
১৩ নভেম্বর, ২০২৫ ০০:২৭
শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে পুলিশের চেকপোস্ট, সন্দেহভাজনদের তল্লাশি-জিজ্ঞাসাবাদ। রাতভর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বাসাবাড়িতে হানা।
ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে পতিত আওয়ামী লীগের আহুত ১৩ নভেম্বরের ‘লক ডাউন’ কর্মসূচিকে ঘিরে নৈরাজ্য রোধে বিভাগীয় শহর বরিশালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কয়েকস্তরের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছে। এই দিনটিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটি যাতে কোনো রকমের সহিংস পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে সে জন্য শহরের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসানোসহ সন্দেহভাজন ব্যক্তি-বিশেষকে থামিয়ে তল্লাশি, এমনকি জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কর্মসূচির একদিন আগে অর্থাৎ বুধবার সকাল থেকে শহরবাসীর নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই উদ্যোগ নিলেও এর আগে মঙ্গলবার রাতে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ধরতে তাদের বাসা-বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। তাদের এই অভিযানে কৃষকলীগ এবং ছাত্রলীগের অন্তত ৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য বুধবার বিকেলে নিশ্চিত করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ১৩ নভেম্বর ‘ঢাকা লক ডাউন’ ঘোষণা করা হলেও বিভাগীয় শহর বরিশালসহ আশপাশ জেলাসমূহে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বড় ধরনের অঘটন ঘটিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ধাক্কা দিতে চাইছে। শহরের কাশিপুর এলাকা থেকে মঙ্গলবার রাতে মিন্টু নামের এক ছাত্রলীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার এবং জিজ্ঞাসাবাদে এই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে। অবশ্য এর আগেই শহরের চারটি থানা কোতয়ালি, কাউনিয়া, বন্দর এবং বিমানবন্দরের আওতাধীন এলাকাসমূহে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়। এবং প্রতিটি থানার গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করাসহ শহরের প্রবেশদ্বার গড়িয়ারপাড়, দপদপিয়া এবং কালিজিরায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চেকপোস্ট বসিয়েছে।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবারে আওয়ামী লীগের কর্মসূচিকে ঘিরে নগরবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে এবং জানমাল রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও র্যাবও টহল ডিউটি পালন করে যাচ্ছে। সেই সাথে সাদাপোশাকে মাঠে অবস্থান নিয়েছে পুলিশের একাধিক গোয়েন্দা টিম, যারা মহল্লা বিশেষ দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার ১৩ নভেম্বর এবং এর আগে পরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কীর্তনখোলা নদী লাগোয়া জনপদ বরিশালে যাতে কোনো রূপ অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারে তার জন্য বরিশাল বিএনপিও ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। মঙ্গলবার রাতে দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতা আফরোজা খানম নাসরিন কমী-সমর্থকদের নিয়ে শহরে মোটরসাইকেল মহড়া দিয়েছেন। এবং বিএনপির পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য রুখে দেওয়াসহ শহরকে নিরাপদ রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাসও দেওয়া হয়।
মাঠপুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ১৩ নভেম্বরকে ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইলে তা প্রতিহত করতে সর্বোচ্চ নির্দেশনা রয়েছে। প্রস্তুতিস্বরূপ শহরের সদর রোড, আমতলার মোড়, রূপাতলী, সিঅ্যান্ডবি রোড, নথুল্লাবাদ, কাশিপুর, গড়িয়ারপাড়সহ অন্তত শতাধিক স্থানে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করার পাশাপাশি চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজনদের তল্লাশি করা হচ্ছে। মাঠপুলিশের এই কার্যক্রম সিসি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তদারকি করছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলামসহ ডিসি-এডিসি পদমর্যাদার আরও অন্তত ৬ কর্মকর্তা।
কোতয়ালিসহ মেট্রোপলিটনের আওতাধীন চার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন, শহরবাসীর জানমাল রক্ষায় চেয়ে কয়েকগুন নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচিকে ঘিরে দুদিন আগে থেকেই তাদের প্রস্তুতি রয়েছে। বিশেষ করে শহরের প্রবেশদ্বারগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক নজর রেখেছে, যাতে বাইরে থেকে কেউ বা কারা প্রবেশ করে নৈরাজ্য তৈরি না করতে পারে।
এই তথ্য নিশ্চিত করে বরিশাল পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, শহরের চারদিকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। সেনাবাহিনী ও র্যাব টহলে থাকলেও বিশেষ স্থানসমূহে পুলিশ অবস্থান নিয়ে আছে। এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দাপুলিশের একাধিক টিম সার্বক্ষণিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। দুদিনে আওয়ামী লীগের অন্তত ৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে মাঠপুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া আছে, জানান বিএমপি কমিশনার।
এদিকে আওয়ামী লীগের ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচি রুখে দিতে বরিশাল শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মিছিলটি শহরের জিলা স্কুলের সামনে থেকে বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সদর রোড গিয়ে সমাপ্ত হয়।’
শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে পুলিশের চেকপোস্ট, সন্দেহভাজনদের তল্লাশি-জিজ্ঞাসাবাদ। রাতভর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বাসাবাড়িতে হানা।
ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে পতিত আওয়ামী লীগের আহুত ১৩ নভেম্বরের ‘লক ডাউন’ কর্মসূচিকে ঘিরে নৈরাজ্য রোধে বিভাগীয় শহর বরিশালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কয়েকস্তরের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছে। এই দিনটিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলটি যাতে কোনো রকমের সহিংস পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে সে জন্য শহরের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসানোসহ সন্দেহভাজন ব্যক্তি-বিশেষকে থামিয়ে তল্লাশি, এমনকি জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কর্মসূচির একদিন আগে অর্থাৎ বুধবার সকাল থেকে শহরবাসীর নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই উদ্যোগ নিলেও এর আগে মঙ্গলবার রাতে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ধরতে তাদের বাসা-বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। তাদের এই অভিযানে কৃষকলীগ এবং ছাত্রলীগের অন্তত ৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য বুধবার বিকেলে নিশ্চিত করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ১৩ নভেম্বর ‘ঢাকা লক ডাউন’ ঘোষণা করা হলেও বিভাগীয় শহর বরিশালসহ আশপাশ জেলাসমূহে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বড় ধরনের অঘটন ঘটিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ধাক্কা দিতে চাইছে। শহরের কাশিপুর এলাকা থেকে মঙ্গলবার রাতে মিন্টু নামের এক ছাত্রলীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার এবং জিজ্ঞাসাবাদে এই ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে। অবশ্য এর আগেই শহরের চারটি থানা কোতয়ালি, কাউনিয়া, বন্দর এবং বিমানবন্দরের আওতাধীন এলাকাসমূহে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়। এবং প্রতিটি থানার গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করাসহ শহরের প্রবেশদ্বার গড়িয়ারপাড়, দপদপিয়া এবং কালিজিরায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চেকপোস্ট বসিয়েছে।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবারে আওয়ামী লীগের কর্মসূচিকে ঘিরে নগরবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে এবং জানমাল রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও র্যাবও টহল ডিউটি পালন করে যাচ্ছে। সেই সাথে সাদাপোশাকে মাঠে অবস্থান নিয়েছে পুলিশের একাধিক গোয়েন্দা টিম, যারা মহল্লা বিশেষ দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার ১৩ নভেম্বর এবং এর আগে পরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কীর্তনখোলা নদী লাগোয়া জনপদ বরিশালে যাতে কোনো রূপ অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারে তার জন্য বরিশাল বিএনপিও ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। মঙ্গলবার রাতে দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতা আফরোজা খানম নাসরিন কমী-সমর্থকদের নিয়ে শহরে মোটরসাইকেল মহড়া দিয়েছেন। এবং বিএনপির পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য রুখে দেওয়াসহ শহরকে নিরাপদ রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাসও দেওয়া হয়।
মাঠপুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ১৩ নভেম্বরকে ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইলে তা প্রতিহত করতে সর্বোচ্চ নির্দেশনা রয়েছে। প্রস্তুতিস্বরূপ শহরের সদর রোড, আমতলার মোড়, রূপাতলী, সিঅ্যান্ডবি রোড, নথুল্লাবাদ, কাশিপুর, গড়িয়ারপাড়সহ অন্তত শতাধিক স্থানে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করার পাশাপাশি চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজনদের তল্লাশি করা হচ্ছে। মাঠপুলিশের এই কার্যক্রম সিসি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তদারকি করছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলামসহ ডিসি-এডিসি পদমর্যাদার আরও অন্তত ৬ কর্মকর্তা।
কোতয়ালিসহ মেট্রোপলিটনের আওতাধীন চার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন, শহরবাসীর জানমাল রক্ষায় চেয়ে কয়েকগুন নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচিকে ঘিরে দুদিন আগে থেকেই তাদের প্রস্তুতি রয়েছে। বিশেষ করে শহরের প্রবেশদ্বারগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক নজর রেখেছে, যাতে বাইরে থেকে কেউ বা কারা প্রবেশ করে নৈরাজ্য তৈরি না করতে পারে।
এই তথ্য নিশ্চিত করে বরিশাল পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, শহরের চারদিকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। সেনাবাহিনী ও র্যাব টহলে থাকলেও বিশেষ স্থানসমূহে পুলিশ অবস্থান নিয়ে আছে। এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দাপুলিশের একাধিক টিম সার্বক্ষণিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। দুদিনে আওয়ামী লীগের অন্তত ৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে মাঠপুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া আছে, জানান বিএমপি কমিশনার।
এদিকে আওয়ামী লীগের ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচি রুখে দিতে বরিশাল শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মিছিলটি শহরের জিলা স্কুলের সামনে থেকে বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সদর রোড গিয়ে সমাপ্ত হয়।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৮:১২
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৫:৩৬
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুম ও অপহরণের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অবমাননা করা হচ্ছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রবিবার (১৪ জুন) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে জড়ো হয়ে নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে ববি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, “ছাত্রশিবির পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। গুম ও অপহরণের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে তারা ভিকটিম সেজে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে।” তিনি আরও বলেন, “ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করা হবে।”
এ সময় ববি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে সরকারবিরোধী যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। সংগঠনটির নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা অসামাজিক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এতে তাদের নৈতিক অবস্থান আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এ ধরনের দ্বিচারিতা থেকে বের না হলে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক জিসান ১১ জুন নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তাঁর স্বজনরা দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের দাবি, ওই সম্পর্কের জেরে নারীটি অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়।
পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তা এড়াতে তিনি আত্মগোপনে যান এবং নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজান বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুম ও অপহরণের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অবমাননা করা হচ্ছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রবিবার (১৪ জুন) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে জড়ো হয়ে নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে ববি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, “ছাত্রশিবির পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। গুম ও অপহরণের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে তারা ভিকটিম সেজে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে।” তিনি আরও বলেন, “ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করা হবে।”
