
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৬
বরিশাল ৫ এবং ৬ আসনের প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করিম বলেন, আওয়ামী লীগ যাঁরা করেন, তাদের নাগরিকত্ব বাতিল করেনি সরকার, আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তবে যদি আওয়ামী লীগের কোনো ব্যক্তি অন্যায় না করেন এবং কোনো মামলা না থাকে, তাহলে তার নিরাপত্তার দায়িত্ব সরকারের। বুধবার দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির। দলটির উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
মতবিনিময় সভায় মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করিম বলেন, ‘পুরোনো বন্দোবস্ত দেশের শান্তিশৃঙ্খলা ও সমৃদ্ধি আনতে পারেনি, সামাজিক ন্যায়বিচার ও ইনসাফ কায়েম করতে পারেনি, দেশের টাকা বিদেশে পাচার রোধ করা যায়নি। আমাদের লক্ষ্য, দেশে সব ক্ষেত্রে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা, কোরআন-সুন্নাহর আইন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি কল্যাণ রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা।’
প্রশাসনের উদ্দেশে ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা বলেন, ‘আমরা দেখেছি, প্রশাসন কোনো একটি দলের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। এ দেশের মানুষের মধ্যে সন্দেহ ও প্রশ্ন জেগেছে, এই প্রশাসন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট উপহার দিতে পারবে কি না। এ জন্য প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বলব, আপনারা কোনো বিশেষ দলের দিকে ঝুঁকে পড়বেন না। কালোটাকা, সন্ত্রাসী ও অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার রোধে ব্যবস্থা নিন।’
এখনো অনেককে আওয়ামী লীগ ট্যাগ দিয়ে গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হচ্ছে মন্তব্য করে ফয়জুল করিম বলেন, গণহারে করা মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে লোকজনকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, এটা আর করা যাবে না। সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হলে সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করে এসব বন্ধ করতে হবে।
আওয়ামী লীগের ভোটাররা কাদের ভোট দেবেন, এমন এক প্রশ্নের জবাবে ফয়জুল করিম বলেন, যাদের মাধ্যমে জানমাল, ইজ্জত ও ব্যবসা-বাণিজ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, তারাই জনগণের ভোট পাবেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরাও সেই প্রার্থীকে ভোট দেবেন, যাদের কাছে তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করবেন।
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জোট হয়নি। তবে জামায়াতের আমিরের সম্মানার্থে তার আসনে ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী দেয়নি। তারাও আমাদের সম্মান করে তাদের প্রার্থী তুলে নিয়েছেন, এ জন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই।’
ইসলামী আন্দোলন নতুন কোনো জোটে যাবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ফয়জুল করিম বলেন, ‘নতুন করে কোনো জোটে যাওয়ার এখন সুযোগ নেই। তবে ভবিষ্যতে ইসলামি শরিয়াহর ভিত্তিতে যদি কেউ আইন প্রণয়ন করতে চায়, তাহলে আবারও জোট হতে পারে।’
বরিশাল ৫ এবং ৬ আসনের প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করিম বলেন, আওয়ামী লীগ যাঁরা করেন, তাদের নাগরিকত্ব বাতিল করেনি সরকার, আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তবে যদি আওয়ামী লীগের কোনো ব্যক্তি অন্যায় না করেন এবং কোনো মামলা না থাকে, তাহলে তার নিরাপত্তার দায়িত্ব সরকারের। বুধবার দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির। দলটির উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
মতবিনিময় সভায় মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করিম বলেন, ‘পুরোনো বন্দোবস্ত দেশের শান্তিশৃঙ্খলা ও সমৃদ্ধি আনতে পারেনি, সামাজিক ন্যায়বিচার ও ইনসাফ কায়েম করতে পারেনি, দেশের টাকা বিদেশে পাচার রোধ করা যায়নি। আমাদের লক্ষ্য, দেশে সব ক্ষেত্রে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা, কোরআন-সুন্নাহর আইন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি কল্যাণ রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা।’
