
০৫ নভেম্বর, ২০২৫ ১৯:২৮
বরিশাল বিভাগে ৬ জেলা ও ৪২টি উপজেলা মিলিয়ে ২১টি আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন শুধু অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে ভোটগ্রহণের অপেক্ষায় আছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশালের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ ভোটগ্রহণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
বিভাগে ২ হাজার ৮১৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫০ কেন্দ্রে (দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত) ব্যালট আগে সরবরাহ করা হবে। বাকিগুলোতে নির্দেশনা অনুযায়ী ভোটের দিন অর্থাৎ ৭ জানুয়ারি সকালে পাঠানো হবে।
আলাউদ্দীন বলেন, আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন জনগণকে উপহার দিতে বদ্ধ পরিকর। সে লক্ষ্যে ভোটের দিন পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ঘিরে ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের কার্যক্রমও চলমান রেখেছে।
আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল বিভাগে ২১টি আসনে ভোটার সংখ্যা ৭৪ লাখ ২৩ হাজার ৫২২। যার মধ্যে ৩৭ লাখ ৭৪ হাজার ১৪৮ জন পুরুষ ও ৩৬ লাখ ৪৯ হাজার ৩১৭ নারী। হিজড়া ভোটার রয়েছে ৫৭ জন।
আর এ ভোটারদের জন্য ২ হাজার ৮১৮টি ভোটকেন্দ্রে পুরুষদের জন্য ৮ হাজার ১১৬ ও নারীদের জন্য ৯ হাজার ১৮০টিসহ ১৭ হাজার ২৯৬টি কক্ষ প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ছাড়া অস্থায়ী ভোট কক্ষের সংখ্যা রয়েছে ১ হাজার ৩২০টি।
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই ৬ জেলার ৬ জন জেলা প্রশাসককে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় অতিরিক্ত ৩ জনসহ ৪৫ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
সেই সঙ্গে বরিশাল জেলায় ১৬ জনসহ গোটা বিভাগে ৬১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্বাচনী এলাকায় আসনভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। পাশাপাশি ২১ জন বিভিন্ন পদমর্যাদার বিচারকের সমন্বয়ে ইলেক্টোরাল ইনকুয়ারি কমিটি গঠন করা হয়।
উল্লেখ্য, গোটা বিভাগে ২১টি বিভিন্ন দলের ৯৫ প্রার্থী ও স্বতন্ত্র ২৫ জন প্রার্থীসহ ১২০ জন প্রার্থী নির্বাচনের ভোটের মাঠে রয়েছেন। তবে মৌখিকভাবে জাতীয় পার্টির দুজন ও স্বতন্ত্র একজন প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
বরিশাল বিভাগে ৬ জেলা ও ৪২টি উপজেলা মিলিয়ে ২১টি আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন শুধু অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে ভোটগ্রহণের অপেক্ষায় আছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশালের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ ভোটগ্রহণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
বিভাগে ২ হাজার ৮১৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫০ কেন্দ্রে (দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত) ব্যালট আগে সরবরাহ করা হবে। বাকিগুলোতে নির্দেশনা অনুযায়ী ভোটের দিন অর্থাৎ ৭ জানুয়ারি সকালে পাঠানো হবে।
আলাউদ্দীন বলেন, আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন জনগণকে উপহার দিতে বদ্ধ পরিকর। সে লক্ষ্যে ভোটের দিন পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ঘিরে ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের কার্যক্রমও চলমান রেখেছে।
আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল বিভাগে ২১টি আসনে ভোটার সংখ্যা ৭৪ লাখ ২৩ হাজার ৫২২। যার মধ্যে ৩৭ লাখ ৭৪ হাজার ১৪৮ জন পুরুষ ও ৩৬ লাখ ৪৯ হাজার ৩১৭ নারী। হিজড়া ভোটার রয়েছে ৫৭ জন।
আর এ ভোটারদের জন্য ২ হাজার ৮১৮টি ভোটকেন্দ্রে পুরুষদের জন্য ৮ হাজার ১১৬ ও নারীদের জন্য ৯ হাজার ১৮০টিসহ ১৭ হাজার ২৯৬টি কক্ষ প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ছাড়া অস্থায়ী ভোট কক্ষের সংখ্যা রয়েছে ১ হাজার ৩২০টি।
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই ৬ জেলার ৬ জন জেলা প্রশাসককে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় অতিরিক্ত ৩ জনসহ ৪৫ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
সেই সঙ্গে বরিশাল জেলায় ১৬ জনসহ গোটা বিভাগে ৬১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্বাচনী এলাকায় আসনভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। পাশাপাশি ২১ জন বিভিন্ন পদমর্যাদার বিচারকের সমন্বয়ে ইলেক্টোরাল ইনকুয়ারি কমিটি গঠন করা হয়।
উল্লেখ্য, গোটা বিভাগে ২১টি বিভিন্ন দলের ৯৫ প্রার্থী ও স্বতন্ত্র ২৫ জন প্রার্থীসহ ১২০ জন প্রার্থী নির্বাচনের ভোটের মাঠে রয়েছেন। তবে মৌখিকভাবে জাতীয় পার্টির দুজন ও স্বতন্ত্র একজন প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৩