এ সময় ববি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে সরকারবিরোধী যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। সংগঠনটির নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা অসামাজিক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এতে তাদের নৈতিক অবস্থান আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এ ধরনের দ্বিচারিতা থেকে বের না হলে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক জিসান ১১ জুন নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তাঁর স্বজনরা দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের দাবি, ওই সম্পর্কের জেরে নারীটি অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়।
পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তা এড়াতে তিনি আত্মগোপনে যান এবং নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজান বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৪:৫৬
বরিশালে সবজির বাজারে স্বস্তি মিললেও অস্বস্তি বাড়াচ্ছে মাছের চড়া দাম। তবে নাগালের মধ্যে রয়েছে ব্রয়লার মুরগি ও মাংসের দাম। সোমবার (১৫ জুন) সকালে বরিশাল নগরীর পাইকারি সবজির বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেট ও কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই কাঁচামরিচ ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শসা ১২ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, করলা ২০ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ১৫ থেকে ২০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৭০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০ টাকা, ঝিঙে ১৫ থেকে ২০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ১৫ টাকা, পটল ৭ টাকা, লেবু হালি ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজি খুচরা বাজারে দ্বিগুণ দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ৯০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৯০ থেকে ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ২০ টাকা, ঝিঙে ২৫ থেকে ৩৫ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৩০ টাকা, পটল ২০ টাকা, লেবু হালি ১২ থেকে ১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
নগরীর বাংলাবাজারের খুচরা ব্যবসায়ী তৌহিদ বলেন, পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া দিয়ে আনতে হয়। পরে বাজারে বিক্রি করতে হলে ইজারা, বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। যে কারণে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে দাম কিছুটা বেশি।
এদিকে কিছু দিন ধরেই বরিশালের বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা এবং লেয়ার ২৯০ থেকে ৩১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৮০০ টাকা ও খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ প্রতি কেজি আকার ভেদে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল আকার ভেদে ২২০ থেকে ৫০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, টাকি ২২০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ১২০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা কেজি ও পাঙাশ ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আগের তুলনায় বেড়েছে সামুদ্রিক মাছের দামও।
পোর্ট রোড বাজার করতে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মুশফিকুর রহমান বলেন, আগে এক হাজার টাকা নিয়ে বাজারে আসলে মাছ সবজি দুটোই কেনা যেতে, এখন এক হাজার টাকায় এক ধরনের মাছ কেনাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আর ইলিশ তো এখন সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।
বরিশালে সবজির বাজারে স্বস্তি মিললেও অস্বস্তি বাড়াচ্ছে মাছের চড়া দাম। তবে নাগালের মধ্যে রয়েছে ব্রয়লার মুরগি ও মাংসের দাম। সোমবার (১৫ জুন) সকালে বরিশাল নগরীর পাইকারি সবজির বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেট ও কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই কাঁচামরিচ ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শসা ১২ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, করলা ২০ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ১৫ থেকে ২০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৭০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০ টাকা, ঝিঙে ১৫ থেকে ২০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ১৫ টাকা, পটল ৭ টাকা, লেবু হালি ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজি খুচরা বাজারে দ্বিগুণ দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ৯০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৯০ থেকে ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ২০ টাকা, ঝিঙে ২৫ থেকে ৩৫ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৩০ টাকা, পটল ২০ টাকা, লেবু হালি ১২ থেকে ১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
নগরীর বাংলাবাজারের খুচরা ব্যবসায়ী তৌহিদ বলেন, পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া দিয়ে আনতে হয়। পরে বাজারে বিক্রি করতে হলে ইজারা, বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। যে কারণে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে দাম কিছুটা বেশি।
এদিকে কিছু দিন ধরেই বরিশালের বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা এবং লেয়ার ২৯০ থেকে ৩১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৮০০ টাকা ও খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ প্রতি কেজি আকার ভেদে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল আকার ভেদে ২২০ থেকে ৫০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, টাকি ২২০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ১২০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা কেজি ও পাঙাশ ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আগের তুলনায় বেড়েছে সামুদ্রিক মাছের দামও।
পোর্ট রোড বাজার করতে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মুশফিকুর রহমান বলেন, আগে এক হাজার টাকা নিয়ে বাজারে আসলে মাছ সবজি দুটোই কেনা যেতে, এখন এক হাজার টাকায় এক ধরনের মাছ কেনাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আর ইলিশ তো এখন সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.