
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৬
বরিশাল ৫ এবং ৬ আসনের প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করিম বলেন, আওয়ামী লীগ যাঁরা করেন, তাদের নাগরিকত্ব বাতিল করেনি সরকার, আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তবে যদি আওয়ামী লীগের কোনো ব্যক্তি অন্যায় না করেন এবং কোনো মামলা না থাকে, তাহলে তার নিরাপত্তার দায়িত্ব সরকারের। বুধবার দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির। দলটির উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
মতবিনিময় সভায় মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করিম বলেন, ‘পুরোনো বন্দোবস্ত দেশের শান্তিশৃঙ্খলা ও সমৃদ্ধি আনতে পারেনি, সামাজিক ন্যায়বিচার ও ইনসাফ কায়েম করতে পারেনি, দেশের টাকা বিদেশে পাচার রোধ করা যায়নি। আমাদের লক্ষ্য, দেশে সব ক্ষেত্রে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা, কোরআন-সুন্নাহর আইন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি কল্যাণ রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা।’
প্রশাসনের উদ্দেশে ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা বলেন, ‘আমরা দেখেছি, প্রশাসন কোনো একটি দলের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। এ দেশের মানুষের মধ্যে সন্দেহ ও প্রশ্ন জেগেছে, এই প্রশাসন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট উপহার দিতে পারবে কি না। এ জন্য প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বলব, আপনারা কোনো বিশেষ দলের দিকে ঝুঁকে পড়বেন না। কালোটাকা, সন্ত্রাসী ও অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার রোধে ব্যবস্থা নিন।’
এখনো অনেককে আওয়ামী লীগ ট্যাগ দিয়ে গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হচ্ছে মন্তব্য করে ফয়জুল করিম বলেন, গণহারে করা মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে লোকজনকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, এটা আর করা যাবে না। সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হলে সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করে এসব বন্ধ করতে হবে।
আওয়ামী লীগের ভোটাররা কাদের ভোট দেবেন, এমন এক প্রশ্নের জবাবে ফয়জুল করিম বলেন, যাদের মাধ্যমে জানমাল, ইজ্জত ও ব্যবসা-বাণিজ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, তারাই জনগণের ভোট পাবেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরাও সেই প্রার্থীকে ভোট দেবেন, যাদের কাছে তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করবেন।
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জোট হয়নি। তবে জামায়াতের আমিরের সম্মানার্থে তার আসনে ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী দেয়নি। তারাও আমাদের সম্মান করে তাদের প্রার্থী তুলে নিয়েছেন, এ জন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই।’
ইসলামী আন্দোলন নতুন কোনো জোটে যাবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ফয়জুল করিম বলেন, ‘নতুন করে কোনো জোটে যাওয়ার এখন সুযোগ নেই। তবে ভবিষ্যতে ইসলামি শরিয়াহর ভিত্তিতে যদি কেউ আইন প্রণয়ন করতে চায়, তাহলে আবারও জোট হতে পারে।’
বরিশাল ৫ এবং ৬ আসনের প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করিম বলেন, আওয়ামী লীগ যাঁরা করেন, তাদের নাগরিকত্ব বাতিল করেনি সরকার, আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তবে যদি আওয়ামী লীগের কোনো ব্যক্তি অন্যায় না করেন এবং কোনো মামলা না থাকে, তাহলে তার নিরাপত্তার দায়িত্ব সরকারের। বুধবার দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির। দলটির উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
মতবিনিময় সভায় মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করিম বলেন, ‘পুরোনো বন্দোবস্ত দেশের শান্তিশৃঙ্খলা ও সমৃদ্ধি আনতে পারেনি, সামাজিক ন্যায়বিচার ও ইনসাফ কায়েম করতে পারেনি, দেশের টাকা বিদেশে পাচার রোধ করা যায়নি। আমাদের লক্ষ্য, দেশে সব ক্ষেত্রে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা, কোরআন-সুন্নাহর আইন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি কল্যাণ রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা।’
প্রশাসনের উদ্দেশে ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা বলেন, ‘আমরা দেখেছি, প্রশাসন কোনো একটি দলের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। এ দেশের মানুষের মধ্যে সন্দেহ ও প্রশ্ন জেগেছে, এই প্রশাসন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট উপহার দিতে পারবে কি না। এ জন্য প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বলব, আপনারা কোনো বিশেষ দলের দিকে ঝুঁকে পড়বেন না। কালোটাকা, সন্ত্রাসী ও অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার রোধে ব্যবস্থা নিন।’
এখনো অনেককে আওয়ামী লীগ ট্যাগ দিয়ে গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হচ্ছে মন্তব্য করে ফয়জুল করিম বলেন, গণহারে করা মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে লোকজনকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, এটা আর করা যাবে না। সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হলে সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করে এসব বন্ধ করতে হবে।
আওয়ামী লীগের ভোটাররা কাদের ভোট দেবেন, এমন এক প্রশ্নের জবাবে ফয়জুল করিম বলেন, যাদের মাধ্যমে জানমাল, ইজ্জত ও ব্যবসা-বাণিজ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, তারাই জনগণের ভোট পাবেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরাও সেই প্রার্থীকে ভোট দেবেন, যাদের কাছে তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করবেন।