বরিশাল নগরীতে হামলার শিকার হয়েছেন মানবাধিকার কর্মী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জেডআই খান পান্নার মেয়ে অ্যাডভোকেট নাদিমা মোহাম্মদী খান (৩৯)। এই অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশ। শনিবার রাতে বরিশাল নগরীর সদর রোডে জেড আই খান পান্নার পারিবারিক বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী নাদিমার অভিযোগ, ‘গত ১৮ জুলাই আমি ও আমার চাচাতো বোন বাড়িতে আসি। সেখানে কিছু যুবক বাড়ির মধ্যে আবর্জনা ফেলে রাখেন। তারা সেখানে মাদকসেবন ও মাদক কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন। আমরা এর প্রতিবাদ করলে তাদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ২৫ থেকে ৩০ জন সংঘবদ্ধ হয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। তখন আমি ৯৯৯ জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করি।’
আইনজীবী কন্যা অভিযোগ করেন, ‘চাচা নজরুল ইসলাম খানের উসকানি ও প্রশ্রয়ে আমাকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার এবং আমার এই বাড়িতে আসা ঠেকাতে এই হামলা চালানো হয়েছে। আহত অবস্থায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি। রোববার সকালে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন।
এই মামলাটিতে চাচা নজরুল ইসলাম খানসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করেছেন। আসামিদের মধ্যে আছেন, রেজাউল ইসলাম সাব্বির এবং জাহিদুল ইসলাম রাজু।
এজাহারে উল্লেখ আছে, নাদিমাকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা এবং ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির জেরে মাদকসেবী ও মাদক বিক্রেতাদের একটি সংঘবদ্ধ দল হামলা চালায়।
বরিশাল কোতয়ালি থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় চাঁদনী নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবং অপর আসামিদেরকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে, জানান বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. হান্নান। পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালাচ্ছে। এ ঘটনায় কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।’

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৪৯

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৪১
জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন নান্নু আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৮ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বলে জানান বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
মরহুমের পারিবারিক সূত্রের বরাতে জানা যায়, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা রেখে গেছেন।
রোববার (১৯ জুলাই) ভোর ৬টায় ঢাকা থেকে মরহুমের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মরহুমের বড় ছেলে জাবেদ হোসেনের সাথে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। সেখানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে মরহুম জাকির হোসেন নান্নুর মৃত্যুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি শোক জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ও তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তারা বলেন, জাকির হোসেন নান্নুর মতো সাহসী নিবেদিত কর্মী সহজে পাওয়া যাবে না। তার আকস্মিক মৃত্যুতে দলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। মহান আল্লাহ যেন তার পরিবারকে শোক কাটিয়ে উঠবার শক্তি দান করেন ও মরহুমকে বেহেশত নসিব করেন এই দোয়া করি।’
বরিশাল নগরীতে হামলার শিকার হয়েছেন মানবাধিকার কর্মী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জেডআই খান পান্নার মেয়ে অ্যাডভোকেট নাদিমা মোহাম্মদী খান (৩৯)। এই অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি পুলিশ। শনিবার রাতে বরিশাল নগরীর সদর রোডে জেড আই খান পান্নার পারিবারিক বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী নাদিমার অভিযোগ, ‘গত ১৮ জুলাই আমি ও আমার চাচাতো বোন বাড়িতে আসি। সেখানে কিছু যুবক বাড়ির মধ্যে আবর্জনা ফেলে রাখেন। তারা সেখানে মাদকসেবন ও মাদক কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন। আমরা এর প্রতিবাদ করলে তাদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ২৫ থেকে ৩০ জন সংঘবদ্ধ হয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। তখন আমি ৯৯৯ জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করি।’
আইনজীবী কন্যা অভিযোগ করেন, ‘চাচা নজরুল ইসলাম খানের উসকানি ও প্রশ্রয়ে আমাকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার এবং আমার এই বাড়িতে আসা ঠেকাতে এই হামলা চালানো হয়েছে। আহত অবস্থায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি। রোববার সকালে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন।