প্রশাসনের উদ্দেশে ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা বলেন, ‘আমরা দেখেছি, প্রশাসন কোনো একটি দলের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। এ দেশের মানুষের মধ্যে সন্দেহ ও প্রশ্ন জেগেছে, এই প্রশাসন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট উপহার দিতে পারবে কি না। এ জন্য প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বলব, আপনারা কোনো বিশেষ দলের দিকে ঝুঁকে পড়বেন না। কালোটাকা, সন্ত্রাসী ও অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার রোধে ব্যবস্থা নিন।’
এখনো অনেককে আওয়ামী লীগ ট্যাগ দিয়ে গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হচ্ছে মন্তব্য করে ফয়জুল করিম বলেন, গণহারে করা মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে লোকজনকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, এটা আর করা যাবে না। সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হলে সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করে এসব বন্ধ করতে হবে।
আওয়ামী লীগের ভোটাররা কাদের ভোট দেবেন, এমন এক প্রশ্নের জবাবে ফয়জুল করিম বলেন, যাদের মাধ্যমে জানমাল, ইজ্জত ও ব্যবসা-বাণিজ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, তারাই জনগণের ভোট পাবেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরাও সেই প্রার্থীকে ভোট দেবেন, যাদের কাছে তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করবেন।
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জোট হয়নি। তবে জামায়াতের আমিরের সম্মানার্থে তার আসনে ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী দেয়নি। তারাও আমাদের সম্মান করে তাদের প্রার্থী তুলে নিয়েছেন, এ জন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই।’
ইসলামী আন্দোলন নতুন কোনো জোটে যাবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ফয়জুল করিম বলেন, ‘নতুন করে কোনো জোটে যাওয়ার এখন সুযোগ নেই। তবে ভবিষ্যতে ইসলামি শরিয়াহর ভিত্তিতে যদি কেউ আইন প্রণয়ন করতে চায়, তাহলে আবারও জোট হতে পারে।’

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪৭
সারা দেশে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ কালবৈশাখী হতে পারে। এসব অঞ্চলের সময় কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক।
ওমর ফারুক জানান, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও রংপুরের ২/১ জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।
এদিকে, মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে। খুলনার কয়রা, সাতক্ষীরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও দিনাজপুরে শিলাবৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করেছে।
সারা দেশে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ কালবৈশাখী হতে পারে। এসব অঞ্চলের সময় কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক।
ওমর ফারুক জানান, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও রংপুরের ২/১ জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।
এদিকে, মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে। খুলনার কয়রা, সাতক্ষীরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও দিনাজপুরে শিলাবৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করেছে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:২১
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রাবিউল আলম জানিয়েছেন, দেশের দীর্ঘতম সেতু- যা ভোলা দ্বীপ জেলা ও বরিশালকে সংযুক্ত করবে- তার নির্মাণ সময়সূচি শিগগিরই ঘোষণা করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশাবাদী।
তিনি বলেন, প্রায় ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি তেঁতুলিয়া নদীর ওপর নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৪৬৬ কোটিরও বেশি টাকা। প্রকল্পটি এখনও অনুমোদনহীন উচ্চ অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। এটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত থাকলেও চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। খুব শিগগিরই নির্মাণ শুরুর তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৭১ বিধির অধীনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান উত্থাপিত জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এডিপিতে বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আমরা সেতুর নির্মাণ শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করতে পারব।
