিশাল পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, শহরের চারদিকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। সেনাবাহিনী ও র্যাব টহলে থাকলেও বিশেষ স্থানসমূহে পুলিশ অবস্থান নিয়ে আছে। এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দাপুলিশের একাধিক টিম সার্বক্ষণিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। দুদিনে আওয়ামী লীগের অন্তত ৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে মাঠপুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া আছে, জানান বিএমপি কমিশনার।
এদিকে আওয়ামী লীগের ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচি রুখে দিতে বরিশাল শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মিছিলটি শহরের জিলা স্কুলের সামনে থেকে বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সদর রোড গিয়ে সমাপ্ত হয়।’

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.