এই মামলাটিতে চাচা নজরুল ইসলাম খানসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করেছেন। আসামিদের মধ্যে আছেন, রেজাউল ইসলাম সাব্বির এবং জাহিদুল ইসলাম রাজু।
এজাহারে উল্লেখ আছে, নাদিমাকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা এবং ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির জেরে মাদকসেবী ও মাদক বিক্রেতাদের একটি সংঘবদ্ধ দল হামলা চালায়।
বরিশাল কোতয়ালি থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় চাঁদনী নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবং অপর আসামিদেরকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে, জানান বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. হান্নান। পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালাচ্ছে। এ ঘটনায় কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।’
‘শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়ার মতো ভুল করার কারণেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন হয়নি’ বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পির)।
তিনি বলেছেন, চব্বিশের এই উত্তাল দিনগুলোতে আমরা আমাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে হুমকির মুখে রেখেও রাজপথে অবস্থান নিয়েছি। চব্বিশের এই দিনেও বাইতুল মোকাররমে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের সমাবেশে আমি ও আমার যুবকর্মীরা ছিলাম। আমাদের ওপরেও নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল স্বৈরাচারের পেটোয়া বাহিনী। আমি ও আমার দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সকলেই সেদিন গুলির মুখে লড়াই করেছি। আমি সেদিনই বলেছিলাম, যত শক্তিশালীই হোক, ফ্যাসিবাদের পতন হবেই ইনশাআল্লাহ। ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। কিন্তু যে লক্ষ্য নিয়ে তরুণ প্রজন্ম আন্দোলন করেছিল, সেই লক্ষ্য পূরণ হয় নাই। শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়ার মতো ভুল করার কারণেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন হয়নি।
রোববার (১৯ জুলাই) ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবসে চেতনায় জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর আরও বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানসহ অতীতের প্রতিটি অভ্যুত্থান, সংগ্রামের পরেই দেশ এমন শক্তির হাতে গিয়েছে, যাদের কাছে ইসলাম, দেশ ও মানবতা নিরাপদ নয়। শিয়ালের কাছে মুরগী বর্গা দেওয়ার মতো ভুল বারবার করার কারণেই জাতির ভাগ্যে বারবার এমন হতাশা নেমে আসে। তাই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তনের লক্ষ্যে ইসলামকে ক্ষমতায় নিতে কাজ করতে হবে। কারণ, ইসলামি শরিয়াহর শাসনই প্রকৃত আদর্শ শাসন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ১৯ জুলাই ২০২৪ তথা আজকের এই দিনে ঢাকায় চরমোনাই পীরের উপস্থিতিতে আয়োজিত যুব আন্দোলনের সমাবেশে এবং মিছিলে পুলিশ মুহুর্মুহু গুলি করে শতাধিক যুবনেতাকে আহত করে। জুলাই অভ্যুত্থানে চরমোনাই পীর দলীয় প্রধান হিসেবে যেভাবে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন, অন্য কোনো দলের ক্ষেত্রে এটা দেখা যায়নি। কিন্তু অনেক দলের মধ্যে আজ জুলাই অভ্যুত্থানের ক্রেডিট নিয়ে টানাটানি ও সুবিধা গ্রহণের প্রতিযোগিতা দেখা যায়, যা লজ্জাজনক।
তিনি আরও বলেন, ঐক্যমত কমিশনে সংস্কার প্রস্তাব তৈরির সময় এনসিপি অনেক বিষয়ে বিএনপির পক্ষ নেওয়ায় অনেক প্রস্তাবই চূড়ান্ত করা যায়নি। কিন্তু পরবর্তীতে নির্বাচনের সময় এনসিপি আবার বিএনপিবিরোধী শিবিরে যুক্ত হয়েছে। যা প্রমাণ করে, জুলাইপরবর্তী নির্বাচনে পাতানো খেলা হয়েছে।
ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদের সভাপতিত্বে এবং জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি রহমাতুল্লাহ বিন হাবিব ও অ্যাসিস্টান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা ইলিয়াস হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলনের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দীন, সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান, ইসলামী যুব অন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি মানসুর আহমদ সাকী, যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নাদিম হাসান এবং সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ওবায়দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
‘শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়ার মতো ভুল করার কারণেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন হয়নি’ বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পির)।