তিনি আরও জানান, ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এটি অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, যা বড় অর্থনৈতিক নীতি, ক্রয় প্রস্তাব এবং প্রকল্প অনুমোদনের দায়িত্বে নিয়োজিত একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি।
বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে শেখ রাবিউল আলম বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর একটি। তিনি গত ৪ ফেব্রুয়ারি বরিশালে নির্বাচনি প্রচারণায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার যদি সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করতে পারে, তাহলে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২০৩৩ সালের মধ্যে এর কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রাবিউল আলম জানিয়েছেন, দেশের দীর্ঘতম সেতু- যা ভোলা দ্বীপ জেলা ও বরিশালকে সংযুক্ত করবে- তার নির্মাণ সময়সূচি শিগগিরই ঘোষণা করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশাবাদী।
তিনি বলেন, প্রায় ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি তেঁতুলিয়া নদীর ওপর নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৪৬৬ কোটিরও বেশি টাকা। প্রকল্পটি এখনও অনুমোদনহীন উচ্চ অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। এটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত থাকলেও চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। খুব শিগগিরই নির্মাণ শুরুর তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৭১ বিধির অধীনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান উত্থাপিত জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বর্তমানে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এডিপিতে বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আমরা সেতুর নির্মাণ শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করতে পারব।
তিনি আরও জানান, ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এটি অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, যা বড় অর্থনৈতিক নীতি, ক্রয় প্রস্তাব এবং প্রকল্প অনুমোদনের দায়িত্বে নিয়োজিত একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি।
বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে শেখ রাবিউল আলম বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর একটি। তিনি গত ৪ ফেব্রুয়ারি বরিশালে নির্বাচনি প্রচারণায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার যদি সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করতে পারে, তাহলে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ২০৩৩ সালের মধ্যে এর কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১৬
স্কুলে আসা যাওয়ার পথে দশম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে অব্যাহতভাবে উত্যক্ত করা হচ্ছে। বর্তমানে ওই ছাত্রী ও তার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে স্কুল ছাত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন।
ভূক্তভোগী ওই ছাত্রী বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ওটরা হাই স্কুলের দশম শ্রেনীর ছাত্রী। মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ ওটরা বাজার সংলগ্ন হাওলাদার বাড়ির বাসিন্দা মরহুম ইয়াসিন আলী হাওলাদারের মেয়ে জিনিয়া ইয়াসমিন মনি জানিয়েছেন, তিনি তার দশম শ্রেনীতে পড়ুয়া মেয়ে কংকা আক্তারকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছেন।
অভিযোগ করে তিনি বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে প্রতিপক্ষের প্রভাবশালীরা তার মেয়ে স্কুলে যাওয়া আসার পথে বিভিন্ন ধরনের উত্যক্ত করে আসছে। এমনকি তাদের কয়েক দফায় মারধরও করেছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিপক্ষের লোকজনে তাদের মা ও মেয়েকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।
স্কুল ছাত্রী কংকা আক্তার জানিয়েছে, মায়ের সাথে নানা বাড়িতে থেকে আমি পড়ালেখা করছি। জমিজমা নিয়ে একই বাড়ির হাসান লাল মিয়ার সাথে বিরোধ চলছে। সেই কারনে প্রতিনিয়ত আমাকে হয়রানী করা হচ্ছে। স্কুলে আসা যাওয়ার পথে লাল মিয়া তার লোকজনের মাধ্যমে আমাকে উত্যক্ত করে আসছে।
কংকা আক্তার আরও বলেন, অতিসম্প্রতি আমাকে ও আমার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করা হচ্ছে। বিষয়টি জানতে পেরে বর্তমানে আমি স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।
জিনিয়া ইয়াসমিন বলেন, আমার বাবা কাস্টমস অফিসার ছিলেন। তখন হাসান লাল মিয়া আমাদের জমিজমা ও বাড়ি ঘর দেখাশুনা করতেন। আমাদের বাড়ি ঘর মানুষ শুন্য হয়ে পরায় জমিজমা দেখা শুনার নামে হাসান লাল মিয়া পাশের বাসার মিজান, সাইদুর রহমান মাসুদ আমার বাবার সম্পত্তি দখল করা শুরু করেন।
তিনি আরও বলেন, আমার স্বামীর বাড়িতে সমস্যা দেখা দেয়ার পর আমি আমার একমাত্র মেয়ে কংকাকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করা শুরু করি। সেই থেকেই হাসান লাল মিয়ার গাত্রদাহ শুরু হয়। হাসান লাল মিয়া পাশের বাড়ির সাইদুর রহমান মাসুদের সেল্টার নিয়ে আমাকে ও আমার মেয়েকে বাড়িতে বসে প্রায় সময়ই মারধর করতে আসে। আমার মেয়ে স্কুলে গেলে পথে ঘাটে লাল মিয়ার নেতৃত্বে বিভিন্ন লোকজন উত্যক্ত শুরু করে।
অভিযুক্ত হাসান লাল মিয়া তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয় একটি কু-চক্রি মহলের মদদে মা ও মেয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার করছে। যার কোন সত্যতা নেই।
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা জানিয়েছেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্কুলে আসা যাওয়ার পথে দশম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে অব্যাহতভাবে উত্যক্ত করা হচ্ছে। বর্তমানে ওই ছাত্রী ও তার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর থেকে স্কুল ছাত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন।
ভূক্তভোগী ওই ছাত্রী বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ওটরা হাই স্কুলের দশম শ্রেনীর ছাত্রী। মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ ওটরা বাজার সংলগ্ন হাওলাদার বাড়ির বাসিন্দা মরহুম ইয়াসিন আলী হাওলাদারের মেয়ে জিনিয়া ইয়াসমিন মনি জানিয়েছেন, তিনি তার দশম শ্রেনীতে পড়ুয়া মেয়ে কংকা আক্তারকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছেন।
অভিযোগ করে তিনি বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে প্রতিপক্ষের প্রভাবশালীরা তার মেয়ে স্কুলে যাওয়া আসার পথে বিভিন্ন ধরনের উত্যক্ত করে আসছে। এমনকি তাদের কয়েক দফায় মারধরও করেছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিপক্ষের লোকজনে তাদের মা ও মেয়েকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।
স্কুল ছাত্রী কংকা আক্তার জানিয়েছে, মায়ের সাথে নানা বাড়িতে থেকে আমি পড়ালেখা করছি। জমিজমা নিয়ে একই বাড়ির হাসান লাল মিয়ার সাথে বিরোধ চলছে। সেই কারনে প্রতিনিয়ত আমাকে হয়রানী করা হচ্ছে। স্কুলে আসা যাওয়ার পথে লাল মিয়া তার লোকজনের মাধ্যমে আমাকে উত্যক্ত করে আসছে।
কংকা আক্তার আরও বলেন, অতিসম্প্রতি আমাকে ও আমার মাকে পুড়িয়ে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করা হচ্ছে। বিষয়টি জানতে পেরে বর্তমানে আমি স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।
জিনিয়া ইয়াসমিন বলেন, আমার বাবা কাস্টমস অফিসার ছিলেন। তখন হাসান লাল মিয়া আমাদের জমিজমা ও বাড়ি ঘর দেখাশুনা করতেন। আমাদের বাড়ি ঘর মানুষ শুন্য হয়ে পরায় জমিজমা দেখা শুনার নামে হাসান লাল মিয়া পাশের বাসার মিজান, সাইদুর রহমান মাসুদ আমার বাবার সম্পত্তি দখল করা শুরু করেন।
তিনি আরও বলেন, আমার স্বামীর বাড়িতে সমস্যা দেখা দেয়ার পর আমি আমার একমাত্র মেয়ে কংকাকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করা শুরু করি। সেই থেকেই হাসান লাল মিয়ার গাত্রদাহ শুরু হয়। হাসান লাল মিয়া পাশের বাড়ির সাইদুর রহমান মাসুদের সেল্টার নিয়ে আমাকে ও আমার মেয়েকে বাড়িতে বসে প্রায় সময়ই মারধর করতে আসে। আমার মেয়ে স্কুলে গেলে পথে ঘাটে লাল মিয়ার নেতৃত্বে বিভিন্ন লোকজন উত্যক্ত শুরু করে।
অভিযুক্ত হাসান লাল মিয়া তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয় একটি কু-চক্রি মহলের মদদে মা ও মেয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার করছে। যার কোন সত্যতা নেই।
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা জানিয়েছেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.