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জোট হয়নি। তবে জামায়াতের আমিরের সম্মানার্থে তার আসনে ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী দেয়নি। তারাও আমাদের সম্মান করে তাদের প্রার্থী তুলে নিয়েছেন, এ জন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই।’
ইসলামী আন্দোলন নতুন কোনো জোটে যাবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ফয়জুল করিম বলেন, ‘নতুন করে কোনো জোটে যাওয়ার এখন সুযোগ নেই। তবে ভবিষ্যতে ইসলামি শরিয়াহর ভিত্তিতে যদি কেউ আইন প্রণয়ন করতে চায়, তাহলে আবারও জোট হতে পারে।’

১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
বরিশালে কেএমসি হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত মনির খান (৩৮) বাবুগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাহেরচর গ্রামের মৃত আব্দুল হক খানের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় মনির খানকে কেএমসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনির খানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, কেএমসি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে কেএমসি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালে কেএমসি হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত মনির খান (৩৮) বাবুগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বাহেরচর গ্রামের মৃত আব্দুল হক খানের ছেলে।
স্বজনদের অভিযোগ, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় মনির খানকে কেএমসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনির খানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসকদের তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, কেএমসি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসাসেবা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে কেএমসি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে একই পরিবারের নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) রাতে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের মধ্য গোমা গ্রামের মিজানুর রহমান রিবুর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাসেম খানের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মামলার বাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞার আবেদন আদালত নাকচ করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিরোধপূর্ণ জমিতে মিজানুর রহমান রিবুর পরিবার পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের হৃদয় হোসেন ইউনুচ খা (৩৫), শাহআলম খা (৫৫), শাহিন খান (৩৬), সিরাজ হাওলাদার (৪০), ওহিদুল ইসলাম (৪৪), সোহাগ খান (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২৫)সহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা রিবুর পাশের একটি দোকান ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
হামলার সময় বাধা দিতে গেলে মিজানুর রহমান রিবু (৪৪), আব্দুর রশিদ খান (৬২), শিরিন বেগম (৪০) ও খলিলুর রহমান (৬০) আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠান।
এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান রিবুর সহোদর আসাদুল হক নান্টু খান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোমা গ্রামে জমিজমা-সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে একই পরিবারের নারীসহ চারজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) রাতে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুধল ইউনিয়নের মধ্য গোমা গ্রামের মিজানুর রহমান রিবুর পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার কাসেম খানের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মামলার বাদীপক্ষের নিষেধাজ্ঞার আবেদন আদালত নাকচ করে দেন।
অভিযোগে বলা হয়, সোমবার বিরোধপূর্ণ জমিতে মিজানুর রহমান রিবুর পরিবার পাকা ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষের হৃদয় হোসেন ইউনুচ খা (৩৫), শাহআলম খা (৫৫), শাহিন খান (৩৬), সিরাজ হাওলাদার (৪০), ওহিদুল ইসলাম (৪৪), সোহাগ খান (২৫), রাব্বি হাওলাদার (২৫)সহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা রিবুর পাশের একটি দোকান ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
হামলার সময় বাধা দিতে গেলে মিজানুর রহমান রিবু (৪৪), আব্দুর রশিদ খান (৬২), শিরিন বেগম (৪০) ও খলিলুর রহমান (৬০) আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠান।
এ ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান রিবুর সহোদর আসাদুল হক নান্টু খান বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮-১০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিলুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

০৯ জুন, ২০২৬ ১৮:০৫
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ২০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। তাই সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোতে তোলা হয়েছে এক নম্বর সংকেত। মঙ্গলবার (৯ জুন) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানিয়েছেন, বরিশাল, পটুয়াখালী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নৌবন্দরকে এক নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের ২০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। তাই সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোতে তোলা হয়েছে এক নম্বর সংকেত। মঙ্গলবার (৯ জুন) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানিয়েছেন, বরিশাল, পটুয়াখালী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নৌবন্দরকে এক নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮
০৯ জুন, ২০২৬ ২১:৪৭