তিনি বলেছেন, চব্বিশের এই উত্তাল দিনগুলোতে আমরা আমাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে হুমকির মুখে রেখেও রাজপথে অবস্থান নিয়েছি। চব্বিশের এই দিনেও বাইতুল মোকাররমে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের সমাবেশে আমি ও আমার যুবকর্মীরা ছিলাম। আমাদের ওপরেও নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল স্বৈরাচারের পেটোয়া বাহিনী। আমি ও আমার দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সকলেই সেদিন গুলির মুখে লড়াই করেছি। আমি সেদিনই বলেছিলাম, যত শক্তিশালীই হোক, ফ্যাসিবাদের পতন হবেই ইনশাআল্লাহ। ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। কিন্তু যে লক্ষ্য নিয়ে তরুণ প্রজন্ম আন্দোলন করেছিল, সেই লক্ষ্য পূরণ হয় নাই। শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়ার মতো ভুল করার কারণেই জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়ন হয়নি।
রোববার (১৯ জুলাই) ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবসে চেতনায় জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর আরও বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানসহ অতীতের প্রতিটি অভ্যুত্থান, সংগ্রামের পরেই দেশ এমন শক্তির হাতে গিয়েছে, যাদের কাছে ইসলাম, দেশ ও মানবতা নিরাপদ নয়। শিয়ালের কাছে মুরগী বর্গা দেওয়ার মতো ভুল বারবার করার কারণেই জাতির ভাগ্যে বারবার এমন হতাশা নেমে আসে। তাই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তনের লক্ষ্যে ইসলামকে ক্ষমতায় নিতে কাজ করতে হবে। কারণ, ইসলামি শরিয়াহর শাসনই প্রকৃত আদর্শ শাসন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ১৯ জুলাই ২০২৪ তথা আজকের এই দিনে ঢাকায় চরমোনাই পীরের উপস্থিতিতে আয়োজিত যুব আন্দোলনের সমাবেশে এবং মিছিলে পুলিশ মুহুর্মুহু গুলি করে শতাধিক যুবনেতাকে আহত করে। জুলাই অভ্যুত্থানে চরমোনাই পীর দলীয় প্রধান হিসেবে যেভাবে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন, অন্য কোনো দলের ক্ষেত্রে এটা দেখা যায়নি। কিন্তু অনেক দলের মধ্যে আজ জুলাই অভ্যুত্থানের ক্রেডিট নিয়ে টানাটানি ও সুবিধা গ্রহণের প্রতিযোগিতা দেখা যায়, যা লজ্জাজনক।
তিনি আরও বলেন, ঐক্যমত কমিশনে সংস্কার প্রস্তাব তৈরির সময় এনসিপি অনেক বিষয়ে বিএনপির পক্ষ নেওয়ায় অনেক প্রস্তাবই চূড়ান্ত করা যায়নি। কিন্তু পরবর্তীতে নির্বাচনের সময় এনসিপি আবার বিএনপিবিরোধী শিবিরে যুক্ত হয়েছে। যা প্রমাণ করে, জুলাইপরবর্তী নির্বাচনে পাতানো খেলা হয়েছে।
ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদের সভাপতিত্বে এবং জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি রহমাতুল্লাহ বিন হাবিব ও অ্যাসিস্টান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা ইলিয়াস হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলনের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দীন, সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান, ইসলামী যুব অন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি মানসুর আহমদ সাকী, যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নাদিম হাসান এবং সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ওবায়দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন নান্নু আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (১৮ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বলে জানান বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
মরহুমের পারিবারিক সূত্রের বরাতে জানা যায়, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা রেখে গেছেন।
রোববার (১৯ জুলাই) ভোর ৬টায় ঢাকা থেকে মরহুমের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মরহুমের বড় ছেলে জাবেদ হোসেনের সাথে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। সেখানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে মরহুম জাকির হোসেন নান্নুর মৃত্যুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি শোক জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ও তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তারা বলেন, জাকির হোসেন নান্নুর মতো সাহসী নিবেদিত কর্মী সহজে পাওয়া যাবে না। তার আকস্মিক মৃত্যুতে দলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। মহান আল্লাহ যেন তার পরিবারকে শোক কাটিয়ে উঠবার শক্তি দান করেন ও মরহুমকে বেহেশত নসিব করেন এই দোয়া করি।’
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:৫৯
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৩
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪১